আমার প্রিয় পোস্ট
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- আরেকটা একইরকম দিন: কিছু ব্যাতিত্রুমী মুভির কালেকশন - বিডি আইডল
- দুনিয়ার সুর- সুরের দুনিয়া - কিষান
- কফিহাউজে আড্ডার অনুলিখন - স্বদেশ হাসনাইন
- চুয়ান্নের বাইশে অক্টোবরঃ কবি! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- রসু খাঁ, তার খুনসমূহ এবং ক্রসফায়ারচিন্তা - সুমন রহমান
- কক্সবাজারঃ সমুদ্রে নামতে না চাইলেই, বৃষ্টি এসে আপনাকে ভিজিয়ে দিবে... - মুনশিয়ানা
- ব্যাপক মেটাল ক্লাসিফিকেশন আর তদ অনুযায়ী ডাউনলোড লিংক- রোজার মধ্যে মেটালগানের বস হইয়া যান সবাই-২! - উদাসী স্বপ্ন
- ছোটগল্প : আমার মৃত্যু পরবর্তী চিঠি - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ প্রসঙ্গে।। - মাশা
- নিমন্ত্রণ - লেফাফাদুরস্ত
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কর্পোরেট ফাজলামি : শেষ কোথায়? - ফারহান দাউদ
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- মুসলিমদেরকে কোরআনের মত স্মার্ট হতে হবে - একলা একজন
- ছোটগল্প : যখন একুশ শতকের আকাশে ফুটছিলো ফসফরাস ফুল, সভ্য কুকুরটি তখন নিহত হয়েছিল - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- কবিতা সংকলন - জ্বিনের বাদশা
- জোছনা, সেইরাতে তবুও পৌষ মেখেছিলো - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- দুঃস্বপ্নের যাত্রী (গল্প).......//ইমন - শফিউল আলম ইমন
- গল্পঃ দেয়ালের ওপাশে - মোস্তাফিজ রিপন
- আমার কবিতারা না হয় ঘুমিয়ে পড়ুক। - রাতিফ
- On Fakir Lalon Shah by Farhad Mazhar - সেলিম তাহের
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের বধ্যভূমি...... - ফেরারী পথিক
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একুশের প্রথম কবিতা - লাইটহাউজ
- '৭১ এর বুড়ি : সাধারণ কিছু মানুষের গল্প - ফারহান দাউদ
- মানুষ একাকী এক মিথ - মৃদুল মাহবুব
- বিহংগের বয়কট - বিহংগ
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- বলে দাও তবে·····সর্ম্পকটা কী ? - ভাস্কর চৌধুরী
- আমি যেভাবে ভালোবাসি - সন্ধ্যাবাতি
- নরাধমের কালজয়ী উপন্যাসঃ সে এক অমর প্রেম কাহানী - পর্ব ১ - নরাধম
- দহন - সুলতানা শিরীন সাজি
- কেউ কি ফিরিয়ে দেবে সেই শিউলিফুল ? - রাগ ইমন
- ভালোবাসা নিলাম হয়ে গেছে/বিহংগ - বিহংগ
- একটি ফুল খুনের গল্প। প্লিজ পড়ুন, হয়তোবা আপনার দুমিনিট সময় আমার জন্য দিলেন। - বিহংগ
- নিঃসঙ্গতা তোমায় ভালবাসি - বিবর্তনবাদী
- খুঁজি সেই ছেলেবেলা - কৃষ্ণকলি
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
দোহাই আপনাদের এসব ছেলেমানুষী বন্ধ করুন
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
আমার দু বন্ধু আর্মিতে আছে। একজনের বড় ভাই বিডিআর এর উর্দ্ধতন অফিসার। সকালে আর্মি বন্ধুকে ফোন করেছি ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য। অন্যান্যদের মত বন্ধুর বড় ভাই(যিনি বিডিআর অফিসার) ও দরবার হলে উপস্থিত ছিলেন। কিছু একটা আনতে হল থেকে তিনি বাইরে গিয়েছিলেন। এর ঠিক দশমিনিট পরে গুলাগুলি শুরু হয়ে যায়। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। বন্ধুর সাথে কথা বলে যেটা বুঝতে পেরেছি দরবার হলের অলমোষ্ট সবাই স্পট ডেড। যারা পালাতে পেরেছেন তারা বেঁচে গেছেন। বুঝলাম উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অনেকেই জওয়ানদের কোন কথার পাত্তা দিতেন না কিংবা খবরদারী করতেন। তাই বলে জওয়ানদের এ ধরণের অপরাধ কেন করতে হবে। কেন এর উত্তর খুজে পাচ্ছি না। এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। বিদ্রোহ কোনভাবেই কাম্য নয়। আর্মি কিংবা জওয়ানদের কাছে আমরা সাধারণ মানুষ এটা আশা করি না।
