আমার প্রিয় পোস্ট
- ওয়ান ইলেভেন এর দুই বছর বা এক যুগ পূর্তি !!! - মেসবাহ য়াযাদ
- আমাদের ঈদ এবং স্মৃতির জাবর কাটা... - মেসবাহ য়াযাদ
- হচ্ছে কী এ সব ?? - মেসবাহ য়াযাদ
- আজকে মেসবাহ য়াযাদ ভাইয়ের জন্মদিন!!!!!!
- অন্যরকম
- ব্লগে বারো ভূঁইয়ার জমিদারি : ব্লগে ভয়ের সংস্কৃতি - ফিউশন ফাইভ
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে নিয়ে আমার জীবনের প্রথম লেখা (মুক্তিযুদ্ধে যারা বাবা হারিয়েছ তোমাদের সবার জন্য উৎসর্গ) - মুনীর উদ্দীন শামীম
- আমিই লোকালটক!! - সুমন রহমান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আয়োজিত ব্লগার সমাবেশে উত্থাপিত প্রস্তাব ও কর্মপন্থা - কৌশিক
- মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা, ১৬ বছর পরও কি আপনার এই বক্তব্য অনুদিত হবে না? - অমি রহমান পিয়াল
- ৫০ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম - অণৃণ্য
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- অনুভূতির ব্লা ব্লা ব্লা... - লাল দরজা
- রাজাকারমুক্ত ব্লগ বনাম A-TEAM - সবাক
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- মুখ, মুখোশ আর একজন বিক্রয়কারী তরুণী - অন্যমনস্ক শরৎ
- আমার মা, আমার ঈশ্বর। - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- নরম নরম তেলাপোকা ভোর - কৌশিক
- আমাদের আত্মপরায়নতা এবং মানবিকতার মৃত্যু - রাসেল ( ........)
- আসুন, শাশ্বতের বাঁচার লড়াইয়ে সামিল হোই - আ-আল মামুন
বিদেশ যাত্রা ২
০৩ রা মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
Click This Link
শুধুই ঘুরাঘুরি আর কেনাকাটা
ক্লান্ত শরীর। দুই বন্ধু মিলে শুয়ে শুয়ে টিভি ছেড়ে গল্প করছি। কখন যে অজান্তে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম টের পাইনি। ঘুম থেকে উঠে দেখি, দশটা ১৫ মিনিট। স্থানীয় সময় ১২ টা ১৫ মিনিট। সকাল ১০ টার মধ্যে হোটেলের কমপ্লিমেন্টারি নাস্তার সময় শেষ। ঠিক করলাম, একবারে গোসল করে রুম থেকে বেরুবো এবং দুপুরের খাবার খেয়ে নেবো। হাতের ঘড়ির সাথে স্থানীয় সময় মিলিয়ে রুম থেকে দুপুর এক টার পরে দুই বন্ধু বেরিয়ে পড়লাম।
সামান্য খুঁজতেই পুডু রায়া বাস স্ট্যান্ডের উল্টোদিকে কেএফসির কাছাকাছি দাড়িওয়ালা এক হুজুরের হোটেল খুঁজে পেলাম। ভাত, সব্জী, মাছ, ডাল, মুরগী, গরুর গোশত সবই পাওয়া গেলো হুজুরের দোকানে। পেট ভরে ভাত খেয়ে দোকানের সামনে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে আয়েশ করে সিগারেট ধরালাম। বিল দিতে যেয়ে বোকা বনে গেলাম। দুজনের বিল এসেছে মাত্র ১৪ টাকা ৫০ পয়সা। আমার বোকা বোকা চেহারা দেখে শান্তনু বললো, বন্ধু বাংলাদেশি টাকায় আমাদের বিল এসেছে ২৯০ টাকা...
