
১০৬. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৩৮
-ছন্নছাড়া- বলেছেন: মোহাইমেন বলেছেন: বিবেক? নীতিছাড়া বিবেক কার্যকর? হলে, কিসের ভিত্তিতে? সামুর ও একটা নীতিমালা আছে, দেশেরও সংবিধান আছে, আস্তিকের আছে, কোরান, বাইবেল, বেদ। আর নাস্তিকের কি আছে? হিজ হিজ হুজ হুজ? তবে চোরের চুরি বৈধ, কারন চোর বিবেককে সিদ্ধ করে - "তার খাবার নাই, পরিধেয় বস্ত্র নাই"। ধর্ষনকারী ভাবে আমার কাম জেগেছিলো। খুনী ভাবে খুন করাটা আমার প্রয়োজন ছিল। তাহলে নাস্তিকের বিবেকের মাত্রাজ্ঞান টা কোথায়?
আপনি উলংগ হয় রাস্তায় ঘুরতে দ্বিধা করতে পারেন, কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম উলংগ হতে দ্বিধা নাও করতে পারে। তার পরের প্রজন্ম হয়তো সীমারেখা ভুলে মাকে স্ত্রী, পিতাকে স্বামী হিসেবে বরণ করে নিতে পারে। আপনি হয়তো বা এতদূর চিন্তা করে উঠতে পারেন নি। কিন্তু এগুলো প্রগতির ধ্বজাধারী দেশগুলোতে বেশ ক'বছর আগেই প্রকাশ্যে ঘটতে শুরু করেছে। আর আপনারা মানবতাবাদীরা তাদের পক্ষে সাফাই গাইতে শুরু করেছেন - 'মানবতা, মানবতা' বলে ম্যাতাকার করে বেড়াচ্ছেন। তাই একটা কথা বলি,একটু ভেবে দেখবেন - "নাস্তিকরা বিবেক নয়, ইচ্ছা দ্বারা পরিচালিত হয়। আর তাদের বিবেক যতটুকু আছে সেটা উত্তরারীকার সূত্রে প্রাপ্ত। উত্তরাধিকারের সম্পত্তির যথাযথ রক্ষনাবেক্ষন না করলে নিঃশেষ হতে থাকে।" :> কোনো দ্বিমত আছে ? থাকলে ব্যাখ্যা করার জন্য অনুরোধ রইল।
@ মোহাইমেন, নীতিছাড়া বিবেক কার্যকর না! নীতি কই থেকে আসে!! ধর্ম ছাড়া কি নীতি তৈরি হয় না!!! দেশের সংবিধান তৈরিতে নীতিমালা কি ধর্ম থেকে ধার করা হয়? একটা খেয়াল করেন তো, একজন চোরকে কি নীতিমালায় শাস্তি দেওয়া হয় আমাদের দেশে! বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ করা হইছে ধর্মের কোন নীতি ধার করে! দুনিয়ার কোন দেশে পাথর ছুড়ে হত্যার নীতি আছে! ধরেন, আপনার পরিচিত কোন একটা মেয়ে রাগের মাথায় তিন তালাক বলে ফেলার কারনে তার বিয়ে ভেংগে গেল, রাগ ভাঙ্গার পর সেই স্বামীকে গ্রহন করতে হলে তাকে হিল্লা বিয়ে দিতে হবে, আপনি কি ব্যাপারটা মেনে নিতে পারবেন বা আপনার বিবেক কি অনুমূতি দেবে এই কাজে!! যুদ্ধে গনিমত হিসেবে পাওয়া মেয়েদেরকে আপনি কি ধর্ষণ করতে পারবেন? এক্ষেত্রে আপনার বিবেক কি বলবে! একজন চোরের হাত কি আপনি কেটে ফেলতে পারবেন! বরং তাকে কিছু মারধোর করে ছেড়ে দেওয়াই ভাল মনে করবেন।
উপরের এই কয়টা উধাহরণে ধর্মের নীতিমালা অনুসরণ করা হয়না কেন? এই নীতি কেমনে তৈরি হলো! বরং ধর্মের খারাপ নীতিগুলো বর্জন করা হয় বিবেকের তাড়নায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিবেক নীতি তৈরি করে, নীতি বিবেক না। ক্লিয়ার?
