আমার প্রিয় পোস্ট
- ওয়ান ইলেভেন এর দুই বছর বা এক যুগ পূর্তি !!! - মেসবাহ য়াযাদ
- আমাদের ঈদ এবং স্মৃতির জাবর কাটা... - মেসবাহ য়াযাদ
- হচ্ছে কী এ সব ?? - মেসবাহ য়াযাদ
- আজকে মেসবাহ য়াযাদ ভাইয়ের জন্মদিন!!!!!!
- অন্যরকম
- ব্লগে বারো ভূঁইয়ার জমিদারি : ব্লগে ভয়ের সংস্কৃতি - ফিউশন ফাইভ
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে নিয়ে আমার জীবনের প্রথম লেখা (মুক্তিযুদ্ধে যারা বাবা হারিয়েছ তোমাদের সবার জন্য উৎসর্গ) - মুনীর উদ্দীন শামীম
- আমিই লোকালটক!! - সুমন রহমান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আয়োজিত ব্লগার সমাবেশে উত্থাপিত প্রস্তাব ও কর্মপন্থা - কৌশিক
- মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা, ১৬ বছর পরও কি আপনার এই বক্তব্য অনুদিত হবে না? - অমি রহমান পিয়াল
- ৫০ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম - অণৃণ্য
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- অনুভূতির ব্লা ব্লা ব্লা... - লাল দরজা
- রাজাকারমুক্ত ব্লগ বনাম A-TEAM - সবাক
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- মুখ, মুখোশ আর একজন বিক্রয়কারী তরুণী - অন্যমনস্ক শরৎ
- আমার মা, আমার ঈশ্বর। - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- নরম নরম তেলাপোকা ভোর - কৌশিক
- আমাদের আত্মপরায়নতা এবং মানবিকতার মৃত্যু - রাসেল ( ........)
- আসুন, শাশ্বতের বাঁচার লড়াইয়ে সামিল হোই - আ-আল মামুন
মৌলবাদ নিপাত যাক...
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৪
বুধবার বিমান বন্দরের সামনে থেকে জঙ্গী মৌলবাদের উস্কানীতে আমাদের রাষ্ট্রপক্ষ ভাস্কর্য বাউল অপাসারণ করে। অথচ এ ভাস্কর্যটি ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এবং সিভিল এভিয়েশনের যথাযথ অণুমোদন নিয়েই তৈরী করা হয়েছিল। শুধু ভাস্কর্যটি অপসারণ করেই ক্ষান্ত দেয়নি মৌলবাদ। গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে আমিনী ঘোষনা দিয়েছে- ক্ষমতায় গেলে শিখা অনির্বাণ ও শিখা চিরন্তনসহ হাসিনার আমলে গড়া সব মূর্তি (!) গুড়িয়ে দেয়া হবে।
ভাস্কর্য বাউল অপাসারণ এবং আমিনীর এই ঐদ্বত্যপূর্ণ বক্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়ে সারাদেশের মানুষ। আজ বেলা ১২ টার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনিস্টিটিউটের সামনে মানব বন্ধনের আয়োজন করা হয়। এই মানব বন্ধনে শিল্পী, গায়ক, সাংবাদিক, লেখক, কবি, শিক্ষক, ছাত্রসহ সর্বস্তরের কয়েক শত মানুষ হাজির হয়ে তাদের একাত্ততা প্রকাশ করে। ![]()
![]()
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাঙা মীয়া বলেছেন:
মৌলবাদ নিপাত যাক
লাল দরজা বলেছেন:
নিপাত যাক
লেখক বলেছেন: নিপাত যাক
শফিকুল বলেছেন:
সুধু মৌলবাদ নিপাত যাক বললে হবে না,
এদের আস্তানা ভেংগে গুড়িয়ে দিতে হবে যাতে আর কোন মৌলবাদী তৈরী হতে না পারে।
আমি আছি আমি থাকব আপনাদের সাথে।
ভাল থাকবেন।
রাতমজুর বলেছেন:
উগ্রবাদি সবকিছুই নিপাত যাক।
লেখক বলেছেন: উগ্রবাদি সবকিছুই নিপাত যাক
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
মৌলবাদীদের গোয়ায় বাঁশ দিয়া টাঙাইয়া রাখা হোক।
ওবায়েদ বলেছেন:
কয়েক হাজার মানুষের আন্দোলনের কাছে কয়েক শত মানুষের আন্দোলন কোন সমস্যা না !
