somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... রাজশাহীর ঢোপকলের ইতিহাস। পর্ব-১
মূলতঃ এগুলো ১৯৩৭ সালে স্থাপন করা হয়। সে সময় রাজশাহী শহরে পানযোগ্য পানির খুব কষ্ট ছিল। বিশুদ্ধ পানির খুবই অভাব ঘটেছিল তখন। যার ফলশ্রুতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল কলেরা-আমাশয় সহ নানারকম পেটের পীড়া। বেশ কিছু লোকেরও নাকি মৃত্যুও ঘটেছিল সেই সময় এই অসুখের জন্য। জনশ্রুতি আছে রাজশাহীর জিরো পয়েন্টের "সোনাদীঘী" খনন করা হয় শুধুমাত্র পানযোগ্য পানি পাওয়ার জন্য। এই দীঘির পানি খুবই টলটলে ছিল। তবে এখন সেই দীঘিটি থাকলেও পানির সেই রূপ আর নাই।

ঢোপকল গুলো লম্বায় প্রায় ভুমি থেকে ১২ ফিট উঁচু এবং ব্যাস প্রায় ৪ ফিট। ঢোপকল গুলো তৈরী করা হয়েছিল সিমেন্টের ঢালই করে। এই ঢোপকলের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ঢেউ খেলানো একটা প্লাষ্টার করা হতো। যে নকশাটা করা হতো টিনের সাহায্যে। চারিদিকে টিনের একটা রাউন্ড বানিয়ে তার মধ্যে সিমেন্ট আর ইটের খোয়ার ঢালাই ঢেলে দেয়া হতো। এর ঢালাই খুবই শক্ত। সহজে কোন কিছুর ধাক্কায় বা আঘাতে এটা ভাঙ্গে না। এগুলোতে বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই করা হতো এবং সেখান থেকে এলাকাবাসী সেই পানি সংগ্রহ করতো।

এগুলো তৈরীর সময়ে রাজশাহী পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন রায় ডি এন দাশগুপ্ত। তিনি তখন অনুভব করেন অতিসত্বর এলাকাবাসীর জন্য কিছু একটা করার। সিদ্ধান্ত নেয়া হয় রাস্তার মোড়ে মোড়ে এমন পানির কল স্থাপন করা হবে। ১৯৩৭ সালের অগাষ্ট মাসের কোন একটি দিনে মিনিষ্ট্রি অব ক্যালকাটার অধীনে রাজশাহী ওয়াটার ওয়াকর্স নামে পানি সরবরাহ ও বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। এবং ব্যায় করা হয় প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকা। এই কাজে নগরীর নামকরা বড়লোকের এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়। সেই সূত্র ধরেই মহারাণী হেমন্তকুমারী নিজেই দান করেন প্রায় ৬৫ হাজার টাকা। তার নাম অনুসারেই এই প্রোজেক্টের নাম রাখা হয় "হেমন্তকুমারী ওয়াটার ওয়ার্কস"। কালক্রমে তার নাম "হেমন্তকুমারী ঢোপকল" নামেই পরিচিত হতে থাকে।

এখানে মহারাণী হেমন্তকুমারীর একটা ছোট্ট পরিচিতি দিচ্ছি, হেমন্তকুমারী দেবী ছিলেন রাজশাহী জেলার পুঠিয়া রাজপরিবারের জমিদারীর সর্বশেষে প্রধান। উনি বিধবা হওয়ার পরে জমিদারী দেখাশুনার দায়িত্ব পান। তারপর তাঁর সুনাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সেবামূলক কাজ রয়েছে তাঁর রাজশাহী শহর জুড়ে। তিনি প্রথমে "রাণী" এবং পরে "মহারাণী" উপাধিতে ভুষিত হন।

চলবে.............

ছবি কৃতজ্ঞতা: আনিসুজ্জামান উজ্জল]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28872556 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28872556 2008-11-22 13:55:07
ধুমপানের সময় ধরা খাইলাম <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />
প্রথম সিগারেটের প্রতি কৌতহল জাগে বাবার সিগারেট খাওয়া দেখে। সেই অনেক ছোটবেলায় এসট্রেতে ফেলে দেয়া সদ্য নেভা সিগারেটটা ঠোঁটে লাগিয়ে টান দিয়ে অনেক কেশেছি।

এরপর বিভিন্ন অকেশনে বা ফেষ্টিভালে (ঈদ, বিয়ে ইত্যাদি) সিগারেট খাওয়া হতো লুকিয়ে লুকিয়ে। খুব আয়েশ করে কিন্ত ভয়ে ভয়ে যদি কেউ দেখে ফেলে। তখন সাথে অবশ্য দুই একজন বন্ধু বান্ধব অথবা কাজিনরা থাকতো। খাওয়ার পর সে গন্ধ দুর করার জন্য কত চেষ্টা। এই খাও সেই খাও। আরো কত কি? সেই বয়সে কোন দোকান থেকে সিগারেট কেনাও ছিল পুরো রিস্ক। পুরো এলাকা ঘুরে ঘুরে বের করতাম কোন দোকানে অপরিচিত কোন দোকানী আছে কিনা। আবার চেনা কোন দোকানীর কাছ থেকে কিনলে তারা জিজ্ঞাসা করত, কে সিগারেট খাবে? তখন বলতাম, মামা খাবে বা চাচা খাবে। ইত্যাদি।

এরপর যখন ক্লাশ এইট অথবা নাইনে, তখন যদি কখনও সিগারেট খেতাম, তখন সিগারেট খাওয়ার সময় বাসা থেকে অনেক কষ্ট করে অনেক দুরে যেতাম, যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। তারপরেও ভয় থাকতো যদি কেউ দেখে ফেলে। মনে আছে, প্রতিদিন বিকালে একটা সিগারেট খাওয়ার জন্য কতদুরেই না যেতাম।

একবার কি এককাজে যেন বাবার সাথে খালার বাসায় গিয়েছিলাম, তো আসার পথে একটা ফেরীতে পদ্মা নদী পার হতে হতো। ছোট ফেরি, বেশীক্ষণ সময় লাগতো না। যেই না ফেরি ছাড়লো ওমনি আমি বাবাকে বললাম তুমি বসো আমি একটু ঘুরে ঘুরে দেখি। নেমে গিয়ে ফেরির শেষ মাথায় দাড়িয়ে একটা সিগারেট ঠোঁটে দিয়েই এক চাচার হাত থেকে বিড়ির আগুন নিয়ে ধরাতে যাচ্ছিলাম। আর অমনি পিছন থেকে বাবা ডাক দিলেন, যাও গাড়ীতে গিয়ে বসো। আহা! কি ধরাটাই না খেয়েছিলাম। বাসায় আসার পর সে কি মার!!! আহা!

এরপর যখন কলেজে উঠলাম, তখন তো ডন্ট কেয়ার ভাব। কলেজে সারাক্ষণই সিগারেট খাই। ক্লাশ করতাম না, কোনদিন, কলেজে যেতাম আড্ডা মারার জন্য। একদিন রাস্তায় সিগারেট টেনে কেবলই ধোয়া ছেড়েছি, সামনে তাকিয়ে দেখি, আমাদের মহল্লার এক চাচা। আমাদের বাড়ীতে ভাল যাতায়াত আছে তার। আমি বাক হারা হয়ে গেলাম। ধোঁয়া ছাড়বো না চাচাকে সালাম দিবো। আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, কি কেমন আছো? আমি উত্তরে বললাম, চাচা কিছু মনে করবেন না। তারপর আর সেই চাচার মুখোমুখি ইচ্ছা করে আর কখনও হইনি।

এরকিছুদিন পর সিগারেট টানা অবস্থায় হঠাৎ সামনে এক স্যার পড়ে গেলেন। এখন তাকে তো সালাম দিতে হবে। আমি অপ্রস্তুত হয়ে গেলাম। আমার ডান হাতে সিগারেট। মুখ ভর্তি ধোঁয়া। কিংকর্তব্যবিমুঢ হয়ে গেলাম। সালাম দিলাম বাম হাতে। আর স্লামুয়ালাইকুম বলার সাথে সাথে মুখ থেকে বের হয়ে আসলো একগাদা ধোয়া। পাঠক দৃশ্যটা একবার কল্পনা করে দেখেন।

এরপর গিয়েছি শ্বশুড় বাড়ী। রাতে খাওয়া দাওয়া করে একটু হাটতে বের হলাম কিন্তু আসল উদ্দেশ্য সিগারেট খেতে যাওয়া। হাটতে হাটতে একটা সিগারেট ধরিয়ে আয়েশ করে একটা টান দিয়ে ইউ টার্ন দিয়ে ধোয়া ছাড়তেই দেখলাম ধোয়াটা আমি আমার শ্বশুড় আব্বার মুখে উপর ছেড়েছি। পুরা ধরা। যদিও সবাই জানে যে আমি ধুমপান করি। কিন্তু সামনাসামনি। পড়বি তো পড় মালির ঘাড়েই। <img src=" style="border:0;" />

এরকম জীবনে আরও ধরা খেয়েছি সিগারেট টানতে গিয়ে। অন্যদিন সেগুলো শেয়ার করবো। এখন সিগারেটে দিকে তাকিয়ে এগুলো মনে পড়লে হাসি আসে। [রিপোষ্ট, মুহিবের পোষ্ট থেকে উৎসাহ পেলাম]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28871675 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28871675 2008-11-20 14:19:36
কেন ছোট হচ্ছে?
যাইহোক আজকের ব্যাপারটি অন্য একটি বিষয় নিয়ে। কয়েকদিন ধরে খেয়াল করছি বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক গুলো সাইজে একটু পরিবর্তন এসেছে। আগের তুলনায় অনেক ছোট হয়ে আসছে। হাতে গোনা ২/৩টি পত্রিকা ছাড়া সবগুলোই এখন ছোট আকারে প্রকাশিত হচ্ছে। কারণটা কি?

