ব্যাবহারিক কিছু বিষয়
১। হাতের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসার জিনিসপত্র রাখুন (তুলা, গজ, ব্যান্ডেজ, এন্টিসেপটিক ক্রিম/লোশন, মেডিসিন)। কারণ মাংশ কাটতে গিয়ে আপনার শরীরের কোন অংশ কেটে যেতে পারে।
২। আপনার বাসার বটি, ছুরি, দা আগে থেকে ধার করে রাখুন এবং তা শিশুদের হাতের নাগালের বাহিরে রাখুন।
৩। যে স্থানে মাংশ কাটবেন সেখানকার জন্য আগেই পাটি/মাদুর/পলিথিনের ব্যাবস্থা করে রাখুন। সাথে একটি গাছের গুড়ি রাখুন।
৪। মাংশ কাটার সময় হাত পিচ্ছিল হয়ে যেতে পারে তাই হলুদের গুড়া রাখা যেতে পারে।
৫। কাছাকাছি বাড়ীর সবাই নিজ নিজ কোরবানীর পশুকে একই জায়গায় জবাই করে, রক্ত ভালোভাবে পরিস্কার করে দিন ... এমন করা যেতে পারে, জবাই করার জায়গার পাশেই একটা গর্ত খুঁড়ে, একেকটি পশু জবাই হবার পরপরই রক্তকে সেখানে প্রবাহিত করে জায়গাটি পরিস্কার করে ফেলা ... এতে কাজের বোঝা কমবে-[জ্বিনের বাদশা]
৬। চাঁদাবাজদের কাছে কোনভাবেই কোরবানীর চামড়া বিক্রী করবেননা ... [জ্বিনের বাদশা]
নৈতিক কিছু বিষয়
১। কোন অবস্থাতেই অন্য কারো কোরবানীর পশুর চেয়ে আমারটা ভালো হয়েছে এমন চিন্তা মনে আনবেন না। অর্থাৎ তুলনা করা যাবে না।
২। এই গরু/খাসির মাংশ রান্নার পর খেতে ভালো টেষ্ট হবে তা ভাবা উচিত নয়।
৩। নিজেরা কোরবানী পশুর মাংশ কাটার কাজ করাই ভালো না পারলে এক্সপার্ট মানুষকে দিয়ে সঠিক পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজ করাতে হবে। কোন অবস্থাতেই শ্রমিকের মজুরীর সাথে কোরবানীর মাংশর বিনিময় করলে চলবে না।
৪। আপনার বাড়ীর আশে পাশের দুস্থ, অসহায় পরিবারের দিকে নজর দিন। তাদেরকে নিয়ে আপনার আনন্দ ভাগাভাগি করুন।
৫। আপনার বাড়ীর গৃহপরিচারক/কা কে কাজের ভার কমিয়ে দিন কারণ তাদেরও আনন্দ করার অধিকার আছে।
৬। কোরবানীর মাংশ তিনভাগ করে তার প্রত্যেকটি ভাগের সঠিক ব্যাবহার করুন বরং নিজের ভাগ একটু কম হলে তাতে কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
৭। কুরবানির সমস্ত জিনিস অবশ্যই তিনভাগে ভাগ করতে হবে। সিনার মাংস থেকে শুরু করে মগজ পর্যন্ত । -[বিষাক্ত মানুষ]
৮। দল বেধে কুরবানীর মাংস সংগ্রহ করতে আসা লোকজনের চাইতে আপনার পরিচিত আশেপাশের মিসকিনদের ঈদের খুশিতে সামিল করুন । মিসকিন তারাই যারা দরিদ্র কিন্তু চক্ষুলজ্জায় হাত পাততে পারে না। যারা না খেয়ে থাকে কিন্তু কাউকে বুঝতে দেয় না।-[বিষাক্ত মানুষ]
আরো কিছু বিষয় আছে। আপনারা মন্তব্যে সে সব বলতে পারেন। আপডেট করা হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

