তৌহিদী গণ আদালত, রাজাকারদের ডলাথেরাপি প্রস্তাবে যোগ দিন 
২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৩
আমি কিছু প্রস্তাব করিতেছি আমজনতার হইয়া। আপনারাও করুন আপডেট হইবেক।
১। তাদের নাভীর উপর ধান রাইখা পা দিয়া ডলা দেয়া হোক
২। তাদের উলঙ্গ করিয়া লিংগে পাথর বাঁধিয়া বাজার ঘুরানো হোক
৩। তাদের পেটে একটা কাঁঠাল বাঁধিয়া একটা কাঁটাওয়া মান্দার গাছের সহিত বাঁধিয়া বেতের কাঁটা দিয়া দোররা মারা হৌক
৪।
৫।
...................
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
১. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৫
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
অশ্লীল অশ্লীল
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
অশ্লীল অশ্লীল
২. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৭
কালোকাক বলেছেন:
কপালে ১ টাকার পইসা দিয়ে সূর্যের দিকে সারাদিন তাকাইয়া থাকতে দেওয়া হোক।
কালোকাক বলেছেন:
কপালে ১ টাকার পইসা দিয়ে সূর্যের দিকে সারাদিন তাকাইয়া থাকতে দেওয়া হোক।
৩. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:২৪
কানন শাহ বলেছেন:
সন্মানতি ব্লগার কে ব্লগীয় নীতিমালা আর একবার পড়ে আসার অনুরোধ
কানন শাহ বলেছেন:
সন্মানতি ব্লগার কে ব্লগীয় নীতিমালা আর একবার পড়ে আসার অনুরোধ
৪. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:২৮
shamim ahmed বলেছেন:
দোয়া করি আপনাকে আল্লাহ হেদায়াত যেন করে ।
shamim ahmed বলেছেন:
দোয়া করি আপনাকে আল্লাহ হেদায়াত যেন করে ।
৫. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩২
৬. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩৯
ছন্দ্বহীন বলেছেন:
ফাঁসি চাই না...হেগোরে দিয়াই হেগোরের মা আর মাইয়াগো জন সম্মুখে রেফ করানো হউক। এক দফা এক দাবি।
ছন্দ্বহীন বলেছেন:
ফাঁসি চাই না...হেগোরে দিয়াই হেগোরের মা আর মাইয়াগো জন সম্মুখে রেফ করানো হউক। এক দফা এক দাবি।
৭. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩৫
৮. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:২৫
কালীদাস বলেছেন:
রাজনীতি করলে পাছা দিয়া ডিম কেন, ডান্ডা, হাতি ঘোড়া সবই ঢুকব। তবে জামাতী জারজগুলারে আরেকটু স্পেশাল কিছু দেয়া দরকার। আমি এগুলারে গ্যাং রেপ করার পক্ষে। ৭১এ কি করেছিল কিছুটা টের পাবে। আর এসময় পাশে বাজবে সাঈদীর ওয়াজের টেপ
কালীদাস বলেছেন:
রাজনীতি করলে পাছা দিয়া ডিম কেন, ডান্ডা, হাতি ঘোড়া সবই ঢুকব। তবে জামাতী জারজগুলারে আরেকটু স্পেশাল কিছু দেয়া দরকার। আমি এগুলারে গ্যাং রেপ করার পক্ষে। ৭১এ কি করেছিল কিছুটা টের পাবে। আর এসময় পাশে বাজবে সাঈদীর ওয়াজের টেপ
৯. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩৬
িময়াজী বলেছেন:
মানুষ সভ্যতা শিখে ৩ যায়গা থেকে: ১. পরিবার ২. শিক্ষা প্রতষ্ঠান ৩. সমাজ। এ তিনটি থেকে যারা শিক্ষা পায়না তাদের আচরন,কাজ এবং কথা অশ্লীল হওয়াটাই স্বাভাবিক।
িময়াজী বলেছেন:
মানুষ সভ্যতা শিখে ৩ যায়গা থেকে: ১. পরিবার ২. শিক্ষা প্রতষ্ঠান ৩. সমাজ। এ তিনটি থেকে যারা শিক্ষা পায়না তাদের আচরন,কাজ এবং কথা অশ্লীল হওয়াটাই স্বাভাবিক।
১০. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪২
িময়াজী বলেছেন:
এদের কি হবে?
