somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... হাত বাড়িয়ে দাও সাহায্যের - এক "শেখ তারিকুজ্জামান" এর সাহায্য প্রয়োজন

১৭ বছরের শেখ তারিকুজ্জামান এপ্লাস্টিক এনেমিয়া রোগে আক্রান্ত।তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ৩০-৪০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।আমরা যারা সমাজের বিত্তবান আছি,আমরা কি পারি না মাবনবতার তরে আমাদের সাহায্যের হাত বাড়াতে??অসুস্থ তারিক আবারো কলেজে যেতে চায়,আবারো ক্রিকেট নিয়ে মেতে থাকতে চায়।আমরা কি পারি না তার স্বপ্ন পূরণের শুভাকাংক্ষী হতে??

তারিককে সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা:
ব্র্যাক ব্যাংক(আসাদ গেট শাখা)
রেবেকা সুলতানা
সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর:১৫০৬২০১৮০৭৯৬১০০১

যোগাযোগ:
+8801827823052 ( Rabaka Sultana, Bangladesh)
+353894617674 (ASM Shamsul Arefin, Ireland)
+353858809152 (Zahid, Santry, Ireland)
+14059242276 (Sheikh Mominuzzaman, USA)

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29518973 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29518973 2012-01-09 02:08:17
জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ - কে করেছে কেমন? আসুন দেখি আমাদের দলের কে কেমন করেছ সিরিজে।

টেস্ট ব্যাটিং
১ টেস্টের দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলাদেশের খেলোয়ারদের করুণ দশা ব্যাটিং-এ। দুই ইনিংস মিলিয়ে একমাত্র আশরাফুল শতক পেরুতে পেরেছ, যার ভেতর রয়েছে ৭৮ রানের একটি ইনিংস, বল খেলেছেন মাত্র ২০৯টি। তার কাছাকাছি আছেন অধিনায়ক শাকিব, ৯৩ বল খেলে তিনি করেছেন মাত্র ৭৪ রান। যার মধ্যে প্রথম ইনিংসে তার রান রয়েছে ৬৮। তারপর আছেন মুশফিক (১৩৮ বলে ৫৫ রান), তামিম (৭৭ বলে ৫৮ রান), রাজ্জাক (৩৭ বলে ৫৪ রান !!!!!!), নাফিস (১৬৩ বলে ৫৯ রান), মাহমুদুল্লাহ (৬০ বলে ২৪ রান)।
বলা যায়, এই টেস্টে শুধুমাত্র আশরাফুল ই (সঙ্গে নাফিস আর মুশফিক) ব্যাটিং টা একটু টেস্ট স্টাইল এ করেছে। বাকিদের হয়তো টয়লেটের তাড়া আছিলো।

টেস্ট বোলিং
টেস্টে জিততে হলে ২০টা উইকেট দরকার। বোলাররা উইকেট পেয়েছেন মাত্র ১৫টা। খারাপ না, কিন্তু বিপরীতে যে রানটা দিয়েছেন, সেইটা আরেক ইতিহাস। শাকিব আর রুবেল ৪টি করে উইকেট শিকার করেছেন, যার বিপরীতে তারা রান দিয়েছেন যথাক্রমে ৩০ আর ৩৯ রান করে প্রতি উইকেটে। আর যারা উইকেট পেয়েছেন, রবিউল ৩টা, রাজ্জাক ২টা, মাহমুদুল্লাহ ১টা আর শফিউল পেয়েছেন ১টি।

ওয়ানডে ব্যাটিং
এইখানে শাকিব আর মুশফিক রকিং। ৮৬ আর ৭৩ স্ট্রাইক রেটে তারা যথাক্রমে রান করেছেন ২১৬ আর ২০৮। তাদের চেয়ে বেশি রান করেছে একমাত্র জিম্বাবুইয়ের সিবান্দা। ১০০ এর উপর রান আছে আর একমাত্র তামিম এর (৭৬ স্ট্রাইক রেটে ১৫৭ রান)। ওয়ানডেতে আশরাফুল আশা দেখাইয়া আমাদের ফুল বানিয়েছেন আবারও। তার তিন ম্যাচে সর্বমোট রান মাত্র ২৩ রান, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১৫।

ওয়ানডে বোলিং
চারদো গুনে আট, সংগে যোগ ৩, এই হলো রুবেল এর ১১ উইকেট। ওয়ানডেতে উইকেট শিকারিতে দ্বিতীয়তে আছে রুবেল। তারপরেই আছে মাহমুদুল্লাহ আর অধিনায়ক শাকিব, পেয়েছেন ছয়টি করে। তারপর শফিউল ৫টা, রাজ্জাক ২টা, নাজমুল ১টা আর আশরাফুল ১টা। বুঝতে পারিনা, আশরাফুলকে যখন দলে রাখা হয়, তখন কেন তার বোলিং ব্যবহার করা হয় না? ৮.১ ওভার করে ৩৭ রান দিয়ে ১ উইকেট খারাপ কি?

৭ + ৭
অধিনায়ক শাকিব সবার থেকে এগিয়ে। টেস্ট আর ওয়ানডের ব্যাটিং আর বোলিং মিলিয়ে তাকে ১০ এ ৭ দেওয়া যায়।

৭ + ১ + ২
আশার-ফুল কে টেস্টের ব্যাটিংএর জন্য ১০ এ ৭ দিলেও ওয়ানডের ব্যাটিং এ ১০ এ পাবে ১। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> বোলিং - ২, ওয়ানডে


বোলিংয়ে রুবেলকে ১০ এ দিবো ৭।

৫ + ৬
মুশফিক ব্যাটিং - ৫, কিপিং - ৬ (শেষ ম্যাচে কি ক্যাচগুলোই না ধরলো)

৪ + ৫
মাহমুদুল্লাহ ব্যাটং - ৪ (একমাত্র শেষ ওয়ানডে ছাড়া কোনই পারফর্ম্যান্স নাই), বোলিং - ৫

৪ + ৩
রাজ্জাক ব্যাটিং - ৪ (টেস্টে ৬টা ৪ আর ৩টা ৬), বোলিং - ৩


নাসির, শুভোগত ওয়ানডে ব্যাটিং - ৪


তামিম ব্যাটিং - ৪


শুভো ব্যাটিং - ৩


ইমরুল ব্যাটিং - ৩


নাফিস ব্যাটিং - ২


সিদ্দিকি ওয়ানডে ব্যাটিং - ২

এই Ranking আমার তৈরি করা। যদি Ranking টা পছন্দ না হয় তবে বলে যাইয়েন কেন পছন্দ হয়নি।

--------------
সূত্র: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29436792 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29436792 2011-08-22 18:37:05
কয়েকখান ছবি - একটুখানি মজা

ইসসিরে আইসক্রিম ডার কত্ত ভালা কপাল!!!!!!!!!!!


শরম আর দেখা যায়না, হাত দিয়া ঢাইকা রাখছে।


----------------------------!!!!


জোরছে, না না আস্তে আস্তে।

<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29377685 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29377685 2011-05-08 20:13:26
কোরিয়ান মুভ্যি নিয়ে যত কথা - পর্ব ১ ২০১০ এর শেষের দিকে এসে ভাল ইংরেজী মুভ্যি খুজে পাচ্ছিলাম না, বেশিরভাগ ইংরেজী ভাল মুভ্যিগুলো দেখা হয়ে গেছে, অথবা কিছু ভাল মুভ্যি আমার কাছে কেন জানি দেখতে চায়নি (যেমন গডফাদার সিরিজ, প্রথমটার ১৫ মিনিট দেখেছিলাম, আর দেখিনাই)। তাই শুরু করলাম দেখা এশিয়ান মুভ্যি।
কিছু ভাল কোরিয়ান মুভ্যি সম্পর্কে লিখবো আজ:




Jae-young Kwak এর নাম শুনেছেন কখনো?
অথবা My Sassy Girl? এই ছবিটির ডাউরেক্টর আর স্ক্রিনপ্লে যিনি করেছেন তিনিই হলেন Jae-young Kwak। Jae-young এর চলচ্চিত্রগুলো প্রায় একই বৈশিষ্ট। শক্তিশালী (!) নায়িকা, আর দুর্বল নায়ক, যেমনটি দেখেছেন, My Sassy Girl চলচ্চিত্রটে। যারা দেখেন নাই তাদের জন্য রিভিউ:



Tae-hyun Cha (চলচ্চিত্রের নায়ক) তার খালার সাথে দেখা করতে যাওয়ার পথে ট্রেইন স্টেশনে এক মাতাল মেয়েকে (Jun Ji-hyun, গল্পের নায়িকা) দুর্ঘটনা থেকে বাচায়। ঘটনার ঘনঘটায় নায়ক নায়িকা দুই রাত কাটায় হোটেল কামরায়। শুরু হয় তাদের রোমান্স এখান থেকেই। কমেডি/রোমিন্টিক এই ড্রামায় দেখা যায়, নায়িকার অত্যাচারগুলো নায়ককে সহ্য করতে।
http://www.imdb.com/title/tt0293715/
http://en.wikipedia.org/wiki/My_Sassy_Girl
Click This Link

২০১০ এ চাইনিজ/কোরিয়ার যৌথ প্রযোজনায় বের হয় My Sassy Girl 2। প্রায় একই ধরনের কাহিনী নিয়ে (এইখানে নায়ক স্যাকা খাইয়আ আত্মহত্যা করতে যায়, নায়িকা বাচায়, তারপর নায়িকা নায়করে জ্বালায় <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />)



http://en.wikipedia.org/wiki/My_Sassy_Girl_2
Click This Link
Click This Link

আইসেন ফিরে যাই, ডাইরেক্টর Jae-young Kwak এর কাছে।



২০০৮ সালে তার লেখা এবং ডাইরকশনে বের হয় My Mighty Princess (2008)। রোমান্টিক কমেডি নির্ভর এই একশন চলচ্চিত্রটিতে মার্শাল-আর্টে পারদর্শি নায়িকাকে বাচাতে হবে পৃথিবীকে এক ইভিল ভিলেইন এর কাছ থেকে।
এই ট্রেইলার টা দেখেন তাইলেই বুজবেন:
http://www.youtube.com/watch?v=qtOYapnphJU
--
http://www.imdb.com/title/tt0985101/
Click This Link
Click This Link



২০০৮ সালেই My Mighty Princess এর আগে আরেকটি চলচ্চিত্র বের হয় Jae-young Kwak এর স্ক্রিনপ্লে আর ডাইরেক্শনে।



ছবির নাম Cyborg Girl (অথবা জানতে পারেন Cyborg She বা My Girlfriend Is a Cyborg)। ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া এক ছাত্রের জন্মদিনে পরিচয় হয় এক মেয়ের সাথে, দু:খের ব্যাপার হল মেয়েটি এক রোবট, যার কোন ইমোশন নেই। সাই-ফাই একশন এই কমেডি ড্রামাটি মূলত জাপানিজ (মনে করছিলাম কোরিয়ান)।
http://www.imdb.com/title/tt0929860/
http://en.wikipedia.org/wiki/Cyborg_She
http://stagevu.com/video/ccygjrfyvlny




Jae-young Kwak এর লেখায় ২০০৫ সালে বের হয় My Girl and I (2005)। গল্পের কাহিনী দুই রোমান্টিক জুটিকে নিয়ে। আসল নায়ক নায়িকা, আর তাদের দাদা (নায়কের দাদা) - দাদির (নায়িকার দাদি) প্রেম কাহিনি। রোমান্টিক এই ড্রামা শেষ হয় দুই জুটির বিচ্ছেদের মাধ্যমে। টিপিকাল কোরিয়ান লাভ স্টোরি বিদ্যমান এই ছবিতে।
http://www.imdb.com/title/tt0488177/
http://en.wikipedia.org/wiki/My_Girl_and_I
http://stagevu.com/video/zhhptawhveho

Jae-young Kwak এর লেখা আর ডাইরেকশনে বাকি থাকলো আর দুইটা মুভি।
The Classic এবং Windstruck।



