আমার প্রিয় পোস্ট

আমন্ত্রন রইল http://www.somewhereinblog.net/group/MyRajshahi

আমার সেই প্রিয় সাইকেলটা এখন কোথায় আছে?

১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯

শেয়ারঃ
0 0 0

আমি সাইকেল চালানো শিখেছি একটু বড় হয়ে। আমার নিজের সাইকেলেই চালানো শিখেছি। আব্বা সাইকেল কিনে দিবে, কিনে দিবে করে অনেকদিন পার হয়ে গেলে একবার "আজকেই কিনবো" এমন একটা ভাব নিয়ে সাইকেলটা কেনা হয়ে গেল। আমাদের ওখানে তেমন ভালো সাইকেলের দোকান ভাল ছিল না। একটু দুরে একটা সাইকেলের হাট বসতো। মানে সেখানে নতুন, পুরাতন বিভিন্ন রকম সাইকেল আসতো বিভিন্ন জায়গা থেকে।

একটা ইন্ডিয়ান লাল হিরো সাইকেল কেনা হলো। দামটা ঠিক মনে করতে পারছি না এ মুহুর্তে। সাইকেলের হাটটা ছিল আমাদের বাসা থেকে দুই/তিন কিলোমিটার দুরে। আমার একবন্ধু আরো একজন পরিচিতকে নিয়ে গেলাম সাইকেল কিনতে।

পুরো হাট ঘুরে ঘুরে কয়েকটি সাইকেল দেখে আমার ঐ হিরো সাইকেলটাই পছন্দ হলো। দরদাম করে, দাম পরিশোধ করলাম। সাইকেলের কাগজ তৈরী করে, ফি দিয়ে হাট থেকে বের হয়ে আসলাম। তারপর ঐ সাইকেল আমার বন্ধুটি চালিয়ে নিয়ে বাসায় আসলো। আর আমি রিক্সায় পিছনে পিছনে আসলাম। কারণ আমিতো সাইকেল চালাতে জানতাম না।

তারপর যথারীতি শুরু হলো সাইকেল চালানো শেখা। প্রতিদিন ভোরবেলা স্কুল মাঠে চলে যেতাম। এভাবে দুই থেকে তিনদিনের মাথায় আমার সাইকেলে ব্যালেন্স আসলো। রাস্তায় উঠেছি আরো হয়ত দুই একদিন পর। একটা নেশা পেয়ে বসলো। একসময় খুব ভালো সাইকেল চালানো শিখলাম। এবং ওটার উপর যথেষ্ট কন্ট্রোল চলে আসলো। হাইওয়েতেও অনেক সাইকেল চালিয়েছি। পাশ চলে দ্রুত চলে যাওয়া ট্রাকের বাতাসের ধাক্কাতেও হাত একটুও কাঁপেনি।

প্রতিদিন সকালে প্রায় তিন থেকে চার কিলোমিটার করে সাইকেল চালাতাম। আমি খুব স্পিডে চালাতাম। এমন একটা সময় আসলো, যখন আর হাঁটতে ভালো লাগতো না। খুব যন্ত করতাম সাইকেলটার।

পুরো সাইকেলের সব বল বিয়ারিং খুলে সেটাতে আবার নতুন ফনিক্স এর বলবিয়ারিং লাগানো হলো। তাতে আরো সাবলীল একটা ভাব আসলো। সবসময় মোবিল, গ্রীজ দিতাম চাকায়, চেইনে। সুন্দর করে মুছে রাখতাম ওটা। দুইএকজন চালিয়েও খুব মজা পেত।

এভাবে অনেকদিন সাইকেল চালালাম। একসময় কেন যেন হঠাৎ সাইকেলে চড়তে আর ভালো লাগতো না। ওটা পড়ে থাকলো বারান্দায়। রোদ, বৃষ্টি, ঝড় গেলো ওটার উপর দিয়ে। মাঝে মাঝে তাকিয়ে দেখতাম। কিন্তু ভালো লাগতো না। একসময় সাইকেলটা আম্মা আমাকে না জানিয়ে কার কাছে যেন বিক্রি করে দিলেন।

