somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... জিরো কুপন কি http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29089545 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29089545 2010-02-01 16:14:33 `বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট'-এ বিষয়ে লেখা খুজছি, কেউ সাহায্য করবেন কি? http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29066453 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29066453 2009-12-27 13:37:49 দারিদ্র্যের কারণ ও প্রতিকার: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (কিস্তি-৫) বাংলাদেশের দারিদ্র্যের কারণ
বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের কার্যকর পন্থা উদ্ভাবন করতে হলে এর কারণগুলো চি‎হ্নিত করা জরুরি। আমার বিবেচনায় বাংলাদেশের দারিদ্যের কারণসমূহ প্রধানত ৩ ভাগে বিভক্ত:

 ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত
 সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত
 প্রাকৃতিক ও অন্যান্য কারণ

ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত কারণসমূহ

১.৫.১. অলসতা/কর্মবিমুখতা
বাংলাদেশের মানুষ দরিদ্র কেন-এই প্রশ্নের জবাবে জনৈক জ্ঞানী ব্যক্তি মন্তব্য করেছিলেন, `এদেশের মানুষ দরিদ্র থাকতে চায় তাই তারা দরিদ্র্'। এদেশে জনসংখ্যার বিরাট একটি অংশ জীবিকার্জনের জন্য পরিশ্রম না করে কর্মবিমুখ, অলস সময় কাটায়। পৈতৃকভাবে প্রাপ্ত জায়গা-জমি অনাবাদী রেখে গ্রাম্য চা স্টলে বসে, বন্ধু-বান্ধবের সাথে আড্ডা অনেক লোক তাদের দিন পাড় করে দেয়। জমি (যা অনায়াসে লাভ করেছে) বন্ধক রেখে খরচ নির্বাহ করে তারপর তা বিক্রি করে এক সময় নিঃস্বের খাতায় নাম লেখায় এমন উদাহরণ আমাদের আশেপাশে বিরল নয়।

১.৫.২. দারিদ্র্যকে `মহান ও পবিত্র' মনে করা
আধ্যাতিœকতার দাবীদার কতিপয় মুসলিম মনে করে যে, দারিদ্র্য আল্লাহর প থেকে অপরিত্যাজ্য এক নিয়ামত। ধন-সম্পদ, বিত্ত-বৈভব ইত্যাদি মানুষকে অহংকারী করে তোলে এবং ধর্ম থেকে দূরে ঠেলে দেয়। এই ধ্যান-ধারণার অনুসারী লোকেরা দারিদ্র্যকে বরণ করে নেয় এবং নিজেদের আর্থিক অবস্থা উন্নয়নের কোন প্রচেষ্টাই গ্রহণ করে না।

১.৫.৩. পুঁজির অভাব
অনেকের সামর্থ্য ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় পুঁজির অভাবে নিজেদের দারিদ্র ঘুচানোর জন্য কোন উদ্যোগ নিতে পারে না।

১.৫.৪. অশিক্ষা, অদক্ষতা
শিা ও দতার অভাব বাংলাদেশের শ্রমশক্তির এক অন্যতম সমস্যা। যথাযথ শিা ও দতা না থাকায় তারা দেশে এবং বিদেশে উচ্চ মজুরি থেকে বঞ্চিত হয় এবং দারিদ্র্যের শিকার হয়।

১.৫.৫. অনর্থক ভোগ-বিলাস, অপচয়
সম্পদের অপব্যবহার, অনর্থক ভোগ-বিলাস, প্রেম-পরকীয়া, যাত্রা, সিনেমা ইত্যাদি নিষিদ্ধ কাজে অর্থের অপচয় করে এদেশের বহুলোক দারিদ্র্যে নিপতিত হয়।

১.৫.৬. জুয়া
জুয়া বাংলাদেশের সর্বত্র এক মারাত্নক ব্যাধিরূপে ছড়িয়ে পড়েছে। উচ্চবিত্তের প্রাসাদ থেকে ফুটপাতের গৃহহীন পর্যন্ত এ ব্যধিতে আক্রান্ত। স¤প্রতি দৈনিক জাতীয় দৈনিকের সংবাদ শিরোণাম ছিল `নিঃস্ব হয়ে ভোরে বাসায় ফিরে অন্তত: ১০ হাজার মানুষ'। জুয়ার আসরে বসে নিজের ব্যবহার্য জিনিস, ঘরের আসবাব-পত্র এমনকি ঘরের চালের টিন পর্যন্ত পানির দামে বিক্রি করে দেয়ার মত ঘটনাও ঘটে থাকে।

