somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... [ রম্য ] - ভবঘুরে'০৮ এর সাথে কথপোকথন : কমেন্টস সংকলন (৮)
তুমি থাকো সারাদিন আমার বুকে,
বেকার তাই, ক্রেডিট থাকে ধুকে, ধুকে ।।

(৯)
কুতু-কুতু-কাতু-কুতু কুতু-কুতু-কু
ভালবাসায় পড়বে তুমি, দিলাম জোরসে ফু ।।

(১০)
মিয়া-বিবির বাস্ক
(ভিতরে) ভুতের ছানা দেকছ ??

(১১)
ঝিকঝিক ট্রেন চলে
সখি-আমায় যেও না ভুলে ।।

(১২)
কদমতলী-কালুরঘাট
ঘুরছে বেকার দিন-রাত ।।

(১৩)
তোমার ভাই মোছওয়ালা গুন্ডা,
মনে রেখ, আমি কিন্তু পুংটা ।।

(১৪)
চাদ ওঠে আকাশে
ফুলের গন্ধ বাতাসে ।।

(১৫)
নিরুপমা, তুমি চলে যেও না,
যাও যদি, (খাবার) বিল দেবে না ??

(১৬)
ইষ্টি-কুটুম, মিষ্টি-টক,
তুমি মাছ, আমি বক ।।
-----------------------------------------

comment by: ভবঘুরে বলেছেন:

আলু, মাউস, সার্ভার--
আজব কাজ কারবার।

-----------------------------------------

লেখক বলেছেন:

বুঝতে পেরেছেন এইবার,
আসবেন আবার পরের বার ।।

লিখবো তখন আরো কিছু,
আম, কাঠাল আর তাল লিচু ।।

বোশেখ মাসের কালো ঝড়ে,
ফল তুলবো, দুহাত ভরে ।।

নিত্য নতুন কাব্য,
বি্ষয় নিয়ে ভাববো ।।

ভবঘুরের দিবারাত্রী,
হতে পারি সহযাত্রী ।।

ভবঘুরেতে শুধ '০৮ সাল
ঠিক মানেনা, লাগে বেচাল ।।

তবু শেষে ধন্যবাদ,
হবে দেখা, ফিরতিবার ।।
মুছে ফেলুন

-----------------------------------------

comment by: ভবঘুরে বলেছেন:

খাইছে আমারে,
আপনি দেখি অনুকাব্যের 'ব্লেন্ডার' - -

মুহুর্তের মধ্যে বর্ণমালা 'ব্লেন্ড' কইরা অনুকাব্য বানাইয়া ফালান----

-----------------------------------------

comment by: মোহাইমেন বলেছেন:

মনে আসে হাতে লেখি,
দুচক্ষু দিয়া দেখি ।।

ব্লেন্ডার ব্লেন্ডার ঘরঘরি,
ব্লেন্ড করে যায় আওয়াজ তুলি ।।

পইদ্য লিখা হ্য় নিভৃতে,
শোনা যায় না কান পেতে ।।

মিক্সার হ্য় ঠিক-ই বর্ণতে,
ভবঘুরে-দোস্ত (ঠিক) বুঝতে না পারে ।।

ভবঘুরে-দোস্ত যাবে ভবানীপুর,
বিশ্রাম নেবে তাই, পথ সুদুর ।। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28803340 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28803340 2008-05-27 13:23:40
বিজ্ঞান ও মাত্রা (প্রশ্ন সিরিজ - পর্ব : ২)
বিজ্ঞান আগে তার সুত্রপ্রনয়ন ও ফলাফল বা সিদ্ধান্ত দিত তিন মাত্রায় । এখন দিচ্ছে চার মাত্রায় । তার মানে আগের গবেষনা ও ফলাফলগুলো রিভাইস করতে হচ্ছে । অবস্থান ভেদে ও সময়ের আবর্তনে একি বস্তুর মান পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে । আর এতে ফলাফল নিখুত না হয়ে, আরো বেশী এরর বের হচ্ছে । আমার নিচের উদাহরনটি লক্ষ্য করুন -

সময়ের একক সেকেন্ড। আর ৬০ সেকেন্ডে ১ মিনট । কিন্তু এখন বিজ্ঞান বলছে -
১ মিনিট = ৫৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯...............এন তম ৯ । আপনি সাধারন ভাবে এটাকে ৬০ সেকেন্ড ধরতে পারেন । কিন্তু এটা একুরেট ন্য়! মনে করি একটি শিশু ২০০০ সালের জানুয়ারী মাসের ১ তারিখ এ জন্মালো । সাধারন গানিতিক নিয়মে শিশুটির বর্তমানে বয়স হবে -