এখন আবারো মাঝে মাঝে সাইকেল চালাতে খুব ইচ্ছা করে। কিন্তু হয়ত আমার ছেলেকেই এখন সাইকেল কিনে দিতে হবে। সে এখন মার্কেটে গেলে দোকানে থাকা সাইকেল গুলো নিয়ে টানাটানি করে, ওটার উপরে চড়ে বসে। কিছুতেই নামতে চায় না। ওর দিকে তাকিয়ে আমি আমার সেই দিন গুলো দেখি। মাঝে মাঝে হারিয়ে যাই আমার সেই ছোট বেলার অতীতে। খুব খারাপ লাগছে। নষ্টালজিয়ায় পড়ে যাই।

গতকাল "পুসকি" এর সাইকেল নিয়ে একটি পোষ্ট পড়ে মনে পড়ে গেলো আমার সেই প্রিয় সাইকেলটার কথা। জানিনা আমার সেই সাইকেলটা এখন কোথায় আছে? যেখানেই থাকুক, যেই চালাক, ভালো থাকুক। জানিনা এখনও সচল আছে কিনা?

 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪
মুকুট বলেছেন: হুমম! আমি যেটাতে চড়া শিখেছি, এটা গ্রামের বাড়িতে এখনও আছে ভাল তবিয়তে, একটু বয়স হয়ে বার্ধ্যকে পৌছেছে, এছাড়া ভালৈ চলে! একাই শিখেছিলান নাকি কাউরে লাগছিলো??? আমি কিন্তু কারো সাহায্য ছাড়াই সাইকেল চালনা শিখেছি! ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য!
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১০

লেখক বলেছেন: প্রথম দিন আমার বন্ধুটি শুধু পিছনের ক্যারিয়ার কিছুক্ষণের জন্য ধরে রেখেছিল। তারপরের দিন থেকে আর কারো হেল্প লাগেনি।

২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭
মামু বলেছেন: জীবনে কুনু দিন সাইকেল চালুনু শিকতে পারলাম না,
আপচুস
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: এখনও শিখতে পারেন। খুবই সোজা। :)

৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫
মুহিব বলেছেন: আমার প্রানাধিক প্রিয় সাইকেল আমি কিভাবে বিক্রি করে দিয়েছিলাম! Click This Link
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ মুহিব তখন ওটা আমি পড়েছিলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।

৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৯
রিক্তা বলেছেন: জীবনে একবার ও সাইকেল আর মোটর সাইকেলে চড়তে না পারার আপচুচ রয়ে গেলো।:(=
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: বলেন কি?

৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন: মিলটন ভাই সাপ্তাহে দুদিন আমার বাচ্চাদের ফ্রি সাইকেল চালানো শিখাই ধানমন্ডিতে। সময় করে একদিন আসতে পারেন আপনার বাচ্চাকে নিয়ে।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: ওকে সময় হলে একদিন যাবো। ধন্যবাদ। কিন্তু বুঝলাম না, আপনি নিজে আপনার বাচ্চাকে ফ্রি সাইকেল চালানো শিখান কিভাবে?

৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
বাবুয়া বলেছেন: আমারো সাইকেল চালানো নিয়ে এক মজার এবং ভয়াবহ সৃতি আছে। আমার বয়স যখোন ৫/৬ তখোন আমার বড় জাহাংগীর এবং আলমগীর রেলী সাইকেল চালাতো। আমাকে ওদের সাইকেল ধরতে দিতোনা। ঢাকা ক্যানটন্মেন্টের যেখান্টাইয় সি এম এইচ সেখানে অনেক ছোট ছোট উচু টিলার মতো যায়গা ছিলো। একদিন ওদের চোখের আড়ালে ওই সাইকেল নিয়ে আমি সেই টিলার উপড় চলে গিয়ে সাইকেলের সীটে বসে থাকি। একজন পথচারীকে পেয়ে বললাম-"চাচা, একটু ধাক্কা দিন............ যে বলা অমনি সেই লোক সাইকেলের পিছন থেকে দেয় ধাক্কা! আমি সাইকেলের হ্যান্ডেল ধরে আছি......... সাইকেল চলছে............ আমি থামাতে পারছিনা! রাস্তার মোড় পাড় হয়ে গড়িয়ে পড়ি রাস্তার পাশের গভীর খাঁদে! আমার নাক কেটে যায়! এখনো সেই কাঁটা দাঁগ আমার প্রথম সাইকেল চালানোর সৃতি হয়ে আছে!

