আমার প্রিয় পোস্ট
- ওয়ান ইলেভেন এর দুই বছর বা এক যুগ পূর্তি !!! - মেসবাহ য়াযাদ
- আমাদের ঈদ এবং স্মৃতির জাবর কাটা... - মেসবাহ য়াযাদ
- হচ্ছে কী এ সব ?? - মেসবাহ য়াযাদ
- আজকে মেসবাহ য়াযাদ ভাইয়ের জন্মদিন!!!!!!
- অন্যরকম
- ব্লগে বারো ভূঁইয়ার জমিদারি : ব্লগে ভয়ের সংস্কৃতি - ফিউশন ফাইভ
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে নিয়ে আমার জীবনের প্রথম লেখা (মুক্তিযুদ্ধে যারা বাবা হারিয়েছ তোমাদের সবার জন্য উৎসর্গ) - মুনীর উদ্দীন শামীম
- আমিই লোকালটক!! - সুমন রহমান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আয়োজিত ব্লগার সমাবেশে উত্থাপিত প্রস্তাব ও কর্মপন্থা - কৌশিক
- মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা, ১৬ বছর পরও কি আপনার এই বক্তব্য অনুদিত হবে না? - অমি রহমান পিয়াল
- ৫০ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম - অণৃণ্য
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- অনুভূতির ব্লা ব্লা ব্লা... - লাল দরজা
- রাজাকারমুক্ত ব্লগ বনাম A-TEAM - সবাক
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- মুখ, মুখোশ আর একজন বিক্রয়কারী তরুণী - অন্যমনস্ক শরৎ
- আমার মা, আমার ঈশ্বর। - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- নরম নরম তেলাপোকা ভোর - কৌশিক
- আমাদের আত্মপরায়নতা এবং মানবিকতার মৃত্যু - রাসেল ( ........)
- আসুন, শাশ্বতের বাঁচার লড়াইয়ে সামিল হোই - আ-আল মামুন
ছেলেটির এলার্জি !!
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৪
ছেলেটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। সংসারে মা আর এক স্কুল পড়–য়া ছোট বোন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানী সেনারা তার স্কুল মাস্টার বাবাকে ধরে নিয়ে যায় একদিন। দুই দিন পর বাবার লাশ পাওয়া যায়, গ্রামের পাশে এক ধান ক্ষেতের মধ্যে। হাত পা বাঁধা অবস্থায়। তার বাবার অপরাধ ছিল তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে আশ্রয়, প্রশ্রয় আর সহযোগিতা করেছেন। সেই ছেলেটির তখন ৬/৭ বছর বয়স। সেই থেকে রাজাকার আর পাকিস্তানীদের প্রতি ছেলেটির তীব্র ক্ষোভ আর ঘৃণা। কী বা করতে পারে অতটুকুন ছেলেটি !
সেই ছেলেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকে। টিউশনি করে নিজের পড়ার খরচ চালায়। প্রতিমাসে মা’কে গ্রামে সামান্য কিছু টাকাও পাঠায়। তার পাঠানো টাকা আর মায়ের সেলাই থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে মা আর বোনের ছোট সংসারটা ভালোই কেটে যায়। ছেলেটির রুমমেট এক বিদেশি ছাত্র। খুব অল্প দিনে দুজনের মধ্যে দারুন বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। এভাবে প্রায় দু’বছর কেটে যায়।
অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়ার সময় একদিন রাতে ছেলেটির গায়ে সামান্য চুলকানী শুরু হয়। তেমন পাত্তা দেয় না সে। পরদিন যথারীতি ক্লাসে যায়। দু’তিনটে ক্লাসের পর আর সহ্য করতে না পেরে ক্লাস থেকে বেরিয়ে আসে। সাথে বন্ধুটিও। ক্যাম্পাসে মেডিকেল সেন্টারে ডাক্তার দেখায়। ডাক্তার বলেন, এলার্জি। সামান্য ওষুধ দেন। বলেন, দু’এক দিনের মধ্যেই সেরে যাবে। রুমে ফিরে আসে তারা। রাত থেকে তার অবস্থা খুব খারাপের দিকে যেতে থাকে। সারা শরীরে গোটা গোটা হয়ে যায়। সে এক ভয়ঙ্কর অবস্থা ! রাতেই ছেলেটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেশের সেরা এলার্জি বিশেষজ্ঞরা তাকে দেখে যান। কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না। রক্তের বিভিন্ন টেস্ট করা হলো। সে সব রিপোর্ট নিয়ে মেডিকেল বোর্ড বসলো। তারাও মুখ কালো করে বেরিয়ে এলেন, বোর্ড থেকে। ৪/৫ দিনের মধ্যেই ছেলেটির অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেল। ওকে এখন আর চেনাই যায় না। শরীরে প্রতিটি স্থানে গোটা গোটা হয়ে সারা শরীর ফুলে ঢোল হয়ে গেছে।
ওর ক্লাসের বন্ধুরা আসে। ওকে দেখে কাঁদতে কাঁদতে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায়। ওর বিদেশি বন্ধুটি সারাক্ষণই ওর সাথে থাকে। প্রিয় বন্ধুর অবস্থাটা কোনো ভাবেই সে মেনে নিতে পারছে না। ডাক্তারদের অনুরোধ করেছে- বন্ধুকে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে। বিদেশে চিকিৎসার সকল টাকা সে দেবে। ডাক্তাররা রাজিও হয়েছিলো। অথচ বাধ সাধে ছেলেটি। সে বিদেশ যাবেনা। যে দেশের মুক্তিযুদ্ধে তার বাবা মারা গেছেন, যেখানে তার মা আর একমাত্র বোনটি আছে- সে দেশ ছেড়ে সে কোথাও যাবে না। তার জন্য সবার উদ্বেগ আর ভালোবাসা দেখে ছেলেটি হাসে। পৃথিবীতে সে আর বেশিদিন নেই, এটাও সে নিশ্চিত হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ছেলেটি বুঝে গেছে- তার অসুখটা কী ?
তার অসুখটার নাম এলার্জি। তার বিদেশি বন্ধু। যার বাড়ি পাকিস্তান...
ফুটনোট : এ রকোম একটি গল্প অনেকদিন আগে কোথাও পড়েছিলাম। আজ আর তা মনে নেই। গত ১১ অক্টোবর, শনিবার শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে কোনো এক ব্লগার আমার সাথে হাত মেলানোর পর থেকে আমার ডান হাতে এলার্জি মনে হচ্ছে...উপরের গল্পটি আবার মনে পড়লো...। ![]()
![]()
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: পরে রে ভাই !!
এরাই এখন বলে মুজাহিদ বাপের বেটা..।
লেখক বলেছেন:
আমার জীবনে পড়া সেরা গল্প গুলোর একটি ছিলো এ গল্পটি...
নিশাচর বলেছেন:
পিলাচ........+ ।গুরু হাতহুত একটু দেইখ্যা শুইন্যা মিলায়েন। কহন কি অইয়া যায় কওন তো যায় না। শত হোক আপনার বয়স তো আর বাড়তেছে না......
লেখক বলেছেন: হ, ঠিকাছে। কারো লগে হাত মিলানোর আগে বুইজা শুইন্যাই মিলামু...
বাবুই বলেছেন:
খবর্দার, আমনের ওই 'হাত' দিয়া শরীরের স্পর্শকাতর কুনো জায়গাস্পর্শ কইরেন না। অ্যালার্জি কিন্তু ছুয়াচে!!
হা হা হা!!!
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।
(নতুন বৌ কি ঢাকায় না হাজিগন্জ ?)
সুরভিছায়া বলেছেন:
চামড়ার ওপরে এলার্জি হলে দেখা যায় ,বোঝা যায় ।চামড়ার তলদেশ জুড়ে এলার্জি নিয়ে এখনো চলি এদেশে তাদের পাশাপাশি, যারা ভয়ংকর ভীষন ওৎপেতে আছে সুযোগের ।
লেখক বলেছেন: একটু সাবধানে থাকবেন...
লেখক বলেছেন: বেয়াদব ! ছুটির দিনে পার্লানা ?
আবার কয় ডস দিসি...
বাবুই বলেছেন:
নাকি গি-ফট দেওনের ডরে যান নাই?
