somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শাশ্বত ও আমরা, আর যা কিছু সত্য

১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মনটা কেমন যেন বিষন্ন। ঠিক বলে বোঝাতে পারছি না কারণটা। হয়তবা সেটা হবে গতদিনের কয়েকটি পোষ্ট আর তার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু কমেন্ট অথবা পার্সোনাল কোন কারণ। প্রতুৎপন্নমতিত্ব ব্লগ ছেড়ে চলে যাচ্ছে, হয়ত আরো অনেকই যাবে, আমি প্রত্যুকে প্রাথমিক ভাবে আটকাবো না, হয়ত তার কাছে এখন প্রাপ্তির চেয়ে অভিমানের পাল্লাটাই ভারী। তবে আমার বিশ্বাস, আমাদের কাছ থেকে পাওয়া ভালবাসার পরিমানটাও কম না তার কাছে। ও ফিরবেই, ফিরতেই হবে নিজ থেকেই। কারণ বন্ধুত্বের বাঁধন কি এতই ঠুংকো? ফেরা না ফেরার দায়িত্বটা আমি তাকেই দিলাম।

আজ থেকে প্রায় দেড় মাস আগে ২৭ শে মে' ২০০৮ মেহেরুল হাসান সুজনের একটি পোষ্ট আমাদের উদ্বেলিত করেছিল শাশ্বতর জন্য। ভিতর থেকে তাগিদ অনুভব করেছিলাম কিছু করার জন্য। যদিও আমাদের ব্যাক্তিগত ভাবে সামর্থ্য খুবই কম। আমরাও তো কিছু করতে পারি এই শাশ্বতর জন্য সমষ্টিগতভাবে, এই ভেবে ধমনীর রক্তকণা গুলো লাফিয়ে উঠেছিল। মূলতঃ আমাদের ঐ মানসিক চেতনাই ছিল শাশ্বতর জন্য প্রথম কোন ভার্চুয়াল প্লাটফরম। আর সেখান থেকেই শুরু। সেই ভার্চুয়ালিটিই রূপ নেয় একসময়ে বৃহত একটি শক্তিতে। যার ফলশ্রুতিতেই আজকের এই পথচলা। সে পথে কোথায় রয়েছে যেমন কাঁটা আবার কোথাও দগদগে পোড়া সৃত্মি চিহ্ন আবার কোথাও রয়েছে বিস্তৃত সুখের কোন সবুজ তেপান্তর। তবে আমার মতে সুখের পরিমানটাই হয়ত এখনও বেশী।

শাশ্বতর জন্য একহয়ে পথচলার সব সংগ্রামী মূহুর্তগুলো সবই জানা আমাদের সকলের। আমি আবারো বলছি-- আমরা কোন গোষ্ঠী নয়, আমরা কোন দল নয়, আমরা আলাদা কোন প্লাটফরমের নই, আমরা কোন সাইনবোর্ডের অধীনে নই, বরং আমরা সবাই মিলে একটি মুষ্টিবদ্ধ চেতনা। আর সে চেতনায় আছে যেমন দেশে বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেক ব্লগ বন্ধু (যারা মূলতঃ দুটি ঠিকানা থেকে এসেছে, কিন্তু এখানে কখনই আমরা আলাদা না) আর অগণিত সাহায্যের হাত (যারা কিনা জেনে অথবা না জেনেই সাহায্য করেছেন)। আমি এই সবাইকে একটি "একক" হিসেবে ধরতে চাই আর তা হলো "বন্ধু"।

গত ১১ই জুলাই আমাদের এই বন্ধুদের কয়েকজন সবার প্রতিনিধি হিসেবে যায় নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস এ শাশ্বতকে দেখতে এবং শাশ্বতর বাবার হাতে সেই সাহায্য চেকটি তুলে দিতে। বেশ একটি আবেগঘন মূহুর্তের মধ্যে শাশ্বতর বাবা নিজ হাতে চেক গ্রহণ করেন।

