আমি আলিম আল রাজির তোমরা তো সেই পাকি জারজই। নাকি? সো তোমাদের কাছ থেকে জাফর ইকবাল স্যারের সার্টিফিকেট পাওয়া লাগবে না। শিরোনামের লেখায় আমার প্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের কয়েকটি বইয়ের নাম ব্যবহার করে হালকা চালে একটা কমেন্ট করি। রাজি সাহেব কমেন্ট পড়ে খুব প্রশংসা করেন এবং অনুরোধ করেন আমি যেন এই কমেন্ট দিয়ে একটা পোস্ট দিই। তার অনুরোধেই কমেন্টটি ব্লগে প্রকাশ করলাম।
মোসাজস ও তার সঙ্গীসাথী পশুপাখিরা দেখছি ভালই খেপেছে। এদের নাট বল্টু ঢিলে হয়ে গেছে। রেগে গিয়ে কখন হয়ত এদের ভেতরের দানব বেরিয়ে আসবে। তারা রঙ্গিন চশমা পরে ঘুরে বেড়ায়। এরা নিজেও জানেনা যে এরা অন্ধকারের গ্রহ-এ বাস করছে। এ গ্রহ বিবর্ণ তুষার-এ ঢাকা। এরা প্রত্যেকেই নিঃসঙ্গ গ্রহচারী। এদের চোখ অক্টোপাসের চোখ-এর মত পাতাহীন। তাদের মস্তিষ্ক প্রেত ও পিচাচিনীর ঘাটি, আধুনিক ঈশপের গল্প শুনালে কিংবা আরো আধ ডজন স্কুল- এ পড়ালেও এদের নিউরনে অনুরণন হবেনা। এরা জলজ প্রাণীর মত- আধুনিক পৃ (অর্থাৎ পৃথিবী) এর সাথে এদের সম্পৃক্ততা তেমন একটা নেই। কেউ যদি প্রশ্ন করে ট্রাইটন কী? এরা বলবে, ট্রাইটন একটি গ্রহের নাম।
লেখককে বলছি. ৭১ এ দুঃস্বপ্নের পর ২০০১ সাল থেকে আমাদের দুঃস্বপ্নের দ্বিতীয় প্রহর শুরু হয়েছে। আমাদের এক টুকরো লাল সবুজ কাপড়- এর পতাকা বাঁচাতে হলে সেই দুঃস্বপ্নকে তাড়াতে হবে। এরা বেজির চেয়েও সতর্ক। সাদাসিধে কথায় বা কাজে এদের রুখা যাবেনা। বুবুনের বাবার মত এদের সামনে বুক ফুলিয়ে দাঁড়ালে এরা ভয়ে কুঁকড়ে যাবে। কবিগুরু বলেছেন-
যখনি দাঁড়াবে তুমি সম্মুখে তাহার তখনই সে
পথ কুক্কুরের মত সংকোচে সত্রাসে যাবি মিশে।
আপনাদের দলের নাম ব্ল্যাক ড্রাগন। আপনারা ব্ল্যাক ড্রাগনরা মিলে এই ব্লগের দস্যি ক'জন আর দুষ্টু ছেলের দলদের ঝেটিয়ে সিধে করুন।
আমি তপু এখানে কোন ক্যাম্প করব না। আমি বলছিনা যে আমি একজন দুর্বল মানুষ, টি-রেক্সের সন্ধানে আমাকে আমেরিকা যেতে হচ্ছে সেজন্যই করবনা। হাতে সময় খুব কম কিন্তু কাজ অনেক। বকুলাপ্পু বলে দিয়েছে বৃষ্ঠির ঠিকানায় একটা চিঠি লিখতে। নায়ীরা ই-মেইল পাঠিয়েছে, লিখেছে কাজলের দিনরাত্রি আজকাল ভাল যাচ্ছেনা, নয় নয় শূন্য তিন মডেলের একটা দামী মোবাইল নাকি সে হারিয়ে ফেলেছে। আমার বন্ধু রাশেদ আমেরিকা থেকে ফোনে জানিয়েছে নিতু আর তার বন্ধুরা নাকি আমার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তারা বলে দিয়েছে আমি যদি তাদের জন্য সবুজ ভেলভেট- এর জামা নিয়ে না যাই তাহলে তারা আমাকে সায়রা সায়েন্টিস্ট, বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা আর বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার- এর কিছুই দেখাবে না।
যাই হোক. দেশের বাইরে দেশ- এ যাচ্ছি, মন খারাপ লাগছে। ইচ্ছে ছিল যাওয়ার আগে আঁখি এবং আমরা ক'জন মিলে কোথাও বেড়াতে যাব- কিন্তু হলনা। ইরন ছাড়া কারও কাছ থেকেই বিদায় নেওয়া হয়িনি।
অনেক ছেলেমানূষী কথা বলে ফেলেছি, ক্ষমা করবেন। শাহনাজ ও ক্যাপ্টেন ডাবলু বলেছে আমার জন্য খাস দিলে দোয়া করবে। আপনারাও প্লিজ দোয়া করবেন। আমি একটা মেয়েকে ভালবাসি, মেয়েটির নাম নারীনা, সে একটা স্কুলে পড়ায়, স্কুলের নাম পথচারী। তার জন্যও দোয়া করবেন। তাকে দেশে রেখে যাচ্ছি, খুব খারাপ লাগছে। এক পীর সাহেব বলেছেন তার উপর নাকি কাবিল কোহকাফী নামের একটা জ্বীনের নজর আছে। টুকুনজিল অবশ্যি বলেছে দেখেশুনে রাখবে, তারপরও ভরসা পাচ্ছিনা।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


