somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আধুনিকতা ও স্বেচ্ছাচারিতার ভয়াবহ পরিণাম­ প্রেক্ষাপট চীনের সাম্প্রতিক ভূমিকম্প । ভাববার বিষয়। ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে অথবা ব্যস্ত না থেকেও মানুষ যেভাবে স্বেচ্ছাচারিতার মধ্যে পড়ে আছে, সে ক্ষেত্রে স্রষ্টা, জীবনবিধান এসব কিছু নিয়ে চিন্তা গবেষণা, পড়শোনা তার কাছে একটা বাড়তি ব্যাপার বৈকি, কিন্তু মানুষের এ বিষয়টি ভাবা দরকার যে, তার নিয়ন্ত্রণের রিমোট কন্ট্রোল এক মহামহিমের হাতে। যিনি শুধু মানুষেরই নন, যিনি সারা পৃথিবী, আসমান, জমীন, গ্রহ, উপগ্রহ সমস্ত সৃষ্টির পরিচালনার দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করছেন। তিনি মানুষের জন্য দিয়েছেন কল্যাণময় পথ-জীবনবিধান মহাগ্রন্থ আল কুরআন। যুগে যুগে নবী-রাসূলগণ, তাদের অনুসারীরা মানুষকে আহ্বান করেছেন স্রষ্টা প্রদত্ত সে পথের দিকে। যে পথ মুক্তির, যে পথ কল্যাণময় ও শান্তির পথ, মানুষ যখন এই মুক্তির পথকে এড়িয়ে চলে, পাশ কাটায়ে এগিয়ে যায়, স্বেচ্ছাচারিতার দিকে, তখন গর্ব, অহংবোধ-আত্মম্ভরিতা তার মধ্যে বাসা বাঁধে। সে নিজে আইন প্রণেতা সাজে লংঘন করে স্রষ্টার বিধানকে, যখনই সে স্রষ্টার বিধানকে লংঘন করে, তখনই তিনি সেসব জাতির উপর বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ চাপিয়ে দেন। আদ, সামুদ, জাতি, লুতজাতি, আইকাবাসী, নমরুদ, ফেরাউনদের এসব জাতির নির্মম পরিণামের কথা অনেক পাঠকের অজানা থাকার কথা নয়। আল্লাহ এসবের মাধ্যমে স্মরণ করিয়ে দেন শিক্ষা, শাস্তি ও তিনিই সব শাসকের বড় শাসক, তাঁর চেয়ে আর কেউ শক্তিমান নয়। ইতিহাস কথা বলে কিন্তু তারপরও মানুষের বোধোদয় হয় না, শাসনের দন্ডভার নিজেরা হাতে তুলে নেয়, শোষিত হয় একশ্রেণী। প্রণয়ন করে বিভিন্ন আইন, তখন সে আইন মানুষের জীবনের স্বাভাবিকতাকে ব্যাহত করে, স্রষ্টা ও প্রদত্ত মানুষের জীবনের সকল স্বাভাবিক চাওয়া-পাওয়ার উপর, আর একশ্রেণীর মানুষ যখন আইন ও শাসনের নামে জুলুমের ছড়ি ঘোরায়, তার ফলশ্রুতি যে, কত ভয়াবহ হতে পারে বর্তমানে চীনের হাজার হাজার পিতা-মাতা তা হাড়ে হাড়ে মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছেন, অসহনীয় যন্ত্রণায় জীবন কাটাচ্ছে তারা। তাদের এই দু:সহ যন্ত্রণা কাতর জীবনের কারণ সে দেশের কম্যুনিস্ট সরকারের বিতর্কিত “এক সন্তান নীতি”- সম্প্রতি, চীনে এক ভয়াবহ ১২ মে ২০০৮ সোমবার এই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। পরবর্তী খবরে বলা হয় মৃতের সংখ্যা ৮০ হাজারে ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই ভূমিকম্পে ধসে যাওয়া স্কুলগুলোতে যে সকল শিশু নিহত হয়, তাদের বেশির ভাগই পিতা-মাতার একমাত্র সন্তান।