আওয়ামী যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা:
(যাদের বিরুদ্ধে খুন,লুটতরাজ,অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষনের মামলা হয়েছে ও বিভিন্ন অভিযোগ রয়ে‡ছ)
১। লিয়াকত আলী -হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি
লিয়াকত আলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করা হয়েছে। হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী হচ্ছেন লাখাই কৃষ্ণপুর গ্রামের হরিদাস রায়। মামলায় ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রোববার ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে প্রধান আসামী লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে পাক বাহিনী উপজেলার কৃষ্ণপুর, গদাইনগর ও চণ্ডিপুর গ্রামে ১২৭ জনকে হত্যা করে। আরজিতে শহীদ ৪৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
২।আকবর আলীর -বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আকবর আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা হয়েছে। আকবর আলী কিছুদিন আগেও আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।
১৯৭১ সালের ১৭ মে আসামি আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেন এবং যাবার সময় আগুন দিয়ে ঘর পুড়িয়ে দেয়। প্রামাণিকের ছেলে আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী ও শান্তি কমিটির নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকায় নারী ধর্ষণ ও লুটপাটে পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন।
৩।আব্দুল হামিদ গাজী -(তথা কথিত আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা ) শ্যামনগর থানার কাশিমারি গ্রামের কানাই গাজীর পুত্র
৪।আনোয়ার হোসেন কারিকর -বর্তমানে সাতক্ষিরা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি
৫।আদর আলী কারিকর- (আনোয়ার হোসেন কারিগরের ভাই)
৬।আব্দুস সবুর মোল্লা -সাতক্ষিরার শ্যামনগর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী।
৭।ছইলউদ্দীন তরফদার-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা
৮।আব্দুল হক তালুকদার-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা
৯।আব্দুস সবুর মোল্লা-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা
১০। রহিম পাড় -কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা
১১। - শেখ সেলিম তথা শেখ হাসিনার বেয়াই কুখ্যাত রাজাকার মুসা বিন শমসের ওরফে নুলা মুসা (নির্বিচারে মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকারী )
ফরিদপুরের কুখ্যাত রাজাকার। সে ফরিদপুরে হত্যা ধর্ষনে জড়িত ছিল। আর জনকন্ঠ পেপারে তার ৭১ এর কর্মকান্ড তুলে ধরায় সাংবাদিক প্রবির দাশের পা কেটে দেয় নুলা মুসার লোকজন।
১২|হাসিনার বেয়াই মোশাররফ- ফরিদপুরের শান্তি কমিটির লীডার
১৩| আনোয়ার হোসেন- আওয়ামী লীগের সাংসদ
১৪| মাওলানা নুরুল ইসলাম- সাবেক ধর্মমন্ত্রী
১৫| চৌধুরী পিরু মিয়া- সিলেট-৩ আসনের সাংসদ (গণহত্যার নায়ক)
১৬| আব্দুল কুদ্দুস - সাধারণ সম্পাদক, চিলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ আছে, অবশ্য অনেকে আবার বলেন তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধাদের সোর্স ছিলেন।
১৭| মির্জা আজমের পিতা ( যিনি তার গুরু গোলাম আজমের নামে ছেলের নাম রেখেছেন)
১৮| সাবের হোসেনের পিতা (যিনি ছিলেন শান্তি কমিটির নেতা)
Pj‡e............................................