কিন্তু তারপর অর্থাৎ ১২ই জুলাই ব্লগের কয়েকটি পোষ্ট আর কয়েকটি কমেন্টই পরিবেশটা আবারো আবেগঘন করে তোলে। কিছু প্রশ্ন উঠে আসে নতুন করে। নতুন করে আবারো তর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয় কেউ কেউ। মনে হয় তার প্রয়োজন ছিল না। কিছু কিছু কমেন্ট আবার অনুঘটকের কাজ করে। বারুদের মত বিস্ফোরণ হয় পুনরায়। কিন্তু সব কিছু সুন্দর আর সরল করে দেখলেই সব ঠিক হয়ে যায়।

এখানে উল্লেখ্য আমি শুধু শেষের মিটিং টাতেই উপস্থিত হতে পারিনি। যেটা ঢাকার আজিজে হয়েছিল। আমার বাসায় ব্যাক্তিগত কিছু কারণ ছিল। তো যাই হোক সেই জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী। কিন্তু সশরীরে না হলেও ফোনে সবার সাথে যোগাযোগটা ছিল চলমান। আর ঠিক একই কারণে আমিও যোগ দিতে পারিনি শাশ্বতর বাড়ীতে। যাই হোক সেটা অন্য কথা।

প্রথমতঃ আমি মনে করি যে কারো সাথে কারো পার্সোনাল রিলেশন থাকতেই পারে। সেটা নিশ্চই দোষের কিছু না, বরং ভাল। যেমন, নাটোরে শাশ্বত ও তার বাবার সাথে আমার বেশ কয়েকবার ফোনে আলাপ হয়, শিবলী নোমান, সালাউদ্দীন মোহাম্মদ সুমনের সাথে আমার শাশ্বতর ব্যাপারে জানার আগেই পরিচয়। আর পরে সুজনের সাথেও ভাল পরিচয়। ঠিক তেমনি আরো অনেক পরে যেমন আনিসুজ্জামান উজ্জলের সাথে। কিন্তু মামুন সাহেবের সাথে আমার কখনও পরিচিত হবার সুযোগ হয়নি।

গতকালের আগে একবার এই ব্লগে একবার ঠিক একই রকম কাদা ছোঁড়াছোঁড়ি হয়েছিল। সেটা হয়েছিল মূলতঃ মামুন সাহেবের একটি পোষ্টের বিপরীতে। সেখান থেকে সবাই একটি বিষয় ভুল করে আসছে। সবাই বলছে, নাম স্বীকৃতির না দেবার জন্য এ গন্ডোগল। কিন্তু মূল বিষয়টিকে পাশ কাটিয়ে সবাই অন্য বিষয় নিয়ে আলোচনায় ব্যাস্ত থাকলেন। আর সেই মামুন সাহেবে পোষ্টে আমাদের নিজেদের অবস্থান আবারো নড়বড়ে করতে সহায়তা করলেন আমাদেরই এক বন্ধুর একটি একপেশে কমেন্ট (তিনি ঐ জায়গার ওটা না বললেও পারতেন)। যার ফলশ্রুতিতেই জন্ম নিলো আরো এক বন্ধুর লেখা একটি রগরগে পোষ্ট। সমস্যা ঘন থেকে ঘনীভুত হতে থাকলো। মূলতঃ মামুন সাহেবের সেই পোষ্টটা কমেন্ট দিয়েই দীর্ঘায়িত হয়েছিল শুধু মেজবাহ য়াযাদ আর প্রত্যুপন্নমতিত্বের নিবরতার জন্য। তারা আগে বললেই পারতেন যে, রাজশাহী থেকে মামুন সাহেব তাদের ফোন করে কথা বলেছিলেন। আর এ ব্যাপারটি আমার জানামতে দুজনের কেউই আগে আমাদের কারো সাথে শেয়ার করেননি। যেহেতু শেয়ার করেননি সেহেতু এ পর্যায়ে আমি ধরে নিচ্ছি উল্লোখিত আমার দুই প্রিয় ব্লগ বন্ধু, মামুন সাহেবের আহব্বানকে ব্যাক্তিগত দাওয়াত হিসেবেই ধরেছিলেন, এবং আমি এটাকে কোন দোষ হিসেবে কখনই ধরছি না। পরে অবশ্য দুজনের একজন কমেন্ট আকারে স্বীকার করেছিলেন যে, "হ্যাঁ মামুন সাহেব তাদের সাথে কথা বলেছেন"। আর তার সাথে সবার কাছে মামুন সাহেবের করা আগে একটি উক্তি সোজা হয়ে যায়, সেটা হলো, মামুন সাহেবের ভাষায়, "আমি ঢাকার ব্লগ বন্ধুদের সাথে আলাপ করেই ১১ তারিখের প্রেস কনফারেন্সের দিন ঠিক করেছি এবং তাদের আমন্ত্রন জানিয়েছি"।

