আমার প্রিয় পোস্ট
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- সামহোয়ারের জন্মদিনের কিছু মাতাল ছবি - কৌশিক
- সামহোয়ারইন এর ৩য় বর্ষপূর্তির কিছু ছবি , বর্ণণাসহ - একরামুল হক শামীম
- শীঘ্রই সব ডিজিটাল টেলিফোনে ডায়াল-আপ ইন্টারনেট সুবিধা - এম কে নিপু
- চির সবুজকে বলছি । - পাগলা বাবু
- প্রাপ্তির জন্য অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি ! - সারিয়া তাসনিম
- সহজ নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট শেয়ারিং - ত্রিভুজ
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ!! বৈশাখী সংকলন ১৪১৫: অনুমতি প্রদান ও লেখার লিঙ্ক দেবার জন্য আহবান - রাশেদ
- কঙ্কালসার একটি ছবি ও কিছু প্রশ্ন । - আবুল বাহার
- সদরঘাট-১৯৬২(ফটোব্লগ) - মেহরাব শাহরিয়ার
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়েছে ৫০% - কৌশিক
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন........ - শফিউল আলম ইমন
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- অনলাইন বিলিং @ বিটিটিবি, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও শংকা - মাহবুব সুমন
একটি বাংলাদেশ, তুমি জাগ্রত জনতা, সারা বিশ্বের বিস্ময়, তুমি আমার অহংকার

মহাঝামেলায় আছি এই ক্রেডিট কার্ড নিয়ে
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
আমি ষ্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংকের ক্রেডিক কার্ড ইউজ করছি প্রায় বেশ কয়েকবছর হলো। কোনদিন আমার কোন সমস্যা হয়নি। আমার ক্রেডিট লিমিট ৭০ হাজার টাকা। প্রতিমাসে ভাল ভাবেই বিল আসে অফিসের ঠিকানায় আমিও বিল পরিশোধ করি সময়মত। কোনদিন ডিফল্টার হইনি। বরং প্রচুর কেনাকাটা করার জন্য আমার লিমিট ২০ হাজার টাকা থেকে ৭০ হাজার টাকায় উন্নিত হয়। ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনাকাটার জন্য যে পয়েন্ট পাই তাতে আমার বছরে বোনাস হিসেবে ইয়ারলী ফি মওকুফ হয়ে যায়। এককথায় আমি এই ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সন্তষ্ট।
চার মাস আগে অফিসে এক মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ আসলো ব্র্যাক ব্যাংক থেকে বললো, যাদের অন্য কোন ব্যাংকের ক্রেডিট কাড আছে তাদেরকে ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড দেয়া হবে যার ক্রেডিট লিমিট হবে পূর্বের কার্ডে ১.৫ গুন এবং কোন ইয়ারলী ফি নেই। ভাল কথা। আমি ফরম ফিলাপ করলাম। বেশ কয়েকদিন পরে ক্রেডিট কার্ড পেলাম। গোল্ড কার্ড। লিমিট ১ লাখ ৫ হাজার টাকা।
পিন নাম্বারের জন্য ১৩ বার ফোন করে অবশেষে পিনের চিঠি হাতে পেলাম। যাক প্রথম মাসে কার্ড ইউজ করলাম না। যথা সময়ে বিল পেলাম ১০০০.৮২টাকার। ফোন দিলাম কাষ্টমার কেয়ারে। বেশ কয়েকবার ফোন করে লাইন পেলাম না। অবশেষে ১০ মিনিটে আমাকে কিউতে রেখে এক সুকন্ঠী ফোন ধরলেন, বললেন, কেমন আছেন স্যার? বললাম, আপনারা যেমন রেখেছেন। লাইন পেতে এত দেরী হওয়ার কথা জানতে চাইলাম। সুকন্ঠী রিনিঝিনি করে বললেন, আমাদের অনেক কাষ্টমার তো তাই। বললাম, গ্রামীনফোন থেকেও কি আপনাদের বেশী ক্লাইন্ট?