আগে দৈনিকগুলোর প্রতি কলামের প্রশস্থ ছিল ১.৭৫ ইঞ্চি (পত্রিকা ভেদে দুই/এক পয়েন্ট কমবেশী হতে পারে) আর এখন প্রতি কলামের প্রসস্থ ১.৫ ইঞ্চি। আর আগে টোটাল আট কলামের প্রসস্থ ছিল ১৫ ইঞ্চি আর এখন মাত্র ১৩ ইঞ্চি।

যার ফলে অনেক ছোট হয়ে গেছে পেপার। এভাবে আস্তে আস্তে ছোট হতে হতে টি ট্যাবলয়েড পত্রিকার আকার ধারন করবে? এটা কি সাময়িক না এখন হতে পত্রিকার আকারের ক্ষেত্রে নতুন একটি পরিবর্তন আসলো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28871622 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28871622 2008-11-20 12:00:29
ছবিটি দেখুন
কিন্তু খটকা লাগলো, সিলের মাঝখানে নকশাটি দেখে। বুঝতে খুব কষ্ট হচ্ছে আসলে নকশাটি কিসের। হ্যাঁ ওটা একটা ম্যাপের নকশা। তবে এখন প্রশ্ন আসে কোন দেশের ম্যাপ?

ওটা বাংলাদেশের ম্যাপ। কিন্তু বাংলাদেশের ম্যাপ কি এইরকম? আকার পরিবর্তন হতে হতে একেবারে গোল হয়ে যাচ্ছে। আর চারপাশের লেখাগুলোও অস্পষ্ট। তেমন কিছুই বোঝা যাচ্ছে না।

আজকাল অনেক আধূনিক টেকনোলজি বের হয়েছে সিল বানানোর ক্ষেত্রে। আগে তো ম্যানুয়ালী এগুলো তৈরী হতো অক্ষর কেটে আর ধারালো কিছু দিয়ে রাবারের উপর কেটে কেটে নকশা তৈরী করা হতো।

এখন কম্পিউটারে ডিজাইন করে সেটাকে পরে রাবার ষ্ট্যাপ বানানো হয়। সেটার পার্ফেক্টশনও বেশী হয়।

তবে এসব রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে কি একটু যন্ত সহকারে জিনিস গুলো তৈরী করা যায় না? যেগুলো অনেক অর্থ বহন করে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28871100 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28871100 2008-11-19 11:06:52
আমি একজন ননলাইসেন্সড পেশাদার ড্রাইভার
যাই হোক আমার মনে হয় যারা বলেন, টাকা না দিলে ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাশ করা যায় না, এই কথাটা মনে হয় ভুল। কেউ যদি সব কিছু পারে তবে তাকে আটকানোর কোন পথ নেই এটা সত্য।

নির্দিষ্ট দিনে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করলাম। প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর করলাম সঠিক। রেজাল্ট চার্টে নিজের নাম দেখলাম সাথে ভাইভার ডেট পেলাম। সবাই ভয় দেখালো কিছু টাকা না দিলে ভাইভাতে পাশ করাবে না। একটা কথা সত্য "পেশাদারদের" বেলায় একটু কড়া করে পরীক্ষা নেয়া হয়। দেখলামও তাই।

ভাইভা দিলাম। দেখলাম ভাইভা বোর্ডে তিনজন বসে আছে। সবাই আবারো একই প্রশ্ন। কি করেন? বললাম বেকার। "পেশাদার" এর জন্য এপ্লাই করেছেন কেন, দেখে তো মনে হচ্ছে না পেশাদারী গাড়ী চালাবেন? আমি বললাম, "টেক্সিক্যাব চালাবো"। ওনারা একটু হাসলেন আর বললেন, "আপনি কি জানেন, যে পেশাদার লাইসেন্স সহজে দেয়া হয় না। এর পরীক্ষা খুবই কঠিন করে নেয়া হয়। কোন ছাড় দেয়া হয় না। অল্প ভুল হলেই বাদ দিয়ে দেয়া হয়।"

বললাম, "আমি জানি স্যার। আমি মনে করি আমি পারবো।" পুরো ১৭ মিনিট আমাকে প্রশ্নবানে জর্জরিত করলেন। কোন প্রশ্নেই আটকাতে পারলেন না। ওনারা তিনজন গাড়ীর সব ব্যাপারে আর সব ট্রাফিক সিগন্যাল সিম্বলের ব্যাপারে আমাকে প্রশ্ন করে মুখে ফেনা তুলে দিলেন। বললেন, "বাবারে এতক্ষনে পাইসি একজন। আপনারে আরো কিছু প্রশ্ন করি, আপনার কোন সমস্যা আছে? আমরা সবাইকে দুই/এক মিনিটেই ছেড়ে দেই। কিন্তু আপনাকে ছাড়বো না।" বললাম, "কোন সমস্যা নেই স্যার আপনি আমাকে আরো প্রশ্ন করতে পারেন।"

অবশেষে আমাকে পাশ রেজাল্ট দিয়ে ছেড়ে দিলেন। এবার জিগজ্যাক, Ramp, রোড টেষ্ট। দারুন প্রস্তুতি নিলাম। এক দিনেই তিনটি পরীক্ষা। বুকে প্রবল সাহস। একটিতে পাশ করলে আরেকটি পরীক্ষা কিছুক্ষণ পরে। যথারীতি সময়ে আমার নাম ধরে ডাকলো হ্যান্ডমাইকে। জিগজ্যাকের জন্য ৫০ টাকা দিয়ে একটা গাড়ী ভাড়া করলাম ওখানেই। খুব সুন্দরভাবে সবগুলো কাটিয়ে এগিয়ে গেলাম এবার ব্যাকগিয়ারে, এবাও চলে আসলাম খুব সুন্দর করে। শেষে এসে মাখিয়ে ফেললাম। ব্যাক বাম্পারের লেফট সাইডে লেগে একটা ষ্টিক গেলো পড়ে। ব্যাস সব শেষ। /<img src=" style="border:0;" />

আবারো ডেট পড়লো জিগজ্যাকের। কিন্তু হঠাত করে চাকুরীতে ঢুকে পড়লাম আর পরীক্ষা দেওয়া হলো না। আমি একজন ননলাইসেন্সড পেশাদার ড্রাইভার হয়ে থাকলাম আজীবন। <img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28870598 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28870598 2008-11-18 11:20:32
মনে আবারো ভয় হয়........
সম্প্রতি ব্যারের একটি দল এগুলো আটক করেছে। সাথে একজন নিষিদ্ধ ঘোষিত দলীয় কর্মী। তবে কি আবারো পরাজিত হতো মানবতার? আবারো মানুষ মরতো? কি ভয়ংকর! কি বিভৎস সেই সব দৃশ্য!

সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা মানুষ বাঁচুক, মানুষের প্রতি মানুষের এমন আচরন যেন মানুষের মনে না আসে। মানুষ হয়ে মানুষকে আঘাত, এটা তো চরম পশুবৃত্তি কাজ। সব ধরনের সহিংসতার অবসান চাই। সেটা যেখানেই হোক, যে দলেই হোক। আমরা শান্তি চাই। সুস্থ মত বাঁচতে চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28870152 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28870152 2008-11-17 11:18:48
স্কুল ক্লাশ ক্যাপ্টেন নির্বাচন
আমি ক্লাশ ওয়ান থেকে এস.এস.সি. পর্যন্ত একই স্কুলে পড়েছি। সেই সাথে আছে অনেক অনেক সৃত্মি। আসলে যে লক্ষ্য নিয়ে ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হতো, তার খুব একটা হয়ত প্রতিফলন হতো না।

প্রার্থীগুলো সিলেকশন করে দিতেন ক্লাশ টিচার। পরে ভোট দিতাম আমরা সব ছাত্রছাত্রীরা। সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হতো ফার্ষ্ট ক্যাপ্টেন। তারপর ক্রম অনুসারে বাদবাকী দুইজন। এরপরই শুরু হতো মজার এক খেলা। আমাদের স্কুলের নিয়ম ছিল, যারা ক্যাপ্টেন হবে তারা সেই ক্লাশের সবাইকে চকলেট খাওয়াবে। এছাড়া হেডস্যার থেকে শুরু করে সব টিচার, কর্মচারীদের চকলেট খাওয়াবে। মোটামুটি একটা ভালই খরচ।

ক্লাশ ক্যাপ্টেনের কাজ ছিল বেশ কয়েকটি। যেমন,

১। হোমওয়ার্কের খাতা গুলো টীচার আসার আগে সবার কাছ থেকে কালেক্ট করে স্যারের টেবিলে সিগনেচারের জন্য দেয়া।
২। ডাষ্টার এবং বেত সুরক্ষিত রাখা। (অনেক সময় আমরা ইচ্ছা করেই বেত চুরি করে বাহিরে ফেলে দিতাম)
৩। একটি ক্লাশ থেকে আরেকটি ক্লাশের মধ্যবর্তী সময়ে ছাত্রছাত্রীরা কে কে জোড়ে কথা বলে, গন্ডোগল করে তার নাম লিষ্ট করে টীচারের কাছে জমা দিয়ে শাস্তি দেওয়া। (এক্ষেত্রে একটু পক্ষপাতিত্ব হতো)
৪। আমরা টিফিনের সময় কে কে পালালাম সেটা দেখে সেই হিসাবে ৫ম প্রিয়ডে স্যারকে জানানো।

এছাড়াও আরো কিছু কাজ ছিল।

তবে একটা জিনিস লক্ষ্য করা যেত, অপেক্ষাকৃত হোমড়া চোমড়া দেখে তাকেই ক্যাপ্টেন নির্বাচনের জন্য সিলেকশন করা হতো। যাতে একটু মাস্তানী ভাব থাকে। তবে আমরা ক্যাপ্টেনের সাথে সবসময় একটু খাতির রেখে চলতাম একটু বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য।