হোটেল থেকে বেরিয়ে হাঁটা শুরু করলাম। প্রথমে চায়না টাউন ঢুকলাম। এদোকান সেদোকান ঘুরে বৌয়ের জন্য গোটা তিনেক হাত ব্যাগ (ব্যাগের ভেতরে আবার একটা করে আন্ডা বাচ্চা ব্যাগ ফ্রি) কিনলাম। প্রচুর দামাদামি করে জিনিস কিনতে হয় এখানে। টি-শার্ট, ব্যাগ, ঘড়ি, খেলনা আর প্রচুর খাবারের দোকান আছে চায়না টাউনে। অনেক বাংলাদেশি লোক কাজ করেন এখানে। বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হলো। বিভিন্ন দেশের পর্যটকে ঠাঁসা চায়না টাউন। সবাই কমবেশি কেনাকাটা করছেন। অনেকগুলো ঘড়ির দোকান থাকা স্বত্বেও সুন্দরী এক বালিকার দোকানে ঢুকলাম আমরা। আমাদের পরিবারের ৩ জনের জন্য ৩ টা ঘড়ি কিনলাম। দাম মাত্র ৬০ টাকা মানে, সেদেশের ৬০ আর আমাদের ১২০০ টাকা।
দুবন্ধু দুগ্লাস অরেঞ্জ জুস খেয়ে আবার হাঁটা। এবার পপুলার চেইনশপে। চকলেট, কলম, খেলনাসহ এটা সেটা কিনলাম। আসলে যা দেখছি তাই কিনতে ইচ্ছে করছিলো। আমার এমনিতেই কেনাকাটার বাতিক আছে। ঘন্টাখানেক বাদে বেরিয়ে এলাম চেইনশপ থেকে। আবার হাঁটা। সামনেই ট্রেন স্টেশন, পাসার সিনি। ৫ মিনিটের পথ। দ্বোতলায় যেয়ে ১ টাকা করে দুটো টিকিট কিনলাম। গন্তব্য কেএল সেন্ট্রাল । সকল ট্রেনের শেষ গন্তব্য। আমাদের কমলাপুর। উঠতে না উঠতেই ট্রেন এসে থামলো। বড়জোর ৫ মিনিটের রাস্তা। কী সুন্দর ট্রেনের ভেতরটা ! আর কী পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ! তুলনা করতে যেয়ে মন খারাপ হলো। কিন্তু বেড়াতে এসে মন খারাপ করা যাবেনা। মনকে সান্তনা দিলাম- যেই দেশের যেই বাঁও...।
১০/১৫ মিনিট স্টেশনে ঘুরে ফিরে আবার ফিরতি ট্রেনে চড়ে পাসার সিনি স্টেশনে নেমে পড়লাম। হাঁটতে হাঁটতে পুডুরায়া বাস স্টেশন এবং টাইম স্কয়ার হোটেল পেরিয়ে এলাম। এই হোটেল নিয়ে অনেক কিস্সা রয়েছে। আমাদের দেশের অনেক ধনী এবং সন্ত্রাসীদের আস্তানা হচ্ছে টাইম স্কয়ার। যারা মাসের পর মাস এ হোটেলে অবস্থান করে। যাই হোক, আমরা আদার ব্যাপারি, জাহাজের খবর নিয়ে লাভ নেই ! আবার হাঁটা। বিবি প্লাজা মার্কেটে একটু ঢু মারলাম। প্রচুর বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এ বিবি প্লাজা। আশেপাশের অনেক দোকানে বাংলাদেশি লোকজন কাজ করছেন। এর মধ্যে বেল্ট, মানিব্যাগ, খেলনা, টি-শার্ট আর সেন্ডেলের দোকান রয়েছে বেশি।
সন্ধ্যা হয়েছে অনেকক্ষণ। একটু ক্লান্তও আমরা। ঠিক করলাম, আজকের মতো আমাদের শেষ গন্তব্য টু-ইন টাওয়ার। হেঁটে ২০/২৫ মিনিটের মাথায় পৌঁছলাম। কী সুন্দর দুইখান ভবন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে ! কতো শতো পর্যটকের আনাগোনা ! সবাই শুধু ছবিই তুলছে...। আমরাও বেশ কিছু ছবি তুলে অবশেষে হেটেলের পথে রওয়ানা হলাম। হোটেলে ফিরে রাতের খাবারের জন্য ছুটলাম বাংলাদেশি হোটেলে। ঢাকার লালবাগের মাসুদের হোটেল বিসমিল্লাহতে রাতের খাবার সেরে নিলাম করলা ভাজি, সব্জী, ডাল আর রুই মাছ দিয়ে। হোটেলে ফিরতে ফিরতে রাত দশটা। ঘুমানোর আগে পরিকল্পনা করা হয়,কাল সকালে শান্তনু যাবে তার সেমিনারে আর আমি যাবো কুয়ালা লামপুর থেকে ৭০/৮০ কিলো দুরে গ্যাংটিং হাইল্যান্ডে...
