আমার প্রিয় পোস্ট

উত্তরবঙ্গ ভ্রমন::: ঘুরে এলাম রামসাগর,কান্তজীর মন্দির এবং মহাস্থানগড় থেকে।

১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৩

শেয়ারঃ
0 2 0

টার্ম ফাইনাল শেষ হলে ঘুরতে বের হব আগেই প্ল্যান করে রেখেছিলাম এক বন্ধুর সাথে। তবে অনেক তো প্ল্যান করা হয় কিন্তু বাস্তবে সেটা করা হয়ে উঠেনা।যাই হোক প্রথমে ঠিক করলাম বগুড়া যাব এবং ওখানে একদিন থাকব।মহাস্থান গড়,ওয়ানডারল্যান্ড আর শহরটা ঘুরে দেখব বলে ঠিক করলাম। তারপরের গন্তব্য দিনাজপুর।দিনাজপুরে দেখার জায়গা ঠিক করলাম কান্তজীর মন্দির,স্বপ্নপুরী,রাম সাগর।এবং দিনাজপুর থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম হোম টাওনে।

তাহলে বগুড়া থেকে শুর করি।
বগুড়া স্টেশনে নামলাম বিকাল ৩টার দিকে।ওখানে আমাদের একফ্রেন্ডের বাসা। তার কথা মত সাতমাথায় এক হোটলে উঠলাম। ওর প্রাইভেট কারে হোটেল পর্যন্ত যেতে তেমন সমস্যা হয়নি। স্টেশন থেকে সাতমাথা প্রায় তিন কিলোমিটার।গলাপট্টিতে হোটেল নিলাম। ভাড়া ৪০০। ডাবল বেড। বেশ ভালোই বলতে হবে হোটেলটার মান, পরিস্কার পরিছন্ন ছিল।
সেই দিন বাংলাদেশ আর জিম্বাবুয়ের খেলা ছিল।তো খেলা দেখতে দেখতেই ঐদিন কাটিয়ে দিলাম। খাওয়া দাওয়া করলাম আকবরিয়া হোটলে, ওখানে খাওয়ার মান ভালোই।দাম একটু বেশী আরকি।সেটা সাতমাথাতেই।
বগুড়া আর দিনাজপুরে কি কি দেখার আছে সেটা জানার জন্য একটা পোস্ট দিয়ে ছিলাম।অনেকে মন্তব্য দিয়ে সাহায্য করেছেন, ধন্যবাদ তাদেরকে।
Click This Link
বগুড়া তে যে জিনিসটা দেখলাম,সেটা হল মাথা!!!
সাতমাথা, তিনমাথা,চার মাথা...... :)
আর পট্টি......
সব জায়গার শেষে পট্টি থাকবেই...

সকালে গন্তব্য মহাস্থানগড়ে। সাতমাথার কাছেই একটা জায়গা দত্তবাড়ি থেকে সিএনজি তে উঠলাম,ভাড়া সম্ভবত ছিল ১০ টাকা। প্রথমে মনে করেছিলাম অনেক কাছে হবে মহাস্থাগড়, প্রায় ২৫ মিনিট লেগেছিল ওখানে যেতে সিএনজি থেকে নেমে আবার রিক্সা নেয়া লাগে।প্রায় ১৫ মিনিটের পথ রিক্সাতে।
মহাস্থানগড়ের ছবি দিলাম ....





পাশেই মহাস্থানগড় জাদুঘর...





মহাস্থানগড় থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে গোকুলে বেহুলা লক্ষিনধরের বাসর ঘর দেখতে গেলাম ভ্যানে চড়ে।


ভালোই লাগল জায়গাটা।ভ্যান চালক থেকে এর ইতিহাস শুনতে চাইলাম, উনি কি বলল না বলল কিছুই বুঝিনাই, শুধু হুম,হুম করে গেলাম।তবে সাপে কাটার একটা ব্যাপার ছিল। আপনারা কেউ ঐ ইতিহাসটা জানলে শেয়ার করুন।আমি ঠিক মত বুঝিনি,তাই আর লিখছি না।