লোক জন আমাকে খাঁদ থেকে তুলে যখোন বাড়ী পৌছে দিলো-তখোন শুরু হলো জাহাংগীর আর আলমগীরের নির্যাতন...............
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: তবে বাবুয়া ভাই অনেকেই বলে হাত পা না কাটলে নাকি সাইকেল চালানো শেখা যায় না, আমার কখনই হাত পা কাটে নি।

৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
বাইত যামু বলেছেন: আমার সাইকেলগুলোর প্রতি বড্ড অবিচার হচ্ছে। গ্যারেজে পড়ে থাকে মাঝে হয়তো কেউ একজন একটু চালায়। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন মনে হতো "একটা সাইকেল, একটা সাইকেল হলেই জীবনটা পাল্টে যেতো"
আজ তেমন ভাবে আর সাইকেলটাকে দেখা হয় না........................
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: আসলেই তখন বোধহয় ওমনই মনে হতো।

৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৭
বাইত যামু বলেছেন: আমার সাইকেলগুলোর প্রতি বড্ড অবিচার হচ্ছে। গ্যারেজে পড়ে থাকে মাঝে হয়তো কেউ একজন একটু চালায়। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন মনে হতো "একটা সাইকেল, একটা সাইকেল হলেই জীবনটা পাল্টে যেতো"
আজ তেমন ভাবে আর সাইকেলটাকে দেখা হয় না........................
৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৭
মুছাব্বির বলেছেন: নস্টালজিক হয়ে পড়লাম লেখা পড়ে। ধন্যবাদ মিলটন ভাই।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা মুছাব্বির

১০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আমার সাইকেলটা উত্তরাধিকার সূত্রে ভাই বেরাদাররা নিয়া গেছে!! কিন্তু সাইকেল চালাইতে খুবই ভালা পাইতাম!!
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪১
আজনবী বলেছেন: সাইকেল নিয়ে আমারো কিছু মজার স্মৃতি আছে। আমার সাইকেলটা ছিল হারকিউলিস ব্রান্ড। প্রথমেই বলে নেই ছোট বেলায় পুলিশকে খুব ভয় পেতাম। সাইকেল চালানো শেখার পর আপনার মত রাস্তায় ঘুরতাম স্কুল থেকে ফিরে। একদিন সাইকেল চালানোর সময় দেখি সামনে এক বিশাল ট্রাক, রাস্তার পাশে সাইড নিতে গিয়ে পরলাম এক আসামী হাতে বুড়া পুলিশের গায়ের উপর, বেচারা কনুইতে ব্যথা পেয়ে বলে উঠলো, "বেত্তমিজ"। তারপর নিজেই টেনে তুললো আমাকে। আমাদের বাসা ছিল পুলিশ লাইনের কাছে, তাই অনেক পুলিশই আমার আব্বাকে সহ আমাদের সব ভাইবোনকে চিনতো। সেইদিন প্রথম পুলিশ সম্পর্কে ভয় অনেকটাই কেটে গিয়েছিল।

এখন আর হারকিউলিস ব্রান্ডের সাইকেল দেখি না, তাই মাঝে মাঝে মনে পরে। আজ আবার মনে পরলো। ধন্যবাদ মিলটন ভাই।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: এখনও কি পুলিশ ভয় পান?

আহারে সেই সোনার দিন গুলো কোথায় হারিয়ে গেলো?

১২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১
নাজনীন খলিল বলেছেন:
এই সব লেখা পড়লে নিজেও খানিকটা নস্টালজিক হয়ে পড়ি।

ভাল লাগল লেখাটি।

অনেক শুভেচ্ছা রইল মিলটন।




১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

১৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
শত রুপা বলেছেন: ভাল লাগলো আপনার লেখা।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
শত রুপা বলেছেন: ভাল লাগলো আপনার লেখা।
১৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৭
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: সবাই বলত আমার সাইকেল চালানোর মধ্যে নাকি ষ্টাইল ছিল ...!!!
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: কি ষ্টাইল রে?

১৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২১
রূপক  বলেছেন: প্রথম সাইকেল যেদিন পাই, মনে পড়ে সেদিন রাতে একফোঁটাও ঘুমাই নি, সারারাত চিন্তা করেছি কখন সকাল হবে আর আমি সাইকেলটা নিয়ে স্কুল মাঠে যাব :)
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: আসলে মানুষের জীবনের ষ্টেজে একটা স্বপ্ন থাকে। তো একটা সময় ছিল যখন স্বপ্ন ঘিরে ছিলো একটা সাইকেল। ওটাকেই নিয়েই অনেক সৃত্মি অনেক গল্প। সে গুলো বড়বেলায় এসে মনে পড়লে একটু নষ্টালজিক হওয়া স্বাভাবিক। ধন্যবাদ।

১৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

নস্টালজিক হয়ে গেলাম। আব্বু যে সাইকেলে চড়ে কলেজে যেতেন, চাচারাও ওই সাইকেল চালিয়েছিলেন, ছত্রিশ বছরের পুরনো সেই সাইকেলেই গ্রামে গিয়ে আমার চালানো শেখা! সাইকেলটা এখনো আছে গ্রামের বাড়ীতে। যত্ন করে রেখে দিয়েছি।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: আসলেই ওটাতেই আপনাদের কয়েক পুরুষের সৃত্মি হয়ত থাকবে। তারপরও ওটা টিকে থাকবে। পরবর্তীরা এসে দেখবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২২
শিবলী বলেছেন: আহা আমারো পুরানা কথা মনে পড়ে গেল!!
কুস্টিয়ায় যখন স্কুলে পরতাম, সাইকেল_ই সবার প্রিয় বাহন ছিল।
আমি একরাতে সাইকেল চালানো শিখেছিলাম! খালাতো ভাইয়ের বাসায় গিয়ে তার সাইকেলের (সোজা হ্যন্ডেল সাইকেল )ক্যারিয়ারে বসে(সিটে নাগাল পেতাম না) তাদের উঠানে পাক খাবার অবিরাম চেস্টার পর রাতের খাবার দেবার আগেই মোটামুটি শিখে যাই।

তারপর বাসায় এসে চাচার ১৭০০ টাকার সবুজ রং এর হিরো সাইকেল নিয়ে টো টো করে ঘুরে বেড়াতাম। ফনিক্স সাইকেল ছিল তখন স্বপ্ন!!! কারন তার দাম ৩২০০টাকা।
কিন্তু সাইকেলটা চুরি হয়ে যাবার পর আর সাইকেল চালানোর জন্য কেনার অনুমতি পাইনি! এমনকি নিজের বৃত্তির টাকা দিয়েও না। অজুহাত এক্সিডেন্ট করতে পারি!!!

সেই রাগে , অন্যের সাইকেল মেইন রোডে চালাতাম, যার সাইকেল তাকে পেচনে বসিয়ে!

এখন দিন বদলিয়েছে।কুস্টিয়া গেলে এখন দেখি রিকশা বা মটরসাইকেল ছারা সাইকেলে চড়া কমে গেছে!!! ব্ন্ধুরা আর সাইকেল চালাতে চায় না!! আমারো আর তেমন ভাল লাগে না।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: সাইকেলটি চুরি হয়ে যাওয়াতে আপনার মন খুব খারাপ হয়েছিল বুঝতে পারছি।

১৯. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৫
আকাশনীল বলেছেন: বাল্যকালের কথা মনে পড়ে গেল;)

মিলটন ভাই, আমার ব্লগে গেলেন, খুব খুশী হলাম
হাবিজাবি না হয় লিখি, তাই বলে কমেন্ট দিবেন না??
উতসাহ পাই কেমনে:(
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: ভাই রাগ করবেন না প্লিজ। সত্যি কথা বলতে কি এখন আর ব্লগে তেমন সময় দিতে পারি না। সকাল থেকে সারাদিন লগড ইন থাকি ঠিকই কিন্তু খুব কমই এখানে বিচরন করি। কারণ ব্যাস্ততা। মাফ করবেন, আপনি বোধ হয় কষ্ট পেয়েছেন।

২০. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৩
আকাশনীল বলেছেন: আরে না ভাই
এখন তো কাজেরই সময়

ফ্রি থাকলে আইসেন একবার;)
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ঠিকআছে ভাই।

২১. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৭
নরাধম বলেছেন: আমারও সাইকেল একটা ছিল। আহারে কই গেল সেই সাইকেল? সেরদরে বিক্রি কইরা দিল আমার বাবা!
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আপনার বাবা যখন ওটা বিক্রি করে দিয়েছিল তখন নিশ্চই খুব খারাপ লেগেছিল। কারণ হয়ত ওটার সাথে আপনার অনেক সৃত্মিই লুকিয়ে ছিল।

২২. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৪
স্বপ্নশিকারী বলেছেন: ভাই জান আপনার লেখাটা পড়ে আমার ছোটকালের দরজার কাঠ দিয়ে বানানো ব্যাট টার কথা মনে পড়ে গেল।তখন আফসোস করতাম ইস টাকা থাকলে ব্যায় কিনব আর এখন সব আছে কিন্তু খেলার সময় টা নাই।


ভাই জান একটা গল্প লেখার চেষতা করেছি।সময় থাকলে ঢুঁ মাইরেন।

Click This Link
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: জ্বি পড়লাম আপনার লেখাটি, ভালো লাগলো, আরো লিখুন।

২৩. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
কাজ করে খাই বলেছেন: এ সব বিষয় নিয়ে না লেখাই ভালো!