আপনি বললেন নাস্তিকরা বিবেক না ইচ্ছা দ্বারা পরিচালিত হয় আর তাদের তাদের বিবেক যতটুকু আছে সেটা উত্তরাধীকার সূত্রে প্রাপ্ত। এই ধারণাটা আপনার কেমনে হলো? ধরলাম, আমার দাদা ১৪ বছর বয়সী মেয়েকে বিয়ে করেছিল, তাই আমিও তাই করবো? আমার বাবারা ৭ ভাইবোন, আমিও কি সাতটা বাচ্চা কাচ্চা নিবো? উত্তরাধীকার সুত্রে তাদের সাথে আমার বিবেকের পার্থক্য কেন তৈরি হলো! আমরা কি উত্তরাধিকার সুত্রে বিবেকগুলো পাইছি!
মানবতা বিবেক ধর্ম থেকে আসে?, নাকি সভ্যতা, শিক্ষা, জ্ঞান চিন্তা থেকে আসে!! একজন প্রকৃত মুসলিম বা ধর্মান্ধ মুসলিম পাথর ছুড়ে মানুষকে হত্যা করা নৈতিক মনে করবে। কিন্তু একজন সভ্য মানুষের কাছে তা অনৈতিক। শুনে রাখেন, ধর্মগুলো মানুষকে পরকালের লোভে লালায়িত করে অমানবিক, অসভ্য কাজগুলোতে প্ররোচিত করে, মানুষকে চরম স্বার্থান্বেসী বানায়। তাদের কাছে মানবিকতার চাইতে, মানুষের চাইতে ইশ্বর আর পয়গাম্বর সবার উপরে, তারা খুশি তো স্বর্গ নিশ্চিত। নাস্তিকরা কিন্তুক এই জুজুর প্রভাবে প্রভাবান্বিত না বরং জুজুর ভয়ংকর শক্তিশালী প্রভাব মুক্ত মানবীয় মানব সভ্যতার স্বপ্ন দেখে।
আমার দৃষ্টিকোন থেকে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি,আপনি লেখকের কাছে ব্যখ্যা চেয়েছেন, লেখকের দৃষ্টিকোন থেকেও ব্যখ্যা আশা করছি।
তার কাছে আরও স্বচ্ছ বিশ্লেষণ পাবেন আশা করি।
--------------------------------------
১১০. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:০৫
মোহাইমেন বলেছেন:
@ছন্নছাড়া:
আপনার পেশা কি, শিক্ষাগত যোগত্যা কি - জানি না। তবে বুঝি যে আপনি আমার চেয়ে জ্ঞানী। আমি যেটা বুঝি সেটা আমার জ্ঞানের মাত্রা দিয়ে। আমার চেয়ে যে কম জ্ঞানী সে তার লেভেলে চিন্তা করে। আর আপনি আমার চেয়ে জ্ঞানী তাই চিন্তার ব্যাপ্তি বিশাল হতে পারে। একটা হাইয়ারার্কি খেয়াল করেছেন?
আপনি কৃষিবিদ হতে পারেন। কিন্তু আপনার চেয়েও বড় কৃষিবিদ থাকতে পারে, পারে না? ধরি, আপনার কাছে কৃষিজমিতে একবার সেচ দেয়া যথেষ্ট, কিন্তু আপনার চেয়ে অভিজ্ঞ কৃষিবিদ সকাল-বিকাল কৃষিজমিতে সেচ দেন। অনভিজ্ঞ একজন বেশী ফলনের আশায় তিনবেলা সেচ দেন। কোনটা ঠিক? কারো সাথে কারো নলেজ শেয়ার না হলে সবাই ঠিক, তাই না।
চোরের কাছে চুরি হলো পেশা, পুলিশের কাছে অপরাধ, ধনীর কাছে শত্রু, সমাজের কাছে পরিত্যাজ্য, চোরের পরিবারের কাছে এটা আহারের ব্যবস্থা। দেখেন, পরিবেশের ভিন্নতায় দৃষ্টিভংগি পাল্টে যাচ্ছে।
ব্যবসায়ীর কাছে 'মিথ্যা' একটি পন্য বিপননের মাধ্যম হতে পারে। রাজনীতিবিদের কাছে ক্ষমতায় আরোহনের সিড়ি হতে পারে, বাবার কাছে সন্তানের পকেটমানির উপায় হতে পারে, ঘুষখোরের চাকরী বাচানোর লাঠি হতে পারে, ঠিকাদারের লাভবান হবার সুযোগ হতে পারে, পারে না?
