আমার প্রিয় পোস্ট

আমন্ত্রন রইল http://www.somewhereinblog.net/group/MyRajshahi

আপনার একুরিয়াম- শেষপর্ব

১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭

শেয়ারঃ
0 3 0

পূর্বে প্রকাশের পরে

এংকরঃ
এইটা একটা কমন রোগ মাছের। অনেকসময় দেখা যায়, মাছের দেহের শেষ প্রান্তে অর্থাৎ লেজ শুরু হওয়ার আগের অংশে অথবা পেটের নিচে পাখনার কাছে একটা লাল ফুসকুরির মত দেখা যায় (অনেকটা ব্রনের মত)। এই রোগটাকে এংকর বলে। এই লাল ফুসকুরিটি আস্তে আস্তে বড় হয়। কিছুদিন পরে এখান থেকে একটা ছোট সুতার মত বের হয়। সেটা দেখতে অনেকটা গাছের শিকড়ের মত।



চিকিৎসাঃ
এই রোগের চিকিৎসাও লেজ পচা রোগের মত (যা আগের পর্বে আলোচনা করা হয়েছে)। এন্টিবায়োটিক এপ্লাই করতে হয়। অর্থাৎ টেট্রাসাইক্লিন। ঔষধ ব্যাবহারের কিছুদিনের মধ্যে এটি ঠিক হয়ে যায়। তখন ঐ ছোট শিকড়ের মত অংশটি পড়ে যায়।

কষা রোগঃ
এই রোগ হলে মাছের পেট ফুলে যায়। মাছ আর কোন খাবার খেতে চায় না। মাছের মল ত্যাগে কষ্ট হয়। কষা হয়ে যায়।

চিকিৎসাঃ
আসলে এই রোগের চিকিৎসা হলো মাছের খাদ্যাভাস চেইঞ্জ করা। আমরা সবাই বাজার থেকে প্যাকেট খাবার কিনে খাওয়াই। সেখানে লাল ও সবুজ রং এর দানা থাকে। কিন্তু কিছুদিন পর পর এগুলো পরিবর্তন করা ভালো। একুরিয়ামের দোকানে জীবন্ত ওয়ার্ম পাওয়া যায় সেটা এনে মাঝে মাঝে খাওয়াতে পারেন। এবং মৃত ওয়ার্ম প্রসেস করা অবস্থায় কৌটাতে পাওয়া যায়। সেটাও মাঝে মাঝে দেয়া যেতে পারে। যদিও এগুলোর দাম একটু বেশী। বাজারে এক রকম গোলাপী রংএর লিকুইড পাওয়া যায় যেগুলো মাছের ভিটামিন নামে পরিচিত। দুই/তিন ফোঁটা দিয়ে খাবারটা কিছুক্ষণ ভিজিয়ে তারপর খেতে দিলে ভালো হয়।

এগুলিই সাধারনত আমাদের আবহাওয়ায় মাছের অসুখ হয়ে থাকে। মূলতঃ সুস্থ্য মাছের জন্য একটি সুস্থ্য একুরিয়াম প্রয়োজন। তারজন্য প্রয়োজন নিয়মিত যত্ন করা। পানি কিছুদিন পর পর বদল করা। নতুন পানিতে পরিমান মত একুরিয়াম সল্ট দিতে হবে। আপনি ট্যাপের পানিই দিতে পারেন। আর যেসব স্থানে পানিতে আয়রন বেশী সেসব জায়গায় পানি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে থিতিয়ে দিতে পারেন।

যেকারণে আমরা একুরিয়াম রাখতে চাইনা
১) পরিষ্কার করা ঝামেলা
২) কিছুদিন পর পর মাছের রোগ ও মাছের মৃত্যু

পানি পরিষ্কার করতে আপনাকে সাহায্য করবে
১) আপনার ট্যাপ থেকে একুরিয়াম পর্যন্ত একটি বাবারের পাইপ।
২) একুরিয়ামের পানি বের করার জন্য প্রায় পাঁচ ফুট লম্বা রাবারের পাইপ।

পানি পরিবর্তনঃ
পানি পরিবর্তনের আগে নেট ব্যাবহার (মাছ ধরতে হাত ব্যাবহার না করাই ভালো) করে মাছকে একুরিয়াম থেকে তুলে নিয়ে আরেকটি পানি দেয়া জারে রাখবেন। তারপর পাঁচ ফুট লম্বা একটি রাবারের পাইপ (হার্ডওয়্যারের দোকানে ওয়াটার লেভেল নামে পাওয়া যায়) একুরিয়ামের তলদেশ পর্যন্ত পৌঁছিয়ে অপর প্রান্তে আপনার মুখ লাগিয়ে অল্প একটু বাতাস টেনে ছেড়ে দিন নিচে রাখা বালতির ভিতরে। একসময়ে পানি সব বালতিতে পড়ে গেলে কাছাকাছি কোন ট্যাপ থেকে পাইপের মাধ্যমে পানি একুরিয়ামে দিন। এভাবে পানি পরিবর্তন সবচেয়ে সহজ।