এই হলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগের অবস্থা! তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়, কিন্তু নিজেরা যুদ্ধাপরাধীদের লালন করে, তারা অন্য দলে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আছে বলে দাবি করে কিন্তু নিজেরাই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সার্টিফিকেট দেয়, তারা জঙ্গীবাদের বিরোধীতা করে কিন্তু জঙ্গীদের তারাই পৃষ্ঠপোষকতা করে, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণ ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলে কিন্তু নিজেরাই এক্ষেত্রে সর্বকালের রেকর্ড ভেঙ্গেছে। ধিক, ওদের স্ববিরোধীতাকে।
িময়াজী বলেছেন:
এদের কি হবে?আওয়ামী যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা:
(যাদের বিরুদ্ধে খুন,লুটতরাজ,অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষনের মামলা হয়েছে ও বিভিন্ন অভিযোগ রয়ে‡ছ)
১। লিয়াকত আলী -হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি
লিয়াকত আলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করা হয়েছে। হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী হচ্ছেন লাখাই কৃষ্ণপুর গ্রামের হরিদাস রায়। মামলায় ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রোববার ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে প্রধান আসামী লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে পাক বাহিনী উপজেলার কৃষ্ণপুর, গদাইনগর ও চণ্ডিপুর গ্রামে ১২৭ জনকে হত্যা করে। আরজিতে শহীদ ৪৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
২।আকবর আলীর -বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আকবর আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা হয়েছে। আকবর আলী কিছুদিন আগেও আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।
১৯৭১ সালের ১৭ মে আসামি আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেন এবং যাবার সময় আগুন দিয়ে ঘর পুড়িয়ে দেয়। প্রামাণিকের ছেলে আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী ও শান্তি কমিটির নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকায় নারী ধর্ষণ ও লুটপাটে পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন।
৩।আব্দুল হামিদ গাজী -(তথা কথিত আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা ) শ্যামনগর থানার কাশিমারি গ্রামের কানাই গাজীর পুত্র
৪।আনোয়ার হোসেন কারিকর -বর্তমানে সাতক্ষিরা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি
৫।আদর আলী কারিকর- (আনোয়ার হোসেন কারিগরের ভাই)
৬।আব্দুস সবুর মোল্লা -সাতক্ষিরার শ্যামনগর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী।
৭।ছইলউদ্দীন তরফদার-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা
৮।আব্দুল হক তালুকদার-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা
৯।আব্দুস সবুর মোল্লা-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা
১০। রহিম পাড় -কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা
১১। - শেখ সেলিম তথা শেখ হাসিনার বেয়াই কুখ্যাত রাজাকার মুসা বিন শমসের ওরফে নুলা মুসা (নির্বিচারে মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকারী )
ফরিদপুরের কুখ্যাত রাজাকার। সে ফরিদপুরে হত্যা ধর্ষনে জড়িত ছিল। আর জনকন্ঠ পেপারে তার ৭১ এর কর্মকান্ড তুলে ধরায় সাংবাদিক প্রবির দাশের পা কেটে দেয় নুলা মুসার লোকজন।
১২|হাসিনার বেয়াই মোশাররফ- ফরিদপুরের শান্তি কমিটির লীডার
১৩| আনোয়ার হোসেন- আওয়ামী লীগের সাংসদ
১৪| মাওলানা নুরুল ইসলাম- সাবেক ধর্মমন্ত্রী
১৫| চৌধুরী পিরু মিয়া- সিলেট-৩ আসনের সাংসদ (গণহত্যার নায়ক)
১৬| আব্দুল কুদ্দুস - সাধারণ সম্পাদক, চিলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ আছে, অবশ্য অনেকে আবার বলেন তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধাদের সোর্স ছিলেন।
১৭| মির্জা আজমের পিতা ( যিনি তার গুরু গোলাম আজমের নামে ছেলের নাম রেখেছেন)
১৮| সাবের হোসেনের পিতা (যিনি ছিলেন শান্তি কমিটির নেতা)
Pj‡e............................................
এই হলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগের অবস্থা! তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়, কিন্তু নিজেরা যুদ্ধাপরাধীদের লালন করে, তারা অন্য দলে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আছে বলে দাবি করে কিন্তু নিজেরাই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সার্টিফিকেট দেয়, তারা জঙ্গীবাদের বিরোধীতা করে কিন্তু জঙ্গীদের তারাই পৃষ্ঠপোষকতা করে, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণ ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলে কিন্তু নিজেরাই এক্ষেত্রে সর্বকালের রেকর্ড ভেঙ্গেছে। ধিক, ওদের স্ববিরোধীতাকে।
১১. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪৭
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