মামুন সাহেব একজন শিক্ষক। তিনি সর্বজন সন্মানিত একজন ব্যাক্তি একথা অস্বীকারের কোন পথ নেই। আমার ব্যাক্তিগত অভিমত হলো, উনিই যেহেতু রাজশাহী থেকে সবকিছু কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, সুতরাং ওনার দায়িত্বটা আমাদের চাইতেও অনেক অনেক বেশী। ওনার প্রতিটি পোষ্টের প্রতিটি লাইনের দিকনির্দেশনা সুনির্দেশিত হওয়া উচিত ছিল। পক্ষান্তরে আমার মনে হয়েছে উনি ব্লগ পোষ্টের ব্যাপারে যথেষ্ট কাঁচা। উনার বোঝা উচিত ছিল সেই সময়কার ব্লগের চলমান মেজাজটা কি ছিল। একটি কথা অনেকভাবেই বলা যায়, সেটা ওনার বোঝা উচিত ছিল। কথার সুরের জন্য কথার মিনিং কিন্তু চেইঞ্জ হয়ে যায়। তারপরেও আমি মামুন সাহেবকে অনেক দায়িত্বশীল বলে মনে করি। আমাদের সবার একটা কথা খেয়াল রাখতে হবে, কোন একটা নিকের পিছনে যে মানুষটি আছেন সে কিন্তু আমার চাইতেও অনেক বেশী জ্ঞানী হতে পারেন। সুতরাং সবাইকে নিজের মত করে ভাবলে তো আর চলবে না।

তারপর ১০ই জুলাই রাতে ট্রেনে করে আমাদেরই কয়েকজন ব্লগ বন্ধু রওনা দিলেন নাটোরের পথে। উদ্দেশ্য হলো চেকটি শাশ্বতর বাবার হাতে পৌঁছে দেয়া। কতবড় মনের মানুষ হলে এভাবে মানুষগুলো ব্যাক্তিগত কাজকে দুরে রেখে নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে মানুষের প্রয়োজনে ছুটে যায়? সত্যিই তাদের প্রতি মাথা নত হয়ে আসে। আর ভাবি, আমি তাদের মত যোগ্যতাধর হতে পারলাম না আজো। সেদিন সারাটা রাত আমি আমার একটা ব্যাক্তিগত কাজে প্রচন্ড ব্যাস্ত ছিলাম আর সে ব্যাপারে আমি আমার আগের একটা পোষ্টে বলেছি। তবে পুরোটা পথ ওদের সাথে যোগাযোগ ছিল। সে যোগাযোগ কোন সময়ের বাঁধা মানেনি যে, কখন কয়টা বাজে? এরই মাঝে কিছু অনাকাঙ্খিত ফোন আমাকে ও তাদের বেশ বিব্রত করে। থামিয়ে দেয় কিছু সময়ের জন্য শুভচিন্তা। নিমজ্জিত করে কোন আঁধারে ক্ষণিকের জন্য। তবে এই ব্যাপারটি এতই তুচ্ছ যে এখানে বিস্তারিত উল্লেখ করার প্রয়োজন মনে করছি না। আর বলে রাখি আমাদের কার্যক্রমের সাথে ওটার সম্পর্ক একটু থাকলেও পুরোপুরি ছিল না।