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
এখন অব্দি মাত্র ৩ জনের ভাল লাগেনি...
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
অ্যাকটিভলি সহমত। +
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
য়াযাদ ভাই ছবি তোলার সময় শুনি এক রিক্সা আরোহী বলছে "কোনো লাভ নেই"....
খুব কষ্ট লাগলো সাধারণ মানুষের ধারনা দেখে...
লেখক বলেছেন: তাইতো কইবো রিকশাওয়ালা। হের আর দোষ কী ? চোখ্যের সামনে যে মানুষটা দেখে- প্রধান আর তার সাঙ্গ পাঙ্গদের সাথে মুজাহিদ মিটিং করে, আর আমগো পুলিশ ভাইয়েরা কয় হেয় পলাতক- সেই রিকলাওয়ালা কেমনে আশাবাদী অইবো ??
বিনলাদিন বলেছেন:
আবে কাউলা। মৌলবাদরে নিপাত দিয়া কোন্ বাদ আনবার চাষ? ৭১রে আম্লিগ দেশ সাদিন কৈরা দেশে নাকি হিন্দুবাদ আনবার চাইছিল মগার দেস নাইক্কা। হিন্দুবাদ হিন্দুবাদ কয়া কয়া বিম্পিরে খমতায় বহাইছস। অক্ষন কৈতাচষ মৌলবাদভি চাষ না, তরা চাষটা কি ক দেহি আমারে। হিসাব করন লাগবো কয়টা বম লাগবো তগো অপারেষন সাকসেস করনের লাইগা।
লেখক বলেছেন: ডরাইসি...!!!!
লেখক বলেছেন: বৃত্তবন্দী গিয়েছিল আজকের মানব বন্ধনে...
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
মৌলবাদীদের হুমকিটা সময়মত গুরুত্ব সহকারে নিলে আজকে হয়ত, ভাস্কর্যটি জায়গামতই থাকতো.. একটু দেরীতে হলেও এই প্রতিবাদ জোরদার হোক..না হলে আবার কবে জানি মৌলবাদীরা চারুকলা বন্ধ করে দিতে বলে; কারন ভাস্কর্য যদি ইসলাম বিরোধী হয়, তাহলে তো চারুকলাতে যেসব ভাস্কর্যশিল্পী তৈরী হচ্ছে তারা একেকজন মুনাফেক, পাপী !
মৌলবাদীদের এবার কিছুতেই ছাড় দেয়া উচিত হবে না...ইসলামের নামে এটা-ওটা বলে, ভয়-ভীতি দেখিয়ে এরা আস্কারা পেয়ে গেছে ...
লেখক বলেছেন: মৌলবাদীদের এবার কিছুতেই ছাড় দেয়া উচিত হবে না...ইসলামের নামে এটা-ওটা বলে, ভয়-ভীতি দেখিয়ে এরা আস্কারা পেয়ে গেছে ...
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
স্ব-বিরোধ পরিহার করুনইসলামকে হ্যাঁ বললে মূর্তিকে না বলতে হবে। মানুষের আকৃতি ছাড়াও ভাস্কর্য তৈরী করা যায়।
মাদককে না বললে লালনের মাজারের গাঁজার আসরকেও না বলতে হবে। এবার ঐ মেলায় কত টন গাঁজা পুড়বে জানেন কি ? লালনের ভক্তরা এই তার মাজারকে কুলষিত করার জন্য কোন সভা করবে কি?
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
রিকশাওয়ালা বললে নিরাশ হতাম না...নিরাশ হয়েছি ওয়েল ড্রেসড রিকশা যাত্রীর কথা শুনে....
