আমার প্রিয় পোস্ট
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- ব্লগীয় অভিধান কাটাছিঁড়া: 'ছাগু' ও 'কেপি টেস্ট' - ইয়র্কার
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে প্রিয় ব্লগার আরিফুর রহমানের পোস্টে আমার কমেন্ট। - হ্যারি সেলডন
- :: সে রাতে পূর্ণিমার সাথে আমি তোমাকেও দেখেছি :: - নজমুল আলবাব
- ------------------ ব্লগে প্রকাশিত বাংলা গানের যত কথা ( আরো সংযোজন করা হবে ) - রুবেল শাহ
- একজন দয়ালু ঈশ্বর - (অ)গাণিতিক
- চোরের স্রষ্টার পক্ষ থেকে কৈফিয়ত - চোর
- কলসেন্টার ইশকুল -১ - আরিফ জেবতিক
- চেতনায় সামরিকায়ন - রাসেল ( ........)
- এই মহৌষধ আমি কীরূপে পাই লাম - মানস চৌধুরী
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
- Online - এ বাংলা বই - মশিউর রহমান মেহেদী
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- কাব্য-সমালোচনাঃ কবি জারীরের "জাগো হে তরুন" - কৌশিক
- পুতুল (গল্প) - ভুতের আড্ডা
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ! - হমপগ্র
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- ভাষার জন্য ভালোবাসা ( মুহম্মদ জাফর ইকবাল ) - ইরতেজা
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- মা, তোমাকে। - নরাধম
- রিডার্স পিক - প্রশ্নোত্তরের চমৎকার বিশ্লেষণ (কৃতজ্ঞতা নাস্তিকের ধর্মকথা) - পান্থ বিপুল
- সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলো....আপনি কোন স্কুল? কত সনের ব্যাচ? - বকলম
- । । বাবা ও তাঁর নি:শ্বাস এবং 'বু জি'র জন্য এলিজি । । - হাসান মোরশেদ
- :: কাল ঘুম নেমে আসে তার দু'চোখ জুড়ে :: - নজমুল আলবাব
- আজকের কবিতা - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- গল্প: গন্দম (পর্ব ১) - অমিত আহমেদ
- শিপ্রার শহরে কয়েকজন এজেন্ট (গল্প) - ফাহমিদুল হক
- পরগাছার দাপট - জাহাঙ্গীর আলী
- এসো নীপবনে .... (রবীন্দ্র সঙ্গীত) - বিষাক্ত মানুষ
- বাবার লেখা চিঠি-১ - নিধিরাম সর্দার
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটা ছবি। - রাগিব
- ‘ভাঙনের শব্দ শুনি’ - মুহম্মদ জুবায়ের
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - একটি অহেতুক বিতর্কের জবাব - সু-শান্ত
- প্রিয় পোস্ট ৪ - পালর্ামেন্ট
- দেশপ্রেমিক ব্লগারদের প্রতি বিহংগের খোলাচিঠি - বিহংগ
- কেক খাইওনা ধরবে গলা, বৌ-রে আমার বৃথাই বলা। - অনুমান
- বোরহানী, মুখরোচক গুরুপাক খাবারে - ভূলু
- ব্লগারদের মিলন মেলার কিছু ছবি !!! - সুখী মানুষ
- একটি কবিতা ও একটি দেশের জন্ম। - কোবরা
- কবিতা সমগ্র : উৎসর্গ নীলাঞ্জনা - অমি রহমান পিয়াল
- Setting priority - আইকোনাস ক্লাস্টাস
- বিজ্ঞাপনোষ্টালজিয়া ... - অলৌকিক হাসান
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- এমনও দিনে তারে বলা যায়...! - মানবী
- আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি
- সামী মিয়াদাদ
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- নির্বাসিতের আপনজন। পর্ব-১। - নির্বাসিত
- এ চিঠি শুধু তার জন্য!!! - বিবর্তনবাদী
- আমার পঞ্চবিংশতি প্রেম... - নীলাঞ্জনা
সূর্যে বাঁধি বাসা!!