জানতে চাইলাম, আমার বিলের ব্যাপারে। উনি আমাকে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। এরপরও বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হয়েছে কাষ্টমার কেয়ারে কেউ কোন কথা বলতে পারনেনি। অবশেষে গেলাম গুলশান ব্র্যাঞ্চের কাষ্টমার কেয়ারে। দেখলাম, এক সুন্দরী বসে আছেন আমাদের সাথে কথা বলার জন্য। উনি সবার সাথে কথা বলছেন বেশ হেসে হেসে দাঁত বের করে। কেউ কেউ মুগ্ধ হচ্ছেন উনার সৌন্দর্য দেখে। আমারও ভাল লাগলো ওনাকে দেখে। জানতে চাইলাম, কেন আমার উপর আপনার ব্যাংকের এই নির্যাতন? উনি বললেন, আপনার লেট পেমেন্ট ফি আছে। আমি বললাম, আমি তো এখনও কার্ড ইউজ করিনি। তাহলে লেট পেমেন্ট ফি আসলো কি করে? সুদর্শনা মহা চিন্তায় পড়লেন। বললেন, স্যার আমাদের ব্যাংকিং সফটওয়্যারে ভুল হয়ে গেছে, আপনি কাইন্ডলি মিনিমাম এমাউন্ট ৫০০ টাকা দিয়ে দিন পরের মাসে আমরা এটা এডজাষ্ট করে দিবো। সুন্দরীর কথা শুনে আশায় বুক বেঁধে ৫০০ টাকা দিলাম।
পরের মাসের বিল পেলাম না অফিসের ঠিকানায়। অবশেষে সুন্দরীর দারস্থ হলাম। বলল, স্যার আপনার এমাসের বিল ৬৭ টাকা। আপনি দিয়ে দিন। বললাম গত মাসের তার প্রতিশ্রুতির কথা। উনি আমাকে সুন্দর হাসি দিযে আস্বস্ত করলেন, কিছু মনে করবেন না। আমাদের সফটওয়্যারে সমস্যা হয়ে গেছে। সামনের মাসে ঠিক করে দিবো। আমি লিখিত নিয়ে আসলাম। আমি ৬৭ টাকা জমা দিয়ে দিলাম। ওনার মোবাইল নাম্বার আর নাম লিখে দিলেন। বললেন, এবার সমস্যা হলে ফোন দিবেন আর কষ্ট করে ব্যাংকে আসতে হবে না।
জানিনা আবার সুন্দরীর সাথে দেখা হবে কিনা? আপনি যদি এই ব্যাংকের কাষ্টমার কেয়ারে যান তবে দেখবেন যে, সবাই একই সমস্যা নিয়ে হাজির হয়েছে। আমার অফিসের বেশ কয়েকজন কলিগের এই সমস্যা। যারা কার্ড করেছে তাদেরই সমস্যা। এই ব্যাংকটি প্রথম থেকেই মানুষের কাছ থেকে সফটওয়্যারের দোহাই দিয়ে টাকা অযথা কেটে আসছে। যেগুলো আর কখনও এডযাষ্ট করে না।
এই বিচার কার কাছে দিবো? বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত এগুলো খতিয়ে দেখা।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কালপুরুষ বলেছেন:
ব্র্যাক ব্যাংক আস্ত চামার। আপনার গায়ের চামড়া দিয়ে আপনাকেই জুতো বানিয়ে দেবে। সাবধান!
লেখক বলেছেন: সরকারের উচিত এই ব্যাংকের জন্য একটা ব্যাবস্থা গ্রহন করা। অনেকেই প্রতারিত হচ্ছে।
অমুক বলেছেন:
আমি র্ফম পুরনের ৩ মাসেও কার্ড পাই নাই। তবে আপনার অভিজ্ঞতা থেকে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে, যে আমাকে কার্ড দেয় নাই লেখক বলেছেন: এই ব্যাংক থেকে সাবধান।
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
পারসোনাল ব্যাংকিং এ এই ব্যাংক খুব খারাপ। আমার অন্যান্য কলিগদের দুরাবস্থা দেখে মতামতটা দিলাম। এই জাতীয় অফার আমাকেও দিছিল, সুবিধা করতে পারে নাই।
সতর্কতামুলক এই পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে স্বাগতম।
দিগন্ত বলেছেন:
দেখুন সমস্যাটা বাংলাদেশ ব্যাঙ্কেরই। তাদের উচিত ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে দেওয়ার আগে নিজেদের একটা ক্রেডিট কার্ড হেল্পলাইন খোলা উচিত যাতে তারা লোকজনের কাছ থেকে মতামত নেবে।
কৌশিক বলেছেন:
আমি দ্বিমত পোষণ করছি। ব্রাংক ব্যাংক স্টান্ডার্ড ও এইচএসবিসির চেয়ে অনেক ভাল সার্ভিস দিচ্ছে। আমি এ দুটোর ব্যাংকের অনেক রহস্যপূর্ণ ফাকিবাজির সাথে পরিচিত, সেতুলনায় ব্রাক ব্যাংক দেশিয় একটা ব্রান্ড হিশেবে অনেক বেশি কাস্টমার কেয়ারিং।
লেখক বলেছেন: এটা আপনার সম্পূর্ণ একান্ত মতামত। আমার পোষ্টটিও আমার মতামত। আমি নিজেও একজন এইচ এস বি সি এবং ইর্ষ্টাণ ব্যাংকের ক্লাইন্ট। আমি কখনই তাদের এমন গাফিলতি পাইনি। আপনাকে অনুরোধ করছি, আরো একটু বিস্তারিত জানার জন্য।
ধন্যবাদ কৌশিক আপনাকে, আজ সকালেও দাড়িঁয়ে দাড়িঁয়ে সিগারেট টানতে দেখলাম। আপনার সাথের বন্ধুটিও কি একজন ব্লগার। ওনার নিক কি?