২০০৮-০৫-২৫
২০০০-০১-০১
-----------------------
(-)০৮-০৪-২৪
এটা একটা সাধারন অংক । এটার এক্জাক্ট ভ্যালু বের করতে হলে আপনাকে সেকেন্ডে যেতে হবে । আর সেকেন্ডের সীমাবদ্ধতার একটি উদাহরন প্রথমে উল্লেখ করেছি । তারমানে বিজ্ঞানের মৌলিকত্বে সীমাবদ্ধতা রয়েছে । গানিতিক সমাধানে আপনি পরমমান পাবেন না । কাছাকাছি মানে যেতে পারেন হয়তো । আর এর জন্যই বিজ্ঞানে ইন্টিগ্রেশন, ডিফারেন্সিয়েশনের উত্পত্তি । ফিজিক্সের শাখা-প্রশাখা বের হচ্ছে । সময় একটি গতিশীল প্রবাহ । আমাদের বসবাস সময়ে, সময়ের আবর্তনে । আমরা সময়কে কন্সট্যান্ট করার চেষ্টা করছি । কিন্তু এটা ভ্যারিয়েবল । এই ভ্যারি্য়েবলকে কন্সট্যান্টে রুপান্তর করার চেষ্টা করা হলে এরর লেভেল বেড়ে যাবে । বিজ্ঞান যখন সময়ের প্রবাহে চলেছে, তখন এর উন্নতিতে গতিশীলতা পেয়েছে ।

---
সম্পাদিত : কাংগাল মুরশীদ ভাইয়ের কাছ থেকে সঠিক ধারনার পাবার পর ।
---

(বিশ্বাসীদের জন্য : কারন সময় এর মালিক আল্লাহ (সুবহানাওয়াতালা)।) মানুষ এর এক সেকেন্ড বের করতে গেলেই এটি ইনফিনিট হয়ে যায় । পুরোটার হিসেব কি করে জানবো ??!!

৪ মাত্রার পরেও আরো মাত্রা আছে কিনা বিজ্ঞান যাচাই-বাছাই করছে । আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান বলে, আপনি যে আপন "সত্তা" সাহায্য নিয়ে গবেষনা করছেন, তা মাত্রার বাইরে কেন??!! গণিত যেখানে স্হবির, সত্তা সেখানে কার্যকর!!! যুক্তি কিন্তু গনিত, কিন্তু সব সিদ্ধান্ত আপনি গনিত দিয়ে প্রমান করতে পারবেন না! এর সরল উত্তর কি হতে পারে???!!!

আমার আগের পোষ্টের উত্তরগুলো বিজ্ঞজনদের কাছ থেকে পাইনি, আশা করছি, আপনারা উত্তর জানাবেন ।
[ চলবে ]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28802572 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28802572 2008-05-25 14:33:04
বিজ্ঞান ও হাইপোথিসিস - কিছু বকালাপ (প্রশ্ন সিরিজ - পর্ব : ১)
আমার গ্রাজুয়েশনের একটা বিশাল অংশ ছিলো - তত্ত্বীয় বিজ্ঞান । বিজ্ঞান এর প্রবাহ হয়ে থাকে এই তত্ত্বীয় বিজ্ঞানের মাধ্যমে । কোন এক ব্লগে আমার শ্রদ্ধেয় অগ্রজ বলেছেন, কল্পকাহীনির লেখকেরা কোনো সম্ভবনার কথা বললে সেটা বিজ্ঞান নয় । যদিও সেটা সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকেও । আমি এর সাথে দ্বিমত পোষন করি ।

আমরা আধুনিক বিজ্ঞানের অগ্রগতি বিবেচনাতে নিলে দেখবো তাদের অবদান ব্যাপক । বিজ্ঞান সবসময় তাদের কাছ থেকে তত্ত্ব নিয়ে থাকে ।

=> হাইপোথিসিস
=> রিসার্চ, ফরমুলেশন, সিমুলেশন এন্ড মডেলিং
=> ডিসকভার, ইমপ্লিমেন্টশন, ইন্জিনিয়ারিং

হাইপোথিসিস ছাড়া আপনি পরের ধাপগুলোতে যাবার পথ পাবেন না । সেটা তত্ত্ব বিজ্ঞানী বা লেখকগোষ্ঠী বা যেকোন সাধারন মানুষের কাছ থেকে পেতে পারেন । আর গন্ডীবদ্ধ সার্টিফিকেট থাকলেই যে আপনি বিজ্ঞানী হবেন এমন কোন কথা নেই । তাহলে বিজ্ঞান গুটি কয়েক মানুষের জন্যই প্রযোজ্য হতো, এবং বিজ্ঞানের এতো দুর আসা হতো না ।