২১ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩
কৃষ্ণকলি ইসলামের একমাত্র এ্যালবাম "সূর্যে বাঁধি বাসা" গত বছরের পহেলা বৈশাখে (১৪১৪) বের হয়েছিল, কিভাবে যেন অনেকদিন এটার খোঁজ পাইনি, এই সেদিন পহেলা বৈশাখেই (১৪১৫) ইউটিউবে 'বন্ধু তোমার' গানটা শুনেই মনে হল কিভাবে সম্ভব এই গানটা আগে দেখি নাই। তারপর একটু খুঁজে পেতেই কৃষ্ণকলির বায়োগ্রাফী'টা পড়লাম, কি চমৎকার ভাবেই না তার নিজের জীবনের সাথে মিলিয়ে গানগুলো লিখেছেন, গেয়েছেন তিনি- সুর করেছেন অণর্ব।
সূর্যে বাঁধি বাসা এ্যালবামের নামকরনের কথাটা না বললেই না-
ছোটবেলায় যখন কৃষ্ণকলি তার মায়ের কাছে জানতে চেয়েছিল "মানুষ মরে গেলে কোথায় যায়??" - কৃষ্ণকলির মা বলেছিল মানুষ মরে গেলে আকাশের তারা হয়ে যায়- তখন কৃষ্ণকলি জানতে চায় তার মা মরে গেলে কি হবে- উত্তরে মা বলেছিল- "সূর্য হবেন তিনি" - এ্যালবাম'টা বের হবার কয়েক মাস আগেই কৃষ্ণকলির মা মারা যান - কৃষ্ণকলি তার মা মেহেরুন নেসাকে উৎসর্গ করেছেন ‘সূর্যে বাঁধি বাসা’ এ্যালবামটি আর এ এ্যালবামের প্রচ্ছদ করেছে তার ছয় বছরের মেয়ে অমৃতাঞ্জলি শ্রেষ্ঠশ্বরী।
সূর্যে বাঁধি বাসা পাবেন- এখানে
নিচে গত বছর প্রথম আলো'তে প্রকাশিত একটা লেখা শেয়ার করলাম-
_________________________________
ভিন্ন আওয়াজ কিংবা ব্যতিক্রম সুর পেলে শ্রোতারা তা সহজে লুফে নেয়-এটা কৃষ্ণকলির নতুন অ্যালবাম আবার সেটি প্রমাণ করল। ‘সূর্যে বাঁধি বাসা’ শিরোনামে তাঁর একক অ্যালবামটি ইতিমধ্যে আলোচিত হয়েছে বিশেষ মহলে। গানের সঙ্গে অনুরাগ হলেও কৃষ্ণকলির জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব তাঁর মা।
‘হারমোনিয়ামটা এত বড় ছিল যে সেটা বাজাবার জন্য আমাকে ওর ওপর চড়ে বসতে হতো। গান শেখার শুরুটা এভাবেই’-বললেন কৃষ্ণকলি। না, হারমোনিয়ামটা বিশাল ছিল না, কৃষ্ণকলি নিজে তখন এতই ছোট যে, স্বাভাবিক আকৃতির হারমোনিয়ামই তাঁর কাছে মনে হতো বিশাল। মায়ের ইচ্ছাতেই গানের হাতেখড়ি। মা নিজেই শেখাতেন শুরুতে। অর্থাৎ নিজের চেয়ে মায়ের ইচ্ছেটাই ছিল বেশি।
আর দশজন আটপৌরে বাঙালি মায়ের মতো ছিলেন না কৃষ্ণকলির মা মেহেরুন নেসা। মেয়ের নাম রাখাতেও তার আভাস আছে। মা বিশ্বাস করতেন, মাতৃভাষাতেই মানুষের নাম হওয়া উচিত। কাজেই তাঁর কালো মেয়ের নাম কৃষ্ণকলি হবে-এটাই তো তাঁর জন্য স্বাভাবিক। তা ছাড়া মা তো সর্বদাই ছিলেন রবীন্দ্রনাথের কাছে সমর্পিত।
কেমন ছিলেন তাঁর মা? কৃষ্ণকলি জানালেন, ‘খুব বাঙালি ছিলেন মা। তিনি বামপন্থী রাজনীতি করতেন, ছাত্রজীবনে জাতীয় অ্যাথলেট হিসেবে দাপিয়ে খেলতেন। পরবর্তীকালে কলেজে বাংলা সাহিত্য পড়াতেন। মৃত্যুর পরও তাঁর চোখ ও হাড় দিয়ে গেছেন মানুষের কল্যাণের জন্য। অসম্ভব নরম মনের মানুষ ছিলেন, আর খুব রোমান্টিকও। ছোটবেলায় খুব বাড়ি-পালানো মেয়ে ছিলেন, মা হয়েও তিনি আমাদের হাতে ধরে বাউণ্ডুলেপনা শিখিয়েছিলেন। নৌকা ভাড়া করে সারা রাত তারা দেখা, অচেনা-অজানা গ্রামে, অচেনা কারও ছাপরা-ঘরে গিয়ে, ওদের সঙ্গে মাছ ধরে, রান্না করে খেয়ে, সারাটা দিন কাটিয়ে আসা।’ কৃষ্ণকলি জানালেন, তখন তাঁরা থাকতেন খুলনায়। ওখানেই রয়েছে তাঁর শৈশব-কৈশোরের সোনালি সব দিনের স্মৃতি। কৃষ্ণকলি জানান, ‘ফাঁকা মাঠ, বিশাল আকাশ, অজস্র তারা-জোনাকি, কাদা-পিছল পথ, ঘুটঘুটে অন্ধকার, ঝাঁ-ঝলমলে রোদ, ঝোপ-জঙ্গল, কচি পাতা-শুকনো পাতার এই পুরো প্রকৃতি আমার মায়ের মতোনই আমারও প্রথম প্রেমিক কিংবা আমি একমাত্র তার প্রেমিকা। আমার বয়সের সতেরোটা বছর আমি খুলনায় কাটিয়েছি। ওটা মফস্বল শহর, আমার গ্রামে থাকার অভিজ্ঞতা নেই বটে, তবু যখন-তখন হারিয়ে যাওয়া চলত।’
ওই শহরে গান শিখেছেন তিনি। তবে মেয়ের জন্য গানের শিক্ষক ঠিক করা নিয়ে মায়ের ছিল ব্যাপক অসন্তুষ্টি। ফলে প্রাইমারি স্কুলের গণ্ডি পেরোনোর আগেই কৃষ্ণকলি খুলনা শহরের বেশ কয়েকজন গানের শিক্ষকের মুখোমুখি হন। ওই শিক্ষকদের সবাই চাইতেন শর্টকাটে ছাত্রীর গলায় গান তুলে দিতে, যা ছিল তাঁর মায়ের একেবারে অপছন্দ। তবে সবকিছু ছাড়িয়ে মেহেরুন নেসা চাইতেন, তাঁর মেয়ে গানটা শিখুক মনপ্রাণ দিয়ে।
‘অষ্টম নাকি নবম’ কোন ক্লাসে পড়ার সময় তা মনে নেই কৃষ্ণকলির, তবে তখনই তিনি একসঙ্গে দুজন শিক্ষক পেলেন, যাদের একজন সাধন ঘোষ, অন্যজন বাসুদেব বিশ্বাস বাবলা। সাধন ঘোষ শেখাতেন রবীন্দ্রসঙ্গীত আর বাসুদেব বিশ্বাস বাবলা উচ্চাঙ্গসঙ্গীত। পরে ঢাকায় এসে ছায়ানটে বছর তিনেক রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিম নিয়েছেন তিনি। তবে খুলনায় থাকাকালে শুরু হয় তার নিজের গান লেখার চেষ্টা।
কৃষ্ণকলি জানালেন, শুরুটা ছিল নিতান্তই ছেলেমানুষিতে ভরা। তিনি বললেন, বলা যায় তখন আমি রবীন্দ্রসঙ্গীত বানাতাম। বিষয়টাকে আরো স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্যই জানালেন, আসলে রবীন্দ্রনাথের সুরের ভেতর নিজের ইচ্ছে মতোন কথা জুড়েই দেওয়াটাই ছিল তার কাজ। কাজেই আমার লেখা রবীন্দ্রসঙ্গীতগুলো গীতবিতানে নেই। বোধ হয় কাজটা অসচেতন অবস্থায় করতাম। মা একদিন বললেন, তুই যে গুন গুন করে গান তৈরি করিস সেগুলোর কথা কিন্তু চমৎকার, চাইলে তুই ওগুলো লিখে রাখতে পারিস।
স্বচরিত রবীন্দ্রসঙ্গীতের পাঠ চুকিয়ে নিজের গানে আসতে খুব বেশি সময় লাগেনি কৃষ্ণকলির। তিনি জানালেন, তার নিজের লেখা প্রথম গানটি হল ‘চাঁদের মা বুড়ি’। তবে তাও আমি গান লিখব এমন কোনো সচেতন প্রয়াস থেকে আসেনি ওই গানটি। তিনি বলেন, একাকীত্বের অভিমানে ভরা নিসঙ্গ এক কিশোরীর কথা আছে ওই গানে, যে কিশোরী চাঁদের মা বুড়ির কাছে গল্প শুনতে চায়। আসলে ওই গানটি যখন তৈরি হচ্ছে তখন আমি কাঁদছিলাম আর কেঁদে গাইছিলাম গান। গানটিতে ভাঙা পরিবারের একটি মেয়ের বেদনার নির্যাসটুকু মূর্ত হয়েছে। এর পরের গানটি হচ্ছে ‘বোশেখেতে রং মাখিবি কে কে আয়’, যা কৃষ্ণকলির সদ্যপ্রকাশিত অ্যালবামে স্থান পেয়েছে।