লেখক বলেছেন: আরে বাদ দেও মিয়া ওই যাত্রীর কতা। আমি আশাবাদী মানুষ।
দেখলা না, এতো গরমের মধ্যেও মানুষ কেমনে হাতে হাত ধইরা খাড়াইয়া আছিলো...
প্রেসক্রিপশন বলেছেন:
দেখলাম গুটি কয়েক লোকের বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ, মিডিয়াগুলোতেও নিশ্চয় বেশ ফলাও প্রচার পাবেন তারা। তারা হাতি লুটাবেন-ঘোড়া পাদাবেন আজ - তবে সবই মিডিয়ার পর্দায়, মিডিয়ার বদৌলতে, মিডিয়াই তাদের একমাত্র উপজিব্য।
দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব তথাকথিত ভাস্কর্য বা মূর্তির উপর নির্ভরশীল নয়, যে তা ভেঙ্গে ফেললেই সব নিঃশেষ হয়ে যাবে। আর দেশটা বাম-রামপন্থীদের তালুক নয় যা খুশি তা করবেন আর বলবেন। দেশের সংখ্যাঘরিস্ট জনগন মুসলিম, তাই তাদের ধর্মানুভুতির সহিত সাংঘর্ষিক কিছুই বরদাশত করা হবেনা। তাতে তথাকথিত মুর্তিমনা, সাংস্কৃতিক শিল্পীদের যতই গাত্রদাহ হোক।
তবে মুফতি আমিনীর বক্তব্যও সমর্থনযোগ্য নয়, যা হয়েছে - হয়েছে, আর নতুন করে যাতে ভাস্কর্য নাম দিয়ে মুর্তি বানানো না হয়, সে দাবী করা উচিৎ। স্মৃতি চিহ্নের জন্য শুধুই মুর্তি কেন, আরো বিমূর্ত অনেক কিছুই তো বানানো যেতে পারে, শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ ধরনের।
শফিকুল বলেছেন:
@ মেজবাহ য়াজাদয়াযাদ ভাই ছবি তোলার সময় শুনি এক রিক্সা আরোহী বলছে
"কোনো লাভ নেই"....
কথাটা রিকশাওয়ালার না , রিক্সা আরোহীর।
আমার জন্য লেখা বলেছেন:
@বাবু>বাবুয়া>বাবুই সহমত
জিনি বলেছেন:
বাড়াবাড়ি করাটাই মানুষের বাচ্চার রক্তের মধ্যে। আর যাদের ধারনা তারা হুর ক্যাপচার করার ভিসা পায়া গেছেন, তাদেরতো কথা নাই!
বিনলাদিন বলেছেন:
আবে মেসবাহ, তর কি মনে অয়? আমি কি পেলাশ দিমু
লেখক বলেছেন: জনাব, + বা - দেয়া হচ্ছে আপনার মেহেরবানী...!!!!?????
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন:-কিংবদন্তী
রাতমজুর
বিনলাদিন
প্রেসক্রিপশন
বৃত্তবন্দী
জিনি
আমার জন্য লেখা
শফিকুল
শিট সুজি
রাঙা মীয়া
বাবু>বাবুয়া>বাবুই
লাভলুদা
আইরিন সুলতানা
রাস্তার ছেলে
বিগব্যাং
মোঃ নাজমুল হাসান
এমআ০০৭
লাল দরজা
অমাবশ্যার চাঁদ
ওবায়েদ
বিনলাদিন বলেছেন:
বাঙাল জাতটা কি রকম জানস? বয়া থাকলে কয় খাড়া, খাড়াইলে কয় ব, হাটলে কয় লৌড়া, লৌড়াইলে কয় ফাল মার। মৌলবাদ চাষ না হিন্দুবাদ চাষ না ইহুদিবাদ চাষ না ইন্ডিয়াবাদ চাষ না পাকিস্তানবাদ চাষ না, আম্রিকাবাদ চাষ না - তরা চাষটা কি?
