somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... গাধার ফাঁন্দে পড়িয়া কান্দে বিলাইয়ের ছাও <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_31.gif" width="23" height="22" alt=":#)" style="border:0;" /> <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_31.gif" width="23" height="22" alt=":#)" style="border:0;" /> মোবাইলে যদিও ৩ মেগা পিক্সেলের দুইটা ক্যামেরা আছে তারপরেও মোবাইল ক্যামেরা নিয়া আবালামি করার চান্স কুনদিন পাইনাই। ঘটনা হইলো ইফতারের আগে বহুত তাড়াহুড়া কইরা অফিস থাইকা আইসা মাত্র গেইটের তালা খুলছি, দেখি আমার দিকে হাক্ক কইরা চাইয়া আছে এই বিলাইয়ের ছাও -

এত সুন্দর বিলাইয়ের ছাও আমি আমার জীবনে দেখিনাই <img src=" style="border:0;" /> গেইটের নিচে সামান্য কদ্দুরা ফাঁক পাইছিলো আর হান্দায়া বয়া রইছে সিঁড়িরঘরের কোনায়। আমি শিউর আছিলাম যদি কুন সাদা চামের মাইনষে এই ছাওডারে দেখত তাইলে টাশ টাশ কইরা দুইটা চুম্মা লাগায়া দিতো। আর আমিও বিলাইয়ের ছাওডারে নিয়া আবালামি কর্তে ছাড়িনাই। বিশ্বাস না হৈলে আপনেরাই দেইখা লন -







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28842851 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28842851 2008-09-14 03:06:18
একটি গল্প
***
২০০৩ সাল, বর্ষার দিন। চারদিকের সব দালানগুলোর জানালা বন্ধ। শুধু মাত্র একটি জানালা খোলা ছিল। আনমনে বৃষ্টি দেখছিল ছেলেটি। গরম গরম কফি, সাথে সিগারেট, বর্ষার দিনে ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাস; অন্যরকম অনুভূতি।
***
চারতলা থেকে একটি জানালা আস্তে আস্তে খুলে গেল .... পরনে ছিল গাঢ় নীল রঙের কাপড় .... মুঠ করে বৃষ্টির পানি নিয়ে মুখে মাখছে। ছেলেটা অপলক দৃষ্টিতে দেখছিল দৃশ্যটা। ছেলেটাকে খেয়াল করার পরে নিজেকে সামলে নিলেও লুকানোর চেষ্টা করেনি মেয়েটি।
***
২০০৩ সালের ১৮ ই জুলাই ; মেয়েটি ইশারায় হাতের তিনটি আঙ্গুল দেখাল। কি হতে পারে অর্থ ?? বিকেল তিনটার দিকে বাসার সামনে রাস্তায় দেখা হল, সামান্য কথা হল, হার্টবিট বেড়ে গেল, আর মেয়েটিকে খুউব ভাল লেগে গেল।
***
জীবনের প্রথম কোন মেয়ে ছেলেটিকে ফুল দিল "কদম" ; কদম ছেলেটির প্রিয় ফুল। সেইবার বাড়ীতে গিয়েই ছেলেটি কদম গাছ লাগিয়েছিল গেইটের কোনায়। ছেলেটার আম্মু হেসে বলেছিলেন, এত ফুলের গাছ থাকতে কদম কেনরে?? বুঝাতে পারেনি -"কদম তার সবচাইতে প্রিয় ফুল"।
***
ঢাকার পাঠ শেষ, বাড়ী ফেরার পালা। মেয়েটির কাছে বুয়ার মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠাল। "চলে যাচ্ছি এই শহর ছেড়ে, হয়তোবা আবার দেখা হবে, ভালো থেকো"। মেয়েটি খুব কাঁদছিল। চারতলার সেই জানালায় দাঁড়িয়ে ছেলেটিকে হাত নেড়ে বিদায় দিল।
***
এই মুহূর্তে ; জীবন এবং জীবিকার সংগ্রামে ছেলেটি মেয়েটির কাছ থেকে অনেক অনেক দূরে। মেয়েটির সাথে যোগাযোগ করার জন্য হাজারো ব্যার্থ চেষ্টা করেছিল সে। ৩ টি বছর পেরিয়ে গেল ....... প্রতিটা মুহূর্ত মিস করে মেয়েটিকে ...... ইউ. পি. এস. এক্সপ্রেস মেইলটা মেয়েটির হাতে পৌছেছিল ১৩ মার্চ ২০০৭ ।
***
"আই এম ...., প্লীজ কল মি, হ্যারী আপ" মোবাইলে এস.এম.এস পেল ছেলেটি। ৩ বছর পরে কথা হল মেয়েটির সাথে। অনেক অনেক কথা.......। মেয়েটির অমতেই বিয়ে হয়েছিল। স্বামীর সংসারে সুখী হতে পারেনি সে। চলে এসেছে বাবার বাড়ীতে। কান্না যেন আর থামেনা:- শুধু বার বার করে বলল "আমাকে ভুলে যাও"।
***
অফিস থেকে ছেলেটি বাসায় ফিরেনি। লোকচক্ষুর আড়ালে চোখ মুছে সারা রাত কাটিয়ে দিল রেড-সী'র পাড়ে। ভোরে বাসায় ফেরার পথে কার এক্সিডেন্ট........, ৬ দিন হাসপাতালের বেডে........ ,চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল ছেলেটির..... কি কারন? .... কেন?.... কাউকে বলেনি ছেলেটি...।
************************