কৃষ্ণকলি জানালেন, তিনি গান লিখেন না, গান তার কাছে আসে। নিজের গান কৃষ্ণকলির এমনই ধারণা। তার গানের গীতিময় মগ্নতায় এ কথা বিশ্বাস করতে দ্বিধা হয় না। সত্যিকার অর্থেই দীর্ঘদিন ধরে রচিত হয় তার একেকটি গান আর গান রচনার এই দীর্ঘপ্রক্রিয়ায় গানটি চূড়ান্ত হওয়ার আগে কখনোই খাতা-কলমের আশ্রয় নেন না তিনি। কৃষ্ণকলির নিজের লেখা ও সুর করা অনেক গানের কয়েকটি নিয়ে গেল পহেলা বৈশাখে বেঙ্গল মিউজিক প্রকাশ করেছে তার প্রথম অ্যালবাম ‘সূর্যে বাঁধি বাসা’। কৃষ্ণকলির এ অ্যালবামে সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন নতুন প্রজ্নের দারুণ শক্তিমান শিল্পী ও পরিচালক অর্ণব।
কৃষ্ণকলি জানালেন, ‘সূর্যে বাঁধি বাসা’ প্রকাশের নেপথ্যে রয়েছে অনেক ঘটনা। অনেক তিক্ততা। তিনি জানালেন, কয়েক জন বন্ধুর কথা, যারা না থাকলে তথাকথিত সঙ্গীত পরিচালকদের ঘেরাটোপ ডিঙ্গিয়ে অর্ণবের কাছ পর্যন্ত পৌঁছানো হত না তার। কৃষ্ণকলি তার মা মেহেরুন নেসাকে উৎসর্গ করেছেন ‘সূর্যে বাঁধি বাসা’ অ্যালবামটি আর এ অ্যালবামের প্রচ্ছদ করেছে তার ছয় বছরের মেয়ে অমৃতাঞ্জলি শ্রেষ্ঠশ্বরী।
গান নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জিজ্ঞেস করলে কৃষ্ণকলি জানালেন, গানের চর্চাটাকে অনেক ফাঁকি দিয়েছি, এখন আবার রেওয়াজ করে তা পুষিয়ে নিতে চাই। তবে গাইছি নিজের গান, ভবিষ্যতেও নিজের গানই গাইব। বেঙ্গল মিউজিকের সঙ্গেই আরো তিনটি অ্যালবাম প্রকাশের চুক্তি রয়েছে তার। অবশ্য এখনই নতুন কোনো অ্যালবামের কাজে হাত দিচ্ছেন না তিনি।
![]()
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট । +++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিমা।
তুমি আর রাশেদ হইলা "সংগীত ব্লগের" গুরু!!
চরন ধুলি নিলাম... ![]()
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
আমি গানপাগল মানুষ তাই এই এ্যলবাম ও মিস করি নি।এই লেখাটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইমন
লেখক বলেছেন: ঠিকই ধরছো - ঢাকা কলেজ ![]()
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
গুড, গুড, গুড।
লেখক বলেছেন: হ্যারি থ্যানকু ![]()
দূরন্ত বলেছেন:
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
অনেক কিছু আগেই জানা ছিলো।তবুও অসাধারন!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
কৈলাশ ... তাইলে তো আমরা ৫ জন হইলাম টোটাল আমি ড়াষু নাদান মুকুল আর তুমি
আইচ্ছা !! আমগো ড়াষুও তো ঢাকা কলেজের মাল !!
লেখক বলেছেন: এই ৫ জনই ৫০০ জনের সমান ![]()
facebook এ "SSC '96, HSC '98" গ্রুপে আছি কিন্তু ![]()
ড়াষু আর আমি কিন্তু এক স্কুলে পড়ছি- মর্নিং শিফট আর ডে-শিফটের কারনে মনে হয় দেখা হয় নাই খুব একটা ![]()
নিলা বলেছেন:
ওয়াও! থ্যাংকস এই পোষ্টের জন্য
রাশেদ বলেছেন:
থ্যাঙ্কু তোমারে। এইসব জানা ছিল না। আমার প্রিয় গায়িকা। আমিও তো ঐ গ্রুপে জয়েন করছিলাম মনে হয়।
লেখক বলেছেন: আমিও অনেক কিছু জানছি ![]()
তুমি কি আমাদের ব্যাচের স্কুলের গ্রুপটায় আছো??
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
প্রিয়তে ঢুকাইলাম।
লেখক বলেছেন: থ্যানকু শান্ত
প্রিয় বলেছেন:
চমৎকার লেগেছে।আপনার লিখাটি কি আমাদের সাইটের জন্যে নিতে পারি?
