somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লন্ডনে যাদের বোমা মেরে উড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে!!

১৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই মুহুর্তে লন্ডনে বেশ কিছু জায়গায় বোমা মারতে ইচ্ছে করতেছে। কি ভাবতেছেন আমি জঙ্গি ট্রেনিং নিচ্ছি? আরে দূর ব্যাপার মোটেও সেটা না, লন্ডনে বেশ তো থাকা হলো, অনেক কিছুর উপরই বিরক্তি, ক্ষোভ জমে গেছে। তো মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে বোমা মেরে উড়িয়ে দিই! তাহলে হয়ে যাক; এই মুহুর্তে যাদের বোমা মারতে ইচ্ছে করতেছে সেই তালিকা।

'হোমঅফিস':
এই মুহুর্তে এইটা হইল এক নাম্বারে। শালারা সব আকাইম্মারে হোমঅফিসে রিক্রুট করছে। পৃথিবীতে যদি এখন আকাইম্মা অফিসের তালিকা বানাই, ইংল্যান্ডের হোমঅফিস এক নাম্বারে থাকবে সেটা আমি না যে কাউরে জিগাইলে বলবে। কেন?

ভিসা এক্সটেনশন করার জন্য আমার পাসপোর্ট পাঠাইছি গত বছরের অক্টোবরে, এখনো ফেরত আসে নি। দেশে যাবো, যাবো করে যেতে পারছি না।:( এ তো গেলো আমার কাহিনী। এরকম আমি হাজার হাজার দেখাইতে পারবো। এক ব্যাটা সাতবছর পাসপোর্ট ফেরত পায় নি, এক সলিসিটরের সাথে কথা বললে সে তারে 'ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন' এর জন্য আবেদন করতে বলে, কারণ এখানে দশবছর থাকলে যে কেউ এটার আবেদন করতে পারে। তো সে 'ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন' ঠিকই পাইছে।

আমার এক বন্ধু এক্সটেনশনের জন্য পাঠাইছিল, ছয়মাস পরে সে পাসপোর্ট হাতে পেয়ে দেখে ভিসা আছে আর মাত্র তিনদিন, ন্যাশনালিটিতে লেখা পাকিস্থানি!

এক পরিচিত বড় ভাই পাসপোর্টে ভিসার মেয়াদ দেখতে গিয়ে রীতিমত অবাক, এক বছর দুবছর কিংবা পাঁচ বছর নয়, ১০০ বছরের ভিসার সীল।:) পরে বেচারাকে শুধরিয়ে আনতে আবার হোমঅফিস যেতে হয়েছিল।
এইবার বুঝেন কেন আমি হোমঅফিসে বোমা মারতে চাই!

নিউহ্যাম কাউন্সিল:
আমার তালিকাতে দুই নম্বরে আছে এই নর্দমা কাউন্সিল। কেন?
এখানে স্টুডেন্টদের কাউন্সিল ট্যাক্স দিতে হয় না; কিন্তু এইটার থেকে রেহাই পাইতে যা করতে হয় সেইটা একবার যে করছে সে মামা জানে!
সেটা কেমন?
ধরেন যে বাড়িতে আছি, সেটার ট্যানেন্সি এগ্রিমেন্ট এ যাদের নাম থাকবে তাদের কলেজ লেটার দিতে হবে। ব্যস হয়ে গেলো! কি খুব সহজ মনে হচ্ছে না? দিয়ে আসার জন্য এ্যপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে, তারপর আপনি ওদের সময়মতো দিয়ে আসলেন। স্বাভাকিকভাবেই ফোন করে জানতে চাইবেন এটা কতটুকু আগাইছে! ফোন করে যদি জানতে পারেন ওরা আপনার কোন ডিটেইলস ই পাচ্ছে না, অবাক হবার কিছু নাই। এভাবে আরো কয়েকবার দিয়ে আসতে হবে এই যা! ততদিনে আপনার বাসায় 'কাউন্সিল ট্যাক্স' এর বিল তো আসবেই, লাল রঙের দুতিনটে রিমাইন্ডার ও যদি দেখে ফেলেন ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সপ্তাহখানেকের মতো বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ওদের ইন্সটলম্যান্টটা (একশো পাউন্ডের উপ্রে) পরিশোধ করে দিন। এটা অবশ্য ফেরত পাবেন! যদি কোন কারণে ইন্সটলম্যান্ট দিতে না পারেন তাহলে ও সমস্যা নেই; পুরো আ্যমাউন্ট (একহাজার পাউন্ডের মতো!) পরিশোধ করে দিলেই হয়ে যাবে। তারপর ওরা মাত্র(!) তিনমাস পর আপনার কাছে চিঠি পাঠাবে যে আপনার এক্সেম্পশন এক্সেপ্ট (কাউন্সিল ট্যাক্স দিতে হবে না এমন একটা চিঠি) হইছে। তারপর আপনি এক্সেম্পশন পাবার পূর্বে জরিমানা খাওয়ার ভয়ে যে আ্যমাউন্ট ইতিমধ্যে পরিশোধ করেছেন সেটা ফেরত চেয়ে ফোন করবেন। টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে যদি ওরা অনেক কিছু জিগেস করে রাগ করার কিছু নেই, সিকিউররিটি রিসন(!) বলে কথা, দু একটা ধমক ও যদি দিয়ে দেই ভয়ে ফোন রেখে দিলে চলবে না, টাকাটা আপনারই সো আপনাকে ধমক শুনে হলেও ওটা ফেরত চাইতে হবে। সে তো গেলো। এরপর একমাস কোন খবর না থাকলে সমস্যা কি? আবার ফোন করবেন তারপর ওরা সিস্টেম নামের একটা যন্ত্রে দেখতাছে এমন দোহাই দিয়ে ঘন্টাখানেক আপনাকে লাইনে রাখবে, ভুলেও ফোন রেখে দিবেন না কারণ আবার ফোন করলে একই কাজটাই করতে হবে। এখন ও কি খুব সহজ মনে হইতেছে?