সাতমাথায় গলাপট্টিতে আবার ফিরে এলাম হোটেল আমের এ।
ওয়ান্ডারল্যান্ডে যাওয়ার প্ল্যান বাদ দেয়া হল। দুপুরে হোটেল ছেড়ে দিলাম। ব্যাগ ট্যাগ নিয়ে দুপুরে খাওয়ার জন্য বের হলাম এর পর।
খাওয়া দাওয়া শেষে গন্তব্য তিনমাথা। লোকজন বলল দিনাজপুরের যাওয়ার জন্য ওখান থেকে ভালো বাস পাওয়া যাবে।তো গেলাম তিন মাথা। গিয়ে পড়লাম সমস্যাতে, প্রায় এক ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে ভালো কোন বাস পাওয়া গেল না।শেষে গেলাম চারমাথায়।
চারমাথাও তেমন কোন ভালো বাস পাওয়া গেল না। শেষমেষ চোখ বন্ধ করে উঠে পড়লাম এক বাসে।
ঐ বাসে প্রায় ৪ ঘন্টা লাগল দিনাজপুর যেতে। ফুলবাড়ী বাস স্ট্যান্ডে নামলাম।দিনাজপুরে আমাদের বন্ধুর বন্ধুর বন্ধু ;) রিসিভ করল। উনি খুব সাহায্য করলেন । উনার কথা মত গেলাম হোটেল ডায়মন্ডে। সেটা মালদহপট্টিতে।হোটেল টা ছিল জঘন্য। কি আর করা, এসেই যখন পড়েছি থাকতে তো হবেই। সাধারন রুম ৩৫০, এসি রুম ৮৫০ টাকা। সাধারন রুমেই উঠলাম।
তখন খুব টায়ার্ড ছিলাম, রুমে ব্যাগ ট্যাগ রেখে গেলাম খেতে। কই খাব ঠিক করতে করতে,আমার বন্ধুটি বলল চল চায়নিজে যায়। টাকা পয়সার অবস্থা এমনিতে খারাপ।তার উপর চায়নিজে যদি যায় ...
যাহোক গেলাম চায়নিজে...ফুড গার্ডেনে।

অর্ডার দেয়া হল স্পেশাল থাই সূপ।সাথে ফ্রাইড রাইস আর ভেজিটেবল, প্রন। আমরা আসলে চিন্তাই করতে পারিনি ফুড গার্ডেন রেস্টুরেন্ট এত ভালোমানের হবে।এই লেখা লিখতে গিয়ে এখনো সেই সূপের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে...:|

চট্টগ্রামে আসার জন্য টিকেটও করে ফেললাম ঐ দিন।দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রাম ৬০০ টাকা ভাড়া।বিশাল জার্নি...
বিশ্বাস না করলে এই ছবিটা দেখেন ....

খাওয়া দাওয়া করে রুমে চলে আসলাম। ল্যাপটপ নিয়ে গিয়েছিলাম সাথে, ব্লগ আর পেপার পড়ছিলাম ।
রাত প্রায় ১২.৫০
তখন ঘটে সেই অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি।
পুলিশের জেরা .....!
এটা নিয়ে লিখছি না আর কারন এই নিয়ে একটা পোস্ট ই দিলাম!!!
ঘটনাটা চলার সময় ই পোস্ট দিয়েছিলাম।

মূল ঘটনাটা ছিল "রংপুর থেকে দশজনের মত ঐ হোটেল এ উঠেছিল হাজবেন্ড এন্ড ওয়াইফ পরিচয় দিয়ে। রাতে পুলিশ ধরে ফেলল তাদের সবাইকে।ঐ ফ্লোরে শুধু আমরা বেঁচে গেলাম.....:P"

পরের দিন সকালে বৃষ্টি আর বৃষ্টি।দেখে মনটাই খারাপ হয়ে গেল। বৃষ্টিতে ঘুরব কিভাবে? তার উপর ঐদিনই দিনাজপুর থেকে চলে যাব।

কি আর করা.. বৃষ্টিতেই বের হলাম। রিক্সা নিলাম হোটেলের সামনে থেকে। এই রিক্সাওয়ালা ছিল আমাদের গাইড। উনাকে পাওয়া না গেলে বিশাল সমস্যাতে পড়তাম। সকালের নাস্তা করে আবার উঠলাম সেই রিক্সাতে।গন্তব্য রামসাগর।


প্রথমে মনে করেছিলাম কাছে কোথায় হবে। কিন্তু অতটা কাছে ছিল না শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরের পথ রামসাগর।সময় লাগল অনেক ওখানে পৌছাতে, তো আবার ইতিহাস...:)
রামসাগর আসলেই কি সাগর?
জানতে চাইলাম রিক্সাওয়াল কাছে,আবার সেই ধুয়াসা,কি বলল আগামাথা কিছুই বুঝিনি।
তবে একটা ব্যাপার খুবই ইন্টারেস্টিং লাগল, সেটা মন্দির নিয়ে।
সে বলল রামসাগর দীঘির মাঝখানে একটা মন্দির আছে, পানি কমে গেলে সেটা দেখা যায়, সাথে জ্বিনের কাহিনী।
সাধারন মানুষের মুখে এই সব কাহিনী শুনতে আমার জটিল লাগে।কিন্তু সমস্যা হল তারা স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেনা।
রামসাগরের কাহীনিটি এখানে কেউ বলে দিলে ভালো হয়....