১.৫.৭. মামলাবাজি
গ্রামাঞ্চলে একটি কথা প্রচলিত আছে, `যদি কাউকে দরিদ্র বানাতে চাও, তাহলে তাকে একটি মামলায় জড়িয়ে দাও।' একবার কেউ মামলায় জড়িয়ে গেলে তা সহজে আর মিটমাট হয় না। কোন কোন মামলা বছরের পর বছর ধরে এমনকি বশানুক্রমেও চলতে থাকে। এভাবে মামলাবাজি করে অনেক লোক দারিদ্র্যে নিপতিত হয়।

১.৫.৮. বহুবিবাহের প্রবণতা
সমাজে কিছু লোক রয়েছে যারা কারণে-অকারণে স্ত্রী তালাক দেয়, আবার বিয়ে করে, তারপর তুচ্ছ কারণে আবার তালাক, আবার বিবাহ করে এই বহুবিবাহ প্রবণতা অনেকের জন্য দারিদ্র্য ডেকে আনে।

১.৫.৯. বিবাহ বিচ্ছেদ
তালাকপ্রাপ্তা হয়ে অনেক মহিলা অসহায়ত্ব এবং দারিদ্র্যের শিকার হয় আবার অনেকে তাদের পিতা/ভাই বা অভিভাবকের সংসারে দারিদ্র্যের বোঝা হয়ে দাঁড়ায় ।

১.৫.১০. পেশা পরিবর্তন/ভুল পেশা গ্রহণ
পেশা নির্বাচনে ভুল বা পেশা পরিবর্তনের কারণেও অনেকে দারিদ্র্যের শিকার হয়। টিভিতে কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠানে জনৈক বেকার লোকের মাত্র ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে মৎস্য চাষ শুরু করে অল্পসময়ে কয়েক ল টাকার মালিক বনে যাওয়ার বিস্ময়কর কাহিনী শুনে শর্টকাট পথে বড়লোক হওয়ার চিন্তায় কেউ কেউ নিজের দীর্ঘদিনের পেশা ছেড়ে দিয়ে ঋণ করে বা জায়গা-জমি বন্ধক রেখে পুঁজি সংগ্রহ করে নতুন পেশা বা ব্যবসায় নেমে পড়ে । একসময় দেখা যায় পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব।

১.৫.১১. দুর্ঘটনা/দুরারোগ্য ব্যাধি
পরিবারের কোন সদস্য হঠাৎ দুর্ঘটনা বা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করলে বা অন্য কোন কারণে কর্মে অম হওয়ার কারণে দারিদ্র্য বাড়তে পারে।

আপনার মন্তব্য দিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29051503 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29051503 2009-11-30 13:13:01
বকাবকি সেদিন তিনি বাড়িতে ঢুকেই বকাবকি শুরু করলে দাদী বললেন
:এই যে বাড়িতে আইসাই বকাবকি শুরু অইল।
দাদা ততোধিক রেগে গিয়ে বললেন,
: বাড়িতে আইসাই বকাবকি শুরু অইলো, একথা কে বলল ? আমি তো বাজার থাইক্যাই বকতে বকতে আইছি.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29040567 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29040567 2009-11-09 17:02:47
দারিদ্র্য সর্ম্পকে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

দারিদ্র্যের দুর্ভোগকে আল কুরআনে স্রষ্টার প্রতি বান্দার আনুগত্যের পরীক্ষা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, আল্লাহ বলেছেন,
`আমি তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের য়তি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করব। তুমি সুসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদেরকে।' (সূরা আল বাক্বারাহ : আয়াত-১৫৫)।