দি ক্লাসিক আর মাই গার্ল এন্ড আই চলচ্চিত্রে কাহিনীতে কিছু মিল খুজে পাওয়া যায়। ক্লাসিক-এ নায়ক নায়িকা মিলন হয়, কিন্তু তাদের মুখেই শুনতে পাই তাদের নায়কের বাবা আর নায়িকার মার প্রেমবিচ্ছেদের কাহিনী, এই একটা টিপিকাল কোরিয়ান লাভ স্টোরি।
http://www.imdb.com/title/tt0348568/
http://en.wikipedia.org/wiki/The_Classic
http://www.youtube.com/watch?v=LTh8A3uaUwc



নায়িকা পুলিশ অফিসার, নায়ক এক শিক্ষক। এক চোরকে ধরতে গিয়ে নায়িকা ধরে আনে নায়ককে, সেও দৌড়াচ্ছিলো চোরের পেছন পেছন চোরকে ধরতে। এভাবেই তাদের পরিচয়। এই কমেডি রোমান্টিক ছবিটি দেখতে বসলে হাতে টিস্যু নিয়া বইসেন, এইটা একটা টিপিকাল কোরিয়ান লাভ স্টোরি।।
http://www.imdb.com/title/tt0409072/
http://en.wikipedia.org/wiki/Windstruck
http://stagevu.com/video/fmlfiyrgckce

Tae-hyun Cha এর নাম শুনেছেন? শুনেন নাই? মাত্রই তো পইড়া আসলেন এই লেখার শুরুতে। মাই স্যাসি গার্ল-এর সেই নায়ক। হু, এইবার মনে পড়ছে। আসেন এর কিছু চলচ্চিত্র সম্পর্কে জানি।




২০০২ সালে বের হয় Lover's Concerto নামে এক ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী। দুই নায়িকা বান্ধবি, নায়ক পছন্দ করে একজনকে। কিন্তু দুই নায়িকার মাঝে এতই মিল যে, নায়ককে সময় কাটাতে হয় তাদের দুইজনকে নিয়েই। সময়ের সাথে সাথে এই ত্রয়ীর সম্পর্কে আসতে থাকে জটিলতা। টিপিকাল কোরিয়ান লাভ স্টোরি।
http://www.imdb.com/title/tt0328675/
Click This Link
Click This Link




২০০৩ সালে বের হয় Crazy First Love, রোমিন্টিক কমেডি ড্রামা। সেই ছোট বেলা থেকে নায়ক নায়িকাকে পছন্দ করে। নায়িকার বাবা কথা দেয়, যদি নায়ক ব্যাচেলর পাশ করে তাহলে নায়িকাকে তার সাথে বিয়ে দিবে। কিন্তু সময় আসলে নায়িকা বেকে বসে, সে বিয়ে করবে না নায়ককে। এটা টিপিকাল কোরিয়ান লাভ স্টোরির এক উজ্জল দৃষ্টান্ত।
http://www.imdb.com/title/tt0364262/
Click This Link




২০০৫ সালে বের হয় Sad Movie, আট ক্যারেক্টার নিয়ে চারটি ভিন্ন সম্পর্ক, তাদের সম্পর্কের দু:খে ভরা finishing, এই নিয়ে Sad Movie। কমেডি, রোমান্স নিয়ে এই ড্রামা দেখতে বসলে অবশ্যই টিস্যু নিয়ে বসবেন।
http://en.wikipedia.org/wiki/Sad_Movie
http://www.imdb.com/title/tt0475711/
Click This Link




২০০৮ সালে বের হয় Speed Scandal, এই ছবি দেখতে বইলে টিস্যু নিবেন, কিন্তু দু:খের কান্দন, হাসির কান্দন। নায়ক রেডিও এর ডিজে, তার অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষন এক কুড়ি বয়সের মেয়ের চিঠি, যার কিনা ৬ বছরের এক বাচ্চা আছে। সেই মেয়ে দেখা করতে যাচ্ছে তার বাবার কাছে যার বয়স ৩০+।
http://asianmediawiki.com/Scandal_Makers
http://www.imdb.com/title/tt1360795/
http://stagevu.com/video/xgltxmxsupuj



এই নায়কের সর্বশেষ চলচ্চিত্র Hello Ghost বের হয় ২০১০ সালে। আত্মহত্যা করতে গিয়ে বিফল হওয়া নায়ক সুস্থ হয়ে উঠলে তার সাথে দেখা হয় চার ভূতের। তারা নায়কের পিছু পিছু হাসপাতাল থেকে তার বাসায় গিয়ে উঠে।
http://www.imdb.com/title/tt1848926/
http://asianmediawiki.com/Hello_Ghost
http://www.viki.com/channels/3491-hello-ghost

আমার এই লেখাটা পড়ার সময় হয়তো আপনার মাথায় আসতে পারে, টিপিকাল কোরিয়ান লাভ স্টোরি বলতে কি বুজাচ্ছি?
নায়ক-নায়িকার দেখা হয়, ভালবাসা হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মিল হয়না, কারণ হয় নায়ক অথবা নায়িকা, কেউ একজন মরনব্যাধি রোগে (বেশিরবাগই ক্যান্সার) আক্রান্ত। এই থিমের অনেকগুলো চলচ্চিত্র দেখা যায় কোরিয়ান লাভ স্টোরী গুলিতে।

আজ এই পর্যন্ত। বা-বাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29367939 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29367939 2011-04-23 17:56:41
পান্তা ইলিশের ইতিহাস Click This Link

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
‘শীতের শেষ রাত্রি বসন্তের প্রথম দিন’ আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি উপন্যাসের নাম। নামকরণের জন্যই বইটির প্রতি আকৃষ্ট হই। এতে শেষ এবং শুরুর সন্ধিক্ষণে বিষয় মনে ভেতর নাড়া দেয়। যেমন এখন চৈত্র ফুরিয়ে যাচ্ছে, আর এগিয়ে আসছে বৈশাখ। সর্বত্রই প্রস্তুতি চলছে নববর্ষের।
কানাডায় এখন শীত শেষ, শুরু হচ্ছে সামার। বরফে ঢেকে থাকা গা ঝরা দিয়ে জেগে উঠছে পার্ক-প্রান্তর প্রকৃতি। যেন দ্রুত সাদা ড্রেস বদলিয়ে পরে নিচ্ছে সবুজ ইউনিফর্ম। এতোদিনের নীরব থাকা মনমরা ধুসর গাছগুলো যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে, নতুন পাতার আনন্দে মেতে উঠছে বাতাসের সঙ্গে।
এমনি এক বসন্ত ছোয়া বিকেলে হিমেল হাওয়া গায়ে মেখে ষ্টার বাকস্ এর কফি শেষ করে আমি আর কবি সিদ্ধার্থ হক মিসিসাগার পোর্ট এডিট লেকের পাড়ে গেলাম। অপূর্ব প্রাকৃতিক পরিবেশে দেখতে পেলাম নাম না জানা একটি মিষ্টি পাখি। আকারে দোয়েলের মতো। কিন্তু কুচকুচে কালো। ডানার দু’পাশে গাঢ় কমলা আর উজ্জ্বল হলুদের গুচ্ছ পালক। ফুটে আছে ফুলের মতো যেন কোনো শিল্পী নিজ হাতে রং তুলি দিয়ে কাঁচা রঙ মেখে দিয়েছে, হয়ে উঠেছে চোখ ধাঁধানো অপূর্ব পেইন্টিং। সিদ্ধার্থ হক কৌতুলী কিশোরের মতো অথবা আমি পাখি বিশেষজ্ঞ সলিম আলি হয়ে উঠার আগেই ফ্রুৎ করে উড়াল দিয়ে হারিয়ে গেলো। এই পাখিটা যেনো প্রবাস জীবনে দুই বাঙালি কবির কাছে বসন্তের বার্তা পৌঁচ্ছে দিয়ে গেলো।
আমরাও যেনো ফিরে গেলাম গ্রাম বাংলায়। মনে পড়লো আমাদের কৈশোরের কথা। বাংলার প্রকৃতি কীভাবে জানিয়ে দিতো ঋতু আগমনের কথা। চৈত্র হলেই খাঁখা দুপুরে ফুটে থাকতো আগুন রঙের পলাশ-শিমুল। আর চাতক পাখির চিৎকার আর ঘুঘু পাখির ডাক। শুকিয়ে যাওয়া নদীতে ভেসে থাকা ডিঙ্গি। তারপর বৈশাখে আম্র মুকুলের ঘ্রাণ, কোকিলের কুহু কুঞ্জন, কচি পাতার নাচন, কাল বৈশাখীর ঝড় বৃষ্টির খেলা! আমরা দু’বন্ধুই নিজেদের অজান্তেই নষ্টালজিয়ায় হারিয়ে গেলাম।
মনে পড়লো চৈত্র সংক্রান্তীর কথা। হারিয়ে যাওয়া দিনটিকে নতুন সাজে সাজিয়ে নগর জীবনে যুক্তকরে রাজধানীতে উপস্থাপন করছিলেন এক আবৃত্তি দম্পতি। চৈত্রের শেষ দিন আর বৈশাখের প্রথম দিনের সন্ধিক্ষণে ইন্দিরা বোড়ে আরিফÑ প্রজ্ঞার বাড়িতে সন্ধ্যা-সকাল বসতো চৈত্র সংক্রান্তীর জমজমাট আড্ডাসর। যা মুখরিত হয়ে উঠতো প্রায় সকল সাংস্কৃতিক কর্মীদের আনন্দঘন পদচারণায়।
আজ কাজী আরিফ চুপচাপ! প্রজ্ঞা লাবনী নিরব!! চৈত্র সংক্রান্তীর উৎসবও শেষ!!!
হ্যাঁ, মনে পড়লো, রমনার বটমুলে ফেলে আসা আমাদের প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ, পহেলা বৈশাখ। যা বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সর্বজনীন উৎসব! যা ছায়ানট শিল্পীগোষ্ঠী সেই ষাট দশক থেকে অদ্যাবদি নানান প্রতিকূলতার মধ্যে জাতীয় মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাঙালি জাতিকে দিয়েছে এক অফুরন্ত সাংস্কৃতিক আনন্দ-উৎসব। ষাট দশকে প্রতিপক্ষরা নতুনভাবে আবির্ভূত হয়ে ভিন্নভাবে বোমা হামলা চালিয়ে মানুষ মেরে নসাৎ করতে চেয়েছে উৎসবকে। কিন্তু পারে নি। পারবেও না কোনোদিন! বরং বৃদ্ধি পাবে, মাত্রা পাবে, যুক্ত হবে নতুন কিছু। যেমন যুক্ত হয়েছে চারুকলার বর্ণাঢ়্য শোভা যাত্রা কিংবা পান্তা ইলিশের সংযোজন!
কিন্তু এখন আর সেই সব নেই! পাল্টে গেছে প্রকৃতি, পরিবেশ, সময় ও সংস্কৃতি। ‘আমাদের গ্রাম’ নামে একটি কবিতা লিখছি, তার শেষ পঙক্তি দুটি থেকে আমার এই বক্তব্যের অর্থ পাঠক খুঁজে পাবেন। ‘আমাদের গ্রামে বসন্ত শেষে বৈশাখ আসে না/ আমরা বৈশাখীকে বিবাহ দিয়েছিÑ রমনা পার্কের কাছে।’
রমনা বটমূলের সাথে পান্তা-ইলিশের সমন্বয় হয় ১৯৮৩ সাল থেকে। এর সুচনার ইতিহাস প্রায় হারিয়েই গিয়েছিল। দৈনিক জনকণ্ঠের সাংবাদিক বোরহান আহমেদ গত বছর সেপ্টেম্বর-এ মারা গেলে মনে পড়লো সেই ঘটনা। তখন ‘রমনা বটমূলের পান্তা ইলিশের উদ্যোক্তা বোরহান ভাইকে কেউ কী মনে রাখবে?’ শীর্ষক একটি লেখা লিখলাম ৩০ সেপ্টেম্বর ’০৯-এ দৈনিক আমাদের সময়ে। দু’দিন পর অর্থাৎ অক্টোবর ০৯-এ সেই লেখার চমৎকার প্রতিবাদ করলেন সাংবাদিক শহিদুল হক খান। লিখলেনÑ ‘রমনা বটমূলের পান্তা ইলিশের ইতিহাস প্রকাশে দুলালের বিভ্রান্তি।’ মানে তিনিই আসল উদ্যোক্তা হিসেবে দাবি করলেন। আমি আবার ’০৯ অক্টোবরে লিখলামÑ ‘আমি পান্তা ইলিশের ইতিহাস রচয়িতা নই, বোরহান ভাইয়ের শ্রদ্ধান্তে সঠিক তথ্যদাতা।’ অন্যভাবে বললে বলতে হয় মি. খান ‘অন বিহাব অফ বোরহান ভাই।’ ৫ সেগুন বাগিচা বর্তমান মুক্তিযুদ্ধা জাদুঘর ছিলো দৈনিক দেশ এবং সাপ্তাহিক বিপ্লবের কার্যালয়। বিপ্লবের কবি সিকদার আমিনুল হক, সহকারী সম্পাদক ফারুক মাহমুদ, দেশের সাহিত্য সম্পাদক হেলাল হাফিজ, সাংবাদিক মাহবুব হাসান, শহিদুল হক খান, মুন্সী আবদুল মান্নান, রোজী ফেরদৌস প্রমুখ সম্পৃক্ত ছিলেন এ পত্রিকা দু’টির সাথে। সে কারণেই সেখানে বসতো লেখক আড্ডা। আমি ছিলাম একজন নিয়মিত আড্ডারু।
১৯৮৩ সাল। চৈত্রের শেষ। চারিদিকে বৈশাখের আয়োজন চলছে। আমরা আড্ডা দিতে পান্ত-ইলিশের কথা তুলি। বোরহান ভাই রমনা বটমূলে পান্তা-ইলিশ চালুর প্রস্তাব দিলেন, আমি সমর্থন দিলোম। ফারুক মাহমুদ পুরো আয়োজনের ব্যবস্থা করলেন। সম্ভবত ৫ টাকা করে চাঁদা ধরলেন। বাজার করা আর রান্না বান্নার দায়িত্ব দিলেন বিপ্লব পত্রিকার পিয়নকে। রাতে ভাত রেধে পান্তা তৈরি করে, কাঁচামরিচ-শুকনো মরিচ, পেঁয়াজ, ইলিশ ভাঁজা নিয়ে পর দিন ‘এসো হে বৈশাখে’র আগেই ভোরে আমরা হাজির হলাম বটমূলের রমনা রেষ্টুরেন্টের সামনে। মুহুর্তের মধ্যে শেষ হলো পান্তা-ইলিশ। এভাবে যাত্রা শুরু হলো পান্তা ইলিশের।
অপর দিকে (সম্ভবতঃ একই বছর বা পরের বছর) শহিদুল হক খানও এই প্রক্রিয়ার সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। ‘তিনি দাবি করেছেন, নিজ হাতে পান্তার পোষ্টার লিখেছেন, তার পরিবারের সদস্যবৃন্দ ভাত রেধেছেন, ইলিশ মাছ ভেঁজেছেন, কাঁচামরিচ পেঁয়াজ কেটেছেন, মাটির সানকি সংগ্রহ করেছেন (আমাদের সময়, ০৯ অক্টোবর ২০০৯)। এবং তার এ নিয়ে বিটিভিতে সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন! তবে রমনা বটমূলের পান্তা ইলিশের উদ্যোক্তার কৃতিত্ব এককভাবে কেউ নন। যাদের নাম উল্লেখ্য করলাম, তারা সকলেই নানভাবে কমবেশি যুক্ত ছিলেন।
নববর্ষ উপলক্ষ্যে তাঁদের সবাইকে বৈশাখী শুভেচ্ছা। প্রতিটি বাঙালিকে পান্তা-ইলিশের আমন্ত্রণ!

