somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একুশের কিছু জানা অজানা ইতিহাস -২

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একুশের সরল নায়কেরা- সোহরাব হাসান

প্রথম পর্ব
Click This Link
তিন.
ভাষা আন্দোলনের এ পর্বের পূর্বাপর ঘটনা সবার জানা। কারা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, কারা মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন সেসবের বিস্তারিত বিবরণও আমরা পাই সে সময়ের ছাত্র ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে। কিন্তু সে বিবরণ কতটা বস্তুনিষ্ঠ ও পক্ষপাতহীন? এ প্রশ্নটি তুলেছেন ভাষা আন্দোলনের একজন অংশগ্রহণকারী। যিনি নিজেকে সত্যাগ্রাহী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর নাম আমীর আলী। ১৯৫২ সালে জগন্নাথ কলেজে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। ১৪৪ ধারা জারির ঘোষণা শুনেও তাঁরা রণে ভঙ্গ দেননি। বরং পরের দিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় সবাইকে সমবেত হতে আহ্বান জানিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা পরিষদের সঙ্গে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের বিরোধ দেখা দেয়। রাষ্ট্রভাষা পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ১৪৪ ধারা ভাঙা হবে না। অন্যদিকে ফজলুল হক হলের পুকুর পাড়ে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত হয় ১৪৪ ধারা ভাঙা হবে। ১০ জন করে মিছিল নিয়ে প্রাদেশিক ব্যবস্থাপক সভায় স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

আমীর আলীর জবানিতে জানতে পারি, কোনো নেতা নয়, দল নয়—সাধারণ ছাত্রছাত্রীরাই একুশে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস কাঁপানো ঘটনা ঘটিয়েছিল। সকাল থেকে শত শত ছাত্রছাত্রী কলাভবনে এসে হাজির হয়। স্বতঃস্ফূর্তভাবে তারা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে কারও নির্দেশ বা নেতৃত্ব ছিল না। আর বিকেলে পুলিশ ছাত্র মিছিলে গুলি ছুড়লে গোটা ঢাকা শহর গণবিক্ষোভে ফেটে পড়ে। পুলিশ সেদিন গুলি করে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ কয়েকজনকে হত্যা করে। যাকে যেখানে পেয়েছে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

আমীর আলী আরও জানিয়েছেন, ‘ভাষা আন্দোলন কারও নির্দেশে হয়নি। এ আন্দোলনের কোনো একক বা একাধিক নেতা ছিলেন না। এর নেতৃত্বে ছিলেন সাধারণ ছাত্র ও শ্রমজীবী মানুষ। পুলিশের গুলিতে যাঁরা নিহত হন, তাঁদের মধ্যে দুজন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, বরকত ও রফিক। সালাম ছিলেন রিকশাচালক। অর্থাত্ ইতিহাসের অজানা কুশীলবেরাই ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তাই বলে ভাষা আন্দোলনে রাজনৈতিক কিংবা ছাত্রনেতাদের কোনো ভূমিকা ছিল না, তাও নয়। তাঁদের ভূমিকা ছিল ২০ ফেব্রুয়ারি রাত পর্যন্ত। সকালের নায়ক ছাত্র-জনতা, গণমানুষ।’
এ প্রসঙ্গে আমীর আলী একটি চমকপ্রদ ঘটনার উল্লেখ করেছেন। পুলিশ ছাত্রদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় বিভিন্ন থানায়। লেখকের স্থান হয়েছিল তেজগাঁও থানায়। সেখান থেকে পর দিন আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে। কীভাবে? প্রিজন ভ্যান নেই। টাউন সার্ভিসের একটি বাসে সবাইকে ওঠানো হলো। কিন্তু সাধারণ ধর্মঘটের কারণে বিচারক আদালতে আসেননি। ঠিক হয় সবাইকে কারাগারে পাঠানো হবে বিচারাধীন বন্দী হিসেবে।

কিন্তু বিগড়ে বসলেন বাসের চালক। তিনি বললেন, ‘আমি এই পোলাগো কোর্টে আইন্যা ভুল করছি। জেলে লই গুনা করুম না।’ তাঁকে পয়সার লোভ দেখানো হলো। গাড়ির লাইসেন্স কেড়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হলো। পুলিশ তাঁর ওপর নির্যাতন চালাল। কিন্তু কোনোভাবেই বাসচালককে তারা জেলখানায় নিতে পারেনি।