মনে করেন টারজানকে বসবাসের জন্য বন থেকে ধরে লোকালয়ে নিয়া আসা হলো। টারজানের নৈতিকতার দন্ড কি হবে? তার কাছে যেকোনো কাজই সঠিক মনে হবে, যেটা সমাজের কাছে অনৈতিক। যখন টারজান কিছুকাল বসবাস করবে তখন সে সামাজিক রীতি-আচারে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে। তাহলে টারজান এই নৈতিকতার অভিভাবক হলো সমাজ নয়তো তার আশ্রয়দাতা।
আচ্ছা, সমাজ তার রীতি-নৈতিকতা কোথা থেকে পেলো? উত্তর হলো সামষ্টিক অভিজ্ঞতা থেকে। চুরি যে খারাপ এটা তো তাহলে কখনো না কখনো সমাজে প্রতিস্ঠিত হয়েছিল, সমাজ/পরিবারের নলেজবেজে তা যোগ হয়েছিল। তাইতো সমাজ/পরিবার/ব্যক্তি চুরিকে খারাপ বলে ধারনা পোষন করছে।
এখন আপনার মন্তব্য প্রসংগে আসা যাক -
বাল্যবিবাহের নিষিদ্ধ হবার কারন স্থানীয় সমাজের সামষ্টিক অভিজ্ঞার ফলাফল। বাংলাদেশে নতুন শিশুনীতিমালা অনুযায়ী অনুর্ধ ১৮ দের শিশু বলে গন্য করা হবে। তাই অনুর্ধ ১৮ তে বিবাহ হলে বাল্যবিবাহ আইনে পড়বে। ঠিক বললাম? আচ্ছা। কিন্তু ১৭ বছরের মেয়ে ও ছেলে যদি অন্যায় যৌনতায় জড়িয়ে যায়/গর্ভবতী হয়ে যায় তবে বিচারটা কার হওয়া উচিত? অভিভাবকের? ছেলের? মেয়ের? সমাজের? আইনের? বাংলাদেশে এইরকমের ঘটনা শুরু হয়ে গেছে - আইনের ভাষায় অপ্রাপ্ত বয়স্করা অবাধ যৌনতার গড্ডালিকায় ভেসে যাচ্ছে। উদাহরন চাইবেন? একটু সমাজের চারপাশে চেয়ে দেখুন। আর পাশ্চাত্যে ৯ বছরের মেয়ে মা আর ১১ বছরের ছেলের বাবা হওয়ার ঘটনা নিশ্চই স্বাভাবিক নয়। যখন এই ধরনের ঘটনার সম্ভবনা থাকে তখন কি অবাধ যৌনতা শ্রেয় নাকি বিয়ে শ্রেয়? তবে ভাববেন না, আমি বাল্য বিবাহের পক্ষে। তবে 'বালেগ/বালেগাদের' পরিবেশের বিবেচনায় বিয়ে হলে অমংগল কোথায়? আর ইসলামে বালেগদের বিয়ের কথা বলা আছে, বালক নয়।
হিল্লা বিয়ে একটা কঠোর এবং নির্মম শাস্তি। বাজে রকমের ব্যাপার। ভাইজান, ডিভোর্স কি ভালো ব্যাপার? আপনি বলতে পারেন দুটো মানুষের মাঝে সমঝোতা না হলে তো ডিভোর্সই উত্তম। ঠিক, একদম ঠিক। যাকে আপনি তিনটি বার তিনটি সময়ে চিন্তাভাবনা করে পরিত্যাগ করলেন, তবে আপনি আবার তাকে গ্রহন করতে চাইবেন কেন? বিয়েতো একটা বন্ধন, আর পরিবার হলো একটি প্রতিষ্ঠান - কোনো ছেলে খেলা নয়। এইজন্য মানুষ যাতে এই শান্তির প্রতিষ্ঠানকে বিনষ্ট করতে না পারে, বিয়ে এবং ডিভোর্সকে ছেলে খেলায় পরিনত না করে এই জন্য হিল্লা বিয়ে। আপনি এটা জানার পর কি আপনার স্ত্রীকে ডিভোর্স দেয়ার আগে একবার চিন্তা করবেন না? সৃষ্টিকর্তা দম্পতিদের ভালবাসেন, বিচ্ছেদ কে নয়। আর হিল্লা বিয়ে হলো বিচ্ছেদের মহাপ্রাচীর। কনসেপ্টটা ধরতে পেরেছেন? আরেকটু জানুন এই ব্যাপারে, আশা করি বোধগম্য হয়ে যাবে। রাগ করা, তিনবার বলা - এইগুলো না জেনে বলছেন। আপনার যদি জানার আগ্রহ থাকে, তবে একজান আলেমের সাথে কথা বলুন। আপনাকে বিস্তারিত বুঝিয়ে দেবেন। আপনি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাতে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারে লিখিত আকারে প্রশ্ন করতে পারেন। তারা জবাব লিখিত আকারেই দিবে।