ইহা পুরান মাল

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28821681 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28821681 2008-07-18 22:46:54
আমি লৌহ মানব ; আমার কোন দুষখ নাই মধ্যবিত্ত পরিবারের বইখা যাওয়া পোলা আমি (আপাতত নিজেরে ফেরেশতা মনে করি<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />)। সোনার চামুচ মুখে দেয়া আমার কোনদিনও হয়নাই। তারপরেও পিতৃদেবের বিশাল হৃদয়ের ছত্রছায়া কোনদিনও বুঝতে দে নাই সোনার চামুচ আর ইশটিলের চামুচের ডিফারেন্স। যেদিন তার হাতে হাত রাখছিলাম কেন জানি মনে হইছিল এই জীবন ত জীবন না। এই জীবনরে ত আরো অনেক কিছু দেওনের আছে। তাই স্বপ্ন দেখছিলাম এই ডার্ক লাইফটারে কালারফুল বানানির।

পাসপোর্ট টিকিট হাতে নিয়া বাপেরে কদমবুচি করার সময় বাবায় বলে, এই বয়েসেই ত পোলাপানে ভুল করে, তুই না হয় করচোস। সব ঠিক হইয়া যাইবো, আবার নতুন কইরা সব শুরু কর। এখনো সময় আছে বিদেশ যাইছ না। হাইসা বাপেরে বলছিলাম তা কি হয় ? আমার ফেরেশতার মতন বাপের চোখে পানি ঝরাইছিলাম আমি। আমার তখনো কোন দুঃখ লাগেনাই।

ঈদের দিন সকালে নামাজ পইরা আইসা একটানা ৩৫ টা টয়লেটের গু সাফ করছিলাম ; হাতে এখনো গুয়ের গন্ধ করে। ১২ ঘন্টা একটানা ভিনেগার মিশাইন্যা গরম পানিতে ডাষ্টার ভিজাইয়্যা গ্লাস ওয়াইপ করতে করতে হাতে ফোস্কা উঠাইছি। তখনো আমার কোন দুঃখ লাগেনাই। কাঁনধে ২০ লিটারের ক্যান আর হাতে আরো একটা ২০ লিটারের ক্যান নিয়া “মইয়্যা মইয়্যা” চিল্লাইয়্যা চিল্লাইয়্যা একটানা ৫৬ ঘন্টা পানি বেচছি ইয়া নফসীর মাঠে। আমার তখনো কোন দুঃখ লাগেনাই। জানতাম তারে পাইতে হৈলে আমারে আরো অনেকদুর পথ পাড়ি দিতে হবেক !!

সবকিছু গুছাইয়া নিছিলাম। মায়ে আশায় বুক বাঁনছে, মাঝরাতে আমাদের বাড়ীর সামনে ফকফকা আলোয় দমদমিয়ে আবারো চলবে রেকেট কর্ক এর তান্ডব, আমার মটরসাইকেলের ভটভট শব্দ আবারো দুঃশ্চন্তিতার ঢেউ তোলবে মায়ের মনে। খবরটা তারেই দিতে গেছিলাম। শুনি............ সে অন্যের ঘরের ঘরনী।
দেশে আর যাওয়া হয়নাই। মায়ের ছেলে দেখার আশা আর পূরন হয়নাই। যে মায়ে দুনিয়া দেখাইছে সে মায়েরে আবারো কান্দাইছি আমি। আমার তখনো কোন দুঃখ লাগেনাই। কি হারাইছি, কি হারাইছি শোক ভুলতে মাতাল হৈয়া গাড়ী চালাইতে গিয়া ২ ইঞ্চি নাকে ৫ টা সিলাই নিয়া হসপিটালের নার্সেরে ৭ দিনের সখী বানাইছি। আমার তখনো কোন দুঃখ লাগেনাই। আমার কোন ক্লেশ লাগেনাই তার বাপের সামনে বুক ফুলাইয়া হাঁটতে পারিনাই বইলা।