এজন্য দেখা যায়, রাসূলের (সা.) এর যুগে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে মুসলমানগণ কঠিন দারিদ্র্যের মধ্যে দিনাতিপাত করেছেন। এমনকি পরিস্থিতি এতটাই নাজুক ছিল যে, কখনও কখনও আল্লাহর রাসূলের ঘরেও এক নাগারে কয়েকদিন পর্যন্ত চুলো জ্বলেনি। কিন্তু মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর মুসলমানদের অবস্থার পরিবর্তন হতে থাকে। এমনকি একদা মহানবী আদী বিন হাতিম তায়ীকে যে আগাম সু সংবাদ দিয়েছিলেন তা সত্যে পরিণত হয়েছিল, বুখারীতে বর্ণিত একটি দীর্ঘ হাদিসের অংশবিশেষে মহানবী (স.) আদীকে বলেলেন, `তুমি যদি দীর্ঘ হায়াত পাও, তবে তোমরা অবশ্যই (পারস্য সম্রাট) কিসরার দন ভান্ডার জয় করবে। তুমি যদি দীর্ঘ হায়াত পাও, দেখবে মুঠো ভর্তি স্বর্ণ-রৌপ্য নিয়ে কেউ বের হবে কিন্তু দান করার জন্য কাউকে খুঁজে পাবে না।' (বুখারী। উদ্ধৃত করেছেন, ড. ইউসুফ আল-কারযাভী: দারিদ্র্য বিমোচনে ইসলাম: অনুবাদ মাহমুদুল হাসান, সেন্টার ফর রিসার্চ অব দ্যা কুরআন এন্ড সুন্নাহ, চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ, ২০০৩, পৃ-১৮৮)। রাসূলুল্লাহ (স.) এর ভবিষ্যত বাণী অনুযায়ী তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানায় সত্যি সত্যিই দারিদ্র্য নির্মূল হয়েছিল। দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা.) এর খিলাফাতকালেই এই সুফল সুস্পষ্ট হয়ে উঠতে থাকে এবং ওমর ইবনে আব্দুল আযিযের (রা.) শাসন আমলে দারিদ্র্য সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়।

ইসলামের দৃষ্টিতে বস্তুগত সম্পদের ঘাটতির কারণে দারিদ্র্য হয় না, কারণ আল্লাহ তায়ালা বিশ্বের সকল মানুষের প্রয়োজন পূরণের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ সৃষ্টি করে রেখেছেন, আল্লাহ তায়ালা `পৃথিবীতে বিচরণশীল এমন কোন প্রাণী নেই, যার জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহ নেননি।' (সূরা হুদ : আয়াত-১৫৫)

পবিত্র কুরআনের বহু আয়াতে আল্লাহ তায়ালা নিজেকে `রাব্বুল আলামীন' (সারা বিশ্বের প্রতিপালক) হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ যদি পৃথিবীতে দারিদ্র্য দূরীকরণোপযোগী সম্পদ না দিয়ে থাকেন তবে তিনি `রব' (প্রতিপালক) হবেন কিভাবে?

সুতরাং একথা বলার অপো রাখে না যে, পৃথিবীতে সম্পদের অভাবে দারিদ্র্যের সৃষ্টি নয় বরং দারিদ্র্যের সংকট মানুষের তৈরি।

পবিত্র কালামে হাকিমে আল্লাহ একথাই বলেছেন, `জলে ও স্থলে মানুষের কৃতকর্মের দরুন বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে।' (সূরা আর রূম: আয়াত-৪১)

সমাজের দারিদ্র্য এক শ্রেণীর মানুষের মানবিক দায়িত্বহীনতার পরিণতি। এ জন্য পবিত্র কুরআন অভাবী লোকের দারিদ্র্যকে তাদের স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে স্বীকার করেনি, বরং অপোকৃত বিত্তবানদের দায়িত্বহীনতার প্রতিফলন হিসেবে গণ্য করেছে। পবিত্র কুরআনে এসেছে, `আমরা তোমাদেরকে জমিনে মতা ও এখতিয়ার দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছি এবং তোমাদের জন্য এখানে জীবনের সামগ্রী করে দিয়েছি। কিন্তু তোমরা খুব কমই শোকর আদায় কর।' (সূরা আরাফ: আয়াত-১০)
`এবং তাতে জীবিকা সংগ্রহ করে দিয়েছি তোমাদের জন্যও এবং সেই অসংখ্য মাখলুকের জন্য, যাদের রিজিকদাতা তোমরা নও।' (সূরা আল হিজর: আয়াত-২০)

পবিত্র কুরআন বিত্তবানদের প্রতি বার বার সতর্কবাণী উচ্চারণ করে তাদের দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে । বলা হয়েছে, `এবং তাদের অর্থ-সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতদের (অথবা যারা কোন কারণে সাহায্য প্রার্থী হয় না) অধিকার রয়েছে।' (সূরা আয যারিআত: আয়াত-১৯)