মিলটন বলেছেন:
এখানে কয়েকটি কথা হতে পারে। যখন আপনার হাত চুলকানো শুরুই হয়ে গেছে। তখন তো এর প্রতিকার করা উচিত। কারণ এখন সেই এলার্জি দেনেওয়ালার আর আপনি এলার্জি নেলেওয়ালা একই হয়ে গেছেন। কোন পার্থক্য নেই। তবে যেহেতু আপনি আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ। আপনাকে তো আর বর্জন করতে পারি না। তাই কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহন করা যেতে পারে।১) আপনি যদি হাত মিলানোর আগেই জেনে থাকতেন যে তার সাথে হাত মিলালে আপনার হাত চুলকাতে পারে তবে আপনি হাত না মিলালেই পারতেন।
২) আর যদি বাধ্য হয়েই হাত মিলাতে হয় তবে বাম হাত দিয়ে কাজটা করতে পারতেন। কারণ আমরা অপেক্ষাকৃত নোংরা কাজটি বাম হাত হাত দিয়েই করি। (যেমন শৌচ কাজ)
৩) কিছুই করার নাই এখন, তবে আপনার হাতটি সালফিউরিক এসিড দিয়ে তাড়াতাড়ি ধুয়ে ফেলতে পারেন। তাতে যদি কিছুটা রক্ষা হয়।
৪) যেহেতু সারাগায়ে এলার্জি ছড়িয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে বুদ্ধিমান উপায় হলো আপনার ডান হাতটা কব্জির নিচ থেকে কেটে ফেলতে পারেন।
৫) অথবা আপনি ড্রাষ্টিক একশন নিতে পারেন, যেমন কীটনাশক প্রয়োগ করে সব এলার্জি ওয়ালাদের মেরে ফেলতে পারেন। কিন্তু তাতে একটা ভয় থাকে, কোনা কাঞ্চিতে লুকিয়ে থাকা দুই একটা এলার্জি ওয়ালার কাছ থেকে আবারো এলার্জি ছড়াতে পারে।
৬) অথবা আপনি যদি একজন উদার মনা হোন এবং একটা সুন্দর এলার্জি মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চান তবে আপনার শুভ বুদ্ধি দিয়ে এই সমাজের যত এলার্জি ওয়ালারা আছেন তাদের চিকিৎসার ব্যাবস্থা করতে পারেন। যাতে এলার্জি ওয়ালারা কারো কাছে এলার্জি ছড়াতে না পারে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মিলটন আপনাকে।
একজন হিতাকাঙ্খী হিসেবে অনেকগুলো বুদ্ধি দিয়েছেন।
দেখি, কোনটাকে কাজে লাগানো যায়।
আপনাকে প্লাস...
কলাবাগান বলেছেন:
আমরা উদারমনা হওয়াতে এখন গাড়িতে পতাকা লাগায়। কিছুদিন পরে আমরা আউট আর ওনারা ইন...।
লেখক বলেছেন: এতই কি সহজ মনে হয় ??
সারা বিশ্বেই দেখবেন, খারাপ লোকের চেয়ে ভাল লোকের সংখ্যা অনেক বেশি...
আরেকটি ৭১ আসবে, আসতেই হবে।
আমি কান পেতে রই...
আউটসাইডার বলেছেন:
হাস্যকর লাগলো....ত্রিভুজ মিয়া দেখি বিখ্যাত হইয়া গেল...ভাইরে, এসব হাস্যকর কথা কয়া কি কোনো লাভ আছে?এহন সবাই হাত মিলাইতেছে আর ভান ধরতেছে সৌজন্যের। ভাই আপনে পরে যখন জানছেন ঐ মিয়ার পরিচয় তখন কি ঐ যায়গায় কিছু করছেন? ঐ লোকরে কইছেন যে হেরে আপনে ঘৃনা করেন কারণ হে রাজাকার গো সমর্থক? নাকি সৌজন্যতাবশত: আড্ডা মাইরাই গেলেন? বিচিত্র আমার এই দেশ, বিচিত্র এই দেশের মানুষ এবং তাদের ভদ্রতা....!!!!