মনে করি, আপনি ইতিহাসের ছাত্র । কিন্তু আপনার মাথায় কাজ করতে থাকলো এমন একটি যানের কথা যা, আকাশ, পানি ও মাটিতে সমানভাবে চলতে পারে । এবং এর জ্বালানী হবে "মাটি"। আপনি এর সম্ভবনার কথা মোটামুটি বাস্তবতার মধ্যে নি্য়ে আসলেন । কিন্তু গবেষনা এবং বাস্তবায়ন করার ক্ষমতা আপনার নাই । ঠিক আছে । কিন্তু ১০ বছর পরে অন্যান্য বিজ্ঞানী তা বাস্তবায়ন (উদ্ভাবন) করলো । তাহলে আপনিই কিণ্তু হলেন এর প্রর্বতক । যেমন লিওনার্দো-ড্যা-ভিন্চি । উনি হেলিকপ্টার এর মডেল এবং কার্য পদ্ধতি অনেক আগেই দেখিয়ে গেছেন, কিন্তু বাস্তবায়ন হলো ১৯ শতকে । তাহলে কি লিওনার্দো-ড্যা-ভিন্চি কে কল্পবিজ্ঞানী বলবেন নাকি প্রবর্তক বলবেন ?

তেমনি ইউ.এফ.ও এর কথা বলা যায় । বিজ্ঞান এর কুল-কিনারা করতে পারছে না । কিন্তু কল্পবিজ্ঞানী ও মুভি নির্মাতারা কিন্তু অনেক সম্ভাব্য পথ দেখিয়ে দিচ্ছেন, ২য় ধাপের বিজ্ঞানীদের কর্মপ্রক্রিয়া করে সহজ করে দিচ্ছেন । আমি তো বলবো কল্পবিজ্ঞানী ও মুভি নির্মাতারা হাইপোথিসিস দিচ্ছেন, যা বিজ্ঞানকে এগিয়ে নিচ্ছে ।

আমার প্রশ্ন হলো -
=> বিজ্ঞান কি ?
=> এর কর্ম পরিধী কিরকম ?
=> বিজ্ঞান ফলাফল হিসেবে কি দেয়, সৃষ্টি না উদ্ভাবন ?
=> বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা কোথায় ?
=> পরম ফলাফল বা সিদ্ধান্তে উপনীত না হয়ে আপাত সিদ্ধান্ত দেয় কেন ?

আমি জানি এই সাইটে অনেক জ্ঞানী মানুষ আছেন, যারা প্রতিনিয়ত পড়াশুনা করছেন । তারা যদি এই প্রশ্গুলির সহজ সমাধান দিতেন তবে কৃতার্থ হতাম ।

[ যাদের কাছে ভালো লাগবেন না, তারা মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন, দয়া করে শালীনতার মানদন্ড মেনে চলুন । ]


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28801238 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28801238 2008-05-22 12:17:19
[ রম্য ] মোবাইল কাব্য - ২ পুর্বের পোষ্ট
(৮)
তুমি থাকো সারাদিন আমার বুকে,
বেকার তাই, ক্রেডিট থাকে ধুকে, ধুকে ।।

(৯)
কুতু-কুতু-কাতু-কুতু কুতু-কুতু-কু
ভালবাসায় পড়বে তুমি, দিলাম জোরসে ফু ।।

(১০)
মিয়া-বিবির বাস্ক
(ভিতরে) ভুতের ছানা দেকছ ??

(১১)
ঝিকঝিক ট্রেন চলে
সখি-আমায় যেও না ভুলে ।।

(১২)
কদমতলী-কালুরঘাট
ঘুরছে বেকার দিন-রাত ।।

(১৩)
তোমার ভাই মোছওয়ালা গুন্ডা,
মনে রেখ, আমি কিন্তু পুংটা ।।

(১৪)
চাদ ওঠে আকাশে
ফুলের গন্ধ বাতাসে ।।

(১৫)
নিরুপমা, তুমি চলে যেও না,
যাও যদি, (খাবার) বিল দেবে না ??