এএফপির খবরে প্রকাশ “গত সোমবারের ভয়াবহ ভূমিকম্পে সবচেয়ে হৃদয় দিারক পরিস্খিতি সৃষ্টি করেছে ধসে যাওয়া স্কুলগুলো ধ্বংসাবশেষের বাইরে উদ্বিগ্ন বাবা মায়ের চিন্তাক্লিষ্ট চেহারা। কিছুক্ষণ পরপরই ধসে যাওয়া স্কুল ভবন থেকে বের করে আনা হচ্ছে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া ছোট ছোট শরীর। এদের বেশির ভাগই বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান, সন্তান হারানোর যন্ত্রণা সব সময়ই অসহনীয়, তবে চীনের ভূমিকম্পদুর্গত এলাকার বহু বাবা মায়ের দু:খ আরো অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে সরকারের বিতর্কিত এক সন্তান নীতি। খবরে আরো বলা হয়, গত সোমবার ভূমিকম্পের সময় ক্লাসরুমগুলো বিকেলের পড়া তৈরির জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল। এই ভূমিকম্পে নিহত অথবা চাপা পড়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা পঞ্চাশ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, চাপা পড়াদের বেশির ভাগই শিশু, হাংওয়াং নামের ৭০ হাজার অধিবাসীর একটি শহর পুরোটাই মাটির সাথে মিশে গেছে। সময় পার হবার সাথে সাথে ধসে পড়া স্কুলগুলোর ভেতর থেকে শিশুদের আওয়াজও ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। (দৈনিক নয়া দিগন্ত শনিবার ১৭ মে ২০০৮, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪১৫) এই ভূমিকম্পে কোল খালি হয়ে গিয়েছে হাজার হাজার পিতামাতার। সন্তানের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তারা সরকারের এক সন্তান নীতিকে অভিশাপ দিচ্ছে।
উফু বেই চুয়ান (চীন) থেকে এপি'র খবরে আরো বলা হয়, “এক সন্তান সুখের চাবিকাঠি”। কম্পিউনিস্ট চীনের ঘোষিত এই নীতিই এখন অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। বাইকাইউই ও তার স্ত্রী মেইলিনের মতো ভূমিকম্প পীড়িত সিচুয়ান প্রদেশের হাজার হাজার দম্পতি একমাত্র সন্তানকে হারিয়েছেন। বাড়িঘর চাষের জমি মাথার ছাদসহ সবই গিয়েছে, আর ধ্বংসস্তূপে চিরশয্যা নিয়েছে তাদের একমাত্র সন্তান। চারদিকে ধ্বংসলীলার মধ্যে সন্তান হারানোর হাহাকার এদের বাঁচার স্বপ্নটাকেও চুরমার করে দিয়েছে। এক সরকারি বিবৃতিতে চীন জানায়, মধ্য চীন জুড়ে এই বিপর্যয়ের জেরে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। এদের মধ্যে ২২ হাজার হলো স্কুল পড়ুয়া, ৬৯০০টি শ্রেণী কক্ষ ধ্বংস হয়েছে। স্কুলপড়ুয়ারা বেশির ভাগই ছিলো তাদের মা বাবার একমাত্র সন্তান। দেশে প্রবল জন বিস্ফোরণ ও খাদ্য সংকট রুখতে ১৯৭০ সালে ‘একসন্তান” নীতি সংক্রান্ত কড়া আইন চালু করেছিল কমিউনিস্ট সরকার। সেটাই এখন কাল হয়ে দেখা দিয়েছে ভূমিকম্পে সর্বহারা দম্পতিদের কাছে। এত স্কুলবাড়ি এভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়লো কেন? তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সন্তানহারা মা বাবাদের তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে এই প্রশ্ন।