যুদ্ধই তো খারাপ, পরিত্যাজ্য। এটার উত্তর একটু বড় হয়ে যাবে, পরে বলছি।
আপনার দাদা ১৪ বছরের বয়সীকে বিয়ে করেছেন, এখন কি আপনি করবেন? এটার উত্তর তো আপনি দিলেন। আর ৭ সন্তান? এটা কেমন প্রশ্ন হলো? এটাতো ব্যক্তির বিবেচনায় থাকে - দম্পতির আকাংক্ষার ফলাফল। বাধা কোথায়? আপনার ১টিতে ভাল লাগলে আমার ১টিতে নাও ইচ্ছাপূরন হতে পারে। এটাকি বিবেক সম্পর্কিত কোনো ইস্যু? আমি এই প্রশ্নে কনফিউজড হয়ে গেলাম।
ভাইজান: মনে করেন আপনার মাকে (আমি সম্মান দেখিয়ে বলছি, শুধুমাত্র উদাহরনের জন্য বলা - আমাকে ক্ষমা করবেন) কেউ ধর্যন করলো বা আপনার বোনকে অথবা আপনার স্ত্রীকে। আপনি কি করবেন? ঐ ধর্ষনকারীর ৩কূলকেই বিনাশ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠবেন। এই জঘন্য অপরাধ যাতে না ঘটে তার জন্য দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থা করলে সমাজে এই ঘটনা ২য় বার ঘটবেনা, আপনার সম্মান হয়তো ফিরে পাবেন না, কিন্তু ক্রোধ খানিকটা হলেও মিটবে। সমাজ ক্রমিক বিপর্যয় থেকে বেচে যাবে। আপনি মতান্তর করতে চাইলে ঠিক আছে, আর এই পয়েন্টগুলো চিন্তা না করে থাকলে চিন্তার খোরাক পেয়ে গেছেন নিশ্চই।
আবার একটু শুরুর দিকে ফিরে যাই-
হাইয়ারআর্কিতে আমার-আপনার-সবার উপরে একজন আছেন, তিনি সৃষ্টিকর্তা। তার দৃষ্টিতে সার্বজনীন নিয়ম বলে দেয়া সহজ। কৃষিজমিতে (একটা উদাহরন মাত্র - আবার ধর্মগ্রন্থের রেফারেন্স মনে করবেন না) কয়বার পানি দেয়া উত্তম তা তিনিই বলতে পারবেন। আর আমরা যেটা করবো সেটা আমাদের লেভেল - নিতান্তই আপেক্ষিক। ট্রায়াল এন্ড এরর মেথড পদ্ধতিতে আমরা আমাদের নিয়ম পরিবর্তন করছি, কিন্তু ফাইনালি সৃষ্টিকর্তার বেধে দেয়া নিয়মেই শান্তি অবশ্যম্ভাবী। মানতে চাইলেন না, সমস্যা নাই। পরিবর্তন/পরিমার্জন করতে করতে সেই নিয়মেই যেতে হবে। আমেরিকায় মহাম্দায় তারা ইসলামিক অর্থনীতিতে আগ্রহী হয়ে পড়েছে। একদশকেই দেখবেন তারা অর্থনীতিতে মারাত্মক কিছু পরিবর্তন আনবে ইনশাল্লাহ। তখন তবুও মানতে চাইতে নাও পারেন - তার নাম পরিবর্তিত হয়ে আমিরিকান অর্থনীতে হয়ে যাবে।
সমাজের সামষ্টিক অভিজ্ঞতা প্রবাহমান। অভিজ্ঞতা ধারন করলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য টিকে থাকবে, ফেলে দিলে হারিয়ে যাবে। প্রত্যেক ধর্মই কম বেশী নৈতিকতা শিক্ষা দেয়। ধারাবাহিক সামষ্টিক অভিজ্ঞতাই বিবেক কে জাগ্রত করে। আপনি আপনার সন্তানকে যদি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষা না দেন তবে ঐ বিষয় সামনে এসে দাড়ালে দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে পড়বে। তখন হিউরিসটিক্যালী ডিসিশন নেবে এবং সেটাই হবে তার কাছে সর্বোত্তম - যেটা এখন আমাদের কাছে মনে হচ্ছে।