(১৬)
ইষ্টি-কুটুম, মিষ্টি-টক,
তুমি মাছ, আমি বক ।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28793230 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28793230 2008-05-01 13:19:06
'হোটেল ভ্যানে-বসিয়া' : প্রেরনার ইতিকথা হোটেল ভ্যানে-বসিয়া খাইবো । যাহা-ইচ্ছা তাহাই কর্ম । অপেক্ষাকৃত পরিছন্ন ভ্যান দেখে ফুটপাত এর ওপর বেনচিতে খেতে বসে গেলাম । লানচের মেনু ছিলো আলুভর্তা, পুইশাক, গরুর মাংস ও ডাল । দ্বিধা ঝেড়ে ফেলে খেতে শুরু করলাম আমরা । হাজার হাজার জনতার দৃষ্টি আমাদের দিকে । মনে হয় আমাদের পোশাক ঐ পরিবেশের জন্য অনুপযুক্ত ছিলো । প্রথম একটু অস্বস্তি লাগলেও খাবারের সুস্বাদ আমাদের জড়তা দুর করে দিলো । আমরা তৃপ্তি-ভরে পেটপুরে খেলাম । খাবার শেষে বিল আসলো ১৩ গুন ৩ = ৩৯ টাকা + ১ টাকা টিপস্ । আমরা জয় করলাম মধ্যবিত্ত বা উচ্চিবত্ত দ্বিধা-সংকোচ । আমরা সেই দিন একান্ত মানুষের কাছে পৌছুতে পেরেছিলাম । বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আমরা সেইদিন পেয়েছিলাম সহজ মানুষগুলোর কাছে যাবার এক বিশাল আত্মবিশ্বাস, এক প্রেরনা ।

আপনিও চেষ্টা করে দেখতে পারেন । কাজটা একবারে সহজ কিন্তু নয় । আর সংকোচের বেড়াজাল পার না হতে পারলে আমাকে ডাকবেন, আমি উপস্থিত হয়ে যাবো । কিন্তু মনে রাখবেন, বিল কিন্তু আপনাকে দিতে হবে (জিনিসের যা দাম বেড়েছে!!!!)।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28793022 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28793022 2008-04-30 23:28:11
[ রম্য ] মোবাইল কাব্য সুন্দর তুমি, সুন্দরী নও
তাই তুমি আমার হও ।।

(২)
আমার মন এটেল মাটি
ভালবাসা তাই একদম খাটি ।।

(৩)
রাগলে তোমার নাক ঘামে
স্যরি, ধরেছি কানে ।।

(৪)
প্রিয়া, আই লাভ ইউ
আমি বল, তুমি কিউ ।।

(৫)
পকেট ফাকা, ডেটিং নাই
টাকা আমি কোথায় পাই ।।

(৬)
ডিগ্রী আছে, চাকরী নাই
কিন্তু বিয়ে করতে চাই ।।

(৭)
সাতটি গোলাপ তোমায় দিলাম
ফিরতি শুধু কাটাই পেলাম ।।

[ এস.এম.এস এর জন্য প্রযোজ্য - উত্সর্গ : আমার জীবনসংগীনি ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28793005 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28793005 2008-04-30 22:35:31
[ রম্য ] এখন ন্যাড়া পাইবে কো্থায় ??!! মানুষের জীবনে থমকে যাবার মতো স্মৃতিচারন (অ!)যোগ্য কিছু ঘটনা থেকেই থাকে, যা থেকে আনন্দ, সুখনুভুতি ও লাল রংয়ের লজ্জা (!) খুজে পায়। তেমনি একটি ঘটনা শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। তবে অনুরোধ রাখি এই বলে যে, আমি বলবো, আপনারা শুনবেন, হাসি পেলে হাসবেন, এবং পরিশেষে ভুলে যাবেন।

পুনশ্চ : যেহেতু ঘটনার প্রেক্ষাপট টিনএজ বয়সের, তাই ঘটনাটা ডিজুস-মার্কা ভাষাতেই বলার চেষ্টা করবো ।
-------------------------------------------------

১৯৯৭ সাল, ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি (মনোজগতে এডভান্স লেভেল) । রোজার ঈদ। ক্লাসমেট তানিয়া ফোন করে বলল, কোথায় আছিস, চলে আয় বাসায়, বাবা-মা বলেছে আসতে, অপেক্ষায় আছি...টু...টু...টু...টু। মানে বলা শেষ তো ফোন রেখে দিলো। এর কোনো মানে হয়??!! আমরা বন্ধুরা প্ল্যান করছি ওয়ান্ডারল্যান্ড-এ যাবো, আমাদের নানীকে সালাম করে (সালামী বাবদ তার ফাষ্টফুড-সপ এ মাগনা খেয়ে) টাংকি মারার মতো যৌবনদীপ্ত মহান কাজে নিজেদের কে নিয়োজিত করবো । হায়! কোথ্থেকে এই তানু-বুড়ি ফোন করে গিট্টু লাগাইয়া দিলো, মনে মনে গাইল পাড়তে লাগলাম,

