আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
আসুন আজকের এই সুন্দর সকালে আমাদের রাসুল, আমাদের প্রিয় নবী, শ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কয়েকটি হাদীস পড়ি
৮৪· রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- মহান ও পরাক্রান্ত আল্লাহ্ বলেছেন, “আমার ইজ্জত ও জালালের কসম! আমার বান্দা জন্য আমি দু’টি নিরাপত্তা ও দু’টি ভয় একত্র করব না। পৃথিবীতে সে যদি আমার থেকে নির্ভয় হয়ে যায় তবে আমি তাকে সেদিন ভীত করব, যেদিন আমি আমার বান্দাদেরকে সমবেত করব। আর সে যদি পৃথিবীতে আমাকে ভয় পায়, তবে সেদিন তাকে নিরাপত্তা প্রদান করব-যেদিন আমার বান্দাদেরকে একত্রিত করা হবে।”
আবূ নুয়াঈ’ম এ হাদীসটি হযরত শাদ্দাদ ইবনে আওস (রা) থেকে সংগ্রহ করেছেন।
৮৫· রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- তোমাদের কেউ যেন নিজেকে হীন ও তুচ্ছ না করে। যদি সে আল্লাহর এরূপ কোন আদেশ দেখতে পায় যাতে তার কথা বলা উচিত, কিন্তু সে বিষয়ে সে কিছু বলে না, অত:পর সে মহান আল্লাহর সম্মুখীন হবে। যে অবস্খায় সে তা (অর্থাৎ আল্লাহর আদেশের বিষয়ে কথা বলার সুযোগ) নষ্ট করে দিয়েছে। তখন মহান ও পরাক্রান্ত আল্লাহ্ বলবেন, “ও বিষয়ে কথা বলতে তোমাকে কিসে নিষেধ করেছিল?” প্রত্যুত্তরে সে বলিবে, “মানুষের ভয়।” আল্লাহ বলবেন, “আমি ছিলাম তোমার ভয় করার বেশি হকদার।”
তিবরানী এ হাদীসটি হযরত আবূ সাঈ’দ খুদরী (রা) থেকে সংগ্রহ করেছেন।
৮৬· রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- ফেরেশতাগণ আরয করেন, “হে প্রতিপালক! তোমার অমুক বান্দা একটি পাপ করতে মনস্খ করছে।” আল্লাহ্ সর্বাপো বড় দ্রষ্টা, তিনি বলেন, “তাকে লক্ষ্য করতে থাক, সে যদি তা করে ফেলে তবে ওটার সমপরিমাণ পাপ তার জন্য লিখ। আর সে যদি তা ছেড়ে দেয় তবে ওতে তার জন্য একটি পূর্ণ লিখ। কারণ, নিশ্চয়ই সে ওটা আমার শাস্তির ভয়ে ছেড়ে দিয়েছে।”
এ হাদীসটি আহমদ ও মুসলিম হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে সংগ্রহ করেছেন।
ভাল থাকুন
শুভ ব্লগিং

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

