এদিকে, ১৯৮৮ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী এক ছাত্রনেতাকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তারা দাবি করেন, রোববারের সমাবেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। গত মাসে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর থেকে বিভিন্ন শহরে সরকার সমর্থকদের এ রকম সমাবেশ হলেও ইয়াঙ্গুনে এ ধরনের সমাবেশ রোববার প্রথম।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয়। অভিযোগ পাওয়া গেছে এদের মধ্যে অনেককে অর্থের বিনিময়ে ভাড়া করা হয়।
এক অংশগ্রহণকারী জানান, শহরের শিল্পাঞ্চলের প্রতিটি কারখানা থেকে ৫০ জনের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়।
অন্য একজন রয়টার্সকে বলেন, "কর্তৃপক্ষ যা লিখে দিয়েছে বক্তারা সমাবেশে সে বক্তব্যই দিয়েছেন।"
সমাবেশ ও র্যালি থেকে পশ্চিমা সরকার ও গণমাধ্যমবিরোধী শ্লোগান দেওয়া হয়। বিরোধীদলীয় নেত্রী অং সান সু চিকে 'ধ্বংসাত্মক' উল্লেখ করে শ্লোগান দেয় অংশগ্রহণকারীরা।
শুক্রবার রাতে বিরোধী ছাত্রনেতা হিতে কিউইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিউই ১৯৮৮ সালে সামরিক জান্তাবিরোধী ব্যর্থ অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা।
এদিকে, জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইব্রাহিম গাম্বারি রোববার সিঙ্গাপুর পৌঁছানের কথা। আশা করা হচ্ছে মিয়ানমার সফরের জন্য তিনি সিঙ্গাপুর থেকে আবার প্রস্তুতি নেবেন। চলতি মাসের শেষের দিকে তিনি মিয়ানমার সফর করতে পারেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