পূর্বপরিকল্পনা না থাকলে এটা এত বড় ঘটনা হত না। আমি কোন পক্ষের কিংবা বিপক্ষের হয়ে কথা বলছি না। কেউ কেউ দেখলাম জওয়ানদের এ ধরণের বিদ্রোহকে হাততালি দিচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, এসব ছেলেমানুষী বন্ধ করুন। নিজে বুঝতে চেষ্টা করুন। পরিচিত যারা আর্মি কিংবা বিডিআর এ কর্মরত আছেন তাদের বুঝান, শান্ত করুন। এটার পরিণতি খারাপ হবে কখনোই ভালো হতে পারেনা। বিডিআরদের দাবীগুলো নৈতিক। কিন্তু এ ধরণের মানসিকতা কোনভাবেই কাম্য নয়। বিদ্রোহ কখনোই শান্তি বয়ে আনবে না। শান্তিপূর্ণভাবে সরকারের সাথে বৈঠক করেই দাবী মেটানো সম্ভব। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটা সেটলড করা উচিত।
যারা যুদ্ধ যুদ্ধ বলে লাফাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে দুটা কথা বলব। আর্মি কিংবা বিডিআর সবাই আমাদেরই আত্বীয়স্বজন। আমাদের দেশের মানুষ। এই দুই বাহিনীর গৃহযুদ্ধ/বিদ্রোহ হলে কিন্তু দেশের অনেক বড় ক্ষতি। দেশের ক্ষতি মানে আপনারই ক্ষতি। আপনারা হয়ত অনেকেই বড় বড় ফুটবল দলের খেলা দেখেন। আপনি কি জানেন এসব দলের প্লেয়াররা দলের সম্পত্তি। বছরশেষে যখন লাভ-ক্ষতি হিসেব করার জন্য পাবলিশড এ্যকাউন্টস করা হয়। তখন এসব প্লেয়াররাই এ্যকাউন্টস এ লংটার্ম এসেট হিসেবে স্থান পায়। এটা বলার কারণটা বলি। ধরুন, বাংলাদেশ একটা কোম্পানী। আর্মি কিংবা বিডিআরের অফিসাররা সবাই এই কোম্পানীর লংটার্ম এসেট। একজন মেজর জেনারেল হতে আনুমানিক বিশ বছর সময় লাগে। ঠিক একইভাবে কর্ণেল, লেঃ কর্ণেল পনেরো কিংবা দশ বছর সময় লাগে। এতোদিন যাবৎ এদের ট্রেনিংয়ের পেছনে দেশের কত টাকা খরচ হয়েছে বলতে পারেন? কোটি টাকা কিংবা তারও অনেক বেশি। সে টাকা আমার, আপনার কৃষক থেকে শুরু করে যারা রিকসা চালান তাদের ও। এবার চিন্তা করুন একজন ট্রেইন্ড আর্মি কিংবা বিডিআর অফিসার যারা বিদ্রোহে মারা গেলেন, দেশের কত লস ইতিমধ্যে হয়েছে। তাছাড়া আরেকজন মেজর জেনারেল তৈরীতে দেশের আরো বিশটা বছর সময় লাগবে।
যারা হাততালি দিচ্ছেন তাদের বলছি উস্কানীমূলক কথা না বলে প্লিজ বুঝতে চেষ্টা করুন। আপনার পরিচিতজন যারা আর্মি বিডিআর এ কর্মরত আছেন তারা স্বাভাবিকভাবেই এখন অস্থির কিংবা ভীত। তাদের বোঝানোর দায়িত্ব কিন্তু আপনার। আপনারা যারা আওয়ামী লীগ সরকার পছন্দ করেন না কিংবা বিএনপি করেন তাদের বলছি এটা ভাববেন না যে এটা আওয়ামীলীগের ব্যর্থতা। এটা আপনার আমার সবার ব্যর্থতা। আওয়ামীলীগ পছন্দ করুন কিংবা না করুন তারাই কিন্তু দেশের নির্বাচিত সরকার। তার মানে এখন সেটা আপনারই সরকার, আপনিই সরকার। এ ধরণের পরিস্থিতিতে সবার সাধ্যমত সহযোগিতা একটা দেশের সরকার অবশ্যই আশা করবে। সরকারের ব্যর্থতা হইল কি না সেটা না দেখে পরিস্থিতি শান্ত করতে সাহায্য করুন। ঘটনা বুঝার চেষ্টা করুন। দেশের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। সামনে আরো বড় ক্ষতি হয়ে যাবার হাত থেকে দেশকে রক্ষা করুন প্লিজ।
মন্তব্যের সবগুলোর একসাথে রিপ্লায় দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে সবার প্রতি দেয়া মন্তব্য পোষ্টে এ্যড করে দিলাম।
সবার উদ্দেশে বলছি। আমি সশস্ত্রবাহিনী সম্পর্কে খুব বেশি জানিনা। অনেকের মত জানতে ইচ্ছেও হয়না। এক্ষেত্রে রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লার 'সশস্ত্রবাহিনীর প্রতি' কবিতাটি দ্রষ্টব্য।
যাইহোক, আমি জানি আপনারা এসব ব্যাপারে আমার কাছ থেকে বেশি বুঝেন। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে সেটা বলি। আর্মিকে আমার কোনদিন পছন্দ ছিল না। এটার কারণ দেশের দখলদারিত্ব নিয়ে নেওয়া। আর্মি যখন পলিটিশিয়ান হয়ে যায় সেটা মেনে নেওয়া যায় না। কারণ আর্মিরা বুঝে 'ব্লাডি সিভিলিয়ান'দের দুচারটে ডান্ডার বাড়ি দিলে সব ঠিক। ওরাই দেশ চালাবে। কিন্তু ইতিহাস বলে আর্মিরা সরকারের আসনে বসে কখনোই সুফল বয়ে আনেনি। উল্টো দেশের বারোটা বাজিয়েছে।
জওয়ানদের দাবীগুলো অবশ্যই নৈতিক। কিন্তু দাবী আদায় করে নিতে গৃহযুদ্ধ কখনো কাম্য নয়। এখনকার পরিস্তিতিতে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ ক্রিয়েট হইছে। এটাতে দেশের লাভ যে হচ্ছে না এটা তো যে কেউ বুঝতে পারছেন?
