আমার প্রিয় পোস্ট

আমার হাতদুটো পা হয়ে গেলে আর পা হাত; তাহলে কি তুমি করমদর্নের সজ্ঞাটা পালটে দিবে

ছোট গল্পঃ পোয়াতি বিলাই

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৫৫

শেয়ারঃ
0 1 0



পোয়াতি বিলাই
--------------------------------------


মুন্সিবাড়ীর পোলার লুঙ্গীর কোছড় থিকা কল্কি বাইর অইলে হাত দিয়া আমরা আসমানে নাও বাই। এই কল্কি বানাইছে পশ্চিম পাড়ার আমাগো শোভার বাপে আর শেষ রঙের ছাপ্পা বহাইছে শোভায়। আমার বিষম রাগ ধরে। শোভার কাছে কইছিলাম আমার মতন চেহারার একটা ঘোড়া বানাইয়া তগো উডানে বাইন্দা রাখিস। ছ্যামড়ি হুনেনাই; কল্কি বানাইয়া বাজারে ছাইরা দিছে।

"নে! শালারা আমার কান্ধে উইঠ্যা অহন আসমানের চরকি হ"।

আমার কিচ্ছু ভালো লাগেনা। শইল্লের মধ্যে চৈত মাইস্যা ভাপাইন্না গরম, সেই গরমের মইধ্যে মুড়ি ভাজে মুন্সির পো। শালার লুঙ্গীর কোছড়ে আমি খালি শোভারে দেহি।

শোভারে একদিন জিগাইছিলাম, " পুতলা বানাওনা কেন"?
আমারে মুখ ঝামটা দিয়া কয়; "ইস নাগর আইলো পিতলা আলাপ পারতে, মাডির হাড়ি-পাতিলই অহন মাইনশ্যে কিনেনা আবার পুতলা"।

শোভা আমারে এক কোনাও দাম দেয়না; ও যত্তো বড় অইতাছে তত্তো ওর দেমাগ বাড়তাছে। আসলেইতো দাম দিবো কেন? ভাদাইম্যাগো কোন হালায় দাম দিবো। মায়ের খুতির থিকা মাঝে মইদ্যে পয়সা সরাইয়া শোভার কল্কি তে দম লই আমাগো আছে কি? কিচ্ছু নাই। ভাদাইম্যাগো আড্ডায় আমি চুপ মাইরা থাকি; আমি শোভার কথা ভাবি মনে মনে, শোভার কথা বাইর অইয়া যাইতে চায় কিন্তু গলার মইদ্যে আঙ্গুল দিয়া চাপা মাইরা রাখি। শোভার কথা তুলোন যাইবোনা তাইলে ভাদাইম্যারা শোভারে অহন যাত্রার শোভা রানী বানাইবো। মুন্সির পোলায় আমার জিগরি দোস্ত; তয় এই হালায়ও শোভাগো বাড়ির আসেপাশে ঘুরনা খায়। এই বালের জিনিস খাইলে আমার শোভার কথা মনে অয় কেন এতো? কিছু একটা করন লাগবো, যেই কাম হোক পয়সা আহন্দা কথা। দিন দিন বড় অইতাছি ভাদাইম্যা নিচ্চুবা ঢ্যাং অইয়া বাপের হোটেলের চাউল ফুরাইতাছি আর শোভার বরই গাছের বরই ও পাকন ধরছে। আর কত? শোভার তো একদিন বিয়া অইবো পোয়াতি অইবো। আমার আর এই আসর অহন ভালো লাগতাছেনা। আমি ঝারা দিয়া উডি।

মুন্সির পো আমারে কয়; "গুরু অইলো কি? কই যাও? সব্বে তো কইলজা ভইরা বাতাস লইলা অহন একটা গান ধরো"

আমার গান গাইতে মন চায়না। কইলজায় বাতাস গেলেও সেই বাতাস গরম-চৈত মাইস্যা ভাপাইন্না গরম; আমি কইলজায় সুখ পাইনা।

"নারে আইজ গান গামুনা"
-"না গুরু অই ভাওয়াইয়া গানডা ধরো, আমাগো কইলজ্যার মইদ্যেও সুখ নাই আইজ"
এক লগে আরো সবাই আমারে পেজগি মাইরা ধরে- "গান গাও গুরু, গান গাও"।

