আমার প্রিয় পোস্ট
- বিনা পয়সায় বিজ্ঞাপণ দিতে, spottt.com - ত্রিভুজ
- অনলাইন ফ্রিল্যান্সি আউটসোর্সিং -ঘরে বসে বিপুল আয়ের উপায় - রাজ্
- জোনাক ধরার কাচের বয়াম - মুয়ীয মাহফুজ
- স্টেরিওটাইপের কথকতা - রাগিব
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- আগুনের পরশমনিতে ডঃ আইজুদ্দিনের পিঠ চুলকা-চুলকি সভা - কৌশিক
- ঘোরাঘুরি ব্লগ: উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ/ সমুদ্র যেখানে মা (৮ম পর্ব) - জ্বিনের বাদশা
- নাস্তিকতার বিরুদ্ধে কিছু মিথ - দিগন্ত
- বাঙাল গরব ৪ : বাঙাল জাতি জনগনের মধ্যে থেকে রাজা নির্বাচিত করেছিল, দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করার জন্য। - অচেনা বাঙালি
- এই এই আগে পড় পরে রেটিং - মেহদী
- সে প্রথম প্রেম আমার ... - মানুষ
- কম্পিউটার নিরাপত্তার পাঠ - Encryption বা তথ্যগুপ্তিকরণ (২) - রাগিব
- কম্পিউটার নিরাপত্তার পাঠ - Encryption বা তথ্যগুপ্তিকরণ (১) - রাগিব
- টুকুনের জন্য । - নরাধম
- মেটাল ভিডিও ডাউনলোড করতে চাই (সাহায্য) - আহমাদ মুজতবা
- আজকাল অনেক কিছুই মনে থাকে না - মুকুল
- উদাসীর পিচকিকালের উস্তাদ গুজরান খা-১! গাছের পাতা নড়চড়ে, গুরু তুমার দাড়ি মনে পড়ে! - উদাসী স্বপ্ন
- বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি এর ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছে!!! - ফাজিল
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- সমস্যা যখন চুল পড়া - জান্নাতুল ফেরদাউস
- সাবধান !! এই ব্লগে ঢোকা থেকে বিরত থাকুন ! কারণ ঢোকার সমস্ত দায়ভার আপনাকেই বহন করতে হবে ! - প্রচেত্য
- দেশপ্রেমিকের প্রবেশ নিষেধ! পোষ্টে তাদের ফাঁসী চাওয়া হয়েছে! (চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- ক্রীতদাস - মানুষ
- অপরবাস্তবের সম্পাদকমন্ডলী, মিটিং ও সম্পাদনার দায়িত্ব - অপর বাস্তব
- উদাসীর ভালো লাগে না! মারলাম একখান ১০০, হুজুরের হাতে বাক্স! টুপির নীচে শয়তানি, আজাইড়া বইসা চুলকানি! - উদাসী স্বপ্ন
- জানাজানি ছানাছানি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাইকোলজী টেস্ট -- মনের কথা মন বোঝেনা ৪: পারুল আর অতুলের গল্প [সবাই অংশ নিন, প্লিজ] - জ্বিনের বাদশা
- প্যাথেটিক হোমিওপ্যাথি - দিগন্ত
- দুনিয়ার বান্দর, বান্দরনি এক হও (সিরিয়াস ব্যাপার) - মানুষ
- টাঙ্গন নদীর তীরে- (প্রটোকল)। - নাজিম উদদীন
- উদাসীর উদাসনামা-৩! স্হান, কাল, পাত্র, আর জোসনার প্লাবন! - উদাসী স্বপ্ন
- বাসন্তি কাব্য (বান্দরিয় ভার্সন, উৎসর্গঃ মনের কুকথা) - মানুষ
- বান্দর ও বান্দরনি । প্রেমে ও যুদ্ধে
- অচেনা বাঙালি
- শেরালী তের-মুক্তির মন্দির সোপান তলে-৩ - পুতুল
- বেগুনের দাম! - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- ব্লগটারেতো পুজা মম্ডপের মতো লাগছে - আমি
- শামসু ব্যচেলর-৪ - রঙ
- শেরালী বার-মুক্তির মন্দির সোপান তলে-২ - পুতুল
- একটি বিভত্স খুনের পূর্বপরিকল্পনা! (ক্লোজআপহাসি) - অন্যরকম
- প্রলাপ- ৭ - মানুষ
- কি বর্নিব মনোকষ্ট চাকরীর হাল, ভাঙ্গিছে চিড়িয়াখানা বলদের পাল। - অনুমান
- শেরালী নয়-দুবলা (দুব্বা ঘাষ) বনের বাঘ - পুতুল
- বাংলাদেশ ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড(!), PayPal ও হতভাগা আমরা...