সারা বিশ্বজাহানের যিনি স্রষ্টা, তিনি এই পৃথিবীতে মানুষকে কিছু স্বাধীনতা দিয়েছেন। যার প্রেক্ষিতে মানুষ কোন বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। আর যখন কোন মানুষ সিদ্ধান্ত নেয়, সে সংকীর্ণ স্বার্থ চিন্তা ও বাহ্যিক সুখ শান্তি দেখেই সিদ্ধান্ত নেয়, নিজেদের জন্য নীতি-নির্ধারণ করে যা অনেক ক্ষেত্রেই স্বেচ্ছাচারিতার রূপ পরিগ্রহ করে। সে ভেবেও দেখে না এই স্বেচ্ছাচারিতা তার জন্যই বুমেরাং হতে পারে। যিনি আহকামুল হাকেমীন, যিন অতীত, বর্তমান ভবিষ্যৎ সব জানেন তিনি তার সৃষ্টির কল্যাণের জন্যই সমস্ত নীতি-নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তার নীতির বাইরে যখন মানুষ স্বেচ্ছাচারিতায় মেতে উঠে, সীমা লঙ্ঘন করা শুরু করে। তখন তিনি সেসব মানুষের উপর, সে জাতির উপর গযব পাঠান। কুরআনের জ্ঞানে দৃঢ় বিশ্বাসী কোন মানুষের নিকট এ ধরনের আজাব-গযবের কেন'র উত্তর সুস্পষ্ট। কিন্তু যারা স্রষ্টাকে বিশ্বাস করে না, তাকে নিযে চিন্তা করার মতো সময়টুকু ব্যয় করতে নারাজ, তাদের কাছে এ ধরনের ভয়াবহ আযাব কোন শিক্ষাই নিয়ে আসে না, বরং রবের বিধানের কথা বললে তারা তাকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে উড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয় যারা স্রষ্টা নির্ধারিত পথে চলছেন, মানুষ ও মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত রয়েছেন, স্রষ্টা প্রদত্ত নিয়ম-নীতিতে সমাজ রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা চালাচ্ছেন, বিশ্বের নানা জায়গায় তারা আজ নির্যাতিত হচ্ছেন, মৌলবাদী, সন্ত্রাসী, জঙ্গী আখ্যা লাভ করছেন; ভয়াবহ ষড়যন্ত্র, জেল-জুলুমের স্বীকার হচ্ছেন, আজ এই পরাশক্তিরা ক্ষমতার দাপটে এই ধরনের কার্যকলাপ চাপিয়ে গেলেও দুনিয়া ও আখেরাতে সব শাসকের বড় শাসক যিনি তার নিকট নানা ধলনের আজাব-গযবের সম্মুখীন হতেই হবে। মহান আল্লাহ বলেন; “তোমার পূর্বেও বহু নবী রাসূলকে (সা<img src=" style="border:0;" /> ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা হয়েছে, কিন্তু আমি সব সময়ই অস্বীকার ও অমান্যকারীদের ঢিল দিয়ে এসেছি, আর শেষ পর্যন্ত তাদেরকে পাকড়াও করেছি। তারপর লক্ষ্য করো, আমার শাস্তি কত কঠিন ছিল। (আর রাদ : ৩২)
আল্লাহ পাক আরো বলেন, “তারপর লক্ষ্য করো, শেষ পর্যন্ত আমরা তাদের সাথে কৃত ওয়াদাপূর্ণ করেছি। আর তাদেরকে এবং আর যাকে যাকে আমরা চেয়েছি বাঁচিয়েছি, আর সীমা লঙ্ঘনকারীদের ধ্বংস করে দিয়েছি।” (আল আম্বিয়া : ৯)
(যে মানুষ) আমরা তোমাদের প্রতি এমন একখানি কিতাব পাঠিয়েছি, যাতে তোমাদেরই উল্লেখ রয়েছে, তোমরা কি বুঝতে পার না? (সূরা আল আম্বিয়া : ১০)
“কত অত্যাচারী জনবসতিই এমন আছে যেগুলোকে আমরা পিষে চূর্ণ-বিচুর্ণ করে দিয়েছি এবং তাদের পরে আমরা অন্য কোন জাতিকে উথিত করেছি।” (সূরা আল আম্বিয়া : ১১)
“তারা যখন আমাদের আযাব অনুভব করতে পারলো তখন তারা সেখান হতে পালাতে লাগলো ” (আল আম্বিয়া : ১২)
“(বলা হলো) পালিও না, তোমরা যাও তোমাদের সে সব ঘর বাড়িতে ও আরাম-আয়েশের সরঞ্জামে যা নিয়ে তোমরা মহা আরামে নিমগ্ন হয়েছিলে;” (আম্বিয়া : ১৩)
“তারা বলতে লাগলো : হায়! আমাদের দুর্ভাগ্য। নি:সন্দেহে আমরা অপরাধী ছিলাম” (আল আম্বিয়া : ১৪)
“তারা এই চিৎকারই করতে থাকলো­ ততদিন যখন আমরা তাদেরকে চূর্ণ ভস্মে পরিণত করে দিয়েছি, জীবনের সামান্যতম স্ফূরণও তাদের মধ্যে অবশিষ্ট ছিলো না” ( আল আম্বিয়া : ১৫)