বুড়ি থুত্তরি
ভাজবো তোরে, চিবিয়ে খাবো,
আওয়াজ তুলে কুড়মুড়ি ।।
সব বরবাদ, গুরুজনের দোহাই দিয়ে,
ধ্যাত্তরি, বুড়ি থুত্তরি ।

[সাধুদের সাধু কথা বলাই উত্তম]
দুই বন্ধুকে [সুমন- ইতালী প্রবাসী, আনিস- আমেরিকা প্রবাসী] নিয়া তিনজনে দুইটি দ্বিচক্রযানযোগে [ভটভটিতে] তানু-বুড়ির বাড়িতে রওনা হইলাম। মধ্যবাড্ডা পৌছাইতে ১৩ মিনিটের মতো লাগিয়া গেল। পৌছাইয়া আংকেল-আন্টিকে কদমবুছি করিয়া খাইতে বসিয়া গেলাম। বিস্তর ঈদ আয়োজন। পোলাও-কোরমা, কাবাবস(বহু-বচন ভেদে), চটপটি, ফুচকা খাইয়া উদর পুর্তি করিয়া খাইলাম । উদর-মস্তিক গরম হইয়া গেল। সুমি আপু অতি সদয় হইয়া একবোল আইসিক্রম নি্য়া আসিলেন। উদরস্থ কিন্চিত পরিমান শুন্যস্থান আছে বলিয়া অনুভুত হইলো না, তবুও, আপুর উদ্দীপনামুলক বানী আমাদেরকে আইসিক্রম খাইতে অনুপ্রানিত করিলো। খাইলাম, ঢেকুর তুলিলাম, শুকরিয়া জানাইয়া সকলের কাছ হইতে দোয়া লইয়া রামপুরা বনশ্রীর উদ্দেশ্যে রওনা হইলাম।

বাড়ী প্রস্থানের পুর্বে আমার মা জননী রামপুরা বনশ্রীতে তাহার মামা-মামী এর কাছ হইতে ঈদ-বিশেষ দোয়া লইতে আদেশ দিয়াছেন। তাই বাড্ডা হইতে রামপুরার উদ্দেশে রওনা হইলাম। ঐ খানে আমার এক দোস্ত আছে। সেলিম । তাহার বাসায় তো যাইতেই হবে।

নানা-নানীকে কদমবুছি করিয়া বিদায় নিবার জন্য প্রানান্তকর ব্যর্থ চেষ্টা করিয়া বন্ধুদিগের মুখপানে চাহিয়া রহিলাম। তাহাদের কান্না-কান্না চেহারায় খাবার ভীতি দেখিয়া আমার মহত্ হইতে ইচ্ছা হইলো । নানা-নানীকে জোর প্রচেষ্টায় বুঝাইতে ব্যর্থ হইলাম । তাহারা তাদের নাতীদিগকে না খাওয়াইয়া প্রস্থান করিতে দেবেন না । অগত্যা উপান্তর না দেখি্য়া মোরগ-পোলাও খাইতে বসিলাম । অনেক কষ্টে মোরগ-পোলাও খাইলাম । খাওয়ার পর মনে হইতেছিল পেটের ভিতর একটু পর পর মোরগ ডাকিয়া উঠিতেছে - কুক্-কুরুকু কুক্-কুরুকু । অবশেষে মাতার নির্দেষমতো আশীর্বাদ লইয়া বন্ধুদের লইয়া সেলিমের বাড়ীর উদ্দেশে রওনা হইলাম। ১টি রোড পরেই তাহার বাড়ী ।

আন্টি (সেলিমের মাতা) আমাকে পুত্রবত্সল আদর করিয়া থাকেন । তিনি নিরবে খাবার আয়োজন করিয়া খাবার টেবিলে যাইতে আদেশ করিলেন । কিংকতর্ব্যবিমুড় হইয়া যন্ত্রের ন্যয় নতমস্তকে খাবার টেবিলে বসিলাম । আনিসকে বিপুল বেগে প্রকৃতি আহ্বান করিয়া বাচাইয়া দিল । আনিস প্রকৃতি-সাক্ষাত করিয়া আন্টির কাছ হইতে বিদায় লইয়া বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হইয়া গেল। প্রকৃতি তাকে বারংবার কাছে ডাকার পুবার্ভাষ দিতেছিল । একদুপুরে ৫/৬ বার ধনী খানা খাইলেতো উদর মহাশয় আউট-অব-অর্ডার হইবেই । আমরা আন্টির আদেশে খানা খাইতে বসিলাম, আর ভাবিলাম খানদানি বংশের পোলাপাইন আমরা । না খাইলে বংশের সুনাম-ঐতিহ্য পাছে ক্ষুণ্য হ্য় । খাইলাম । পেটতো ফুলিয়া ঢোল । আউট-অব-অর্ডার না হইলেও আউট-অব-কন্ট্রোল হইয়া গেল ।