ওখানে উদ্যানের মত একটা পার্ক আছে ।ভালোই লাগল।রিক্সা নিয়ে ভিতরে ঢুকা যায়।দিঘীর চারপাশটা ঘুরলাম।



এর পরের গন্তব্য কান্তজীর মন্দির।
সমস্যা হল কান্তজীর মন্দির আর রামসাগর শহরের ঠিক বিপরীত পাশে।
আমাদের গাইড থেকে জানলাম কিভাবে যেতে হবে কান্তজীর মন্দিরে।

প্রথমে যেতে হবে দিনাজপুরের বাস টার্মিনালে।সেখান থেকে লোকাল বাসে রামপুরে।বাসে প্রায় ২৫-৩০ মিনিট লাগে রামপুরে পৌছাতে।ভাড়া ২০ টাকা। রামপুর থেকে ভ্যান সরাসরি কান্তজীর মন্দিরে নিয়ে যায়।

রিক্সওয়ালা আমাদের দিনাজপুর বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত পৌছিয়ে দিল।ও হ্যাঁ
ওখানে দুপুরের খাবার খেলাম,রেস্টুরেন্টা দেখতে অস্বাস্থ্যকর মনে হলেও,খাওয়া দাওয়া তেমন খারাপ লাগেনি।

গাইডের কথামত জায়গা মত পৌছাতে কোন সমস্যাই হয়নি।
এবার বলি কান্তজীর মন্দিরে কথা।
এক কথায় অসাধারন যাকে বুঝায়। অবিশ্বাস্য সুক্ষ্ম কারুকাজে ভরা কান্তজীর মন্দিরের দেয়াল।আপাত দৃষ্টিতে এলোমেলো মনে হলেও,টেরাকোটার ফলক গুলো তো লুকিয়ে আছে রামায়ন এবং বিভিন্ন পৌরানিক কাহিনী। এর ডিজাইন এত নিখুন চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার কথা না।





আমার মনে হয় একটা স্পেসশীপ বানানো কান্তজীর মন্দিরের তুলনায় অনেক সহজ।অনেক ছবি নিলাম সেখানে। আকাশ মেঘলা থাকতে তেমন ভালো ছবি উঠেনি।সাতটার দিকে বাসের টিকেট তাই বেশীক্ষন থাকা হয়নি।

তারপর চলে এলাম কান্তজীর মন্দির থেকে। আসতে আসতে প্রায় চারটা বেজেছিল। রুমে ফিরে এসে ফ্রেশ হলাম।৫ টায় রুম ছেড়ে দিই। তখন হাতে আরো ২ ঘন্টা সময়।আসে পাশে যাওয়ার জায়গা খুঁজছিলাম।সে জন্য গেলাম রাজবাড়ীতে।খুব বেশি দূরে না শহর থেকে


এই হল উত্তরবঙ্গের ভ্রমন ।

সন্ধ্যা ৭.০০ উঠি হানিফের বাসে,সেটা চট্টগ্রাম পৌছায় পরের দিন দুপুর ১২.৩০ সে।

এত টুকু যার কষ্ট করে পড়লেন তাদের ধন্যবাদ।আর কোন তথ্য দেয়ার থাকলে সেটা কমেন্টে এড করুন।
...................

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভ্রমন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ট্রাভেলিং  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: কত সুন্দর আমাদের দেশটা.... আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী.......
১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: হুম...দেখেশুনে তো তাই মনে হয়। আমাদের দেশটা আসলেই সুন্দর।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
মানবী বলেছেন: চমৎকার পোস্ট!

খুব ভালো লেগেছে পড়ে। আকাশ মেঘলা হলেও ছবিগুলো সুন্দর তুলেছেন! খুব ছোটবেলায় রামসাগর আর কান্তজীর মন্দিরে গিয়েছিলাম, এই পোস্ট পড়ে আবার সেখানে যেতে ইচ্ছে করছে!

