সবাই যে যার মত করে নিজ দায়িত্ব পালন করেছেন। মানুষকে উৎসাহিত করেছেন শাশ্বতর ব্যাপারে এগিয়ে আসার জন্য। উপরে উল্লেখিত ব্লগারগণদের মধ্যে একজন নতুন ব্লগার এসেছিলেন যিনি নিজে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। তিনি তার অভিজ্ঞতার কথা আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। উনিও ওনার হাত প্রসারিত করেছেন শাশ্বতর জন্য। যদিও খুব অল্পক্ষণ সময় আমাদের দিয়েছেন। তারপরও তার মূল্যবান কিছু কথা তার কাছ থেকে আমরা পেয়েছি।
আজকে কয়েকজন একজন বিদেশীও শাশ্বতর ব্যাপারে দান করেছেন। শুনেছেন মন দিয়ে শাশ্বতর জন্য। একজন প্রবাসী বাংলাদেশী দিয়েছিলেন ১০ ইউরো। পরে তিনি নিজে এসে আবার সেই ইউরোর সমপরিমান বাংলাদেশী টাকা দিয়ে আগের ইউরোর নোটটি ফেরত নিয়ে গেছেন আর বললেন, তিনি নিজ উদ্বোগে তা টাকায় কনভার্ট করে দিয়ে গেলেন কারণ হয়ত আমাদের সেটা কনভার্ট করতে সময় লাগতে পারে। কত মানুষের আন্তরিকতা!!
কয়েকজন মডেল ও চিত্রজগতের মানুষও আজ সাহায্য করেছেন। তবে আজকের কালেকশনটা গতদিনের চাইতে একটু কম ছিল। কারণ এমনও হতে পারে যে গতকাল যারা এসেছিলেন তার মধ্যে অনেকে হয়ত আজকেও এসেছেন। আজকে মোট উঠেছে ৭০০০ টাকার কিছু বেশী। আর টি-শার্ট বিক্রি হয়েছে আটটি। আমরা প্রথমত টি-শার্টের চেয়ে সাহায্যের দিকে বেশী আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছিলাম। কারণ একজন দর্শনার্থীর আমাদের পাস করতে সময় লাগে ২/৩ সেকেন্ড। এরই মধ্যে তার কানে পৌঁছে দিতে হচ্ছে শাশ্বতর ব্যাপারটা। আর যারা একটু থেমে মন দিয়ে শুনছেন তাদেরকে টি-শার্টের ব্যাপারটি বলেছি।
এই পর্যায়ে আমরা পরপর দুদিন দাঁড়ালাম শাশ্বতর জন্য। হয়ত সামনে সপ্তাহেও দাঁড়াতে পারি। যেটা পরবর্তীতে সবার মতামত গ্রহণ করে আবার ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
ছবি
১। কালপুরুষ সবাইকে আহবান করছেন সাহায্যের হাত বাড়ানোর জন্য। পাশে দাঁড়িয়ে শামীম, রাতমজুর, দীপু ও মুহিব।
২। মুহিব ও ক্যামেরাম্যান সবাইকে আহবান করছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবার জন্য।
৩। ক্যামেরাম্যান আহবানের ভঙ্গিতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

