আমার প্রিয় পোস্ট

আমন্ত্রন রইল http://www.somewhereinblog.net/group/MyRajshahi

আপনার একুরিয়াম-৩

১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯

শেয়ারঃ
0 0 0

পূর্বে প্রকাশের পর
........................

আমাদের দেশে একুরিয়ামে রাখার মত অনেক মাছ পাওয়া যায়। যেমন: গোল্ডফিশ, এঞ্জেল, শার্ক, টাইগার বার্ব, ক্যাট ফিশ, ঘোষ্ট ফিশ, মলি, গাপ্পি, ফাইটার (বেট্টা), সাকার সহ আরো অনেক রকম মাছ। তবে এখানে উল্লেখিত মাছ গুলোর মধ্যে গোল্ডফিশই সবচেয়ে বেশী দেখা যায়। তাই আমরা আলোচনায় বেশীরভাগ গোল্ডফিশ নিয়েই আলোচনা করবো।

গোল্ডফিশের রয়েছে মোট ১২৫ প্রজাতি। তাই আমাদের পালন করা বেশীভাগ মাছই গোল্ডফিশ প্রজাতির। যেমন: কমেট, ওয়াকিন, জাইকিন, সাবানকিন, ওরান্ডা, ব্ল্যাক মোর, ফান্টাইল, রুইকিন, ভেইল টেইল, রানচু ইত্যাদি। কিন্তু দেহের কাঠামো হিসেবে গোল্ডফিশ দুইরকম। ডিম্বাকৃতি ও লম্বা দৈহিক গঠন হয়ে থাকে। বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত, দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার দিক দিয়ে লম্বা দৈহিক কাঠামোর গোল্ডফিশ গুলো শক্ত হয়ে থাকে।



গোল্ডফিশ শীতল (সাধারন তাপমাত্রার) পানির মাছ। তবে এরা হালকা গরম পানিতেও থাকতে পারে। কিন্তু হঠাৎ করে পানির তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার ফলে এরা মারাত্বক অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তবে শীতকালে এরা একটু ধীরগতির হয়ে যায় এবং খাবার কম খায়। তখন এরা একুরিয়ামের নীচের দিকে থাকতে পছন্দ করে। একটা গোল্ডফিশ পূর্ণজীবন প্রায় ১০ বছরের বেশীও হতে দেখা যায়। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এটা বেশীও হতে দেখা গেছে। গোল্ডফিশ খুবই শান্ত প্রকৃতির একটা মাছ। তবে একুরিয়ামে কোন নতুন মাছ আসলে কখনও কখনও কোন কোন গোল্ডফিশকে একটু উশৃংখল হতে দেখা যায়। তবে এটা খুবই কম হয়। আর যদি এমন দেখা যায় তবে ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে এ সমস্যা দুর হয়ে যায়।



কেউ কেউ একুরিয়ামে ছোট শৈবাল বা জলজ উদ্ভিদও রাখেন। এটা আসলে ডেকোরেশনের চেয়ে অন্য জায়গায় তাৎপর্য আছে বেশী। এটা এক ধরনের নাইট্রোজেন সাইকেলের কাজ করে। মাছের বর্জ্য থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেনাস যৌগ নির্গত হয়। কার্বণ-ডাই-অক্সাইড সাধারনত বুদবুদ হিসেবে বের হয়ে যায় আর বাকীটুকু একুরিয়ামের শৈবাল দ্বারা ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ায় ব্যাবহৃত হয়। নাইট্রোজেনাস যৌগ প্রথমে এমোনিয়া, এমোনিয়া থেকে নাইট্রেটে পরিনত হয়। নাইট্রেট শৈবাল দ্বারা শোষিত হয়।

চলবে.............

