ডিজিটাল টাইম
দেশের মানুষের কথা ভেবে রাজণিতিকরা কিছু করেন না বরং তাদের সুবিধামতো দেশের মানুষকে ব্যবহার করেন। তো শুরু হলো ডিজিটাল টাইম। বাংলাদেশ ডিজিটালাইজ হয়ে গেল। নিজেদের মধ্যে উন্নত বিশ্ব ভাব চলে এলো।
দিনের আলো কিভাবে অধিক সাশ্রয় হলো তা আমার মতো মদনের মাথায় ঢুকেনি। আমার অফিসে অন্যদিনেও যেমন লাইট-ফ্যান চলেছে, ডিজিটাল টাইম হবার পরেও তেমনি চলছে। আমার বাসাতেও একই ঘটনা। আমার প্রতিবেশি, আত্নীয়-স্বজন কারোরই হেরফের হয় নাই। কর্পোরেট অফিসগুলোতে আগের মতোই জানালা-দরজা লাগানো ছিলো, জানালায় ভারি পর্দা দেয়া ছিলো, ঘরের লাইট-এসি চলছিলো। সরকারী অফিস গুলোতে আগের মতোই সকাল নটায় বসের রুম খুলে লাইট-এসি চালানো হয়েছিল এবং বিকাল পাচটাতেই বন্ধ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের সমস্ত মার্কেট-বিপনীতে আগের মতোই লাইট-এসি চলেছে। ভারী ইনডাষ্ট্রীগুলো আগের মতোই বিদ্যুত ব্যবহার করেছে। তো, বিদ্যুত সাশ্রয় কিভাবে হলো আমাদের বিজ্ঞ মন্ত্রীমহোদয় ভালো বলতে পারবেন। আমার মাথাতে ঢুকতেছে না।
ঢাকার বাইরে শীত পড়া শুরু হয়ে গেছে। প্রকৃতির নিয়মে দিন ছোট হয়ে গেছে। ডিজিটাল টাইমের নিয়ম অনুযায়ী এখন পুর্বের সময়ে ফেরত যাবার কথা, কিন্তু আমাদের বিজ্ঞ মন্ত্রীমহোদয়ের বক্তব্য হচ্ছে পুর্বের সময় আবার কি? মানুষ বার বার সময়ে পরিবর্তনে বিরক্ত হবে। একটাতেই অভ্যস্ত হোক।
জ্বী, মন্ত্রী মহোদয় আমরা স্থায়ীভাবে ডিজিটাল টাইমেই অভ্যস্ত হচ্ছি। আপনারা দিনবদলের যে আশ্বাস দিয়েছিলেন তার প্রাথমিক ধারনা পেলাম।
মাননীয় মন্ত্রীমহোদয়, আমার এই ক্ষুদ্র ব্রেইনে গত কয়দিন ধরে একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে, উত্তর পাচ্ছি না। না, না আপনাকে উত্তর দিতে হবে না। আপনার এতো সময় কোথায়? আমি আমার মতোই বকে যাই-
ঢাকা শহরে অধিকাংশ বাসাতেই ছোট বাচ্চা আছে যাদের স্কুলে যেতে হয়। তাদেরকো হয় বাচ্চার মা অথবা বাবা স্কুলে পৌছে দেন। যে বাচ্চাকে সকাল ৭ টায় স্কুলে যেতে হয় সেই বাচ্চার মাকে কয়টার সময় উঠতে হয় সকালের সবার জন্য নাস্তা, বাচ্চার টিফিন এবং বাচ্চাকে রেডি করা ইত্যাদি। ধরে নিচ্ছি সকলের স্কুলই বাসা থেকে সর্বোচ্চ ১০ মিনিটের পথ(ঢাকার জন্য যেটা দু:স্বপ্ন)। তবুও একজন মাকে উঠতে হবে সকাল(রাত) ৬ টায়। যখন ফজরের আজান হয়। তো, মাননীয় মন্ত্রীমহোদয়, সেসময় তো আপনার ঘড়ির কাটা ইচ্ছে মতো সরালেও বেয়াদব সুর্যকে কিছু বলতে পারছেন না। আর তাই বাধ্য হয়ে এসব মাকে ইলেক্ট্রিক বাতিতেই কাজ করতে হচ্ছে। অর্থাত আমাদের দিনের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে নূন্যতম ভোর ৬ টায়, এবং কাজ করতে হচ্ছে সুর্যের আলো নয় ইলেক্ট্রিক আলোতে। আর দিনের কার্যক্রমে বিদ্যুতের ব্যবহারের অবস্থাতো আগেই বলেছি।
মাননীয় মন্ত্রীমহোদয়, আপনারা বিদেশ যান ঘনঘন, উন্নত বিশ্বের অনেক উন্নত কার্যক্রম আমাদের মতো হতভাগাদের জন্য নিয়ে আসেন। অধম আমরা সেগুলো গ্রহন করতে পারি না। বা করতে গেলেও বদ হজম হয়। কার পেটে নাকি কি সহ্য হয় না। আমাদের আর নতুন করে আধুনিক করার প্রয়োজন নেই।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।