ব্যাংক: এইটা দুই নাম্বারে দিলে বোধহয় ভালো হইত। আমার তিন তিনটে ব্যাংকে এ্যকাউন্ট ছিল, চুতিয়া শ্বেত চোরের কারখানা 'বার্কলেস ব্যাংক'র এ্যাকাউন্ট বিশ্বাস করেন ইচ্ছে করে বন্ধ করে দেয় নাই, বাধ্য করছে। আমার এক বন্ধু মাঝে মাঝে এখনো বলে, দোস্ত তুই 'বার্কলেস ব্যাংক' এ এতো জরিমানা দিছিস ঐটা দিয়ে টুইন টাওয়ার বানান যাইত! বুঝেন এইবার। জরিমানা কেমনে দিছি বলি। ধরেন আপনার এ্যকা্উন্টে ডিরেক্ট ডেবিট সেট করা আছে, কোন কারণে আপনার এ্যকাউন্টে যথেষ্ট টাকা নাই, ডিরেক্ট ডেবিট বাউন্স তো করবেই সাথে ৫০-৬০ পাউন্ডের জরিমানা গুণতে হবে! এইভাবে প্রথম তিন চার বছরে আমার কাছ থেকে খাইছে শালারা। তারপর দিলাম সেই এ্যকাউন্ট বন্ধ কইরা। এইবার আসি আরেক ব্যাংকের কথায়; 'ন্যাটওয়েষ্ট' এ আমার একটা এ্যকাউন্ট আছে। আমি বাসা বদলেছি সেই এপ্রিলে কিন্তু এই শালাদের ওখানে এখনো পুরনো এড্রেস দেয়া আছে। কেন?
এড্রেস বদলাতে ব্যাংকে গিয়েছিলাম, আমাকে বলে পাসপোর্ট দেখাইতে, আগেই কইছি আমার পাসপোর্ট হোমঅফিসে, ওদের সুন্দর করে বললাম, ' দেখো আমার পাসপোর্ট হাতে নাই, এক্সটেনশনের জন্য পাঠিয়েছি। আমার কলেজের আইডি আছে অন্যান্য অনেক কার্ডই তো আছে, না ওসব দিয়ে তাদের সিকিউরিটি চেক(নাকি আমার বাল!) হবে না। এখন উপায়? বাসায় এসে ফোন করেছি (কোন এক বুটকি কিম্বা মোটকিই হবে ) বলে একই কথা । চারদিন আগে ওই ব্যাংকের কার্ড দিয়ে একটা ল্যাপটপ অর্ডার করেছি কালকে দেখে অর্ডার বাতিল হইছে। কেন জানেন? ব্যাংকের এড্রেস এ এখনো পুরনোটা! আমি কোন দুনিয়ায় যামু রে মমিন?