১ম পর্ব
Click This Link

২য় পর্ব
Click This Link

 

প্রকাশ করা হয়েছে: একুরিয়াম  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

দারুন ঘুছিয়ে লিখেছেন।
একুরিয়াম সর্ম্পকে অনেক কিছু জানতে পারলাম অঅপনার পোষ্ট পড়ে।

চলুক........................................................................+
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: কতটুকু ভালো লিখতে পারছি জানিনা, তবে চেষ্টা করছি আমার জানা অংশটুকু যাতে অন্যে জানতে পারে এবঙ তার উপকার হয়।

আপনাকে ধন্যবাদ।

২. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন: গোল্ডফিশ, এঞ্জেল, শার্ক, টাইগার বার্ব, গাপ্পি, ফাইটার (বেট্টা) এগুলি আমার আছে। বাকি আর ও কিছু কিনব ইচ্ছা আছে!
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: মাছ কেনার সময় দোকান থেকে একটু দেখে কেনা ভালো। তবে একুরিয়ামে একই প্রজাতি বা আচরনগত দিক থেকে একই রকম মাছ রাখলে সেটা ভালো হয়।

৩. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
শ।মসীর বলেছেন: চিটাগাং এ বাসায় একটা একুরিয়াম কিনছি শখ করে।যত্নআত্তি মা ই করেন।দুখের বিষয় প্রতি ছয়মাস পরপর নতুন মাছ কিনতে হয়।

ঢাকায় একটা কিনার ইচ্ছা আছে।যত্নআত্তি করার ভয়ে কিনছিনা।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: তবে নির্ধিধায় বলা যায় মা খুব কষ্ট করেন। কারণ ওটা মেইন্টেন করা খুবই কষ্টকর।

৪. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫
রোহান বলেছেন: পোষ্ট গুলা চমৎকার হচ্ছে...

@ শামসীর ভাই: প্রথমে একটা ছোট্ট অ্যাকুরিয়াম কিনেন... আমি এক কলিগ রে গিফট করছি একটা, এখন সে বড় একটা কিনছে শখে পড়ে ;)
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রোহান আপনি আমার চেয়ে অনেক অভিজ্ঞ। আপনার পরামর্শ আমার ও অনেকের কাজে লাগবে।

৫. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
শ।মসীর বলেছেন: রোহান শখ আছে।বাট দুইতিনদিন ঢাকার বাইরে থাকলে দেখবে কে :( এটাই প্রবলেম।
৬. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
জুল ভার্ন বলেছেন: গোল্ড ফিশের বদ অভ্যাস আছে। ওরা সারাক্ষণ খেতেই থাকে-আর মল ত্যাগকরে অ্যাকুরিয়াম ময়লা করে ফেলে। গোল্ড ফিসদের ফ্লটিং ফিড কম খাওয়াতে হবে। কারন ঐ ফিডে ফ্যাট বেশী। কাজেই ওদেরকে ওয়ার্ম খাওয়ানো বেটার। গোল্ড ফিশদের সপ্তাহে ৩ দিনের বেশী খাবার নাদিলেই ভালো। একটা কথা মাছেরা কিন্তু অনাযাশে ৩/৫ দিন খাবার নাখেও খুব সুস্থ্য থাকতে পারে। যত কম খাওয়ানো হবে-মাছ তত কম বাড়বে এবং বেশী দিন বাঁচবে।

অ্যাকুরিয়াম'এ পোষার জন্য আমাদের দেশের আবহাওয়া উপযোগী একটা মাছের নাম হয়ত তুমি ভুল করে উল্ল্যেখ করোনি। সেটা হলো-কৈ কার্প। এই মাছ খুব শক্ত। সহজে মরেনা। অনেক দিন বাঁচে। খাবারও কম লাগে গোল্ড ফিশ থেকে।

চমতকার সিরিজ। অনেকেওই অনেক উপকারে আসবে।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন: আসলেই গোল্ড ফিশ অনেকটা জোকার টাইপের। যত খাওয়াবেন সে ততই খাবে। একদিক দিয়ে ইনপুট আর একই সাথে আউটপুট। :)

হ্যাঁ ওয়ার্ম খাওয়াতে পারলে খুব ভালো হয় তবে সব কিছুই মিলিয়ে মিশিয়ে দিলে ভালো হয় মনে হয়। তবে সেক্ষেত্রে লাইভ ওয়ার্ম পাওয়াটা একটু দুস্কর সবার জন্য।

আপনাকে ধন্যবাদ চমৎকার ইনফরমেশন দেবার জন্য।

৭. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
রোহান বলেছেন: জুল ভার্ন বলেছেন: যত কম খাওয়ানো হবে-মাছ তত কম বাড়বে এবং বেশী দিন বাঁচবে।

খুব জরুরী একটা কথা... প্রথম দিকে এই ভুল অনেকেই করে, গাদা গাদা ফ্লটিং ফিড দিয়ে।

অতিরিক্ত খাবার দেয়া, আচরণ না বুঝে মাছ অ্যাকুরিয়ামে ছাড়া, কোন জাতের সাথে কোন জাত যাবে এইটা না জানা --- এইসব মিলে প্রথম প্রথম অনেক ঝামেলায় ভুগছি...