এসব জওয়ানদের উপরে অনেক অত্যাচার করা হবে সেটা বুঝাই যাচ্ছে। এটা যাতে নাহয় সেটার জন্য সরকারের এখুনি পদক্ষেপ নেয়া উচিত। আর্মিদের এখুনি শান্ত করা উচিত। এটার পরিণাম কখনোই ভালো হবে না। অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে, যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অক্ষর বলেছেন:
ঐরকম পরিস্থিতিতে রেপ করা কতটুকু সম্ভব?
শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেছেন:
"এবার চিন্তা করুন একজন ট্রেইন্ড আর্মি কিংবা বিডিআর অফিসার যারা বিদ্রোহে মারা গেলেন, দেশের কত লস ইতিমধ্যে হয়েছে।"একটাকাও লস হয়নি।বরং তারা যতদিন বেচেছিলেন ততদিনেই অনেকটাকা লস হচ্ছিল।
এখন দেশ টাকা লস থেকে বাচছে।
জিনাত বলেছেন:
স্ত্রী-কন্যাদের অনেকেই রেইপ্ড হয়েছেন!!!!!!!!!!!!এটা কি সত্য
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
রেইপের কাহিনীটা সত্যি কিনা তা কখনো বুঝা যাবে না। আর্মির অফিসাররা মান-সম্মানের জন্য প্রকাশ করবেন না। আর বিডিআরকে তো বাচার চিন্তা করতে হবে এখন
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
রেপের খবর একদম পরিকল্পিত গুজব। সাংবাদিকরা একজন বন্দিনীকে প্রশ্ন করেছিলেন, তিনি জানিয়েছেন এরকম কিছু ঘটেনি। গতকাল বিকাল থেকেই রেপের গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
ফাহিম মাহমুদ বলেছেন:
লাইন বাদ দিয়ে কমেন্ট মুছে দেন প্লিজ। এসব কথা বলার উপযুক্ত সময় না এখন। বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। আপনার বন্ধুর সোর্সকে বিশ্বাস কইরেন না এখন। কারণ রেপের সময় আপনার বন্ধু বা সোর্স সং্গে না থাকলে জানল ক্যামনে?
যে রেপ করছে সে বলছে নাকি যিনি রেপ হয়েছেন তিনি বলবেন?
বিষয়গুলো এতো সহজ না।
সবকমেন্ট মুছে দিয়েন আমার
_তানজীর_ বলেছেন:
ধন্যবাদ আমার মনের কথাগুলো বলার জন্য। আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে শুনলাম তার এক আত্মীয় ভিতরে ছিল- এখনও কোন খবর পাওয়া যায়নি।
অঞ্জন সানি বলেছেন:
রেপ করে থাকলে বি ডি আর দের আসলেই শাস্তি পাওয়া উচিত.........
তয়ন নাজির বলেছেন:
আপনার সাথে একমত.........কেন ব্লগাররা উসকাতে চায় বুঝিনা......।
জেরী বলেছেন:
সিউর না হয়ে কিছু বলা উচিত না......এজাতীয় গুজবে সবাই বিভ্রান্ত হবে
অঞ্জন সানি বলেছেন:
গুজব হওয়ার চান্স বেশী...।
ম্যাভেরিক বলেছেন:
"বন্ধু এমন কিছু কথা বলেছে যেটা দেশের মিডিয়াতে আসেনি কিংবা অনেকে জানবেন ও না।"অন্যায়ের শাস্তি হবেই, তবে প্রমাণ হওয়ার আগে কারো ব্যক্তিগত মতামতে যত কম কান দেয়া যায়, তত কম উৎকণ্ঠা, তত বেশি মঙ্গল বেশি স্বস্তি।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
বিডিআরের উপর বৈষম্যমূলক আচরণ- নানা সময়ের অন্যায় অত্যাচার- আর এইসব মিলিটারি-প্যারা মিলিটারি- বিভিন্ন বাহিনীর গঠন-পরিচালনের সমালোচনা করা মানেই বিদ্রোহকে সমর্থন জানানো না। কারণ হিসাবে বহুদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের কথা বলা মানেই সমস্ত ঘটনা পরম্পরায় হাততালি বাজানো না......
বোল্ড করা লাইনটি- মানে রেপড হওয়ার গুজবটি আপনিও প্রচার করে গেলেন!!!!
এটিই ব্যাপক ভাবে সেনাবাহিনীর মধ্যে ছড়ানো হচ্ছে এবং ক্ষেপানো হচ্ছে বলে- বিভিন্ন সূত্রে জানছি। এবং আমার ধারণা এসবের মধ্য দিয়েই একটা ম্যাসাকারের গ্রাউণ্ড তৈরী করা হচ্ছে।
আপনার কাছেই তাই দোহাই জানাই- দয়া করে সেনাবাহিনীকে আর উসকায়েন না, .....
রাজপথ_থেকে_বলছি বলেছেন:
ঘটনা সত্য হতেও পারে। টিভির পর্দায় ২ জনকে ওরনায় মুখ লুকিয়ে আসতে দেখলাম।
অঞ্জন সানি বলেছেন:
ওরনায় মুখ লুকাইলেই রেপড হয়ে গেল ??????????
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
মনে রাখবেন, এখনকার পরিস্থিতিটি কেমন?
বিডিআর অস্ত্র সমর্পন করেছে, এখন তারা নিরস্ত্র অবস্থায় আছে- তারা সম্পূর্ণ ডিফিউজড অবস্থায়। এমতাবস্থায়- আপনার এই সব প্রচারণার ফলাফল কি?
দয়া করে- আপনার সেই আর্মি বন্ধুকে বুঝান- প্রতিহিংসার ফল কখনোই দেশ ও জাতির জন্য ভালো নয়.....
শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেছেন:
একজন আর্মী পারসনের দেশে কি অবদান একটু বলবেন কি?একজন গার্মেন্টস কর্মী নিজের হাত দিয়ে দেশের জন্য টাকা আনতেছে।
একজন শিক্ষক আলোকিত মানুষ দিচ্ছে।একজন পুলিশ রাত জেগে আইন শৃংখলা রক্ষা করছে।একজন বিডিআর ধেশের সীমানা পাহারা দিচ্ছে।একজন শ্রমিক তার ঘাম ঝরিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে।একজন কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে খাদ্য উতপাদন করছে।
একজন পেশাজীবি সেবা দিয়ে দেশে অবদান রাখছে।
সে জায়গায় একজন আর্মী কি অবদান রাখছে দেশের জন্য? শুধুমাত্র ক্যান্টনমেন্টের ঘাস কাটা ছাড়া?
উপকারী জীব বলেছেন:
"এটা আপনার আমার সবার ব্যর্থতা।" - এটা আপনার ব্যর্থতা হতে পারে, আমার না। আমি কি করেছি, আমার ব্যর্থতা হতে যাবে কেন? না জেনে কিছু বলবেন না।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
সহমত@ ইমন ভাই।
তাইলে শোনেন বলেছেন:
বিডিআরদের হত্যাযজ্ঞকে কেউ সাপোর্ট করেনাই।বিডিআরদের প্রতি একটা সফ্ট কর্নার ছিলো,কারন তারা নিপীড়িত।আর আর্মিকে বাংলাদেশের জনগণ এম্নিতেই পছন্দ করেনা তাদের "ব্লাডি সিভিলিয়ান" এ্যাটিচুডের কারণে।দেখা যাক এই ঘটনা থেকে যদি তারা শিক্ষা পায়।আর রেইপের ঘটনা সম্ভবত মিথ্যা।গুজব ছড়াবেননা।
জেরী বলেছেন:
@রাজপথ_থেকে_বলছি ,ক্যামেরাকে কম বেশী অনেকেই এড়িয়ে গেছে। কারণ ভীতিকর অবস্হা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ও যেন ভয় কাটছে না।অনেক ছেলে ও তো ক্যামেরাকে এড়িয়ে গেছে.......তাহলে তাদের কি বলবেন??
সাহোশি৬ বলেছেন:
@শাহাদাৎ "একটাকাও লস হয়নি।বরং তারা যতদিন বেচেছিলেন ততদিনেই অনেকটাকা লস হচ্ছিল।এখন দেশ টাকা লস থেকে বাচছে।"
- একমত। এর সাথে এটাও বলব, দেশের নাগরিক হিসাবে তাদের অবশ্যই বেঁচে থাকার অধিকার ছিল, কোনভাবেই তাদের মৃত্যু কাম্য নয়। তাদের হত্যার বিচার হতে হবে। তাদের মৃত্যুতে যে খুব ক্ষতি হয়ে গেল, কিংবা দেশ মেধাশূন্য হয়ে গেল এটা মনে করি না। Infact, দেশের অধিকাংশ মানুষই আর্মিকে কোন মেধাবীশ্রেনী বলে মনে করে না, বরং উল্টোটাই আর্মিদের জন্য প্রযোজ্য বেশী। একই কথা অবশ্য বিডিআরের বেলায়ও খাটে। বিডিআর আর আর্মির মধ্যে তো খুব বেশী পার্থক্য নেই, সুতরাং এই সমস্যাটা দেশের প্রতিরক্ষাবাহিনীর দুই গ্রুপের সমস্যা। ষাদাহরান মানুষের এতে কিছু আসে যায় না (যাদের কোন আত্মীয়-স্বজন defense এ নেই তাদের কথা বলছি)। খুজলে দেখা যাবে বিডিআরের সিপাহীদের যেমন আর্মি অফিসারদের উপর ক্ষোভ আছে তেমনি আর্মির সিপাহীদেরও তাদের অফিসারদের উপর ক্ষোভ আছে। সুতরাং এই সমস্যাটা পুরোপুরি defense এর নিজস্ব সমস্যা।
রাতমজুর বলেছেন:
ভেতরের দৃশ্য অবর্ননীয়। কসাই খানাও এর থেকে ভালো। শুধু এটুকুই বলবো।
হাবীবুর রহমান বলেছেন:
ঠিকাছে। লাইনটি মুছে দিলাম।" চাপের মুখে বাকা হয়ে গেলেন?