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে কি এই বাসচালকের নাম আছে? নেই। এই আক্ষেপের কথা বলেছেন আমীর আলী। তাঁর নালিশ, ভাষা আন্দোলনের নেতা ও গবেষকদের নামে—তাঁরা মুখ চিনে ইতিহাস লিখেছেন। পরবর্তী সময়ে যাঁরা বিখ্যাত হয়েছেন, দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের কথা ফলাও প্রচার করলেও সাধারণের নাম কেউ উচ্চারণ করেননি।
২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শহরের চিত্র কেমন ছিল? পরদিনের পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনসাধারণের মিলিত শোভাযাত্রার ওপর পুলিশ ও সৈন্য বাহিনী বারবার লাঠিচার্জ এবং গুলিবর্ষণ করে।...এ দিন সমগ্র শহরে সব দোকানপাট, হাটবাজার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকে। অফিস-আদালত, এমনকি সেক্রেটারিয়েটের কর্মচারীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজে যোগদানে বিরত থেকে বিভিন্ন স্থানে শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন। চকবাজার এলাকা দিয়ে মিছিল যাওয়ার সময় স্থানীয় দোকানদার ও জনসাধারণ দলে দলে যোগদান করায় শোভাযাত্রার কলেবর বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। [দৈনিক আজাদ ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২]

এ ব্যাপারে ভাষাসৈনিক অলি আহাদের ভাষ্য হলো: এ দিন জনসাধারণের বিভিন্ন অংশ শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে দলবদ্ধ হয়ে শোভাযাত্রা বের করে আর ১৪৪ ধারা অগ্রাহ্য করে বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। গ্রাম থেকে গাড়িওয়ালা, মাঝিমাল্লা আর কৃষক-মজুর, ছাত্র-শিক্ষকেরা এসে শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।...শহরের সব প্রান্ত থেকে জনসাধারণ নিজেরাই মিছিল সংগঠিত করে বিক্ষোভ প্রদর্শনও করেছেন। ২৯ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ মর্গান গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষয়িত্রী মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ভ্যানে ঢাকায় পাঠানো হয়। এ খবর জানাজানি হলে চাষাঢ়া স্টেশনের কাছে বিক্ষুব্ধ জনতা গাছ কেটে পুলিশ ভ্যানটি থামিয়ে ঘেরাও করে ফেলে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বেশ কিছু লোককে আহত করে। কিছুসংখ্যক লোককে তারা গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে বেধড়ক পিটুনি দেয়। এঁরা ছিলেন সাধারণ মানুষ।

চার.
আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির যে রেওয়াজ, তাতে নিজের ঢাক নিজে পেটানোর ঘটনা হরহামেশা ঘটছে। ভাষা আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ—সবখানেই। লেখকের নালিশ, ‘বায়ান্নর একুশে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে প্রায় শ তিনেকের মতো এ ধরনের জিমি হান্টার (স্পেনের গৃহযুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল ব্রিগেডের সদস্য) ছিলেন। তাঁদের মধ্যে যাঁরা জীবনে উন্নতি করেছেন, ক্ষমতা, যশ আর খ্যাতি অর্জন করেছেন, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক আর বুদ্ধিজীবীরা একুশে ফেব্রুয়ারির ব্যাপারে তাঁদের ভাষ্যই সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু অধিকাংশই একুশে ফেব্রুয়ারিতে তাঁদের ভূমিকা সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেননি। তাঁরা একটি চিত্রহীন ফ্রেমের মতো নিরাকার হয়ে গেছেন। ইতিহাসের “জনতা” নামের পাদটিকায় তাঁরা আজ অবলুপ্ত।’

