আমার প্রিয় পোস্ট

সমালোচনা জীবনের পাথেয়, অযাচিত প্রশংসা জীবনের অন্তরায়

বিজ্ঞান ও হাইপোথিসিস - কিছু বকালাপ (প্রশ্ন সিরিজ - পর্ব : ১)

২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি বিবরনে যাবো না, আমার যত্সামান্য জ্ঞানের কথা আপনাদের কাছে ভালো না লেগে বাহুল্য মনে হতে পারে ।

আমার গ্রাজুয়েশনের একটা বিশাল অংশ ছিলো - তত্ত্বীয় বিজ্ঞান । বিজ্ঞান এর প্রবাহ হয়ে থাকে এই তত্ত্বীয় বিজ্ঞানের মাধ্যমে । কোন এক ব্লগে আমার শ্রদ্ধেয় অগ্রজ বলেছেন, কল্পকাহীনির লেখকেরা কোনো সম্ভবনার কথা বললে সেটা বিজ্ঞান নয় । যদিও সেটা সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকেও । আমি এর সাথে দ্বিমত পোষন করি ।

আমরা আধুনিক বিজ্ঞানের অগ্রগতি বিবেচনাতে নিলে দেখবো তাদের অবদান ব্যাপক । বিজ্ঞান সবসময় তাদের কাছ থেকে তত্ত্ব নিয়ে থাকে ।

=> হাইপোথিসিস
=> রিসার্চ, ফরমুলেশন, সিমুলেশন এন্ড মডেলিং
=> ডিসকভার, ইমপ্লিমেন্টশন, ইন্জিনিয়ারিং

হাইপোথিসিস ছাড়া আপনি পরের ধাপগুলোতে যাবার পথ পাবেন না । সেটা তত্ত্ব বিজ্ঞানী বা লেখকগোষ্ঠী বা যেকোন সাধারন মানুষের কাছ থেকে পেতে পারেন । আর গন্ডীবদ্ধ সার্টিফিকেট থাকলেই যে আপনি বিজ্ঞানী হবেন এমন কোন কথা নেই । তাহলে বিজ্ঞান গুটি কয়েক মানুষের জন্যই প্রযোজ্য হতো, এবং বিজ্ঞানের এতো দুর আসা হতো না ।

মনে করি, আপনি ইতিহাসের ছাত্র । কিন্তু আপনার মাথায় কাজ করতে থাকলো এমন একটি যানের কথা যা, আকাশ, পানি ও মাটিতে সমানভাবে চলতে পারে । এবং এর জ্বালানী হবে "মাটি"। আপনি এর সম্ভবনার কথা মোটামুটি বাস্তবতার মধ্যে নি্য়ে আসলেন । কিন্তু গবেষনা এবং বাস্তবায়ন করার ক্ষমতা আপনার নাই । ঠিক আছে । কিন্তু ১০ বছর পরে অন্যান্য বিজ্ঞানী তা বাস্তবায়ন (উদ্ভাবন) করলো । তাহলে আপনিই কিণ্তু হলেন এর প্রর্বতক । যেমন লিওনার্দো-ড্যা-ভিন্চি । উনি হেলিকপ্টার এর মডেল এবং কার্য পদ্ধতি অনেক আগেই দেখিয়ে গেছেন, কিন্তু বাস্তবায়ন হলো ১৯ শতকে । তাহলে কি লিওনার্দো-ড্যা-ভিন্চি কে কল্পবিজ্ঞানী বলবেন নাকি প্রবর্তক বলবেন ?

তেমনি ইউ.এফ.ও এর কথা বলা যায় । বিজ্ঞান এর কুল-কিনারা করতে পারছে না । কিন্তু কল্পবিজ্ঞানী ও মুভি নির্মাতারা কিন্তু অনেক সম্ভাব্য পথ দেখিয়ে দিচ্ছেন, ২য় ধাপের বিজ্ঞানীদের কর্মপ্রক্রিয়া করে সহজ করে দিচ্ছেন । আমি তো বলবো কল্পবিজ্ঞানী ও মুভি নির্মাতারা হাইপোথিসিস দিচ্ছেন, যা বিজ্ঞানকে এগিয়ে নিচ্ছে ।

আমার প্রশ্ন হলো -
=> বিজ্ঞান কি ?
=> এর কর্ম পরিধী কিরকম ?
=> বিজ্ঞান ফলাফল হিসেবে কি দেয়, সৃষ্টি না উদ্ভাবন ?
=> বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা কোথায় ?
=> পরম ফলাফল বা সিদ্ধান্তে উপনীত না হয়ে আপাত সিদ্ধান্ত দেয় কেন ?

