আমার প্রিয় পোস্ট
- বিনীত কথা : ১০ । কবিতার ছন্দ প্রসঙ্গে - অনুপম হাসান
- ভায়োলা - আন্দালীব
- রিসেন্ট পিক্সেল্স: - অন্যমনস্ক শরৎ
- অনলাইনে সিনেমা দেখার অসাধারণ তিনটি সাইট - ত্রিকাল
- মুক্তগদ্য: কফিন আর চা-পাতার সড়ক এবং একটি রোদচশমা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- নদীর নাম ধর্ষিতা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- || ভ্রুণরক্ষী || - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- আমার মেয়ের প্রথম চিঠি - মন যাযাবর
- ‘আলোর আবেগে’ - বরেণ্য আলোকচিত্রশিল্পী নাইব উদ্দিন আহমেদের আত্মকথা - মুক্তি মণ্ডল
- পপ-আপে খেলা দ্যাখেন...বাংলাদেশ আর জিম্বাবুয়ে প্রথম ওয়ানডে - হুনার মন্দ
- মুক্তগদ্য: ছায়ানদ এবং কবির আত্মবিস্মৃত উত্তর - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- কাঁচা বাতাস নিয়ে এলো গোপন নিশ্বাস - সবাক
- ইল্লতের গান - মুক্তি মণ্ডল
- অস্পষ্ট শেষ পৃষ্ঠার হাসি - মুক্তি মণ্ডল
- ছোটগল্প : আমার মৃত্যু পরবর্তী চিঠি - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- বনভূমির ছায়া -- আবুল হাসান - শূন্য আরণ্যক
- বৃষ্টি, বৃষ রাশির বালিকাটি - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- সেরা রোমান্টিক মুভি - শওকত হোসেন মাসুম
- অনার্য আজ বাড়ি ফেরেনি - মুক্তি মণ্ডল
- আল্লাইয়ার ও মুক্তি মণ্ডলের যৌথ কবিতা - মুক্তি মণ্ডল
- কিছু লালন ও গিন্সবার্গের লালনপ্রীতি - আকাশ অম্বর
- আমার দেখা সেরা গ্যাংস্টার মুভিগুলো - অপরিচিত_আবির
- প্রোগ্রামার এবং ওয়েব-ডেভেলপারদের জন্য 'হেড ফার্স্ট' সিরিজের অসাধারণ-ব্যতিক্রমী কিছু বই - বজ্রাহত
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
-
ইষ্টিম-বিষ্টিম
- আশরাফ মাহমুদ
- ট্রেন দুর্ঘটনার দুর্লভ ভিডিও চিত্র! শেয়ার করলাম - েভােরর স্বপ্ন
- নিভৃতচারি ও প্রচারবিমূখ কবি জাহেদ আহমদ এর আমার ভাললাগা ৫টি কবিতা - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- ভোরে রচিত কথাগুচ্ছ - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- বিনা মুল্যে দেখুন ৩৯ টিভি চ্যানেল - নাজিরুল হক
- সঞ্জীব চৌধুরীর সঙ্গে এক রাত এবং অভিনেতা সঞ্জীব : প্রিয় শিল্পীর স্মৃতিতে নিবেদিত ভিডিও - সোজা কথা
- ধবংসপূর্বকালের অসুর চোখ - আমি ও আমরা
- আদ্যোপান্ত নচিকেতাঃ একটি তথ্যমূলক পোষ্ট। - জয় সরকার
- কবিতা সময়ের পাঠ নাকি সময়কে পাঠ করা? - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছিঃ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ - নির্বাক হাসান
- ঠেক-বাকী অঙ্ক। - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- ব্যাজস্তুতির ছলে সত্যের লেজ ধরে টান - মুজিব মেহদী