সমাজে এমন এক শ্রেণীর লোক রয়েছে যারা দারিদ্র্যকে আল্লাহ প্রদত্ত অনিবার্য নিয়তি অর্থাৎ নিজেদের ভাগ্য বা তাকদির মনে করে এবং নিজের অবস্থার উন্নতির প্রচেষ্টাকে অনৈতিক মনে করে। কিন্তু এ ধারনা ইসলাম প্রত্যাখ্যান করেছে। পবিত্র কুরআন আমাদের শিক্ষা দিয়েছে, `মানুষ তাই পায় যা সে করে।' (সূরা আন নজম: আয়াত-৩৯)

আল কুরআনে দারিদ্র্যকে নিন্দা করা হয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সূরা আন আম এর ৪২-৪৩ নং আয়াতে বলেন,
`আর আমি আপনার পূর্বেও বহু জাতির নিকট রাসূল প্রেরণ করেছি; অতপর তাদেরকে দারিদ্র্য ও দুঃখ-কষ্ট দ্বারা পীড়িত করেছি, যাতে তারা বিনীত হয়। অতপর আমার শাস্তি যখন তাদের উপর আপতিত হল তখন তারা কেন বিনীত হল না? অধিকন্তু তাদের হৃদয় কঠিণ হয়েছিল এবং তারা যা করছিল শয়তান তা তাদের দৃষ্টিতে শোভন করেছিল।'

দারিদ্র্যের কারণে মানুষ ঋণ গ্রহণ করে। আর ঋণ মানুষের নৈতিকতার উপর বিরূপ ফেলে। মানুষের নৈতিকতার উপর ঋণের কুপ্রভাব সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেন, `যে লোক ঋণ গ্রহণ করে, সে যখন কথা বলে তখন মিথ্যা বলে আর যখন প্রতিশ্রুতি দেয় তা ভঙ্গ করে।' (সূত্র: সহীহ আল বুখারী, কিতাবুল ইসতিক্বরাদী ওয়া আদায়িদ দুয়ুন, হাঃ নং-২২২২; সহীহ মুসলিম, কিতাবুল মাসাজিদি ও মাওয়াদিয়িস সালাত, হাঃ নং-৯২৫, নাসায়ী, কিতাবুস সহু, হাঃ নং১২৯২ এবং আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত, হাঃ নং-৭৪৬)।
চরিত্রের উপর দারিদ্রের কু-প্রভাবের প্রতি ইঙ্গিত করে আল্লাহর রাসূল (স.) অন্যত্র বলেন, `দান যতণ তা দান থাকে গ্রহণ কর। যখন তা ধর্মের ব্যাপারে ঘুষে পরিণত হয়, তা গ্রহণ করো না। তবে তোমরা তা বর্জন করতে পারবে না, দারিদ্র্য ও অভাব তোমাদেরকে বিরত থাকতে দিবে না।' (বুখারী)

এজন্য মহানবী (স.) দারিদ্র্য থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন:
`হে আল্লাহ!, আমি তোমার কাছে দারিদ্র্য, অভাব ও নীচতা থেকে আশ্রয় চাই।' (আবুদাউদ, কিতাবুস সালাত, হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীস, হাঃ নং-১৩২০)।

জনাব এম কবীর হাসান এবং এ এইচ দেওয়ান আলমগীর লিখিত একটি প্রবন্ধে তাই যথার্থই মন্তব্য করা হয়েছে, `Islam looks upon poverty as a religious and social problem, which pushes a person to lowliness, sin and crime' (ইসলাম দারিদ্র্যকে ধর্মীয় ও সামাজিক সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করে যা মানুষকে নীচতা, পাপাচার ও অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়।)