আমি জানি এই সাইটে অনেক জ্ঞানী মানুষ আছেন, যারা প্রতিনিয়ত পড়াশুনা করছেন । তারা যদি এই প্রশ্গুলির সহজ সমাধান দিতেন তবে কৃতার্থ হতাম ।

[ যাদের কাছে ভালো লাগবেন না, তারা মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন, দয়া করে শালীনতার মানদন্ড মেনে চলুন । ]


 

 

  • ২২ টি মন্তব্য
  • ২৫৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২১
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ভুলে প্লাস দিয়ে ফেলেছি, আসলে মাইনাস হবে।
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: আপনার কাছ থেকে শিখলাম, বিজ্ঞ ভুল করতে জানে ।

২. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২১
comment by: মদন বলেছেন: আরো কিছু আসুক...
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আসবে, দয়া করে একটু ধৈর্য্য ধরুন । ধন্যবাদ ।

৩. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
comment by: কৌশিক বলেছেন: গ্রাজুয়েশনের পরে আবার ক্লাস ওয়ানের স্মৃতি রোমান্থন ভাল হইছে।
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: বিশাল অট্রালিকা নির্মানে কিন্তু আমরা বেজমেন্টকেই গুরুত্ব দেই ।

৪. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: কৌশিক বলেছেন: গ্রাজুয়েশনের পরে আবার ক্লাস ওয়ানের স্মৃতি রোমান্থন ভাল হইছে।

--
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: পুনশ্চঃ বিশাল অট্রালিকা নির্মানে কিন্তু আমরা বেজমেন্টকেই গুরুত্ব দেই ।

৫. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০
comment by: মাইনুল বলেছেন: ভাল লেগেছে।
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।

৬. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
হাইথোথিসিসের গুরুত্ব অস্বীকার করি না। মানুষের কল্পনা শক্তি এবং প্রশ্ন করার ক্ষমতা এ দুটির সম্মিলনেই তো সভ্যতার এই বিকাশ। আইনস্টাইনও বলেছিলেন, "ইমাজিনেশন ইজ মোর ইমপর্ট্যান্ট দ্যান নলেইজ"।

তবে একটা জিনিস মনে রাখবেন- কল্পকাহিনী ও হাইপোথিসিসের মধ্যে একটা পার্থক্য আছে। হাইপোথিসিস করা বিজ্ঞানের বিভিন্ন সূত্র, তত্ত্ব এসবের সাথে যুক্তি-তর্কের যোগ রেখেই। এবং হাইপোথিসিসকেও কিন্তু পুরোপুরি বিজ্ঞান বলতে পারবেন না- এটা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির অন্তর্গত বিষয় বলতে পারেন।

৭. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯
comment by: মোহাইমেন বলেছেন:

@নাস্তিকের ধর্মকথা - "এবং হাইপোথিসিসকেও কিন্তু পুরোপুরি বিজ্ঞান বলতে পারবেন না- এটা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির অন্তর্গত বিষয় বলতে পারেন।"

আমার প্রশ্নগুলোর উত্তর কি এর মধ্য আছে ? মনে হচ্ছে আছে ।

"বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির অন্তর্গত" বলতে মনে হচ্ছে "মায়ের গর্ভে সন্তান" ।
৮. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২
comment by: চৌধুরী ইশতিয়াক সাদমানী বলেছেন: আমি শুধু আপনার এই প্রশ্নটার উত্তর দিচ্ছি --

বিজ্ঞান ফলাফল হিসেবে কি দেয়, সৃষ্টি না উদ্ভাবন ?

আমার দৃস্টিতে উত্তরটা হবে উদ্ভাবন, কারন সৃষ্টি করেন আল্লাহ ।
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার উত্তরটি নোট করে রাখলাম । ভিন্নমত থাকতে পারে । দেখি উনারা কি রকম ব্যাখ্যা দেন।

৯. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:০৬
comment by: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা অনেক -যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে :
১. শুধুমাত্র পার্থিব বিষয়ে কাজ করা - অপার্থিব কোন কিছু যেমন মানুষের মন, বিবেক বা ভালবাসা নিয়ে কাজ করার ক্ষমতা বিজ্ঞানের নেই।
২. বিজ্ঞান যতটুকু জানে তার চেয়ে অজানার পরিধী অনেক বেশী বাড়িয়ে দেয় - সৌরজগতকে জদি এখনকার বিজ্ঞানের জানা এলাকা বলি তাহলে এই ক্ষুদ্র এলাকা জানতে গিয়ে অজানার পরিধী বিলিয়ন বিলিয়ন আলোকবর্ষ ব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আবার সেই বিলিয়ন বিলিয়ন আলোকবর্ষ ব্যাপী ছড়ান বিশ্ব জগত জানতে গিয়ে আরো কত অজানার সন্ধান পাওয়া যাবে - আল্লাহই ভাল জানেন। সুতরাং বিজ্ঞান কখনই বলতে পারবে না যে সে বিশ্ব জগতের সবকিছু জেনে ফেলেছে।
৩. বিজ্ঞান শুন্য থেকে সৃস্টি করতে পারে না - সৃস্টির রহস্য উদ্ভাবন করে বা সৃস্ট বস্তুর বৈশিস্ট নতুন নতুন কাজে ব্যাবহার করে।
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: আমার পরবর্তী পোষ্ট আসছে - মাত্রা নিয়ে, এরপর ধারাহিকভাবে পোষ্ট আসবে সময়, প্রকৃতি, মহাজাগতিক বিশ্ব নিয়ে, অবশ্যই বিজ্ঞানের আলোকে ।