- এই ওয়েস্টার্ন মুভি গুলো দেখেছেন কি ???????? - বন্ধু কই কৈ
- পথ - তারিক টুকু
- অড্রে টাউটো এবং তার কিছু মুভি - সব্যসাচী প্রসূন
- মুভি গুলো দেখেছেন কি ????? - বন্ধু কই কৈ
- বঙ্গাব্দের উদ্ভব কবে ও কোথায়-আহমদ শরীফের লিখা থেকে অংশ বিশেষ। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
আয়না ও শীত বিষয়ক কবিতাগুচ্ছ
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
আজ হুট করেই দেখলাম আয়না আর শীত বিষয়ক বেশকয়েকটা কবিতাই লিখে ফেলেছি। বস্তুত এই দুই বিষয়ের উপর আমার একটু দূর্বলতা রয়েছে। আয়নায় আমি আমাকে দেখি, আমার পাশে থাকা নারী কে দেখি, আমার ভেতরের আমি কে দেখি, আবার আমার বক্ষ চিড়ে বের হয়ে যাওয়া সবুজ মানুষটাকে দেখি, যেই শহরে থাকি তাকে দেখি। শীত সেতো আমাকে আলসে করে দিল, আবার কখনো বানিয়ে দিল লক্ষিন্দর। তাই ভাবলাম এই দুই বিষয়ক কবিতাগুলোকে একসাথে করে রেখে দেই, দেখা যাক আয়নার ভেতর শীত কেমন জেঁকে বসে।
ব্যস্ত নাগরিক আকাশে রঙচঙ্গাঘুড়ি
-----------------------------------------
শীত নেমে আসছে
চোখ থেকে ধুয়ে গেলে শেষ অহঙ্কার, চাইলেই
নিঃশ্বাসের কাছে আসতে পারো। ঘাসেরডগায়
শিশিরবিন্দু; রোদ বাড়লেই হারিয়ে যাবে যেমন
ছিড়ে যায় প্রিয় মুক্তোরমালা। মন চাইলেই
ডেকে নিতে পারো বিজন চিলেকোঠায়, স্তনের
উদ্যত গর্বে আয়নার মত ভেঙ্গে দিতে পারো আস্ত
একটা অলস দুপুর।
উরুর উষ্ণতায় নিঃশ্বাস কাঁপানো রোদে পেশাগত
কাগজপাতি দিয়ে বড়জোড় একটা ঘুড়ি বানাতে পারি,
চাইলেই শাড়ীর আঁচল থেকে দিতে পারো সুতো
এবং
অফিস কামাই দিয়ে এমন শীতে
ব্যস্ত নাগরিক আকাশে
উড়তে পারে অসংখ্য রঙচঙ্গাঘুড়ি।।
শীতের আয়না
----------------------------------------------
শীতটা প্রায়ই চলে এলো
বাতাসের বিশেষণ বদলে গেলে আমরা সবকটা জানলার কপাট বন্ধ করে দেব।
শীতলনদী ধীরলয়ে ভিজিয়ে দিলে কাচেরপার অতিথিপাখীরা ঠোঁটে বয়ে আনবে
কুয়াশাভেজা ধোঁয়াটে ভোর। অ-নে-ক দহনের পর বাহুর ভাঁজ খুলে উদোম
বক্ষে দাঁড়িয়ে থাকবে পাহাড়
কোথাও
------কেউ থাকবেনা
---------------------কোথাও
------------------------------- না
চাষাবাদী জমি ফলফলাদি শস্যাদি নিয়ে সব নেমে আসবে সমতলে। বাতাস,
তুষার আর জোছনার মেশামেশিতে নেমে আসবে অশরীরী স্তব্ধতা।
গেলোবার এক অতিথি পাখীর চোখে স্থির সময় চেয়ে শরীর ছাড়িয়ে গিয়েছিলাম
শুন্যে।
আমি শুন্যকে আলিঙ্গন করতে চেয়েছিলাম
আমি স্তব্ধতাকে ভেঙ্গে
আরেকটা নৈঃশব্দকে ছুঁয়েছিলাম
দর্পনে দ্রবিত মুখ
--------------------------
সুইচটায় ছোঁয়া পরতেই রাতটা বরং লজ্জাবতী
নিঃশব্দে গুজে যায় অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড হর্ষেরা
খুব সন্তর্পনে এসে বসে ফেরারি কেউ
এতোটা বিশ্বাসী কেন তার অবয়ব?