মনে হয়, সবারই এমন ছাত্রজীবনের টুকটাক অভিজ্ঞতা আছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28869712 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28869712 2008-11-16 11:40:10
ছোটবেলার সেই ভোটের দিন গুলো.....
আরো ছোট ছোট আকারে লিফলেট করা হতো। সেই লিফলেট কালেকশন করা ছিল একটা নেশা। যখনই কোন মিছিল আসতো অথবা মাইক নিয়ে রাস্তায় প্রচার করা হতো তখন সেখান থেকে লিফলেট চেয়ে নিতাম। সেগুলো বাসায় এসে যন্ত করে রেখে দিতাম। আসলে এটা কেন যে করতাম তা এখন ঠিক বুঝিনা। ওটাই একটা হবি ছিল তখন। মিছিলের পিছনে পিছনে দৌড়াতাম ওগুলো নেবার জন্য।

আরেকটা জিনিস মনে পড়ে, প্রতিদ্বন্দীর মার্কার একটা বড় মডেল করে মিছিলকারীরা মিছিল করতো। ঐ ব্যাপারটা ছিল তখন বেশ উপভোগ্য। কাপড়, কাগজ বা বিভিন্ন কিছু দিয়ে ওটা তৈরী করা হতো। অনেক সময় বিভিন্ন মোড়ের উপরে সেই সব মডেল গুলোকে টাঙিয়ে রাখা হতো।

ক্যানভাসের ঐ শ্লোগান গুলো খুব শুনতে ভালো লাগতো। "ওমুক ভাই ভালো ছেলে, জয়ের মালা তারই গলে", উড়ছে পাখী দিচ্ছে ডাক, ওমুক ভাই জিতে যাক", "মায়ের কোলের শিশুর ডাক, ওমুক ভাই জিতে যাক" এছাড়া আরো অনেক মজার মজার ছোট ছোট ছড়ার মত শ্লোগান ছিল। ওগুলো বেশ উপোভোগ্য।

এরপর ভোটের দিন চারিদিকে উৎসব একটা আমেজ বিরাজ করতো। ভোটশেষে কোন একটি প্রার্থীর বিজয় মিছিল দেখেছি অনেক। আবার মারামারি ঘটনাও মনে পড়ে। সে এক ভীতিকর অবস্থা।

এসব সৃত্মি আজ খুব দোলা দেয়। ঐসব দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ে। কোন টেনশন ছিল না। কোন ভয় ছিল না। কিন্তু আজ যখন আনমনে ওগুলো মনে পড়ে তখন খুবই ভালো লাগে সৃত্মিচারণ করতে।

আমাদের এলাকায় এক কুখ্যাত ডাকাত ছিল। নাম ছিল "আমজাদ"। সবাই তাকে আমজাদ ডাকাত বলেই চিনতো। সত্যিই সে খুবই মারাত্বক একজন লোক ছিল। অনেক মাইর, জেলের গঞ্জনা তাকে সহ্য করতে হয়েছে অসংখ্যবার। কিন্তু তাতে সে কখনই হাল ছাড়েনি। আবার সে ছাড়া পেয়ে ডাকাতি করতো। কিন্তু সে ছিল খুবই গরীব। ডাকাতি করেও কোনবারই তার নিজের অবস্থা পরিবর্তন করতে পারেনি। একবার সে নির্বাচনে পৌরসভা মেম্বার পদে দাড়ালো।

লক্ষ্যনীয় বিষয় ছিল, সে নিজের ক্যানভাস নিজেই করতো। তার কোন পোষ্টার বা লিফলেট ছিল না। সে বিভিন্ন এলাকায় রিক্সায় মাইক নিয়ে ঘুরে ঘুরে বলতো, "আমি আমজাদ। আমাকে সবাই আপনারা আমজাদ ডাকাত নামেই চেনেন। আমি ডাকাতি করতাম। আমি অনেক মানুষের ক্ষতি করেছি। আমি এরজন্য মাফ চাইছি। আমি ভালো হতে চাই। আমি এবারের নির্বাচনে মেম্বার পদে কুলা মার্কায় দাড়িয়েছি। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে দেশের সেবা করার সুযোগ দিন এবং সৎভাবে জীবনধারনের উপায় করে দিন।"

ভোটের পর দেখা গেলো সেই আমজাদ ডাকাত সবার চাইতে বেশী ভোট পেল এবং বিপুল ভোটে মেম্বার পদে নির্বাচিত হলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28869345 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28869345 2008-11-15 12:08:59
তোমারই ভালবাসায়- ১৩ বরং ওটাই আমার কাছে ভালো,
একটি সকাল মানে, আবারো একটি কষ্টের নিঃশ্বাস,
রাত টা, যেন কষ্টটাকে কিছুক্ষণ ভুলে থাকা।

কষ্টের ত্রিমাত্রিকতা, আমি দেখেছি খালি চোখে,
যেন নিজেকে কোন অগ্নিকূপে জ্বলতে দেখা,
কষ্ট আমার অলংকার, কষ্টেই করি স্নান,
যেন কষ্টই আমার কক্ষপথ, ওতেই বিচরণ।

তোমার দেয়া উপহারের কষ্ট গুলো আজো যেন বাজে,
অতৃপ্ত মৃত কোন নর্তকীর পায়ের নুপুরের যত সুর,
রিনিঝিনি রিনিঝিনি করে ঝড়ে একেক ফোঁটা রক্ত,
আর কতদিন এভাবে রবে? শুধু অপেক্ষা আর অপেক্ষা।

জলন্ত চোখে করুন আর্তি, মৃত্যুর স্বাদ পাবার,
মৃত্যুতেই যেন শান্তি, মৃত্যুতেই যেন সব সুখ,
এভাবে শুরু হয় আরো একটা দিন, আরো একটা আলো,
কেনো আসে? না চাইলেও তবু বারে বার আবারও কষ্টের সাথে সঙ্গম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28869089 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28869089 2008-11-14 19:53:42
আমার প্রাণের শহর রাজশাহী
উত্তরবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র রাজশাহী। বিভাগীয় শহর। আয়তন প্রায় ৯৬.৬৮ বর্গকিমি। শিক্ষা নগরী হিসাবে পরিচিত রাজশাহী। কারণ ওখানকার রাজশাহী সরকারী কলেজ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আগে থেকেই সুপরিচিত। এছাড়াও রয়েছে অনেক অনেক ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

যাই হোক, আসল কথায় আসি। আমার দেখা শহর গুলোর মধ্যে রাজশাহীতে আমি সাইকেল সবচেয়ে বেশী চলতে দেখেছি। এমন কোন বাড়ী নেই যে বাড়ীতে একটি বা দুটি সাইকেল খুঁজে পাওয়া যাবে না। যারা রাজশাহী শহরে গিয়েছেন অথবা থাকেন তারাও ব্যাপারটা বলতে পারবেন। এই ব্লগে অনেকেই আছেন যারা এখনও রাজশাহীতে থাকেন অথবা রাজশাহীতে বেড়ে উঠেছেন।

আরো একটি আশ্চর্য ব্যাপার বেশীরভাগ সাইকেলের সামনে একটা বড় ক্যারিয়ার থাকবে। ব্যাপারটা মজার। যেটা বাঁশ এবং প্লাষ্টিকের রিবন দিয়ে বানানো। ৯০% সাইকেলে ওটা দেখা যাবে। এত সাইকেলের অর্থ হচ্ছে, এই শহরের অনেক ষ্টুডেন্ট আছে। এছাড়াও সাধারন লোকের মধ্যে সাইকেল চালানোর প্রবনতা দেখা যায়। রাস্তায় নামলেই টুংটাং বেল শোনা যায়।

রাজশাহী শহরের আরো কিছু ব্যাপার বলি রাখি। রাজশাহী শহরকে পুকুরের শহরও বলা হয়। অনেক পুকুর রয়েছে এখানে। কথিত আছে রাজশাহী জিরো পয়েন্টের সোনাদীঘির পানি নাকি খুবই টলটলে আর সুপেয় ছিল। ওটা নাকি বিশুদ্ধ খাওয়ার পানির জন্য খনন করা হয়েছিল। আপনি যদি রিক্সায় চড়ে ঘুরে বেড়ান তবে ২ থেকে ৩ মিনিটের ব্যাবধানে আপনার আশে পাশে আপনি অবশ্যই একটি পুকুর পাবেন।

রেশম শিল্পের জন্য বিখাত্য রাজশাহী। রাজশাহী সিল্ক রমনীদের অত্যান্ত প্রিয় একটি কাপড়। রাজশাহীকে সিল্ক সিটি বলা হয়।

কিছুদিন আগে আর্ন্তজাতিক সংস্থার একটি জরিপে দেখা যায়, বিশ্বের সবচেয়ে সুখী নগরী রাজশাহী। এটার কারণ আমার কাছে যেটা মনে হয়, রাজশাহীতে একই ক্লাসের লোকের বেশী বসবাস এবং বেশীর ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ষ্ট্যাটাসটা একই প্রায়। তবে এখনকার রাজশাহী অনেকটাই শ্রীহীন হয়ে পড়ছে।

রাজশাহী নিয়ে অনেক অনেক কথা আছে। সেগুলো পোষ্ট দিবো সময় পেলে। আমার প্রাণের শহর রাজশাহী। তুমি বেঁচে থাকো অনেকদিন। ভালো থাকো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28868542 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28868542 2008-11-13 12:35:55
আমার সেই প্রিয় সাইকেলটা এখন কোথায় আছে?
একটা ইন্ডিয়ান লাল হিরো সাইকেল কেনা হলো। দামটা ঠিক মনে করতে পারছি না এ মুহুর্তে। সাইকেলের হাটটা ছিল আমাদের বাসা থেকে দুই/তিন কিলোমিটার দুরে। আমার একবন্ধু আরো একজন পরিচিতকে নিয়ে গেলাম সাইকেল কিনতে।