অপ বাক বলেছেন:
তারা বাংলাদেশের জনগণের ট্যাক্সের টাকায় প্রশিক্ষিত হয়, কিন্তু তারা কি জনগণকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করে? জনগণ সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নিজেদের কেউ মনে করে না, যদের স্বজন সামরিক বাহিনীতে তারা ব্যতিত অন্য কোনো সামরিক বাহিনীর প্রতি সহানুভুতিশীল বাংলাদেশী পাওয়া কঠিন।আজকের ঘটনার রাজনৈতিক সমাধান হওয়াটা মোটের উপরে খুব একটা ভালো কিছু হয় নি।
মৃত্যুর সংখ্যা সামরিক বাহিনীর তরফ থেকে ১০০ জনের বেশী, তবে বিডিআরদের তরফের মৃত্যুর সংখ্যাটা শয়ের অঙ্কে থাকবে না।
কত দিনের শুদ্ধি অভিযানে কতজন মারা যাবে বলা যাচ্ছে না।
নবীনগর থেকে ৫০ জন বিডিআরকে আটক করেছে র্যাব। তাদের আদালতে নেওয়া হচ্ছে না।
সাধারণ আদালতে আসলে কয়েকজনকে নিয়ে যাওয়া হবে , তবে অধিকাংশই আসলে যাবে আর্মি ক্যাম্পে, এরপরে তারা হারিয়ে যাবে।
এই হারিয়ে যাওয়া সদস্যদের পরিজনদের কাছ থেকে সংবাদ পেতে পেতে আমাদের কত দিন লাগবে আমরা জানি না। তবে আমরা একদিন জানতে পারবো বিডিআর বিদ্রোহে প্রকৃত পক্ষে কত হাজার মারা গেলো।
শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেছেন:
সাহোশি৬:"এই সমস্যাটা পুরোপুরি defense এর নিজস্ব সমস্যা। "
এটাই শেষ কথা।শুধু শুধু আমরা সাধারন মানুষেরা বিডিআর, আর্মী বলে হাউকাউ করছি।
আর বিডিআরকেও একেবারে ধোয়াতুলসী পাতা বলছিনা। আজ এক বিডিআরের স্ত্রী(বলা বাহুল্য সৈনিক) সিএনজি করে একটা ব্যাংকে টাকা উঠানের জন্য ব্যংকে যায়।সেখানে সিএনজি ড্রাইভারের সাথে ২ টাকা নিয়া ঝগড়া লেগে সিএনজি ড্রাইভারকে জুতা খুলে মারতে শুরু করে।আমি নিজে চোখে দেখেছি।
সুতরাং এসব বিডিআর আর্মী কিছুই না।অস্ত্র হাতে পেলে সবাই ভয়ংকর হয়ে যায়।
আপেল বলেছেন:
সাদহরন বিডিআর সেপাহীদের টাকা গুলো মেরে দিতে কোন সমস্যা নেই যখনই তাদের পা্ওনা চা্ওয়া হইল এবং দাবি আদায়ের জন্য বিদ্রহ
করা হল তাতেই বিডিআর সেপাহীরা খারাপ হল ;
আর সেনা অফিসার গুলো যে অন্যায় অত্যাচার করছিল সে গুলো কিছুই
না ।
ঘুস খোর সেনা অফিসার দের ্ওপেনে ব্রাশফায়ার করে মারা উচিত ?
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
সবার উদ্দেশে বলছি। আমি সশস্ত্রবাহিনী সম্পর্কে খুব বেশি জানিনা। অনেকের মত জানতে ইচ্ছেও হয়না। এক্ষেত্রে রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লার 'সশস্ত্রবাহিনীর প্রতি' কবিতার সাথে একমত।যাইহোক, আমি জানি আপনারা এসব ব্যাপারে আমার কাছ থেকে বেশি বুঝেন। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে সেটা বলি। আর্মিকে আমার কোনদিন পছন্দ ছিল না। এটার কারণ দেশের দখলদারিত্ব নিয়ে নেওয়া। আর্মি যখন পলিটিশিয়ান হয়ে যায় সেটা মেনে নেওয়া যায় না। কারণ আর্মিরা বুঝে 'ব্লাডি সিভিলিয়ান'দের দুচারটে ডান্ডার বাড়ি দিলে সব ঠিক। ওরাই দেশ চালাবে। কিন্তু ইতিহাস বলে আর্মিরা সরকারের আসনে বসে কখনোই সুফল বয়ে আনেনি। উল্টো দেশের বারোটা বাজিয়েছে।
জওয়ানদের দাবীগুলো অবশ্যই নৈতিক। কিন্তু দাবী আদায় করে নিতে গৃহযুদ্ধ কখনো কাম্য নয়। এখনকার পরিস্তিতিতে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ ক্রিয়েট হইছে। এটাতে দেশের লাভ যে হচ্ছে না এটা তো যে কেউ বুঝতে পারছেন?
এসব জওয়ানদের উপরে অনেক অত্যাচার করা হবে সেটা বুঝাই যাচ্ছে। এটা যাতে নাহয় সেটার জন্য সরকারের এখুনি পদক্ষেপ নেয়া উচিত। আর্মিদের এখুনি শান্ত করা উচিত। এটার পরিণাম কখনোই ভালো হবে না। অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে, যাবে।
সাহোশি৬ বলেছেন:
@অপবাক: চমৎকার লিখেছেন। সাধারন মানুষ যে বিডিআরের খুব ভক্ত তাও কিন্তু নয়, বরং বিডিআর আর সেনাবাহিনী দুটো আলাদা ডিভিশন হলেও সাধারন মানুষ এদেরকে খুব একটা আলাদা চোখে দেখে না (মূল কারনটা হয়তো যে বিডিআরের অফিসারেরা সব সেনাবাহিনী থেকেই আসে সেজন্য)। তাই এই সমস্যাটা আসলে প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভ্যন্তরের সিপাহী বনাম অফিসার সমস্যা। খোজ নিলেই জানতে পারবেন সেনাবাহিনীর সিপাহিরাও কিন্তু তাদের অফিসারদের উপরখুব একটা খুশী নয়।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@সাহোশি৬,
খুজলে দেখা যাবে বিডিআরের সিপাহীদের যেমন আর্মি অফিসারদের উপর ক্ষোভ আছে তেমনি আর্মির সিপাহীদেরও তাদের অফিসারদের উপর ক্ষোভ আছে।
========>>>>>>>>
আর্মির সিপাহীদের ক্ষোভ আর বিডিআর জওয়ানদের ক্ষোভের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। বিডিআর জওয়ানরা শুধু তাদের কাঁধে চাপা আর্মি অফিসারদের আচরণই দেখে না- আর্মির সিপাহীদেরও দেখে। এবং সেখানেও দেখতে পায় বিশাল গ্যাপ।
গতকাল এক জওয়ানকে দেখি দাবি উত্থাপন করছেন: তাদেরকেও জাতিসংঘের মিশনে পাঠাতে হবে।- এ দাবি কেন?