আমি চিন্তা করি এই হালাগো কইলজ্যায় সুখ নাই কেন? এরাও কি গলায় আঙ্গুল দিয়া চিপা মাইরা রাখছে শোভার কথা? আমি অহন সব হালাগো মুখের মইদ্যে, লুঙ্গির কোছরে শোভারে দেহি। আমার আর কিচ্ছু ভাল্লাগেনা।
"ঠিক আছে আমি একখান গান গাইয়া যামুগা পেজগি মাইরা ধরবিনা কইলাম, তাইলে গুষ্টির পাছায় আইট্টা বাশ দিয়া আসমানে ঠিকা দিয়া রাখুম "

আমি গান ধরি----

""কন্যা আশা দিলু ভরসা দিলু
কলার থোপাক মোক বসায় থুলু
সারারাইত মোক মশায় কামরাইছে
কন্যা বিশ্বাস যদি না হয় তোর
পিরান খুইল্ল্যা দেখেগ মোর
গাওটা ফুলিয়া টুমটুমা হইছে""

কল্কির ঝিমানিতে অহন আসমানের সাঁকো কাঁপতাছে আমার ঠ্যাং যেন পাহাড় বাইয়া উঠতাছে। আমার পশ্চিম পাড়ায় যাইতে মন চায়, শোভার কাছে যাইতে মন চায়। আইজ একটা দফারফা করন লাগবো। আমি শোভাগো ঘাটলার কাছে গিয়া ঝিম মাইরা খারাইয়া থাকি। অগো বাড়ীর পোয়াতি বিলাইডা উডানের দিকে যাইতে যাইতে আমারে এক নজর দেহে। বিলাইডা কি আমার দুঃখ বুজছে? জীব জানোয়ার আমার কষ্ট বুঝে কিন্তু শোভা বুঝেনা কেন? কেন ঝামটা মাইরা গতর ঘুরাইয়া চইল্যা যায়? আমারে মশায় কামরাইতে থাকে শোভা ঘর থিকা বাইর অয়না। আমি ঝিম মাইরা খারাইয়া থাকি। পাকনা বরই গাছে ঢিল না মাইরা আমি শোভার বাপেরে ডাকি

"কাকা ও কাকা"
রাও নাই কোন যাউগ বাইত নাই তাইলে। শোভা বাইর অইয়া আসে।
"বাবায় বাইত নাই; কি কইবা কও"

"ভালো অইছে তোমার কাছেই আইছিলাম; দেখবার মন চাইলো"

-"তয় আমারেই ডাকতা, নাকি ডাকোনের মুরদ নাই"

আমি কোন কথা কইতে পারিনা, এই ছ্যামরি এমন কইরা কথা কয় তাতে আমার কইলজ্যা হুগাইয়া যায়। শালির কোন দরদ নাই মায়া নাই।

"মুরদ যেদিন অইবো ওদিন ডাকলে কি তুমি কাছে আইবা শোভা?"
-"তা তোমাগো কোন কাইলেও অইবোনা আর ডাকবার ও পারবানা; অহন বাইত যাও, বাবায় আইয়া পরবো। আর হুনো! ছাইপাশ না খাইয়া আহন যায়না?"

আমি আর কথা বাড়াইনা, আমি আলগোছে পাও বাড়াই বাড়ি দিকে। একবার পিছন ফিইরা চাইতে মন চায়, শোভা কি অহনো আমারে দেখতাছে? আমার খুব দেখতে মন চায়। কিন্তু ভরসা পাইনা। আমি তারপরও পিছনে তাকাই, দেখি পোয়াতি বিলাইডা তাকাইয়া আছে।

আমার অহন বাড়ি যাইতে ইচ্ছা করতাছেনা। আমি মাঠের মাঝখানে চিৎ হইয়া কালা আসমান দেহি, তারা দেহি। আমার কানে খালি শোভার একখান কথাই টেন্ডেষ্টরের মতন বাজতাছে

"তা তোমাগো কোন কাইলেও অইবোনা আর ডাকবার ও পারবানা"।

আমি ভাবতে থাকি শোভা "তোমার" না কইয়া "তোমাগো" কেন কইলো? শোভা কি রোজ রাইতে একটা মুরদওয়ালা নাগরের খোয়াব দেখবো বইলা ঘুমাইতে যায়? শোভা কি মুরদ ওয়ালা নাগর খুজতাছে? তার মানে শোভা সব ভাদাইম্যার মুখে তাকাইয়া খুজে একখান মুরদওয়ালা নাগর। যার বুকে শোভা একখান ঘর বানাইবো, সেই ঘরে শোভা তার গতর উদাম কইরা নিশ্চিন্তে ঘুমাইবো-সংসার করবো আর পোয়াতি বিলাইডার লাহান গর্ব কইরা হাইট্যা বেরাইবো। আমার মুরদ নাই আসলেই নাই, বুক ফুলাইয়া শোভার বাপেরে কইতে পারুম না আমি শোভারে ভালোবাসি তারে নিয়া ঘর করতে চাই। আমার নিজের উপর ঘিন্না ধরে আবার শোভার জন্য কষ্ট লাগতে থাকে।