আমার সখের সাইকেলটার কথা খুব মনে পড়ে গেল। অপরাধী মনে হচ্ছে নিজেকে, শেষ পরিনতি, কিছুতেই মনে করতে পারছি না!
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আমার লেখা আপনাকে আঘাত করেছে জেনে খারাপ লাগছে। তবে অনেকদিন পরে আপনাকে মনে হয় ব্লগে দেখলাম। কোন সমস্যা? কেমন আছেন?

২৪. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪
পুসকি বলেছেন: সবার সাইকেল কাহনেরই এন্ডিং টা কেমন জানি বিষাদ ভরা........:(

ভাল লেগেছে ভাইয়া:)
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পুসকি।

ব্যাপারটা হচ্ছে কি, মানুষের বয়সের একটা নির্দিষ্ট সময় সাইকেল চালায় খুব মজা করে। সেটা কিন্তু ছোট বেলা। আর বড়বেলায় এসে তেমন চালানো হয় না। স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ তার নিজের ছোটবেলার অনেক সৃত্মি মনে করেই একটু ব্যথাতুর হয়ে পড়ে। সেইখানে সাইকেলটা একটা উপকরন তাইনা? সুতরাং সাইকেল নিয়ে একটু নষ্টালজিক হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে আপনার পোষ্টটিই আমাকে লেখার উৎসাহ দিয়েছে। এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৫. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৫
পারভেজ বলেছেন: সাইকেল প্রথম চালাই ক্লাশ এইট এ থাকতে, প্রথম প্যাডেল দেই ডাবলিং করে, আবার ঐ সাইকেলটার ব্রেকও কাজ করতো না। চেইন লুজ ছিল! হঠাৎ হঠাৎ ছেড়ে দিত। :(
অবাক করা ব্যাপার - চালাতে মোটেও সমস্যা হয়নি, (মনে হয় পা লম্বা ছিল তাই ;) )তবে ক্যারিয়ারে নিয়ে ডাবলিং পারতাম না, সামনের রডে বসে ডাবলিং করতে সহজ লাগতো। খুব বেশী চালাই নি কখনো যদিও, তবে হাত পা ছড়েনি কখনো।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: আমি ডবলিং করতে পারি না।

২৬. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪০
প্রলয় হাসান বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম। সময় করে পড়বো। ভাবছি সাইকেল নিয়ে আমিও একটা পোস্টাব। অসংখ্য স্মৃতি আছে।+++++:)



পুসকির সেই পোস্টের লিংক।

Click This Link
২৭. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২১
আমের আটির ভেপু বলেছেন: ভাই পুরা লেখা পড়া গেল নাহ । চখে পানি ছলে আসে ।

আমার সাইকেলটাও ইন্ডিয়ান লাল হিরো সাইকেল ছিল ।
আমারও একটা সাইকেল ছিল ।
ঢাকা চলে আসার পর আমাকে না জানিয়ে বিক্রি করে দেন । এত খারপ লেগেছিল কি আর বলব ।

এখনও মিস করি । এক্তা সাইকেল আবার কেনার ইসসে আছে কিন্তু বউ শুনলেই হাসে ।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: আপনি এত পিছনের একটা পোষ্ট টেনে বের করে পড়েছেন এজন্য ধন্যবাদ। আসলে আমার সাইকেলটা খুবই প্রিয় ছিল। অনেক সৃত্মি আছে রে ভাই ওটাতে।

২৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪
নগর সংগীত বলেছেন: আমার প্রাণপ্রিয় সাইকেলটা চুরি হয়ে গিয়েছে :-(
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: আজকে আমার ছেলে বায়না ধরেছে সাইকেল কিনে দিতে হবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৪৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আনুমানিক ৩৫ বছর ধরে বহন করে চলছি এই রক্ত মাংসের ক্ষয়িষ্ণু দেহটাকে। পিছনে তাকিয়ে দেখি কোন পাথেয় সংগ্রহ হয়নি। তাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