আর্মির সিপাহী যে রেশন পায় - বিডিআর জওয়ান কেন তার ৬০ ভাগও পাবে না?
বেতন ভাতা থেকে অন্যান্য সুবিধাদির মধ্যেও আছে বিস্তর ব্যবধান। অথচ- মিলিটারির অফিসারেরাই তাদেরো বস। সুতরাং বুঝতে হবে- এই বৈষম্য অফিসার আর জওয়ানদের মধ্যকার বৈষম্য নয়- দু বাহিনীর মধ্যকার বৈষম্য।
অথচ- একজন বিডিআর জওয়ান ভাবতেই পারে- সে একজন আর্মি সিপাহীর তুলনায় অনেক অনেক বেশী দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সীমানা পাহাড়া একটি রিস্কি কাজ, এটা তারা নিয়মিতই পালন করে আসছে- তার উপরে আপদকালীন নানা দায়িত্বও তাদের ঘাড়ে আসে। সে তুলনায় একজন আর্মির সিপাহীর নিয়মিত দায়িত্ব কি? নিয়মিত কুচ কাওয়াজ আর ব্যায়াম করা ছাড়া?
সেটাও সমস্যা হতো না, কিন্তু যখন দেখে- আর্মি সিপাহী আর বিডিআর জওয়ান উভয়েরই বস আর্মির অফিসারেরা- যখন দেখে তাদের আর্মির অফিসার বসেরা তাদের নানা অন্যায় অত্যাচার চালায়- নিয়মিত পাওনাও ঠিকভাবে দিতে চায় না- আর্মি অফিসারেরা তাদের কথাটুকুও ঠিকমত শুনতে চায় না....., তখন তাদের মধ্যে যে ক্ষোভটুকু তৈরী হয়- সেটা খুবই যৌক্তিক।
হাই ৫ হাসান বলেছেন:
আর ভাললাগছেনা, একটু সময় নিন দেখুন একসময় হয়তো অনেক সত্যই আপসে বেরিয়ে আসবে, সবার কাছে হাতজোর করে বলছি- সঠিক তথ্যসূত্র ছাড়া পাশবিক নির্যাতনের কথাগুলো কেউ বলবেন না প্লিজ ! এটা যে হত্যার চেয়েও ভয়ংক ! জীবন্ত মেরে ফেলার মতো
একাকী বালক বলেছেন:
শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেছেন: একজন আর্মী পারসনের দেশে কি অবদান একটু বলবেন কি?একজন গার্মেন্টস কর্মী নিজের হাত দিয়ে দেশের জন্য টাকা আনতেছে।
একজন শিক্ষক আলোকিত মানুষ দিচ্ছে।একজন পুলিশ রাত জেগে আইন শৃংখলা রক্ষা করছে।একজন বিডিআর ধেশের সীমানা পাহারা দিচ্ছে।একজন শ্রমিক তার ঘাম ঝরিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে।একজন কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে খাদ্য উতপাদন করছে।
একজন পেশাজীবি সেবা দিয়ে দেশে অবদান রাখছে।
সে জায়গায় একজন আর্মী কি অবদান রাখছে দেশের জন্য? শুধুমাত্র ক্যান্টনমেন্টের ঘাস কাটা ছাড়া? >>>.
বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনি কিছুই জানেন না।
একজন গার্মেন্টস কর্মী নিজের হাত দিয়ে দেশের জন্য টাকা আনতেছে। >>>> আর্মি রাও মিশনে যেয়ে জান বাজি দিয়ে টাকা আনছে।
একজন শিক্ষক আলোকিত মানুষ দিচ্ছে। >>> ক্যাঠেট কলেজের এডুকেশন কোরের একজন এ্যাডজুটেন্ট বা পিন্সপাল কর্ণেল কম আলোকিত মানুষ দেয় না। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল, শাহীনেও এরা আলোকিত মানুষ দেয়।
একজন পুলিশ রাত জেগে আইন শৃংখলা রক্ষা করছে। >>> আর্মি আইন শৃংখলা রক্ষা করতে নামলে আরও ভাল কাজ করে।
সে জায়গায় একজন আর্মী কি অবদান রাখছে দেশের জন্য? শুধুমাত্র ক্যান্টনমেন্টের ঘাস কাটা ছাড়া? >>> এই কথা শুনে মনে হয় ভাইজানের বন্ধু বান্ধব বা কেউ আর্মিতে কোনদিন জব করে নাই। এম.আই.এস.টি, এ.এফ.এম.সি এই জায়গার অনেক অফিসারতো ঢাকা মেডিক্যাল, বুয়েট থেকে পাশ করা। আপনার কথায় তো তারাও ঘাস কাটে।
শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেছেন:
একাকী বালক @:বাংলাদেশের কতজন আর্মী পারসন আছে বলতে পারবেন?এর মধ্যে কতজন বা কত পার্সেন্ট আপনার উল্লেখিত অবদান রাখছে বলতে পারবেন?আর কত পার্সেন্ট ঘাস কাটতেছে বলেন তো দেখি?