একবছরের উপরে হইয়া গেল। পশ্চিম পাড়ায় আমি তার পর থিকা আর যাইনা। কল্কি টানিনা মুন্সির পোলার লগে। ভাদাইম্যা থিকা মুরদ ওয়ালা নাগর হইতে হইতে শোভার বিয়া হইয়া গেছেগা অনেক আগে। যেইদিন বিয়া হইছিল হেইদিন শেষ শোভার ছাপ্পা মারা কল্কি তে টান দিছিলাম আমি আর মুন্সির পোলায়। হেইদিন আসমানে নাও বাইছিলাম, অন্য গান ধরছিলাম, মুন্সির পোলার লুঙ্গির কোছরে আমি শোভারে আর দেহিনাই। আমার অহন মুরদ হইছে বাজারে, অহন বাপের আড়ত দেহাশুনা করি। হেদিন শোভার বাপেরে হালখাতার দাওয়াত দিতে আমি শোভাগো বাড়ি যাই অনেক দিন বাদে। শোভা পোয়াতি হইয়া বাপের বাড়ি আইছে। আমি ঘাটলার কাছে গিয়া খারাই।
শোভার বাপেরে ডাকি
"কাকা ও কাকা"
একটা পোয়াতি বিলাই আইসা আমার সামনে খারায়। আমি তার সাথে ভালোমন্দ কথা কই। আমি চইলা আসি- আসার সময় পিছন ফিইরা চাই। আমার পেছনে ফিইরা চাইতে আর ভয় করেনা। দেখি পোয়াতি বিলাই খারাইয়া রইছে।


------------------------------------
আল্লাইয়ার



ছবি সূত্রঃ গুগল থেকে নেয়া






 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছোট গল্পছোট গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পাতায় পাতায় শিরোনাম  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১৮
কঁাকন বলেছেন: সাধ আর সাধ্যের সমন্বয় হয় না
সবি মেলে বড় অসময়ে
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: কথাটা আমার মনে ধরছে।

৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৪৫
অদৃশ্য বলেছেন: কবি........................পাঠ শেষে আমার কিন্তু বেশ ভালো লাগলো। এর ভেতরে মনে হয় সব কিছুই পেলাম.............

গানটি কিন্তু জটিল হইছে............কলকি টানার পরের উপযুক্ত গানই বটে।

আর শেষটাও বেশ ভালো হয়েছে।

সবসময় ভালো থাকুন। আর আমার ''মেঘেরাও সঙ্গমে'' সামান্য পরিবর্তন এনেছি বা সাজিয়েছি.........দেখবেন।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আমি একটু আগেই আমি ঘুরে দেখে এসেছি। গেওর্গে মন্তব্যটা আমার ভালো লেগেছে।

৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৪৬
শ।মসীর বলেছেন: ভালই লিখছেন দেহি।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? ধন্যবাদ আপনাকে।

৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭
নম্রতা বলেছেন: শোভা বৌদিরে প্রণাম !
তয় কল্কির নেশা একবার ধরলে তা যায়না দাদা !
--------------
গল্প ভাল হচ্ছে আজকাল বাপ্পিদা !
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: াহাহাহাহা তুই তো এই গল্পের মধ্যে আমারে লটকাইয়া দিলি।


ভালো থাকিস। এ মেইল করিস, দাদরার ছবি পাঠাইয়া দেবো তোকে।

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাগু

৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৮
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: চমৎকার লিখছেন বাপ্পী ভাই। পুরো গল্প জুড়ে গ্রামের গন্ধ আসছে। খুব ভাল লাগতেছে পড়ে। :) :)
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: দারুন বলছো। গ্রামের গন্ধ। ধন্যবাদ তোমারে।

৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: আহ.... দম দেওয়ার পর মাথাটা যেমন হাল্কা হয়ে যায় ঠিক সেই রকম অনুভূতি.... আমার বেশ লেগেছে... পরোয়া করিনা পোয়াতি বিলাইকে... :)
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন: কিন্তু দম দিতে গেলেই পোয়াতি বিলাই চোখে এসে হাজির হয়।

কেমন আছেন সব্য?