লেখক বলেছেন: আমরা চাই রাজাকার, মৌলবাদ, ধর্ম ব্যবসায়ীমুক্ত বাংলাদেশ।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
বিনলাদিনের ুটকিত কি বেদনা উঠছে???
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এই মানববন্ধন কি কালকেও হবে ? যদি হয় তাহলে কখন ? মনে হচ্ছে আজ কোন কোন ব্লগাররাও সামিল ছিল... এটা ভাল... সমমনারা যদি এক সাথে যায় তাহলে আরো ভাল হতো ...
লেখক বলেছেন: না, কাল হবার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি
বিগব্যাং বলেছেন:
বিনলাদিন,্ওরের বাচ্চাটারে লাত্থি দিয়া ব্লক করার দাবী জানাই...
লেখক বলেছেন: ব্লক করলেই তো ওর খেলা শেষ। আমি দেখতে চাই, ও কতটুকু কী বলতে চায়...!!!
বিনলাদিন বলেছেন:
: আমরা চাই রাজাকার, মৌলবাদ, ধর্ম ব্যবসায়ীমুক্ত বাংলাদেশ।আইচ্ছা ঠিক আছে। দেশ থেইক্কা রাজাকার, মৌলবাদ ধর্ম বেবষায়ী খেদাইলে থাকে কেডা? আম্লিগ। কারণ আম্লিগ হিন্দুবাদি। বিম্পি সংবিধানে বিসমিল্লাহ যোগ কর্ছে। রাজাকারের দোষর, মিনিমৌলবাদি। তাইলে আয় হগ্গলে মিল্লা ১৮ ডিসেম্বরে আম্লিগরে ভোট মারি।
বাঙাল চায় কি জানস? মাছ ধর্বো, মাগার পানি ছুইবার চাইবো না। কিন্তু এইডা কোনদিনও সম্ভব না। পানি ভিত্তে ডুব মাইরা মাছ ধৈরা আনন লাগবো।
লেখক বলেছেন: বিনলাদিন বলেছেন : ...আইচ্ছা ঠিক আছে। দেশ থেইক্কা রাজাকার, মৌলবাদ ধর্ম বেবষায়ী খেদাইলে থাকে কেডা?
কিন্তু জনাব লাদেন, খেদানোর কাজটা করবে কে ? আপনি আর আপনারা ?? মারহাবা !! সোবহানাল্লাহ !!!
বিনলাদিন বলেছেন:
আমি বিনলাদিন বলছি। সব সময় ন্যায়ের পক্ষে। আমরা মুর্তি ভাঙা নিয়ে চিৎকার চেচামেচি না করে আমাদের উচিৎ গোড়ায় হাত দেয়া। কারণ মূল উৎপাট না করলে যুগ যুগ ধরে সমস্যা থেকেই যাবে এবং তর্ক চলতেই থাকবে। তাই আমাদের গঠনমূলক আলোচনা করা প্রয়োজন। সকল সমস্যার গোড়া বা মূল কোথায় এবং এ থেকে মুক্তির উপায় নিয়ে আমাদের মতামত একে অন্যের সাথে শেয়ার করা উচিৎ।
লেখক বলেছেন: ভাইজানের সুর মনে হয় একটু অন্য রকম ????
বিনলাদিন বলেছেন:
কিন্তু জনাব লাদেন, খেদানোর কাজটা করবে কে ? আপনি আর আপনারা ?? মারহাবা !! সোবহানাল্লাহ !!!এল্লাইগ্গাইতো আমি বিনলাদিন। বিলাইর গলায় ঘন্টা বান্দন লাগবো হগলেই কৈবার পারে। মাগার বানবো কেডা ? এইডা কইলেই দেখবা হগলেই কাইটা পড়বো।
বিনলাদিন বলেছেন:
২ বছরের তত্বাবধায়ক সরকারের শাষণ দেশকে কি উপহার দিয়েছে। মানববন্ধন। অতিতে এটা ছিল হরতালরূপী সর্বগ্রাসী মহামারি। এখন হরতালের মরদেহ রূপ নিয়েছে মানববন্ধন হিসাবে। সো, আমাদের বাঙালিকে ঠিক করতে কি রকম শাষন প্রয়োজন সবাই বুঝতে পেরেছেন আশা করি।
আমার জন্য লেখা বলেছেন:
সব শালারা নিপাত যাক, দেশে একলা থাকতে চাই
লেখক বলেছেন: নিপাত যাক
লেখক বলেছেন: ব্লক করলেই তো ওর খেলা শেষ। আমি দেখতে চাই, ও কতটুকু কী বলতে চায়...!!!