ইসলাম তাই দারিদ্র্যকে ঘৃণা করে। আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী বলেন, `পবিত্র কুরআনে কোনও একটি আয়াতে বা রাসূলুল্লাহর (স.) এর কোন একটি বিশুদ্ধ বাণীতে দারিদ্র্যের গুণগান করা হয়নি। যেসব হাদিসে দুনিয়া বিমুখ হওয়ার কথা বলা তার অর্থ দরিদ্রতার প্রশংসা করা নয়। কারণ, দুনিয়া হতে বিমুখ হতে হলে দুনিয়া তার কাছে থাকতে হবে। প্রকৃত দুনিয়া বিমুখ হলো সে, যে অর্থের মালিক হয়েও অর্থকে হাতে স্থান দিয়েছে, অন্তরে স্থান দেয়নি।' (ড. ইউসুফ আল কারযাভী : ইসলামে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সৃজন প্রকাশনী লিঃ, ঢাকা, পৃ-২৮)।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29040562 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29040562 2009-11-09 16:46:46
দারিদ্র্যের কারণ ও প্রতিকার: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (কিস্তি৩) দারিদ্রের বহুমুখী কুপ্রভাব
দারিদ্র্যের কুপ্রভাব সর্বব্যাপী। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, জাতি, রাষ্ট্র কোন কিছুই এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারে না। সমকালিন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ ড. ইউসুফ আল কারাদাভী তাঁর ‘ইসলামে দারিদ্র্য বিমোচন’ গ্রন্থে উল্লেখ করেন, ‘‘আল্লাহর নবীর হাদীসসমূহে দারিদ্র্যকে মারাত্নক বিপদ বলে বিবেচনা করা হয়েছে, যার কুপ্রভাব ব্যক্তি, সমাজ, ঈমান-আকিদা, চরিত্র-আচরণ, আদর্শ, সংস্কৃতি, পরিবার ও সমগ্র জাতির উপর পড়ার আশংকা রয়েছে।’

দারিদ্র্য ব্যক্তির মৌলিক ধর্ম বিশ্বাসের ভিতকে নড়বড়ে করে দেয়, তার আচার-আচরণ, স্বাধীন চিন্তা-চেতনা ও নৈতিকতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। কারণ, কথায় বলে, ‘অভাবে স্বভাব নষ্ট’। দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে শয়তান মানুষকে ভ্রষ্ট করার পায়তারা চালায়। আল্লাহ বলেন,
‘শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্র্যের ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার নির্দেশ দেয়।’ (সূরা আল বাক্বারাহ: আয়াত-২৬৮)

দারিদ্র্যের কারণে পরিবার গঠন বিলম্বিত হয়, পরিবারের বন্ধন ও স্থায়িত্ব দুর্বল হয়। কারণ, অভাব জানালায় উকি দিলে সদর দরজা দিয়ে ভালবাসা পালিয়ে যাওয়ার গল্প তো সবারই জানা। দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাতে দরিদ্র পিতামাতা কলিজার টুকরা সন্তানকে বিক্রি এমনকি হত্যা করতেও কুণ্ঠিত হয় না। গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি সংবাদের শিরোনাম ছিল, ‘মাত্র ২০০ টাকায় নবজাতককে বিক্রি করলেন অভাবী মা’। খবরে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফাতেমা নামে এক মহিলা ছেলে সন্তান প্রসবের পর হাসপাতালের আয়ার কাছে সদ্য প্রসূত বাচ্চাটি মাত্র ২০০ টাকায় বিক্রি করে দেন। কারণ, তার দিনমজুর স্বামী অনেক দিন যাবত নিখোঁজ এবং পিতৃহীন ফাতেমা নিজেই বর্তমানে তার ভাইয়ের সংসারে ‘বোঝা’ হয়ে বসবাস করছেন। বাচ্চা নিয়ে এখন আর ‘বোঝার উপর শাকের আঁটি’ চাপাতে চাচ্ছেন না। (বিস্তারিত খবরটি দেখুন এইখানে)] ([link|http://http://www.dailynayadiganta.com/2008/09/11/fullnews.asp?News_ID=103315&sec=1|এরকম খবর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রায়ই প্রকাশিত হতে দেখা যায়। দারিদ্র্যের কারণে সন্তান হত্যার বিষয়টি পবিত্র কুরআনেও আল্লাহ তায়ালা উল্লেখ করেছেন,
‘তোমাদের সন্তানদেরকে দারিদ্র্যের ভয়ে হত্যা করো না। তাদেরকে আমিই রিয্ক দিই এবং তোমাদেরকেও। নিশ্চয়ই তাদেরকে হত্যা করা মহাপাপ। (সূরা বনী ইসরাইল: আয়াত-৩১)