সাহোশি৬ বলেছেন:
@একাকী বালক: সমস্যাটা অন্য জায়গায়। একজন শিক্ষকের প্রধান কাজই হলো শিক্ষা দেয়া। একজন আর্মি যদি স্কুলের শিক্ষা দেন, সেটায় কিন্তু দেশের লাভের চেয়ে লোকসান হচ্ছে বেশী, এর কারন আর্মিকে কিন্তু শিক্ষক হবার জন্য তৈরি করা হয় নাই। একজন আর্মি যখন স্কুলে শিক্ষা দেয়া শুরু করবে তখন বলতে হবে যে উক্ত আর্মিটির তার পেশায় যথেষ্ট পরিমান কাজ নেই তাই তাকে এমন কাজ করতে হচ্ছে যার জন্য তাকে ট্রেনিং দেয়া হয় নাই। এটা দেশের জন্য লস, কারন আর্মিটি যদি তার যা কাজ তা ঠিকমতো করতে পারত তাহলে একজন বেকার স্কুলে শিক্ষা দেয়ার দায়িত্বটা নিতে পারত। আর্মিকে দেশের আভ্যন্তরীন শান্তি শৃংখলা রক্ষার জন্য তৈরি করা হয় নাই। এটা পুলিশের কাজ। পুলিশের কাজ যদি আর্মি করে এতে দেশের লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশী।
বিদেশের শান্তি মিশনে কাজ করার জন্য কিন্তু জনগনের টাকা দিয়ে দেশে আর্মি তৈরি করা হয় নাই।
মাফ করবেন এম.আই.এস.টি, এ.এফ.এম.সি এই নাম গুলো কোনদিন শুনি নাই। এদের কি কাজ ভাই?
আমাদের মনে রাখা উচিৎ যে আমরা ডাক্তার তৈরি করি মানুষের রোগের চিকিৎসা করার জন্য, শিক্ষক তৈরি করি শিক্ষা দেবার জন্য, আর্মি তৈরি করি বিদেশী শত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য। একজনের কাজে অন্যজন নাক গলালে দেশের লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশী।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
শাহাদাত হোসেন মজুমদার @ আপনি অপ্রয়োজনীয় তর্ক করছেন। দেশের জন্য সেনাবাহিনী অবশ্যই প্রয়োজনীয়, সেটা আপনি না বুঝলেও যেকোন দেশপ্রেমিকই বোঝেন।
শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেছেন:
অচেনা সৈকত @:প্রয়োজন আছে।তবে আমাদের টাকায় তাদের বসে বসে খাওয়া বন্ধ করতে হবে।আর কিছু দিন পর পর ক্যু এর অপচেষ্টা বন্ধকরার দরকার আছে।
জানেনা অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা।
একবার পত্রিকায় পড়েছিলাম কুমিল্লা এক ব্রিগেডিয়ার তার ব্রিগেড কে দিয়ে বিভিন্ন উতপাদন মুখী কাজ করাতেন।যেমন, কৃষিকাজ, বেকারী কাজ।তার সাক্ষাতকার পড়েছিলাম।তার যুক্তি চিলো বসে না থাকা।কিনা না কিছু করা যাতে ব্রেন ও শরীর বিজি থাকে।
সাহোশি৬ বলেছেন:
@অচেনা সৈকত: দেশের জন্য সেনাবাহিনী অবশ্যই প্রয়োজনীয়, কিন্তু ফাংকেন্সটাইন অপ্রয়োজনীয়।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আবারো বলছি- রেপের ঘটনাটি সম্পূর্ণই গুজব।
কিন্তু এরকম গুজব ব্যাপকভাবে আর্মির মধ্যে ছড়ানো হচ্ছে বলে আমি বেশ কয়েকটি সূত্র থেকে জানতে পারছি......
এবং এই গুজবেই আর্মি ব্যাপক হারে প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে উঠছে.....
এটা যে কেবলই একটা গুজব খুব সহজেই বুঝা যায়....
বিক্ষুব্ধ জওয়ানরা রাতভর কি কণ্ডিশানের মধ্য দিয়ে গেছে? আলাপ-আলোচনা, ক্ষমা, অস্ত্র সমর্পন, কি হবে সামনে এনিয়ে অনিশ্চয়তা.... এরকম অবস্থায় তারা রেপ করে বেরিয়েছে????
