আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ আগে ও পরে - এরশাদুর রহমানা
- প্রথম আলোচিত ক্রসফায়ার সিরাজ সিকদার হত্যা : এই হত্যা ইতিহাসের বর্বরতম ঘটনা : মাহমুদুর রহমান মান্না - কবুতর মিয়া
- সরকারের একবছর : মাসে গড় খুন ৩৫৫, ধর্ষণ ২৫৫ - সায়েমুজজ্জামান
- প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয় খুববেশী খারাপ মানুষ না। আপনারা তাকে ভুল বুঝবেন না। প্রয়োজনে একটু জেনেনিন। - আরিফ সিদ্দিকি
- 'বিফল কোপেনহেগেন জলবায়ূ সম্মেলন' - মোঃ রফিকুল ইসলাম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- [আপডেটেড] গুগল ওয়েভের চোখ ধাধানো রিভিউ! ~ সাথে ফ্রি ইনভাইটেশন!

- আমড়া কাঠের ঢেকি
- বিটিসিএলের ব্রডব্যান্ড সার্ভিসটা কেমন? - বিডি আইডল
- সহজেই ব্যবহার করুন আমেরিকা, ইল্যান্ড এর IP adress আর লুকান বর্তমান Ip Adress - সজীব রহমান
- আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৪) - মাহমুদ সিএসই
- ব্লগার মাহবুব মতিনের মৃত্যু; ও বন্ধু আমার! - ফয়সল নোই
- বৃহত্তর রাজশাহীর ব্লগারদের লিস্টঃ রাজশাহীয়ানরা আওয়াজ দেন - ধ্রুবমেঘ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- ব্লগারদের নিজ নিজ জেলা (সর্বশেষ আপডেট) - পুরাতন
- ফিরে দেখা ১/১১: প্রথম পর্ব [রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম] - স্পাইডার
- আজ মিলটনের জন্মদিন - মুহিব
- ৩৫ এর খোলশ ছেড়ে বেড়িয়ে আসবে একজন - রাজামশাই
- যে কোন সাইটে বাংলা অক্ষর ভাল ভাবে দেখার জন্য ইনস্টল করুন Font Fixer - মেঘবালক অর্ভনীড়
- বাবা দিবসের ব্লগ সঙ্কলন .... (বাবা তোমরা ভালো থেকো) - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- মা দিবস ব্লগ সঙ্কলন - ২০০৯ - ~স্বপ্নজয়~
- উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা: ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ বাড়ান ২০% - বিডি আইডল
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- অনলাইন বাংলা ডেট কনভার্টার - পাগল কবি
- বাংলা বছরের উৎপত্তি - কিছু জানা অজানা তথ্য। - কক
- টেলিফোন নম্বর গুলো কি একটু মুখস্ত করবেন? - মিলটন
- পিসির আইপি পরিবর্তন করবেন কিভাবে? - বিডি আইডল
- ব্লগারের রক্তের গ্রুপভুক্ত তথ্য এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যঃ মোট ১৯০ জন (আপডেট পোস্ট) - এস রহমান
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি নিয়ে জেনারেল এমএজি ওসমানীর বক্তব্য - অমি রহমান পিয়াল
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল
কিস্তি -১ - চোরকাঁটা
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- ব্লগীয় ছড়া-১ - নুশেরা
- বাংলা সাইটগুলো ব্রাউজ করুন মোজিলাতে - সাইফুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- অভ্র বাংলা ফ্রি সফটওয়ারে বিজয় কীবোর্ড লেআউট দিয়ে টাইপিং - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ভবঘুরে
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- মিলটন নামের মানুষটি - মুহিব
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- শুভ জন্মদিন...মিলটন ভাই - সাইফুর
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের টাইটেলবারে নিজের নাম যোগ করা - মশিউর রহমান মেহেদী
প্যালেষ্টাইন থেকে ইসরাইল [এক পরিকল্পিত উচ্ছেদনামা]
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১