১০. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫০
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: ঠিক বলেছেন প্রবলেমটা ঐখানেই... দম দিতে গেলেই হুর পরী সব ঝাপাই পড়ে চোখের পাতায় :| .... একদম ভাল নেই... নিজেরে আপাতত অচল পয়সা মনে হচ্ছে :(
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: অচল পয়সা তো ভালো প্রত্নতত্ত্বের গন্ধ পাই।

লিখতে থাকেন, যা মনে লয়। দেখবেন ভালো লাগবে।

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: দেখলাম আপনার বিজ্ঞাপন। সময় করে পড়ে নেব।

১৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
আহমেদ রাকিব বলেছেন: কিছু কিছু গল্প পড়লে মাঝে মাঝে মনে হয়, আহা, এমন একটা গল্প যদি লেখা যেত? এইটাও ওই গল্প গুলোর মধ্যে একটা। :)
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: লজ্জার ইমো তো দিতে পারিনা। এর চাইতে গোল্লায় আটকা কবির বিচ্ছিরি কতাডা ভালো লাগে।

১৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
আন্দালীব বলেছেন: দুর্দান্ত লাড়লো ! যতোক্ষন পড়লাম আচ্ছন্ন ছিলাম।

শুধু "ঘেন্না" শব্দটাকে যেন বিরাজমান ভাষারীতির সাথে মেলাতে পারলাম না। তাছাড়া, প্রকৃতই চমৎকার। মুগ্ধতা রইলো...

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: তোমার চোখের তারিফ করতে হয় সেই সাথে মনযোগের। আমি ঘিন্না করে দিছি ঘেন্না কে। অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমারে।

১৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২২
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:

পোয়াতি বিলাই খাড়াইয়া আছে
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: হুম তুমি চইলা যাইতাছো

১৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
বড় বিলাই বলেছেন: ভালো লাগল।

শিরোণামটা পড়ে একটা ঘটনা মনে পড়ল। হোস্টেলে বিড়ালগুলো খুব জ্বালাতন করত। আমার এক বান্ধবীর রুমের সামনে একবার এক "পোয়াতী বিলাই" এসে ম্যাঁও ম্যাঁও শুরু করলে সে বলে, আমার কাছে এসেছিস কেন, যে তোকে প্রেগনেন্ট করেছে তার কাছে যা।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: হাহাহাহ দারুন মজার কথা বললেন।

১৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: গল্প চমৎকার হয়েছে ... মনের পালাবদলটাকে খুব চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন ... তবে বেড়ালকে বা গল্পের নায়িকাকে পোয়াতী হতে হলো কেন, চিন্তায় পড়ে গেলাম ... এটা কি শুধুই অলংকরণ?
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: এইখানেই তো চিন্তার ব্যাপার বস। নাইলে তো সব সাদামাটা আলোচনা।

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

লেখক বলেছেন: জটিল

২০. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: বস পড়লাম। ভালো হইছে। ভাষাটা কোন এলাকার। বুঝবার পারি নাই।


তয় প্লটটা পুরান-এই যা। নইলে বাকি সব ঠিকাছ। আর আবারো গ্রামে ফিইরা আসলেন-এইডাও ভাল্লাগছে।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: ্ধন্যবাদ বস আপনারে,
এইডা বিক্রমপুরের ভাষা।

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:০৩

লেখক বলেছেন: তাই নাকি!!!

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোকে।

২৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৩
গেওর্গে আব্বাস বলেছেন: আপনার এ-লেখাটিতে কিছু বলার জন্যই আজ কম্পিউটার অন করা...


গদ্যরচনা আমার মনে হয় অনেকটা সিনেমা তৈরীর মত নিয়ম মেনে চলে। সিনেমা শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিটেই দর্শক অনেকটা নিজের অজান্তেই মনস্তাত্বিক ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় চলমান ছবিটি সে দেখবে কী-না? আপনার এ-লেখাটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যদিও পাঠ করতে চাইনি আমি; ভাষা বিষয় সর্বোপরি গদ্যের কাঁচামাল পাঠে-বাধ্য করল আমাকে।
স্রোত সয়ম্ভু। শূন্যস্থান তৈরী হল জলের গভীরে। ''পাকনা বরই গাছে ঢিল না মাইরা আমি শোভার বাপেরে ডাকি'' দৃশ্যমান হল; ''দেখি পোয়াতি বিলাই খারাইয়া রইছে।'' তা-ও অদৃশ্যমান নয়। কইলজা শব্দটি হয়তো মাত্রাতিরিক্ত মনে হতে পারে প্রায়োগিক কারণে। চলার ছন্দ সমৃদ্ধ।


সুখপাঠ্য, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।







মঙ্গলার্থে...