অনেকদিন আগে একবার প্রথম একটা ক্যাটফিস ছাড়ছি, পরের তিন দিনে আমার দুইটা গাপ্পি উধাও... দোকানদারে তো বুঝায় দিছে ক্যাটফিস নিরীহ মাছ চুপচাপ তলায় পইড়া থাকে... পরে সন্দেহ কইরা ব্যাটারে আরেকটা বোল অয়াকুরিয়ামে ছাড়ছি, দেখি বোলের মাথায় আমার গাপ্পির মাথা ভাসতাসে (হজম করতে পারেনাই মনে হয়)... হে হে হে ;)
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার ক্যাট ফিশের ব্যাপারটা বেশ মজার। এটা ঠিক যে আচরনগত মিল রয়েছে এমন মাছের সমাহার করা উচিত একুরিয়ামে। না হলে, এমন দুর্ঘটনা ঘটবে।

আচ্ছা আপনি লাইভ ওয়ার্ম কেনেন কোথা থেকে?

৮. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০০
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন এবং অনেক কিছু জানতে পারলাম। সুদর প্রবাস (দুবাই)র থেকে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: আমার পোষ্টে আপনি অনেক অনেক দিন পরে আসলেন। সুদুর বাংলাদেশ থেকে আপনার ধন্যবাদ গ্রহন করে আবার আপনার জন্য একটু পাঠিয়ে দিলাম। :)

৯. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
রােশদ সুলতান তপু বলেছেন: একটা মোটামুটি তিন ফিট সাইজের একু্রিয়ামে প্রমাণ সাইজের মাত্র দুইটা গোল্ডফিশ- ওফ্ কি যে সুন্দর লাগে দেখতে। একেবারে রাজকীয়।

আমার একসময় ছিল। একুরিয়ামে বেশী মাছ রাখতাম না- দুইতিনটা রাখতাম তবে সব বড় সাইজের দেখে।

নস্টালজিক হয়ে গেলাম। মিল্টন ভাই আপনাকে ধন্যবাদ।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনার পুরোনো দিনের কথা মনে পড়ে গেলো আমার পোষ্ট পড়ে। তো আবার শুরু করেন। দেখবেন ভালো লাগবে। :)

১০. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
সেজুঁতি বড়ূয়া বলেছেন: সব কিছু খুব সুন্দর করে লিখছেন-যা পড়ে এয়্যাকুরিয়াম এবং মাছ পোষার জন্য আগ্রহী হচ্ছি। কিছু টাকা জমিয়ে ছোট একটা এয়্যাকুরিয়াম কিনবো আশা করি।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: হ্যা কিনেই ফেলুন একটা একুরিয়াম আপনার ভালো লাগবে আশা করি।

১১. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
জাবেদ ইয়াকুব বলেছেন: মিল্টন ভাই আপনাকে ধন্যবাদ। অনেক কিছু জানতে পারলাম।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইয়াকুব। :)

১২. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
চাচামিঞা বলেছেন: খুব কাজের পোস্ট......প্রিয়তে রাখলাম.....কাজে দিবে।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: মুরুব্বীরে যে কি কইয়া ধন্যবাদ দিমু তা বুঝতে পারতিছি না।

১৩. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০১
রোহান বলেছেন: আমার অভিজ্ঞতা খুবই অল্প ;)

কাঁটাবনে খুঁজে দেখেন ওয়ার্ম এর জন্য... আমি অবশ্য এখন সময় দিতে পারি না, বাসায় এখন শুধু ফ্লোটিং ফুড ই চলে...
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৫

লেখক বলেছেন: হ্যা সমস্যা সেটাই আমিও জুলভার্নের কমেন্টে বলেছি যে ওয়ার্মটা এভেইলেবল না।