ভূমধ্যসাগরের পূর্বে ১০,৪২৯ বর্গমাইলব্যাপী প্যালেস্টাইন দেশটি ছিল অটোমান খেলাফতের অধীন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যারা ছিল বৃটেন বিরোধী জোটে। তখন যুদ্ধ জয়ে প্যালেস্টিনিয়ানদের সহযোগিতা পাওয়ার আশায় ১৯১৭ সালে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড বেলফোর যুদ্ধে জয়ী হলে এই ভূমিতে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে বলে আশ্বাস দেন। যা ইতিহাসে বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত। যেহেতু আরবরা ছিল ইহুদিদের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি, সেহেতু ঘোষণাটি তাদের অনুকূল বলেই তারা ধরে নেয়৷ কিন্তু এর মাঝে যে মহা ধোকাটি লুকিয়ে ছিল তা তারা বুঝতে পারেনি৷ বৃটিশ শাসনের শুরু থেকে৷ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বৃটেনের প্রয়োজনে দুর্লভ বোমা তৈরির উপকরণ কৃত্রিম ফসফরাস তৈরি করতে সক্ষম হন ইহুদি বিজ্ঞানী ড. হেইস বাইজম্যান৷ ফলে আনন্দিত বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলেন কি ধরনের পুরস্কার তিনি চান৷ উত্তর ছিল অর্থ নয় আমার স্বজাতির জন্য এক টুকরো ভূমি আর তা হবে প্যালেস্টাইন৷ ফলে প্যালেস্টাইন ভূখণ্ডটি ইহুদিদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয় বৃটেন৷ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ জয়ের পর বৃটেন স্বাধীনতা দেয়ার অঙ্গীকারে ১৯১৮ সাল থেকে ৩০ বছর দেশটিকে নিজেদের অধীন রাখে৷ মূলত এই সময়টিই প্যালেস্টাইনকে আরব শূন্য করার জন্য ভালোভাবে কাজে লাগায় ইহুদি বলয় দ্বারা প্রভাবিত ইঙ্গ-মার্কিন শক্তি।
আরবদের উচ্ছেদকরণ ও ইসরেল প্রতিষ্ঠাঃ
বৃটিশরা একদিকে ইহুদিদের জন্য খুলে দেয় প্যালেস্টাইনের দরজা, অন্যদিকে বৃটিশ বাহিনীর সহযোগিতায় ইহুদিরা প্যালেস্টিনিয়ানদের বিতাড়িত করে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার জন্য গড়ে তোলে অনেক প্রশিক্ষিত গোপন সন্ত্রাসী সংগঠন৷ তার মধ্যে তিনটি প্রধান সংগঠন ছিল হাগানাহ, ইরগুন ও স্ট্যার্ন গ্যাং যারা হত্যা, সন্ত্রাস, ধর্ষণ আর ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টির মাধ্যমে নিরীহ প্যালেস্টিনিয়ানদের বাধ্য করে নিজ মাতৃভূমি ছেড়ে চলে যেতে৷ সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর গণহত্যার কথা যখন আন্তর্জাতিকভাবে প্রচারিত হচ্ছিল তখন পরিস্থিতকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য গুপ্ত সংগঠন হাগানাহ বেছে নেয় আত্মহনন পন্থা৷ ১৯৪০ সালে এসএস প্যাটৃয়া নামক একটি জাহাজকে হাইফা বন্দরে তারা উড়িয়ে দিয়ে ২৭৬ জন ইহুদিকে হত্যা করে৷ ১৯৪২ সালে আরেকটি জাহাজকে উড়িয়ে ৭৬৯ জন ইহুদিকে হত্যা করে৷ উভয় জাহাজে করে ইহুদিরা প্যালেস্টাইনে আসছিল আর বৃটিশরা সামরিক কৌশলগত কারণে জাহাজ দুটিকে প্যালেস্টাইনের বন্দরে ভিড়তে দিচ্ছিল না৷ হাগানাহ এভাবে ইহুদিদের হত্যা করে বিশ্ব জনমতকে নিজেদের পক্ষে আনার চেষ্টা করলো৷ পাশাপাশি ইহুদিদের বসতি স্থাপন ও আরবদের উচ্ছেদকরণ চলতে থাকে খুব দ্রুত৷ এর ফলে ২০ লাখ বসতির মধ্যে বহিরাগত ইহুদির সংখ্যা দাড়ালো ৫ লাখ ৪০ হাজার৷ এ সময়ই ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইঙ্গ-মার্কিন চাপে জাতিসংঘে ভোট গ্রহণ হয় তাতে ৩৩টি রাষ্ট্র পক্ষে, ১৩টি বিরুদ্ধে এবং ১০টি ভোট দানে বিরত থাকে৷ প্রস্তাব অনুযায়ী মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ হয়েও ইহুদিরা পেল ভূমির ৫৭% আর প্যালেস্টিনিয়ানরা পেল ৪৩% তবে প্রস্তাবিত ইহুদি রাষ্ট্রটির উত্তর-পশ্চিম সীমানা ছিল অনির্ধারিত ফলে ভবিষ্যতে ইহুদিরা সীমানা বাড়াতে