পুরো হাট ঘুরে ঘুরে কয়েকটি সাইকেল দেখে আমার ঐ হিরো সাইকেলটাই পছন্দ হলো। দরদাম করে, দাম পরিশোধ করলাম। সাইকেলের কাগজ তৈরী করে, ফি দিয়ে হাট থেকে বের হয়ে আসলাম। তারপর ঐ সাইকেল আমার বন্ধুটি চালিয়ে নিয়ে বাসায় আসলো। আর আমি রিক্সায় পিছনে পিছনে আসলাম। কারণ আমিতো সাইকেল চালাতে জানতাম না।

তারপর যথারীতি শুরু হলো সাইকেল চালানো শেখা। প্রতিদিন ভোরবেলা স্কুল মাঠে চলে যেতাম। এভাবে দুই থেকে তিনদিনের মাথায় আমার সাইকেলে ব্যালেন্স আসলো। রাস্তায় উঠেছি আরো হয়ত দুই একদিন পর। একটা নেশা পেয়ে বসলো। একসময় খুব ভালো সাইকেল চালানো শিখলাম। এবং ওটার উপর যথেষ্ট কন্ট্রোল চলে আসলো। হাইওয়েতেও অনেক সাইকেল চালিয়েছি। পাশ চলে দ্রুত চলে যাওয়া ট্রাকের বাতাসের ধাক্কাতেও হাত একটুও কাঁপেনি।

প্রতিদিন সকালে প্রায় তিন থেকে চার কিলোমিটার করে সাইকেল চালাতাম। আমি খুব স্পিডে চালাতাম। এমন একটা সময় আসলো, যখন আর হাঁটতে ভালো লাগতো না। খুব যন্ত করতাম সাইকেলটার।

পুরো সাইকেলের সব বল বিয়ারিং খুলে সেটাতে আবার নতুন ফনিক্স এর বলবিয়ারিং লাগানো হলো। তাতে আরো সাবলীল একটা ভাব আসলো। সবসময় মোবিল, গ্রীজ দিতাম চাকায়, চেইনে। সুন্দর করে মুছে রাখতাম ওটা। দুইএকজন চালিয়েও খুব মজা পেত।

এভাবে অনেকদিন সাইকেল চালালাম। একসময় কেন যেন হঠাৎ সাইকেলে চড়তে আর ভালো লাগতো না। ওটা পড়ে থাকলো বারান্দায়। রোদ, বৃষ্টি, ঝড় গেলো ওটার উপর দিয়ে। মাঝে মাঝে তাকিয়ে দেখতাম। কিন্তু ভালো লাগতো না। একসময় সাইকেলটা আম্মা আমাকে না জানিয়ে কার কাছে যেন বিক্রি করে দিলেন।

এখন আবারো মাঝে মাঝে সাইকেল চালাতে খুব ইচ্ছা করে। কিন্তু হয়ত আমার ছেলেকেই এখন সাইকেল কিনে দিতে হবে। সে এখন মার্কেটে গেলে দোকানে থাকা সাইকেল গুলো নিয়ে টানাটানি করে, ওটার উপরে চড়ে বসে। কিছুতেই নামতে চায় না। ওর দিকে তাকিয়ে আমি আমার সেই দিন গুলো দেখি। মাঝে মাঝে হারিয়ে যাই আমার সেই ছোট বেলার অতীতে। খুব খারাপ লাগছে। নষ্টালজিয়ায় পড়ে যাই।

গতকাল "পুসকি" এর সাইকেল নিয়ে একটি পোষ্ট পড়ে মনে পড়ে গেলো আমার সেই প্রিয় সাইকেলটার কথা। জানিনা আমার সেই সাইকেলটা এখন কোথায় আছে? যেখানেই থাকুক, যেই চালাক, ভালো থাকুক। জানিনা এখনও সচল আছে কিনা? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28868083 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28868083 2008-11-12 12:39:40
তাকিয়ে আছি ২০১৮ সালের দিকে..........
কিন্তু বার বার এমন কষ্টকর দৃশ্যগুলো যাতে না দেখতে হয় সেজন্য চেষ্টা করি। কিন্তু তারপরেও চোখে পড়ে যায় চলার পথে। দেখি ছোট ছোট বাচ্চা গুলো ডাষ্টবিন ঘাটাঘাটি করছে, হোটেলের পাশে, কমিউনিটি সেন্টারের পাশে দাঁড়িয়ে আছে কখন খাদ্য বর্জগুলো ফেলা হবে অন্যকোথাও।

৩৭ বছরেও আমরা দাঁড়াতে শিখিনি। শুধু শুধু পায়ে পা বাঁধিয়ে মারামারি করে যাচ্ছি। কারো মধ্যে উদারতা দেখিনা। কারো মধ্যে কোন ফোরকাষ্টিং দেখিনা। কাউকে দেখলাম না একটা সুন্দর ভবিষ্যত প্ল্যান আমাদেরকে দিলো।

তবে গতকালের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. ইফতেখার আহমদ চৌধুরীর কথা শুনে বেশ ভালোই লাগলো। উনি বলেছেন, "বাংলাদেশে বর্তমানে যে স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে, ১৮ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পরও অব্যাহত থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হবে।" উনি সিঙ্গাপুরের সাথে তুলনা করেন।

আশায় বুক বাঁধলাম। মাননীয় উপদেষ্টার কথাই যদি সত্য হয় তবে তো আর মাত্র দশটা বছর। মানে ২০১৮ সাল। আল্লাহ যেন আমাদের বাঁচিয়ে রাখেন সেই স্বপ্নের সিঙ্গাপুর দেখার জন্য।

এখন আমার প্রশ্ন (মাননীয় উপদেষ্টার কথার সূত্র ধরে), তাহলে কি বাংলাদেশে এখন স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে? তবে এটা কিসের স্থিতিশীলতা? রাজনৈতিক? অর্থনৈতিক? সামাজিক? না অন্য কিছু?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28867620 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28867620 2008-11-11 11:03:26
নূর হোসেন দিবস আসে আর যায়.......
দিবস উৎযাপনের খাতায় আরো একটি তারিখ যুক্ত হলো। বাড়লো কিছু কর্মসূচী। প্রতিবছর তাকে স্বরণ করে চলতে থাকলো দৌড়ঝাপ, মঞ্চ কাঁপানো, মিছিল, মিটিং, গোলটেবিল বৈঠক, কালো পতাকা উত্তোলন, পত্রিকায় বিবৃতি সহ আরো অনেক কিছুই। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে এই দিবসটি পালন করা হয় সেই চেতনাটা আবার ঘুমিয়ে পড়ে অনুষ্ঠান শেষ হলেই। সবাই যে যার মত ঘরে ফেরে। কিন্তু ঐ নূর হোসেনের বোবা আত্মা গুলিস্থানের জিরো পয়েন্টে ঘুরে ফিরে বেড়ায়।

আরো অনেক নূর হোসেন জীবন দিয়ে গেছে। কিন্তু "গনতন্ত্র" কি মুক্তি পেয়েছে? আরো কত নূর হোসেনরা মরবে তা কে জানে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28867161 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28867161 2008-11-10 13:06:15
গনেশের দুধ পান.......
যাই হোক আমি কারো ধর্মীয় অনুভুতিকে আঘাত দিতে চাই না। আসলেই গনেশ দুধ পান করেছিল কিনা তা আমি জানিনা বা জানতেও চাই না। তবে প্রক্রিয়াটি নিজের চোখে দেখতে না পাওয়ার একটা কষ্ট ছিল। মনে মনে ভাবতাম সত্যিই আশ্চর্য্য ব্যাপার।

আমরা সব বন্ধু বান্ধব স্কুলের মাঠে বিকাল বেলা গোল হয়ে বসে গল্পসল্প করতাম। এরই মাঝে একবন্ধু এসে খবর দিলো আমাদের এক (হিন্দু) বন্ধুর বাসায় গনেশ নাকি আবারো দুধ খাচ্ছে। আমরা তো লাফ দিয়ে উঠলাম। এবার যে করেই হোক দেখতে হবে। কোনভাবেই মিস করা যাবে না। যে কথা সেই কাজ। দৌড় দিলাম। তখন সময়টা প্রায় সন্ধ্যা হয়েছে।

আমাদের সেই বন্ধুর বাবা, উনিই আমাদের দেখালেন কিভাবে গনেশ দুধ খায়। প্রথমে দেখলাম উনি একটা খুবই ছোট চামচে (যেটাতে কয়েকফোঁটা দুধ ধরবে) অল্প দুধ নিয়ে গনেশের মুখের কাছে দিয়ে চামচটির পিছনের অংশ উঁচু করে দিচ্ছেন। আর চামচের দুধ শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমরা যার পর নাই অবাক হলাম। নিজেদের মধ্যে বলাবলি করলাম। শিওর হওয়ার জন্য আবারো খাইয়ে দিতে বললাম এবং সেটা বিভিন্ন দিক দিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখলাম।

পরে উনি আমাদের ব্যাপারটি বুঝিয়ে বললেন, আসলে গনেশটি হলো পিতলের। এবং ওটা অবশ্যই ফাঁপা। ভিতর দিয়ে একটা ফুটা আছে। খুব ভালো করে খেয়াল করলাম। গনেশটার ঠোঁটের নীচে একটা ছোট ফুটাও আছে। ঐটা দিয়েই দুধ ঢুকে যাচ্ছে আর। তারপর মনে আবার প্রশ্ন জাগলো, তাহলে দুধ নিচে গড়িয়ে যাচ্ছে না কেন? সেটাও জানতে পারলাম।

উনি বললেন, তিনি দুধ দিচ্ছিলেন খুব অল্প করে। আর উনি হাতের উপর একটা কাপড়ের ভাঁজ করে তার উপরে গনেশটাকে ধরে ছিলেন আরেক হাত দিয়ে। যার জন্য দুধ গিয়ে সেই কাপড়ে পড়ছিল আর কাপড় দুধ শুষে নিচ্ছিল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28866617 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28866617 2008-11-09 09:23:57
জনি, তুমি ভালো থাকো.....
একটা বোধহীন শিশুর অবস্থান একটা জড় পদার্থের সাথে। যে জড় পদার্থের নাড়ির সাথে ছিল ঐ শিশুর নাড়ির জোড়া। যার শরীরের এক নিরাপদ কোণেই বেড়ে উঠেছে শিশুটা। কি দোষ শিশুটার? এমন ঘটনার কেন অবতারনা করে সৃষ্টিকর্তা। এমন ঘটনা ঘটার আছে তাবৎ দুনিয়ার সব মনুষত্ব্যের মরণ হয় না কেন? কেন তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতে হয় এই বিভৎস দৃশ্য?