- আদনান™
- সা. ইন ব্লগারদের সাথে ঈদ - আলাম ভাইয়ের বাসায় আমাদের গেট-টুগেদার (উৎসর্গ মুজতবা) - মনিটর
- অতীব গুরুত্বপূর্ণ- ফলের ঔষধি গুণ - আশফাকুর রহমান
- উদাসীর উদাসনামা-১! পুরা ফাউল! - উদাসী স্বপ্ন
- ব্রাউজিং স্পীড বাড়ান, ব্রাউজ করুন স্বাচ্ছন্দে-০১ - পথের মানুষ
- একাকিত্ব?????? - প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
- আপনাদের হাসির জন্য!! - মুকুট
- প্রত্যাবর্তন - অন্যআনন
- কারাগার এবং আমি - ২ - তানভীর চাকমা
- সোডিয়াম বাতির আলো-আধারিতে বিক্ষিপ্ত মনের কিছু ক্রিয়া - জুয়েল বিন জহির
- শিরোনামহীন - শাওন
- হায়, দিন যে ফুরায়ে যায়.. - আরণ্যক যাযাবর
- চিঠি - চড়ুই
- মতির হইয়াছে মতিভ্রম...[ সুমন্ত আসলামের জন্য সহানুভূতি ] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- একটি গল্প - আহমেদ শারফুদ্দীন
- জাভা শিখে লাভ নাই তাই চেস্টার প্রয়োজন নাই – প্রথম ও শেষ পর্ব - মোহাম্মদ এরশাদ
- বাঙ্গাল চরিত - মন মণষা
- বাসন্তি ! বসন্তপুরে তোমার বসবাস [ কোন এক বাসন্তিকে ] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- খোকাবাবু পঞ্চম - পুতুল
- খোকাবাবু তৃতীয় - পুতুল
- ছোটগল্প: টুলু-ভুলু (একপর্বে সমাপ্ত) - জ্বিনের বাদশা
- উইন্ডোজ এর শম্বুক গতি -২(আম্মাআআ) - আবুফয়সাল আহমেদ
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (২য় দিন) - মদন
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (১ম দিন) - মদন
- কেন লিনাক্স ব্যবহার করব ?
- আবুফয়সাল আহমেদ
- ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)-২ - মানচুমাহারা
- ড্রইংরুমে বসিয়া উদাসীর তথ্যমূলক বিশ্লেষন: রাজপথ মোদের ঠিকানা, রাস্তায় কি জন্য জানিনা, আন্দোলন ছাড়া কিছু বুঝিনা, পশ্চাদ্দেশে বিপুল বেদনা!কেমতে কি? ঘটনা কি সত্যি? - উদাসী স্বপ্ন
- ডলার আয় করুন ঘরে বসেই - মদন
শৈশব যেন বিক্রি না হয়... (স্যালুট টু "লিটল স্পার্টাকাস")
১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৬
চায়ের দোকান সেই ছেলে টা
আমার কাছে আসে,
পৌঁছে দিয়ে কাপটা চায়ের
ফোকলা দাঁতে হাসে।
একট নয় দুটো ছেলে। ওদের ডিউটি হল পুরো বিল্ডিং এর প্রত্যেক টা সেলে চা পৌঁছে দেওয়া। কত আর বয়েস, একজন ১০, একজন ১২। কাপটা টেবিলে রেখে বলে, চা খায়া নেন। আমি বলি, তুই যা আমি খেয়ে নিচ্ছি। রাজী হয়না, আপনের ঘর থেইকা খালি কাপ হারায় আর আমি মাইর খাই।
চায়ের দোকান সেই ছেলেটা
আমার দেখে কাজ
কাপ হারানোর কানমলাটা
সে খেয়েছে আজ।
এই তুই চা খাস? চোখে শয়তানির ঝিলিক খেলে যায় বলে, মাঝে মাঝে লুকায়ে লুকায়ে খাই। তাহলে এই চা টা খেয়ে নে। না স্যর খাব না আপনে খান আরাম পাইবেন, কত কাজ করেন। ইয়ার্কি করি, তাহলে সিগারেট খা। আপনে একটা পাগল। আমার টিফিনের প্যাকেট টা গেঞ্জির ভেতর লুকিয়ে নিয়ে চলে যায়।
চায়ের দোকান সেই ছেলেটার
বয়স নাকি দশ,
চায়ের দোকান সেই ছেলেটা
পেটের ক্ষিদের বশ।
তুই স্কুলে যাস না কেন? যাইতাম তো! বাবা ছাড়ায় দিছে। আমার খালি ক্ষিদা পায় যে। আমরা ৫ ভাইবোন। তোর বাবা কি করে রে? বাবা জন খাটে (দিন মজুরী)। মা কি করে? বাসন মাজে। আমরা গরীব, অল্প খাওয়া রান্না হয় তাই মা এইখানে দিয়ে গেছে। স্কুলে যাবি? না, স্কুলে গেলে বাড়িতে টাকা দিব কি করে!
