somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... মাধুকর-সময়
আর শোনিনি সে গলা,''আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায় ঐ'।ঘুমিয়ে যায় সব মুহুর্ত।তাই এবার আমিও ঘুমোবো।সুমন চ্যাটার্জির মত-ঘুমাও বাউন্ডুলে ঘুমাও এবার।যদি এভাবেই কাটে কিছু দুঃসময়,তবে তাই-ই হোক।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28860260 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28860260 2008-10-26 23:48:29
দৃষ্টি আকর্ষণঃ লেখা চোর বজলু মহাজনের বিচার চাই
আজ ০৫ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪ মিনিটে বজলু মহাজন নামের এক ব্লগার একটি লেখা লিখেছে - "গেল মাসে মার্ক্সের জন্মদিন ছিলো "

Click This Link

এই লেখাটি বাংলা ব্লগস্ফিয়ারের আরেক সুব্লগার স্নিগ্ধার লেখার হুবহু কপি পেস্ট। স্নিগ্ধার লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল - দৃষ্টিপাত ব্লগ 'না বলা কথা'য় গত ৮ মে ২০০৮ এ।
লিংকঃ http://www.drishtipat.org/bangla/?p=44


রেফারেন্সবিহীন এই কপিপেস্ট লেখা চোর বজলু মহাজনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি। আরো বলছি - বজলু মহাজনের কমেন্ট অত্যন্ত আপত্তিকর ও ব্যক্তি আক্রমনাত্বক।

লেখা চুরির অপরাধে বজলু মহাজনের শাস্তি দাবী করছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28806641 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28806641 2008-06-05 22:26:15
সারওয়ারচৌধুরী, এ চিঠি হয়তো আপনি পড়বেন-
সিডর নার্গিসের পরে পরিস্থিতি ঠিক নাই।কী কইতে কি কইছিলাম জানি না-৩ দিনের ব্যান খাইলাম,আইজ আবার ফিরলাম।ফিরে শুনি আপনি ব্যান, খালি ব্যান না ব্লগও ডিলিট। বুঝলাম না কী হইল।তবে মডুরা অকারণে এইটা করছে বলে মনে হয় না।

সেইজন্য আমি আপনার ব্যান মুক্তি দাবি করছি না

কারন, য়ামরা ব্লগের অনেকেই জানি আপনি থেরাপিস্ট মুন্সি শাপলা এরকম আরো কিছু নিক নিয়ে লীলাখেলা দেখান। নীলুর সাথে পত্র সাহিত্যের কথাও জেনেছি-

এট্টু আগে মুসতাকিম রাহীর পোষ্ট পড়ে আমার চউখে পানি চইলা আসলো। আপনি তাকে ফোনে বলেছেন "নিষদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিন ব্লগ সামনে নিয়ে বসে থাকি, ব্লগের সব লেখা পড়ি। ভালো লাগে, ছোট্ট এই বাংলাদেশের স্পর্শ নিতে। নিজ দেশের ভাষার মানুষগুলোর সান্নিধ্য আসতে।"

আহা আহা, কী কষ্ট!আপ্নার নিজের বাসায় ইন্টারনেট নাই,সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে ব্লগিং করেন,এইটা আগেই ব্লগেই বলছেন। ওথচ, এখন খালি দেশের টানেই সাইবারে গিয়া বসে থাকেন, ইন্টারনেটের বিল ঊঠে।
আহা আহা কী কষ্ট, চউখে পানি চইলা আস্লো।

পিলিজ, আপনি আরেক্টা নিক নেন। সারওয়ারচৌধুরীর বদলে মাঝে একটা ফাক নিয়া এইবার "সারওয়ার চৌধুরী" নিকে আসেন।
আবার নীল পরী, কোন কানুনের পুল, সায়েন্টিপিক কবিতা, ধর্মবিজ্ঞানী কবিতা, পদার্থ বিজ্ঞানি থিওরি। জামাতের মুখোশে ঘোলা ঘোলা কথায় স্বাধীনতার চেতনায় ফরহাদ মজারীয় তরিকা।
পিলিজ আবার আসেন।

খালি একটা ওনুরোদ,ম্যালফাংশন হইয়েন না।
নিজাম ডাকাইতও আউলিয়া হয়, ক্ষমা চাইইয়া দিল পরিষ্কার করলে আপ্নিও ভাল হইতে পারেন। রিহ্যাবিলিটেশনের সব সহানুভুতি করুনা আমরা দিব-

নতুন নিকে আসেন,ভন্ডামী নোংরামির জন্য ক্ষমা চাইয়া পোষ্ট দেন।
আমরা আপনেরে ওয়েল্কাম জানানুর জন্য লাইনে আছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28804205 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28804205 2008-05-29 16:34:54
একটা পলিটিক্যাল জুক্স (ম্যালফাংশন চৌ'র প্রস্থানে নিবেদিত) কালকে অফিস থেকে ফিরার পথে বাসে শুনলামঃ

