খবরে প্রকাশ, নিজামীকে মুক্তি দেয়া হয় সন্ধ্যা সাতটায়। বিকাল সাড়ে পাঁচটা থেকে জামাতের কয়েকশত নেতা কর্মী শাহাবাগ এলাকায় জড়ো হতে থাকে। তাদের অগ্রভাগে নেত্রীত্ব দেয় মুজাহিদ। এসময় পুরো এলাকাতে সৃষ্টি হয় এক বিশাল ট্রাফিক জ্যাম। রাস্তার দুই পাশে শত শত গাড়ী আটকা পড়ে তাদের এই শোভাযাত্রার জন্য। হর্ণ বাজাতে থাকে সব গাড়ী গুলো। কিন্তু সেদিকে তারা কোন ভ্রুক্ষেপই করেনি। সায় দেয়নি প্রশাসন।
পুরো এলাকা জুড়ে নেমে আসে তখন এক অসহনীয় পরিবেশ। কাজী নজরুল এভিনিউ এর একটি অংশ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জামায়াতের নেতাকর্মী দ্বারা। তারপর যখন নিজামীকে নিয়ে তার গাড়ীর বহর বের হয়ে যায় তখন নাকি সেখানে সৃষ্টি হয় এক অসহনীয় অবস্থা। পরিস্থিতি আরো খারাপ হতেই থাকে। ততক্ষণ সেখানে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে গাড়ীগুলো। এমতাবস্থায়, মাগরিবের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়াতে এই এত লোকজন রাস্তা ব্লক করে নামাজে দাঁড়িয়ে যায়।
আমি কোন মতেই ভেবে পাই না, মানুষকে কষ্ট দিয়ে এইরকম ধর্ম পালনের মানে কি? ওয়াক্ত যখন হয়েছে নামাজ আদায় করতেই হবে। এটা আল্লাহর আদেশ, অন্ততঃ একজন মুসলমান হিসেবে তাই মনে করি আমি। নামাজ আদায় করার জন্য আশেপাশে অনেক মসজিদ ছিল। সেখানে তারা যেত পারতো।
পরে নিজামীকে নিয়ে তাদের শোভাযাত্রা চলে যায় তাদের অফিসের দিকে। পুরোটা রাস্তাটা তারা শ্লোগান দিতে থাকে। যেসব এলাকাতে হর্ণ বাজানো নিষেধ, সেটা কর্ণপাত না করে তারা তাদের গাড়ীর হর্ণ গুলো বাজিয়েছে অনবরত।
আমার প্রশ্ন:
-------------
=== আমরা জানি, দেশে এখন জরুরী আইন চলছে, কোন মিছিল অথবা শ্লোগান চলবে না। তাহলে কিভাবে এই লোকগুলো প্রসাশনের সামনে এই রকম কাজ করার সাহস পেল?
=== পুরো রাস্তা বন্ধ করে তারা জনসমাগম ঘটালো এবং নামাজের জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে গেল? প্রশাসন কি ছিল না সেখানে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