এই ধরনের লোকদের জন্য দুনিয়ার জীবনেই আযাব রয়েছে, আর পরকালীন আযাব তো তা হতেও কঠিন ও কঠোর। এমন কেও নাই যে, তাদেরকে আল্লাহর আজাব হতে রক্ষা করবে।” (আর রাদ : ৩৪)
এই পৃথিবীতে, মানুষের জীবনে, সমাজে, রাষ্ট্রে নানা ঘটনা-দুর্ঘটনা বিপদ-আপদ, মুসিবত, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছðাস, ভূমিকম্প ও নানা দুর্যোগ আসে। কিন্তু মানুষ সেসব দুর্যোগ মুসিবত, ঘটনা, দুর্ঘটনা হতে কোন শিক্ষাগ্রহণ না করে পুনরায় বল্গাহীন স্বেচ্ছাচারী জীবনের দিকে এগিয়ে যায়। কামাই করে নিজের জন্য অকল্যাণের ফসল। যা তার জন্যই সৃষ্টি করে বিপর্যয় ও বিশৃকôখলা, অশান্তি ও হাহাকার, যা পরে আফসোস ও আক্ষেপে রূপান্তরিত হয়। যেটা আজ চীনের হাজার হাজার পিতা-মাতার ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হচ্ছে। মহান আল্লাহ বলেন, “মানুষের কৃতকর্মের দরুন জলে স্খলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে, যার ফলে তাদেরকে তাদের কিছু কৃতকর্মের স্বাদ-আস্বাদন করানো যায় হয়তো তারা বিরত হবে।” (সূরা আর রুম : ৪১)
তাই, লেখার শুরুতে উপস্খাপন করেছিলাম যে কথা, মানুষ যতই ব্যস্ততা ও আধুনিকতার দিকে এগিয়ে যাক না কেন, তার এই স্বনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন কতটা অভিশপ্ত ধ্বংসাত্মক ও অশান্তিপূর্ণ তার চারপাশেই সে সাক্ষ্য বিরাজমান। প্রশান্তির অমিয় স্বাদ পেতে স্রষ্টা নিয়ন্ত্রিত পথই একমাত্র অবলম্বন। বিবেক বোধকে শাণিত করে, এ পথে প্রত্যাবর্তনের গুরুত্ব নিজেকেই উপলব্ধি করতে হবে। মহামুক্তির পথে প্রত্যাবর্তনের অবকাশ বার বার আসে না; কেননা পৃথিবীর জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28812297 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28812297 2008-06-22 07:48:05
হ্যালো এটা কেমন কথা? আপনার ব্লগ টি ভাল লাগছে।
আপনি শেষ ২৫ ডিসেম্বর ২০০৭ সন্ধ্য ৬.৩৫ এ পোষ্ট করেছেন। আবার আজকে পোষ্ট করেবন বলে আশা রাখি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28758891 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28758891 2008-01-08 16:42:55
জটিল ও গরম খবর!! তারা হলেন:
আইন উপদেষ্টা: ব্যারিষ্টার মঈনুল হোসেন
ধর্ম উপদেষ্টা: ডা: এ এস এম মতিউর রহমান
খাদ্য উপদেষ্টা: তপন চৌধুরী
শিল্প উপদেষ্টা: গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী
ব্লগাররা অনুভূতি ব্যক্ত করেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28758882 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28758882 2008-01-08 16:30:46
বিশিষ্ট দামী ব্লগাররা ! আপনাদের লেখা কমে গেছে কেন? আবূ সামীহা
বই পাগল
ওয়ামী
ফজল
নূরা পাগলা
আওরঙ্গজেব
ফারজানা ১৬
লেডী
রাজনীতি
আশা করি আবার আপনারা ব্লগে লেখা শুরু করবেন।
আপনাদের জন্য আমরা উন্মুখ হয়ে আছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28758877 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28758877 2008-01-08 16:20:07
সবাইকে পড়ার জন্য আমন্ত্রন রইল। সহীহ বুখারী ও মুসলিম।