..........................................................
সারা পৃথিবীজুড়ে শিশু শ্রমিকের সমস্যা প্রবল আকার ধারন করেছে। আফ্রিকার মতো এশিয়ার দেশ গুলোতেও এই সমস্যা রয়েছে। ভারতবর্ষে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৪ কোটি। বাংলাদেশেও রয়েছে এই সমস্যা। প্রতিদিন বিক্রি হয়ে যাচ্ছে নিস্পাপ শৈশব।
শিশু শ্রমিক জন্মের কিছু কারন:
১। শিশুদের দিয়ে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খাটিয়ে নিয়েও তার জন্য মূল্য দিতে হয় বড়দের চাইতে কম। এই কারণে মালিক পক্ষ শিশু শ্রমিক পছন্দ করেন।
২। দারিদ্র একটি অন্যতম গুরুত্ব পূর্ণ কারণ। শিশুর জন্য অন্ন সংস্থান না করতে পেরে মা বাবা তাদের কাজে লাগাতে বাধ্য হন। শিশুর আয়ও পরিবারে রসদ যোগাতে সাহায্য করে।
৩। কোন কোন পরিবারে সন্তানের সংখ্যা অধিক হওয়ায় দেখা যায় দুএক জনের পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার খরচ যোগাতে দুএক জনকে আত্মত্যাগ করতে হয়।
৪। বড়সড় পাচার চক্র এই ব্যাপারে সক্রিয় হয়ে আছে। এরা নান জায়গা থেকে শিশু পাচার করে "কন্ট্রাক্ট ফার্মিং" এ নিযুক্ত করছে। অনেক মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিও এতে জড়িত।
শিশু শ্রমিকের ক্ষেত্র:
কৃষিকাজ থেকে শুরু করে ভিক্ষা করানো পর্যন্ত সব জায়গাতেই শিশু শ্রমিক রয়েছে। ভারতের গুজরাট, তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশে তুলো চাষে প্রচুর শিশু শ্রমিক নিয়োগ করা হয়। সমীক্ষা বলে ১ কোটি ৫০ লক্ষ শিশু গ্রামাঞ্চলে কৃষির সাথে যুক্ত। এছাড়াও রয়েছে নানা রকম কারখানা, ইঁটভাটা, মানুষের বাড়ি, ক্ষুদ্র অসংগঠিত ক্ষেত্র, চায়ের দোকান ইত্যাদি। বাংলাদেশেও নিশ্চই একইরকম, যেমন এখানেও রয়েছে "টোকাই" অন্য নামে।
সরকারের ভূমিকা: ভারতে শিশু শ্রমিক শোষন থেকে শিশুদের মুক্ত করতে সরকার ১৯৮৬ সালে 'শিশু শ্রমিক নিবারন ও নিয়ন্ত্রন' আইন প্রনয়ন করে। এই আইনকে কঠোর ভাবে কার্যকর করতে ২০০৭ সালে শিশু শ্রমিক নিয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়। ভারতের সাথে সাথে বাংলাদেশেও শিশুদের জন্য স্কুলে 'মিড ডে মিল' চালু করা হয়েছে যাতে অন্তত একবেলা তাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া যায়। তবে শক্তিশালী সংগঠিত ক্ষেত্র থাকার ফলে ভারতে এই ব্যবস্থা কার্যকরী হলেও বাংলাদেশে "শিক্ষার বদলে খাদ্য" কর্মসূচি চরম ভাবে ব্যর্থ।