আমার তখনি দুঃখ লাগে যখন শুনি আমার এত কষ্টের বিনিময়েও সে নিজেরে সুখি বানাইতে পারেনাই।

"আমার ব্লগ" থাইকা পেষ্ট মারছি ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28810003 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28810003 2008-06-16 02:10:06
আরব্য রজনী ; এক বৃহঃবার রাতের কথন
শহরের শেষ স্ট্রীট লাইটটি পেছনে এসেছি মিনিট পাঁচেক হবে।সামনে গাঢ় অন্ধকার। হেডলাইট আরো শক্তিশালী হল। পেছন থেকে পুরা জেদ্দা শহরটাকে একটা বিয়ে বাড়ীর মতন লাগছে। লাল নীল বাতি দিয়ে চারদিক সাজানো।

শোঁ করে কনকর্ডের বেগে দু'টো কুত্তা রাস্তা পার হল। হালকা সাউন্ডে গান চলছে - "যদি তোমায় আমি ফুল বলি, ভুল হবে আমার - যদি তোমায় আমি চাঁদ বলি, ভুল হবে আমার - তুমি চাঁদের চেয়েও সুন্দর, তুমি ফুলের চেয়েও সুন্দর..........." নিরবতা ভাঙাল মিজান। "শুন মুমিন মুসলমান'অ, কলকি ভইরা গাঁণ্জা টান'অ, আখেরাতে গেলে আর গাঁন্জা পাইবানা"। গভীর রাতে বন্ধুরা মিলে সী - বীচে অথবা ঝাউবনে গলা ফাটিয়ে গাইতাম।

"আল -উসফান"। জেদ্দা থেকে ২১০ কি. মি. দূরের ছোট্ট একটা বেদুইন গ্রাম। হাইওয়ের পাশে কয়েকটা সুপার ষ্টোর আর ফুয়েলিং ষ্টেশন। মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে, দু'কাপ ধোঁয়া তোলা কড়া কফি নিয়ে বসেছি সাথে ডানহিল। "মীড" এর এসির হীমশীতল বাতাস লংড্রাইভের ক্লান্তি মুহূর্তেই দূর করে দিল।

"মীড" এর সামনের পার্কে নরম ঘাসে শুয়ে আছি। ইদানীং জেদ্দাতেও বেশ ঠান্ডা পড়ছে। এমন ওয়েদারে গাঁজা টানার মজাটাই আলাদা। অনেকদিন হল টানা হয়না, স্বাদটাও যেনো ভুলতে বসেছি !!! কাল শুক্রবার ; অফিস নাই , বাসায় ফেরার তাড়াও নাই।
গ্যালারি >> মিউজিক & সংগস >> বাংলা >> SKNTO >> "যদি আজ না উঠে চাঁদ, আমার কি এসে যায় তাতে ; তোমায় নিয়ে ........." কিরে কি শুনচ ?? মিজানের দিকে একটা এয়ার ফোন বাড়িয়ে দিলাম।

রাত্রি দ্বিপ্রহর পেরিয়ে গেছে। আরবীর কত তাঃ সঠিক মনে নেই। চাঁদটা যেন সামন্য হেলে পড়েছে। জোৎস্নায় ভেসে যাচ্ছে দৃষ্টিসীমার মধ্যে পুরো মরুভূমি। আচ্ছা এই চাঁদের আলো কি জানালর ফাঁক গলে তার মুখেও এসে পড়েছে ??? আজ আকাশটা ইষৎ লাল। হয়তোবা অনেকদূরে কোথাও ধূলিঝড় হচ্ছে। দূর থেকে বুলডোজার দিয়ে পাহাড় কাটার একটানা শব্দ ভেসে আসছে ,,,, ধ্রিম.. ধ্রিম..ধ্রিম.. ধ্রিম..ধ্রিম.. ধ্রিম..]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28799673 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28799673 2008-05-19 04:20:46
এসো ভদ্রতার গলাত দড়ি লাগাই
উঁটু গিরো

চামচামী গিরো

ভোদাই গিরো

সেয়ানা গিরো

মহাকালীয় গিরো





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28798414 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohakal420/28798414 2008-05-15 21:58:27