পারে৷ ফলে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা চূড়ান্ত হলেও উপেক্ষিত থেকে যায় প্যালেস্টাইন৷ জাতিসংঘের মাধ্যমে পাস হয়ে যায় একটি অবৈধ ও অযৌক্তিক প্রস্তাব৷ প্রহসনের নাটকে জিতে গিয়ে ইহুদিরা হয়ে ওঠে আরো হিংস্র৷ তারা হত্যা সন্ত্রাসের পাশাপাশি প্যালেস্টিনিয়ানদের উচ্ছেদ করার উদ্দেশে রাতে তাদের ফোন লাইন, বিদ্যুত্ লাইন কাটা, বাড়িঘরে হ্যান্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, জোর করে জমি দখল এবং বিভিন্নভাবে নারী নির্যাতন করে মৃত্যু বিভীষিকা সৃষ্টি করতে লাগলো৷ ফলে লাখ লাখ আরব বাধ্য হলো দেশ ত্যাগ করতে৷ এরপরই ১৯৪৮ সালের ১২ মে রাত ১২টা এক মিনিটে ইসরেল রাষ্ট্র ঘোষণা করলো ইহুদিরা৷ ১০ মিনিটের ভেতর আমেরিকা স্বীকৃতি দিল, অতঃপর সভিয়েট ইউনিয়ন-বৃটেন।
![]()
(প্যালেষ্টান যেভাবে ধীরে ধীরে ইহুদীদের দ্বারা গ্রাস হচ্ছে)
যে হারে ইয়াহুদীদের বিস্তৃতি হলোঃ
১৯০৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনে ইহুদীদের সংখ্যা ছিল মাত্র কয়েক হাজার। কিন্তু ১৯১৪ সাল থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত বৃটিশদের সহযোগিতায় ফিলিস্তিনে ইহুদীদের সংখ্যা ২০ হাজারে উন্নীত হয়। এরপর প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনে ইহুদী অভিবাসীদের ধরে এনে জড়ো করা শুরু হলে ১৯১৯ থেকে ১৯২৩ সাল নাগাদ ফিলিস্তিনে ইহুদীদের সংখ্যা ৩৫ হাজারে পৌঁছে যায়। ১৯৩১ সালে ইহুদীদের এই সংখ্যা প্রায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছায়। এভাবে ফিলিস্তিনে ইহুদী অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকে এবং ১৯৪৮ সালে সেখানে ইহুদীদের সংখ্যা ৬ লাখে উন্নীত হয়।
![]()
(প্যালেষ্টান যেভাবে ধীরে ধীরে ইহুদীদের দ্বারা গ্রাস হচ্ছে)
ইয়াসির আরাফাতঃ
মুহাম্মদ আবদেল রহমান আব্দেল রউফ আরাফাত আল-কুদওয়া আল-হুসেইনী (আগস্ট ২৪, ১৯২৯ – নভেম্বর ১১, ২০০৪), প্রচলিত নাম ইয়াসির আরাফাত, ছিলেন একজন ফিলিস্তিনী নেতা। প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা পিএলওর চেয়ারম্যান হিসাবে আরাফাত ইসরায়েলী দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সারাজীবন সংগ্রাম করেন। তিনি প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। জীবনের একটা দীর্ঘ সময় আরাফাত ধর্মনিরপেক্ষ ফাতাহ দলের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫৮-১৯৬০ সালের মধ্যে তিনি এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রাথমিক ভাবে ইসরায়েলের অস্তিত্বের সম্পূর্ন বিরোধী থাকলেও পরে আরাফাত ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত ২৪২ মেনে নিয়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।
১৯৬০ ও ৭০ এর দশকে আরাফাতের ফাতাহ দল জর্ডানের সাথে মতপার্থক্যজনিত কারণে গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, যার ফলে আরাফাত বিতর্কিত হয়ে পড়েন। জর্ডান থেকে বিতাড়িত হয়ে তিনি লেবাননে অবস্থান নেন, যেখানে তিনি ও তাঁর ফাতাহ দল ইসরাইলের ১৯৭৮ ও ১৯৮২ সালের আগ্রাসন ও আক্রমণের শিকার হন। দল মত নির্বিশেষে ফিলিস্তিনী জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ মানুষ আরাফাতকে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ফিলিস্তিনীদের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হিসাবে সম্মান করে থাকে। তবে অনেক ইসরাইলী তাঁকে সন্ত্রাশবাদী হিসাবে অভিহিত করে থাকে।
