ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করবেই। তবে কি যে,
বন্ধু আড্ডা গান এখানেই, হারিয়ে যাও...
দুনিয়ার সুখ অনলি অন মাই ডিজুস....
রাজী থাকলে আড্ডা হবে..
(হুবহু হলোনা বোধহয়)
এই যে, আহ্বানের ধারা। বেণিয়ার এই যে প্রলোভনের ভাষা- এগুলি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা অবশ্যই করা উচিত।
এই যে, হারিয়ে যাওয়ার আহ্বান। নৈতিকভাবে এটা কোন পর্যায়ে পড়ে? বেণিয়া তার ব্যবসার জন্য একটি জাতির তরুণ প্রজন্মকে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে বলছে "ফ্যান্টাসির" জগতে। মিথ্যা বানোয়াট গল্পবাজী, কল্পিত রোমান্স আর বড়াই ভড়ং করার জগতে নিয়ে গিয়ে ফেলতে চাইছে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে।
কোন সাহসে ???
আবার বলছে, দুনিয়ার সুখ অনলি অন ডিজুস। একটি কিশোর বা কিশোরী, "সুখ" সম্পর্কে যার ধারণাই তৈরী হয় নাই। যে কি-না বাপের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ফুটায়। তাকে বলা হচ্ছে লক্ষ্যহীন ভাবে অবিরত বন্দুক ছুঁড়তে।
এসব নিয়ে, বিজ্ঞাপনের ভাষা নিয়ে, বেণিয়ার চৌর্যবৃত্তি ঠেকানোর জন্য, সর্বোপরি দেশ-জাতি ও তরুণ প্রজন্মকে রক্ষার জন্য এক্ষুণি জনসচেতনতা গড়ে তোালা দরকার।
নতুন প্রজন্ম নতুন কিছু ব্যবহার করবে, নতুন জিনিষে অভস্ত্য হবে এটা চিরকালের নিয়ম। তাতে কারো কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আপত্তি তখনই যখন তাদেরকে কেউ বিভ্রান্ত করে নিচে নামাতে চায় বেণিয়াস্বার্থের জন্য।
যাদের শিরোনাম "ডি জুস"= রসভান্ডখানি।
এরা তরুণ প্রজন্মের রস শুষে নিতে চায়। যাদের রস এখনও পোক্ত নয় তাদের সেই রস শুষে যারা টাকা কামাতে চায় তাদেরকে এক্ষুণি প্রতিহত করা দরকার।
অভিভাবকদেরও সচেতন হওয়া দরকার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