রেপ এর মত নির্যাতনের ঘটনা ঘটার প্রেক্ষাপট আলাদা থাকে। এরকম অবস্থায় এগুলো মাথাতেও থাকে না। অনিশ্চিত আগামী, মৃত্যুর মুখোমুখি দাড়িয়ে- স্বতস্ফূর্ত বিক্ষোভে, বিদ্রোহে এসব হয় না.......।
এগুলো হয়- আধিপত্যের জায়গায় ও প্রেক্ষাপটে। কোন বাহিনী নিজেকে অসীম ক্ষমতাধর মনে করলে- অপ্রতিদ্বন্দ্বী মনে করলে- তখন তারা নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটায়। ৭১ এ পাক বাহিনী- রাজাকারদের সহায়তায় এটা ঘটিয়েছিল- ২০০১ এ বিএনপি সন্ত্রাসীরা সংখ্য লঘুদের উপর এটা ঘটিয়েছে।
আমাদের সেনাবাহিনী- আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরও এমন অভ্যাস যথেষ্টই আছে। কানসাটে- গ্রামের ঘরে ঘরে ঢুকে এটা ঘটানো হয়েছে। আর পাহাড়ি অঞ্চলে পাহাড়িদের উপর নির্যাতন-নিপীড়নের অংশ হিসাবে এসব কাজ কর্মের জন্য ভালো নাম ডাক আছে- আমাদের মহান সেনাবাহিনীর। এসমস্ত ক্ষেত্রেই আশা করবো- পরিস্থিতি প্রেক্ষাপট গুলো দেখবেন। আর বিডিআরের গতরাতের পরিস্থিত পরিবেশ দেখবেন।
লেখক বলেছেন: আপনার কথায় ঠিক হইতে পারে। এখন কোনটা গুজব কোনটা না সেটা বুঝার উপায় নেই। আমি না বুঝে লিখে ফেলেছিলাম। ব্যাপারটি স্পর্শকাতর বুঝতে পেরে মুছে দিয়েছি।
আমি সশস্ত্রবাহিনী সম্পর্কে খুব বেশি জানিনা। অনেকের মত জানতে ইচ্ছেও হয়না।
যাইহোক, আমি জানি আপনারা এসব ব্যাপারে আমার কাছ থেকে বেশি বুঝেন। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে সেটা বলি। আর্মিকে আমার কোনদিন পছন্দ ছিল না। এটার কারণ দেশের দখলদারিত্ব নিয়ে নেওয়া। আর্মি যখন পলিটিশিয়ান হয়ে যায় সেটা মেনে নেওয়া যায় না। কারণ আর্মিরা বুঝে 'ব্লাডি সিভিলিয়ান'দের দুচারটে ডান্ডার বাড়ি দিলে সব ঠিক। ওরাই দেশ চালাবে। কিন্তু ইতিহাস বলে আর্মিরা সরকারের আসনে বসে কখনোই সুফল বয়ে আনেনি। উল্টো দেশের বারোটা বাজিয়েছে।
জওয়ানদের দাবীগুলো অবশ্যই নৈতিক। কিন্তু দাবী আদায় করে নিতে গৃহযুদ্ধ কখনো কাম্য নয়। এখনকার পরিস্তিতিতে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ ক্রিয়েট হইছে। এটাতে দেশের লাভ যে হচ্ছে না এটা তো যে কেউ বুঝতে পারছেন?
এসব জওয়ানদের উপরে অনেক অত্যাচার করা হবে সেটা বুঝাই যাচ্ছে। এটা যাতে নাহয় সেটার জন্য সরকারের এখুনি পদক্ষেপ নেয়া উচিত। আর্মিদের এখুনি শান্ত করা উচিত। এটার পরিণাম কখনোই ভালো হবে না। অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে, যাবে।
জওয়ানদের জন্য ওদের পরিবারপরিজনদের জন্য আসলেই কষ্ট হচ্ছে। না জানি ওদের জন্য কি অপেক্ষা করছে।
তাড়াতাড়ী সবাই শান্ত হোক। এটাই কাম্য। শান্তি চাই।
পুরা ব্লগটা এখন দুভাগ হয়ে গেছে .। এক ভাগ আর্মি আর একভাগ বিডিয়ার।
সবাই যে মানুষের বাচ্চা এইটা কেঊ দেখে না।
বিডির দাবি যেমন ন্যায্য তেমনি অফিসার হত্যা ন্যাক্কার জনক।
আমাদের বিবেক যে এখন কোথায় গিয়েছে???
শুধু বলব--- ছি ছি
দেশী পোলা বলেছেন:
শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেছেন: "এবার চিন্তা করুন একজন ট্রেইন্ড আর্মি কিংবা বিডিআর অফিসার যারা বিদ্রোহে মারা গেলেন, দেশের কত লস ইতিমধ্যে হয়েছে।"
একটাকাও লস হয়নি।বরং তারা যতদিন বেচেছিলেন ততদিনেই অনেকটাকা লস হচ্ছিল।
এখন দেশ টাকা লস থেকে বাচছে। @শাহাদাত হোসেন মজুমদার,
আপনাকেও বুড়িগঙ্গাতে লাশ বানিয়ে ফেলে দেয়া উচিত, দেশের আবাল ছাগলের সংখ্যা কমবে। এত ফাল পারার সাহস কই পান? ভাল কিছু বলতে না পারলে মুখ বন্ধ রাখেন।
শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেছেন:
দেশী পোলা @:বহুত ফাল পাড়ছেন।আর ফাল পাড়িয়েন না। না হ্ইলে বুড়িগঙ্গাতেও লাশের জায়গা হবেনা।
শাহাদাত হোসেন মজুমদার বলেছেন:
জলপাই দালালী আর কত?
দেশী পোলা বলেছেন:
@ শাহাদাত হোসেন মজুমদার তাই নাকি, বীরপুংগব থাকেন কই, নিজে কামাই কইরা খাও নাকি বাপের হোটেলে খাও
বাসার ঠিকানা কি?
বুড়িগঙ্গাতে কে কারে ফালায় বুঝায় দিমু
চতুর কাউয়া বলেছেন:
we r bloody civilian..................
নিহন বলেছেন:
কেমন আছেন ??
লেখক বলেছেন: এইতো ভাই চলে যাচ্ছে। যাপিত জীবন ব্যস্ততা ছাড়া কোন গতি নাই।![]()
আপনার কি খবর অনেকদিন কথা হয় না। প্রোফাইল ফটুকটা জোস।পছন্দ হইছে।![]()
চাঙ্কু বলেছেন:
হুম
লেখক বলেছেন: হুমাও ক্যান??? হুমানোর ব্যারাম হইছে নিকি??![]()
খবর কিতা চান্কুর??
লেখক বলেছেন: আগষ্টের দিকে দেশে যাবার প্ল্যান আছে। তবে শিওর না।![]()
আমি ব্যস্ততায় আছি। কেমন আছো তুমি।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
আমি ও অনেক ব্যস্ত ভাই। ব্লগে বসলাম ১মাস পরে। এই সেমিস্টারে ক্লাস নিয়েছি। কাজ ও পড়ালেখা নিয়ে খুব ব্যস্ত।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