চাক্ষিক বলেছেন:
মাইনাস দিছে যারা, নিপাত যাক।
লেখক বলেছেন: সকল কু সংস্কার, মৌলবাদ, অপসংস্কৃতি....নিপাত যাক
মাঠশালা বলেছেন:
ঘটনা যা ঘটার তাতো ঘটলোই। এইটা শুরু। সামনে....প্রথম যখন ভাস্কর্য ভাঙার আবেদন মিছিল ও ওদের পুরানা জঙ্গীপনা(যা রাস্ট্র কখনোই বাধা দেয় না)য় আতঙ্ক এবং ক্ষোভ নিয়ে কয়েকটা বন্ধুর সাথে কথা বললাম। সবারই এক অবস্থা। তাইলে তো ভাস্কর্যটা রক্ষা করতে নামতে হয়! কিন্তু এইবেলা সবাই এমন কি আমার ভেতরও একটা খচখচানি শুরু হইলো। কারন আর কিছুনা মৃণাল হক সয়ং। এই লোক সারা ঢাকায় বিভিন্ন জায়গায় দৃস্টি নন্দনের নামে যে পরিমান দূষন তৈরী করছেন যোগাযোগ ও নানান ফিকিরে তা গত সংখ্যার আর্টবিট পত্রিকায় বিস্তারিত আছে।আর এই সেই মৃণাল হক যে- ছাত্রাবস্থায় ঘুমন্ত শিশির ভট্টাচার্যের উপর চড়াও হয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। এ হেন লোকের তো ভাস্কর্য তো দূরের কথা মূর্তি নির্মানেরই যোগ্যতা নাই। অথচ দিনের পর দিন এই একটা লোকই সারা ঢাকায় একটার পর একটা .......
কথা বললে ওনেক কথা চলে আসে। আমার মনে হয় আমাদের শিল্পী সমাজের একটা ধারাবাহিক নিস্কৃয়তায় এইসব উজবুক রাস্ট্রের কাছে নিজেরে িশল্পী ভাস্কর বানায়া শেষ পর্যন্ত যার ক্ষতি করে তা হইলো শিল্পর। আরো আগে থেকে যদি এরে চিহ্নিত করা যাইত তাইলে বর্তমান ঢাকায় ভাস্কর্যর নামে যা ায স্থাপনা আছে তার এতটা দূরাবসবথা হইতো না আর আমরাও আমাদের সেরা ভাস্করদের কাজগুলার প্রকৃত পোষকতা করতে পারতাম। যাউগগা এবার কইতে চাই আরেকটা কথা, কোন একটা পয়েন্টে একটা ভাস্কর্য হবে এইটা কে কিভাবে প্রয়োজন মনে করলেন এবং পরে করা কারা সেইটা কর্যকর করলেন অর্থ্যাৎ প্লানিং কমিশন বা ঐ জাতিয় কিছু যারা এইসব করে থাকে তারা মনে হয় না শিল্পসংশ্লিস্ট কেউ বা ওদের মধ্যে অন্তত কেউ একজন আছেন যার যথার্থ শিল্পবোধ রয়েছে। মৃনাল যা বানাইছে তার ছবি দেখছি তো সেইটারে ভাস্কর্যতো দূরের কথা নেহায়েৎ দূর্বল মূর্তি (কেউযদি মূর্তি বানাইতে চান তাতে আমার আপত্তি নাই, মূর্তি তৈরীর প্রচীন ঐতিয্যে আমি বরাবরই গুনাগ্রাহী) বইলাও মাইনা নিতে হয়। এখন একে ভাস্কর্য কইয়া যারা সৌন্দর্য তৈয়ার করতে চান তাগো তো......