১৪. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৩
শ।মসীর বলেছেন: লেখক বলেছেন: তবে নির্ধিধায় বলা যায় মা খুব কষ্ট করেন। কারণ ওটা মেইন্টেন করা খুবই কষ্টকর।

আসলেই কষ্টের।একদিন করতে গিয়া আমারত মেজাজই খারাপ হইয়া গেছিল।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: :)

১৫. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
প্রেসিডেন্ট মামা বলেছেন: যদি পয়সা থাকে আর সুন্দর মাছ কাকে বলে দেখতে চান তাদেরকে বলছি, মেরিন মাছের সেটাপ করেন। আর মাছেন মধ্যে ব্লু টাং, সি হর্স, ফাইটার ফিস, লাইওন, ছাফিন টাং, পাফা ফিস এসব দিয়ে সাজান।
আপনার প্রয়োজন হবে, কম হলেও চার ফুট টাংক, এক্সটেরনেল ফিলটার, প্রটিন স্কিমার, হালাইড লাম্প, পাওয়ারফুল হিটার, পাওয়ার হেড, ইউবি ফিলটারিং লাইট আরো কিছু জিনিস। হে তবে আপনি সাধারণ পানি ব্যবহার করতে পারবেন না শুধু মাত্র সলট ওয়াটার পানি ব্রবহার করতে হবে। আর এই পানিতে যে সলট থাকে তা আপনার সাধারণ সলট হলে চলবে না এটা সমুদ্রের সলট হতে হবে।
যদি কেও মেরিন মাছ আগে কখনো দেখেন নি তাদের বলছি আপনারা গুগলে marine fish picture লেখে ছবি দেখুন।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: হ্যা আপনার প্রস্তাব খুবই ভালো কিন্তু সেগুলো খুবই ব্যায়বহুল। আর মাছের দামও বেশী। যদি আপনার এমন একুরিয়াম থেকে থাকে তবে কিছু ছবি পোষ্ট করেন। আমারা দেখি।

১৬. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২০
রোহান বলেছেন: @ প্রেসিডেন্ট মামা: বাংলাদেশে মেরিন সেটআপ চালানো অনেক কষ্ট... তবে করতে পারলে জটিল হয় নাকি শুনছি... আমি কখনো কারো বাসায় দেখিনি, আপনার আছে?
১৭. ১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
মহলদার বলেছেন: ভাল পোষ্ট। চালিয়ে যান।
১০ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮. ১০ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫
প্রেসিডেন্ট মামা বলেছেন: হে আমার আছে তবে এই মুহুর্তে ছবি দেয়া যাবে না কারণ এই পিসিতে ছবি নাই কিন্তু পরে দেবো।

মেরিন মাছের সেটাপে যদি একটু প্রবলেম হয় আপনি সব কিছু হারাতে পারেন। আমার এক পরিচিত মানুষের টাংকে উনার ছেলে টিসু ফেলে দিয়েছিলো তার কারণে সব মাছ এবং কড়াল সব মরে যায়। বাংলাদেশী টাকায় কম হলেও ২লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে। তাই মেরিন সেটাপে অনেক কষ্ট আছে।
বড় ধরনের মেরিন সেটাপে আপনি উপরের লিড ব্যবহার করতে পারবেন না কারণ হালাইড লাম্প জুলানো অবস্তায় রাখতে হবে তাই যে কেও কিছু টাংকে ফেলে দেবার ভয় থাকে।
১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: হুম তাহলে তো খুবই ব্যায়বহুল।

১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অপ্‌সরা।

২০. ১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৭
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: আপনি কত জ্ঞানী ...
মাঝে মাঝে আপনাকে দেখলে অনেক হিংসা হয় ...

আহারে ...আমি যদি পারতাম এমন পোষ্ট দিতে ...
১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: চেষ্টা করে যাও।

২১. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৪৪
রেজোওয়ানা বলেছেন: আমার কিছু মাছ আর কছিম আছে।

আপনার পোষ্ট গুলো খুব কাজে লাগবে..........
১৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩১৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আনুমানিক ৩৫ বছর ধরে বহন করে চলছি এই রক্ত মাংসের ক্ষয়িষ্ণু দেহটাকে। পিছনে তাকিয়ে দেখি কোন পাথেয় সংগ্রহ হয়নি। তাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