তখন গোলামাজম জামাতের আমীর।আমিনবাজার মাঠে জামাতের সভা হইল।সন্ধ্যার দিকে সভা শেষ।
সভা শেষে গোলামাজম ডাক দিল নিজামীরে। ডাইক্যা কয় আলাপ আছে,একটু ওদিকে চলো।
গোলামাজম নিজামী স্টেজের পেছনে গেল।দেয়ালের আড়ালে সামান্য আলো আছে এরকম জায়গা।
আশেপাশে কেউরে দেখা যায় না।
হঠাৎ গোলামাজম কয়, পায়জামা খুল।
নিজামি কয়- এইটা কি কন হুজুর?
গোলামাজম পাঞ্জাবির পকেট থেকে পিস্তল বের করে বলে, যা বলি কর - নাইলে গুলি করমু।
নিজামি ভয়ে ভয়ে পাজামা খুলছে।
গোলামাজম কয় - এইবার গিটার বাজা। (গীটার বাজানো না বুঝলে নুড়ে য়ালাম ভাইর কাছ থেকে জেনে নিয়েন)।
নিজামি কয় - হুজুর ক্যাম্নে কি?
গোলামাজম কয় - 'কর ব্যাটা, নাইলে চালাইলাম গুলি'।
নিজামী একবার গীটার বাজাইছে। গোলামাজম কয়, আবার কর।
নিজামি আবার করে। গোলামাজম কয় - আরো একবার কর।
এমনভাবে ৬ বার করাইছে।
৭ বারের সময় নিজামি আর পারে না।
সে কয় - 'হুজুর গুলি মারেন, মইরা যাই। তবুও আরেকবার গিটার বাজাইতে পারুম না'।
গোলামাজম পিস্তল তাক কইরা কয় - ঠিক তো? আর পারবি না?
নিজামী কয় - না আর পারুম না।
এরপরে গোলামাজম দেয়ালের ঐ পাশ থেকে একটা ১৪/১৫ বছরের পুলারে নিয়া আসছে।
তারপরে সে নিজামীরে কয় - 'এইটা আমার ছোট ভাই, যা এরে আমার মগবাজারের বাসায় পৌছায়ে দিয়ে আয়।']]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28802616 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28802616 2008-05-25 16:38:58
খসড়া খাতায় পড়ে থাকে যেসব কথা, তবুও বলা অহেতূক।
ঢাকার প্রিমিয়ার লীগে পারফরম্যান্স খারাপ করার কারণে আশরাফুল-আফতাবকে মোহামেডান বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছে।বাকীরা খেলছে। আমার ইচ্ছা করে এইটা নিয়ে লিখি।ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ নিয়ে ২-৪টা পোস্ট দিই। এইরকম নানান ইচ্ছা হইছে বিভিন্ন সময়ে।ব্লগে আসি, এসে দেখি – ‘আপনি আজ নামাজ পড়ছেন?’ কয়টা ভালো কাজ করছেন?হিন্দুরা কেন আওয়ামিলীগ করে?এইরকম হাবিজাবি। রামছাগু ভোটার তালিকার কাজে সাভারে ‘স্যার’দের খেদমতে এক্সট্রা টাইম দিতেছে,তবে অন্যদের কমতি নাই। নিজামী হারামীরে গ্রেপ্তারের পরে ওভারটাইম বেড়ে গেছে। এইটা তো নূতন কিছু না। চলতেই আছে। সেইবার রাশেদ-এস্কিমো ব্যান হওয়ার পরে পোস্ট দিলাম, ডিলিট মারলো, -আলাদা মেইলে বিশাল থ্রেট দিলো মডুরাম।মেজাজ গেল বিলা,এরপরে আর লিখতেই ইচ্ছা করে না।ব্লগে আসলে কমেন্ট করি, তবে লগড ইন ব্লগারের সংখ্যা কেমন কমছে সেইটার কারণ ব্লগের রাজা-রাণিরা ভাবছেন কিনা কে জানে! রাশেদ-এস্কিমো ব্যান সা-ইনের জন্য কী রেজাল্ট দিল ভাবা দরকার।

গতকাল আবার এটিমের জন্মদিন গেল।জি-টকে দেখা বড় ভাইয়ের সাথে,বল্লেন – কীরে কিছু বললি না জন্মদিনে? আমি আর কী বলবো, হোসেইন ভাই-লাল মিয়া-শমসের-রাশেদ এরা পোস্ট দিছে। তবুও বিকালে ভাবলাম, আলাদা পোস্ট দিই।

এসে দেখি সদ্য বিবস্ত্র হওয়া ম্যালফাংশন চৌধুরী নিজের সাফাই গাইছে, থামছে না ২ দিনেও। একটু আগে দেখলাম – ১৭টা ইমেইল পাইছেন উনি, মন খারাপ করতে মানা করছে সবাই। পড়ে হাসলাম, কিছু কিছু মানুষের মাথায় ঘিলু এত কম থাকে কেন? রোমানে বাংলিশ মেইল আমিও লিখি, অনেকেই লেখে। বাংলা ‘চ’/‘ছ’ এর জন্য ইংরেজীতে ‘ch’ লেখে বেশিরভাগ। উনার

১ম মেইলেঃ ‘parci’ ।
২য় মেইলেঃ dekheci
৫ম মেইলেঃ Dekcy//vabcy/khicuri
৭ম মেইলেঃ dekhci

বাংলা ‘ছ’ এর জন্য একটা বারও ‘ch’ ব্যবহার করে নাই। ম্যালফাংশন চৌধুরীর কাছে এইগুলার আসল মেইলও আছে। কারণ তিনি এইবার প্রিপারেশন নিয়ে মাঠে নামছেন। নীল পরী যখন উষ্ণ ছোঁয়া দিতে আসে না, ফার্স্টকেলাশ মেশিনকে থাপ্পড় মেরেও লাভ হয় না, তখন স্বমেহন ছাড়া গতি কী? উনি আবার পোংটা সাইটে যান না। অধম মনিটর কহে শুনো পূন্যবান...।

যাউক, কী কইতে এসে কী কইলাম। শাহরুখের কোলকাতা নাইট রাইডার্স নিয়ে কিছু বলতে আসছিলাম, পাতা ভর্তি হয়ে গেছে। এইসব আলাপ অন্যদিন হবে।
বাতাসে ভাসতেছে, জামাতি একটা ব্লগ আসতেছে। ব্যাকগ্রাউন্ড সৃষ্টি করতে – জামাতি ২জন নারী ব্লগার সা-ইনকে অভিশাপ দিয়ে ইতোমধ্যে পাত্তাড়ি গুটিয়েছে। অন্যরা প্রিপারেশনে আছে। সা-ইনের ২জন সুশীল ব্লগার, সাহিত্য পাতার লোককে নেয়ার চেষ্টা চলতেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক ব্লগার ‘না’ বলে দিয়েছেন। তবে ওখানে সেলিব্রেটি ব্লগার থাকবে, পেইড ব্লগার থাকবে। আমরাও দেখার আশায়...।

যেইটা গুরুত্বপূর্ণ, এটীম কী, কারা এইটা নিয়ে ক্যাচালও দেখলাম। লাল্ মিয়া বলছেন, যারা জামাতি ও ছাগু দেখলেই গদাম লাত্থি মারে তারাই এটীম। এটিমের সব কমরেডকে বিপ্লবী সেলাম। যারা জামাতি ছাগুকে গদাম লাত্থি মারে তারাও এটিম প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে।