এখন যে ঘটনা ঘটল তার প্রভাবতো অনেক দুর পর্যন্ত বিস্তৃত।
কারে কমু আর কিকরুম এহন।
এ হেন পরিস্থিতিতে মৌলবাদী আক্রমন প্রতিহত যেমন জরুরী তেমনি মৃণাল হকের মত কৃমিনালদেরও ভাস্কর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে যাবার একটা সম্ভাবনা থেকে আমি তার প্রসঙ্গ টেনেছি।
পুতুল, মূর্তী, প্রতিকৃতি, ভাস্কর্য এসবের মধ্যে পার্থক্যতো বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন দেখিনা। কিন্তু ওরা সব কিছুকেই মুর্তির দাড়িপাল্লায় ফেলে অন্যায্য ও মধ্যযুগীয় মূল্যবোধ দিয়ে আমাদের নন্দনতত্বের বিরোধীতা করছে। সেটা অনেক ব্যপক, সরাসরি আর প্রাচীন ফাইট। ওদের সাথে আমাদের। যারা শিল্পের নানান ফ্রন্টে সক্রিয় আছি।
"মোল্লারা ভাষ্কর্যের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছে , ভাষ্করের বিরুদ্ধে নয় ।"
আর রাস্ট্রের ভূমিকা নিয়েও আমি কিছু কথা বলার ব্যার্থ্য চেস্টা করেছিলাম আমার প্রথম দিকটাতে। তাছাড়া এই মুহূর্তে মাথায় আরেকটা ব্যাপার ঘুরপাক খাচ্ছে- ধরেন লীগ/বিএনপির শাসনামলে মুজিব/জিয়ার প্রতিকৃতি স্থাপন করা হলে যে গোস্ঠিটি এখন বিরোধীতা করছৈ"মুর্তি" স্থাপনার তারা তখন কি করত বা রাস্ট্রের ভুমিকাইবা কিহত তখন। কিন্তু এখন ওরা কেই ক্ষমতায় নেই আর প্রতিকৃতি হয়েছে লালনের। এই লালনের সাথেতো ধর্মান্ধদের বাহাসের প্রাচীন ইতিহাস আপনি জানেনই। পরে হয়ত বিস্তারিত বলার কোশেষ রাখি।
ধর্র্মান্ধতা আর রাস্ট্রীয় পশ্চাদপদতা এক সাথে অগ্রসর হচ্ছে নানান রকম চেহারায় সর্তর্ক ও সক্রীয়তার আলাদা ফ্রন্ট দরকার, পুরানা ছাউনিগুলাতে আর আস্থা নাই।
লেখক বলেছেন: মাঠশালা, মৃণাল হকের ব্যাপারে আপনি যা বলেছেন সে ব্যাপারে আমি আপনার সাথে একমত। কথা হচ্ছে, মৃণাল বা ক্রিমিনাল যাই বলুন না কেনো- তাকে তো কাজ (বা অকাজ) টা করার পারমিশন আমাদের মাথামোটা কর্তৃপক্ষের তরফ থেকেই দেয়া হয়েছে তাই না ? দেয়ার আগে একবারও কী মাথামোটারা ভাবতে পারেনি, এই লোককে দিয়ে আর যাই হোক ভাস্কর্য হবে না। তারমানে গোড়াতেই গলদ ছিল।
তবে ব্যক্তি মৃণালকে বাদ দিয়ে একবার ভাবুন, আমাদের কৃষ্টি আর সংস্কৃতির দিকে যদি উগ্র মৌলবাদের প্ররোচনায় সরকার এভাবে হাত বাড়ায়- তাহলে কী হবে এ দেশের ?? কাঁহাতক আর এ সব সহ্য করা যায় ???
