আমার মতো স্বল্পজ্ঞানী'র পক্ষে এই অনুপম প্রাসাদের বর্ণনা দেয়া বাতুলতার সামিল। সত্যিকার অর্থে এর আগে এতবড় রাজবারি দেখার সৌভাগ্য হয়নি। বিশাল এলাকজুড়ে তৈরী এ জমিদার বাড়ি একসময় উপমহাদেশের এতিহ্যবাহী সাহা পরিবারের কথা মনে করিয়ে দেয় সহজেই। লবণ ব্যবসায়ী গোবিন্দ রাম সাহা এবং তাঁর চার ছেলে মিলে তৈরী করেন উনিশ শতকের এ অনবদ্য কীর্তি। জমিদার বাড়ি অভিমুখেই পড়বে তিনটি সিংহদ্বার।
১০টাকার টিকেটে ভিতরে ঢুকলেই দেখতে পাবেন চারটি প্রায় সম আকারের প্রাসাধ। ব্রিটিশ রাজ এবং করিন্হিয়ান স্টাইলের এই প্রাসাধগুলো সৌন্দর্যের দিক থেকে একটি আরেকটির চেয়ে কম নয়।
তবে নিকট অতীতে পুরাকীর্তি অধিদপ্তরের সংস্কারের কারণে মাঝের দুইটি প্রাসাধ সৌন্দর্য হারিয়েছে বহুগুনে।
জমিদার বাড়ির একদম পেছনে রয়েছে চারঘাট সম্বলিত পুকুর। কমকরে হলেও আটটি কুয়ো রয়েছে বাড়িটির চারদিকে যদিও পানির ছিঁটেফোটাও নেই
জমিদার বাড়ি থেকে বিদায় নেয়ার সামনের দিকের সর্ববামের প্রাসাধটিকে (যে প্রাসাধটি আমার সবচাইতে পছন্দ হয়েছিল) বলে আসলামঃ "পৃথিবীর অন্য কোন দেশে তোর জন্ম হলে এই জীর্ণতার মুখোশ পড়তে হতোনা তোকে, তোর ভাগ্য খারাপ"
যাওয়ার উপায়ঃ
নিজস্ব গাড়ি: নবীনগর-মানিকগন্জ রোডে ১৫মিনিট ড্রাইভ করলেই পাবেন কালামপুর মোড়। কালামপুর মোড় থেকে সাটুরিয়া অভিমুখে হাতের ডান পাশের রাস্তা ধরে চলে যাবেন সাটুরিয়া হয়ে জমিদার বাড়ি।
পাবলিক ট্রান্সপোর্টঃ ঢাকার গাবতলী থেকে এবং নবীনগর থেকে দুইটি বাস সার্ভিস সরাসরি সাটুরিয়া পর্যন্ত যায়। এস.বি লিংক এবং জনসেবা। এস.বি লিংক অবশ্য মন্দের ভাল। ভাড়া ৬০ টাকা। সাটুরিয়া থেকে সিএনজিতে জনপ্রতি ১০ টাকায় সরাসরি জমিদার বাড়ির সামনে নামতে পারবেন।
আপনাদের জন্য কুইজঃ
"মাষ্টার কী"র সঠিক বাংলা কি হবে।
please visit our website: http://www.everyneededinfo.com
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