বাংলাদেশে শিশুদের স্কুলে ধরে রাখতে এবং পুষ্টি যোগাতে "পুষ্টি বিস্কুট" প্রকল্প চলেছে ২ টা ২টা করে ৪ টি উপজেলায় । আশাব্যঞ্জক হলেও খরচ , মানরক্ষা এবং লোকাল প্রডাকশন - ইত্যাদি বিষয়গুলো এখনো স্টাডি হচ্ছে।
কর্পোরেট সোসাল রেস্পন্সিবিলিটি নিয়ে বেশ কিছু সংস্থা কাজ করার চেষ্টা করছে । এর ভিতর শিশু শ্রমিকদের কাজ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে স্কুলের খরচ দিয়ে পড়ালেখায় নিয়োজিত রাখার কাজ চলছে ।
এত সত্বেও শিশু শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ হয় নি। এর কিছু বাস্তব প্রতি বন্ধকতা রয়েছে। দেখা গেছে শিশু শ্রমিক একেবারে নিষিদ্ধ হলে পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যা খাওয়া জুটত তাও জোটেনা। সরকার চেষ্টা করছেন যাতে শিশু শ্রমিক পুরোপুরি বন্ধ না করে তাদের জন্য কিছু করা যায়। খোলা হয়েছে শিশু শ্রমিকদের জন্য স্কুল। কাজের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অনেক এন জি ও এদের নিয়ে কাজ করছে।
এর বাইরে কি ভূমিকা নেওয়া যেতে পারে: বড় মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি গুলো তাদের উৎপাদিত বিলাসদ্রব্য গুলির দামের সাথে ১ টা বা ২ টাকা যোগ করে সেটা কাজে লাগাতে পারে এই শিশুদের উন্নয়নে। আপনি আপনার বাড়ির কাজের ছেলে বা মেয়েটিকে (যদি থাকে) নিয়ম করে স্কুলে পাঠাতে পারেন যাতে ভবিষ্যতে সে নিজের ভবিষ্যত খুঁজে নিতে পারে। স্থানীয় ক্লাব গুলো এলাকা থেকে ন্যুনতম মাসিক চাঁদা তুলে এদের সাহায্য করতে পারে। এতে আপনারও ভূমিকা রয়েছে। দেখবেন যাতে ব্যবসা না হয়ে যায়। এর বাইরে আপনার আইডিয়া এখানে কমেন্ট আকারে পেশ করতে পারেন।
সবশেষে আপনার সচেতনতা গড়তে পারে একটি শিশুর ভবিষ্যত, দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম। আসুন প্রতিজ্ঞা করি "শৈশব যেন বিক্রি না হয়"।
অচেনা বাঙালি বলেছেন:
আগে ৫ পরে পড়া
জয়িতা বলেছেন:
দারুন মন ছোঁয়া, বিবেক জাগ্রত করা পোষ্ট।বিবেকহীনের বিবেক ত জোগে না।প্রতিজ্ঞা করলাম।মন থেকে।
৫
নোট: বাংলাদেশের শিশু শ্রমিক সম্পর্কে জানতে চাই।
মুনিয়া বলেছেন:
ভালো লিখেছেন।এদের জন্য কিছু করা উচিত ফিল করি কিন্তু হয়ে ওঠে না; নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকি।
আসলে দেশটা যে পিছিয়ে আছে এমনি না।
একসময় কত মানুষ জীবন দিতেও পিছপা হয়নি। তাদের বড় অংশ ছিল বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া। আর আমরা?
জীবন দেওয়ার আইডিয়া আমাদের কাছে আনরিয়্যালিস্টিক; দশটা মিনিট একটা ভাল কাজে দিতেও অনীহা...