আমার আগের মন্তব্য থেকে একটা অংশ তুলে দিলাম -
আপনি উলংগ হয় রাস্তায় ঘুরতে দ্বিধা করতে পারেন, কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম উলংগ হতে দ্বিধা নাও করতে পারে। তার পরের প্রজন্ম হয়তো সীমারেখা ভুলে মাকে স্ত্রী, পিতাকে স্বামী হিসেবে বরণ করে নিতে পারে। আপনি হয়তো বা এতদূর চিন্তা করে উঠতে পারেন নি। কিন্তু এগুলো প্রগতির ধ্বজাধারী দেশগুলোতে বেশ ক'বছর আগেই প্রকাশ্যে ঘটতে শুরু করেছে। আর আপনারা মানবতাবাদীরা তাদের পক্ষে সাফাই গাইতে শুরু করেছেন - 'মানবতা, মানবতা' বলে ম্যাতাকার করে বেড়াচ্ছেন। তাই একটা কথা বলি,একটু ভেবে দেখবেন - "নাস্তিকরা বিবেক নয়, ইচ্ছা দ্বারা পরিচালিত হয়। আর তাদের বিবেক যতটুকু আছে সেটা উত্তরারীকার সূত্রে প্রাপ্ত। উত্তরাধিকারের সম্পত্তির যথাযথ রক্ষনাবেক্ষন না করলে নিঃশেষ হতে থাকে।"
----------------------
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৫
লেখক বলেছেন: আপনার সহয় অবগতির জন্য আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছি, এটা নিতান্তই একটা রম্য রচনা। আপনার মন্তব্যগুলো প্রাসঙ্গিক হলে কৃতার্থ হতাম।
১১২. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২
মোহাইমেন বলেছেন:
@আসিফ: রম্য রচনা থেকে সবাই সিরিয়াস আলোচনায় যোগ দিল, তাই আমিও দিলাম।
আর একটা কথা -
ধর্ম নিয়া রম্য করিবেন না, উহাতে কম্ম উদ্ধার হইবে না। বরং তাহাতে আপনার মস্তিকের রোগটাই প্রকাশিত হইবে। আমি আপনার লেখার লাইন বাই লাইন রিফিউট করিতে পারিতাম, যদি আপনি অজ্ঞানপ্রসূত বা জানিবার আকাংক্ষা হইতে পোষ্ট দিতেন। আমার উত্তর না দেয়া কি "আপনার এ্যান্টেনাতে আমার সিগন্যালের যত্সামান্যও নাগাল পায় নাই"। তাহা হইলে আপনার জন্য পরামর্শ রহিলো "এন্ট্যানা একটু বড় দেখে লাগাইয়া লইবেন"।
@ সবাই:
বক্তাগন বকিয়া গেলেন, আমি ও কিছু বলিয়া উঠিয়ালাম। তাহাতে সবাই বিব্রত হইলো। কারন আমার বক্তব্য ছিলো 'বক্তব্য' কে উদ্দেশ্য করিয়া। কিন্তু তাহাতে উহারা মনক্ষুণ হইয়াছি - বলিবার সময় তাহারা অন্তরে মিষ্টতা অনুভব করিতেছিল। প্রতিধ্বনিতে তাহা অম্লময় স্বাদ হইলো। আমার কি দোষ থাকিতে পারে - দোষ হইলে উতসকে জিজ্ঞাসা করিতে হইবে। প্রতিধ্বনির পিছনে ছুটিলে উহাকে ধরা যাইবে না। :> ধন্যবাদ।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩
লেখক বলেছেন: কি লইয়া রম্য করিবো তাহা না হয় আমার হাতেই ছাড়িয়া দিন।
আপনার লাইন টু লাইন রিফিউটের কথা শুনিয়া অধম ভয়ে থর থর করিয়া কাঁপিতেছেন। আর ভয় দেখাইবেন না প্লীজ, আমি বড়ই ডরপোক কিছিমের মানুষ। আর আমি জানিবার আকাঙ্ক্ষায় এই পোস্ট দিয়াছি কেন মনে হইলো? পোস্ট না পড়িয়াই এইভাবে না বলিলে কি চলিত না?