হ্যাঁ, জনির কথাই বলছি। ইতিমধ্যেই সবাই জেনে গেছেন ঘটনার আদ্যপান্ত। অনেকেই এটা নিয়ে পোষ্টও দিয়েছেন। এখনও আরিফ জেবতিক ভাই এর এই রিলেটেড একটি পোষ্ট ষ্টিকি হয়ে আছে। এছাড়া গতকাল ব্লগবন্ধু শেখ রহিমের একটি পোষ্ট আছে যেখান থেকে জনির বর্তমান অবস্থা জানা যাচ্ছে। ধন্যবাদ তাকে।

পোষ্টগুলোতে উঠে এসেছে আমরা কিভাবে জনির বিষয়টি মোকাবেলা করতে চাই। আসুন আমরা সবাই মিলে জনিকে একটি সুন্দর ভবিষ্যত এঁকে দেই।

এই ব্লগটা একটা কমিউনিটি। এখানে আছে দেশ বিদেশের হাজার হাজার মানুষ। তাদের প্রাণের একটাই কথা। সেটা বাংলা। আমাদের কেন্দ্র একটি জায়গাতেই। তাই মিলটাও বেশী আমাদের মাঝে। স্থান, কাল, পাত্র এখানে কোন ব্যাপার না। এই কমিউনিটি যে কতটা অগ্রসর হতে পারে তা প্রাপ্তি, শাশ্বতকে দেখলেই বোঝা যায়। আমি দেখেছি শাশ্বত চিকিৎসা ফান্ড কালেকশনের সময় এই ব্লগ বন্ধুরা কিভাবে যার যার অবস্থান থেকে পথে নেমে এসেছিল। মানুষের আবেগ দেখলে আসলেই শ্রদ্ধায় তাদের কাছে মাথা নত হয়ে আসে। কি অদ্ভুত মানুষের মন! কি আপ্রাণ চেষ্টা!

আমরা সবাই এগিয়ে যাবো আবারো, জনির জন্য। জনি তুমি ভালো থাকো, সুস্থ থাকো।

[কিছুক্ষুণ আগে আরিফ ভাই ও মেসবাহ ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে। হয়ত খুব তাড়াতাড়িই আমরা বসবো এই বিষয়টি নিয়ে]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28866259 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28866259 2008-11-08 11:25:54
শ্লোগানে মুখরিত হলো ঢাকা শহর
কিন্তু এবার আমি আমার আমার অবস্থানটা একটু বলি। আমি খুব সাধারন একটা মানুষ হওয়ার জন্য এগুলোতে তেমন খুব একটা আগ্রহ পাই না। হয়ত কখনও একটু উৎসাহী হয়ে এসবের খবর রাখি। তবে সমাজে মান সন্মানের সাথে পরিবার পরিজন নিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য সর্বদা টটস্থ থাকতে হয়, জীবিকার প্রয়োজনে মনোযোগী।

শ্লোগানের শব্দে কিছুটা ঘোর কাটলো। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। মাথায় হলুদ, নীল, লাল কাপড়ের টুকরা বাঁধা যুবকদের রাস্তার এপাশ থেকে ওপাশে চলে যাওয়া দেখলাম। কয়েকটি জায়গার মিছিল দেখলাম। প্রায় সব মিছিলেই মানুষদের মাথায় ঐ কাপড়ের টুকরা বাঁধা দেখলাম। বুঝলাম না, বিভিন্ন রং কি অর্থ প্রকাশ করছে?

একটু অনভ্যস্থ হয়ে পড়েছিলাম এই দুই বছর। এই শ্লোগান গুলো কানে আসেনি। ভুলতে বসেছিলাম অনেকটা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28865405 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28865405 2008-11-06 10:32:40
আজ জন্মদিন তোমার, শেরিফ আল সায়ার
হ্যাঁ তুমি শেরিফ, তুমিই নগর প্রধান, তুমিই সায়ার, তুমিই গণদেবতা। শেরিফ আজকে এই মধুময় দিনটি তোমার জীবনে বয়ে নিয়ে আসুক অনেক অনেক সুখ আর স্বাচ্ছন্দ্য। তোমার জীবন ধাবিত হোক শুধু সাফল্যের পিছনে। ব্যার্থতা আর গ্লানি না আসুক তোমার জীবনে।

একজন বন্ধু হিসেবে কামনা করি, তুমি ভালো থাকো, সুস্থ থাকো। তোমার বাকী জীবনটায় সুন্দর অজস্র মুহুর্তরা ভীড় করুক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28865294 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28865294 2008-11-06 00:48:46
এবার কি পাবো আর নতুন করে কি হারাবো?
আমেরিকার ইতিহাসে ব্ল্যাক প্রেসিডেন্ট। উপরে উপরে বর্ণবাদে বিশ্বাসী না হলেও ভিতরে ভিতরে আমেরিকানরা যথেষ্ট কুট্টি। সেখানে একজন ব্ল্যাক হিসেবে ওবামার জিতে যাওয়াটা সত্যিই বিরাট একটা ব্যাপার। অভিনন্দন তাকে।

পুরা বিশ্বটাকে বলতে গেলে এই আমেরিকা এখন নিয়ন্ত্রন করতে চায় বা করছে। যেখানে তাদের স্বার্থ, সেখানে তাদের অবস্থান। আর তাদের মনপুত না হলে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দাও। জ্বলেছে ইরাক, জ্বলেছে আফগানস্থান, জ্বলেছে পাকিস্থান সহ আরো অনেক দেশ।

আমাদের দেশের রাজনীতি আমাদের ইচ্ছায় পরিচালিত হয় না। তৃতীয় একটা পক্ষ থাকে সবসময়। যার পিছনে আছে আমেরিকা। একসময় পুরো বিশ্বকে শাসন করেছে বৃটেন। আর এখন আমেরিকার সময়। ছড়ি ঘুরাচ্ছে সব দেশের উপর।

বলতে গেলে নাইন ইলেভেনের পর থেকে পুরো বিশ্ব জুড়ে একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব। তার উত্তাপ যে আমাদের বাংলাদেশে লাগেনি সেটা অস্বীকার করা যাবে না। সেটার রেশ এখনও চলছে। এবং চলবে। পুরো আমেরিকা জুড়ে অর্থনৈতিক ধ্বস নেমেছিল কয়েক বছর ধরেই। আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতির কাছে আমাদের অবস্থান এখন কি হবে এটাই দেখার বিষয়।

আগামী দিনগুলোতে আমেরিকার নতুন চোখে পুরো বিশ্ব কেমন দেখা যাবে আর তার ফলাফল কেমন হবে সেটা নিয়ে আমরা এখন উদ্বিগ্ন। আমরা শান্তি চাই। বারাক ওবামা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়াতে আমরা এখন কি পাবো আর নতুন করে কি হারাবো, সেটাই দেখার বিষয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28864905 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28864905 2008-11-05 10:48:14
আমার বাড়ীতে তোমাগো দাওয়াত, তয় চান্দা দেওন লাগবো
দেশের বরেণ্য সব মানুষ গুলোর সমাবেশ নাকি ঘটবে সেই অনুষ্ঠানে। অনেক বড় বড় লেখিয়েগণও নাকি দাওয়াতে আসবেন। সবাই তাকিয়ে আছে, কি হতে যাচ্ছে? কানাকানি, ফিসফাস, গুণগুণ চারিদিকে। বলতে গেলে এক চরম উত্তেজনা চারিদিক।

পাড়াপ্রতিবেশী উচ্ছ্বাসিত, কারণ সব তারকারা আসবেন। একঝাঁক বুদ্ধিজীবিও সেই অনুষ্ঠানের আসন অলংকৃত করবেন। ঐ বাড়ীর লোক যত না খুশি তারচেয়ে বেশী আগ্রহ দেখা যাচ্ছে পাড়াপ্রতিবেশীদের মধ্যে। হবে না কেন? যেমন ভাবে প্রচার পেয়েছে, তাতে তো এমনিতেই আগ্রহ হওয়ারই কথা।

কিন্তু হঠাৎ শোনা গেল, অনুষ্ঠানের মজা দেখতে হলে নাকি চান্দা দেওয়া লাগবে। টিকেটের দাম ১২ টাকা। যেটা ৮ টাকাতেই হওয়ার কথা সেটা আরো অতিরিক্ত ৪ টাকা খরচ করে ১২ টাকা দিয়ে সেই টিকেট কিনতে হবে।