১০. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:১৩
comment by: উন্মনা রহমান বলেছেন:

আপনে বিজ্ঞান না পইড়া মাদ্রাসায় পড়লে ভাল করতেন।

অন্য পোস্টে আমারে কী কী জানি বলছেন দেখলাম। পড়ার ইচ্ছা হয় নাই।

ও, ভাল কথা, আপনার রোদ-চশমাটার বেশ! পারদ লাগানো নাকি? কত দিয়া কিনছেন?
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: কেন? এই কথা বললেন কেন? আপনার কি মাদ্রাসায় শিক্ষিত লোক অপছন্দ নাকি প্রয়োজন । বললে ভালো হতো :)

Click This Link
সময় হলে পড়ে নেবেন ।

এই প্রশ্নটি যদিও একান্ত ব্যক্তিগত প্রশ্ন বা এই পোষ্টের জন্য অনুপযুক্ত, তবুও উত্তর দিচ্ছি -
ধন্যবাদ পছন্দ করার জন্য, না পারদ লাগানো না, রেইবেন- জানি না কতো, উপহার হিসেবে পাওয়া।

প্রাসংগিক আলোচনায় অংগ্রহনে আমন্ত্রন জানাচ্ছি।

১১. ২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪১
comment by: লিপিকার বলেছেন: বিজ্ঞান ফলাফল হিসেবে কি দেয়, সৃষ্টি না উদ্ভাবন ?
বিজ্ঞান উদ্ভাবন করে। বিজ্ঞান সৃষ্টি করেনা। প্রকৃতিতে সব আছে বা আগে থেকেই ছিলো। আমরা জানিনা বা জানতামনা এমন সব কিছুই বিদ্যমান। বিজ্ঞান শুধু চোখ খুলে দেয়, জানিয়ে দেয়।

বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা কোথায় ?
১। গুনবাচক কোন কিছুর পরিমান বিজ্ঞান নির্নয় করতে পারেনা। যেমন: কোন ফুলটা সুন্দর, গোলাপ নাকি চন্দ্রমল্লিকা?
২। বিজ্ঞান কখনও ন্যায় অন্যায়ের ভালো খারাপের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন। যেমন: কে বেশী খারাপ গোলাম আযম নাকি নিজামী? এটা আমাদের লজিক দিয়ে বের করতে হয়, বিজ্ঞান এখানে কোন সাহাজ্য করতে পারেনা।
৩। অতিপ্রাকৃতিক ব্যাপারে বিজ্ঞান সবসময় বিভ্রান্ত। যেমন: স্রষ্টার অস্তিত্ব? বিগব্যাং এর আগে কি ছিল? মহাজগতে মানুষ ছাড়া বুদ্ধিমান কোন প্রানী আছে কিনা?

পরম ফলাফল বা সিদ্ধান্তে উপনীত না হয়ে আপাত সিদ্ধান্ত দেয় কেন ?
প্রকৃতিতে ন্যাচারাল কিছু "Error" থাকে যেগুলো মানুষ বা কোন যন্ত্রের বা কোন তত্ত্বের পক্ষে শোধরানো সম্ভব নয়। এই কারনে বিজ্ঞান অনেক ভেবেচিন্তে আপাত স্বিদ্ধান্তে উপনীত হয়।

প্রথম দুইটা প্রশ্নের উত্তর অনেক ব্যাপক, লিখতে গেলে হাত ব্যাথা করবে।
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার সুন্দর লিখার জন্য ধন্যবাদ । আমার ক্ষুদ্রজ্ঞানকে বিকশিত করতেছে আপনাদের লেখাগুলো । আশা করছি আরো মন্তব্য পাবো।

১২. ২২ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
comment by: হুমায়রা হারুন বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন। অভিনন্দন।
২২ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

 



 


আমার দশর্ন :
ধর্ম নিরপেক্ষতা একটা জুজু। আর নিরপেক্ষ ধর্ম হলো ইসলাম, কারন ইসলাম বিশ্বাস করে 'যার যার ধর্ম তার তার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৯২৩