--------------------------------

আমার কিছু কথা:
এই লেখকের কথা সত্যি হলে, পান্তা-ইলিশের সংস্কৃতি খুব বেশি দিন আগের না। কিছু মানুষের পিকনিক হতে সৃষ্টি হওয়া এই সংস্কৃতি আজ ডিজুস পুলাপাইনগো হাতে। জয়হো পান্তা-ইলিশ।



-------------------------------
একখান কোবতে পড়েন, গত কাইলকা লেখা:
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29362893 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29362893 2011-04-14 23:45:47
পয়লা বইশাখে মোর কবিতা, লেপ তোশক, ছিড়া খেতা কই কই, বাইর কর, পান্তা আর ভাজা ইলশা।

বছরের পয়লা দিন, ঘোরঘারো, কর ফূর্তি
ওগো বান্ধবিরা, গেছে কই মরতি?

হেইদিন কইলো এলাকার ছোড এক ভাইয়ে,
ভাইজান, আন্নে what do ফেরাস্ট বৈshakh-এ?

আমি কই, কও কিতা, বুজিনাতো একখান alphabate
বাংলা না ইংলিশ, মদন না গোবেট?

হেতানের হগল কাত হুমলাম বহুত কষ্টে,
বাহিংলিশ ভাষা জড়াইছে আষ্টেপৃষ্টে।

ছোড ভাইরা চায় সেলামি,
গেরালফেরেন্ডরা যাইবার চায় ফেরাস্টফুডে,
পয়লা বৈশাখ তোর লাই মোর এই কবিতা
লগে আছে, লেপ তোষক, আর ছিড়া বিড়া খেতা-পুতা।


--------------------
<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29362504 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29362504 2011-04-14 05:57:35
১০ বলে ৮০ রান লাগবে, পারবে কি বাংলাদেশ


















আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।



আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।



আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।



আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।



আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।



আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।



আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।



আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।



আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।



আমি একটা মদনা, সময় নষ্ট কইরা বাংলাদশের খেলা দেখি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29359834 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29359834 2011-04-09 17:11:08
ব্যাটসম্যানরা তাগো ক্যারেকটার অনুসারেই খেলতাছে
ইমরুল কায়েসের কপাল আজকে ভালো না, তাই আউট হইয়া গেলো।
শাহরিয়ার নাফিস - ছোটদলের বিরুদ্ধে বড় তাড়কা!!! বড় দলের বিরুদ্ধে মিয়াঁও।
তামিম ইকবাল - মারার বলগুলি কেমতে জানি এই পোলাই পাইতাছে।<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
রাকিবুল হাসান - তার বিরুদ্ধে বোলাররা মারাত্মক বোলিং করতাছে, তাই তারে টেস্ট খেলতে হইতাছে। <img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29359781 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29359781 2011-04-09 14:41:25
জিমেইল মোশন - গুগুলের আরেকটি অসাধারণ আবিষ্খার
এখন আপনে আপনের শরীর নারাইয়াই কম্পিউটাররে সব অর্ডার দিবার পারবেন।

কি মজা না?

এই ভিডিওটা দেহেন:



সবকিছু জানবার পারবেন এইখানে:
http://www.google.com/mail/help/motion.html

<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29355305 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29355305 2011-04-02 01:37:44
প্রোপাইল পিখ খেমথে চেইন্জিন করে?
কিন্তু কইনতে চেইন্জ করে কইবার ফারিনা।

কেউ খইবার পাড়েন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29354981 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29354981 2011-04-01 17:00:39
ক্রিকেটের অদ্ভুত সব আউট

আসুন দেখে নেই আরও অনেকগুলো ক্রিকেটের অদ্ভুত/আনলাকি আউট:


আরও অনেক ভিডিও পাবেন:
Click This Link

আমি ইনজামাম এর বড়ই ফ্যান আছিলাম, তার ফ্যানদের জন্য এই ভিডিও:


একটা ভিডিও অবশ্য খুজে পাচ্ছি না, ব্যাটসম্যান মনে হয় ইনজামাম-ই ছিল, মারছে ছক্কা, কিন্তু ব্যালেন্স না রাখতে পেরে উইকেটের উপর গিয়ে পড়ছে। ভিডিওটা পাইলে শেয়ার কইরেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29351918 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29351918 2011-03-27 07:12:39
ধ্যাত্তেরী, আজকের হারও আশরাফুল এর দোষ আজকের হারটাও আশরাফুলের দোষ।

লন্ডনে আছি, জিএমটি রাত সাড়ে তিনটায় খেলা শুরু।
ঘুমের লাই দেখবার পারমু নাকি সেই সন্দেহে রাত্রে ঘুমাইলাম না।
সাউথ আফ্রিকার ইনিংস দেখলাম, ঘুমে চোখ বন্ধ হইয়া যায়, তবুও কষ্ট কইরা চাইয়া থাকি।
তবুও উইকেট পড়লে জাইগা যাই। করলো ২৮৪, ঠিক আছে, বাঙ্গালী টেরাই করলে পারলেও পারতে পারে।

কিন্তু যখন ৫/৩৬ করলো, তখন কেন জানি আর চোখ খুইলা রাখতে পারলাম না, গেলাম ঘুমাইয়া।
মাত্র ঘুম থেকে উইঠা মনে হইলো, মনে হয় স্বপ্নে দেখছি বাঙ্গালীরা মাইর খাইছে, এখন দেখলে দেখমু তারা ভাল করছে।
<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />

না মামু, এইটা স্বপ্ন না সত্যি, বাংলাদেশ ৭৮ রানে আউট হইছে, হ এইটা আশরাফুলের দোষ, কেল্লাইগা হারলো।
আমগো অধিনায়ক করলো ৩০, বাকিদের একজনও দশও করতে পারলো না। সবগুলির উপর আশরার আছড় লাগছে। নাইলে কেমতে হগলেই এই রান করলো।

ভালই হইলো, সময় নস্ট কইরা আর খেলা দেখা লাগবো না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29347582 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29347582 2011-03-19 19:08:10
বিশ্বকাপ লইয়া কিছু টুকিটাকি
আইসেন দেখি কিছু টুকিটাকি তথ্য এই পর্যন্ত খেলা বিশ্বকাপের।

এই পর্যন্ত ধুমধারাক্কা ব্যাটিং কইরা ৫ ম্যাচে সবচেয়ে বেশি রান নিসে ভারত, বেশি না মাত্র ১৪০৫। সমপরিমান খেলায় ইংল্যান্ড রানে আছে দুই নাম্বারে, ৪৮ রান কম করসে তারা, মাত্র ১৩৫৭। সবচেয়ে কম রান করছে কেনিয়া, অবাক হওয়ার কিছুই নাই, ওরে বাবা ৭৮৫, অনেক। কম রানের দিক দিয়া দুই নাম্বারে অস্ট্রেলিয়া, করছে আট রান বেশি, ৭৯৩, অবাক হওয়া কোনই ব্যাপার নাই, হেরাতো একখান ম্যাচে ব্যাটিংই করে নাই তাগো খেলা চার খান ম্যাচের মইধ্যে।

রান দেওয়ার দিক দিয়া আগাইয়া আসে কানাডা, দিছে মাত্র ১৩৭০, খেলছে পাচখান ম্যাচ। এইদিক দিয়াও ইংল্যান্ড দুই নাম্বারে আসে, আহা অভাগা ইংল্যান্ড, দিছে ১৩৫১ রান। বেচারা ইংল্যান্ড, কোনও যায়গাই এক হইবার পারে না, খালি দুই নাম্বারে থাকে। রান দেওয়ার লিস্টে শেষের দিকে আচে চাইর ম্যাচ খেলা দুই দল ও.ইন্ডিজ ৬২৭, অস্ট্রেলিয়া - ৬৪১। ওরি খোদা, এইখানেও দেহি মিল আসে, এইখানে কম রান দেওয়া নেওয়া দুই খানেই দুই নাম্বারে অস্ট্রেলিয়া। <img src=" style="border:0;" />

আর হালার আমগো দল, না আছে এই দিক দিয়া, না আছে সেইদিক দিয়া, এক দিক দিযাও হাজার করতে পারে নাই, রান করছে ৯৩৯, আর দিছে ৯৯২।

আইসেন এইবার ব্যক্তিগত দিক দিয়া আসি। এই বিশ্বকাপে ৩০০ এর উপরে রান করছে তিন জন, তার মইধ্যে দুই জনই ভারতীয়, দুইজনই ওপেনার, হ হগলেই ঠিক কইছে, শচিন - ৩২৭ আর শেহভাগ - ৩২৪, তিন নাম্বারে আছে সা.আফ্রিকান ভিলিয়ারস - ৩১৮, অবশ্য ভিলিয়ারস খেলছে ১ ম্যাচ কম। আমগোত্তে সবচেয়ে বেশি করছে বড়ই লাকি ইমরুল কায়েস। করছে ১৮৪ রান। তারপর ১৫২ কইরা পেছনে আছে তামিম। ওয়াও হগলতেই দেখি ওপেনার (কালি ভিলিয়ারস ছাড়া)।

