আমার প্রিয় পোস্ট

আমন্ত্রন রইল http://www.somewhereinblog.net/group/MyRajshahi

তারা কেমন করে এমন সাহস পেল?

১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪

শেয়ারঃ
0 0 0

খবরটি আমার একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় পড়া। কয়েকদিন আগে জামিনে মুক্তি পায় জামায়াত প্রধান নিজামী। সে শাহাবাগস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সি-ব্লকে চিকিৎসাধীন ছিল। সেখান থেকেই সরাসরি তার মুক্তি হয় এবং সে ওখান থেকে সে তার মগবাজারস্থ কার্য্যালয়ে চলে যায়।

খবরে প্রকাশ, নিজামীকে মুক্তি দেয়া হয় সন্ধ্যা সাতটায়। বিকাল সাড়ে পাঁচটা থেকে জামাতের কয়েকশত নেতা কর্মী শাহাবাগ এলাকায় জড়ো হতে থাকে। তাদের অগ্রভাগে নেত্রীত্ব দেয় মুজাহিদ। এসময় পুরো এলাকাতে সৃষ্টি হয় এক বিশাল ট্রাফিক জ্যাম। রাস্তার দুই পাশে শত শত গাড়ী আটকা পড়ে তাদের এই শোভাযাত্রার জন্য। হর্ণ বাজাতে থাকে সব গাড়ী গুলো। কিন্তু সেদিকে তারা কোন ভ্রুক্ষেপই করেনি। সায় দেয়নি প্রশাসন।

পুরো এলাকা জুড়ে নেমে আসে তখন এক অসহনীয় পরিবেশ। কাজী নজরুল এভিনিউ এর একটি অংশ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জামায়াতের নেতাকর্মী দ্বারা। তারপর যখন নিজামীকে নিয়ে তার গাড়ীর বহর বের হয়ে যায় তখন নাকি সেখানে সৃষ্টি হয় এক অসহনীয় অবস্থা। পরিস্থিতি আরো খারাপ হতেই থাকে। ততক্ষণ সেখানে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে গাড়ীগুলো। এমতাবস্থায়, মাগরিবের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়াতে এই এত লোকজন রাস্তা ব্লক করে নামাজে দাঁড়িয়ে যায়।

আমি কোন মতেই ভেবে পাই না, মানুষকে কষ্ট দিয়ে এইরকম ধর্ম পালনের মানে কি? ওয়াক্ত যখন হয়েছে নামাজ আদায় করতেই হবে। এটা আল্লাহর আদেশ, অন্ততঃ একজন মুসলমান হিসেবে তাই মনে করি আমি। নামাজ আদায় করার জন্য আশেপাশে অনেক মসজিদ ছিল। সেখানে তারা যেত পারতো।

পরে নিজামীকে নিয়ে তাদের শোভাযাত্রা চলে যায় তাদের অফিসের দিকে। পুরোটা রাস্তাটা তারা শ্লোগান দিতে থাকে। যেসব এলাকাতে হর্ণ বাজানো নিষেধ, সেটা কর্ণপাত না করে তারা তাদের গাড়ীর হর্ণ গুলো বাজিয়েছে অনবরত।

আমার প্রশ্ন:
-------------
=== আমরা জানি, দেশে এখন জরুরী আইন চলছে, কোন মিছিল অথবা শ্লোগান চলবে না। তাহলে কিভাবে এই লোকগুলো প্রসাশনের সামনে এই রকম কাজ করার সাহস পেল?

=== পুরো রাস্তা বন্ধ করে তারা জনসমাগম ঘটালো এবং নামাজের জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে গেল? প্রশাসন কি ছিল না সেখানে?

 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: এইসব প্রশ্ন করে কোন লাভ নাই ...
কোন উত্তর পাইবেন না ...
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: তাই বলে চুপ করে বসে থাকলে তো আর চলবে না।

২. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:০৯
কৌশিক বলেছেন: এইসবচ শুয়োরের বাচ্চাদের মুখে ইসলামের কথা শুনতে শুনতে ইসলামের অর্থই না একদিন পাল্টে যায়!
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:০১

লেখক বলেছেন: ঠিক।

৩. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:১৬
যীশূ বলেছেন: কই আছেন, বোঝেন না?
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: ভাই সবই বুঝি, কিন্তু মুখ বন্ধ করে থাকলে তো আর হবে না।

৪. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২৭
উড়ুউড়ু বলেছেন: প্রশ্ন আমাদেরও আছে কিন্তু আমরা করি না জানি লাভ নাই। আপনি করেছেন তাই ধন্যবাদ।
৫. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪০
বুমবুম বলেছেন: আরো যে কত কি দেখবো X(
৬. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
সুপ্ত সবুজ বলেছেন: মন্তব্য আর কি করি ! থামিয়া গেলাম।
৭. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৫২
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: বুমবুম বলেছেন: আরো যে কত কি দেখবো
৮. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:০০
শফিকুল বলেছেন: এইসব হারামজাদারা মাইনসেরে পুমা জন্য জন্ম নিছে, এরা আসলে নামাজ পড়ে না , মানুষের কাছে ভাল মানুষ সাজার জন্য ভং ধরে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬১৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আনুমানিক ৩৫ বছর ধরে বহন করে চলছি এই রক্ত মাংসের ক্ষয়িষ্ণু দেহটাকে। পিছনে তাকিয়ে দেখি কোন পাথেয় সংগ্রহ হয়নি। তাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