নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ হয়ে,
রাতের শেষ ট্রেন মুছে গেলে,
মেঠোচাঁদ ও নক্ষত্রের সভা শেষে,
সব শেষের শেষ হলে,
যখন ঘর বাড়িতে সমাধির ভিড় বসে,
সে এসেছিল।
সে এসেছিল,
যে দিয়েছিল এক বর্ষাতি দিতে পারে যত।
পাঁচটি বছর আগে,
যার হাত ধরে
রিক্সার পর্দা টাঙানো বাসর ঘরের স্বপ্ন বুনেছিলাম।
যাকে নদীর মতো স্নানযোগ্য
ভেবে
কষ্ট নামক সমুদ্রে ভেসেছি,
ডুবেছি,
তলিয়ে গেছি স্রোতের শিকলে।
সে নিশীথ রাতের বাতাস হয়ে এসে
ছিড়ে নিয়ে গেছে আমার হৃদয়
আকাশের ওপারের নীলে।
এক রুম অন্ধকারে বসে, দূরের একাকী
ষ্ট্রীটল্যাম্পের নিয়ন আলোতে
তাকে উড়ে যেতে দেখেছি শুধু
একটা দুরন্ত শ্বেত-কপোতের মতো।
তবুও তো সে এসেছিল
যার তরে স্মৃতির পাল তুলে
নষ্ট যুবক এখনো কাঁদে
ভ্রষ্ট অন্ধকারে।।
১৮.০৯.০৮
ছবিসূত্র: নিজে তুলেছি।
(ব্যাকইয়ার্ডে দাড়িয়ে কেন জানি দূরের একাকী ষ্ট্রীটল্যাম্পের ছবি তুলতে ইচ্ছে করল। ছবির নাম দিয়েছি- 'নিশীথ রাতে সমাধির ভিড়ে একাকী ষ্ট্রীটল্যাম্প ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