আমীর আলী তাঁর বইয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি জনবিদ্রোহের কথাই শুধু লেখেননি, তুলে ধরেছেন প্রায় অনালোচিত ৫৫-এর ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসও। ৫৪-এর নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট বিজয়ী হলেও কেন্দ্রীয় সরকার তাদের শাসনকাল দীর্ঘ হতে দেয়নি। কয়েক দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট সরকার ভেঙে দিয়ে কেন্দ্রীয় শাসন জারি করে। অনেক রাজনীতিককে জেলে ঢোকানো হয়। যাঁরা বাইরে ছিলেন, তাঁরাও নিষ্ক্রিয়। এরই মধ্যে একুশে ফেব্রুয়ারি এসে যায়। তখন ছাত্র ইউনিয়ন গঠিত হয়েছে। ছাত্রলীগ তো ছিলই—পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ সমর্থক।
আমীর আলী তখন ছাত্র ইউনিয়নের সহকারী সম্পাদক। তাঁরা সিদ্ধান্ত নিলেন, ৯২-এর ক ধারা ভঙ্গ করে হলেও ২১ ফেব্রুয়ারি পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে ছাত্ররা কোনো সহায়তা বা সমর্থন পাননি। তাঁরা এককভাবে আমতলায় জমায়েত ও কালো পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিলেন। ইতিমধ্যে পুলিশ চারদিক ঘেরাও করে কয়েক শ ছাত্রকে ধরে নিয়ে যায়। আমীর আলীসহ কয়েকজন লাইব্রেরিতে লুকিয়ে ছিলেন। এ ক্ষেত্রেও লাইব্রেরি কর্মকর্তা আবু জোহা নূর আহমেদ তাঁদের সহায়তা করেছেন। তখন উপাচার্য ছিলেন ওয়াল্টার অ্যালেন জিংকিন্স। তাঁর সঙ্গে ছাত্রনেতাদের সাক্ষাতেরও ব্যবস্থা করেছিলেন এই ভাষাপ্রেমিক নিম্নমান কর্মকর্তা। ছাত্রনেতারা উপাচার্যের কাছে দাবি জানালেন আটক ছাত্রদের মুক্তি দেওয়ার জন্য।

শেখ মুজিবুর রহমান তখন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আমীর আলী তাঁর সঙ্গে দেখা করে বলেছিলেন, ‘মুজিব ভাই, এবারে একুশের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ কী করছে?’ জবাবে মুজিব বললেন, ‘একটা কথা বিশ্বাস করবি তো? শেখ মুজিব জেলে যেতে ভয় করে না। কিন্তু শেখ মুজিব আওয়ামী লীগেরও জেনারেল সেক্রেটারি। আওয়ামী লীগ নিয়মতান্ত্রিক দল। শেখ মুজিব নিজে আইন অমান্য করতে ভয় পায় না।...কিন্তু আওয়ামী লীগের আর ছাত্রলীগের হাজারখানেক কর্মী জেলে। তাঁদের পরিবারের খরচ-খরচা এই শেখ মুজিবকে টানতে হচ্ছে। আরও ধরা পড়লে এই দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়।’

আমীর আলীর উপলব্ধি হচ্ছে, ‘সে দিন আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ ছিল না যে তিনি সত্যি কথাই বলছেন তা নয়, পরম নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের অক্ষমতার জন্য দুঃখও প্রকাশ করেছেন। পরে জেল থেকে ছাত্রবন্দিরা ছাড়া পেলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সোয়ারীঘাটের অফিসে একটি সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও সেই সংবর্ধিতদের মধ্যে ছিলেন।

সে সময় ছাত্রনেতারা কোনো রাজনৈতিক দলের সহায়তা পাননি। সবাই জেল-জুলুমের ভয় ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির দোহাই দিয়েছেন। এ সম্পর্কে আমীর আলী যে দলের সদস্য ছিলেন সেই কমিউনিস্ট পার্টিও আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল। প্রকৃত প্রস্তাবে একুশে ফেব্রুয়ারি হলো বাংলাদেশের প্রথম গণবিদ্রোহ বা গণবিপ্লব। এর নায়ক কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন নয়, সাধারণ মানুষ। এটিই ছিল বাংলাদেশের প্রথম গণঅভ্যুত্থান। পরবর্তী সময়ে যেসব গণ-আন্দোলন হয়েছে রাজনৈতিক দল বা ছাত্রসংগঠনগুলো এর নেতৃত্ব দিয়েছে।

ইতিহাসবিদদের বর্ণনায় বরাবর নেতারা অগ্রাধিকার পান। কিন্তু জনগণ যে ইতিহাসের রচয়িতা, তা থেকে তাঁদের বাদ দেওয়ার কোনো উপায় নেই। ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সত্যাগ্রাহী আমীর আলী সে কথাই স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন তাঁর আখ্যানে। [সমাপ্ত]

[এই লেখাটি ২১ শে ফেব্রুয়ারী "দৈনিক প্রথম আলো" তে প্রকাশিত। লিখেছেন জনাব সোহরাব হাসান। সেখান থেকে হুবহু কপি করা হয়েছে।]
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩১
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×