ক্ষমতা পাবার মাত্র ৩ বছরে এসেই আওয়ামীলীগ সবকিছু লেজে গোবরে করে ফেলেছে। শেয়ারবাজার কেলেংকারী করে অসংখ্য জনগনকে পথে বসিয়েছে, পথে বসিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, আমাদের এক গর্দভ অর্থমন্ত্রী আছে তিনি শেয়ারবাজারের লোকজনকে বললেন ফটকাবাজ।
আরেকজন মন্ত্রী আছেন সোনামনী না কি যেন নাম। দেশে অপেক্ষা বিদেশেই তাকে বেশি দেখা যায় আর কাজ অপেক্ষা মিষ্টি মিষ্টি বুলিই তার মুখে বেশি থাকে।
আরেকজন মন্ত্রী আছেন মরুভুমি। যিনি বাংলাদেশকে আইনশৃংখলার দুক দিয়ে প্রায় স্বর্গের কাছে নিয়ে গিয়েছেন।
আরেকজন মন্ত্রী আবুল যিনি লেক্স্রাসে করে রাস্তায় চলাচল করেন বলেই মনে করেন বাংলাদেশের সব রাস্তাতে কার্পেট বিছানো আছেন।
বানিজ্যমন্ত্রীর কথা বলে আর কি করবো? উনি যে বাজারের পাশ দিয়ে যান সে বাজারে জিনিসের দামে আগুন লেগে যায়, উনি যে পন্যের দাম কমানোর হুমকি দেন সেই পন্যই হাতের নাগালের বাইরে চলে যায়।
নৌ মন্ত্রীর কথা বলে আর কি হবে? উনিতো ছাগল-আর গরু আলাদা করতে পারলেই খুশি।
আর সবচেয়ে বড় কথা দেশের প্রেসিডেন্ট খুনিকে ক্ষমা করে দেন বলেই হয়তো আর তার নিজের স্ত্রীর খুনির শাস্তি কোনো চাওয়ার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।
একটি রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রধান প্রধান অঙগতেই পচন ধরেছে। আর সেই পচনে ওষুধ না দিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী আরো তাদের পক্ষে সাফাই গাইলে বুঝতেই হবে পচনরোগ তাকেও আক্রান্ত করেছে। কাজেই সিদ্ধান্ত আমাদেরই নিতে হবে।
চারদলীয় জোট নামে এক নুপূংসুক বিরোধীদল আছে আমাদের। তাদের কাজ হলো বাড়ি হারানোর শোকে হাউমাউ করে কাঁদা, কেদে কেটে হরতাল দেয়া। ভায়ের কোমোর ভাংগার জন্য সরকারের দোষ দেয়া। দেশে জনগন নামের কোনো বস্তু আছে বলে তাদের আচরনে মনে হয় না। জনগন কোনো প্রকার সমস্যায় আছে বলে মনে হয় না। তাদের নেত্রীর কয়টা বালিশ ফেলে দিলো আর ঘরের কয়টা জানালা ভাংলো এই নিয়েই তাদের আন্দোলন। জনগনের সমস্যার পাহাড় জমে গেছে। আন্দোলনের ইস্যুই যদি দরকার হয় তাহলে এই ইস্যু পেলে হাসিনা এতোদিন চুলের মুঠি ধরে খালেদাকে সিংহাসন থেকে টেনে নামিয়ে রাস্তায় এনে ফেলতো।
রাজনৈতিক দলের লোক যদি মনে করে যে আগের মতোই এখনও লোকজনকে বোকা বানিয়ে ভোট নেয়া যাবে তাহলে তারাই বোকার স্বর্গে বাস করছে। হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের বুলি যে একটি চুড়ান্ত মিথ্যার বেসাতী তা তরুন সমাজ ২ বছরেই বুঝে গিয়েছে। আওযামীলীগ যে নিজের পুচ্ছদেশ দাদাদের প্রতি উন্মুক্ত করে দিয়েছে তা বুঝতে আর হাসিনার মতো ডক্টরেট হবার প্রয়োজন নেই।প্রতিবেশি দেশের সাথে একের পর এক অসম চুক্তি দেশের ভবিষ্যতে আতংকগ্রস্থ করে দিচ্ছে।
চারদলীয় জোটের কর্মীদের আন্দোলনের জন্য প্রয়োজন ছিলো একটি লাশ। বর্তমানে তারা সেটি পেয়ে গেছেন। এখন তাদের আন্দলোনে জোস আসবে। একণ তারা রন হুংকারে ঝাপিয়ে পড়বেন। এতোদিন জনগনের সমস্যায় তারা ছিলেন ইদুরের গর্তে।
বিগত নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রতি ঘৃনার ভোট পেয়েছিলো আওয়ামীলীগ, আওয়ামীলীগের প্রতি ভালোবাসার ভোট নয়। বিএনপিও কি একই আশা করছে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



