আরিল, জানা তো সারাদিন ঘরে বসে পান চিবায়। বয়স হয়েছে। ব্লগটার হাল ধরেছে কিন্নরী। ওর আইডিয়াগুলো বেশ সুন্দর। আসলেই ইয়াং জেনারেশন বলে কথা। লাভলু নাকি এখনও আছে শুনেছি। চোখে তেমন ভালো একটা দেখেনা। আর মোর্শেদের কথা ঠিক বলতে পারছিনা। থাকতেও পারে।
তবে একটা ব্যাপার কি, আমরা যখন প্রথম প্রথম ব্লগে ঢুকলাম মানে সেই ৩২ বছর আগে। তখন খুব জমজমাট ছিল। এখনও আছে। কিন্তু কেমন যেন যান্ত্রিক। তারপরেও ভালো লাগে। তখন, মুক্তিযোদ্ধা আর রাজাকারদের দৌড়াদৌড়ি। আর এখন তো রাজাকারদের বালাই নেই।
খুব খারাপ লাগে কয়েকজনের জন্য। ঐ যে, মুহিব, লোকটা অশ্লীলতা আর দেনার দায়ে ব্লগ থেকে বিদায় নিল। মজার ব্যাপার হলো ও মাঝে মাঝে কুইজ ছাড়তো ২০ টাকা ফেক্সিলোড পুরষ্কার দিয়ে। কিন্তু কাউকেই দিতো না। এভাবে অন্যসব ব্লগারদের কাছে বিশাল এমাউন্ট জমা হয়ে যায়। আচ্ছা আচ্ছা, একটু ক্লিয়ার করি, তোমরা ফ্লেক্সিলোড বুঝবে না, তখন মোবাইলের ব্যালেন্স ট্রান্সফার করা যেত, ওটাই ফ্লেক্সিলোড। আর এখন তো একটা বাৎসরিক নির্দিষ্ট ফি দিলেই মোবাইলের সব সার্ভিস পাওয়া যায়। আহা তখন কতই না, টাকা গুনতে হয়েছে, এই মোবাইলের জন্য।
এই দেখো, এক কথা বলতে আরেক কথা বলছি। কিছু মনে করো না, বয়স হয়েছে তো!!
আর ঐ যে তোমরা কৌশিককে দেখো না, এই কিন্তু এক মজার পাবলিক। তোমরা এখন ওকে যেমন দেখো, ও আগেও তেমন ছিল। মানে আয়রন ম্যান। পুরো কই মাছ। অনেক ঝড় ঝাপটা গেছে এখনও বহাল তবিয়তে। আরেকটা মজার ব্যাপার হলো, ও কিন্তু আগে সবসময় হেলমেট পড়ে থাকতো। সেটা নিয়ে অনেক মজার মজার গল্প আছে। যাই হোক সেটা অন্যদিন বলা যাবে।
খারাপ লাগে প্রত্যুর জন্য। ছেলেটা বড়ই অভিমানী। ব্লগটাই ছেড়ে দিলো। মাসুম ভাই পুরো ব্যার্থ হয়েছিল ওকে পাত্রীস্থ(!) করতে। শুনেছি ও নাকি বিয়ে না করে বাউল হয়ে গেছে। আর মেসবাহকে চেনো তোমরা? খুব কম আসে এই খানে। লোকটা খুব ভাল ছিল, অন্যের সাহায্যে তাকে আগে পাওয়া যেত। যদিও একটু ত্যাদোড় প্রকৃতির। মজার ব্যাপার হলো লোকটার প্রত্যেকটি পোষ্টে তার বউকে নিয়ে কোন না কোন কথা থাকতোই। আর ঐ যে কালপুরুষ। লোকটা আসলেই এভারগ্রীন। এখন আসে নিয়মিত। দেখেছো না তোমরা? কি?
আমরা কিন্তু হারিয়েছি অনেক ব্লগারকে। মানে মারা গেছেন। ওদের সৃত্মিগুলো মনে পড়লে খুব খারাপ লাগে। আর রাতমজুর নামে একজন চমৎকার একটা মানুষ ছিল। আহা, শেষের দিকে কেমন যেন মাথায় একটু সমস্যা দেখা দিলো। আর কি একটা কেলেংকারী নিয়ে যেন, ঐ একরামুল হক শামীম টা ব্লগ ছাড়লো। ব্লগরে কোন মেয়ের সাথে যেন কি হয়েছিল। যাইহোক......। নাইমটা কি যে পায় সমূদ্রের কাছে, ও ওখানেই থেকে গেলো আর এলো না।
আমরা কিন্তু তখন ঢাকার সব ব্লগাররা পাবলিক লাইব্রেরীর চত্বরে আড্ডায় বসতাম। আর এখন তো মিটিং গুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশে তোমরা আয়োজন করছো। ভাল ভাল। পোষ্ট দেওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই দেখি তোমরা সেখানে হাজির হয়ে যাও। কি স্পিরিট? ভালোই লাগে.....!!
তবে তোমাদের মধ্যে অনেকে বেশ ভালো লিখো। সেটা সবারই খুব ভালো লাগে। ঐ যে মেয়েটার নাম যেন কি, ভালো লেখে? উমমম....., হ্যাঁ এ্যারিয়ান। এখন আবার তোমাদের নিক দেখে বুঝিনা, কে ছেলে আর কে মেয়ে। আচ্ছা অনেক কথাই হলো, পরে একদিন বলবো যদি তোমরা শুনতে চাও।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