বোলিং এর আগাইয়া আছে আফ্রিদি, পরথম তিন যার সংগ্রহ ছিল ১৪ উইকেট (৫,৪,৫), ৫ খেলায় তার সংগ্রহ ১৬ খান। ১২ খান লইয়া ও.ইন্ডিজের বেন, ইন্ডিয়ার জহির আর কানাডার বেইডুয়ার ( !!!!!!! ) আছে দুই নাম্বারে। আমগো দলেত্তেন, শফিউল পাইছে ৬ খান, রাজ্জাক আর শাকিব আছে লগে।

এক খেলায় সবচেয়ে বেশি রান কচ্ছে ভারত, বিপক্ষ দল আমগোডা, মাত্র ৩৭০। তারপর করছে নিউজিল্যান্ড, কানাডার বিপক্ষে, কচ্ছে, ৩৫৮। সবচেয়ে কম রান কচ্ছে আমগোডা, ৫৮, তারপর কেনিয়া, মাত্র ৬৮ রান।

ব্যাক্তিগত দিক দিয়া ১ ম্যাচে শেহভাগ করছে ১৭৫, কইতে হইবো কার বিপক্ষে? <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> ইংল্যান্ডের স্ট্রস করছে ১৫৮ রান, হেতেনে আছে দুই নাম্বারে এই লিস্টে। দুই খান শতক করছে ভিলিয়ারস আর শচিন। এক ম্যাচে ছয়খান উইকেট পাইছে দুই জন, ও.ইন্ডিজের রোচ আর শ্রীলঙ্কার মালিঙ্গা। দুইবার পাচখান পাইছে আফ্রিদি, ১খান পাচ পাইছে যুবরাজ, ব্রেসনেন আর স্টেইন।

সবচেয়ে বেশিখান ডিসমিসাল করছে ইংল্যান্ড এর প্রায়োর, ৯খান, ৭ খান ক্যাচ, দুই খান উইকেট। হাডিন আর সাঙ্গাকার করছে আট খান ডিসমিসাল। হাডিনের যেইখানে সবগুলাই ক্যাচ, সাঙ্গাকার ৫খান ক্যাচ ধইরা ৩ খান করছে স্ট্যাম্পিং। আমগো মুশফিক করছে ৫ খান ডিসমিসাল। এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল করছে ৪ বার করছে, সাঙ্গাকারা, হাডিন, প্রায়োর আর ভ্যান ওয়াইক, শেষের জন সা.আফ্রিকার।

এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় পার্টনারশীপ হইলো WU Tharanga, TM Dilshan এর মাঝে, করছে ২৮২ রান। ৮ বলে ৩১ রান কইরা সবচেয়ে বেশি স্ট্রাইকরেট লিস্টে টপে আসে নিউজিল্যান্ড এর ফ্রান্কলিন, ৩৮৭ যার স্ট্রাইকরেইট। দুই নাম্বারে আছে ওরাম, করছে ৯ বলে ২৫, স্ট্রাইকরেট ২৭৭। ১২ খান ছক্কা পিটাইছে টেইলর, তারপর ৯ খান পিটাইছে পোলার্ড। কেনিয়ার এনগোচে ডাক খাইছে তিনবার। এই লিস্টে আমগো তামিম আর শফিউল আছে দুই বার ডাক খাইয়া।

সবচেয়ে বেশি এক্সট্রা দিছে, কেনিয়া ৪৬ রান, বিপক্ষ পাকিস্তান। তারপরেই আছে ইংল্যান্ড দুইবার ৩৩ রান দিছে, বিপক্ষ বাংলাদেশ আর আয়ারল্যান্ড। রানের দিক দিকা সবচেয়ে বড় দুই হার নেদারল্যান্ড এর। সা.আফ্রিকার কাছে হারছে ২৩১ রানে আর ও.ইন্ডিজ এর কাছে হারছ ২১৫ রানে। ১০ উইকেটে দুইবার জিতছে নিউজিল্যান্ড, বিপক্ষ কেনিয়া আর জিম্বাবুয়ে।


আজকের টুকিটাকি এই পর্যন্ত, পরে আরেকদিন। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29345153 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29345153 2011-03-16 00:18:34
জয়ের পর খেলোয়াররা ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29344374 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29344374 2011-03-14 18:35:07 চলচ্চিত্র পর্যালোচনা (রিভিউ) - তিন মায়ের গল্প নিয়ে তিন চলচ্চিত্র
Sad Movie (2005)
http://www.imdb.com/title/tt0475711/



Click This Link

চলচ্চিত্রের নাম দেখলেই বোঝা যায় চলচ্চিত্রটি দু:খের। আটজন মানুষের ভেতর সম্পর্ক, সেই সম্পর্কে দু:খ, দু:শ্চিন্তা এবং বিচ্ছেদের কাহিনী নিয়ে এই ছবি।
প্রথম গল্প একট অগ্নিনির্বাপক আর তার বান্ধবী সু-জাঙকে নিয়ে। সু-জাঙ এক টিভিতে খবর পাঠিকা (বোবাদের জন্য চিহ্ন দিয়ে সে খবর পাঠ করে)। সে অপেক্ষা করে আছে কখন তার বয়ফ্রেন্ড তাকে প্রপোজ করবে, তার ধারণা যদি প্রপোজটা বয়ফ্রেন্ড এর কাছ থেকে আসে, তাহলে পরবর্তী সময় যখন তার বয়ফ্রেন্ড অগ্নিনির্বান করতে গিয়ে আগুনে ঝাপ দিতে যাবে, তখন হয়তো তার কথা মনে রেখে আগুনের সামনে ইতস্তত বোধ করবে। অন্যদিকে অগ্নিনির্বাপক বয়ফ্রেন্ড অপেক্ষা করছে প্রপোজের জন্য ভালো সুযোগের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় গল্পটি এক ভেঙ্গে যাওয়া ভালবাসার সম্পর্ক নিয়ে। মেয়েটি সম্পর্কটি ভেঙ্গে দেয়, কারণ ছেলেটি বেকার। ছেলেটি এক কাজ শুরু, ভাবে হয়তো যদি সে ভালো ইনকাম করতে পারে, হয়তো মেয়েটি ফেরত আসবে। তৃতীয় গল্পটি এক বোবা মেয়ের (প্রথম গল্পের খবর পাঠিকার ছোট বোন), এক থীম পার্কে কস্টিউম ক্যারেক্টার হিসেবে চাকরী করে। সেখানে পরিচিত হয় এক তরুণ চিত্রকরের সাথে। যদিও মেয়েটি ছেলেটিকে পছন্দ করা শুরু করেছে, কিন্তু সে ছেলেটিকে তার কস্টিউমের মুখোশ সরিয়ে তার মুখটি দেখতে দেয়না। সর্বশেষ গল্পটি এক মৃত্যুপথযাত্রী মা আর তার ছেলের। মা তার চাকুরী নিয়ে এতই ব্যস্ত ছিলো যে তার সময়ই ছিলোনা, তার ছেলের জন্য। যখন মা হাসপাতালে ভর্তি হলো তার অসুস্থতার জন্য, মা ছেলে সম্পর্ক কাছাকাছি আসতে শুরু হলো। ছবিটির শেষে আপনি বুঝতে পারবেন, প্রতিটি সম্পর্কই কোননা কোন ভাবে শেষ হয়েছে, আর আপনার চোখের কোনায় রেখে গেছে কয়েক ফোটা পানি। সাউথ কোরিয়ান এই চলচ্চিত্রটি বের হয়েছে ২০০৫ সালে।

অনলাইনে দেখুন:
http://stagevu.com/video/krlubapzavgs


Wedding Dress (2010)
http://www.imdb.com/title/tt1764738/



Click This Link

এই চলচ্চিত্রটির কাহিনী Sad Movie এর শেষের কাহিনীটির মতই। এক ব্যস্ত মা আর তার ছোট মেয়ের জীবন নিয়ে কাহিনী। মা একজন বিয়ের পোশাকের ডিজাইনার। সে তার কাজ নিয়ে এতই ব্যস্ত থাকে, তার মেয়ের জন্য সে সময়ই দিতে পারে না। কিন্তু যখন মা জানতে পারে তার ক্যান্সার হয়েছে, তখন সে চেষ্টা করে তার মেয়ের স্বাদ গুলো যত পারা যায় মিটিয়ে যাবার জন্য আর ডিজাইন করতে থাকে তার জীবনের শেষ বিয়ের পোষাক। মায়ের অবস্থা যখন আস্তে আস্তে খারাপ হতে থাকে, ছোট্ট মেয়ে তা বুঝতে পারে। সে চেষ্টা করে, যতটুকু পারা যায় মায়ের ইচ্ছেগুলো একের পর এক পূরণ করতে মায়ের অজান্তে। এই ছবিটিও সাউথ কোরিয়ান আর বের হয়েছে ২০১০ সালে (যদিও উইকিপিডিয়ায় লেখা ৯ জানুয়ারী ২০০৯)।

অনলাইনে দেখুন:
http://stagevu.com/video/hgpkinwdrmbh


Aftershock (2010)
http://www.imdb.com/title/tt1393746/



Click This Link

১৯৭৬ সালে চায়নাতে এক ভূমিকম্পে মারা যায় প্রায় ২৪০,০০০ জনেরও বেশি মানুষ। আফটারশক চলচ্চিত্রটি এই ভূমিকম্পকে দিয়েই শুরু।
বাবা-মা আর জমজ ভাই-বোনের এক মোটামুটি সুখের সংসার। প্রচন্ড গরমের এক রাত্রে যখন জমজ ভাই বোন ঘরে ঘুমুচ্ছে, তার বাবা-মা রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা তাদের ট্রাকের পেছনে সময় কাটাচ্ছিল সংসারে নতুন একজনকে আনার জন্য (! <img src=" style="border:0;" />)। ঠিক সেই সময় আঘাত হানে ভুমিকম্প। ২৩ সেকেন্ড স্থায়ী ভুমিকম্পে প্রাণ হারায় বাবা আর একই পিলারের দুই পাশে আটকা পরে জমজ ভাই-বোন। উদ্ধারকর্মীরা যখন চেষ্টা করে তাদের উদ্ধারের জন্য, তখন তারা বুঝতে পারে, তারা বাচাতে পারবে যে কোন একজনকে। কাকে বাচাবে উদ্ধারকর্মীরা, সেই সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেয় মায়ের হাতে। মা যখন দেখে কোন উপায় নেই, তখন ছেলেকে বাচানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেয়, যা মেয়েটি শুনে ফেলে।


এখানেই শুরু হয় কাহিনী। মা আর তার জমজ সন্তানের মাঝে সম্পর্ক নিয়ে যে ড্রামা, তাই নিয়ে এই ছবি। ২০১০ সালে বের হওয়া চীনের এ ছবিটিতে ভুমিকম্পের ফাটাফাটি মূহুর্তগুলো যতটানা আকর্ষন করবে, তার চেয়ে বেশি কাদাবে এই সম্পর্কের টানাপড়োনের কাহিনীগুলো।

অনলাইনে দেখুন:
Click This Link
http://stagevu.com/video/hmgabkwkogcp



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29342185 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29342185 2011-03-11 07:44:48
ইউটিউব এবং মিডিয়া ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29336567 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29336567 2011-03-02 03:04:35 গেছে আরেকটা - আশারফুল এর দুই নম্বর উইকেট
ব্যাটিং এ গোল্লা মাইরা বোলিং করতাছে ভালোই।
(সরি, ১ রান করছে, গোল্লার কাছাকাছি)

দুই নাম্বার খান বোল্ড।

ওয়াও।

শালা আরো কয়েকটা উইকেট তুল, নইলে তোর খবর আছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29334028 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29334028 2011-02-25 20:11:55
বিশ্বাস আছে, থাকবে, এগিয়ে চলো বাংলাদেশ ক্রিকেট