চাইলেইতো রাতের শরীরে সাদাকালিতে রটাতে পারি আদিম কাব্য
বনবাসিসীতার চোখের তারায় ক্লান্ত ঘাসফড়িং
কারো অভিশাপে হয়তো কবিরা রাবন হতে পারেনা
আয়না নগর থেকে লিখা শেষ চিরকুট
--------------------------------------------
শিশুর মত ক্লান্তি কাঁধে জেঁকে বসেছে, নিজেকে সবুজ ভাবতে পারিনা। আয়না
নগরের বৃদ্ধদের স্থির চোখে সহস্র অলৌকিক সেতু গড়ে বুঝতে পারছি প্রীয়
পালকগুলো খসে-খসে ধীরতাললয়ে সময় গভীর অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে
বিনীতভাবে। দৃশ্যমান চেনাবলয় থেকে টুকরো-টুকরো হয়ে যাচ্ছে অযুত পাখা,
পাঁজরের চিড় দিয়ে বেরুচ্ছে মৃত বাতাস। অশ্রুর ঝরে যাওয়ার জন্য কোথাও
কোন মসৃন গ্রীবা নাই।
কোথাও উড়ে হারিয়ে যেতে হবে বলেই শেষবার উড়ছি। আলোর অনেকদূর
ভ্রমনের পর যদি কোন পালক তোমার কাছে এসে পড়ে; তাতে অবশ্যই
লিখা থাকবে_______________
কিভাবে সুন্দরের শত্রু হয়ে গিয়েছিলাম, বিছানায় শুধু মানুষের ছায়া পড়েছিল।
কিভাবে ঠোঁটেঠোঁট রেখে শেষবারের মত ঘুমানোর মিনতি করেছিলাম
এবং
হৃদয়ের চারদিকে নির্জনতার দেয়ালে কোথাও কোন শব্দ চুমু খায়নি।
আয়না
----------------------------
গত কয়েকদিন ধরেই রোদের মুখ দেখছিনা ।ঘড়িরকাঁটায় গেঁথে আছে কি
অদ্ভুত এক ধর্মগ্রন্থ! এবং তা মেনেই স্কুলে বাজছে ঘন্টা, সকালের ট্রেনে
দাপ্তরিক ঘ্রান, ফ্যাক্টরীতে দুপুরের সাইরেন, দিবারাত্রী রুগীসেবা, দোকান-
পানশালা সবকিছুই ঘুরছে। ঘুরছে বাজার-হেঁসেলের হাঁড়ি আমাদের মুখ
ও মুখোশ। কামনার পর্দা সরিয়ে ঘুরে-ঘুরে আসছে অর্থবহ দাম্পত্য রাত।
অথচ আমার চুপসে থাকা ফুলওপাতার বুক চিঁড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে উদোম
উরুর সবুজ ছেলে। তর্জনী ঘুরিয়ে বাতাসের খেরোখাতায় লিখে রাখি তার শ্লোক
"বুইরার শইল্ল্যে চিনা জোঁক চ্যানচ্যানাইয়া রোইদ উঠ"
ত্বরণ পুজারীর ডায়েরী ছেঁড়াপাতা
-----------------------------------------
আমি জানি কতটা হিমাঙ্কের নীচে শাহরিক হর্ষরা মৌনতার সুতোরগিঁটে
তাপজননের অঙ্ক কষে । দরজার বরফহাতলের ব্যাঙ্কারে চুপসে থাকা
তড়িৎ আততায়ীর আঘাতে জ্বলে উঠা আঙ্গুল, বিছানায় সংবেদনশীল
অবয়বে তাপজনিত দাঁগ, শুষ্ক মেদহীন আসবাবের বোবাকথন, জানালার আয়নায়
শীতলনদীর বাঁকানো শরীর,সন্ধ্যার বাতিতে ভেন্টিল্যাটরের ফাঁকেফাঁকে কুয়াশার
ছলচাতুরি অল্প অল্প হিমেল আঁচ, হাতদুটোকে নতুন করে আরেকবার ঘষে নেয়া,
বরফাবৃত আশ্চর্য শীতল পাহারের গায়ে নিস্তব্ধতার ঘ্রান আর সামনে পরে থাকা
অনন্ত একটা রাত;
নাহ! আর ভাল্লাগেনা।
বরফগলানদীর জলে প্রনামরত সবুজঘাসের ধ্যান ভেঙ্গে বেরিয়ে আসুক
গতিশীল কোলাব্যাঙ, পাহাড়ের লালপিপড়ে খোরগোশ। আমি চিঠি বেধে
দেব ঘাসফড়িঙ্গের পা'এ খোপায় ঘাসফুল গুজে এবার গল্প শুনিয়ে যেও।
দেহজঘামে অঙ্কুরিত চিরহরিৎ বনে ময়ুরের পায়ে ঘুঙ্গুর পেখমে ঝলকানোরোদ
আছড়ে পরে চোখে, এতদিনের লেপ্টে থাকা শরীরের পুলোভার খুলে সমকামী হতে
বিন্দুমাত্র জড়তা নেই আমার।
একটা বেগ দরকার - ত্বরিত একটা বেগ।