আজকে গেলাম আমার অন্য ব্যাংকের এ্যকাউন্টে টাকা জমা দিতে। ব্যাংকের নাম 'আবে সানটান্দার', লাইনে দাড়াইছি সামনের পাঁচজন বিদায় করতে সময় নিছে একঘন্টা, তারপর যেই মুহুর্তে আমি যামু কাউন্টারের বোটকি(দেখতে মাশাল্লাহ আলিফ লায়লার দৈত্য!) কয় এক মিনিট খাড়াও, আইতাছি। আইচ্ছা আমি খাড়াই আছি, বসবার চাইলে ও পারতেছি না, চুডকালে যেখানে সেখানে বসে যেওন যাইত, বড় হওয়াতে সেইটা কি আর পারি? তারপর বুটকিটা যে গেলো আর আসার নাম নাই। স্কুলে থাকতে পোলাপান বয়সে ট্রান্সলেট করতে বলতাম না, 'সে গেলো তো গেলো, এমনভাবে গেলো আর ফিরে এলো না!' ঠিক ওইটার মতো। পিছনের দুএকজন ইতিমধ্যে চিল্লাচ্ছে। আমি ও ওদের সাথে সুর মিলাই। বছর দুয়েক পরে ঐ বুটকিটা আরো বুটকি হইয়া ফিইরা আসছে। আমারে একটা মুচকি হাসি (আমার কাছে আলিফ লায়লার দৈত্যের হাসি মনে হইছে) দিয়া কাউন্টারে যাইতে কইল। বুটকি কয় 'স্যরি টু কিপ ইউ ওয়েটিং' আমি কই নো ইটস ওকে,ইট ওয়াস জাস্ট এ মিনিট!
এসব ব্যাংকে যে বুটকি মোটকি কিম্বা যেসব বোটকা ব্যাটা কাজ করে ওগুলারে বোমা মারার আগে জুতাপেটা করতে ইচ্ছে করে!

লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডের পরিচালক তালিকার চার নাম্বারে। এমন কোন উইকেন্ড নাই ব্যাটারা ইনজিনিয়ারিং কাজ রাখবে না! আজকে এই লাইন চলে না তো কালকে ওটা চলে না। অনেক সময় ৫-৭ টা একসাথে চলে না।(লন্ডনে লাইন আছে পনেরোর মত) বাসে আমি অভ্যস্থ না, এখন পর্যন্ত যেখানেই আমাকে বাসে যেতে হইছে আমি হারাই যায়।মানে যাবো বাপের বাড়ি দেখা গেছে সেটা ফেলে চলে গেছি শ্বশুরবাড়ি।;) লন্ডনের বাস এতো আস্তে চলে দুতিন বছর পরে বাসায় পৌছানো যায়। মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে এসব বাস ড্রাইভার রে আমাদের দেশের রাঙামাটি কিংবা খাগড়াছড়ি লাইনে বসাইয়া দিই। তারপর বুঝবে হাউ ম্যানি রাইস, হাউ ম্যানি প্যাডি।:)

বিটি(ব্রিটিশ টেলিকম): এই শালার চুতিয়া কোম্পানির নামটা তালিকাতে আগে কইলেই পারতাম। আগের বাসায় বিটি থেকে আমরা ফোন/ব্রডব্যান্ড নিয়েছিলাম। সেই ব্রডব্যান্ড যে এমন ব্যান্ড বাজাই দিবে কল্পনারও বাইরে ছিল। কানেকশনে সমস্যা লেগেই থাকত। তারপর ওদের ফোন দাও, ভাগ্য ভালো হইলে কারো সাথে কথা বলা যেতো। বেশিরভাগই কলই চলে যেতো ইন্ডিয়াতে। সমস্যা হইতো ওদের যা শেখাইছে ওটার মধ্যে আমাদের কমপ্লেইন কমন পড়তো না, তারপর আবার ফোনের লাইন ট্রান্সফার করে ইংল্যান্ড এ। একবার শালারা বিল পাঠাইছে ৫০০ পাউন্ড। আমি তো রীতমতো রেগে বোমা ফাটাইতে ওদের অফিসে চলে গেছিলাম, পরে একবন্ধু যাইতে দেয় নাই।;) ওদের ফোন দিয়ে জিগেস করি এতো বিল কেন পাঠাইছে, কারণ আমাদের ২৪/৭ কল ফ্রি মাসের কন্ট্রাক্ট এ ছিল। পরে এক ব্যাটায় কয় আমাদের ব্রডব্যান্ডের মডেমের সাথে একটা ফোন পাঠিয়েছিল ওটা থেকে ফোন করেছি বলে ওরা চার্জ করছে, সে শুধায় আমাদের ফোনটা আলাদা করে বসাইতে হবে। ইয়া আল্লাহ তোরা এটা আগে কস নাই ক্যান? কি আর করা ৫০০ পাউন্ড ওদের পকেটে ঠিকই ভরে দিতে হইছে। এমন জোচ্ছুরি শুধু এদের কে দিয়েই সম্ভব! এই ব্যাটাদের আমি চৌদ্দবার বোমা মারতে রাজী।

আইচ্ছা তালিকা তো দেখি অনেক লম্বা হইয়া যাইতেছে। তালিকার অন্যদের নাম পরে বলব নে। আপাতত এইটা থাকল!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২৪
৮০টি মন্তব্য ৭৪টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×