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: কোন সুটকেস ????
রাহা বলেছেন:
ভালোই ঘোরা ফেরা চলছে !!!
লেখক বলেছেন: এই আর কী, বস !!
লেখক বলেছেন: কী করুম, নিজের হাফ প্যান্ট নাইযে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। চলবে...
শেরজা তপন বলেছেন:
লেখা আর ছবি দুটোই ভাল লাগল। দুই সপ্তাহ আগে গিয়েছিলাম ওখানে।
লেখক বলেছেন: এক সপ্তাহ পরে গেলে কী হতো ??
অদ্ভুত কাজী বলেছেন:
ভালো লাগতেছে পড়ে .........
লেখক বলেছেন: সো কাইন্ড অব ইউ...
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
ঠিকাছে
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে...
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ওইটা পুডু রায়া বাস স্ট্যান্ডপাসার সিনি...ট্রেনে অটোমেডেট ভয়েস এলার্ট মনে পড়ে গেল......"নেক্সট স্টেশন...পাসার সিনি"
গ্যাংটিং হাইল্যান্ড -এর অপেক্ষায় থাকলাম...
লেখক বলেছেন: হ হ ঠিকাছে, ওইটা পুডু রায়াই হবে....
মুহিব বলেছেন:
এখনও মূল গল্প মনে হয় শুরু হয় নি। গ্যাংটিনের গল্প ছাড়ুন এবার।
লেখক বলেছেন: মূল গল্প বলে আসলে কিছু নেই। সবটাই মূল বা কোনোটাই মূল না...। আমি ভালো লেখক বা বলক কোনোটাই নইরে ভাই...। আমি সবকিছুতেই আনন্দ খুঁজি, পাইও।
মুহাম্মদ েগালাম েমাস্তাফা রুেমল বলেছেন:
একটা প্ল্যান করেছি ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে আমার ফ্যামেলী ম্যামবার'রা সবাই মিলে যাব এক মাসের জন্য মালয়েশিয়া। দোয়া কইরেন.....
লেখক বলেছেন: দোয়া করলাম...
বলাক০৪ বলেছেন:
বেড়াইতে গেছিলেন নি ভাইডি? কত্ত মজা। আমরারে খালি কাম করতে বিদ্যাশে পাডায়। বেড়াইতাম পারিনা এট্টুও। হোডলে থাইক্কা খালি খালি কান্দন আহে। বালা কইরা বেড়ান ভাইডি আর আমগো গল্পডি শুনান।
লেখক বলেছেন: আর কিছুই লাগে না ? শিওর ??
ম. রহমান বলেছেন:
আবাং, পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায়...
রাজামশাই বলেছেন:
হুমমমম
লেখক বলেছেন: খালী হুমমমম বললে হবে রাজামশাই ????
লেখক বলেছেন: এমবেড কাহাকে বলে, কত প্রকার ও কী কী ???
মুহিব বলেছেন:
আপনার ঘুরাঘুরি করার বাতিক। কিভাবে কিভাবে যেন আপনার সে সুযোগ চলেও আসে। ভাবতে ভালই লাগে।
লেখক বলেছেন: নজর দিয়েন নাতো ব্রাদার, শেষে আর সুযোগ আসবে না !!!
জুল ভার্ন বলেছেন:
খুব সুন্দর লিখেছেন! কাল পড়তে পারিনি সমাভাবে। আজ পড়ে যথার্থ মন্তব্য লিখতে পারছিনা কিছু টেকনিক্যাল কারনে।
লেখক বলেছেন: আমিও আবার বিদাশ যাইতাম চাই, ইচ্ছামতো খাইতাম আর ঘুরতাম চাই...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















বস, ঐ সুটকেসটার খবর কি?