একটা দিনের স্বপ্ন দেখি, যেদিন বাংলা ব্লগস্ফিয়ারে জামাতি-রাজাকার-ছাগুদের ম্যাৎকার থাকবে না, দেশের স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোন নোংরা কথা থাকবে না। সেদিন এটিমেরও দরকার হবে না।
শুধু, সুখময় গর্বের স্মৃতিচারণে থাকবে, ''ব্লগে সাহসী টিম ছিলো একখান, এটিম!!!’ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28800672 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28800672 2008-05-21 01:15:12
ডিলিট খাইলাম
উনারা কফি খাইতে খাইতে খাইতে রবি-মানবেন্দ্র শুনতে শুনতে ডিলিট করিয়াছেন।

হক মাওলা।

ইয়া হাবিবী-------------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28783924 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28783924 2008-03-30 22:00:15
রস+আলো'তে শিশিরের কার্টুন, + কিছু তথ্য প্রমাণ "মা--!-নানা ভাইকে কারা মেরেছিল?!" [http://www.prothom-alo.com/fcat.news.details.all.php?issuedate=2008-03-24&fid=Mjg= ]
বামে এক ঘাতক তাকিয়ে আছে হায়েনা নজরে। গালের শেইপ দেখে ঘাতকটিকে চেনা চেনা লাগে। গত সপ্তায় প্রেস ক্লাবে দৌড়ানি খাওয়া কুত্তাটা।

বাদবাকী পাকি বীর সন্তানদের নিয়ে কিছু তথ্য প্রমাণ:


গোলাম আযম
একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীকে বাঙালি নিধনে সহায়তাকারী, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির।

১৪ আগস্ট ১৯৭১ পাকিস্তানের আজাদী দিবস উপলক্ষে জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার ইসলামিক একাডেমী হলের সভায় ‘বাংলাদেশ বাঙালিদের দ্বারা শাসিত হবে-এই মতবাদ
শেখ মুজিব বা শ্রী তাজউদ্দীনের। এ জন্যই তথাকথিত বাঙালি বীরেরা পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে বাংলাদেশ কায়েম করেছে। কিন্তু মুসলমান আল্লাহর হুকুম পালন করার সুযোগ লাভকেই সত্যিকারের আজাদী মনে করে। এর ভিত্তিতে শাসক নিজের দেশের হোক বা বিদেশি
হোক তা মোটেও লক্ষণীয় নয়।’

সূত্রঃ দৈনিক পাকিস্তান, সংগ্রাম। ১৬ আগস্ট ১৯৭১ সালে প্রকাশিত। স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (অষ্টম খণ্ড), একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়, (পৃষ্ঠাঃ ৫২) প্রকাশকঃ মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র। প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮ (তৃতীয় সংস্করণ) বইয়ে সংকলিত।

গোলাম আযম
একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীকে বাঙালি নিধনে সহায়তাকারী, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির।

ঢাকার মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং কলেজ ছিল আলবদরদের হেডকোয়ার্টার এবং রাজাকার বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্র। প্রশিক্ষণরত রাজাকার ও আলবদরদের উদ্দেশে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে তিনি বলেন, ‘বাইরের শত্রুর চেয়ে ঘরের শত্রু বেশি ক্ষতিকারক। আমাদের ঘরেই এখন অসংখ্য শত্রু তৈরি হয়েছে। এই শত্রু সৃষ্টির কারণ যা-ই হোক, সেদিকে এখন নজর দেওয়ার সুযোগ নেই। এখন ঘরে আগুন লেগেছে, কাজেই আগুন নেভানোই তোমাদের প্রথম দায়িত্ব। এ ব্যাপারে সেনাবাহিনী পদক্ষেপ
গ্রহণ করেছে এবং রাজাকাররাও তাদের
পেছনে এগিয়ে এসেছে।’

সূত্রঃ দৈনিক পাকিস্তান,আজাদ ও সংগ্রাম। ১৮, ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে প্রকাশিত। একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়, (পৃষ্ঠাঃ ৫৪)। প্রকাশকঃ মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র। প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮
(তৃতীয় সংস্করণ) বইয়ে সংকলিত।

আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ
একাত্তরে ইসলামী ছাত্র সংঘের ঢাকা মহানগরীর প্রধান ও আলবদর বাহিনীর পূর্ব পাকিস্তান
শাখার সভাপতি।
১৫ অক্টোবর ১৯৭১ সালে বলেন, ‘পূর্ব পাকিস্তানের দেশপ্রেমিক যুবকরা ভারতীয় চরদের হাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্য এগিয়ে এসেছে এবং রাজাকার, আলবদর ও অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সদস্য
হিসেবে জাতির সেবা করছে।’

সূত্রঃ একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়
(পৃষ্ঠাঃ ১৩১) প্রকাশকঃ মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশকেন্দ্র। প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮ (তৃতীয় সংস্করণ)
এবং মুক্তিযুদ্ধ কোষ, প্রথম খণ্ড (পৃষ্ঠাঃ ২৪২),
সম্পাদকঃ ড· মুনতাসীর মামুন
সময় প্রকাশনী (বইমেলা ২০০৫)

মতিউর রহমান নিজামী
একাত্তরে গোটা পাাকিস্তান শাখার
আলবদর প্রধান।

১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে যশোরে রাজাকারদের সদর দপ্তরে সমবেত রাজাকারদের উদ্দেশে
তিনি বলেন, ‘জাতির এই সংকটজনক মুহূর্তে প্রত্যেক রেজাকারের উচিত ইমানদারীর সাথে তাদের উপর অর্পিত এ জাতীয় কর্তব্য পালন করা এবং ঐ সকল ব্যক্তিকে খতম করতে হবে যারা সশস্ত্র অবস্থায় পাকিস্তান ও ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।’

সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ কোষ, তৃতীয় খণ্ড, (পৃষ্ঠাঃ ২২৭)
সম্পাদকঃ ড· মুনতাসীর মামুন
প্রকাশকঃ সময় প্রকাশনী
প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি ২০০৫

মতিউর রহমান নিজামী
একাত্তরে গোটা পাাকিস্তান শাখার
আলবদর প্রধান।

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান বিমান নিয়ে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসার সময় শিক্ষানবিশ রশীদ মিনহাজের সঙ্গে হাতাহাতির একপর্যায়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে উভয়ে নিহত হলে মতিউর রহমান নিজামী মিনহাজের পিতার কাছে শোকবার্তা পাঠান। দৈনিক সংগ্রামে ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সালে সেটি প্রকাশিত হয়।
ওই খবরে বলা হয়, পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি জনাব মতিউর রহমান নিজামী শহীদ রশীদ মিনহাজের পিতার কাছে এক তারবার্তা প্রেরণ করেছেন।···‘পাকিস্তানী ছাত্রসমাজ তার পুত্রের মহান আত্মত্যাগে গর্বিত। ভারতীয় হানাদার ও এজেন্টদের মোকাবিলায় মহান মিনহাজের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা অক্ষুণ্ন রাখতে তারা বদ্ধপরিকর।’

সূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম। ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে প্রকাশিত। ঘাতকের দিনলিপি-রমেন বিশ্বাস (পৃষ্ঠাঃ ১৭৩)। প্রকাশকঃ ধ্রুপদ প্রকাশন।
প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩, বইয়ে সংকলিত


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28781951 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28781951 2008-03-24 07:38:48
। । ফটোব্লগ । । চাকরি যেমনে টিকাইয়া রাখা হয় এমনেই চলে দুনিয়া !]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28780648 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28780648 2008-03-19 23:36:34 তোকে অভিশাপ দিই - পাকি জারজ কীট - তোর জন্য ঘৃনা
সুন্দর নাম, সুন্দর কথার ব্লগিং, এবং শেষে একাত্তর স্বাধীনতা এবং বাংলাদেশকে ঘৃনা করা। সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে দৌড়ানি খেয়েছে আলবদর বাহিনীর হেড কামারুজ্জামান। কামারুর পোলা ওয়ামি ব্লগে মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর বলে পোস্ট এবং ক্রমাগত মন্তব্য দিয়ে তার বিষদাঁত প্রকাশ করে। সাধারণ ব্লগারদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে কর্তৃপক্ষ তাকে ব্যান করে। ঘঠনা শেষ। সব শান্তিপুর্ন এখন।

কিন্তু পাকিবীর্যের কিছু কীট ব্লগকে আবার অশান্ত করার চেষ্টা করছে। নিক পাল্টানো এরা কারা?
পাকিস্তানে শিক্ষা প্রাপ্ত। ইসলামাবাদ।
১ম পোস্টে বলেছিল - হে ইরান মাথা হেঁট করে দিও না।
পরে ক্রমাগত জামাতি পোস্টে সাপোর্ট।
নির্বাচিত পোস্টের তালিকায় মুক্তিযুদ্ধ দেখে এদের গা জ্বলে।
একরাম শামীমের পোস্ট স্টিকি হলে এরা ভয় পায়। কারণ এদের পুর্বপুরুষ দালাল। একই ধারাবাহিকতায় দালালী করতে গিয়ে বলে -

""যারা একজন সিভিলকে একলা পেয়ে সম্পূর্ন আইন-বিরোধী এবং বার্বারিকভাবে আক্রমন করে তারাতো কুকুরের চেয়েও জঘন্য। পিতার উপর আক্রমনকারীকে তাই ওয়ামী কুকুর বলে অনেক বেশী নরম ভাষা ব্যবহার করে ফেলেছেন আসলে।""

!!!!!!!
!!!!!!
!!!!!!!!!!!

গালাগালি করতে ভালো লাগে না।
তবুও বলি - মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর ডাকা এবং তার সমর্থকারী তুই, তুই - একটা পুরা বেজন্মার বাচ্চা।
এই দেশ এই মাটিতে তুই কীট পতঙ্গ।

সমস্ত শহীদ, সমস্ত নীপিড়িত নারী, নিহত শিশুর আত্মার অগুনতি অভিশাপ তোর উপর।

তোকে অভিশাপ দেই - তোর এবং তোদের মরণ যেন বাংলাদেশে না হয়। পাকিস্তান চড়ুই পাখি দেখবি আর সেখানে মরবি, খুঁজে বেড়াবি তোর অসংখ্য জারজ পিতাকে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28780449 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28780449 2008-03-19 10:48:42
।ফটোব্লগ। ২০৮ জন ব্লগার অনলাইন ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28780342 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28780342 2008-03-18 23:54:37 বাংলাদেশ - আয়ারল্যান্ড ম্যাচ চলছে
তারা পুরো ৫০ ওভার খেলছে এবং ৩ উইকেট হাতে ছিল ।

বাংলাদেশের বোলিং কেমন হলো, ব্যাটিং কেমন হওয়া উচিত?

সাউথ আফৃকার কাছে ধ্বসের পর এ সিরিজটি নিয়ে জনমত কি?

মন্তব্যের ঘরে স্বাগতম ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28780170 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28780170 2008-03-18 12:57:32
স্মরণ : ক্রিকেটার মানজারুল ইসলাম রানা
২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে স্মরণীয় সিরিজ জয়ে রানার ভূমিকা ছিল প্রধান।

রানার প্রোফাইল । : Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28779656 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28779656 2008-03-16 16:37:17
ওহে আলবদর পুত্র ---> তুই, তোর আব্বা, তোরা এভাবেই থাকবি ভাবছিলি ৩৭ বছর গেছে, তোদের গায়ে চর্বি জমছে, সুশীলের বেশ ধরে সমাজে মিশছোস, বারিধারার ইউনিভারসিটিতে পড়ছোস, তোর ভাই গেছে ফরাসি দেশে, ভাবছিলি এইটা শেষ। ভাবছিলি আর শীত নাই, মাঘ মাস ৭১য়েই শেষ, ভাবছিলি তোর আব্বার হাতের লেগে থাকা মুক্তিযোদ্ধার রক্ত শুকায়ে গেছে রুকুন সম্মেলনের সকালে। ভাবছিলি - ইংরেজি পত্রিকায় কাজ কইরা গোয়েবলসীয় তরিকায় যা তা বলবি, অনলাইনে মুক্ত কোষের প্রশাসক নাকি কী একটাও হইছোস দেখলাম। ব্লগেও প্রোপাগান্ডা ছড়াস। ভাবছিলি এগুলা কইরা কইরা তুই হ্যাডম জাহাজের কচ্ছপ হৈবি। পারবি না রে বেজন্মা কুত্তার বাচ্চা ।
পারবি না।

আজকে পত্রিকায় দেখলাম - তোর আব্বারে দৌড়ানি দিয়া, পাঞ্জাবি টাইনা, জুতা পিটা কইরা কিছু রাখে নাই। আরও কি কি হৈছে পরে জানা যাবে বিত্তান্ত। কোন এক ঘরে আঁটকাইয়া তোর আব্বারে রক্ষা করা হৈছে ।