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29331788 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29331788 2011-02-22 02:49:43
ভাষা দিবসে আলতাফ আলী পার্কে আমি - লন্ডন থেকে চিল্লাইতাছি সময়টা যে কিভাবে চলে যাচ্ছে।

রুমমেট এর কাছ থেকে জানলাম, আগামীকাল ২১শে ফেব্রুয়ারী, তখন সময় ২০শে ফেব্রুয়ারী রাত ১০.২৩। আধ ঘন্টায় ভাত খেয়ে ছুটলাম হোয়াইট চ্যাপেল-এ।

হোয়াইট চ্যাপেল এর নাম শুনেছেন তো? লন্ডনের বাঙ্গালী পাড়া। আবার বলতে পারেন লন্ডনের ফার্মগেট (অথবা গুলিস্তান)। ঢাকার মত রাস্তার সাইডে সাড়ি সাড়ি দোকান সারা লন্ডনে শুধুমাত্র লন্ডনের এই হোয়াইট চ্যাপেলই পাবেন। এখানে বাস সার্ভিস-এ একটা বাস আছে, ২৫ নং বাস। এই বাসে উঠলে আপনার অবশ্যই ঢাকার কথা মনে হবে। শুধুমাত্র এই বাসটাতে উঠলেই চাপাচাপি, হালকা ঠেলাঠেলি, তারপর কানে আসে বাংলা ভাষায় আড্ডা, ঢাকার কথা মনে হইবো না কেন।



হালকা খাওয়া দাওয়া করে ছুটলাম বাস ধরতে। বাসে উঠতে উঠতে প্রায় সাড়ে ১১টা। ১ ঘন্টার পথ, সময়টা কেটে গেল ভালোই, কারণ বাসে উঠার আগে আরেক বাংলাদেশীর সাথে কথা বলা শুরু করলাম। একই গন্তব্যে তিনিও যাচ্ছেন। হালকা কথা বার্তা বলতে বলতে চলে আসলাম আলতাফ আলী পার্কে।

বাস থেকে নেমেই ঢাকার গন্ধ, দু:খিত ঢাকার শব্দ। না, যানবাহনের শব্দ ছিলো না, ছিলো মিছিলের শব্দ, যেইটা অহরহ ঢাকায় শোনা যায়। যতই আলতাফ আলি পার্কের দিকে যাচ্ছি, ততই বাংলাদেশী দেখছি। সবগুলো রাজনৈতিক দলের লন্ডন শাখা আসলো ফুল নিয়ে, তবে হাসি লেগেছে, তাদের কর্মকান্ড দেখে। তাদের ফুল দিয়ে সম্মান জানানো থেকে ক্যামেরার সামনে দাত বের করা আর দলীয় ব্যানার ভাল করে বের করে রাখাটাই মনে হয় বেশী গুরুত্বপূর্ণ লেগেছিল। লোকেরা গ্রুপ গ্রুপ করে আসে, গ্রুপ গ্রুপ করে যায়। আমি ঘুরে ঘুরে কর্মকান্ড দেখছি।

তবে মজা লেগেছে ঢাকার ঝালমুড়ি খেয়ে। হা হা, এইখানেও চাচারা ব্যবসা খুলে বসে আসে, ঝালমুড়ির ব্যবসা।

অনেক বিদেশীও (তারা বিদেশী না আমরা, সাদা/কালা চামড়াদের কথা বলছি) আসলো, ছবি তুললো, কয়েকজন ফুলও দিলো, আচ্ছা, তাদের কয়জন জানে ২১ ফেব্রুয়ারি সম্পর্কে?

১ ঘন্টার মত ছিলাম, একটা ঘটনা সবচেয়ে খারাপ লেগেছে আমার। ১৮-২০ বছর বয়সের ৪ জনের একটা গ্রুপ এসেছে, ছবি তুলছে শহীদ মিনারের সামনে। হঠাত তাদের একজন মিনারের বেদিতে উঠেছে জুতো সহ উঠে একটা ফুলের প্যাকেট নিলো হাতে, তারপর কিছু পোজ দিয়ে ছবি তুললো। সিকিউরিটি যখন ছেলেটাকে নামতে বললো, আর জোরে ধমক দিলো কেনো বেদিতে জুতো সহ উঠেছে, ছেলেটি হেসে হাতের ফুলের প্যাকেটটা অবজ্ঞাসহকারে চাক্কা মারলো পেছনে বেদিতে, যেখানে আরো ফুল আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। অবাক লাগলো, এরা কি এখানে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছে নাকি এসেছে মজা লুটতে?

নাহ, বাঙ্গালী সুজা হইবো না, সেইটা ঢাকায় থাকুক আর লন্ডনে থাকুক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29331134 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29331134 2011-02-21 08:38:17
কত করবার পারবো বাংলাদেশ?
আমরা তিন বন্ধুর তিন মত:
আমি - ১৭৫
অপু (এই ব্লগের এক খ্যাতিমান!!! কবি) - ২০০
জসিম (ক্লাস ফেরেন্ড) - ২২০

সমস্যা হইলো, যার কথা সবচেয়ে কাছাকাছি হইবো, সে আগামীকাল কেএফসিতে বাকি দুইজনরে খাওয়াইতে হইবে।

আপনারা কনতো, কত রান করবো বাংলাদেশ???!!!!!!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29327420 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29327420 2011-02-15 20:52:17
একটি চলচ্চিত্র তালিকা থেকে চলচ্চিত্র রিভিউ - আধুনিক কিছু রোমান্টিক কমেডি মুভি তালিকাটির লিঙ্ক: http://www.imdb.com/list/9fsbmOf0s0c/

১. Love Actually

ব্রিটিশ চলচ্চিত্র, আলাদা আলাদা আট যুগলের কাহিনী, মাকড়শার জালের মত কাহিনীটা, যেখানে জালে কেন্দ্রটা ভালবাসা। আট যুগল মানে ১৬ টা চরিত্র, এবং সবাই বিরাট বিরাট ব্রিটিশ অভিনেতা/অভিনেত্রী, কেরা নাইটলি থেকে রোয়ান এটকিনসন, কে নাই। তবে এর কাহিনীটাই ছবিটাকে মজার করে তুলেছে। একটা গল্পে ১৬টা চরিত্রকে গুরুত্ব দিয়ে লিখতে যে কাহিনীজট পাকে, সেটাকে পাশ কাটিয়ে সমাজের ভালবাসা নিয়ে যুগল প্রায় সবগুলো সমস্যাই এখানে দেখানো হয়েছে। রোমান্টিক ছবি ভাল লাগলে অবশ্যই দেখার মত একটা ছবি।

২. Music and Lyrics

হিউ গ্র্যান্ট আর ড্রিউ ব্যারিমোর অভিনীত এই মিউজিকাল মুভি আরেকটি চমতকার কমেডি রোমান্টিক মুভি। হিউ গ্র্যান্ট একজন হারিয়ে যাওয়া গায়ক, নতুন এক টিন গায়িকা তাকে দিয়েছে একটি গান লিখে দেওয়ার জন্য। বদলি হিসেবে গ্র্যান্টের বাসায় কাজ করতে আসার পর ড্রিউ ব্যারিমোর সাহায্য করতে বসে যায় গ্র্যান্টকে গান লিখতে। এই চলচ্চিত্রের গানগুলো অসাধারণ। বিশেষ করে এই গানটি:


৩. When Harry Met Sally...

বেস্ট কমেডি রোমান্টিক মুভির তালিকা খোজ করুন অনলাইনে, এই চলচ্চিত্রটা থাকবেই। হ্যারি আর স্যালি, বছর ধরে পরিচিত, ভালো বন্ধু হিসেবেই তাদের সম্পর্ক। তাদের ভয়, সেক্স তাদের বন্ধুত্বে ফাটল ধরাতে পারে। অসাধারণ এই চলচ্চিত্রটা যে কোন শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক চলচ্চিত্রের তালিকাতে থাকবেই।

৪. Definitely, Maybe

এই ছবিটা রোমান্টিক, কিন্তু তার থেকে বেশি কমেডি (পেটে আঙ্গুল দিয়ে গুতা দেওয়া হাসানো কমেডি না)। ১১ বছরের মেয়ে তার বাবাকে জিজ্ঞেস করে, বাবার বিয়ে, ডিভোর্স আর ভালোবাসার সম্পর্কগুলো নিয়ে। বাবা মেয়ের এই ডায়লগটা পড়েন:
Will Hayes: I had two serious girlfriends... and then some other smattering of other women.
[Notices Maya looking strangely at him]
Will Hayes: What?
Maya Hayes: What's the boy word for 'slut'?
Will Hayes: They still haven't come up with one yet. But I'm sure they're working on it.
অন্যতম হাসির রোমান্টিক ছবি।

৫. 500 Days of Summer

ঠান্ডা, অল্পগতির চলচ্চিত্রগুলো আমার ভালো লাগে, কিন্তু এই চলচ্চিত্রের টোনটাই আমি ধরতে পারিনাই। IMDB তে রেটিং আট ৮১ হাজার ভোটারের প্রতি দশজনের আটজন ছবিটি দেখে মজা পেয়েছে, আমি বাকি দুই জনের একজন। ছবিটির প্রথম আধা ঘন্টা দেখে আর কন্টিনিউ করতে পারি নি।

৬. You've Got Mail

মেগ রায়ানের আরেকটি অসাধারণ রোমান্টিক কমেডি চলচ্চিত্র (৩ নংটাতেও মেগ রায়ান নায়িকা), সাথে আছে টম হ্যাঙ্ক। মেগ রায়ান আর টম হ্যাঙ্ক ব্যবসা প্রতিদন্দ্বী, একে অপরকে ঘৃণা করে। কিন্তু ঘটনাক্রমে ইন্টারনেটে তারা প্রেমে পড়ে যায়, যদিও তারা জানেনা নিজেদের পরিচয়।

৭. Leap Year

নায়িকার বয়ফ্রেন্ড আয়ারল্যান্ডে ব্যবসার কাজে। নায়িকা ছুটলো আয়ারল্যান্ডে, লীপ ডে-তে তার বয়ফ্রেন্ডকে প্রপোজ করতে, যা আয়ারল্যান্ডের একটি অতিপ্রাচীন রীতি। যেতে গিয়ে খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্লেন যাতায়ত বাতিল এবং কাহিনীর শুরু এখানেই। মোটামুটি কমেডি ত্রিভুজ প্রেমের রোমান্টিক এই ছবিটি দেখলে সময় খারাপ যাবে না।

৮. Serendipity

ভাগ্যের উপর ছুড়ে দেওয়া এক ভালবাসার গল্প। কোন এক ক্রিসমাস শপিং-এ জন কুসাক আর কেট বেকিনসেল এর পরিচয়, ভাললাগা। কিন্তু তারা তাদের পরবর্তী সাক্ষাতকে ছুড়ে দেয় তাদের ভাগ্যের উপর, আশা রাখে নিকট ভবিষ্যতে তাদের দেখা হবে আবার নিশ্চয়ই। জন কুসাক এর মারাত্মক কিছু ছবির মাঝে, এই ছবিটা অসাধারণ।

9. How to Lose a Guy in 10 Day

কেট হাডসন তার একটি লেখার জন্য পরীক্ষামূলক ডেট-এ যায়। ডেটিং-এ সাধারণত একটি মেয়ে কি কি ভুল করে, সেই ভুলগুলো করে কেট তার ডেট কে দশদিনের মধ্যে ভাগাবে। অপরদিকে, ম্যাথিউ মেককুনাফি তার অফিসে বাজে ধরে দশদিনের মাঝে যে কোন মেয়েক তার প্রেমে হাবুডুবু খাওয়াতে পারবে এবং দশম দিনে অফিসের একটি পার্টিতে নিয়ে যাবে। ঘটনা অথবা দুর্ঘটনা অথবা লেখকের ইচ্ছা ডেটিংএর ব্যাক্তি আর হাবুডুবু খাওয়ানো মেয়ে হয় এই দুইজনই। খারাপ লাগবেনা দেখতে।

