একদিন সব বন্ধুরা মিলে ওকে চেপে ধরলাম আজকে তোকে বলতেই হবে তোর কি হয়েছে। ও কিছুই বলে না। অনেক পরে অনেক চেষ্টার পর দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বলল, "তোদের সবার কোলে যখন দুই তিনটা ছেলে তখন আমার বিয়েই হলো না"। আমরা কেউ আর তখন হাসি চেপে রাখতে পারিনা। হাসতে হাসতে পেট ব্যথা হয়ে গিয়েছিল। অনেক কষ্টে হাসি চাপিয়ে ওকে বললাম, দোস কোন চিন্তা করিস না দেখ সামনে সব ঠিক হয়ে যাবে।
সেদিন সকালে হঠাৎ শামিনে ফোন রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে শুনি, "দোস তোদের একটা খুশির সংবাদ দেই। আগামী ২৩ শে মে আমার বিয়া।" আমি কোন কথাই বলতে পারছিলাম না, শুধু শামিনই বলছিল। জানলাম ভাবী একটা ব্যাংকে আছে চিটাগং এ। সবকিছু ঠিকঠাক।
সেদিন সন্ধ্যার আড্ডাতে আমরা শামিনকে নিয়ে খুব আনন্দ করলাম। দেখলাম ছেলেটার চোখের ঝিলিক। ওর ৩২টা দাঁত চকচক করছে। এখন ও আর জুনিয়র ম্যাংগো জুস খায় না বড়টা খায়।
ওর খুশি দেখে আমাদের প্রাণটা ভরে গেল। ওর অনুমতি নিয়েই এই ব্লগটা লিখছি। এখন শামিনের কাছে যা চাইছি তাই পাচ্ছি। আমাদের আড্ডা এখন জমপেশ চলছে। আমরা সবাই খুব ব্যাস্ত। বিয়ের বাজার করতে হবে। আপনার সবাই আমার বন্ধুটির জন্য দোয়া করবেন। আসলে ও খুব একটা ভাল ছেলে। আরো একটা ভালো ছেলে মরহুম হয়ে যাবে। (ইন্না....রাজেউন)
জানিনা বউটা কেমন হবে। দর্জাল হলে তো আমাদের সমস্যা।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