লেখক বলেছেন:
সেদিন তার সাথে আমার একটি বাক্য বিনিময় ও হয়নি
তার সাথে আড্ডা মারা তো দুরের কথা
অবশ্য এখন আর এ সব বলে কী হবে, তাই না ???
নুশেরা বলেছেন:
চিনতে পারার পর তাকে সামনাসামনি বলেননি আপনার অ্যালার্জি বা ঘৃণার কথা?
লেখক বলেছেন:
আমি ছিলাম হতবাক, বিব্রত । আর সিম্পলি বে আক্কেল মনে হয়েছে নিজেকে...
আউটসাইডার বলেছেন:
য়াযাদ ভাই, আপনার দহন আমি বুঝতে পারছি কারণ আমি ও কোন এক সময় এমন পরিস্হিতিতে পরেছিলাম অন্য কোন যায়গায় এবং সৌজন্যতার খাতিরে কিছুই বলতে পারিনাই। এখন আমার সন্দেহ হয় যে ঐটা কি আমার সৌজন্যতা নাকি সাহসহীনতা? জানিনা। আমরা সতি্যই কেমন যেন!! সব ভুলে যাওয়াই আমাদের রীতি।
লেখক বলেছেন: কিছুই ভুলে যাইনি আমি।
আমার একটা জব্বর শিক্ষা হইছে...
লেখক বলেছেন: মৃত্যু নিয়ে এত ভাবনা নেই আমার !
চিন্তা শুধু হাতটা নষ্ট হলো
কলাবাগান বলেছেন:
থ্রেট দিলেন শফিকুল????
লেখক বলেছেন: হয়ত না। হয়ত তার আশংকার কথাটাই বলতে চেয়েছেন
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
এরকম চুলকানির অবস্থাটায় আমাদের বারবারই পড়তে হবে। কেননা, আমার আশংকা যে ওদের দলটা দিনকে দিন ভারি হচ্ছে, আমরা প্রতিদিন না চাইলেও ওদের সঙ্গে হ্যাণ্ডশেক, চা পান এমনকি আড্ডা দিচ্ছি! ওরা আমাদের কলিগ বা রুমমেট আরো কতোকি...!
লেখক বলেছেন: সমস্যাতো সেখানেই।
আমরা প্রতিদিন না চাইলেও ওদের সঙ্গে হ্যাণ্ডশেক, চা পান এমনকি আড্ডা দিচ্ছি! ওরা আমাদের কলিগ বা রুমমেট আরো কতোকি...!
এক্সবিজনেস বলেছেন:
জমজম কুপের পানি দিয়ে ধুয়ে দেখতে পারেন ।আর সেটা সম্ভব না হলে নিদেন পক্ষে সাপোর্টারদের নিয়ে ক্যাফে জমজম এ একটা পার্টি দিয়ে দিন । সব ঠিক হয়ে যাবে আগের মত ।
লেখক বলেছেন: কোন কূপের পানিরই দরকার নেই।
এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।
এন্টি ডোজ দেয়া আছে।
শুধু গা টা রি রি করছে আমার...
হুমায়ুন বলেছেন:
এলার্জিকে মাইনাস
লেখক বলেছেন: আপনাকে পিলাস
বাবুয়া বলেছেন:
খুব সুন্দর লিখেছেন মেজবা য়াযাদ ভাই।ফার্দার যদি কোন অবস্থায় সে সব গন্ধ মার্কা কোন নরাধমের সাথে হাত মেলাতেই হয়-তাহলে আগে হাতে একটু থুথু লাগিয়ে নিবেন।
হুমায়ূন আহমেদের সেই সিনেমাটার মতো (নাম মনে নেই) দোকানদার সালে আহমেদ ইয়াহিয়ার ছবি থুথু দিয়ে মুছে রাখতো? ঠিক তেমন করে করবেন......
মানে হাত মিলানোর সময় থুথু লাগিয়ে দিলেন বেটাকে...............
লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন, মনে থাকবে
চোরকাঁটা বলেছেন:
সাফাইডা কি নিজেরে দিলেন বস? বিব্রত তখন বেশী লাগছে না, ব্লগে এতো কথা বার্তা হবার পর লাগতেছে? যাইহোক, গল্পটা ভালো লাগলো। যারা রাজাকার, আলবদর, আর তাদের সমর্থক তাদের নির্দিষ্ট কোন দেশের অধিবাসী বলে ভাবা ঠিক না। গোলাম আযম, মুজাহিদ কিন্তু বাঙালী! বিশ্বাসঘাতকদের আবার দেশী বিদেশী কি? হাত মেলানো ব্যাক্তির সাফাইতে তো অন্য সুর পাইলাম। মাইনক্যা কি চিপায় পরছে নাকি?
লেখক বলেছেন: তখন থেকেই আমি বিব্রত। যারা আমাকে চেনে, তারা জানে-আড্ডায় আমি চুপচাপ থাকার মানুষ না...সেই আমি আড্ডায় একদম চুপ...
শালার কপাল ! কোন কুক্ষণে যে অফিস কাট্টি দিয়া সেইদিন গেলাম ??
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ছাগলটার সাথে একবার দেখা হয়েছিলো লেখক বলেছেন: আমারও হঠাৎ করে দেখা...
সেই থেকে দৌড়ের উপর আছি
আমার জন্য দোয়া রাইখেন বস
রফিকুল ইসলাম ফারুকী১১ বলেছেন:
কিভাবে এবং কিসের থেকে কি হলো বুঝতে পারছিনা মেসবাহ। ওই দিন কাউকে তেমন মনে হয়নি আমার। অবশ্য আমি কি আর সবাইকে চিনি? তবে আমার কাছে সবাইকে ভালোই লেগেছে। আশা কনর আপনার এলার্জি ঠিক হয়ে যাবে। আপনার জন্য শুভ কামনা মি. এভারগ্রীন ইয়ং ম্যান।
লেখক বলেছেন: ওই হারামজাদা তিনকোনা যত নষ্টের গোড়া। রাজাকারের ছানা...
ইউনুস খান বলেছেন:
মেসবাহ ভাই আপনাকে বলার অনেক কিছুই ছিলো............ফোন দেন আর না হইলে পোস্ট আকারে কমু।
কোনটা করুম কন?
লেখক বলেছেন: তুই কি আমারে থ্রেট করলি ??
মিলটন বলেছেন:
ওরে ইউনুসও মেসবাহরে থ্রেট দেয়?
লেখক বলেছেন: ভাবতাছি, ওরে ফোনাইয়া কাছে ডাইকা আনুম। হেরপর থাবড়াইয়া ওর দাঁত ডিসপ্লেস কইরা দীমু। তারপর আবার ল্যাবএইড ডেন্টাল ক্লিনিকে সুন্দরী ডাক্তর দিয়া ঠিক কইরা দীমু...
চাক্ষিক বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদ বলতেন, গোলাপ হাতে এলেও তিনি কোনও পাকিস্তানিকে বিশ্বাস করেন না। তার সঙ্গে যুক্ত হল মেসবাহ য়াযাদের এলার্জি। দারুণ হয়েছে লেখাটি। ল্যাব এউডের অভিজ্ঞতা শিল্প হয়ে উঠেছে। লেখাটি প্রিয় পোস্ট করে নিলাম। কেমন আছে আমাদের প্রিয় রোদ্দুর?
চাক্ষিক বলেছেন:
বন্ধুসভার দিনগুলো ফিরে আর আসেব না তো কখনো!!!
লেখক বলেছেন: কে ভাই আপনি ?
একটু জানাবেন...?
চাক্ষিক বলেছেন:
আমার ব্লগে গিয়ে প্রোফাইল পোস্ট পড়লেই আশাকরি চিনবেন। না চিনলে ই-মেইল নম্বর তো পেলাম। পরে কখনও কথা হবে।
লেখক বলেছেন: কে, রাশীদ ???
চাক্ষিক বলেছেন:
কাচে ক্ষতবিক্ষত ছোট্ট রোদ্দুর যখন হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে, তখন যার চোখে ঘুম ছিল না, আমি রোদ্দুরের সেই চাচু। শিগগিরই দেখা হবে বস।
লেখক বলেছেন: শিগগিরই দেখা হবে....আমি অপেক্ষায়
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















এরাই এখন বলে মুজাহিদ বাপের বেটা..।