এই রক্ষা আগেও করা হৈছিলো - ইনডেমনিটি আইনে। সামহয়ারে কমেন্ট ব্লকে তুই ইনডেমনিটিতে আছোস। তোর ব্লগে তুই কমেন্ট করবি, তুই লাফাবি, তুই মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর গালি দিবি। তবে বাইরে আসতে পারবি না। ঐ খানেই বন্দি থাকবি শুওরের বাচ্চা ।

থাক হারামজাদা, ঐখানে থাক।
আলবদর প্রধানের রক্ত তোর শরীরে সেটা সবাই জানে। তুই প্রতি পোস্টে কমেন্টে এবার নজির রেখে যা, বরাহ নন্দন। খুপড়ি থেকে বাইর হবি তো আবার দৌড়ানি, আবার জুতাপেটা - প্রেসক্লাবে, পল্টনে, গাবতলি, বাসাবো, উত্তরা, পোস্তগোলা, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, সিলেট থেকে খুলনা এবং ভার্চুয়াল ব্লগ; সবখানেই আবার দৌড়ানি, আবার জুতাপেটা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28779265 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28779265 2008-03-15 08:11:25
কবিতা : ... কারণ, আজ কামারুজ্জামান দৌড়ানি খেয়েছে । দুপুর সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত; এই ঘিঞ্জিগলি তবু
আশৈশব ভালবাসা - জননী ফার্মেসী, জয় স্টোর,
পরিমল মর্ডান সেলুন ঘেরা আমাদের মহল্লার একদল
কিশোর মুখে পতাকা এঁকে বাসের ছাদে চড়ে
মিরপুর যায়, শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে; ওরা হয়তো
.ভাবেনি বাংলাদেশ জিতবে না, তাই রোদ দুপুরে
ঝালমুড়ি বাদাম খেয়ে বাংলাদেশ বাংলাদেশ
চিৎকারে গলা ফাটায়। এবং বিকেলে হতাশ হয়ে প্লেকার্ড
হাতে ফিরে ঘরে। আমি তাকাই জানালা দিয়ে আজ
শুক্রবারের বিকেলে মৃতপ্রায় মহল্লায়, মোড়ের
ডাস্টবিন, সামনের বাড়ীর সানসেটে ঘুঘুর বাসা,
আকাশে বিষন্ন মেঘ, ছাদে যাবো না, কারণ - দোতলার
সোনিয়া চলে গেছে রাজশাহি- শ্বশুরবাড়ী। আমি
জানি সোনিয়া আর এ শহরে ফিরবে না, বাংলাদেশ
জিতবে না, আমার ছোটভাইটি চাকরীর খোঁজে
আরও ঘুরঘুর করবে, ইদানিং সন্ধ্যায় দেরী করে
ঘরে ফেরে সে, হয়তো সিগারেটে দু:খ ভুলছে নিত্য।
এসব হতাশার মাঝেও রাতে মনটা ভালো লাগে খবরে
আজ হারামজাদা শুওয়ের বাচ্চা বেজন্মা মাদারচুত
মানুষ চেহারার পশু আলবদর বাহিনির হেড কুত্তা
কামারুজ্জামান দৌড়ানি খেয়েছে প্রেসক্লাবে, এ খবর
শোনার পর আজ আমি অনেকদিন পরে কম্পিউটারের
ডি ড্রাইভের হিডেন ফোল্ডার খুলি। একটার ভেতর আরেকটা
তার ভেতর আরেকটা, তার ভেতর আরও একটা, এরকম
অনেক ফোল্ডার শেষে জেপিইজি ফাইলে সোনিয়ার ছবি;
নীল কামিজে নীল টিপে নীলাঞ্জনা আমার; চলে যাওয়া
অভিমানী ভালোবাসা আমার। আজ হঠাৎ সব রাগ ভুলে
আমি সেই ছবি দেখি, বলি - ভাল থাকো; কারণ আজ
আমার মন ভীষণ ভাল, কারণ আজ কুত্তার বাচ্চা কামারুজ্জামান
কিছু মানুষের দৌড়ানি খেয়েছে। সালাম তোমায়- জেগে ওঠা মানুষ ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28779150 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28779150 2008-03-14 23:18:59
ফটোব্লগ । । খুশবো বেপারী । । http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28778693 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28778693 2008-03-13 00:40:56 অফিসে বইসা ঝিমাই আর গান শুনি এই গানটা শুনছিলেন কখনো? মন ভালো করে দেওয়া লিরিক আর গলা। অ্যামেচার পুলাপান গাইসে। "হাত বাড়িয়ে দাও"।

এক মাইয়া কয়েকদিন আগে পাঠাইলো। শুইনা বড় ভালো লাগসে। বুয়েটের ফ্রেন্ডদের কাছে নাকি সে পাইসিলো। তাগো ড়্যাগ এর সময় বানাইসে

হাত বাড়িয়ে দাও

লিরিক
হাত বাড়িয়ে দাও,
জলের দামে কষ্ট দেবো-
হাত বাড়িয়ে দাও, জলের দামে কষ্ট দেবো-
অনেক দূরের, অনেক কাছে
গভীর ব্যথায় বুকের ভাঁজে
নীলচে কোনো অশ্রু দেবো।

হয়ত তোমার নিজের মতোন স্বপ্ন আছে কিছু, থাকুক তবে।
হয়ত তোমার স্বপ্নগুলো,
গভীর রাতে একলা কাঁদে।

থেকে গেছে কোন জীবনের সুর
হেঁটে যেতে হবে অনেকটা দূর।
হাসবে আকাশ, হাসবে নদী, হাসবে রোদ্দুর।
মোর হাতে যদি দাও এই হাত
এসে দাঁড়াবে নতুন প্রভাত
ঘুচে যাবে সব আঁধারের ভয়, ঘুচে যাবে এই লাজ।
তবু হাত বাড়িয়ে দাও,
জলের দামে নিজেকে দেব।

হাত বাড়িয়ে দাও,
কাঙাল হওয়ার স্বপ্ন দেবো।
অবাক চোখে তাকিয়ে থাকা
লাজুক মেয়ের চোখে আঁকা,
মিষ্টি কোনো,
গল্প দেবো।