আপনার বিশ্লেষনধর্মী মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শান্তি ! বাংলাদেশে !! শান্তি নাইরে পাগল !!!
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
মৌলবাদ নিপাত যাক
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ব্যানারে ভাষ্কর্য শব্দটির পরে একটি প্রশ্নবোধক দেখছি ব্র্যাকেটে । "(?) "দিয়ে আন্দোলনকারীরা কী বুঝাতে চাচ্ছেন ?
মৃনাল হক বিখ্যাত হয়ে যাচ্ছেন , চাইকি বিদেশে এসাইলাম নিয়েও চলে যেতে পারেন , পাশ্চাত্যে তার এই নতুন পরিচয় খুব খাবে , । তাই ব্যানারের প্রশ্নবোধকটি খুব চোখে লাগল । সোজা জিনিষ বাঁকা করে দেখা আমার কুঅভ্যাস ।
লেখক বলেছেন: প্রশ্নবোধক চিন্হের ব্যাপারে আমারও যথেষ্ট কনফিউশন আছে।
তবে মৃণাল হকের ব্যাপারে আমার কোনো দ্বিমত নেই...
মাহবুব সুমন বলেছেন:
এই সব উগ্রপন্থি মোলবাদীদের শুরু কিন্তু অনেক দিন থেইকাই। প্রথমেই এদের শেকড় উৎপাটন না করাতে এই বিষবৃক্ষ আজ পুর্নবয়স্ক।
মাদ্রাসা কি ধরনের পড়াশোনা করা হয় , ওদের কি সব ধ্যান ধারনা দেয়া হয় সেটাতো জানেনই। এই সব ফ্যানাটিকদের সংখ্যা এখন লাখ লাখ। সংখ্যা বাড়ছেই ক্রমাগত, আজ হয়তো এদের বন্ধ করা যাবে কিন্তু ভবিষ্যতে কি হবে সেটা নিয়া আমি অনেক আশংকিত। সাথে যদি যুক্ত হয় সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন !
সাধারন মানুষের অবস্থা মরিচের মতো। কিছু কইতে পারে না আবার সইতেও পারে না।
লেখক বলেছেন: এই ভাবে বইলেন না বস, আপনেরে মুরতাদ ঘোষনা করা হইবেক !!
সরপ বলেছেন:
ইহুদি দাললরা নিপাত যাক।
লেখক বলেছেন: ১০ নম্বর ভাল না লাগাটা আপনার, ধন্যবাদ !!!
এহসান হাবীব বলেছেন:
সংস্কৃতির প্রতি আগ্রাসনের প্রতিবাদ জানাই। 'মৌলবাদ নিপাত যাক'এর পাশাপাশি 'মৃণাল হটাও' স্লোগানও উঠুক।
লেখক বলেছেন: একমত
ফজলে এলাহি বলেছেন:
মুহাহাহা টাইপের হাসি পেয়ে গেল। বৃষ্টির ফোঁটা অথবা দমকা বাতাসে নিভে গেলে যে শিখাকে আবার পাহারাদাররা সিগ্রেট খাওয়া দেশলাই দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়, সেটার নাম "শিখা চিরন্তন"। নামের নির্ঘাৎ অপব্যবহার হয়েছে।
নাস্তিক্যবাদ নিপাত যাক
ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নিপাত যাক
ইসলামের জয় হোক।
মেন্টাল বলেছেন:
একটা ইতর প্রাণী এসে মুহাহাহা টাইপের হাসি দিয়ে গেল। ইতর প্রাণীটার বোটকা গন্ধে টেকা যাচ্ছে না।
লেখক বলেছেন: ইতর প্রাণী 11
লেখক বলেছেন: সকল কু সংস্কার, মৌলবাদ, অপসংস্কৃতি....নিপাত যাক
লেখক বলেছেন: সকল কু সংস্কার, মৌলবাদ, অপসংস্কৃতি....নিপাত যাক
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