সবাই একটু দমে গেলো, যার বাড়ীর অনুষ্ঠান তারই তো বাড়তি খরচের টাকাটা খরচ করা উচিত। অন্যদের কেন সেই মজা দেখতে অরিরিক্ত ৪ টাকা খরচ করতে হবে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28864414 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28864414 2008-11-04 10:25:01
আমার প্রথম পাহাড় দেখে আত্মহারা হওয়া
বড়ভাই নাছোড় বান্দা। আমাদেরকে উনার সাথে যেতে হবেই। যা কথা সেই কাজ। আমরা বন্ধু-বান্ধব কয়েকজন আর এলাকার কয়েকজন মুরুব্বী সহ রওনা দিলাম ওনার গাড়ীতে করে যথাদিনে। একবেলা আর সারারাত জার্নি করে গিয়ে পৌছালাম সিলেট হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার প্রাঙনে। ওখান গিয়েও বড়ভাই আমাদের অন্যজায়গায় যেতে দিলেন না। গেটের বাম পাশে অনেক হোটেল আছে আগে থেকেই সেখানে রুম বুক করা ছিল। ওখানেই উঠে ফ্রেশ হলাম। ওখান থেকে নিয়ে গেলেন হযরত শাহপরান (রঃ) মাজারে। তারপর বিভিন্ন ছুতা দিয়ে রেহাই পেলাম। গিয়ে উঠলাম এক পরিচিত ভাইএর কাছে ভার্সিটির হোস্টেলে। চমৎকার ক্যাম্পাস। ক্যান্টিনের ঠিক পিছনেই ছোট টিলা। ঐটাই আমাদের কাছে বিশাল পর্বত সমান। দেখে অভিভুত হলাম। কারণ নিজে চোখে কখনও আগে পাহাড় দেখিনি।

উত্তেজনায় কাঁপছিলাম। কখন গিয়ে উঠবো ওটাতে। তখন প্রায় সন্ধ্যা। ধীরে ধীরে উঠলাম একেবারে উপরে প্রায় চারজন মিলে। অন্ধকারে দুরে থাকা শহরের লাইটগুলো দেখে ভালোই লাগছিল। নামবো নামবো করতে করতে প্রায় তখন দুই ঘন্টা পার হয়ে গেছে। চারিদিকে কোন আলো নেই। পড়লাম মহা ফ্যাসাদে। এখন কিভাবে নামি। গা ঘাম দিয়ে উঠল।

কি আর করবো চিৎকার শুরু করলাম। কিছুক্ষণ এভাবে চেঁচানোর পরে দেখি এক লোক উপরে উঠে আসছে। সিলেটী ভাষায় কি বললো বুঝলাম না। বুঝিয়ে বললাম, আমাদের নামতে সাহায্য করুন প্লিজ। কোনদিক দিয়ে নামবো ঠিক বুঝতে পারছি না। উনাকে অনুসরন করে নিচে নেমে আসলাম। এর মধ্যে তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে আমাদের একজন পিছলে গিয়ে হাটু ছিলে ফেলল। আমাদের সাথের লোকটি শিখিয়ে দিলেন, পাহাড় থেকে নামার সময় সোজাসোজি না নেমে আড়াআড়ি ভাবে নামতে হয়।

এরপর অনেকবার চট্টগ্রামে অনেক উচু পাহাড়ে উঠেছি। আজও সেই সিলেটের প্রথম পাহাড় দেখে আত্মহারা হয়ে, উঠে আর নামবার পথ খুঁজে না পাওয়ার কথা মনে পড়ে হাসি পায়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28864033 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28864033 2008-11-03 15:03:33
আমি তোর বাবা না?
প্রতিটা বিজ্ঞাপনেরই একটা ক্লাইমেক্স থাকে। যেটাই মানুষের মনে নক করে, আর সেই অংশটিই সেই পণ্যের প্রচারের জন্য যথেষ্ট। ইদানিং কোন কোন বিজ্ঞাপনে আবেগটার ব্যাবহার বেশী দেখা যায়। একজন বিখ্যাত এ্যাড নির্মাতা একটি মোবাইল অপারেটরের বিজ্ঞাপনে একটি শিশু মেয়েকে তার মায়ের জন্য পাহাড়ে চুড়ায় উঠে কাঁদতে দেখিয়েছেন। আমার মতে এ্যাডটা এতটা আবেগী করা ঠিক হয়নি। বাবা মায়ের সাথে সন্তানের আদর ভালবাসা কোন কোন মূহুর্ত খুবই একটা স্পর্ষকাতর বিষয়। সেই ক্ষেত্রে একটি মা হারানো একটি শিশু মেয়ের কষ্ট এতটা সূচারু ভাবে না দেখালেও ঐ বিজ্ঞাপনটা ভালো হতো। তবে আমি বিজ্ঞাপনের মান নিয়ে কোন কথা বলছি না। যথেষ্ট ভালো একটি বিজ্ঞাপন।

এ কথা গুলো যে জন্য বলা, আমার সন্তানের পছন্দ টিভিতে প্রচারিত এই বিজ্ঞাপন গুলো। যখন কোন অনুষ্ঠান শুরু হয় তখন সে কাঁদতে শুরু করে। আবার চ্যানেল চেইঞ্জ করে বিজ্ঞাপন তাকে দেখতে দিতে হয়। সে এ্যাডের পোকা। একসময় খেয়াল করলাম, সে এ্যাড দেখে ঐ গুলো আবার প্র্যাকটিস করছে। কে কিভাবে কি বলছে সে আবার সেগুলো মুখে মুখে বলে।

সেদিন টিভি দেখতে দেখতে দৌড়ে এসে আমাকে বলল, "আমি তোর বাবা না?" আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি। পরে বুঝলাম ওটা একটা মোবাইল কোম্পানীর এ্যাডের অংশ। সেখানে একজন বাবা বিভিন্ন শব্দ শুনে শুনে ফোনে তার মেয়েকে বলছে, তার মেয়ে তখন কি কি করছে। এতে মেয়েটি আশ্চর্য হয়ে যায়, তার বাবা কিভাবে সব বুঝতে পারে? ক্রিষ্টাল ক্লিয়ার সাউন্ডের জন্য শব্দগুলো মেয়েটির বাবা স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছে। তার উত্তরে মেয়েটির বাবা বলে, "আমি তোর বাবা না?"

তবে কোন কোন এ্যাড মূল বিষয় থেকে অনেক সরে যায়। সেটা ঠিক না। অল্প কথা ও সময়ের মধ্যে দিয়ে কিভাবে দর্শকের কাছে পৌছানো যাবে, সেটাই লক্ষ্য হওয়া উচিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28863386 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28863386 2008-11-02 11:56:21
আমি একজন বাবুয়াকে চিনি, আমি তার অপেক্ষায়..........
ক্যান্সারের উঁই তার দেহের ভিতরে বাসা বেঁধেছে। চুষে চুষে খাচ্ছে সব নির্যাসগুলো। ভিতরে ভিতরে ভেঙ্গে গিয়েও বাহিরে যেন একটা চাকচিক্য মানুষ। চারিদিক কাঁপিয়ে, হাসতে দেখেছি হা হা করে । আবার এই সদাহাস্যজ্জল মানুষটিকে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে শুনেছি। যেন ঠিক মিলানো যায় না। বুঝেছি উনি কতটা দুর্বল। উনার দূর্বলতাটা হলো ভালবাসার কাছে। উনি ভালবাসার কাঙাল। ভালবাসা পেতে চায় সীমাহীন।

আমরা এখানকার অনেকেই হয়ত এখন মোটামুটি জানি তার পারিবারিক, আর্থিক, সামাজিক অবস্থানের কথা। সৃষ্টিকর্তা তাকে কোন কিছুতেই অপূর্ণতা রাখেনি। কিন্তু আমার মনে হয় সে অভাবী ছিল একটা জায়গায় চরম আকারে। আর সেটা হলো স্নেহ। ভালোবাসা পাওয়ার জন্য ভিক্ষুকের মত হাত পাততে দেখেছি তাকে তার কথায়, তার চলনে, তার বলনে। তার মুখে "ভাইয়া", "বুবু" এই ডাক গুলো শোনেনি এমন ব্লগার বোধহয় কমই আছেন। একটা বার চিন্তা করি, কি প্রয়োজন মানুষটার, এত ব্যাস্ত জীবনের পাশাপাশি দিনের এতুটুকু সময় রাখে ব্লগিং করার জন্য? হয়ত এটাতেই তিনি তার চাওয়া ভালবাসাগুলো খুঁজে পান। আমি যতটুকু বুঝেছি, সেটা হলো, উনি উনার হৃদয়ের নিঃসঙ্গ কোনো কোণ ভরতে চান ভালবাসা দিয়ে। উনি মানুষকে ভালবাসতে ভালবাসেন, আবার ঠিক তেমনি ভালবাসা পেতে ভালবাসেন। কি অদ্ভুত!

তার একটি পোষ্টে দেখলাম, উনি ব্লগ থেকে বিদায় নিয়েছেন। কেন? হতে পারে সেটা তার ব্যাক্তিগত সমস্যা। কিন্তু তার প্রতি অনুরোধ থাকবে, যদি ব্লগিয় কোন ব্যাপারে উনি চলে যেতে চান, তবে যেন না গিয়ে আবার ফিরে আসেন। উনাকে আসতেই হবে। এটা আমার অনুরোধ নয়, বরং ভালোবাসার দাবী নিয়েই বলছি, এটা আমার দাবী।

আমি একজন বাবুয়াকে চিনি, আমি তার আবারো হাসিমুখ দেখতে চাই। আশা করি আমার সাথে আপনারাও একমত হবেন।

বাবুয়া ভাই,
আমরা আপনাকে পেতে চাই। আমরা অপেক্ষা করে আছি। অপেক্ষা করে আছি। আছি অপেক্ষায়............]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28862916 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28862916 2008-11-01 11:08:26
আজ 'জটিল' এর জন্মদিন
"স্রষ্টার অসীম সৃষ্টিসমূহের মাঝে আমিও একজন এবং আমিও স্রষ্টা আমার নিজস্ব সৃষ্টিসমূহের" হ্যাঁ তোমার কথা ঠিকই। আমাদের সৃষ্টিগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদের যত চেষ্টা। এরজন্যই যত যুদ্ধ, যত অশ্রু, যত ঘাম। কেউ হয় এতে পরাজিত আর কেউ হয় জয়ী।

আজ এদিনের একটা শুভক্ষণে আমি সহ আমরা সবাই চাই তুমি আরো অনেক দিন বেঁচে থাকো তোমার সৃষ্টিগুলো মাঝে। ওগুলোই তোমাকে আরো অনেক দিন বেঁচে রাখবে। একটা সত্য কথা, মানুষ কিন্তু তার কর্মেই বেঁচে থাকে কালের পর কাল।