হয়ত তোমার নিজের মত স্বপ্ন আছে কিছু-
থাকুক তবে।
তবু হাত বাড়িয়ে দাও,
জলের দামে নিজেকে দেব।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28773912 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28773912 2008-02-25 12:38:16
"লাইলি তুমি আইলা মোরে মজনু বানাইয়া" (যাদের "সুপার স্পিড নেট" আছে, তাদের জন্যে)
আমার অফিসে সুপার স্পিড ইন্টারনেট। সুপার স্পিড ইন্টারনেটে এখন আমি যে গানটা দেখতেসি, সেইটা আপ্নাদের সাথে শেয়ার করার বড় ইচ্ছা হইলো।
স্লো স্পিডঅলারা, ব্লগিং বাদ দিয়া সুপার স্পীড নেট আছে এইরকম অফিসে চাকুরি নেওয়ার টেরাই দেন।
কমেন্টের উত্তর দিতে পারবোনা, এখন বাড়ি যাবো।



বিমার এই পোস্টে জনৈক কুদ্দুসের কমেন্টের সাথে আমার পোস্টের কোন সম্পর্ক নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28773414 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28773414 2008-02-23 22:42:09
রক্তচোষার অভিযোগ কিছু না, আসল সমস্যা একুশে ফেব্রুয়ারি
সারা বছর সমস্যা নাই,ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি-মার্চে মোবাইল কোম্পানিগুলা বিশেষ বিজ্ঞাপন প্রচার করলেই জামাতিদের গায়ে জ্বালা যন্ত্রনা শুরু হুয়। পাকি আব্বুদের পরাজয়ের শোক গুমড়ে উঠে।

একুশের বিরোধিতা করতে গিয়ে মোবাইল কোম্পানির বিজ্ঞাপনরে গালি দেয়। একুশের চেতনা নিয়ে তামশা ঠাট্টা করে।

এইরকম ছাগু/জামাতি দেখা মাত্রই গদাম লাত্থি দেয়া হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28772438 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28772438 2008-02-20 21:25:04
ব্যর্থ লেখকের জন্য এলিজি : আবার হোন তবে আড়াইশো কপি'র দামি ক্রেতা। একাডেমি প্রাঙ্গণে, গ্রাম মিলিগ্রামের নানা হিসেবে
ঝকমকে প্রচ্ছদে, সাথে ধ্রুব এষ কিংবা সমরের
অ্যাবস্ট্রাক্ট মলাট।
এরকম হয় বারবার, প্রতিবার। মফস্বলের ডিম
আজিজে এসে ওমলেট হয়ে যায়, খই ভাজা পপকর্ন;
জনৈক মজিদ ছাপার অক্ষরে মনন মজিদ মেটামরফসিস;
নামের প্রথম অংশ স্বনির্বাচিত।
সেরকম একদিন আপনিও ধোপাদীঘি থেকে এ শহরে
আচরণে কবি, হাঁটায় কবি, কথায় কবি, কাশিতে কবি
হাসিতে কবি; পুরোদস্তুর কবি এবং কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের
নিয়াময়ে সায়েন্টিফিক কবিতা প্রসব।
এখানে ওখানে ছাপা হয় টুকটাক, তবুও গোলক ধাধায়
ল্যাবিরিন্থ কিংবা অচীন দেশের শরনার্থী আচরণ,
আকাঙ্খায় কেবল সনদের প্রত্যাশা, অবশেষে একটি
না না, একটি নয় দুটি বই হলো, একাডেমি চত্বরে
এবং আপনি লেখকের বেশ নিলেন।
লোকে জানলো সবই, কেবল জানলো না আড়াইশো'র
একটি হিসাব। দুটি বইয়ের আড়াইশ' আড়াইশ' করে
অর্ধ সহস্র কপি আপনাকেই কিনতে হয়েছিল নগদে,
সাহিত্যের এ বাণিজ্যে বাকীর কারবার নেই লেখক
চৌধূরি কিংবা মুন্সি যেই বংশেরই হোন না কেন।
বেড়েছে বাদামের দাম, ইনফ্লেশন আর ইকোনমির
টপটপ গতির সাথে বেড়েছে চানাচুরের দাম; অথচ
স্থির ঠোংগার দাম, তাই পাঁচশ' বই যায়নি ঠোংগার
শরীর নির্মানে; তবুও থামেননি আপনি, যেমন থামেনি
জীবনানন্দ। ফুলটি কোন কাননের ভেবে ভেবে সিরিজ
জমে অন্তর্জাল সমাবেশে, আসে ফেব্রুয়ারী আবার।
ফ্লপ অন্যসত্য আবারও ছাপাকল বেরিয়ে আসে, শোক
হতাশা আপনাকে ঘিরে এবার; নেই, একটিও নেই
গদ্য - পদ্য - ধর্ম - বিজ্ঞানের শুন্য ডিগ্রী নেই
আপনার কোন লেখা নেই; দুষ্ট বাঁদরেরা ম্যালফাংশনের
খবরটা মাইকিং করেছে খুব, ডোল ঢামাকায় দ্রিমিত।
একুশের আগে আপনার এ হতবিহ্বল সময়ে বলি, হাঁ
আপনাকেই বলি, অইসব বাস্তব অবাস্তবের শতপাতার একটি
নয়, একটি বইয়ের সবক'টি পাতা আপনারই থাক,
বইটি, মলাটটি আপনারই হোক; এবার নয়তো আগামি
বইমেলায়; আগের মতোই আড়াইশ' কপি কিনতে হবে
আপনাকেই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28772426 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28772426 2008-02-20 20:25:44
দু:খিত/এবার আর অপরবাস্তব কেনা হবে না। রেটিং-কমেন্টও করি মন্দিয়ে।মোটামোটি সবার লেখার স্টাইল একইরকম। বৈচিত্রময় স্বতন্ত্র লেখা লিখেন হাতেগোণা কয়েকজন।

এদের মাঝে আমি মন্দিয়ে পড়ি সারওয়ারচৌধুরী'র লেখা।খুব আগ্রহ নিয়ে কমেন্ট করি। তার গদ্যলিখনির ধারে কাছে এই ব্লগের কারও যাওয়ার ক্ষমতা নেই।ধর্ম-বিজ্ঞান-প্রেম-সায়েন্স-ফিকশন-সমাজ-মহাবিশ্ব ; সব কিছু নিয়েই সারওয়ারচৌধুরীর জিরো ডিগ্রীর সাহিত্য।কোন কাননের ফুল সিরিজটি ব্লগের ক্লাসিক্স সিরিজ।আমি ছাড়াও সারওয়ার সাহবের অনেক ভক্ত পাঠক।তার পোষ্টের কমেন্ট গুনলেই এ সত্য প্রমানিত হয়।ব্লগের বাইরে একমাত্র মানসম্মত পত্রিকাটি সম্পাদনা করেছেন। শুদ্ধোস্বর থেকে প্রকাশিত বই দুইটি।

