জানাগেছে, ১৯৯৯ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থীসহ এসব সদস্যদেরকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে পূর্ণবার্সনের উদ্যোগ নেন। প্রায় ৬৫০জন সর্বহারা সদস্যকে বিশেষ আনসার পদবী দিয়ে বিভিন্ন থানায় পুলিশ বাহিনীতে পাঠানো হয়। তবে এ চাকুরীর কোন সময়সীমা বেধে না দেয়ায় বিগত জোট সরকারের সময় এ নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।
অন্যদিকে সামান্য বেতন দিয়ে তাদের পরিবাবার পরিজন নিয়ে চরম দূর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। ইতোমধ্যে এসব সদস্যদের অনেকেই চাকুরী ছেড়ে দিয়ে আগের জীবনে ফিরে গেছে বলেও জানাগেছে। বর্তমানে প্রায় ৩৮০জন সদস্য অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবন যাপন করলেও এ নিয়ে বর্তমান সরকারের কোন মহলে আলোচনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহানের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানায় কর্মরত বিশেষ আনসার আবদুল মান্নান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উপজাতিদেরকে শান্তিচুক্তি মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি চাকুরীতে স্থায়ীকরণ করা হলেও সর্বহারাদের ব্যাপারে দীর্ঘদিনেও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি বলেন, এসব সদস্যদেরকে অনতিবিলম্বে যে কোন একটি সরকারি চাকুরীতে স্থায়ী করণ করা না হলে অচিরেই এ বাহিনীতে অসন্তোষ দেখা দিতে পরে। তারা এ ব্যাপারে সরকারের আনসার ব্যাটেলিয়ান, সিভিল ডিফেন্স অথবা রেলওয়ের যে কোন একটি পদে স্থায়ী চাকুরীর দাবিতে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহায়তা কামনা করে লিখিত আবেদন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