আগে বুঝেন লেখার বিষয় বস্তু কি, তারপরে সেই অনুসারে কথা বলেন। বারবার সতর্ক করার পরেও কথা শুনতেছেন না। আফসোস, আস্তিকরা কি বাংলা পড়াও ভুলিয়া গেল? এখন কি আরবী উর্দুতে ব্লগাইতে হইবে?
----------------------
১০৯. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩১
প্রভাষক বলেছেন: @ মোহাইমেন ভাই... নৈতিকতা-র বিষয় যখন আসে... তখন দুটো বিষয় সামনে চলে আসে...
১. মাপ-কাঠি... এবং
২. স্থান-কাল-পাত্র...
~~~ এবং... এরা পরস্পর সম্পর্ক-যুক্ত...
একটু ব্যাখ্যা করি...
নৈতিকতার মাপ-কাঠি কি হবে... অনেক-এর দৃষ্টিতে-ই সামান্য দ্রব্য চুরি করা-টি তেমন কিছু-না... আবার... অনেক-ই মনে করেন... চুরি-তো চুরি-ই...
এখন... যখন আপনি বিচার করবেন... তখন কি স্থান-কাল-পাত্র ভাববেন-না???... আমার (এক-জন শিক্ষক-এর) চুরি করা... একজন রাজনৈতিক নেতার (যে-কোনো মন্ত্রী) চুরি করা... এবং... একজন কাজের লোক-এর (যে-কোনো পিয়ন) চুরি করা... কি কখন-ও এক হবে???...
নাস্তিক-রা নৈতিকতার ধ্বজাধারী... তেমন-টা হয়তো সর্বত্র প্রতীয়-মান নয়... কারণ... মানবিক বিষয়-টা অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে... চুরি করলে-ই হাত কেটে দিতে হবে!!!... ধর্ম-এ এটা সম্ভব... নাস্তিক্য-বাদ-এ নয়...
ধন্যবাদ...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
অ.ট. আপনাকে মনে হয়... আমার যত-দূর মনে পড়ে... এবার-ই প্রথম... আলোচনা করতে দেখছি... অন্ততঃ... আগ্রহ দেখাচ্ছেন...
ব্লগ-এ... আস্তিক-রা... আলোচনায় আসতে-ই চায়-না...
আমরা কি... সবাই মিলে... মুক্ত-মনে আলোচনা করতে পারি-না???...
ধন্যবাদ... ভালো থাকবেন...
১১১. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:২৩
মোহাইমেন বলেছেন:
@প্রভাষক: আমি আলোচনা করতে পারি না, তবে পড়ি। কারন অনেক লেখাতে নিখাদ আনন্দ পাওয়া যায়।
নৈতিকতার প্রশ্নে আপনি দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। আপনি যখন পরীক্ষার খাতা দেখেন তখন নিশ্চই মার্কিংয়ের একটা মানদন্ড সেট করে নেন। নয়তো মার্কিং পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যাবে। আবার আপনার বিদ্যাপীঠের একটা সার্বজনীন মার্কিংয়ের নিয়ম আছে যাতে করে সকল শিক্ষক একটা স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখতে পারেন। আরেকটু উপরে গেলে শিক্ষাবোর্ড/ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একটা স্ট্যান্ডার্ড আছে। নয়তো ফলাফলের মান বজায় থাকবে না।
মজার ব্যপার কি জানেন? বাংলাদেশের একজন ধার্মিক মুসলিম যা, ইরানের একজন ধার্মিক মুসলিমও তাই, আমিরিকার ধার্মিক মুসলিমেরও ফারাক নাই। স্ট্যান্ডার্ড একই।
আমার কমেন্ট (#১১০) পড়ে দেখার অনুরোধ রইল।
ধন্যবাদ।
অবশেষে নাস্তিক আসিফ মহিউদ্দীন ইসলামের সুশীতল ছায়ায় ফিরিয়া আসিলেন। বলেন সুবহানাল্লাহ!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