সাইট: http://www.priyoaustralia.com.au
লেখক বলেছেন: তথ্যসূত্র উল্লেখ করে দিলে সানন্দে নিতে পারেন। ধন্যবাদ
এস্কিমো বলেছেন:
ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এস্কিমো ভাই
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
"ডুবি ডুবি" গানটা আমার বেশি পছন্দের।
লেখক বলেছেন: আমারো বেশ লাগে ডুবি ডুবি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
হ্যা আমিও ঢাকা গেলে সংগ্রহে রাখার জন্য এক কপি কিনবো.....মনে হয় ইর্স্টান প্লাজায় পাওয়া যাবে
""শ্রাবণী"" বলেছেন:
কৃষ্ণকলির গানগুলো খুব সুন্দর ওর নামটার মতোই।
লেখক বলেছেন: কৃষ্ণকলি আমি তারে বলি....
সুন্দর নাম সন্দেহ নেই, আর গান গুলাতো দারুণ
শাওন বলেছেন:
ইচ্ছে মতো আর ডুবি ডুবি গানটা দারূণ লেগেছে সবথেকে ।
লেখক বলেছেন: কি যে করি.....কোনো ভাবেই আমি একটা গানও বাদ দিতে পারলাম না- ৮টা গানই অসাধারন লাগে আমার কাছে ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ঢাকা কলেজ কোন ব্যাচ আপনি?
ইশ! কি দিন গুলাই না ছিল - ভাবতেই পারছিনা দশ বছর হয়ে গেছে এর মধ্যে ![]()
লেখক বলেছেন: আর আমি শুনলাম ঠিক এক বছর পরে আরেক পহেলা বৈশাখে.....নতুন বছরের উপহার আরকি!!
রুবেল শাহ বলেছেন:
ছুয়ে ছুয়ে দেখ আমার এ হাঁড়------------- অসহ্য গায়কিকি দরকার ছিল এমন করে গাইবার-------------- আমার পিসি দুটা ফেভারিট লিষ্ট আছে একটা রবীন্দ্র নজরুল সহ অন্য গান----- আরেকটা শুধু কৃষ্ণকলি ----- আমার অসহ্য ভাল লাগে +
লেখক বলেছেন: রুবেল আপনিতো দেখি পুরাই পাংখা (fan) কৃষ্ণকলির জন্য ![]()
সুতরাং বলেছেন:
খুবই চমৎকার একটি পোস্ট। ভালো লাগলো।কলি আপার মা বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র মহিলা, যিনি তাঁর মৃতদেহ দান করে গেছেন।
তারার হাসি বলেছেন:
অসাধারন পোস্ট !
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তারাপু ![]()
সুতরাং বলেছেন:
আর একটা কথা, গিয়াস উদ্দিন সেলিমের প্রথম চলচ্চিত্র 'মনপুরা'তে কৃষ্ণকলির লেখা ও সুর করা দুটো গান থাকবে। একটি কলি আপা গেয়েছেন-সুখে থেকো ভালো থেকো, মনে রেখো এই আমারে... এই গানটি। আর একটি গান গেয়েছেন মমতাজ। গানটি শোনার আগাম অনুরোধ থাকলো।
লেখক বলেছেন: নতুন কিছু জানলাম। গান দুইটা অবশ্যই শুনবো। ধন্যবাদ
খুব সুন্দর পোষ্ট।ভালো লাগলো।শুভেচ্ছা ...............
লেখক বলেছেন: মন্তব্য পেয়ে খুশি হলাম
সাজিপু শুভেচ্ছা রইল
কাজ করে খাই বলেছেন:
কৃষ্ণকলির একটা সাইট দেখলাম http://www.krishnokoli.comএ পোষ্টের একটা কপি আছে ওখানে।
লেখক বলেছেন: তাইতো দেখলাম.... ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু জেবীন ![]()
রফিকুল ইসলাম ফারুকী১১ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ কৃষ্ণকলি সম্পর্কে এত তথ্য দেয়ার জন্য। আপনার এবং কৃষ্ণকলির শুভকামনা করছি।
লেখক বলেছেন: মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগলো।
ধন্যবাদ
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
কৃষ্ণকলির ওয়েবসাইট হতে আপনার পোস্টে আসলাম। কৃষ্ণকলির গান অসাধারণ, যেমন তার গলা। আর আপনার লেখনিও চমৎকার। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কৃষ্ণকলির গান অসাধারণ, যেমন তার গলা- পুরা সহমত
ধন্যবাদ।


