এবং অবশ্যই তা অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো সত্য। দ্যাখো,বোকা পর্যটকের করতলে
এখনো তুষার__________
শীতলকন্যা এসেছিল আমারে কেউ ডাকেনাই
---------------------------------------------------
আজ ছুটির দিন ছিল
সচরাচর আমি ছুটিতে খুব বেলা করে উঠি কখনো সূর্যকে দেখি
পশ্চিমের লিফট ধরে বাড়ী হাঁটে দপ্তর ছেড়ে
আজ কিন্তু বেলা করিনাই
জানালায় দেখি শীতের কান্না ঝুলে আছে হিমাঙ্কের নীচে
শীতল চোখের মেয়েটি তাহলে এসেছিল ডাকেনাই কেউ
ডাকেনাই
পাতাহীন কুকড়ে থাকা গাছের নীচে শ্বেতশুভ্র ভালোবাসা রেখে গেছে
একটা স্পিরিচুয়াল একাকীত্বে, সেখানে দেখি নির্বিকার কয়েকটি
কবিতার লাইন ও একটা বরফের টিপ
বিকেল ভাসিয়ে কালোসাদালাল রাত ঘরে ফিরিয়ে আনে
ডিপফ্রিজারে তাকে সাজানো দেখি আরো কিছু বরফের টিপ
নিউরনের মরিচিকা সাফ করে ভাবি এতোগুলো দিন ডাকেনাই কেউ
ডাকেনাই
গন্ধবণিক
----------------------
হরিনীর উরুতে শীতের অপগম চিহ্ন
আহা! সূর্য্যটা ক্ষেপলো বুঝি
মৌনব্রতী পাহাড় নীলাকাশের গ্রীবায় ফোটায় দুপুরের ফুল
আমিতো তোমার শিয়রের গোপন গন্ধবণিক
অভিষঙ্গে খুঁজি মৃগনাভী
মধুকূপের গিঁট খুলে দাও এমন তৃণভূমে বাঘের ভয় নাই
কবিতা লিখতে যাবনা
রমণে কবি তোমার আপন গন্ধবণিক-------
শীতের কিছু খসড়া কবিতা
-----------------------------------
(১)
ড্রেসিংটেবিলে লোশন আফটার শেভের খালি বোতলগুলো
একেকটা যৌবনহারা বারবনিতা
যে এসেছিল সে গন্ধ নিয়ে গেছে আমিও নিয়েছি মুখ শরীর মেখে
এখন কেউ আসেনা দাঁড়ায়না ওখানে আমিওনা
ওদেরামার মাঝে নদীতে বরফাচ্ছিদ এক প্রলেপ
আমি সেই শর না ভেঙ্গেই রোজ শীতের পাখি হই
এখন ভাবাযাক ডাঙ্গায় বসে আছে কে এবং কেউ কি আসবে?
বাতি নিভিয়ে দিলে জড়রা প্রান পাবে আমাদের লোশন মাখামাখিতে
(২)
হিমাঙ্কের নিচে শহর ডুবে গেলে আমি সরাইখানায় যাই
তখনো আমার চোখে তুষার আর সাপেদের চোখে গনগনে আগুন
বিয়ার ভিজাঠোট সেখানে ইচ্ছাকৃত এক লখিন্দর
বাস্তব প্রতিবিম্বে তুমি থাকো সাথে
----------------------------------------
রাতের আঁধার ঢেলে দিয়েছে পারদ
চলমান স্বচ্ছ জানালায়
তোমার গ্রীবা চিড়ে ছুটে যায় মোটরযান;
দূরের আলোগুলো উঁকি দিলে
তুমি তখন ঈষৎ ঝাপসা।
তোমার বুক ভেদ করে উঠে আসে পাহাড়গুলো--
আবার মিলিয়ে যায় পশ্চাতে
তোমার চোখে মুখে চলমান পাইন গাছ দেখি আমি।
পাশের সিটে নিরেট তুমি এভাবেই সাথে থাকো
চলমান জানালায়-----
কোলাহল ফিরে এলে পারদ মিলিয়ে যায়
হারিয়ে যায় তোমার মুখ -মুখের ভীড়ে;
কবিতার সীমানা ছাড়িয়ে আমি তখন
আলোকবিজ্ঞানের পাতা উল্টাই।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতাগুচ্ছ, কবিতাগুচ্ছ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কালপুরুষ বলেছেন:
প্রিয়তে রেখে দিলাম। মাঝে মাঝে আয়নায় নিজের মুখ দেখা যাবে, শীত শীত করলে শালটাও গায়ে জড়ানো যাবে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দাদা।
----------
একই বিষয়ের বেশ কিছু কবিতা একসাথে থাকায় ভালো হলো।
----------
দাদরা কেমন?