[ ঘটনার সুত্রপাত হইলো মাত্র, পাঠক দয়া করিয়া গাইল পারবেন না । নির্দোষ সমাপ্তি শীঘ্রই হইবে, ত্যাক্ত-বিরক্ত না হইয়া অগ্রসরে অনুরোধ রহিল । ]

যাহাই হোক, সকল বন্ধুবর ওয়ান্ডারল্যান্ড-এ অপেক্ষারত আছে । যাইতে হইবে তাড়াতাড়ি । বিদায় লইয়্যা ওয়ান্ডারল্যান্ড-এর উদ্দেশ্যে রওনা হইলাম । সুমন ভতভটি (মোটরবাইক) চালাচ্ছিল । রামপুরা ব্রীজ এর উপর উঠিতেই কোত্থেকে এক ন্যাড়া কাপড় উড়িয়া আসিল । বিরক্তি ভরে উহা ফেলিয়া খোষ-গল্প করিতে করিতে ওয়ান্ডারল্যান্ড এ পৌছাইয়া গেলাম ।

বাইক থেকে নামিয়া দাড়াইলাম । বন্ধু সুমন নামিয়া আমার দিকে হতভম্ব, কিংকতর্ব্যবিমুড় ও লাল হইয়া তাকাইয়া রহিয়াছে । বুঝিতে পারিলাম না । অনেকক্ষণ তাহার দিকে তাকাইয়া চক্ষু-দৃষ্টি অনুসরন করিলাম । আমার মাথায় বজ্রপাত হইলো । আমার ঈদ-পায়জামা (আড়ং হইতে কেনা ৩০০ টাকা দিয়া) যথাস্থানে নাই । কোমর হইতে নামিয়া মাটি গড়াগড়ি খাইতেছে । আমার চিত্কার করি্য়া কাদিতে ইচ্ছা হইলো । বন্ধু সুমন আমাকে ইশারা দিয়া দ্রুত টিকেট কাটিতে ছুটিয়া গেল । ৪ খানা বান্দর সদৃশ বালিকা (ষোড়শ হইতে অষ্টাদশী) আমার দিকে তাকাইয়া খিল খিল করিয়া হাসিতেছে । আমার মাথা গরম হইয়া যাইতেছিল, মুখ লজ্জায় লাল থেকে খয়েরী হইয়া যাইতেছিল, চক্ষু দুইখানি জল ত্যাগের জন্য অনুমতি লাভের উত্সাহ দেখাইতেছিল । লোকজন কেউ কেউ বলাবলি করিতেছিল, আহ! কি হইতে কি হইলো !!??? বেচারা লজ্ঝায় আধখান হইয়া গেছে !!!! এখন ন্যাড়া পাইবে কো্থায় ??!!

বন্ধু সুমন টিকিট লইয়া আমার হাত ধরিয়া নানীর দোকানে লইয়া চলিল । আমি এক হাত দিয়া পায়জামা ধরিয়া চলিলাম । দোকানের ভিতর ঢুকিয়া নানীকে হাম্বা হাম্বা স্বরে ডাকিতে থাকিলাম । বিপদ সংকেত বুঝিয়া নানী দৌড়াইয়া আসিলেন । অবস্থা বুঝিয়া বলিলেন, লজ্জা নারীর ভুষন, বেটা মানুষ এতো লজ্জা পাইলে কি চলে । গায়ের চাদর খুলিয়া লুংগির মতো পড়িতে বলিলেন, আর পায়জামা দিতে বলিলেন । দিলাম । উনি পেপসির স্ট্ট টানিয়া লম্বা করিয়া ন্যাড়া বানাইতে ব্যস্ত হইয়া পড়িলেন । ইতিমধ্যে বান্দর সদৃশ ৪ বালিকা দোকানে উপস্থিত হইয়া কেনাকাটার ঢংয়ে মজা লুটিতে থাকিল । আমি মাটিকে আয়না মনে করিয়া নিজের চেহারা দেখিতে চেষ্টা করিতে থাকিলাম ।

জয়তু নানী, ইত্যবস্যরে তিনি ৩ টা স্ট্র যোগে নতুন ন্যাড়া বানায়ে ফেলি্যাছেন , আমি তাহাকে বীরংগনা সখিনা উপাধীতে ঐদিন ভুষিত করিলাম । আমি পায়জামা পড়িলাম আর মনে পড়িল ঐ লোকদের কথা, 'এখন ন্যাড়া পাইবে কো্থায় ??!!' আমার ইচ্ছা হইলো তাহাদেরকে আমার ন্যাড়াটা দেখাইয়া আসি, আর বলি, বীরংগনা সখিনারা থাকিতে চিন্তা কী!!!!