২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার মন্তব্যটা আমার কাজে লাগবে। কইলজা শব্দ টা নিয়ে আমি ভাবছি।

ভালো থাকবেন।

২৪. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:০৯
তনুজা বলেছেন: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: চমৎকার লিখছেন বাপ্পী ভাই। পুরো গল্প জুড়ে গ্রামের গন্ধ আসছে। খুব ভাল লাগতেছে পড়ে।


+++++

অভিনন্দন
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:২৯

লেখক বলেছেন: আর তনুজা সেই গন্ধে কিছু লিখতে ভূলে গেছেন

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: আপনার তো হালুম করার কথা ভাই। যেই বাঘের ছবি লাগাইছেন।

অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

২৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:০৮
লাবণ্য প্রভা গল্পকার বলেছেন:

গল্পটি ভাল লাগল।


শুভেচ্ছা রইল
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দিদি তোমাকে।
তোমার লিখাও ভালো লাগছে, কিন্তু আমি ওখানে কমেন্ট করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি কিছু বালখিল্য প্রজাপতিদের উড়াউড়িতে।

ভালো থেকো।

২৭. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২১
আরিয়ানা বলেছেন: Wanted to read but i can't see any bangali text will read after i go home, i am sure this is a good one as well. take care.
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৬

লেখক বলেছেন: Sure!!! you can see it later and I hope it will be good one as well .....hahahahah

take care.

২৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫
মুক্ত বয়ান বলেছেন: বাহ। ভাই, চমৎকার লিখছেন তো। এইটা ক্যামনে মিস হইল। আঞ্চলিকতার গন্ধে কল্কির ধোঁয়া হাওয়ায় মেলায়। তাই, আর চাওয়া-পাওয়া সময়ে মেলে না। +++
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: মিস তো হয়নাই ভাই, এই যে এসে ভালো লাগা জানিয়ে গেলেন, পড়ে গেলেন।

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।

২৯. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: কই বলে যাইবা, উটবা না,
তোমারে আঁউঠা করি,
রানদুম অহনে আমি রানদুম,
হ্যাঁ একটু কায়দা করে বসো দিনি,




পূর্ণিমার গোন,
হান্দায়া দিমু খানকির পুতেগো, গাইড়া হালামু-,
ওমা মনো দেহি, আইছো অহনে-,
মেয়েটা ঢ্যাটা! চোট আছে বেশ!,


বস ...সাহায্য চাই..এগুলা কোন অঞ্চলের ভাষা..একটু কন না। আন্দাজের কাম নাই-নিশ্চিত অইতে অইবো।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: কই বলে যাইবা, উটবা না,
তোমারে আঁউঠা করি,
রানদুম অহনে আমি রানদুম,
হ্যাঁ একটু কায়দা করে বসো দিনি,

--এইখানে দু অঞ্চলের ভাষা মিশে গেছে

কই বলে যাইবা, উটবা না,
তোমারে আঁউঠা করি,
রানদুম অহনে আমি রানদুম,
---এই ভাষাটা মুন্সীগঞ্জ জেলার আন্ডারের এলাকার এটা আমার বিক্রম্পুরের ভাষা।

"হ্যাঁ একটু কায়দা করে বসো দিনি," --এইটা নড়াইল মাগুরা , কুষ্টিয়ার দিকের "বসো দিনি" এর টোন টা তাই বলছে।


পূর্ণিমার গোন,
হান্দায়া দিমু খানকির পুতেগো, গাইড়া হালামু-,
ওমা মনো দেহি, আইছো অহনে-,
মেয়েটা ঢ্যাটা! চোট আছে বেশ!,


পূর্ণিমার গোন,
হান্দায়া দিমু খানকির পুতেগো, গাইড়া হালামু-,
--------এটা বিক্রম্পুর ও ঢাকার বাহিরের আশপাশ এলাকার।