বিষয়টা নিয়ে লিখেছেন দেখে খুব ভাল লাগছে।
যীশূ বলেছেন:
অসাধারণ লেখা, দৃষ্টিভঙ্গি।
পজিটিভ বলেছেন:
মনের গভীরে এর ছাপ থাকবে, অনেকদিন, হয়তো অনেক কিছুই ভুলে যাব কালের পরিক্রমাই, তোমার এই লেখাটার ভাবনা আমার অন্তরে থাকবে চিরদিন। ৫৫৫x৫৫৫
আনন্দময় বলেছেন:
আমাদের সামান্যতম সাহায্য যে ওদের কতটা কাজে আসে তা বলে বুঝানো মুসকিল।আমরা সবাই যদি একটু ওদের দিকে তাকাই তাহলে ওরা ভেসে যায়।
অলস বলেছেন:
খুব খারাপ লাগলো, ভাই।
ধন্যবাদ, ঠিক বলেছেন বিবেক হীনের বিবেক জাগেনা। রেটিং কেউ কমালো দেখে তাই মনে হল। যাক সবাই একবার পড়লেই খুশী@জয়িতা
ধন্যবাদ, ছেলেটাকে দেখে মায়া লাগে@অনুমান কাকু
ধন্যবাদ@ মুনিয়া, যীশু
ছাপ ফেলতে পাড়লেই আমার লেখা অনেকখানি সার্থক@পজিটিভ
আসুন প্রতিজ্ঞা করি কখনো ওদের অবজ্ঞার চোঁখে দেখবো না@আনন্দময়
ইমির বলেছেন:
এই সব নিয়ে অনেক লিখা হয়েছে।কিন্তু কোন লাভ হয়নি।মনে হয় হবেও না।
তারপরও আমি আপনার লিখা পছন্দ করলাম।
৫
রাগ ইমন বলেছেন:
যেই কারন গুলো উল্লেখ করলে , সেই কারন সাথে আরো কিছু , আর্থসামাজিক বাস্তবতার কারনে বাংলাদেশে শিশুশ্রম বেশ ভয়াবহ পরিমানেই আছে । সংখ্যা তত্ত্বের হিসেব দিতে হলে আমাকে একটু বই ঘাটতে হবে , এখন আন্দাজে দিচ্ছি না। আসল কারন দারিদ্র । ঘুরে ফিরে দারিদ্র । পরিবার গুলো শিশুদের আয়ের উপর নির্ভর করতে বাধ্য হয় । আর পথ শিশুরা তো বাড়িছাড়া , মাতাপিতাহীন । মিড ডে মিল এর মত "শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য" কর্মসূচি বাংলাদেশে চরম ভাবে ব্যর্থ হয়েছে । স্কুলে রান্না করে খাওয়ানোর যেই ব্যবস্থাটা পশ্চিম বাংলায় প্রচন্ড সংগঠিত এবং শক্তিশালী গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্য সফল হয়েছে , সেই ধরনের কোন সংগঠনের অভাবে বাংলাদেশে চালু করা যায়নি ।
শিশুদের স্কুলে ধরে রাখতে এবং পুষ্টি যোগাতে "পুষ্টি বিস্কুট" প্রকল্প চলেছে ২ টা ২টা করে ৪ টি উপজেলায় । আশাব্যঞ্জক হলেও খরচ , মানরক্ষা এবং লোকাল প্রডাকশন - ইত্যাদি বিষয়গুলো এখনো স্টাডি হচ্ছে।
কর্পোরেট সোসাল রেস্পন্সিবিলিটি নিয়ে বেশ কিছু সংস্থা কাজ করার চেষ্টা করছে । এর ভিতর শিশু শ্রমিকদের কাজ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে স্কুলের খরচ দিয়ে পড়ালেখায় নিয়োজিত রাখার কাজ চলছে ।
তবে এই সবই টোটকা ধরনের চিকিৎসা । স্থায়ী সমাধানের জন্য একক ভাবে কিছু করা সম্ভব না । দরিদ্র পরিবার গুলোর কর্ম সংস্থান , কৃষিজীবী ও অন্যান্য গোষ্ঠীর উৎপাদক শ্রেনীর "সঠিক মূল্য" প্রাপ্তি নিশ্চিত করা , বেকারত্ব কমিয়ে আনা - ইত্যাদি বড় বড় জায়গায় কাজ না হলে , শুধু "শিশুশ্রম নিষিদ্ধ " করাটা স্রেফ ফাকা বুলি হিসেবেই রয়ে যাবে ।
আবু সালেহ বলেছেন:
শিশু শ্রম বন্ধ করার আগে দারিদ্রতা দূর করতে হবে....মূলত দারিদ্রতাই শিশু শ্রম এর মূল কারন...তবে আপনার লিখা ও উপস্থাপনা দারুন হয়েছে....
