এইবার তো আর কোন উপায় নেই। দিতেই হবে। ট্রানজিট না দিয়া যাইবা কই বাঙালী। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত অনেকবার চেষ্টা করেছে ভারত এই ট্রানজিট সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করার জন্য বাংলাদেশের কাছ থেকে। কিন্তু জনগনেরর প্রবল বাঁধার মুখে সেটা ভেস্তে গেছে। কিন্তু এবার তো আর রক্ষা নেই। কারণ এবার জনগন বিরোধীতা করবে কিভাবে? তাদের তো মুখে কলুপ এঁটে দেয়া হয়েছে। আর যদিও বা একটু আকটু চেষ্টা করে তবে মূহুর্তের মধ্যে গরাদে বাস। কি দরকার বাবা, নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর- এইরকম একটা ভাব চলে এসেছে সবার মধ্যে।
দ্রব্যমূল্যের সাথে মনে হয় সবাই নিজেদের সামঞ্জস্য করে ফেলেছে। কারো মুখে রা নেই। চালের কেজি যদি ১০০ টাকাও হয় তবেও কোন সমস্যা নেই, এমন একটা ভাব সবার মধ্যে। কিন্তু সাধু এভাবে আর কয়দিন? বাঁধতো ভাংবেই? অন্ততঃ অতীততো তাই বলে।
ভারত চায় ট্রানজিট। চায় চট্টগ্রাম বন্দর। এর পরে আর কি? সবাই ভাবছে ট্রানজিট দিলে তো আসবে পয়সা। পকেট হবে গরম। কিন্তু ভিতরে ভিতরে কি হবে তা কি কেউ ভেবে দেখেছে? কেইবা দেখবে? আর তা দেখার সময়ইবা কোথায়? কোন দায়িত্ববোধ থাকলে তো দেখবে? জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা থাকলে তো সেটার প্রশ্ন উঠে।
আজ প্রধান কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন না করলেই না। সেগুলো হলোঃ
১। ফারাক্কা বাঁধের সঠিক ব্যাবহার কি নিশ্চিত হয়েছে?
২। সব গুলো নদীর পানি বণ্টন চুক্তি কি কার্যকর হচ্ছে?
৩। ভারতের ভিতরের ছড়িয়ে থাকা ছিটমহল আর ৩ বিঘা কোরিডোরের সুবিধা কি বাংলাদেশ পেয়েছে?
৪। যুদ্ধ পরবর্তী বিদ্ধস্ত বাংলাদেশ ৬ মাসের জন্য ভারতের কাছে কলকাতা বন্দর ব্যাবহারের অনুমতি চেয়েছিল, তা কি মিলেছে?
৫। বাংলাদেশের অনুরোধকে তোয়াক্কা না করে প্রায় ৩৫ টির মত নদীতে বাঁধ নির্মান কি ভারত বন্ধ করেছে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