অতএব আমাদের সকলকে আল্লাহ দেয়া পথে চলা এবং ফিরে আস উচিৎ। /<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28754574 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28754574 2007-12-28 13:04:35
ঈদ মোবারক!ঈদ মোবারক!ঈদ মোবারক!ঈদ মোবারক!ঈদ মোবারক!ঈদ মোবারক! আপনাকে স্পেশাল ঈদ মোবারক! আপনার পোষ্ট এর অপেক্ষায় রইলাম।
সবাই কে ঈদ মোবারক! গতকাল মজা লাগছে। কিন্তু আজকে মজা লাগছেনা। আবার বাসায় আগামীকাল আরো দুটি গরু কোরবানী হবে। অতএব ভেজাল আরো বেশী। আর এজন্য ব্লগের সকলকে আমার বাসায় আসার দাওয়াত রইল। ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28753214 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28753214 2007-12-22 14:34:09
ভোটের গুরুত্ব কতটুকু? ইসলাম এর আলোকে এর বিধান। এই সব নির্বাচনে যারা দাড়ায় তাদের মধ্যে এমন লোক ও থাকতে পারে , যাকে জনগন ভাল লোক মনে নাও করতে পারে। কিন্তু ধনবল, জনবল থাকায় বেশী ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়ে যায়। কেনা অসত লোক যদি চয়ারম্যান বা মেম্বার হয়ে যায় এবং ক্ষমতা হাতে পেয়ে জনগনের সেবকার রবদলে নিজের স্বার্থ হাসিল করার কাজে লিপ্ত হয়, তবে নির্বাচনেরর সময় ব্যয় করা অর্থ দুর্নীিত করে কামাই করে নেয়।
তাই ভোট দাতাদের বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকা জরুরী। যাতে করে সত ও যোগ্য লোক নির্বচিত হয় এবং কোন অসত লোক পাশ করতে না পারে। যদি কোন অসত লোক নির্বাচিত হয় তাহলে সে যত গুনাহের কাজ করবে আখিরাতে এর সমান শাস্তি তারাও ভোগ করেব। আর যদি সত লোক পাশ করে তার সওয়াব ও তারা পেতে থাকবে।
অতএব দো গেল, নির্বাচনে ভোট দেয়াটা কোন খেল তামাশার বিষয় নয়। এটা এক বিরাট পবিত্র দায়িত্ব। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28748148 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28748148 2007-11-28 15:47:08
সন্ধ্যা য় কি রাজনীতি প্যাচালের দিন.....? কি বলেন? http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28747157 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28747157 2007-11-23 18:55:47 সকল সৃষ্টির জন্যই আল্লাহ নিয়ম কানুন দিয়েছেন...... http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28746476 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28746476 2007-11-20 08:00:55 অবশেষে প্রধান উপদেষ্টা সঠিক কথা বললেন"" http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28745617 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28745617 2007-11-15 07:17:23 মুসলিম পরিবারে জন্মালেই কি মুসলমান হয়ে যায়? কাফিরের কোন সন্তান যদি ঈমান, ইলম ও আমলের গুনের কারনে মুসলিম হয়, তাহলে কোন মুসলিম সন্তানের মধ্যে এসব গুন না থাকলে তাকে কি কারনে আল্লাহ মুসলিম হিসেবে গন্য করবেন?
একজন ডা: এর সন্তান যদি ডাক্তারী বিদ্যা না শেখে , তাহলে তাকে কি কেউ ডা: বলে শিকার করবে? কোন শিক্ষকের মূর্খ সন্তান যদি নিজেকে শিক্ষক বলে দাবী করে তবে কি সে শিক্ষক বলা যায়?অতএব মুসলিম পরিবারে জন্মালেই কি সে মুসলমান?