বইমেলায় দু'দিন গিয়েছি।একদিন একা একা দুই ঘন্টা ছিলাম।ঐটা নিয়ে পোস্টও দিয়েছি।সারওয়ার সাহেবের বই পাইনি।মন খারাপ হয়েছে।কৌশিকের অপরবাস্তব নাটকের প্রতি পর্বে ভেবেছি - প্রকাশিত হলে নিশ্চয় সারওয়ারচৌধুরির লেখা থাকবে।আমি ৩ কপি কিনব।২টা অন্যকাউকে গিফট দিব।

আজ কৌশিকের পোস্টে দেখলাম অপরবাস্তব-২ এর লেখক তালিকায় সারওয়ার সাহেবের নাম নাই।অবাক লাগে সম্পাদকিয় পরিষদ কিভাবে এমন লেখককে মূল্যায়ন করল?হয়ত স্বজনপ্রিতি কিংবা মুখচেনা দেখে লেখা বাছাই/ছাপান হয়েছে।

কিছু ভাল ব্লগারের লেখা আছে,তবুও আমি অপরবাস্তব-২ কিনব না।কারণ আমার প্রিয় ব্লগার সারওয়ার সাহেবের লেখা নাই। অপরবাস্টব সম্পাদান পরিষদের এমন ব্যর্থতায় আমি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

দু:খিত/এবার আর অপরবাস্তব কেনা হবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28772352 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28772352 2008-02-20 16:13:59
মেন্টালের লেখা ফাসকেলাশ মোবাইলের আত্মকাহিনি সত্য ঘঠনা!!!!!
আজকে ভোররাতে মেন্টাল একটা পোস্ট দিছে,যেইটা পড়ে আমি অনেক হাসছি,জটিল কাহিনি। একটি ফাসকেলাশ মোবাইলের আত্মকাহিনী। Click This Link

শেষের প্যারাটা এরকম:

একদিন আমার মালিক একটা সাইবার ক্যাফেতে কি যেন করছিলেন আমাকে টেবিলে রেখে। হঠাত সাইবার ক্যাফের অপর পাশ দিয়ে ঢুকলো আমার মালিকের একজন পাওনাদার। তাকে দেখেই তো ভোম্বলটা দিশেহারা। কি করবে বুঝতে না পেরে আমাকে রেখেই দে ছুট। এদিকে তো আমি আনন্দে আত্মহারা। মুক্ত স্বাধীন বিহংগ যেন আমি এক। পাশের টেবিলের তরুণটি আমাকে দেখেই আস্তে করে পকেটে ঢুকিয়ে চুপচাপ বেড়িয়ে গেলো সাইবার কাফে থেকে। শুরু হলো আমার নতুন জীবন।

ভাবছিলাম গপ্প লিখছে।একজনের সাথে মিললেও মিলেনা।অ খোদা!একটু আগে এক কমেন্ট (উপরে প্রীন্টস্কৃণ আছে) পড়ে মেন্টালরে খুঁজতেছি। এই সত্য কাহিনি সে কেমনে জানলো?

যাউক,আর বেশি কমু না।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28771221 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28771221 2008-02-16 20:34:44
সাগরকন্যা প্রেমীরা সাবধান, এলো রোমিও ডলফিন - ডিএনএ পরীক্ষাসহ।
এবার সব সাগরকণ্যা ডলফিনের একার।
ম/ দ /ন নামের সমস্ত ছাগলকন্যা থাকবে মুন্সিথেরুরচৌ'র জন্য।

বিস্তারিত খবর এইখানে:
সুত্র: http://jaijaidin.com/details.php?nid=54711]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28770624 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28770624 2008-02-14 21:59:14
ভ্যালেন্টাইনডে/ভালোবাসাদিবস নিয়ে ইসলাম কি বলে?
আসল প্রশ্ন করি - ইসলামে ভ্যালেন্টাইন ডে পালন কতটুকু গ্রহণযোগ্য?এই যে ভালোবাসা দিবসের নামে তরুন-তরুনীরা বিবাহপূর্ব অযাচিত মেলামেশায় লিপ্ত হচ্ছে;এ ব্যাপারে ইসলাম কি বলে? ব্লগে যারা ইসলামি পোস্ট করেন,তাদের নিজস্ব ব্যাখ্যা অবস্থান কি?

বাংলাদেশে এ দিনটি শফিক রেহমান প্রবর্তিত।শফিকরেহমানের অনেক ভক্ত ব্লগে আছেন। ইসলাম গ্রুপের কর্নধার নিজেই যায়যায়দিনের ভক্ত,সেখানে চা-নাস্তা খেয়ে মিটিং করার খবর ব্লগে এসেছে। তাই প্রশ্ন - ভ্যালেন্টাইনডে/ভালোবাসাদিবস নিয়ে ইসলাম কি বলে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28770439 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28770439 2008-02-14 10:29:15
একটা ফ্যাক্সের কপি সম্মানিত সাথী,রুকন ও আশেকান (ওষ্টেলিয়া শাখা):

সবাইকে ছালাম মোবারাক।আমাদের অনলাইন প্রযেক্ট সামহয়ারে আবারও অস্তিরতা দেখা যাইতেছে।এমতাবস্তায় পুর্বের ন্যায় আপনাদিগকে সুশীল পুস্ট দেয়ার ইরাদা করা যাইতেছে।পোষ্টের রকমভেদ এইরকম:

-সাম্প্রতিক ইছলাম ও সমাজ ব্যবস্থা
-স্বাধিনতা যুদ্ধ, নূতন আলোকে ভাবনা
-শেখ মুজিবের ভুল (নূতন ডাটা স্ক্যান করে পাঠানো হবে। মোনাশ ইউনি নজর রাখুন)
-মওদুধীর কপি পেস্ট
-যে সকল আশেকানেরা লিখতে পারবেন না,কিংবা রিতুবতী থাকিবেন, তাহারা ফটো ব্লগ দিবেন।বৃষ্টির আর আকাশের ছবি দিবেন।