১০. Sweet Home Alabama

ছবিটা দেখা হয় নাই, তাই কোনই মন্তব্য নয়।

১১. 10 Things I Hate About You

ছবিটি সম্পর্কে লেখতে গেলে, শেক্সপিয়ারের লেখা "The Taming of the Shrew" নাটকের আধুনিক ভার্সন এটি। হেথ লেজার নাম মনে আছেতো, ডার্ক নাইট ছবি দুর্দান্ত, ভয়ংকর ভিলেন, তার অভিনয় আমার ভালো লেগেছে ডার্ক নাইটের থেকেও এই ছবিতে বেশি। দুই মেয়ে কোন ডেট করতে পারবে না, বাবার নিষেধাজ্ঞা। বড় মেয়ে আরও কঠোর, সে পড়োয়া করে না কাউকেই। ছোট মেয়ে ডেটিংয়ে যেতে আগ্রহী হওয়ায় বাবা নতুন আইন করে, বড় মেয়ে ডেটিংয়ে গেলে ছোট মেয়ে যেতে পারবে। ছোট মেয়ের নায়ক পয়সা দিয়ে ভাড়া করে হেথ লেজারকে, বড় মেয়েকে ডেটিংয়ে নিয়ে যেতে।
অসাধারণ এই ছবিটি আমার দেখা রোমান্টিক যে কোন চলচ্চিত্রের সেরা পাচে থাকবেই।

১২. Down to You

দেখি নাই

১৩. 27 Dresses

Katherine Heigl ছোটবেলা থেকেই বিয়ের অনুষ্ঠান ভালোবাসে। ২৭টি বিয়েতে ব্রাইডমেইড হিসেবে থাকার পর, নায়িকা মনোসংঘর্ষে পড়ে যায়, কারণ বিয়েটি তার ছোট বোনের সাথে তার ভালবাসা (না বলা) / বস -এর সাথে। এই বিয়ে আর তার আগের ২৭টি ব্রাইডমেইড ড্রেস নিয়ে রোমান্টিক কমেডি এই কাহিনী।

১৪. A Cinderella Story

হিলারী ডাফ, ডিজনী চ্যানেল থেকে যার সাথে পরিচয়। হাইসেন না, আমার বয়স ২৪ হইলেও কার্টুন আমার অতি প্রিয়। এই চলচ্চিত্রটি কার্টুন না, তবে আসল কাহিনীর একটি আধুনিক ভার্সন। সেই সৎ মা, সৎ দুই বোন, সেই নৃত্য (এইখানে হ্যালোয়ুন, তাই মুখ ঢাকা), নায়িকাকে খুজে বের করার জন্য নায়কে অশেষ চেষ্টা। মজাদার এই ছবিটি টিনেজ দর্শকদের কাছে খুবই প্রিয়।

১৫. My Sassy Girl

The Girl Next Door ছবিটির সেই পর্নস্টার এলিশার কথা মনে আছে? ২০০৮ সালে বের হওয়া মাই স্যাসি গার্ল ছবিটি দ্বিতীয় ছবি যেটা এলিশা অভিনীত, আমি অবাক এই মেয়ের ভালো কোন ছবি না পেয়ে। জাপানী এক চলচ্চিত্র থেকে নেওয়া কাহিনী মাই স্যাসি গার্ল, যেইটা আবার বলিউডে রিমেক হইছে (বমি পাওয়া আরেকটা হিন্দী চলচ্চিত্র)।

অসাধারণ একটা ছবি, তয় মাইনষে কয় জাপানীটা নাকি আরো চমতকার। দেখতে পারেন।

১৬. 50 First Dates

এডাম স্যান্ডলার আর ড্রিউ ব্যরিমোর এর কমেডি রোমান্টিক। স্যান্ডলার মানেই কমেডি, আর ব্যারিমোর এর চরিত্রগুলো একটু গভীর রোমান্টিক টাইপের হয়, এই ছবিতে দুইজনরে মানাইছে চমতকার। চলচ্চিত্রে স্যান্ডলার যখন ব্যারিমোর এর সাথে পরিচিত হয়, সে বুঝতে পারে যে সে তার স্বপ্নের মেয়েকে পেয়েছে। কিন্তু আবিষ্কার করে, ব্যারিমোর শর্ট টার্ম মেমরি লস -এর রোগী। প্রতিদিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠলে নায়িকার আগের দিনের কিছুই মনে থাকে না। এভাবেই চলতে থাকে তাদের পঞ্চাশটা ডেট।

১৭. She's Out of My League

জে বারুচেল একজন অতি সাধারণ, তার ভালবাসায় পড়েছে এলাইস ইভ, অসাধারণ এক সুন্দরী। কিন্তু এই অসম সুন্দরের ভালবাসায় নায়কের মনে সন্দেহ জাগে, নায়িকার কোন খুত নেইতো।

১৮. Going the Distance

ড্রিউ ব্যারিমোর আবারো ভালোবাসায়, এবার জাস্টিন লং নায়কের চরিত্রে। ভালোবাসা, দুর্বলতা, ভাঙ্গন, দুরত্ব, আবারো চাওয়া পাওয়া, এই নিয়ে কমেডি এই চলচ্চিত্র। ১০২ মিনিটের ছবিটি কোন সময় শেষ হলো টেরই পাবেন না।

১৯. Notting Hill

ইংল্যান্ডের নটিং হিল-এর এক সাধারণ বই বিক্রেতা হিউ গ্র্যান্ট, তার দোকানে বই কিনতে আসে এক বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জুলিয়া রবার্টস। সেখান থেকেই তাদের পরিচয়, ভালোলাগা। কিন্তু তাদের এই অসম ভালোবাসা সত্যিই জটিল করে তুলে তাদের জীবনকে।

২০. The Wedding Singer

এডাম স্যান্ডলার আর ব্যারিমোর আবারো একই সাথে, এই কমেডি রোমান্টিক এর সাথে যোগ হয়েছে মিউজিকাল। স্যান্ডলার ছ্যাক খাওয়া এক গায়ক যে বিয়ের অনুষ্ঠানে গান গায়, আর নায়িকা ওয়েট্রেস। তাদের পরিচয় পর একে অপরকে সাহায্য করে নিজেদের আবিষ্কার করতে।

২১. Just Like Heaven

দেখিিিিিিিিিিিিি নাই।

২২. My Big Fat Greek Wedding

দেখিিিিিিিিিিিিিিিিিিিিি নাই।

২৩. The Holiday

ছবিটা মাত্র দেখে তারপর ব্লগটা লেখা শুরু করলাম।
দুই ছ্যাকা খাওয়া নায়িকা ইংল্যান্ড বাসী কেট উইন্সলেট আর এমেরিকা (এল.এ) বাসী ক্যামরুন ডিয়াজ তাদের বাসা বদল করে ক্রিসমাসের ছুটিতে। অদল বদল করার পর তারা দুজনই ভালোবাসায় পড়ে যায় লোকাল দুই লোকের সাথে। পুরো ছবিতে উইন্সলেট মারাত্মক অভিনয় করেছে। ছবির ফিনিশিংটা আন্দাজ করাই ছিল, মোটামুটি বলা চলে।

২৪. She's All That

দেখি নাই।

২৫. Pretty Woman

রিচার্ড গেরে ব্যবসা ট্যুরে এসে ভাড়া করে প্রস্টিটিউট জুলিয়া রবার্টসকে। কিন্তু কে জানতো, তার ভালবাসার নারী হবে এই প্রস্টিটিউট-ই।

--------------------------------
তালিকাটা আমার পছন্দ হয়েছে, কারণ অনেকগুলো ভালো ছবির নাম এইখানে আছে। যদিও অনেকগুলো ভালো কমেডি রোমান্টিক ছবি বাদ পড়েছে, ভাবতেছি আমিই একটা লিস্ট বানামু। ছবি ডাউনলোড করতে চাইলো stagevu.com বা thepiratebay.org তে গিয়ে খুজলেই পাবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29304850 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29304850 2011-01-10 09:48:24
গত কয়েকদিনে দেখা কিছু ক্লাসিক মুভ্যির রিভিউ Sixteen Candles (1984)



সামান্থার ষোলতম জন্মদিন, কিন্তু আগামীকাল তার বড় বোনের বিয়ে হবে, ঝামেলাতে তার পরিবারের সবাই ভুলে গেছে তার জন্মদিনের কথা। এভাবেই শুরু হওয়া জন্মদিনটা তার কাটে অনেকগুলো দুর্ঘটনাসহ।

কমেডি রোমান্টিক টিনেজ এই মুভ্যিটি আমি আগেও দেখেছি, কিন্তু ছবিটি চমতকার বিধায়, আরেকবার নয় কেন, দেখে ফেললাম আবার।


The Graduate (1967)

গ্র্যাজুয়েট শেষ করা বেনজামিন এক অসম বয়সী রোমন্সের জালে আটকা পড়ে মিসেস রবিনসনের সাথে, যে তার পিতার বন্ধুর স্ত্রী। ঘটনাক্রমে বেনজামিন ভালবেসে ফেলে মিসেস রবিনসনেরই মেয়ে ইলিনকে এবং ঘটনা জটিল থেকে জটিলতর হতে থাকে।

কমেডি রোমান্টিক এই ছবিটি সত্যিই মচেতকার।


The Shawshank Redemption [1994]

গডফাদার মুভ্যিকে পেছনে ফেলে দর্শক ভোটে এখন আই.এম.ডি.বি-এর এক নম্বর তালিকাতে।
স্ত্রী হত্যার অপরাধে জেলে আসা এক আসামীর কাহিনী নিয়ে একটি ছবি। অসাধারণ এই ছবিটি কেন ভালো লাগলো বলতে পারলাম না।

Annie Hall (1977)

কমেডি রোমন্টিক অনেকগুলো লিস্ট দেখলাম অনলাইনে, সেরা দশে এটার অবস্থান থাকবেই, কিন্তু কি জন্য বুঝতে পারলাম না। মনে করেছিলাম ভাল লাগবে, কিন্তু না, বিরক্তিকর।

It's A Wonderful Life (1946)

এক ব্যর্থ ব্যবসায়ী যখন আত্মহত্যা করতে যাচ্ছিল, তখন এক দেবদূত এসে ব্যবসায়ীকে দেখায় তার চারপাশের দুনিয়াটা কি হত যদি তার জন্মই না হতো।

চারটি অস্কারের জন্য মনোনিত হওয়া অসাধারণ এই ফ্যান্টাসি রোমান্টিক মুভিটি সত্যিই চমতকার।

Miracle on 34th Street (1947)

কোন এক ক্রিসমাসে সান্তা ক্লজ হিসেবে দাবি করা এক বৃদ্ধ মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মানসিকভাবে অসুস্থ হিসেবে, কিন্তু এক আইনজীবি বৃদ্ধের দাবি প্রতিষ্ঠার জন্য আদালতে আপিল করে।

The Wizard of Oz (1939)

চমতকার এক ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্র। ডরথি ডেল প্রচন্ড ঝড়ে উড়ে গিয়ে পড়ে এক জাদুর রাজ্যে। সেখান থেকে বাড়ি ফিরতে হলে তাকে অবশ্যই সর্বশক্তিশালী জাদুকরের দেখা পেতেই হবে।
ফ্যান্টাসি ভিত্তিক এই মিউজিকাল মুভ্যিটি মিউজিক-এ দুটি অস্কার জিতে।

Annie (1982)

অনাথ এনিকে এক সপ্তাহের জন্য চ্যারিটি হিসেবে থাকতে দেওয়া হয় দেশের সবচেয়ে ধনীর সাথে। তার সেই এডভেঞ্চেরাস জীবন নিয়েই এই ছবির কাহিনী।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29295756 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29295756 2010-12-25 11:22:22
কনডম নিয়া যত এডভার্টাইজ (১৮+) " style="border:0;" />, একটি ভিডিও রিভিউ



What's the best way to market a condom? A sampling of ads from around the world shows that a lot depends on the prevailing attitudes about sex.