আমি মূলতঃ এই লেখায় শুধু সেসব বিষয় নিয়েই আলোচনা করেছি যেগুলোর ব্যাপারে দোকানীর কাছ থেকে কোন হেল্প পাওয়া যায় না। তবে আগের পর্ব গুলোতে আপনাদের প্রাণবন্ত আলোচনা এবং পরামর্শ থেকে আমার অনেক অজানা বিষয় জানা হয়েছে। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।

সমাপ্ত

১ম পর্ব
Click This Link
২য় পর্ব
Click This Link
৩য় পর্ব
Click This Link
৪র্থ পর্ব
Click This Link

 

প্রকাশ করা হয়েছে: একুরিয়াম  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
জুল ভার্ন বলেছেন: খুব প্রয়োজনীয় ইনফর্মেশন।

যারা নতুন একুরিয়াম কিনবেন তাঁদের জন্য কিছু পরিচিত মাছের নাম এবং সম্ভাব্য দাম উল্ল্যেখ করে দিলে ভালোহয়।
১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে আমার এই সিরিজ জুড়ে থাকার জন্য। কিছু পরিচিত মাছের নাম আমি একটা পর্বে আলোচনা করেছিলাম। কিন্তু দামের ব্যাপারটা হেরফের করে। কাটাবনেই আমি দেখেছি কোনদোকান ফিক্সড প্রাইস আর কোন দোকান দরদাম করতে।

২. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত বলেছেন: ভাইয়া আমি এটি ওয়েব সাইট বানাচ্ছি, যাতে কৃষিজ সব তথ্য বাংলায় থাকবে, তাই আমি আপনার কাছে আপনার এই তথ্যগুলো ব্যাবহার করার অনুমতি চাচ্ছি, অবশ্য সূত্র তথ্যে আপনার নাম থাকবে..
১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: আমি আমার ব্যাক্তিগত ব্যাবহারিক অজার্ভেশন থেকে পোষ্ট গুলো লেখেছি। আর অনলাইনেরও হেল্প নিয়েছি। আপনার সাইটের জন্য যদি কোন উপকারে আসে আমার এই পোষ্টগুলো তবে আপনি ইনফরমেশন নিতে পারেন এখান থেকে।

ধন্যবাদ।

৩. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত বলেছেন: সাইটি যেহেতু শেষ হয়নি তাই কোন প্রচারনা এখনই চলাচ্ছি না, আপনি ইচ্ছে করলে দেখতে পারেন..www.agrobangla.com
১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩২

লেখক বলেছেন: আচ্ছা দেখবো। আপডেট হলে আমাকে জানিয়েন।

৪. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
নির্জন অরণ্য বলেছেন: চমৎকার গোছানো পোষ্ট... সামনে বিভিন্ন মাছ নিয়ে পোষ্টের অপেক্ষায় থাকলাম...
১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: মাছ নিয়ে পোষ্ট হয়ত দিবো পরে। কিন্তু এখনকার মত একুরিয়াম নিয়ে লেখা শেষ।

১৬ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: হুম কিন্তু শেষ হয়ে গেলো।

৬. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে আনুমতি দেয়ার জন্য..
১৬ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা রইল।

৭. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: উফ ভাইয়া , আপনে অনেক জ্ঞ্যানী একজন মানুষ ...
১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: এগুলো সবই তো তোদের জন্য।

৮. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৯
শ।মসীর বলেছেন: শেষ করে দিলেন এত জলদি। :(
১৬ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: আর কি বলবো বলেন।

৯. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
মুহিব বলেছেন: চমতকার আরেকটি সিরিজ আমরি পড়লাম। আশা করি সবারই কাজে লাগবে।
১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম

১০. ২০ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩১
হৃদয়হীনা বলেছেন: বাসায় একটা একুরিয়াম আছে বটে! কেনার সময় প্রচন্ড আগ্রহ ছিল। কিছু দিন পর সমস্ত আগ্রহ কোথায় যেন উবে গেল। অবশ্য সব ব্যাপারেই আমার এই জিনিষটা কাজ করে। যাই হোক আপনার লেখা পড়ে পুনরায় একটু আগ্রহ বাড়ল (দেখা যাক কতদিন থাকে)। প্রত্যেকটা পর্বই পড়েছি। ভালই লাগল, তবে তথ্য বহুল নয়। ফিডের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা উচিৎ ছিল। মনে হয়ে বাজারে নকল ফিডও বিক্রি হয়। এই ফিডগুলি মাছ খেতে চায় না। বাজারে পাওয়া যায় এমন কোন ফিড উত্তম জানালে উপকৃত হতাম।
২০ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: আমার এই সিরিজটিতে শুধু সেইসব বিষয়ে জোড় দেয়া হয়েছে যেসব বিষয়ে আপনি দোকানীর কাছ থেকে কোন হেল্প পাবেন না। কারণ তারা অনেক কিছুই গোপন করে তাদের ব্যাবসায়িক স্বার্থে।