আগামী কিস্তিতে
'' মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করাও এক নেয়ামত'' আলোকপাত করা হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28745475 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28745475 2007-11-14 19:40:15
দুনিয়ায় নবী পাঠানোর উদ্দেশ্য........
আগামী কিস্তেতে ''দ্বীনদারী বনাব দুনিয়াদারী '' বিষয়ে আলোকপাত করা হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28744655 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28744655 2007-11-11 15:27:28
পরিপূর্ন জীবন বিধান হিসেবে ইসলাম. (ধারাবাহিক) মানুষের জীবনে বহুদিক রয়েছে। ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি।
কিন্তু সাধারন ভাবে এসব দিক থেকে ধর্মকে আলাদা মনে করা হয়। অন্যান্য ধর্মে অবশ্য আলাদাও বটে। কিন্তু ইসলামে ধর্মীয় দিকটি অন্যান্য দিক থেকে আলাদা। বরং সকল দিকেই ইসলামের সুস্পষ্ট প্রভাব বিদ্যমান।
ইসলামের দৃষ্টিতে ধর্মীয় দিকটি গোটা মানবজীবনের চালিকা শক্তি।
আল্লাহর দাসত্ব , রাসূল সা: এর আনুগত্য ও আখিরাতের জবাবদিহিতা এ তিনটি ধর্মীয় নীতি হলেও মুসলমানদের গোটা জীবনের সাথে এগুলোর ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে।
মুমিনের জীবনে দ্বীনদারী ও দুনিয়াদারীতে কোন তফাত নেই। ঐ তিনটি ধর্মীয় নীতি অনুযায়ী কাজ করলে দুনিয়াদারী বলে গন্য সকল কাজই দ্বীনদারীতে পরিনত হয়।

আগামী কিস্তিতে- দুনিয়ায় নবী পাঠানোর উদ্দেশ্য পেশ করা হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743969 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743969 2007-11-09 15:06:25
ঐতিহাসিক শিমলা চুক্তি ও দিল্লী এগ্রিমেন্ট ও জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেলের বক্তব্য একটি বিশ্লেষন............... তিনি বলেছিলেন দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই''
চুক্তি দুটো যা বলে-
‌‌‌‌''১৯৭৩ সালে ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড: কামাল হোসেন ভারত সফর করেন। এ উপলক্ষে ভার বাংলাদেশ একটা যুক্ত ঘোষনা প্রকাশ করা হয়। এই ঘোষনাতেই প্রথম মানবিক কারনে পারস্পরিক ভিততিতে পাকিস্থানী যুদ্ধবন্দীদের স্বদেশে পাঠানো ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বলা হয়।Document of india –bangladesh-pakistan relations dec.71-june74 , an information service of india publications, sree saraswati press limited, calcutta, page-43
এই ঘোষনায় যুদ্ধাপরাধীদের কোন সংখ্যা উল্ল্যেখ ছিলনা। এই বছরেই ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার প্রথম বারের মত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তাতে যুদ্ধাপরাধীদের সংখ্যা ১৯৫ জনের কথা বলা হয়। ঐ ৪৩-৪৪ পৃ<img src=" style="border:0;" />
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ২ দিন পর ১৯ এপ্রিল ড: কামাল হোসেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বলেন, মানবিক কারনে যুদ্ধাপরাধীদের ছাড়া যুদ্ধবন্দীদের ও অন্যান্য আটকে পড়াদের রিপ্যাট্রিয়েশনের মাধ্যমে ব্যাবস্থা করা হবে। ঐ ৪৫-৪৬ পৃ)
অন্যদিকে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৪ এপ্রিল ভারতের পার্লামেন্টে জানান , সিমলা চুক্তি তে উল্লেখিত সব ব্যাপার নিয়ে পাকিস্তান আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়। তারা প্রথমে যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে আলোচনা করতে চায়। পাকিস্থান বলেছিল যে, তাদের ১০০০ বা তারও বেশী সৈন্য ও অফিসার আছে যাদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমান আছে। তাদের বিচার বাংলাদেশ করলে তারা মেনে নেবে এই শর্তে যে, অন্যান্য সৈন্য ও অপিসারদের স্বদেশে ফেরত পাঠাতে হবে। কিন্তু পাকিস্তান এখন বলছে তাদের কোন সৈন্যের বিচার তারা করতে দেবে না। ..... আমি আশা করি সমস্যার সমাধান হবে। ঐ ৪৭,৫০,৫১ পৃ)