বাংলাদেশি কিছু কনডম নিয়া এডভার্টাইজ









------------------------------------------
ইউটিউবে ঘুরতে ঘুরতে পরথম ভিডিওটা পাইলাম, তাই শেয়ার করলাম সবার লগে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29292194 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29292194 2010-12-19 07:08:39
কসম কইতাছি শাহরুখরে লইয়া আর কিছু লেখমু না - লন্ডন থেকে চিল্রাইতাছি
অনেকদিন পর একদিনে দুইখান পোস্ট দিতাছি। আমার পোস্টগুলিতে সাধারণত মন্তব্য তেমন একখান পাইনা, কারণ আমি চান্সমতো ইস্যুগুলি ব্যবহার করতে পারিনা অথবা তেমন একটা ভালো লেখক না। যাই হোক, আজকে সুযোগমত একটা কেল্লাফতে পোস্ট দিয়া দিলাম। মচেতকার, সর্বমোট ১২২ টা (যার অর্ধেক আমার <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />) মন্তব্য। হুররে! কি মজা। সত্যিই কি মজার, এক গাধারে এত্তডি লাত্থি খাওয়াইয়া?

গত এক সপ্তাহ ধইরা (নাকি আরও আগে থেকে) শাহরুখ পেচাল শুরু, ব্লগ খুললেই শাহরুখ। দেশের আনাচে কানাচে মানুষ মরে ঠান্ডায়, আর দেশের মধ্যখানে ৫০০০ টাকা দিয়া একজন মানুষ দেখতে যাইবো আরেকজনরে দেখতে, অধিকাংশের মতামত ছিলো এইটা। আর অন্য পক্ষ ছিলো আনন্দে অতিশয্যে উচ্ছাসিত, শাহরুখ আইবো বাংলাদেশে, কি আনন্দ, ঈদের চেয়েও বেশি। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

এই বলগের ১০০ জনরে জিগাইলে ৯০ জনই কইবো আমরা শাহরুখরে পছন্দ করি। আমিও পছন্দ করি, এইখানে শরমানের কিছু আছে?
শাহরুখ একজন অভিনেতা, সে সর্বদাই অভিনয় করে (তার ফ্যামিলির সামনে করে কিনা জানিনা, তবে ক্যামেরার (সেইটা মুভ্যি ক্যামেরা বা সাংবাদিক ক্যামেরা যেইটাই হোকনা কেন) সামনে সে অভিনয়ই করে)। অভিনেতা হিসেবে সে চরম, যেমন অনুষ্ঠানে যা করলো। সে অভিনয়ে একজনের পায়েও পড়তে পাড়ে, আবার আরেকজনরে পাগাড়েও ফালাইতে পারে। চুমাও দিতে পারে, আবার লাথিও দিতে পারে। অনুষ্ঠানে সে কি করলো, আমি কোন খারাপ কিছু দেখিনাই, বরং যখন আমাদের জাহিন ভাই নিজের দেশেরে লাত্থি খাওয়ার সৌভাগ্যের কথা বললো তখন সযতনে খান মিয়া কথাটারে এরাইয়া অন্য কথায় চইলা গেলো। শাহরুখ খান মানুষ হিসেবে কেমন সেইটা আমি জানিনা, তবে সে প্রমান কইরা গেলো, সে নুনের দাম দিতে জানে।

জানিনা খালি আমরা। একজন গাজী ইলিয়াস, তার কিছু কাজ বোকামী মনে হয়েছে আমার কাছে, আমার কিছু ভালও লেগেছে। শাহরুখ বাংলা বুজেনা, আমগো অনেক মা, বোইন, ভাইয়েরা আংরেজী বুজেনা, আমি, গাজি ইলিয়াস এবং আমার মতন কিছু মানুষ বুইঝাও হিন্দু বুঝুম না। ভাষার এইরকম সমস্যা হইবো, শাহরুখ সেইটা আগে থাকতেই জানতো, জিগাইতে পারেন আমি এতো কনফিডেন্ট কেমতে? কারণ এই শাহরুখ ঘুঘু দেশে দেশে ঘুরছে, এইরকম বহুত অনুষ্ঠান করছে, মানুষরে দেখছে, অভিজ্ঞতা থেকে শিখছে। তাই শাহরুখ শুধু আংরেজীও কয়নাই, শুধু হিন্দিও কয়নায়, আমরা দুইটাই জানি, দুইটাই বুঝি, তাই দুইটারেই মিলাইয়া আমগোরে এক খিচুরী (লগে বাংলার একটু ঝাল লাগাইতে চাইছে) ভাষায় বড়ই সৌন্দর্যের এক অনুষ্ঠান উপহার দিলো। গাজী ইলিয়াস শুরু করছিলো হিন্দি দিয়া, কিন্তু হয়তো সে হিপোক্রেট হইতে পারলো না, তাই শাহরুখের মুখের উপর কইয়া দিলো সে হিন্দি ঘৃণা করে। আইচ্ছা আপনের ঘরে মেহমান আইলো, তারে কি আপনে সরাসরি কইতে পারেন, তোর চেহারা কুত্তার মতন? আপনেরও তো একটা ইজ্জত আছে, তাইনা।

তয় হাসিনার নাতনি আর তার জামাইরে (হাসিনার জামাই না, তার নাতনির জামাই) যে নাকানিচুবানি খাওয়াইলো আমি খালি হাসবারই আছি। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> ওরি আরেকটু হাইসা লই। ও চুমার কথা ভুলি নাইক্কা, ওরি ওরি চুমাচুমি তাও বাংলা টিভিতে, আইচ্ছা এই চুমা কোন বিষয় হইলো, আপনেরা কি একটু লেঠেস্ট হইবার পারেন না? আর কতো গাও-গেরামের পুলাপাইন রইবেন, হ্যা? আপনোগো ভবিষ্যত নেতারা একজন থাকে লন্ডনে আরেকজন আম্রেকায়। তারা কয়দিন পরেই আইসা আপনেগো শাসনভার হাতে লইবো, আপনেরা যদি তাগো লগে তাল না মিলাইতে পারেন, কেমতে হইবো?


শালার আমগো মন্ত্রী, আমগো দেশে নাকি মাইনষের ইজ্জত বড়। কিন্তু এই মন্ত্রীর কি একবারও মনে কিন্তু আসে নাই মাটিতে বইসা অনুষ্ঠান দেখার আগে? <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

শত হইলেও শাহরুখ বইলা কথা। হো হো হো।


কসমে কইলাম, শাহরুখ আর এই অনুষ্ঠান লইয়া আমি আর নতুন কোন ব্লগ লেখতাম না। অন্ততপক্ষে এই মাসে না। ক্ষান্ত দিলাম এইখানে।

আজকে সারাদিন এই কোবতে টা মনে পড়ছে বারংবার:

দেখিতে গিয়াছি পর্বত মালা, দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু, দেখা হয়নাই চক্ষু মেলিয়া ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া, একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু

শেষে বলে যাই, আজকে যা কিছু হইছে, তাতে শাহরুখের কোনই দোষ দিমুনা, তার চারপাশে অনেক অনেক দেশি ভাড় ছিলো তারাই সব গালি খাওয়ার যোগ্য।

ব্রিটিশ এই গালিটা প্রায়শই ব্যবহার করে, ব্লাডি ইন্ডিয়ান। আমি কখনোই কোন বিদেশীর মুখে শুনিনাই, কেউ বলতে ব্লাডি বাংলাদেশি, শুনছি এক দেশী আন্টির মুখে। আর গালি দেওয়ার জন্য আমার কাছে ইংরেজী আর হিন্দি ভাষাকেই ভালো মনে হয়, আধাচেনা শব্দগুলোতে আবেগ কমথাকে।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29287448 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29287448 2010-12-11 09:37:44
আসেন না সবাই লাথি মারি

http://i54.tinypic.com/1izb6s.jpg


নাম: খন্দকার তাসওয়ার জাহিন
কলেজ: মাইলস্টোন কলেজ
যে বক্তব্যের কারণে: সে এবং উপস্থিত সকল দর্শক শাহরুখের লাথি খেয়ে আরাম পাবে
দর্শক প্রতিক্রিয়া (মানে আমার): চলেন, সবাই মাইলস্টোন কলেজে গিয়া তারে একটা কইরা লাথি দিয়া আসি, লাথিটা দেওয়ার পর বলবেন, শাহরুখের প্রক্সি।


শালা একটা কুত্তা, যত পারেন গালি দেন। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29287294 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29287294 2010-12-10 23:53:01
দিনের সেরা ছবি

Click This Link

ছবিখান মিউজিয়ামেও ঢুকে গেছে:



http://i56.tinypic.com/15heagh.jpg
শিরোনাম: আশরাফুলের শেষ আউট

আশরাফুলকে মনে রাখার জন্য, বিরাট বিরাট বিলবোর্ডও তৈরি করা হইছে:



http://i51.tinypic.com/qnaex5.jpg
শিরোনাম: আমাদের আশার ফুল, যে আশা দেখাইয়া আমাদের সর্বদাই ফুল বানাইতো


এমনকি আমাদের টাকাতেও আশরাফুলের ছবি দেওয়া হয়েছে:


http://i55.tinypic.com/2j2yk4o.jpg



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29281750 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29281750 2010-12-01 18:56:32
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-এর কোন ফ্যান আছেন নি? - লন্ডন থেকে চিল্লাইতাছি ইংলিশ প্রিমিয়াম লীগের ১ নম্বরে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-এর সাথে ২০ নম্বর দল বা সর্বশেষে থাকা দল ওয়েস্ট হ্যাম-এর সাথে আজকে খেলা ছিলো আপটন পার্কের "ওয়েস্ট হ্যাম" স্টেডিয়ামে। বাড়ির পাশেই স্টেডিয়াম, কলেজ থেকে আসার সময় টিউব-এ ভিড় দেখেই বুজতে পারলাম, আজকে খেলা আছে।
রাস্তায় দর্শক আর পুলিশের ভিড়, ভিড়ের সাথে মাঝে একটুখানি কুস্তাকুস্তি, রাস্তার পাশে দেশি স্টাইলে অস্থায়ী দোকান (তাই বইলা ফুটপাথ বা রাস্তার মাঝখানে না, রাস্তা ছাইড়া তারপর যদি খালি থাকে সেইখানে), ফুটবল বইলা কথা। কোনমতে ঠান্ডার মধ্যে আইলাম বাসাতে।

সকালে ঘুম থেকে উঠলাম ৯টায়, বাহির হইয়াই দেখি বরফের বৃষ্টি, বাসা থেকে স্টেশন ৫মিনিটের হাটার পথ, তাতেই বরফের ছোয়ায় আমার কালো জ্যাকেট আর জিন্স সাদা হয়ে গেলো।

সন্ধ্যায় এতো স্নো না থাকলেও বাতাস ছিলো হাড্ডি কাপানো। তার ভেতরেও দর্শকদের মাঝে একটুও চিন্তা ছিলোনা, তারা আসতে থাকলো দলে দলে।

খেলা শুরু হওয়ার ২২ মিনিটের মাথায় পরথম গোল। আমি বুজতে পারলাম দর্শকগো চিল্লানি শুইনা। ওয়েবে গুতাইয়া দেখলাম কার কার খেলা। ওয়েস্ট হ্যাম আর ম্যান ইউ এর। হ্যাম এর হ্যামবার্গার কথা ছিলো, কিন্তু উল্টো বাইশ মিনিটে ম্যান ইউ রে উইম্যান ইউ বানানি শুরু হইলো। ২২, ৩৭, ৫৬, ৬৬ মিনিটে চার খান গোল দিয়া ম্যান ইউরে ৪-০ তে হারাইলো ওয়েস্ট হ্যাম। কইবার পারলাম না, এই এলাকায় থাকি বইলাই হয়তো, আমারও একটু ভালো লাগলো। পরথম হাফ এর পর তাই খেলা দেখলাম সবটুকু।

কারলিন কাপ-এর আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনাল জিতলো ২-০ তে। আর এই কাপের গত দুইবারের চ্যাম্পিয়ন বিদায় নিলো এক বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা লইয়া।

<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29281319 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29281319 2010-12-01 04:02:20
পেটটা পো পো করতাছে - লন্ডন থেকে চিল্লাইতাছ
ঘটনার শুরু গতকাল রাত্রে।