জীবনের শেষভাগে আরাফাত ইসরাইলী সরকারের সাথে কয়েক দফায় শান্তি আলোচনা শুরু করেন। ১৯৯১ সালের মাদ্রিদ সম্মেলন, ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তি, এবং ২০০০ সালের ক্যাম্প ডেভিড সম্মেলন এর মাধ্যমে আরাফাত ইসরাইলীদের সাথে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর প্রয়াস নেন। ইসরাইলীদের সাথে এই সমঝোতা স্থাপনের জন্য আরাফাতের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর নতজানু নীতির তীব্র নিন্দা করে। ১৯৯৪ সালে আরাফাত ইজহাক রাবিন ও শিমন পেরেজ এর সাথে অসলো শান্তি চুক্তির জন্য একত্রে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। কিন্তু একই সময়ে হামাস ও অন্যান্য জঙ্গীবাদী সংগঠনের উত্থান ঘটে, যারা ফাতাহ ও আরাফাতের ক্ষমতার ভিত্তি দূর্বল করে দিয়ে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
![]()
২০০২ হতে ২০০৪ সালের শেষভাগ পর্যন্ত আরাফাত ইসরাইলী সেনাবাহিনীর হাতে তাঁর রামাল্লার দপ্তরে কার্যত গৃহবন্দী হয়ে থাকেন। ২০০৪ এর শেষদিকে আরাফাত অসুস্থ হয়ে পড়েন, এবং কোমায় চলে যান। আরাফাতের অসুস্থতা ও মৃত্যুর কারণ সুনির্দিষ্ট ভাবে প্রকাশ পায়নি, কিন্তু চিকিৎসকদের মতে তিনি ইডিওপ্যাথিক থ্রম্বোসাইটোপেনিক পারপুরা এবং সিরোসিসে ভুগছিলেন। তিনি ২০০৪ সালের নভেম্বর ১১ তারিখে প্যারিসে চিকিৎসারত অবস্থায় ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
[সূত্র: উইকিপিডিয়ার বিভিন্ন পেইজ থেকে কপি-পেষ্ট করা হয়েছে]
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০০
নিবিড় বলেছেন:
অনেক জানলাম ____+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিবিড়।
নীল চাঁদ বলেছেন:
অসাধারণ তথ্যবহুল একটি লেখা। কেবল ধন্যবাদ নয় আন্তরিক অভিনন্দন জনাচ্ছি বাংলা অনুবাদের জন্য।
লেখক বলেছেন: অনুবাদটি আমি করিনি ভাই। আমি শুধু বিভিন্ন জায়গা থেকে ইনফরমেশন নিয়ে এডিটিং করেছি। এবং তা ছবি সহ উপস্থাপন করেছি আপনাদের সামনে। যাতে এটা পড়লে প্যালেষ্টাইনের একটা ছোটখাটো ইতিহাস আপনাদের বুঝতে সুবিধা হয়। ধন্যবাদ।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।++++
লেখক বলেছেন: শুভকামনা রইল আলম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
বাষ্প বলেছেন:
ধন্যবাদ, জানলাম পরিসংখ্যানটা...
লেখক বলেছেন: শুভকামনা রইল।
বাবুয়া বলেছেন:
ঐতিহাসিক পোস্ট। এমন তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাবুয়া ভাই।
লেখক বলেছেন: শুভকামনা রইল মোশাররফ হোসেন
রবিনহুড বলেছেন:
ঐতিহাসিক পোস্ট। এমন তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তাই ঐতিহাসিক পোষ্ট?
আব্দুল্লাহ শহীদ বলেছেন:
লেখাটা প্রিয়-তে রেখে দিলাম। ধন্যবাদের সাথে + + + + +
লেখক বলেছেন: শুভকামনা রইল
পারভেজ বলেছেন:
দাদা আপনার এই লিখাটা আমার ব্লগে কি দিতে পারবো?এটা আমার ব্লগ
http://onlyparvez.blogspot.com/
লেখক বলেছেন: ঠিকআছে কোন সমস্যা নাই।
আমি শুধু উইকিপিডিয়া থেকে ইনফরমেশন নিয়ে এডিটিং করেছি। এবং তা ছবি সহ উপস্থাপন করেছি আপনাদের সামনে। যাতে এটা পড়লে প্যালেষ্টাইনের একটা ছোটখাটো ইতিহাস আপনাদের বুঝতে সুবিধা হয়। ধন্যবাদ।
পারভেজ বলেছেন:
ধন্যবাদ দাদা।
ধানসিঁড়ির ডাহুক বলেছেন:
ইসরেলিদের মাঝে (অ)ধর্ম, নৃতত্ত্ব, বিজ্ঞান, ভাষা, জাত্যাভিমান, racism আর sadism এক হয়ে গেছে। তাই ওরা অভিশপ্ত, বর্জনীয়। ফিলিস্তিনীদের (বর্তমানে সংখ্যালঘু) সাথে ওরা এক রাষ্ট্রব্যবস্থার অধীনেও বাস করতে রাজী নয়।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব।



