দারিদ্রের কারণে মানুষের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়, বহু সামাজিক সমস্যা তৈরি হয়। নিঃস্ব জাতি কখনও বিশ্বের দরবারে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনা। সমাজ, দেশ, মানবতা এমনকি ধর্মের প্রতি একজন সচেতন মানুষের যেসব দায়িত্ব রয়েছে তা পালন করতে পারে না। দারিদ্র্য স্বাস্থ্যের উপরও মারাত্নক প্রভাব ফেলে। অভাবের কারণে মানুষ অখাদ্য-কুখাদ্য খেতে এবং অস্বাস্থ্যকর স্থানে বাস করতে বাধ্য হয় যা শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হয়। একইভাবে দারিদ্র্য সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপরও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

দারিদ্র্য সামাজিক শান্তি, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এবং স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করে। ক্ষুধা যে মানুষকে সার্বণিক তাড়া করে ফেরে সে ব্যক্তি স্বদেশ ও স্বজাতীর মর্যাদা রায় উদ্দীপ্ত হবে কিভাবে? তাই দারিদ্র্য যে কোন দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকী হয়ে দাঁড়ায়। (চলমান)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29039308 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29039308 2009-11-07 15:21:39
আমার লেখা কই? http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29038167 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29038167 2009-11-05 16:07:40 দেশে ক্ষুদ্রঋণপ্রদানকারী এনজিওর সংখ্যা কত ?
সরকারের NGO Affairs Bureau এর ওয়েবসাইট (http://www.ngoab.gov.bd) ভিজিট করে দেখা গেল, ১৫ জুলাই ২০০৯ পর্যন্ত তালিকাভুক্ত বাংলাদেশে এনজিও-এর সংখ্যা ২৪১৮ টি । অন্যদিকে, Micro Credit Regulatory Authority এর পরিচালক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন কর্তৃক গণমাধ্যমে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ‘প্রায় ৪২শ’ এনজিও দ্রঋণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে’। আবার এনজিও ফেডারেশনের পরিচালক এম তাজুল ইসলাম বলেছেন, প্রায় আড়াই থেকে ৩ শ এনজিও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যদিও তালিকাভূক্ত ৪৫ হাজার। (সূত্র: দৈনিক সংগ্রাম: ২৩.০৭.০৯)

গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ দৈনিক আমাদের সময়-এর প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি খবরের শিরোনাম ছিল ‘দেশে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করছে ৬০ হাজারেরও বেশি এনজিও, অনুমোদন রয়েছে ৪১৮টির’। পত্রিকাটির মতে, দেশে ৬০ হাজারেও বেশি এনজিও ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করছে। কিন্তু ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের জন্য মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) অনুমোদন নিয়েছে মাত্র ৪১৮টি প্রতিষ্ঠান। অনুমোদনের জন্য এ পর্যন্ত আবেদন করেছে ৪ হাজার ৩২৬টি প্রতিষ্ঠান। মজার ব্যাপার হল, পত্রিকাটির ভাষ্যমতে, দেশে কতগুলো প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনা করছে তার সুনির্দিষ্ট কোনো হিসাব সরকারের কাছেও নেই। তাদের মতে, বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের হিসাব অনুযায়ী দেশে ৮০ হাজারের বেশি এনজিও কাজ করছে। ২০০৭ সাল পর্যন্ত সমাজ সেবা অধিদফতরে নিবন্ধিত এনজিও’র সংখ্যা নাকি ছিল ৪৯ হাজার। এছাড়া এনজিও ব্যুরো, সমবায় বিভাগ ও জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত হাজার হাজার এনজিও রয়েছে। পত্রিকাটি আরও লিখেছে, সম্প্রতি নাটোর, বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর, কুষ্টিয়াসহ দেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনা করতো এমন কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের আমানতের অর্থ নিয়ে পালিয়েছে। ফ্রিডম উন্নয়ন সংস্থা, গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা, প্রভাতি’র মতো এনজিওগুলো প্রতারণার উদ্দেশ্য নিয়েই ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান প্রতারণার উদ্দেশ্যে গ্রাহকদের বেশি লাভ বা ভাল চাকরি দেয়ার কথা বলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