৫/৫
`হাসান বলেছেন:
৫
ধন্যবাদ, একমত তবে দারিদ্র দুর করা অনেক বিশাল ব্যপার@আবুসালেহ
নাম বলব না@অনু
শীখা বলেছেন:
Nice......
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
মনের কথা প্রিয় পোষ্টে রাখলাম।৫
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
৫ না দেওয়াটাই অন্যায়
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ভাই আমার,বাস্তবতা হলো মাংশাসী শকুন
দুর হতে চেয়ে দেখে শিকার
কতক্ষনে সে নিস্তেজ হবে
খুবলে খাবে রক্তাক্ত বাস্তবতা!
মুক্তবাজার অর্থনীতির নিয়মে
অবৈধ পথের বৈধ টাকারা
রঙ্গীন গ্লাসে দেখো নিকিতার নাচ
শোষিতরা বেচে থাকে রক্তের বিনিময়ে!
তবুও বেচে থাকে মধ্যবিত্ত
মানসম্মান বাচিয়ে রাখার
এক অস্পৃশ্য সংগ্রাম
হয়তো একদিন বিকিয়ে দেবে সেটাও!
তবুও ভালোবাসী পুজিবাদ
চোখে ঝুলে রঙ্গীন সানগ্লাস
পকেটে ভরা শূন্যতা
বিনা চিকিতসায় থাকুক বাবা মা!
আসলেই ভালোবাসী পুজিবাদ! এ কবিতা এই পুজিবাদেরই কোনো জারজ মূল্যবোধ!
তুমার এটা একটা আন্দোলন!৫
অন্যরকম বলেছেন:
উঃদার কবিতায় ৫!
মানুষ বলেছেন:
থ্যাংকস ব্রো। কিছু একটা আসলে করা দরকার। এইভাবে আর কতকাল চলতে দেয়া যায়? সব সমস্যার মূলে হল আর্থিক অনটন। প্রতিটি পরিবারকে যদি দাঁড় করিয়ে দেয়া যেত তবে আজ তোমাকে এই ব্লগ লিখতে হত না। আমাদের পড়ে কষ্ট পেতে হত না।
সুমি বলেছেন:
উদাসী ভাইয়া --- আগে বল আমাকে ব্যান করেছো কেন ?কুয়াশার লেখা একটি বই পড়েছিলাম---
সেখানে লেখক বলেছেন----
তিনি এই পথ শিশুদের নিয়ে কিভাবে কাজ করতে চান --
ওনার লেখাটা আমার মনে দাগ কেটেছে----
অনেক মেধাবী ছাত্র ছাত্রী দারিদ্রতার জন্য স্কুলে বাইরে তাদের পাঠদানে সহায়তার করার মত কোন গৃহ শিক্ষক রাখবার সামর্থ নেই----
আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ পড়ুয়া, আমরা নিজে যদি একটি গরীব ছাত্রকে বিনা শ্রমে ঘন্টা খানিক তার পড়াশুনায় সহায়তা করি তাহলে হয়তো আমাদের সামাজি পরিবর্তন টা আমারা নিজেই করতে পারবো-------
ভাইয়া লেখার জন্য ধন্যবাদ---
৫
রুধীণ বলেছেন:
সমস্যা গুলো আসলে চেইনের মত। একটার সাথে একটা সম্পৃক্ত। মূল সমস্যা যেহেতু আমাদের দারিদ্রতা , সেখানে সবার আগে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা দরকার। সরকার যত টুকই অনুদান দিবে , দায়িত্বপ্রাপ্ত হালাল খাদ্য ভক্ষন কারীরা বসে আছেন সুন্দর দায়িত্ব পালনের জন্য।তাদের শিক্ষাদানের সাথে কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্হা করা যেতে পারে। আবার সমস্যার চেইন কমক্ষেত্র !
আমরা প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হই আমাদের বাসায় যে বা যারা আছে এবং আশেপাশের দুস্হদের প্রতি সদয় থাকব।
ধন্যবাদ ,মনের কথা। ৫
এটাই অনেক রুধিন ভাই, শিশুদের দিকে তাকিয়ে একটু হাসিও ওদের কাছে অনুপ্রেরনা হয়ে উঠবে।



















৫