ওমা মনো দেহি, আইছো অহনে--- বরিশাল, ভোলা সংলগ্ন এলাকার

মেয়েটা ঢ্যাটা! চোট আছে বেশ!,---এটা আমরা শহরেও বলে থাকি।


যদ্দুর জানি ভূল হয়নাই।

৩০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
তারিক টুকু বলেছেন: লেখাটা আপাতত বুকমার্ক করে রাখছি। এ ভাষাটা খুব অরগানিক মনে হল। এই রহস্য উদ্ধার করতে হবে।

ভাল থাকুন।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, আপনিও ভালো থাকুন।

৩১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
প্রভ৭১ বলেছেন: বাড়তি কথা নাই। আসাধারন।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস। তোমার জ্বর কমছে??? এখন কি অবস্থা?

৩৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯
আন্দালীব বলেছেন: বাপ্পি, তুমি রোহণের সাথে যোগাযোগ করো। ও আমাকে মেইল করেছিলো যেন তোমাকে যোগাযোগ করতে বলি। মনে হয় - আর্জেন্ট কিছু।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: হ্যা বস গত রাতে আমি মেইল পেয়েছি আর করেও দিছি, ওয়ার্ড ফরম্যাট এ লিখাগুলো চেয়েছিল, করে দিছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমারে।

২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কমরেড

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:০৯

লেখক বলেছেন: সময় করে পড়ব।
ধন্যবাদ তোকে।

৩৭. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩২
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
বাপ্পি ভাই,
এটা অওসাম কিছু। যদিও আমি কিছু কিছু শব্দের মানে বুঝি নাই, কিন্তু পড়তে গিয়ে
এতো ভালো লাগছিলো!

অসাধারন একটা গল্প
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোকে। পিকক এর পেগ কত করে???

৩৮. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩
মুকুল _মল্লী বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম ; সময়পেলেই পড়ব।

কেমন আছেন বাপ্পি ভাই ? ইদানিং সময় পাইনা ।

ভালোথাকাহয়যেন !
০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৭:২৬

লেখক বলেছেন: হ্যা তাইতো বলি কই গেলা। ভালো থাকিও।

৩৯. ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৭:২৯
কঁাকন বলেছেন: কি ব্যাপার লেখছেন না অনেকদিন?
০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: কাজের চাপে আন্ধা হয়ে গেছি, কোন লিখাই আসতাছেনা।

৪০. ০৪ ঠা মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
অদৃশ্য বলেছেন: কবি............................ব্যস্ততা সহনীয় হোক


ভালো থাকুন সবসময়।
০৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন।

৪১. ০৫ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৪৭
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
দেশী ৭০
বিদেশী ১২০
-------
ইনবক্সটা দেখবেন একটু?
০৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: উত্তর দিয়েছি।

০৮ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: এইতো কাজের চাপে ডুব দিয়েছি মাঝেমাঝে প্যারোলে মুক্তি মেলে

৪৩. ০৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮
নাজনীন খলিল বলেছেন:

চমৎকার সব গল্প লিখছো বাপ্পী।খুব ভাল লাগল এই গল্পটাও।ইদানীং তোমার অনেক লেখাই পড়া হয়না সময়ের অভাবে।

ভাল থেকো।
০৮ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দিদি আমার ও সময় করে আর আসা হয়না।

৪৪. ১২ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯
আরিয়ানা বলেছেন: চামৎকার লাগলো বরাবরের মতন। ভাল থাকবেন।
১৩ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহাফুজ

৪৬. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৫
লালসালু বলেছেন: আমার বিলাই নিয়ে কোবতেটা আপনাকে পড়ার আমন্ত্রন জানালাম
Click This Link
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪২

লেখক বলেছেন: জ্বি যাচ্ছি

৪৭. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
বস, আপনে কই হারায়া গেলেন ? একটু আওয়াজ দিয়েন প্লীজ ।
৪৮. ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৭
চতুষ্কোণ বলেছেন: গল্পটা পড়ব বলে প্রিয় পোষ্টে নিয়ে রেখেছিলাম সাত আট মাস আগে। অনেকবারই মনে হয়েছে কিন্তু কো এক অজানা কারনে আর পড়া হয়ে উঠেনি। আজ পড়লাম। খুব ভালো লাগলো। চমৎকার!
২৭ শে এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৪৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
চিরায়ত প্রথার শরীর ইন্সুরেন্স হয়ে গেছে "আপোষ-আপোষ" শিৎকারের রতিচর্চায়

লেখালিখি © সংরক্ষিত।
ই-মেইলঃ allayear@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