আমার প্রিয় পোস্ট
- সেভেন ওয়ান্ডারস অব কানাডা - কেমিকেল আলী
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- একটি অসভ্যতা এবং বাংলার বিশালতম লাশ - রিয়াজ শাহেদ
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- স্মৃতি হন্তারক বৃস্টিতে থ্যাঁতলানো কয়েকজন আর উড়াল সেতু জুড়ে ধাবমান কদম - আকাশচুরি
- চাকরিটা আমি ছেড়ে দেব বেলা শুনছো - ফারহান দাউদ
- বাঙালি মধ্যবিত্তের ইসলাম প্রবনতা ও রাজনৈতিক ইসলামের উন্মেষ সংক্রান্ত পর্যালোচনা : প্রেক্ষিত ১৯৭১-২০০৮ । - আরিফ জেবতিক
- আমি যেদিন নিজের হাতে খুন হয়েছিলাম - আকাশচুরি
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - বাংলা উইকি থেকে - রাগিব
- যারা কথা বলার সময় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশায় - তাদের কেন যেন বাটপার ধরনের মানুষ মনে হয়! - এস্কিমো
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- স্টেরিওটাইপের কথকতা - রাগিব
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- দুই টাকার মোয়া। - আশরাফ মাহমুদ
ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের কি এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া উচিত না?
২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:০৩
ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহবায়ক ডা. এম এ হাসান বলেছেন, ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্ত্রিকর। গতকাল ঢাকায় আমাদের সময়কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অতীতে এই জার্নালে বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা দেশের গণহত্যা নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশিত হয়েছিল তা তাদের প্রতিবেদনেই ওঠে এসেছে। সর্বশেষ প্রতিবেদনেও এ জার্নালটি বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি তা ভবিষ্যতে তাদের সংশোধিত প্রতিবেদনে ওঠে আসবে ।
ডা. হাসান প্রশ্ন তোলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক বাহিনী ও তাদের এদেশিয় দোসরদের গণহত্যা বিষয়ে জার্নালটি মাত্র ২ লাখ ৬৯ হাজার মানুষকে হত্যার কথা বলেছে। তাদের আগের প্রতিবেদনে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৫৮ হাজার। এখন প্রশ্ন হলো, এই গণহত্যার গবেষণার সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন? কত জন ছিলেন? এবং কখন গবেষণাকর্মটি করা হয়েছে?
তিনি বলেন, ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি আমার নেতৃত্বে ১৯ বছর যাবৎ কাজ করে আসছে। ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অন্যরাও গবেষণা করেছে। যেসব গবেষণার ফলাফল অনেক আন্তর্জাতিক সেমিনারে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিš' জার্নালটির কেউ আমাদের কারো কাছ থেকে গবেষণা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেনি। যদি তারা সংগ্রহ করতেন তাহলে ইতিহাস নিয়ে এই বিভ্রান্তি ছড়াতে পারতেন না।
ডা. হাসান আমাদের সময়ের মাধ্যমে জার্নালটিতে হণগত্যার সংখ্যাটি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, সারাদেশে ৫ হাজার বধ্যভূমি আছে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর মধ্যে ৯২০টি বধ্যভূমি সনাক্তের পর গবেষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিটি বধ্যভূমিতে কমপক্ষে ৫০ থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কৃত হয়েছে। যার মধ্যে পুরুষ ও নারীর অনুপাত ছিল ৬ঃ১। এই হিসেবে যদি গড়ে প্রতিটি বধ্যভূমিতে ১শ’ জন করেও কঙ্কাল ধরা হয় তাহলে গণহত্যার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫ লাখ। তিনি বলেন, বধ্যভূমির আশে-পাশের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় বধ্যভূমিতে যতোগুলো মানুষের কঙ্কাল পাওয়া গেছে তা সর্বমোট নিখোঁজ মানুষের মাত্র ৩০ শতাংশ। আমরা গবেষণা করে বের করেছি, নিখোঁজ বাকি ৭০ শতাংশ মানুষের লাশ নদী পথে ভেসে চলে গেছে। যেসব নদীপথে লাখ লাখ মানুষের লাশ ভেসে গেছে এরকম ৮৮টি নদী এবং যেসব ব্রিজের ওপর থেকে লাশগুলো নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে এরকম ৬৫টি ব্রিজ সনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, বধ্যভূমি থেকে আবিষ্কৃত কঙ্কাল গবেষণা করে দেখা গেছে, এদের ৩৩ শতাংশ গুলিতে এবং বাকিরা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে অথবা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করা হয়েছে।
সূত্র : (Click This Link)
আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃত শহীদের সংখ্যা নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে চলেছে। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল বা যারা শহীদদের সংখ্যা নিমিষে কমিয়ে কখনো হাজারের কোটায় পর্যন্ত নামিয়ে আনছেন, তাদের কি উচিত নয় যে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়া?
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
আমি বিস্তারিত এ বিষয়ে লিখার চিন্তা আছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। পোস্টটা প্রিয়তে রাখলাম। তবে ৫৮০০০ থেকে প্রায় ৩লক্ষে গিয়েছে পরেরবার হয়ত ১০লক্ষ এবং এরপরেরবার ৩০ লক্ষতে যাবে।
এস্কিমো বলেছেন:
একমত @ হ্যারি
সুপ্ত সবুজ বলেছেন:
তবে রিপোর্টটা সত্য। ডঃ হাসানের তথ্য বাদ দিয়ে নিজে সারাদেশ চষে গবেষণা করে দেখেন। সঠিক তথ্য পেয়ে যাবেন। প্রথম প্রথম আমারও এরকম ভুল মনে হয়েছে। কিন্তু নিজে মাঠে নেমে কয়েকটা গুরুত্বপুর্ণ এলাকার পরিসংখ্যান নিয়েই থেমে গেছি। দেখেন, আপনি যদি পারেন তো এ জাতির একটা উপকার হয়।



















বাংলাদেশ এর অনেক বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে। এ বিষয়টি বাংলাদেশ দূতাবাসের দেখা উচিত।