শেখ হাসিনার সরকার আসল মাত্র কয়েক মাস হ ল। এরই মধ্যে কত কি ঘটনা হয়ে গেল। দিন বদলের শ্লোগান দিয়ে নির্বাচনী বৈতরনী পার হয়ে পরই বিরোধী দলে নোতা কর্মীদের উপর নির্যাতন, হত্যা ও হুমকি ধমকি আরও কত কি কাজ কারবারের অভিযোগ। হাস মুরগী চুরির ঘটনাও নাকি ঘটেছে।
মন্দ লোকেরা বলে, এর পরই সরকার ব্যস্ত হয়ে পড়ল দাতাদের প্রতিদান দেবার জন্য যারা তাদেরকে ক্ষমতায় আনার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করেছেন। তারা সাধারন জনগন ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের তোয়াক্ক না করেই তারা ভারতকে ট্রানজিট দেবার জন্য তড়িঘরি শুরু করে দিল। বঙ্গবন্ধু তনয়া এরই মধ্যে ভারতের পশ্চিমব্ঙ্গ সরকারের মূখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একলক্ষ পিস রসগোল্লা উপহার পেয়েছেন।
অনেকই বলেন, ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে অতি আগ্রহী হলেও সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ধরনটা ছিল কল্পনাতীত করুন। যেই সেনাবাহিনী (মইন) বিশেষ কায়দায় দেশ প্রেমিক রাজনৈতিক শক্তিকে ছিন্ন ভিন্ন করে তাদের প্রিয় দলটিকে ক্ষমতায় আনলো তাদেরকেই নি:শেষ করার জন্য পাশবিক হত্যাযজ্ঞ চালাল যারা, তারা নাকি সরকারের প্রিয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা। অর্ধ্বশতের বেশী দেশপ্রেমিক মেধাবী সামরিক অফিসারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হল। দেশের অস্তিত্বের প্রতি এত বড় চ্যালেন্জ্ঞ ছুড়ে দেবার জন্য তারা এই তাবেদার সরকারের সময়টাকেই সুযোগ হিসেবে নিয়েছিল কেন তা নিয়ে দেশবাসী নিশ্চই ভাবছে।
এর পরই কে বা কারা এক সেনা কর্মকর্তাকে হোটেল থেকে ফেলে দিয়ে হ্ত্যা করল...
তারপরই সেনা হেলিকপ্টারের একসিডেন্ট । একজ মেজর জেনারেল সহ দুই কর্মকর্তার মৃত্যু।
তারপরই ঘটল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শপিং মল 'বসুন্ধরা সিটি'তে ভয়াবহ অগ্নকান্ড।
সর্বোপরি আছে মন্ত্রী বাহাদুরদের আবোল তাবোল বাতচিত। দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে যাদেরকে অপরিপক্ক মত মনে হয়।
এসব দেখে আশংকা হচ্ছে ওরা দেশটার বারটা বাজায় কিনা। সারা দিনটা আবার সকালটার মত হয় কিনা নাকি শেষ পর্যন্ত ভালই হয়। ভালটাই কামনা।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