শুভেচ্ছা রইল, ভালোবাসা রইল। বেনজিনের মত জটিল বন্ধন খুলে ফিরে আসো নিরালা জীবনে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28862293 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28862293 2008-10-31 00:03:27
ঢাকা শহর ধ্বংস হোক
প্রতিদিন কয়েকশত মানুষ নতুন করে আসছে ঢাকায় মোটামোটি স্থায়ী ভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে। তাহলে এভাবে চলতে থাকলে একদিন কি হবে, সে পরিস্থিতি কি একবার ভেবে দেখেছে? তবে সেদিন আর দুরে নয়, যেদিন একটা দুর্যোগ ঘটবে ঢাকায়। পুরো দেশ সেদিন হবে অচল।

প্রতিদিন রাস্তায় বের হলে বোঝা যায় এ শহরের বর্তমান অবস্থা। শহরের একটি বাসার সাথে আরেকটি বাসার গায়ে গায়ে লাগালাগি। রাস্তায় চলতে গেলে একে অপরের সাথে সংঘর্ষ। কারো মনে কোন করুনা নেই। সবাই সবার উপরে উঠতে চায়। পাশের বাড়ীতে কি হচ্ছে কেউ খবর রাখে না। ও বাড়ীতে একটা লোক মরলো কি জন্মালো কেউ খবর রাখে না। মুখ দেখাদেখিও পর্যন্তও নেই। এমন একটা ভাব সবাই সবার শত্রু।

অথচ আমাদের গ্রামগুলোর দিকে একটু খেয়াল করে দেখুন। সবাই সবাইকে জানে, মানে। এখানে কোন ভেদাভেদ নেই। এ শহরে কেউ কাউকে সম্মান করে না। বড় ছোটতে কোন ভেদাভেদ নেই।

এমন কোন জায়গা নেই যেখানে কোন সমস্যা নাই এই শহরে। নয়টার অফিস ধরতে ভোর পাঁচটা থেকে তোড়জোড় আর অফিস থেকে বাড়ী কখন ফিরা হবে তারও নেই কোন নিশ্চয়তা। তার উপর শহর জুড়ে আছে খারাপ মানুষের উৎপাত। চলতে গেলে বোঝা যায় তাদের তৎপরতা। সুতরাং দুটি চোখের সাথে যোগ করতে হয় আরো হাজারও চোখ। একটা চোখ রাস্তায়, একটা নিজের পিছনের পকেটে মানিব্যাগে। একটা বুকপকেটে, একটা মোবাইলের উপরে। নিজেকে রক্ষা করার জন্য হতে হয় অনেক সচেতন। আর এ থেকেই একটু অনিয়ম হলেই হয় যত দুর্ঘটনা।

মানুষ আর মানুষ। চলছে তো চলছেই। জ্যামে পুরো রাস্তা গুমোট অবস্থা। কবে হবে এসবের অবসান? কে নিবে দায়িত্ব? সরকারও নিরব। নাই কোন নিয়মনীতির প্রয়োগ আর নিয়মনীতি মানার তো কোন বালাই নেই কারো ভিতরে।

এভাবে কিচ্ছু হবে না। কেউ পারবেনা এই জটিল অবস্থা থেকে উদ্ধার করতে। অনেক গোলটেবিল বৈঠক হয়েছে, অনেক মঞ্চ গরম হয়েছে এসব বক্তৃতা দিয়ে। বিড়ালের গলায় ঘন্টা আমরা কেউই পড়াতে পারিনি। তাই বসে আছি সেদিনের দৃশ্য দেখার জন্য। যেদিন সব অচল হবে।

থাকবে পুরো রাস্তা জুড়ে অনড় যানবাহনগুলো। কোন বিদ্যুত থাকবে না, পাম্পে তেল থাকবেনা, গ্যাস থাকবে না, ফাইবার লাইন কাটা থাকবে, টেলিফোন, স্যাটেলাইট, পানি সহ সব থাকবে অচল। পুরো নগরজীবন হবে বিপর্যস্থ।

আর যখন সমাজের সব স্তরের মানুষগুলোর (টপ টু বটম) এসবের জন্য হাহাকার উঠবে তখন হয়ত কেউ বলবে, "ওরে আর পারছিনা, একটা কিছু করা দরকার"।

মূলতঃ একশ্রেণীর মানুষ কখনই ফেইস করেনা আমাদের এই নাগরিক জীবনের কষ্টগুলো। আর তারাই তো ডিসিশন মেকার। এরা সব ক্ষেত্রেই পায় নির্ঞ্ঝাট জীবন যাপনের তরিকা। রাস্তায় এরা কখনও জ্যামে পড়ে না, বাড়ীতে কখনও লোডশেডিং হয় না ইত্যাদি। আর একটা কথা সত্যি যে, যারা কোনদিন সমস্যায় পড়ে না তারা অন্যের কোন সমস্যাই বুঝবে না।

তাকিয়ে আছি সেই দিনের দিকে। এছাড়া আমাদের আর কোন গতি নেই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28862224 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28862224 2008-10-30 21:57:59
লাখপতি হতে চাওয়া ছেলেটির গল্প.......
উপায় একটাই, পিছন পথে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে একটা মোটামোটি নিরাপদ জায়গায় পৌঁছাতে চেষ্টায় চেষ্টা করে। এরই মাঝখানে একবার হোঁচট খেয়ে উল্টেও পড়লো মাটিতে। কেঁদে কেটে ব্লগের কারো কারো কাছে সাহায্য চাইলো সে। যাই হোক আবারো শুরু হলো পথ চলা।

কিন্তু তার সাথে কথা বললে বোঝা যায়, সে খুবই একজন ব্যাক্তিত্ববান পুরুষ। কখনই কারো সাথে যোগাযোগ রাখে না। মোবাইলে কারো নাম নাকি সেইভ করে না। আরো কত কি!

তবে খুব ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যায়, সে আসলে সব সময় ডুবন্ত একটা মানুষ আর কয়েকটি খড়কুটোকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার এক নিরন্তন চেষ্টা যেন। ইদানিং মাঝে মাঝে সে বিব্রত হয়, বিধ্বঃস্ত হয়। সেগুলো চিৎকার করে বলে সে। কাউকে সহজে দর্শন দেয় না। শুধু পর্দার আড়াল থেকে, একটা বাঁকা কঞ্চি নিয়ে সামনে বসা লোকগুলোর পশ্চাৎদেশ খোঁচানীতে যেন ব্যাস্ত। আহা! ওতেই এখন তার সুখ। আহা! অমৃত, অমৃত।

তার লিখার পক্ষে সমর্থন যোগাবার জন্য এর ওর কাছে এসএমএস পাঠায়। তার লিখায় একটা প্লাস আর ওমুকের লেখায় একটা মাইনাস, এই করতে করতেই তার মোবাইলের ক্রেডিট লিমিট ক্রস করে। আবার সে নাকি, মেসেঞ্জারেও অনুরোধ করে তার কাছের মানুষগুলোকেও প্লাস/মাইনাসের খেলা খেলতে। দুর্ভাগ্য বশতঃ সেই এসএমএস এর দুই একটি অন্যকারোও মোবাইলে চলে যায়। আর তখনই ঘটে বিপত্তি।

ইদানিং সে নাকি লাখপতি হওয়ার স্বপন দেখে। স্বপন দেখা ভালো। ছেলেটার স্বপন যেন সত্যি হয়। স্বপনের মাঝেই যেন তার বসবাস।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28861504 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28861504 2008-10-29 12:17:19
হঠাৎ পেপারে আমার চোখ আটকে গেলো.....
বেশ কয়েকদিন আগের ঘটনা। একটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর বালবের বিজ্ঞাপনের মডেল দেখে চোখ আটকে গেল। দেখলাম, একজন পুরুষ মডেল পাশে দন্ডায়মান এক সুন্দরী মডেল। ভাবটা এমন স্বামীর উপর স্ত্রী একটু বিরক্ত। অথবা দুইজনই বিরক্ত। কিন্তু কেন যেন মনে হচ্ছিল, এই ছেলেটিকে তো কোথায় যেন দেখেছি।

মিলে গেলো হ্যাঁ, এই তো সেই ছেলে, যে কিনা তার চেহারা দেখাতে ব্লগে খুব পছন্দ করে। সে আর কেউ না আমাদের ............. "মুহিব"। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন এংগেলের চেহারার ছবি ব্লগে দেয়। আমরা দেখে পাগল হয়ে যাই। এখন ব্লগে আবার তার লেটেষ্ট ছবিতে আমরা তার পিঠ দেখতে পাচ্ছি। উনি আবার হঠাৎ কাউকে কিছু না বলেই কক্সবাজার আর সিংগাপুর যায়। বড় মাপের মানুষ হলেতো এমনই হয়। আজ চিপাগলি তো কাল মহেশখালি।

আমার তো খুশি আর ধরে না। এমন একজনের ছবি পেপারে ছাপা হয়েছে যাকে আমি চিনি। অফিস আসার পথে গাড়ীতেও কয়েকজন কলিগকে বললাম। ইচ্ছা করেই গাড়ীতে উঠার আগে ষ্টল থেকে সেই পেপারটি আরো একটি কপি কিনলাম। সবাইকে দেখিয়ে বারবার বললাম, "জানেন এই ছেলেটির সাথে আমার পরিচয় আছে, উনি একজন প্রতিষ্ঠিত মডেল এবং ব্লগার"।