আবারো ধন্যবাদ।
দিগন্ত বলেছেন:
Click This Linkএখানে দেখতে পারেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া র নির্দেশাবলী। এরকম বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
লেখক বলেছেন: দুঃখিত আমি সাইটটিতে ঢুকতে পারছি না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আমি সাইটটি দেখছি।
কৌশিক বলেছেন:
চরিত্রনুযায়ী এই ব্যাংকগুলোর আলাদা প্রভেদ করা সম্ভব নয়। সব একই নীতিমালায় মুনাফা করে। তবে ব্রাক ব্যাংক স্টান্ডার্ডচার্টার্ড এবং এইচএসবিসির ক্লায়েন্টদেরকে ধরার চেষ্টা করছে। তাদের মার্কেটিং পলিসি এগ্রেসিভ ও চ্যালেঞ্জিং। স্টান্ডার্ড চার্টার্ড এটিএম ও ক্রেডিট কার্ডের পায়োনিয়ার বলে বেসিক এরর গুলো সামলে উঠেছে, ব্রাংক ব্যাংকও একসময় সামলে উঠবে। তবে উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্রাংক ব্যাংকে দেশীয় পুঁজির সমন্বয় বেশী হওয়াতে - এটা দেশীয় পুঁজি গঠনে বেশী উপকারী। মিয়া, আওয়াজ দিলেই তো হতো! আপনি কি কর্নফুলিয়ান? আমার সাথে একজন কলিগ ছিল, মনে হয় তাকেই দেখেছেন!
চির সবুজ বলেছেন:
হ, ভাই আমি কর্ণফুলিয়ান। আমাদেরতো আপনার মত অফিসের গাড়ী নেই। আপনার সাথে কথা বলা হয়না, কারণ দৌড়ে এসে বাসে উঠতে হয়। এবার আর মিস নাই।
এক প্রযুক্তিবিদ বলেছেন:
ব্র্যাক ব্যংকের বহুৎ সমস্যা!এরা লকারে মানুষের জিনিসপত্র রেখে বলে হারিয়ে গেলে আমাদের কোন দ্বায় দায়িত্ব নাই!!!!
লেখক বলেছেন: এই ব্যাংক না থাকাই ভাল। আপনার কোন জিনিস লকারে রেখে হারিয়ে যাওয়ার কোন অভিজ্ঞতা আছে নাকি?
কেএসআমীন বলেছেন:
ভাই, আপনার এই পোস্টটি আমার নজরে আসেনি। আমিও তো একই রককম ভুক্তভোগী....এই কার্ড তো আমাকেও ধরিয়ে দিয়েছে.....
কিন্তু কোন বিল এখন পর্যন্ত আসেনি। খোজ নিয়ে দেখি...
লেখক বলেছেন: @ ভাই কেএসআমীন
আমার কি মাথা গরম সাধে হয়?
কেএসআমীন বলেছেন:
তাইতো.... ক্যামনে এই মাথা ঠান্ডা রাখেন, এই নিয়া একটা পোস্ট দেন।
লেখক বলেছেন: দিবো একটা নির্দিষ্ট সময় পরেই দিবো। আর কখন দিবো মাথা ঠান্ডার পোষ্ট তা আপনি জানেন।
কেএসআমীন বলেছেন:
কখন? কখন?? কখন???
লেখক বলেছেন: এখন জরুরী আইন চলছে। ........... ......... .........।
এবার বুঝেছেন?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













