খুব সম্ভবতঃ তখন ইত্তেফাকের দাম ২ অথবা ২.৫ টাকা ছিল। সেই সত্তর দশকের শেষ দিকের কথা। বাবাকে পেপার পড়তে দেখতাম। ওনার দেখাদেখিই পেপার পড়ার অভ্যাসটা সেই ছোট বেলা থেকেই। তখন চেষ্টা করতাম ওটা উল্টে পাল্টে দেখার। অভ্যাসবশতঃ এখনও প্রতিদিন সকালে চোখ বুলাই অফিসে আসার আগে।
বেশ কয়েকদিন আগের ঘটনা। একটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর বালবের বিজ্ঞাপনের মডেল দেখে চোখ আটকে গেল। দেখলাম, একজন পুরুষ মডেল পাশে দন্ডায়মান এক সুন্দরী মডেল। ভাবটা এমন স্বামীর উপর স্ত্রী একটু বিরক্ত। অথবা দুইজনই বিরক্ত। কিন্তু কেন যেন মনে হচ্ছিল, এই ছেলেটিকে তো কোথায় যেন দেখেছি।
মিলে গেলো হ্যাঁ, এই তো সেই ছেলে, যে কিনা তার চেহারা দেখাতে ব্লগে খুব পছন্দ করে। সে আর কেউ না আমাদের ............. "মুহিব"। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন এংগেলের চেহারার ছবি ব্লগে দেয়। আমরা দেখে পাগল হয়ে যাই। এখন ব্লগে আবার তার লেটেষ্ট ছবিতে আমরা তার পিঠ দেখতে পাচ্ছি। উনি আবার হঠাৎ কাউকে কিছু না বলেই কক্সবাজার আর সিংগাপুর যায়। বড় মাপের মানুষ হলেতো এমনই হয়। আজ চিপাগলি তো কাল মহেশখালি।
আমার তো খুশি আর ধরে না। এমন একজনের ছবি পেপারে ছাপা হয়েছে যাকে আমি চিনি। অফিস আসার পথে গাড়ীতেও কয়েকজন কলিগকে বললাম। ইচ্ছা করেই গাড়ীতে উঠার আগে ষ্টল থেকে সেই পেপারটি আরো একটি কপি কিনলাম। সবাইকে দেখিয়ে বারবার বললাম, "জানেন এই ছেলেটির সাথে আমার পরিচয় আছে, উনি একজন প্রতিষ্ঠিত মডেল এবং ব্লগার"।
আমার খুব ভালো লাগে একজন মডেলের সাথে আমার পরিচয় আছে। আমি তার লিখা ব্লগে কমেন্ট করতে পারি। নিজের বুকটা আবারো উঁচু হয়ে যায় সম্মানে।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