উক্ত রিপোর্ট পড়ে আমরা আরও জানতে পারলাম, Micro Credit Regulatory Authority (এমআরএ) সনদের জন্য সারাদেশ থেকে ৪ হাজার ৩২৬টি ক্ষুদ্রঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এসব আবেদনের মধ্যে চলতি ২০০৯ সালের জুন মাস পর্যন্ত ৪১৮টি প্রতিষ্ঠান এমআরএ’র সনদ পেয়েছে। প্রায় দুই হাজার প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়েছে যারা শুধুমাত্র কাগজে-কলমে আছে, কিন্তু কার্যক্রমে নেই।

তাই প্রশ্ন জাগে, আসলে দেশে ক্ষুদ্রঋণপ্রদানকারী এনজিওর সংখ্যা কত?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29038159 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29038159 2009-11-05 15:53:39
দারিদ্র্যের কারণ ও প্রতিকার: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (কিস্তি-২) দারিদ্র (Poverty)
দারিদ্রের সার্বজনীন কোন সংজ্ঞা নেই। তাই কে দরিদ্র আর কে দরিদ্র নয় সে ব্যাপারে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। তবে যার কোন সম্পদ নাই, উপার্জনের কোন ব্যবস্থা নাই সে ব্যক্তি সন্দেহাতীতভাবে ও সর্বসম্মতিক্রমে দরিদ্র। বিশ্বখ্যাত অনলাইন বিশ্বকোষ wikipedia- এ বলা হয়েছে, `Poverty is the shortage of common things such as food, clothing, shelter and safe drinking water, all of which detemine the quality of life.' (সূত্র: http://en.wikipedia.org/wiki/Poverty)। বাংলা পিডিয়ার মতে, `দারিদ্র্য এমন অর্থনৈতিক অবস্থা যখন একজন মানুষ জীবনযাত্রার ন্যূনতম মান অর্জনে এবং স্বল্প আয়ের কারণে জীবনধারণের অপরিহার্য দ্রব্যাদি ক্রয় করতে অক্ষম হয়। দারিদ্র্যের দৃশ্যমান প্রতীক হচ্ছে অপুষ্টি, ভগ্নস্বাস্থ্য, জীর্ণশীর্ণ বাসস্থান, নিরক্ষরতা এবং বেকারত্ব অথবা আধা বেকারত্বে নিপতিত রুগ্ন-দুর্বল মানুষ।' (সূত্র: দারিদ্র্য বিষয়ক অধ্যায়, বাংলা পিডিয়া, সিডি সংস্করণ, এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ)

ইসলামী পরিভাষায় দারিদ্র্যের স্তর দুইটি। যথা: ফকির (সেই অভাবগ্রস্ত
ব্যক্তি, যে নিজেকে সর্বপ্রকার লাঞ্ছনা থেকে রক্ষা করে চলেছে, কারো নিকটই কিছু প্রার্থনা করে না) ও মিসকিন (লাঞ্ছনাগ্রস্ত অভাবী ব্যক্তি, যে চেয়ে ভিক্ষা করে বেড়ায়)। বাংলাদেশ সরকারের আই-পিআরএসপি (Interim Poverty Reduction Strategy Paper) অনুযায়ী দারিদ্র্য দুই রকম। যথা: আয় দারিদ্র্য এবং মানব দারিদ্র্য (আই-পিআরএসপি, সার সংক্ষেপ, জানুয়ারি ২০০৪, পৃ-৫)

বিশ্ব ব্যাংক দারিদ্র্য সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে দারিদ্র্যের দু`টি সীমারেখা টেনেছে। উচ্চতর দারিদ্র্যসীমা নির্ধারিত হয়েছে যেখানে জনপ্রতি বার্ষিক জিডিপি ৩৭০ মার্কিন ডলার এবং নিম্নতর দারিদ্র্যের সীমা হচ্ছে ২৭৫ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত মান অনুযায়ী প্রতিদিন জীবন ধারনের জন্য ২১২২ ক্যালরি খাদ্য ও ৫৮ গ্রাম প্রোটিন ক্রয়ে অক্ষম জনগোষ্ঠীকে ধরা হয় দারিদ্র্যসীমার নিচে। আর ১৮০৫ ক্যালরি খাদ্যও কোনভাবে জুটাতে পারে না যে জনগোষ্ঠী তাদের অবস্থান চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে।