আমার খুব ভালো লাগে একজন মডেলের সাথে আমার পরিচয় আছে। আমি তার লিখা ব্লগে কমেন্ট করতে পারি। নিজের বুকটা আবারো উঁচু হয়ে যায় সম্মানে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28861010 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28861010 2008-10-28 13:20:18
আমার প্রতিষ্ঠিত নিকটি তো চাইতেই পারি........
আমাদের সর্বশেষ বন্ধুব্লগসাইট হলো প্রথম আলো ব্লগ। আর এ কথা অস্বীকার করতে কোন বাঁধা নাই যে, প্রথম আলো ব্লগ অনেক অভিজ্ঞতাই অর্জন করেছে তাদের আগে আসা ব্লগ গুলো থেকে। তাদের পথ চলতে অনেক সুবিধা হচ্ছে। হয়ত এর পরে যারা নতুন আরেকটা ব্লগ নিয়ে আসবেন তাদের জন্য আরো অনেক সুবিধা হবে।

এবার আসি, এই ব্লগসাইট গুলোর কর্তৃপক্ষের কি কি দায়িত্ব রয়েছে আমাদের প্রতি। মূলতঃ তাদের ঘাড়ের উপর উঠেই আমরা আমাদের কথা গুলো বলছি, মারামারি করছি, নালিশ করছি ইত্যাদি ইত্যাদি। বলতে গেলে আমাদের অত্যাচারে তারা অতিষ্ট (ফান করলাম)। তারা অনেক টাকা ইনভেষ্ট করে এই সাইটগুলোকে টিকিয়ে রেখেছে। কিন্তু আমরা ব্লগিং করছি একদম ফ্রি। বলতে গেলে কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের সবার (ব্লগার) সম্পর্ক ভালো। তাই অনেক অধিকারই জন্মেছে তাদের উপরে। একটা জিনিস আবদার করলে তারা হয়ত সেটা রাখার চেষ্টা করেন। এই অপশন এমন না হয়ে এমন হলে ভালো হতো, এমন অনেক। যেমন আমরা এখন প্রথম আলো ব্লগের কাছে বিভিন্ন অপশন, সুবিধার জন্য দাবী করছি। বিশ্বাস করি তারা সেটা পূরণ করবেন।

একটা লেখক বা একটা কবি বা একটা মানুষ কিন্তু একটা নামেই পরিচিত হতে চায়। কিন্তু সেই মানুষটি যখন তার লেখা বা চরিত্র দিয়ে একটা সেলফ প্লাটফরম তৈরী করে তখন সে চায় সবার কাছে সেইরকমই থাকতে। তাই বলে এটাও ঠিক না যে, হরিপদর ছেলের নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হতে পারবে না। পারবে অবশ্যই পারবে। কিন্তু নিশ্চই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামে বাংলা সাহিত্যে আর কোন কবির আর্বিভাবও হবে না। যদি বাস্তবেই কোন মর্ডান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতা লিখতে লিখতে আবারো নোবেল প্রাইজ পেতে বসে তবে নিশ্চই সে নিজ থেকেই তার অন্য নাম বেছে নিবে।

প্রথম আলো ব্লগ ওপেন হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই মুখরিত হয়ে উঠেছে নতুন নতুন ব্লগারের কলোরবে। খুব খুশির কথা। কিন্তু এটাও শোন যাচ্ছে, কেউ কেউ বলছেন, "ঐটা কিন্তু আমার নিক নয়"। ধরে নিলাম সে সত্যি বলছে। সেই কথাগুলোর সূত্র ধরেই আমার এই পোষ্টটি লেখা। আর অন্যের একটা প্রতিষ্ঠিত নিক নিয়ে আরেকটা ব্লগ প্লাটফরমে নিক রেজিষ্ট্রেশন করা কিন্তু ভালো কথা নয়। আমরা কখনই একটি ব্লগ থেকে অন্য ব্লগকে আলাদা ভাবি না। বিশ্বাস করি, এদের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই। আর তা ভাবার কোন কারণই নেই। এখানে কোন গ্রুপিং নেই।

আমি বিশ্বাস করি, প্রথম আলো একটা মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ব্লগসাইট ওপেন করেছে। তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো, বাংলায় ব্লগিংটা আরো সাবলীল করা। মানুষকে কথা বলতে দেবার জায়গাটা আরো বড় করে দেয়া। আবারো তাদের এই জন্য ধন্যবাদ। যেহেতু তারা একটা দায়িত্ব নিয়েছে ব্লগারদের কথা বলতে দেবার তাই একটা ব্লগারের চাওয়া পাওয়ার দিকেও নজর দেয়াটা তারা কখনই তাদের দায়িত্বের বাহিরে রাখতে পারেন না। একটা উদাহরন সহ বলি, সচলায়তনের প্লাটফরম দিয়ে যে ব্লগার একটা বিশেষ নিকে চরিত্র সৃষ্টি করতে পেরেছেন, সেই ব্লগার যদি সামহোয়ার বা প্রথম আলোর ব্লগের কাছে রিকোয়েষ্ট করে সেই নিকেই তাকে ব্লগিং করতে দেয়া হোক, তবে কর্তৃপক্ষের যাচাই করতঃ সেই ব্যাক্তিকে সেই নিকে ব্লগিং করতে দেয়া উচিত। এতে যেমন সেই ব্যাক্তি ব্লগিং করতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন ঠিক তেমনি পারমিশনদাতা কর্তৃপক্ষের উদারতা প্রকাশ পাবে।

আসলে যদিও ব্যাপারটা "আগে আসলে আগে পাবেন"। তারপরেও যা হবার হয়ে গেছে, এখনও যদি প্রথম আলো ব্লগ কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করে তবে এসব সমস্যা সমাধান করতে পারে। আরেকটি উদাহরন দেই, চিকনমিয়া নিকটি সামহোয়ারে প্রতিষ্ঠিত একটা ফানি নিক, আমি বিশ্বাস করি এই নিকটির আড়ালে যে মানুষটি আছেন, তার একটা ব্লগিং চরিত্র আছে। সেই চরিত্রের মজা কিন্তু অন্য কোন লোক এই নিকে নিয়ে দিতে পারবে না। সেক্ষেত্রে আমার না জানার জন্য আসল নিকটির উপরে আমার শ্রদ্ধা হারাবে। ফলাফল, আমি সেই ফেক নিকের পাশাপাশি ব্লগিং করতে বিব্রত বোধ করবো। তাই সব ব্লগ কর্তৃপক্ষগুলো পারস্পরিক সৌহার্দ বজায় রেখে চলে, তবে আমরা ব্লগারগণ স্বাচ্ছন্দ্য ভাবে ব্লগিং করতে পারি।

আমার এই আর্জিটুকু সব ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে রাখলাম। আপনাদের সুদৃষ্টি কামনা করছি। (এই পোষ্টটি সামহোয়ারইনব্লগ ও প্রথমআলো ব্লগে একইসাথে প্রকাশিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28860558 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28860558 2008-10-27 16:39:19
ঢাকার যানজটের পরিস্থিতি এখন যেন, দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া
সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সকল স্কুলের সময়সূচী পরিবর্তন করে সকাল সাড়ে সাতটায় করা হয়েছে। ঠিক আছে মেনে নিলাম। স্বাগত জানাই। কিন্তু আমার কেন যেন মনে হচ্ছে এই সময়সূচী ঢাকা শহরের জন্য প্রযোজ্য নয়। এটা ঢাকার বাহিরের অঞ্চলে আরোপ করলে চলতো। ঢাকার ব্যাপারটি একটু আলাদা। এমনও অনেক উদাহরন আছে কোন ছাত্র-ছাত্রীদেরকে প্রায় ঢাকার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে স্কুলে যেতে হয়। কিন্তু একটা জেলা বা উপজেলা শহরের কিন্তু তা সাধারনত দেখা যায় না।

তাহলে ঢাকায় যে ছাত্রের স্কুল সাড়ে সাতটায় উপস্থিত হতে হয় তাকে ঘুম থেকে উঠতে হয় অনেক ভোরে, তারপর প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নাস্তা করে গাড়ী জন্য রাস্তায় অপেক্ষা করতে হয়। আর গাড়ী পাওয়া তো মামুর বাড়ীর আবদার নয়। রাস্তায় বাস, সিএনজি, টেক্সিক্যাব ওয়ালাদের যে গায়ে তেল! তারপর তো পথে যানজট রয়েছেই।

ঠিক আছে, সব কিছুই মানা যায়। কথায় আছে, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। না হয় ঢাকার স্টুডেন্টরা আর অভিভাবকরা কষ্টই করলো কিন্তু তাতে কি কোন রেজাল্ট আসছে? মোটেই আসছে না। স্কুল ও অফিসের টাইম ভিন্ন হওয়ার জন্য রাস্তায় যানজট কমার কথা ছিল কিন্তু এই থিওরীও মনে হয় ভুল বলে গন্য হচ্ছে।

এই নতুন নিয়মের ফলে রাস্তায় তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। মানে আমরা যারা বাসা থেকে সাধারনত সকাল সাড়ে সাতটায় বের হই অফিসে যাওয়ার জন্য তারা আর সময় মত অফিসে যেতে পারছি না। আবার সন্ধ্যায় অফিস থেকে বাসায় ফিরবার পথে প্রতিদিনের চিরচেনা সেই জ্যাম ঠিকই থাকছে (যদিও এখন আরো বেড়েছে)। কিন্তু যদিও তখন রাস্তায় স্কুলের রিলেটেড কোন যানবাহন রাস্তায় থাকছে না।

তাহলে কি আমাদের এই রাজধানীবাসীর কষ্ট কোনদিনও কমবে না? অবস্থা কি আরো ঘনীভূত হবে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28860220 http://www.somewhereinblog.net/blog/miltoncis/28860220 2008-10-26 22:42:50
শীত এলো বলে.......
আমার কাছে মনে হয় বেশীরভাগ মানুষের কাছেই শীতটা একটা পছন্দের ঋতু। তবে কারো কারো কাছে মনে হয় এই শীত তারা পছন্দ করেন না। আমি শীত ঋতুটাকে খুব পছন্দ করি এবং এনজয় ক