[ আমার জীবনের বাস্তব ঘটনার ক্ষুদ্র অংশ । আগামীতে আরো বলার ইচ্ছা আছে । তবে আপনাদের সাড়া পেলে তবেই । ]

[ রম্য ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28792926 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28792926 2008-04-30 18:29:26
উইন্ডোজ এ রাজীয়তি - ২ ক্লিক করুন

আমাদের একটি ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট এনভাইরনমেন্ট, কম্পাইলার লাগবে ম্যাক্রো প্রোগ্রামিং ( স্ক্রীপ্টীং ) এর জন্য। আমাদের আজকের পছন্দ অটো-ইট। আমাদের অটো-ইট সাইট থেকে ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে হবে ।

ডাউনলোড লোকেশন: Click This Link

হ্যাকিং সিডি ড্রাইভ :
কম্পিউটার এর কন্ট্রোল নেবার জন্য সমস্ত ইনপুট ব্লক করে দেব এবং CD Tray ওপেন এবং ক্লোজ করবো -

BlockInput(1) // ইনপুট ব্লকিং এনাবল করছি

CDTray("E:","open") // CD Tray ওপেন করছি, এবং E: হচ্ছে আমার CD ড্রাইভ

Sleep(10000) // ইনপুট ব্লকিং ডিউরেশন ১০ সে:

CDTray("E:","close") // CD Tray ক্লোজ করছি, এবং E: হচ্ছে আমার CD ড্রাইভ

Sleep(10000) // ইনপুট ব্লকিং ডিউরেশন ১০ সে:

BlockInput(0) // ইনপুট ব্লকিং ডিসাবল করছি

ফাইলটাকে সেভ করি CDTray.au3 নামে এবং ফাইলের উপর রাইট ক্লিক করে কম্পাইল স্ক্রীপ সিলেক্ট করে এক্সেকিউটেবল ফাইল CDTray.exe তৈরী করি । এটা রান করে টেষ্ট করে দেখি।

পরের পোষ্টে আমরা দেখবো কিভাবে এটাকে অটোমেশন দেয়া যায় ।

চলবে----

ধন্যবাদ -
মোহাইমেন

[মতামত আকাংক্ষিত]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28792842 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28792842 2008-04-30 13:42:02
উইন্ডোজ এ রাজীয়তি
আপনি খুব সহজে উইন্ডোজ এর উপর নিয়ন্ত্রন করতে পারেন খুব ছোট ছোট কিছু কোড লিখে । যেহেতু এটা ইথিক্যাল হ্যাকার গ্রুপ, তাই আমরা গঠন মুলক আলোচনা করবো ।

ইনপুট ব্লক করা :
আমরা যদি কম্পপিউটার এর ইনপুট ব্লক চাই ১০ সেকেন্ডের জন্য তবে নিচের কোডটুকুই যথেষ্ট -

BlockInput(1) // ইনপুট ব্লকিং এনাবল করছি
Sleep(10000) // ইনপুট ব্লকিং ডিউরেশন ১০ সে:
BlockInput(0) // ইনপুট ব্লকিং ডিসাবল করছি

ফাইল পারমিশন ও এট্রিবিউটস :
FileSetAttrib("myfile.ext", "-RSH")
সিস্টেম ফাইলের মতো একটি ফাইলকে চিন্হিত করা ।

রেজিষ্ট্রি রিড করা :
RegRead("HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Run", "any_startup_programe_name")

রেজিষ্ট্রি এন্ট্রি করা :
RegWrite("HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Run", "your_program_name", "REG_SZ", "c:\your\path\your_program_name.ext")

এই কাজ গুলো খুব সহজে করা যায় তবে কেন ম্যাক্রো প্রোগ্রামিং ( স্ক্রীপ্টীং ) করে করবো? কারন এভাবে করলে ইচ্ছেমতো করতে পারবো, যখন খুশি, যেভাবে খুশি।

আমি আপনাদের সাড়া পেলে বিশদ আলোচনা করবো। এখন ফোর্স সাট ডাউন দিচ্ছি :
Shutdown(5)

ধন্যবাদ,
মোহাইমেনি (বাংলা নাটক ৪২০ থেকে নেয়া) করার জন্য ম্যাক্রো প্রোগ্রামিং একটি চমতকার পন্থা। অনেক নতুন নতুন ভাইরাস তৈরী হচ্চে ম্যাক্রো প্রোগ্রামিং ( স্ক্রীপ্টীং ) করে।