দারিদ্র্য কবলিত বাংলাদেশ
Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2005 অনুযায়ী বাংলাদেশের সাধারণ দারিদ্র্যসীমার নিচে (দিনে ২১২২ ক্যালরির কম খাদ্য গ্রহণকারী) বসবাসকারী লোকসংখ্যা ৪০.৪০% (গ্রামাঞ্চলে ৩৯.৫০% এবং শহরাঞ্চলে ৪৩.২০%) এবং চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে (দিনে ১৮০৫ ক্যালরির কম খাদ্য গ্রহণকারী) বসবাসকারী লোকসংখ্যা ১৯.৫০% (গ্রামাঞ্চলে ১৭.৯০% এবং শহরাঞ্চলে ২৪.৪০%)

ইউএনডিপি কর্তৃক প্রকাশিত `Human Development Report 2007/08' অনুযায়ী বাংলাদেশে জাতীয় দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী লোকসংখ্যা ৪৯.৮০%। উক্ত রিপোর্টে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতিদিন ২ মার্কিন ডলার এর সমপরিমাণ বা তার কম আয় করে শতকরা ৮৪ জন এবং ৪১.৩০% লোকের দৈনিক আয় ১ মার্কিন ডলার বা তার নিচে। সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানমতে বাংলাদেশের দরিদ্র্যের সংখ্যা সাড়ে ৯ কোটির বেশি এবং মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার টাকা। (সূত্র: Click This Link) । (চলমান)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29029537 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29029537 2009-10-21 14:00:43
দারিদ্র্যের কারণ ও প্রতিকার: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (কিস্তি-১)
বিশ্বের ৮ম জনবহুল এবং তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ বাংলাদেশ। সুজলা, সুফলা, শস্য-শ্যামলা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি, অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ দীর্ঘ ৩ যুগেরও বেশি সময় পূর্বে অর্থনৈতিক মুক্তি, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, আত্ন-নির্ভরশীল ও বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার দৃঢ় প্রত্যয়ে স্বাধীনতা লাভ করলেও বার বার ক্ষমতার হাত বদল হওয়া ছাড়া এদেশের সাধারণ জনগণের ভাগ্যের তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি।

শতকরা ৮৯ জন মুসলিম অধ্যুষিত এবং এককালে `সোনার বাংলা' হিসেবে পরিচিত এই দেশের বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। দিন-রাত নিরন্তর পরিশ্রম করেও যারা পরিবারের সকলের মুখে দু` মুঠো অন্ন যোগাতে হিমশিম খায়। এসব বিপন্ন মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতিটি দলই নির্বাচনী বৈতরনী পাড় হয়। কিন্তু নির্বাচনের পর এসব নিরন্ন মানুষের ভাগ্য `যাহা পূর্বং তাহাই পরং' রয়ে যায়। তখণ দারিদ্র্য বিমোচন শুধু আলোচনা, পর্যালোচনা, পরিকল্পনা, ভাষণ-বিবৃতি, শ্লোগান, লেখালেখি আর গবেষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের `দারিদ্র্য বিমোচন'-এর চটকদার শ্লোগান নিয়ে সরকার ও এনজিওগুলো যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করেছে তাতে গুটিকয়েক লোক/গোষ্ঠী আঙুল ফুলে কলাগাছ (স্কুল জীবনে শেখা বাংলা বাগধারাটি ইদানিং অনেকে খানিকটা পরিবর্তন করে ব্যবহার করে থাকেন। `কলাগাছ' এর স্থলে তারা ব্যবহার করেন `বটগাছ'। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষপটে হয়ত এটাই বেশি যুক্তিযুক্ত) হলেও মূলত দেশের দারিদ্র্যাবস্থার তেমন কোন উন্নতি হচ্ছে না। তাই বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য এখন প্রয়োজন প্রচলিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলের সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করে এর প্রতিকার ও বিকল্প কৌশলসমূহ বাস্তবায়ন। (চলমান)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29027736 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29027736 2009-10-18 12:21:43
সাধারন মানুষের নিরাপত্তার কী হবে? আমার প্রশ্ন: হাসিনা, রেহানা, জয়ের জীবনের অনেক দাম- তাই তাদের জন্য আইন করা হল। তাহলে কী সাধারণ মানুষের প্রাণের মূল্য নাই? তাদের নিরাপত্তার কী হবে? নাকি শুধু তাদের ভোটেরই দাম আছে, প্রাণের নয়।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29026277 http://www.somewhereinblog.net/blog/mhrtarik/29026277 2009-10-15 17:00:02