পরের পোষ্ট গুলো পড়ে জানতে পারলাম যে, ট্রেনে সবার মধ্যে আলোচনা হয়েছিল, রাজশাহীর প্রেস কনফারেন্সে যোগদান করবেনা কেউ এবং চেকটি শাশ্বতর বাবার হাতে দিয়েই ফেরত আসবে যার যার অবস্থানে। হয়ত এই সিদ্ধান্তের পিছনে কোন কারণও ছিল। কিন্তু হঠাৎ দুজনের অনুপস্থিতি কিছু প্রশ্নের সৃষ্টি করে উপস্থিত আরো কয়েকজন বন্ধুর মনে, যেটা পরে ব্লগে প্রকাশ পেয়েছে। এখানে আমার বিশ্লেষনে দুই ধরনের কথাই আসছে। প্রথমতঃ যেহেতু পুরো কাজটাই টিম ওয়ার্ক তাই সর্বোজন স্বীকৃত বিষয়টির ব্যাপারে সবাইকে মনোযোগ দেয়া উচিত ছিল। আর দ্বিতীয়তঃ কেউ যদি একেবারেই নিজ দায়িত্বে বা নিজ মনের তাড়নায়/আবেগে একটি সমষ্টিগত কমিউনিটি থেকে উধাও হয়ে অন্যকোন কমিউনিটিতে উপস্থিত হয় তবে সেটাও তাদের ব্যাক্তিগত ব্যাপার। এখানে সবাই প্রাপ্তবয়স্কঃ, সবাই সবকিছু বোঝে। কাউকেই ছেলে ভোলানো কথা দিয়ে ভোলানো যাবে না।

আর সেই বিষয়ক পোষ্টগুলোতে একজন ব্লগার (নিজের নাম হাইড করে অন্য নিকে) এবং আনিসুজ্জামান উজ্জলের কিছু কমেন্ট নতুন করে তর্কের অবতারনা করে। তাদের কথাগুলো বা যুক্তিগুলো বা প্রশ্নগুলো বারবার খন্ডানোর জন্যই আসছিল পাল্টাপাল্টি কমেন্ট।

তবে আমি মনে করি, প্রাপ্ত টাকার চেকটি শাশ্বতর বাবার হাতে দেয়াটা দোষের কোন বিষয়ই না। এটাই স্বাভাবিক, এটাই হওয়া উচিত। শাশ্বতর বাবা যেহেতু বর্তমান সেহেতু তাঁর চেয়ে শাশ্বতর আর কোন বড় অভিভাবকই থাকতে পারে না। এমন ধারনা করটাও অমূলক।

সবকিছুর পরে আমার কাছে মনে হয়েছে সবাই চায় শাশ্বত সুস্থ্য হোক, ফিরে আসুক সুস্থ্য জীবনে। আমরা সবাই আমাদের স্ব স্ব অবস্থান থেকে যৎসামান্য সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। এখন শাশ্বতর জন্য দরকার তিনটি জিনিস। প্রথমতঃ সৃষ্টিকর্তার কৃপা, দ্বিতীয়তঃ শাশ্বতর মনোবল আর তৃতীয়তঃ অর্থ। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বিশ্বাস করি, এই তিনটির সংমিশ্রণ হবেই সেটা যেভাবেই হোক না কেন। আর শাশ্বত সুস্থ্য হয়ে উঠবেই। অন্ততঃ আমাদের, কারো জন্য না হোক, ওর পরিবারের জন্য ওটা দরকার।

আমাদের প্রাপ্তিঃ
আমরা যে সবাই এক তা প্রমান হয়েছে। যে যার অবস্থান থেকে তার সাধ্যমত করার চেষ্টা করেছে। সেই প্লাটফরমে প্রমান হয়েছে কোন জাতি, বর্ণ, গোত্র, সমাজ, ঠিকানা, অবস্থান কোন বাধা না। (নিজেদের মধ্যে ঠুংক বাধা গুলো কোন ব্যাপারই না, আর সেগুলো ধর্তব্য কোন বিষয়ই না)।

আসো না বন্ধুরা, সবাই হাতে হাত মিলিয়ে আবারো আগের মত মেতে উঠি।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭
১৪টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×