আপনি খুব সহজে উইন্ডোজ এর উপর নিয়ন্ত্রন করতে পারেন খুব ছোট ছোট কিছু কোড লিখে । যেহেতু এটা ইথিক্যাল হ্যাকার গ্রুপ, তাই আমরা গঠন মুলক আলোচনা করবো ।

ইনপুট ব্লক করা :
আমরা যদি কম্পপিউটার এর ইনপুট ব্লক চাই ১০ সেকেন্ডের জন্য তবে নিচের কোডটুকুই যথেষ্ট -

BlockInput(1) // ইনপুট ব্লকিং এনাবল করছি
Sleep(10000) // ইনপুট ব্লকিং ডিউরেশন ১০ সে:
BlockInput(0) // ইনপুট ব্লকিং ডিসাবল করছি

ফাইল পারমিশন ও এট্রিবিউটস :
FileSetAttrib("myfile.ext", "-RSH")
সিস্টেম ফাইলের মতো একটি ফাইলকে চিন্হিত করা ।

রেজিষ্ট্রি রিড করা :
RegRead("HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Run", "any_startup_programe_name")

রেজিষ্ট্রি এন্ট্রি করা :
RegWrite("HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Run", "your_program_name", "REG_SZ", "c:\your\path\your_program_name.ext")

এই কাজ গুলো খুব সহজে করা যায় তবে কেন ম্যাক্রো প্রোগ্রামিং ( স্ক্রীপ্টীং ) করে করবো? কারন এভাবে করলে ইচ্ছেমতো করতে পারবো, যখন খুশি, যেভাবে খুশি।

আমি আপনাদের সাড়া পেলে বিশদ আলোচনা করবো। এখন ফোর্স সাট ডাউন দিচ্ছি :
Shutdown(5)

ধন্যবাদ,
মোহাইমেন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28792478 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28792478 2008-04-29 13:19:13
উইন্ডোজ এ রাজীয়তি ৪২০ থেকে নেয়া) করার জন্য ম্যাক্রো প্রোগ্রামিং একটি চমতকার পন্থা। অনেক নতুন নতুন ভাইরাস তৈরী হচ্চে ম্যাক্রো প্রোগ্রামিং ( স্ক্রীপ্টীং ) করে।

আপনি খুব সহজে উইন্ডোজ এর উপর নিয়ন্ত্রন করতে পারেন খুব ছোট ছোট কিছু কোড লিখে । যেহেতু এটা ইথিক্যাল হ্যাকার গ্রুপ, তাই আমরা গঠন মুলক আলোচনা করবো ।

ইনপুট ব্লক করা :
আমরা যদি কম্পপিউটার এর ইনপুট ব্লক চাই ১০ সেকেন্ডের জন্য তবে নিচের কোডটুকুই যথেষ্ট -

BlockInput(1) // ইনপুট ব্লকিং এনাবল করছি
Sleep(10000) // ইনপুট ব্লকিং ডিউরেশন ১০ সে:
BlockInput(0) // ইনপুট ব্লকিং ডিসাবল করছি

ফাইল পারমিশন ও এট্রিবিউটস :
FileSetAttrib("myfile.ext", "-RSH")
সিস্টেম ফাইলের মতো একটি ফাইলকে চিন্হিত করা ।

রেজিষ্ট্রি রিড করা :
RegRead("HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Run", "any_startup_programe_name")

রেজিষ্ট্রি এন্ট্রি করা :
RegWrite("HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Run", "your_program_name", "REG_SZ", "c:\your\path\your_program_name.ext")

এই কাজ গুলো খুব সহজে করা যায় তবে কেন ম্যাক্রো প্রোগ্রামিং ( স্ক্রীপ্টীং ) করে করবো? কারন এভাবে করলে ইচ্ছেমতো করতে পারবো, যখন খুশি, যেভাবে খুশি।

আমি আপনাদের সাড়া পেলে বিশদ আলোচনা করবো। এখন ফোর্স সাট ডাউন দিচ্ছি :
Shutdown(5)

ধন্যবাদ,
মোহাইমেন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28792474 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28792474 2008-04-29 13:14:00
ওয়েব মাষ্টার, ডোমেইন ওনার আপনাদের বলছি - ক্যাচ-অল ইমেইল এ্যাড্রেস প্রয়োজন
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28777793

আপনাদের সহজোগিতা পেলে ৩০ দিনের মধ্যে এগি্যে যাবো । আপনাদের প্রতিউত্তরে আমি ইমেইল সাবমিশন লিংক ওপেন করবো।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28777884 http://www.somewhereinblog.net/blog/mohymenblog/28777884 2008-03-10 02:27:11