খবরে প্রকাশ, বেনজয়িক এসিড, জেল, রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি হয় কৃত্রিম ডিমের ভেতরের সাদা অংশ। কুসুম তৈরি করা হয় হলুদ গুঁড়ো ও তরল পদার্থের সংমিশ্রণে, যার সঙ্গে মেশানো হয় ম্যাজিক ওয়াটার। ওপরের খোসার অংশটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয় প্যারাফিনযুক্ত মোম। পরে ডাইসের মধ্যে রেখে আগুনের হালকা তাপ দিলেই তৈরি হয়ে যায় কৃত্রিম ডিম।
কিন্তু এটাতো সত্য যে কৃত্রিম এই ভাবেই তৈরী হচ্ছে। যেহেতু এতদিন আমাদের দেশে ডিম আমদানীর প্রয়োজন পড়েনি তাই এই কৃত্রিম ডিমের ব্যাপারটি অজানাই থেকে যায় আমজনতার কাছে। কিন্তু আমাদের দেশে যারা গবেষনা করেন অর্থাৎ বিজ্ঞানী এবং আর্ন্তজাতিক ভাবে যারা বিভিন্ন মিডিয়ার সাথে এবং বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সেমিনারের সাথে যুক্ত তারা তো ব্যাপারটি আগেই জানতেন বা জানা উচিত। আর যদি না'ই জানেন তবে কেন জানেন না?
সম্প্রতি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ পশুসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিএলআরআই) পোল্ট্রি রিসার্চ ডিভিশনের বিভাগীয় প্রধান এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় সংগ্রাম পরিষদের মহাসচিব এই কৃত্রিম ডিমের অস্তিত্বকে অস্বীকার করেছেন। এবং তারা এগুলোকে পুরোপুরি আষাঢ়ে গল্প বলে অভিহিত করেছেন। বরং তারা বলেছেন, ডিমের আমদানী ঠেকাতেই এ ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
যদিও উৎপাদনকারী দেশগুলো বলছে, তাদের তৈরী এই কৃত্রিম ডিমগুলো গুণগতমানে ভালো এবং সাস্থ্যসম্মত, শুধু তাই-ই নয় যারা কোলেষ্টেরল এড়াতে চান তাদের জন্য এই ডিম উপকারী। কিন্তু আমরা আসলেই জানিনা এগুলো কতটা ঝুঁকি মুক্ত বা নাকি পুষ্টিকর, নাকি ক্ষতিকর?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