ব্রো, ব্রো, ব্রো। মোবাইল ভাইব্রেটরের শব্দ।
এলাকার ভাই ফোন কইরা কইলো, চইলা আসো আগামীকাল, বন্ধু-বান্ধবরা আইবো, আর সঙ্গে চটপটি থাকবো।
এইতো ধরাইয়া দিলো লোভ। এই জিনিসটার পোকা আমি, আর লন্ডনে আইসা এইটার অভাব বোধ করতাছি সবচেয়ে বেশি।
সেইদিন গেলাম হোয়াইট চ্যাপেল-এর এক বাংলাদেশি হোটেলে, পোস্টারে লেখা "শিক কাবাব", ঢুকলাম ভেতরে। ভাবলাম, ঢাকার মত শিকে ঢুকানি কয়লা পুরানি কাবাব খামু। শালার হইলাম বলদ, পাকি রেসিপিতে বানানো ল্যাম্ব গোস্তের এইটা "শিশ কাবাব "। লন্ডনে আসার তিনদিনের মাথায় একখান বিয়া খাইছিলাম বন্ধুর কপালগুনে, এক পাকি পোলা + এক দেশি মাইয়ার বিয়া, গেছিলাম খাইতে, সেইখানে এই কাবাবের পরথম এবং শেষ টেস্ট লইছিলাম। আর জীবনেও লওয়ার ইচ্ছা নাইক্কা। হোয়াইট চ্যাপেলের দোকানে আমার খাওয়া আর হয়নাই সেইদিন।

ও যেইটা কইছিলাম, গতকাল পাইলাম দাওয়াত, তার লগে জানবার পারলাম আজকে সারাদিন লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডের দুই শ্রমিক ইউনিয়ন স্ট্রাইক করছে। তাই অনেকগুলি ট্রেইন বন্ধ থাকবো। তাও গেলাম। প্রতি সপ্তাহে যাতায়ত খরচ ২৯ পাউন্ড, আর আজকে বলদামি কইরা ধরা খাইলাম আরো ৪ পাউন্ড, যাওয়া আর আসার খরচ। আমার বাসা ইস্ট লন্ডনের এক কোনায়, আর কলেজ ওয়েস্ট লন্ডনের আরেক কোনায়। ট্রেনে যাইতে সময় লাগে ৭৫-৯০ মিনিট। আজকে লাগছে পুরা ৩ ঘন্টারও বেশি। মানে ৪ পাউন্ডতো লাগছেই, সঙ্গে ৬ঘন্টার সময় নষ্ট। মজার ব্যাপার হইলো, যাইয়া দেখি কেলাস সাসপেন্ডেড ডিউ টু লো স্টুডেন্ট উপস্থিতি। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />
গরু, ছাগল, গাধা।

বাড়িত আইতে আইতে সন্ধ্যা সাতটা। আটটার মাঝে গেলাম ভাইয়ের বাড়িতে, দাওয়াত খাইতে। যাইয়া দেখি জম্পেশ অবস্থা। ছয়-সাতজন মিলা সবাই জম্পেশ দিতাছে আড্ডা। আমিও দিলাম যোগ। ধম্ম-অকম্ম, রাজনীতি-দেশ, হাসিনা-খালেদা, সব উলট পালট। সঙ্গে আছে টক, ঝাল, নো মিস্টি এবং নো ফুসকা চটপটি। আপনেরাই কন, ফুসকা ছাড়া চটপটি ভালা লাগে? যাই হোক, নাই মামার চেয়ে কানা মামাই ভালো। দশটা বাজতে খাওয়া শুরু আসল জিনিস। পোলাও, কোর্মা নাই, সবজি, মুরগির রোস্ট, ল্যাম্বের বিফ, সালাদ। শালার বানাইছে সবজি, তার মাঝে দিছে চিংড়ি, তাইলে কনতো সবজি হয় কেমতে? ভাই, ভাবি দুইজনে মিইলা বানাইছে, একেকটার স্বাদ হইছে আরেকটা থেকে বেশি। সব হাড়ি, ডেক্সি খালি আধ ঘন্টার মাঝে। খাওয়ার পড়ে আবার মিস্টি। ভাইরে খাওন যায়না। যে খাওয়াডা দেওয়া হইছে, পেটে পানি পড়নের জায়গা ছিলো না, তার পরে মিস্টি সম্ভব, আপনেরাই কন?

তারপরে আবারও আড্ডা, কারও খেয়াল ছিলোনা ঘড়ির দিকে, ঘড়িতে বারোটা বাজার পর সবার খেয়াল, আর দৌড় দেওয়া শুরু।

বাড়ি থেকে বাহির হইয়া বাস স্টপেজ থেকে ৭-৮ দুরে থেকে দেখলাম, স্টপেজ থেকে বাস ছাড়তাছে। এর পরের বাস ২০ মিনিট পরে। দিলাম দৌড়, এক দৌড়ে অধ্ধেক রাস্তা পার, তয় বাস ধরবার পারলাম না। কিছুক্ষন পড়েই পড়ের বাস আইলো, ততক্ষনে হাপাইতাছি হাপানি রোগিগো মতো, আর পা মনে লয় অবস হইয়া গেছে। বাসায় আইতে ১০ মিনিট লাগলো।

বাসায় আইসা দেখি সব্বাই ঘুমাইতাছে। কোনমতে খালি কম্বলের তলে শুইলাম, দেখি ওমা মোর পেটতো কুড়মুরাইতাছে। গেলাম টয়লেটে, যাইয়া ১০মিনিট বইয়া কিছু পেট করলাম খালি। আইয়া শুইলাম আবার কম্বলের তলে। ওমা এতো দেহি মোর পেট ঢোল পিডাইতাছে, দৌড়াইতে হইবো আবারও। আল্লায় জানে রাইতে ঘুমাইবার পারমু নি। যে খাওয়া খাইছিরে ভাই,....

<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29280599 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29280599 2010-11-30 08:08:04
ব্যাপারটা কিরুম হইয়া গেলো - লন্ডন থেকে চিল্লাইতাছি
স্বপ্নে দেকলাম এয়ার ইন্ডিয়ার দুইকান পেলেন আরে হাত দরাদরি কইরা লন্ডনে রাইক্কা গেলো, এহন গুম তে উইটা দেহি আপটন পার্ক (কি নামরে দাদা, মুক ছিল্লা যায়)-এর একখান বাসাতে ঘুমাইতাছি।

দেহি ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কাপাকাপি শুরু খরলাম। জ্যাকেট খানা কিনতে হইলো মাত্র ২৮ পাউন্ডে (২৮০০ টাকা! তাও বন্ধুর স্টুডেন্ট কার্ড দিয়া ৩০% ডিসকাউন্ট পাইছি, দোকানের নাম কইবার পারলাম না, মনে নাই)

দেশের থন যা আনি, কম্বল, জ্যাকেট হগলডি বেকার। তাই কম্বল, বালিশ (আম্মা দেয়নাই, তাই কিনবার লাগলো), জ্যাকেট, হাত মোজা কত কিছু কিনলাম।

রাইতে কে.এফ.সি তে কিনলাম মুরগি, আর খাইলাম মজা কইরা।

আমার এক মাইয়া বন্ধুক (কলেজ বন্ধু, গেরাল ফ্রেন্ড মনে কইরেন না, বন্ধুকের জামাই আছে, হেও আমার বালা বন্ধু) এত্ত্ত্ত সাহায্য করল, কেমতে কইতাম।

দ্বিতীয় দিনে গেলাম কলেজে বারাহ হাই স্ট্রিট-এ, যাইয়া দেহি টাশকি, ১ টা বিল্ডিং একখান কলেজ, এই নীতিতে মনে লয় কলেজ বানানি হইছে। দুই মিনিট হাইটা কমসেকম ৬খান কলেজ দেখবার পাইলাম।

আজকে নিয়া রাস্তায় হারাইয়া গেছি সবমিলাইয়া চাইরবার, হাটা হইছে কয়েক কিলো। টিউব রেল, (লোকাল) বাস, ২৫ নম্বর বাংলা বাস সব কিছুতেই উঠছি। এক বিয়ার দাওয়াত খাইয়া লাছি (বাং লেডি + পাকি লেডা), এক ভাইরে লইয়া ডাঙ্কার খানায় গেছি, আরে সময় কেমতে কাটে বুজতাছি না।

সব কিছু মজার খালি, একখান জিনিস, মানুষ নাইক্কা, মানুষ মিস করতাছি।
বাসে উঠলে বাস খালি থাকে অধ্ধেক, রাস্তায় ভিড় নাই, ধাক্কা ধাক্কি নাই। সন্ধা ছয়টার পর শাটার বন্ধ হইতে থাকে, আটটা বাজলে তো কতাই নাই। সব দোকান বন্ধ হইয়া যায় (খোলা থাকে গুটিকয়েক)।

<img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /> এত্তো এত্তো ঢান্ডা, মানুষ হগলডি খালি পুষাক পইড়া তাকে। গলা থেকে পা পর্যন্ত ঢাকা বেশির ভাগ মানুষ, আরে শালা লন্ডনে আইছি, আর হাফ ল্যাংডাগো দেখবার পারতাছি, কি কষ্ট, কনতো। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

তয় একটা জিনিস সবচেয়ে ভালা লাগছে, যখন বাসে বা ট্রেনে উঠছি, সেইখানে ছিল সবজাতের মানুষ, সাদা, কালা, ইন্ডিয়ান, দেশি, জাপানি, চায়না, আমরেকিনা, ইউরোপিয়ান, কত রঙ্গের রে। এইডাই ভালা লাগছে বেশি।

এহন কন, কোন কোন বলগার রা আছেন এই লন্ডন-এ। নয়া দেশি মানুষের সাথে পরিচয় হইবার মন চায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29262645 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29262645 2010-10-27 22:52:18
ঈদ উপলক্ষে যতসব ঈদ ব্যনার কাল ঈদ, প্রভাব সর্বত্র। ব্লগগুলোর লেখাতেও তার প্রভাব।

তো আসুন দেখি, কোন ব্লগে কোন ব্যানার পরিবর্তন হয়েছে ঈদ উপলক্ষ্যে।

পরথমেই সামু: Click This Link

সামুর ডিফল্ট ব্যানারের উপর চাঁদ আর তার সাথে আতশবাজি।

আমার ব্লগ: Click This Link

সুন্দর।

সচলাতয়ন: Click This Link

এক কথায় অসাধারণ।

নাগরিক ব্লগে গিয়ে চমতকৃত হলাম। হয়তো তারা ব্যানার পরিবর্তন করে নি, তবে যেটা করেছে, সেটা ভালো লেগেছে, ভালো লাগতো ব্যানারটাও পরিবর্তন করলে। পোস্টটি পরেন:
http://www.nagorikblog.com/node/2289


আমরা বন্ধুতে সবুজ রঙ্গের ব্যানাটিও খারাপ না:
Click This Link


সোনার বাংলাদেশ ব্লগেও পরিবর্তন ব্যানারে:
Click This Link



পরথম আলোতে ঈদের কোন নাম গন্ধও নেই আর নগরবালক এ তো আমি ঢুকতে পারিনা তাই কইতে পারলাম না। মুক্তাঙ্গন-এর (mukto-mona.com অথবা nirmaaan.com/blog/) এডমিন হয়তো বেশি মুক্তমনা, তাই ব্যাকডেটেড মুসলমানদের ঈদ নিয়ে ব্যানার তো দূরের কথা, কোন পোস্টই পেলাম না পরথম পৃষ্ঠায়। ক্যাডেট কলেজ ব্লগেও একই অবস্থা এবং চতুর্মাত্রিকেও। সোনার বাংলা (সোনার বাংলাদেশ না) ব্লগে কোন ব্যানারই নাই! আরও যুক্ত হবে ওপেস্ট অথবা বকলম-এর নাম।


যে কয়েকটি ব্যানার পেলাম, আমার কাছে সচলাতয়নের ব্যানারটাই সবচেয়ে ভালো লাগলো।
আপনার কোন বলবেন।
আর এই পোস্টটি সকল কপিরাইট মুক্ত (কপিরাইটের কিছু আছে নাকি এই পোস্টে?), যে কেউ ইচ্ছে করলে অন্য কমিউনিটি ব্লগ বা ব্যক্তিগত ব্লগে পোস্ট করতে পারেন।

সবাইকে আবার ঈদের শুভেচ্ছ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29238106 http://www.somewhereinblog.net/blog/moinuddin102blog/29238106 2010-09-10 18:54:55