আর তার সাথে আছে ধর্ম ব্যাবসায়ীদের ভন্ড তৎপরতা। ধর্মকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মের দোহাই দিয়ে চলছে কিছু অমানবিক, অসামাজিক, নৃশংস কার্যকলাপ। সৃষ্টিকর্তাই জানেন, এসব নিয়মরীতি কোথায় লেখা আছে!!
আসলে আমরা বেশীভাগ মানুষ, অন্যের কাছ থেকে শুনে দেখে সবকিছু শিখি। নিজের চেষ্টায় কিছু কষ্ট করে শিখতে চাই না। বাংলাদেশের মুসলিম অধ্যষিত একটি রাষ্ট্র। কিন্তু আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে যতটুকু ধর্মচর্চা শিখি সেখানেই সীমাবদ্ধ করে রাখি। নিজের জ্ঞান দিয়ে কয় জন এই ধর্মকে শিখি? যার জন্যই ধর্মীও ব্যাপারগুলোতে নিজেকে অন্যের কাছে সমার্পন করি। ব্যাপারটা অনেকটা এমন যে, "হ হ, হুজুরে যেইটা কইসে সেইটাই ঠিক"।
আজকের দৈনিক প্রথম আলোতে "ভন্ডপীরের অমানবিক চিকিৎসা পদ্ধতি" নিয়ে যে প্রতিবেদন এবং ছবি প্রকাশ হয়েছে, সেটা যেকোন সুস্থ্য মানুষের পক্ষে সহ্য করা অসম্ভব। এমন ঘটনা প্রত্যেকদিন দেশের আনাচে-কানাচে ঘটে যাচ্ছে। থেকে যাচ্ছে চোখের অন্তরালে। কিন্তু এইগুলো সবই হচ্ছে ধর্মের দোহাই দিয়ে। যার জন্য উত্তরাধিকার সূত্রে বলিয়ান ধার্মিক জাতি (এই আমরা) মেনে নিচ্ছি সব কিছু। কিন্তু এসব কৃষ্টি-কালচারের মূলে কিছু নেই, কোন ভিত্তি নাই।
আসুন, আমরা একটু সচেতন হই। সত্যকে জানতে শিখি। এবং অন্যকে শিখতে উদ্বুদ্ধ করি। নিজে সচেন হই, অন্যকে সচেতন করি।
আর যেন কোন মানুষকে এই রকম অনাচারে পড়তে না হয়। আর ভন্ড ধার্মিক কীটগুলোকে প্রকাশ্যে এমন শিক্ষা দেয়া উচিত, ঠিক যে অন্যায় গুলো সে অন্যের উপরে করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