পোস্টে সব কিছুর ভাড়া আর দাম উল্লেখ করা আছে শুধু সেই মজার স্যুপের দামটি দেয়া নেই :-)


পোস্টটির জন্য অনেক ধন্যবাদ আজম।

১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: দাম গুলো লিখে দিয়েছি কারন কেউ যদি যেতে চায় তাহলে যেন সমস্যায় না পড়ে।ইন্টারনেট এইসব তথ্য খুঁজলেই পাওয়া যায় না।

স্যূপের দাম ছিল সম্ভবত ১৩০, ১:৪
আমার হাফ নিয়েছিলাম। টোটাল বিল আসছিল ৩৮০টাকা।

আপনি যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেন বলে ভালো লাগল।
মন্তব্য দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭
জইন বলেছেন: সিটিজি৪বিডি বলেছেন: কত সুন্দর আমাদের দেশটা.... আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী.......
১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: হুম...
মন্তব্য দেয়ার জন্য ধন্যবাদ

৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: অল্প সময়ে অনেক জায়গা দেখে ফেলেছেন। অভিনন্দন আপনাকে। বগুড়া শহরে যেটাকে ওয়ান্ডারল্যান্ড বলেছেন সেটা স্থানীয়ভাবে নবাব বাড়ী নামে পরিচিত। এ বাড়ির সৈয়দ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ইতিহাস বই গুলোতে তাঁকে ''বগুড়ার মোহাম্মদ আলী'' হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া সাত মাথার দক্ষিনে আছে আরেকটি নবাববাড়ী। স্থানীয়ভাবে ''সাতানী বাড়ী'' নামে পরিচিত। এ বাড়ীর মামদুদুর রহমান চৌথুরী এরশাদ আমলে মন্ত্রী ছিলেন। বগুড়া আজিজুল হক কলেজ ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত। ১৯৫০ দশকে সাহিত্যিক ড. সৈয়দ মুজতবা আলী ও ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ পরপর এ কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।
আকবরিয়া হোটেল একশ বছরের বেশি প্রাচীন। আকবরিয়া হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন মাঝরাতে শতশত ফকিরকে গরম ভাত তরকারী রান্না করে খাওয়ায়। বহু বছর ধরে তারা এটা করছেন।
মহাস্থান গড়ে প্রায় পাঁচ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে প্রচুর প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন ছড়িয়ে আছে। মহাস্থান গড়ের যে দেয়ালের ছবি দিয়েছেন সেটা রাজা পরশুরামের রাজবাড়ী ও নগর প্রাচীর। কাছে যাদুঘর, গোবিন্দভিটা, শিলাদেবীর ঘাট, ভাসুবিহার, জিয়তকুন্ড, শাহ সুলতান সাহেবের মাজার ( যিনি রাজা পরশুরামকে পরাজিত করে বগুড়ায় ইসলাম প্রচার করেন বলে কিংবদন্তী আছে ), ভিমের জাঙ্গাল, বেহুলার বাসর ঘর (ছবি দিয়েছেন) ইত্যাদি।
শেরপুর এলাকায়ও কিছু মুসলিম আমলের প্রত্ন নিদর্শন আছে।
দিনাজপুরের মন্দিরটির নাম আসলে ''কান্ত জিউর মন্দির''। কিন্তু প্রচলিত হয়ে গেছে ''কান্তজী''।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম আপনার কাছ থেকে। সব দেখার ইচ্ছা থাকলেও সময়, দূরুত্ব এবং অন্যান্য কারনের জন্য সেটা সম্ভব হয় না।

তবে উত্তরবঙ্গ সম্পর্কে একটা ধারনা নিতে পেরেছি এবং আপনার তথ্য গুলো অনেক কাজে এসেছে এক্ষত্রে।

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে

৫. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
শ।মসীর বলেছেন: হুমম আমিও আবার ঘুরে এসেছি। সাথে ছিল পাহাড়পুর, যমুনার বাঁধ।

ভাল লাগল .।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৬. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
জটিল বলেছেন: উত্তরবঙ্গের প্রেমে এখনো বিভোর আমি , দেখার চোখ থাকলেই অনেক অনেক কিছু দেখা যায় , আর এখানের মানুষ সম্ভবত সবচেয়ে সহজ সরল গোত্রের ।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: হুম ঠিক বলেছেন।মানুষ গুলো আসলেই সহজ সরল।আমার যে রিসিভ করল দিনাজপুরে তাকে দেখেই বুঝেছি সেটা। উনি আমাদের জন্য দেড় ঘন্টা দাঁড়িয়ে ছিলেন এক জায়গাতে। আর যে রিক্সওয়ালা গাইডের কথা বলেছিলাম...উনি এক কথায় অসাধারন।