এর ৪ মাস পর ২৮ আগষ্ট তারিখে পাকিস্তান ও ভারত একটা জয়েন্ট এগ্রিমেন্ট প্রকাশ করে। তাতে বলা হয় বাংলাদেশ রাজি হয়েছে এই শর্তে যুদ্ধবন্দী সহ আটকে পড়াদের রিপ্যাট্রিয়েশনের গোটা সময় কালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তারা করবেনা। রিপ্যাট্রিয়েশনের পরে বাংলাদেশ , ভারত ও পাকিস্তান একসাথে বসে যুদ্ধাপরাধীদের বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। এবং বাংলাদেশ এ বিষয়ে সমঅধিকারের ভিততিতে আলোচনা করবে। ঐ ৫৯,৬০ পৃ)
এর ৫ মাস পর ১৯৭৪ সালের ১৩-১৫ ফেব্রয়ারী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরনসিং বাংলাদেশ সফর করেন। এই সফরের পর যুক্ত ঘোষনায় অনেক বিষয়ের সাথে বলা হয়যে, '' উভয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা করেন যে, দিল্লি এগ্রিমেন্ট ২৮/০৮/১৯৭৩ এর সব বিষয় বিষ্বাস যোগ্যাতার সাথে পালন করবে। উভয়ে আরো আশা করেন য, সিমলা চুক্তি ও দিল্লী এগ্রিমেন্ট এর ভিততিতে উপমহাদেশের সূ সম্পর্ক ও স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হবে। ঐ ৬৩ পৃ<img src=" style="border:0;" />
এই ঘটনার ২ মাস পরে ১৯৭৪ সালের ৯ এপ্রিল বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্থান এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিতে ১৬ টি অনুচ্ছেদ আছে। প্রথম ১২ টি অনুচ্ছেদে যুদ্ধবন্দীসহ সহ আটকে পড়া দের রিপ্যাট্রিয়েশনের ক্ষেত্রে যেসব আলোচনা, অগ্রগতি, ও বাস্তবায়ন হয়েছে তারবিবরন দেয়া হয়। চুক্তির ১৩,১৪,ও ১৫ নং অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে আলোচনা ও ক্ষমার ঘোষনা স্থির করা হয়। ১৩ নং অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধীদের আলোচনা প্রসংগে উপমহাদেশে শান্তি সমঝোতা ও বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্কের কথা বলা হয়।
এ আোচনায় বাংলাদেশের পক্ষে ড: কামাল হোসেন বলেন, আইন ও আন্তর্জাতিক বিধি অনুসারে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অপরািধির জন্য যুদ্ধারপরাধীদের বিচার প্রয়োজন।
অন্যদিকে পাকিস্তানের দেশরক্ষা ও ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজিজ আহমদ বলেন, কোন অপরাধ ঘটে থাকলে এজন্য পাকিস্তান সরকার গভীর ভাবে দু:খিত ও তীব্র নিন্দা করছে। ১৪ নং অনুচ্ছেদে বলা হয় , তিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধীদের ভিসয়টি তিন দেশের সুসম্পর্ক ও সমঝোতার দৃষ্টিতে দেখছেন। তারা বওেলন, বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি দেয়ার পর পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশের জনগনের কাছে অতীতের''ভূলকে'' Forgive and forget এর দৃষ্টিতে দেখার জন্য আবেদন করেছে।
তার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, with regard to the atrocities and destruction committed in Bangladesh in 1971 that we wanted the people to forget the past and to make a fresh start,…….. people of Bangladesh ‘knew how to forgive ১৫ নং অনুচ্ছেদে বলা হয় , উপরোক্ত অবস্থার ভিততিতে এবং বাংলাদেশী জনগনের কাছে পাকিস্তান সরকারের ক্ষমার আবেদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষনা দেন যে, The government of Bangladesh had decided not to proceed with the trails as an act of clemency , it was agreed that the 195 prisoners of war may be repatriated to Pakistan along with the other prisoners of war
অর্থাত বাংলাদেশের সরকার ক্ষমার নিদর্শন হিসেবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী অন্যান্য যুদ্ধবন্দীদের সাথে দেশে প্রত্যাবর্তন করবে। ঐ-৬৫-৬৮ পৃ<img src=" style="border:0;" />