যেমন যে রোগের চিকিৎসা নিয়ে এখানে আলাপ করা হয়েছে সেগুলোর চিকিৎসার ব্যাপারে আপনি কোন দোকানীর কাছ থেকে হেল্প পাবেন না। বরং মিসগাইডেড হবে। আমি সেইসব জায়গা গুলো পূরণ করতে চেয়েছি।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯
শুন্য মানব বলেছেন: shudor lekha.....ami 8 years aqurium er nehsa te chilam...angel ar gold fish breed kortam....basha te aqurium chilo 3 ta. elaka te amar nam hoye gesilo mach er doctor, karo aqurium e mach er rog dekhe dile amake deke niye zeto, ami deke oshudh ditam, lol.

apnar lekha dekhe agar kotha mone pore gelo. onek dhonno baad emon shundor ekta lekhar jonne.
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: যেহেতু আপনি এব্যাপারে অনেক অভিজ্ঞ। তাই আপনিই বলুন কোন জায়গায় কোন ভুল আছে কিনা।

১২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
শুন্য মানব বলেছেন: vai apni sundor likechen kono vul nai.

pani change korar jonne sifon pump kena zete pare...tahole pani muk diye tante hobe na. dam 150 tk max, katabon e pawa zai.

mach er rog er beshir vaag tetra cycline diye sharano zai. tobe pani er temparature bariye dite hobe hiter use kore. tahole oshudh taratari kaaz korbe.

pani change korar por oboshoi 'blue' babohar kora utchit valo brand er. eta anti bactia er kaaz korbe.

aquium e discuss er moto sensitive fish thakle pani er ph level mapa er bebostha thaka uthcit
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

১৩. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: ভাই, প্রতিবার পানি পরিষ্কারের সময় পাথরগুলারে তুইলা সেদ্ধ পানিতে ভিজায়া আবার একুরিয়ামে ফালাই। ফিল্টার (যেইটার মইধ্যে ময়লা জমে) পরিষ্কার করি। এইগুলি করার কি কোন প্রয়োজন আছে?????
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: অবশ্যই প্রয়োজন আছে।

১৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
ভূতুম প্যাঁচা বলেছেন: কাজে লাগবে ।ধন্যবাদ আপনাকে ।
১৫. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৮
রেজোওয়ানা বলেছেন: ভাল লাগছে ভাইয়া আপনার পোষ্ট গুলো!!
আমার কিছু মাছ আর কাছিম আছে, আলাদা আলাদা একুরিয়ামে রেখেছি।
আচ্ছা ভাইয়া, এক্যুরিয়ামের পাথর গুলোও কি ওয়াশ করা উচিত?
আমার দুটো ব্ল্যাক মুর আর একটা গাপ্পি মরে গেল কিছু দিন আগে, কেন যে বুঝতে পারলাম না...........।
১৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: অবশ্যই আপনার একুরিয়ামের পাথর গুলো কিছুদিন পর পর অর্থাৎ যখন পুরো একুরিয়াম পরিষ্কার করেন তখন পরিষ্কার করবেন। মনে রাখবেন, কখনই সাবান বা জেট জাতীয় কিছু ব্যাবহার করবেন না। পাথরগুলো আধা/এক ঘন্টা চুলা থেকে নামানো ফুটন্ত পানিতে চুবিয়ে রাখবেন। একটা কঞ্চি দিয়ে পাথর সহ পানি নাড়বেন। এতে পাথরের ময়লা চলে যাবে। এরপর ওখান থেকে তুলে প্রায় দুই ঘন্টা ঠান্ডা পানিতে চুবিয়ে রেখে তারপর আবার একুরিয়ামের মধ্যে দিবেন। আর এক বা দেড় বছর পরে পাথরগুলো চেইঞ্জ করতে পারলে ভালো।

গাপ্পি খুবই ছোট মাছ আর সেই তুলনায় ব্ল্যাক মোর বড়। তাই সবসময় একই সাইজের মাছ রাখার চেষ্টা করবেন।

১৬. ২০ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১০:১২
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: বস, ব্যাপক হেল্প হৈলো! থেংকু! আমি জার কিনেছিলাম, এখন নেশায় পৈড়া কাল একুরিয়াম কিনতে যাইতেছি। :)
২১ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন: আমার এই লিখা যদি আপনার বিন্দু মাত্র উপকার হয়ে থাকে তবে আমি স্বার্থক।

আপনার নতুন কোন অভিজ্ঞতা হলে সেটা এখানে মন্তব্য আকারে দিতে পারেন তাতে অন্য কেউ উপকৃত হবেন।
ধন্যবাদ।

৩১ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: যদি কেউ আমার এ লেখা থেকে বিন্দু মাত্র উপকৃত হয় তবে আমি স্বার্থক। এটা আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লিখা।

১৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৩১
রায়হান কবির শোভন বলেছেন: bro plz join our community..... we will be glad if u join our comunity.... Click This Link


Bangladesh Aquarists

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, জয়েন করলাম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আনুমানিক ৩৫ বছর ধরে বহন করে চলছি এই রক্ত মাংসের ক্ষয়িষ্ণু দেহটাকে। পিছনে তাকিয়ে দেখি কোন পাথেয় সংগ্রহ হয়নি। তাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