লেখক বলেছেন: আপাতদৃষ্টিতে বাংলা আভিধানিক অর্থে এই দুই শব্দের মিল আছে ফারাক ধরতে গেলে নাই। দুটাই শব্দহীন কে বুঝায়। কিন্তু
আমার কবিতায়
আমি স্তব্ধতাকে ভেঙ্গে
আরেকটা নৈঃশব্দকে ছুঁয়েছিলাম
এই লাইনে যেটা বুঝাতে চেয়েছি সেটা তুমি বুঝতে পারছ আশাকরি, একটা শব্দহীন নিরবতা কে ভেঙ্গে আরো গভীর নিরবতায় ধাবমান হবার প্রয়াস এটা। হ্যা বলা যেতে পারতো
আমি স্তব্ধতাকে ভেঙ্গে
আরেকটা স্তব্ধতাকে ছুঁয়েছিলাম
বা
আমি নৈঃশব্দকে ভেঙ্গে
আরেকটা নৈঃশব্দকে ছুঁয়েছিলাম
কিন্তু যেহেতু এটা কবিতা এখানে আমি কবিতার সুন্দরের খাতিরে দুটাই ব্যবহার করেছি। যেহেতু কবিতা আবেগ থেকেও আসে তাই আমি যেনো দুটার মধ্যে ফারাক ও পেয়েছিলাম।
ধরো আমার কাছে স্তব্ধতাকে সাধারন চোখে দেখা সাধারন মনে অনুভব করা একটা নিরবতা মনে হয়েছে; যা কিনা সকলেই দেখতে ও অনুভব করছে; কিন্তু তার ও গভীরে যে আরেকটা নিরবতা আমি ছুয়েছি খুব কাছে গিয়ে হাটু মুড়ে বসে যেভাবে আমি অনুভব করেছি সেই নিরবতার অস্থিমজ্জা সেখানে আমি স্তব্ধতা শব্দকে কেয়ার করিনাই। আমার কাছে মনে হয়েছিল আর গভীর একটা শব্দ এখানে দরকার। তাই নৈঃশব্দ কে টেনে আনা।
এখন অন্য কথায় ফিরে আসি; এবার বলো তোমার খবর কি? তুমি কেমন আছো। আমার ডিগ্রীর জন্য থিসিস আমি জমা দিয়েছি, এখন এই মাসের ১৯ তারিখ ডিফেন্স। দোয়া করিও। আর দাদরা ভালো আছে। আর তোমার জেন্টেলম্যান এর কি খবর?
লিখা বস আমি এই মাসের শেষে দিতে চাচ্ছি; ঘষামাজা চলছে।
ভালো থেকো।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
একসাথে একগুচ্ছ দোহাই। আরো লেখা আসলে এখানেই পোষ্ট করো বস। একসাথে পড়ার মজাটা একটু বেশি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস। আপাতত কিছু আসতেছেনা, আসলে কেউ ঠেকাইয়াও রাখতে পারবেনা। আপাতত আমি জ়োঃরোঃ এর জন্য অন্য আরো কিছু কবিতা নিয়ে ভাবছি। এই মাসেই পেয়ে যাবে বস।
লেখক বলেছেন: কি অবস্থা তোমার? অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমাকে।
লেখক বলেছেন: আমি তেমন একটা সুখে নাই; কবিতা গল্প কিছুই লিখতে পারছিনা পেশাগত ও শিক্ষাগত কাজের ঝামেলায়। দাদরা অনেক ভালো আছে। এখন হাটা শিখে গেছে প্রায়, এবার বুঝে নাও সে এখন পুরো ঘর কিভাবে মাতিয়ে বেড়াচ্ছে।
আহসান জামান বলেছেন:
অপূর্ব কিছু সময় ধরেছেন ভাই, ভালো লাগলো আপনার নিজস্ব শব্দতুলির কাজ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আহসান ভাই।
এতোটা বিশ্বাসী কেন তার অবয়ব?
চাইলেইতো রাতের শরীরে সাদাকালিতে রটাতে পারি আদিম কাব্য
পঠিত হলো কবি।
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: পাঠের জন্য ধন্যবাদ কবি।
অদৃশ্য বলেছেন:
কবি .......... লিখাগুলো পাঠ করলাম.........আর ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম......শুভকামনা.....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