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া ছিল দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও আলোচনার ফল। এবং সবকিছুই ছিল প্রকাশ্য। ক্ষমা ঘোষনার এই দলিলে স্বাক্ষরকরী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরনসিং ও পাকিস্তানের আজিজ আহমদ না থাকলেও ততকালীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড: কামাল হেসেন বেচে আছেন। তিনি এর জ্বলন্ত স্বাক্ষী।
ততকালীন মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার এর তদন্তানুসারে যুদ্ধাপরাধীদের সংখ্য্ ছিল ১৯৫ জন। । এর বাইরে আর কোন যুদ্ধাপরাধী থকার কথা নয়। এখনই বা নতুন করে আসবে কোথা হতে? আর এখন এ দাবী করা মনে হচ্ছে দেশের শান্তিপূর্ন পরিবেশ নষ্ট করা। এবং সরকরকে একটি ফাদে ফেলে দেয়া। এক্ষেত্রে সরকারকেও সতর্ক থাকতে হবে। এখন এ দাবী করা দশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। এছাড়াও শেখমুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করে ছিলেন। তবে হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষন, অগ্নিসংযোগ এর আওতার বাইরে ছিল। সাধারন ক্ষমা ঘোষনার পরও আওয়ামীলীগ সরকোর ক্ষমতায় ছিল। আর এসময় যারা এর আওতায় মুক্তি পেয়েছিল তারা ও জামায়াতের কেউ ছিলেননা। এবং ততসময়ে একটি মামলা বা জিডি ও কেন করা হয়নি? অতএব যুদ্ধাপরাধী একটি ইস্যু তুলে দেশ পেছনে নিয়ে যেতে চায় একটি মহল। কিন্তু এ বিচারের দাবী এখন কেবলই অমূলক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743955 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743955 2007-11-09 13:24:32
অবশেষে জামায়াত এর আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে রাষ্টদ্রোহ মামলা? http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743786 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743786 2007-11-08 19:22:51 পোষ্ট কোথায়? http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743591 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743591 2007-11-08 07:21:30 মুজাহিদ-হান্নান-কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মামলা.... উদ্যেগ ? http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743590 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743590 2007-11-08 07:12:49 কোরআন মাজীদের বানী........ ১. যখন আল্লাহর সাহায্য এসে যায় এবং বিজয় লাভ হয়
২. হে নবী তুমি যদি দেখ যে লোকেরা দলে দলে আল্লাহর দ্বীন গ্রহন করছে
৩. তখন তুমি তোমার রবের কাছে তাসবীহ পড়
৪. আল্লাহর কাছে মাগফিরাত চাও , অবশ্যই তিনি তওবা কবুল কারী।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743589 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28743589 2007-11-08 06:44:24
আবাসিক হোটেলগুলোতে হাঠাত কেন মদ্যপায়ীর সংখ্যা বেড়ে গেল?....... http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28742228 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28742228 2007-11-03 06:53:46 ধন্যবাদ...... ব্লগ http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28742033 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28742033 2007-11-02 15:33:41 আবহাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা বইছে....... http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28742008 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28742008 2007-11-02 14:03:03 মাদকতা কেড়ে নেয় জীবন থেকে জীবন......... সাবধান আর সরকারী ভাবে এই মাদক এর ব্যাপকতা রোধে আরো কার্যকরী ভুমিকা থাকা প্রয়াজন। আর সমাজের আক্রান্ত বস্তি গুলোতে আরো গোয়েন্দা নজরদারী বাড়ানো দরকার আশাকরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করেবে। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28741606 http://www.somewhereinblog.net/blog/mission007blog/28741606 2007-10-31 19:19:54