এই ব্যাপারটা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৭. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
মানবী বলেছেন: স্যুপের দাম উল্লেখ করার জন্য ধন্যবাদ। অন্য সব ভাড়া উল্লেখ করে ভালো করেছেন, আগ্রহী ট্যুরিস্টদের সুবিধা হবে।

খুব ছোটবেলায় মহাস্থানগড়েও গিয়েছিলাম। সেসময় "বেহুলার বাসর ঘর" যে প্রশ্ন মনে জেগেছিলো, পোস্টের ছবি দেখে বুঝলাম সেই প্রশ্নের জবাব এখনো মিলেনি- এতো বড় এলাকাকে কিভাবে ঘর বলে!!!

""গেলাম।তবে সাপে কাটার একটা ব্যাপার ছিল। আপনারা কেউ ঐ ইতিহাসটা জানলে শেয়ার করুন।আমি ঠিক মত বুঝিনি,তাই আর লিখছি না।""


- আমার জানা তথ্য সাদামাটা ভাষায় সংক্ষেপে এমন...বেহুলার বাসর ঘরটি প্রায় এয়ার টাইট বানানো হয়েছিলো কারন কেউ ভবষ্যিদ্বানী করেছিলো যে "বাসর রাতে লক্ষন্দিরের মৃত্যু ঘটবে"। তাঁকে সেই মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এমন আর্কিটকেচার। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি, সম্ভবত খুব ছো্ট্ট কোন ফাঁকা জায়গা গলে একটি সাপ প্রবেশ করে লক্ষিন্দরকে দংশন করে।



ভালো থাকুন।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: হুম তা ঠিক...বিশাল একটা জায়গা ওটা...
ঘর বললে সেটা সম্পর্কে ঠিক মত ধারনা পাওয়া যায় না।

এয়ার টাইট ঘরটি কি এটি?


১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৯. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫
আকাশচুরি বলেছেন: ভালো লাগলো।

এবার উত্তরবংগের আরেক অংশ, নাটোর, পুঠিয়া, রাজশাহী, শিবগন্জ ঘুরে আসুন:)
১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.....

দেখা যাক অন্য অংশটা দেখা যায় কিনা....
আপনারা ঘুরে এসে জানান কিভাবে যেতে হবে....;)

১০. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৬
বো কা মা ন ব বলেছেন: @এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল : wonderland আর নবাব বাড়ী এক না। wonderland নতুন হয়েছে, শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের পাশে। আর নবাব বাড়ি তো আলতাব আলী মার্কেট এর পাশে। ঐটার নাম প্যালেস মিউজিয়াম।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: তথ্য যোগ করার জন্য ধন্যবাদ।

১১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১১
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আমি লালমনিরহাটের মেয়ে হলেও দিনাজপুরে যাইনি কখনো।
আর তাই রামসাগর দেখা হয়নি আজো.......।
আপনার পোষ্ট পড়লাম এবং আরো অনেকের পোষ্ট পড়ে ছবি দেখলে মনটা খারাপই লাগে...........।
দেখা যাক ভবিষ্যতে যদি কোনদিন যাওয়া হয়।

ভালোলাগলো।
শুভকামনা।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।
ঘুরে আসুন সময় করে...আপনার জন্য তো অনেক কাছেই।

ভালো থাকুন।

১২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩২
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আমার জন্য অনেক কাছে?ইসরে তাই যদি হতো........
অনেক দুরে থাকি বহুবছর.........:(
তবু এরপর আসলে যাবো ইনশাল্লাহ.......।

ভালো থাকবেন
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: ম্যাপে দেখলাম লালমনির হাটের লোকেশন।একদম বর্ডারের কাছে।
চট্টগ্রামের তুলনায় কাছে বললাম আরকি...:)

দেশের বাইরে থাকেন আপু?

দিনাজপুর ঘুরে আসলে অবশ্যই পোস্ট দিবেন।

ধন্যবাদ।

১৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৬
চাচামিঞা বলেছেন: অবশ্যই খুব কাজের পোস্ট+++
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: শুনে খুশি হলাম ।
ধন্যবাদ আপনাকে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৬৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সৃষ্টিশীলতাকে ভালোবাসি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