একটি সুখবর:
এইবার পেমেন্ট পোস্ট ওয়ারী ডবল দেয়া হবে।তবে পোস্টের কমেন্ট ভিত্তিতে বোনাস পাইবেন। আলহামদুলিল্লাহ।

সামহয়ারের ব্যনারে চাঁনতারার পতাকা উরাবোই উরাবো।

সমন্বয়ক
মিডিয়া ও ইন্টারনেট মনিটরিং
জাতীয় পরিষদ, জ্যামিতিছলাম
মগবাজার]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28769751 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28769751 2008-02-12 22:09:59
টু : নাম্ব অ্যান্ড ডাম্ব ব্লগ-ঈশ্বর খুব বেশী লজ্জা পাওয়ার দরকার নেই। সরাসরি বলেন - এই ব্লগে জামাতিরা থাকবে, ৭১কে কলংকিত করা পোস্ট থাকবে। কেউ স্বাধীনতা যুদ্ধের কথা বলতে আসলে তার প্রিয় মানুষকে গালি দেয়ার জন্য কিছু ছদ্মনিক লেলিয়ে দেয়া হবে। এগুলো আপনারাই লালন করবেন।
সাহস করে বলে ফেলুন, হে ঈশ্বর, পরম ক্ষমতাবান। আপনারাই তো ফ্রি ব্লগিং করতে দিয়েছেন। ডিসিশন আপনারাই নিন আগে।

তারপরে আমরা।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28769735 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28769735 2008-02-12 21:25:43
কবি জয় গোস্বামীর সাক্ষাতকার জয় গোস্বামীকে বিবেচনা করা হয় তার প্রজন্মের সবচেয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ কবি হিসেবে। ১৯৫৪ সালের ১০ নভেম্বের কলকাতায় জন্ম হয় তার। তার জন্মের পর গোস্বামী পরিবার পশ্চিমবঙ্গের রানাঘাটে চলে যায়। রানাঘাটেই জয়ের জীবনের বড় অংশ কেটেছে। প্রথম জীবনে পশ্চিমবঙ্গের লিটল ম্যাগাজিনগুলোতে কবিতা লিখে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে কবিতার বই ঘুমিয়েছো ঝাউপাতার জন্য আনন্দ পুরস্ড়্গার ও ২০০০ সালে পাগলী তোমার সঙ্গে বইয়ের জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্ড়্গার পান। কবিতা ছাড়াও লিখেছেন উপন্যাস, প্রবন্ধ, কলামসহ সাহিত্যের নানা আঙ্গিকে। দীর্ঘদিন কাজ করেছেন কলকাতার বিখ্যাত বাংলা পত্রিকা দেশ-এ। ইনডিয়া-বাংলাদেশ বই উৎসব উপলড়্গে গত ১ নভেম্বর তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন। ছিলেন গুলশান দুইয়ের হোটেল সেন্টার পয়েন্টে। সেখানে ৬ নভেম্বর তার সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন তরম্নণ প্রজন্মের কবি আপন মাহমুদ, মৃদুল মাহবুব, ফেরদৌস মাহমুদ, জাহানারা পারভীন, মাসুদ হাসান, মাদল হাসান, মাহমুদ শাওন, অঞ্জন সরকার জিমি, ইফতেখার ওয়াহিদ ইফতি। তারা জয় গোস্বামীর কাছে জানতে চেয়েছেন তার কবি জীবনের নানা কথা। জয় অন দি রেকর্ডে খুব বেশি কথা বলতে রাজি নন। চেয়েছিলেন সব আনুষ্ঠানিকতার ঊর্ধ্বে উঠে স্রেফ গল্প করতে। এমনকি ছবি তুলতেও রাজি ছিলেন না। ফলে সেই আড্ডার স্মৃতি থেকে এ সাড়্গাৎকারটি তৈরি করতে হয়েছে। যায়যায়দিনের জন্য সাড়্গাৎকারটি তৈরি করেছেন আপন মাহমুদ ও মৃদুল মাহবুব।



কথায় কথায় জয় বলছিলেন, ‘আমি একজন নিয়তি তাড়িত মানুষ। আমার কোনো সম্পর্কই টেকে না। সব সম্পর্ক গড়ায় যেন বিচ্ছেদের দিকে। এমনকি আমার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক দু’বার ভেঙে যেতে যেতে টিকে গেছে।’ এ কথা থেকেই আলাপের সূত্রপাত।

জয় গোস্বামী, জন্ম ১৯৫৪, কলকাতা ছবি ঃ জাহানারা পারভীন আপনি কবি বলেই কি নিয়তি তাড়িত? কোনো সম্পর্কই টেকে না?
না, এটা ম্যান টু ম্যান ভেরি করে। তবু কেন জানি মনে হয়, নিয়তি দ্বারা আমি অনেক বেশি তাড়িত।
তাহলে প্রেম? প্রেম কি হয়নি আপনার?
হয়েছে। মিলনে সুখও আছে।
আপনি এক সাড়্গাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমার জীবদ্দশার মধ্যে, আমার ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমস্তô পৃথিবীতে, এমনকি পৃথিবীর বাইরে যা কিছু ঘটছে সবই আমার আত্মজীবনীর অংশ।’ আপনার জীবদ্দশায় অনেক সহিংস ঘটনা ঘটেছে, অনেক বর্বরতাই পৃথিবীর বুকে সংঘটিত হয়েছে। এসবও কি আপনার আত্মজীবনীর অংশ?
দেখো, আত্মজীবনীর অংশ বলতে তো কেবল যাপিত জীবনের অংশ নয়, এখানে সৃষ্ট প্রতিটি ধ্বনি যা আমি শুনতে পাই, তার ভালো-মন্দ আমাকে বইতে হয়। শরীরটা আমি বইতে পারি, মনটা পারি না। এখানকার প্রতিটা ঘটনা দুর্ঘটনার ফলাফল মনে নিয়ে, মেনে নিয়ে আমাকে বাচতে হয়। এ বড় কষ্টের। আমি অনেক ওপর থেকে পড়ে যাওয়া বিচূর্ণ, খ ৈখ।ৈ
বিজ্ঞানীরা বলছে, ২০৪৬ সালে মহাকাশের একটা উল্কাপি ৈপৃথিবীকে আঘাত করবে। বিজ্ঞানীরা যদি একে ধ্বংস করার চেষ্টাও করে, আর যদি তার কোনো একটা অংশ পৃথিবীতে এসে পড়ে, তবে যে ড়্গতি হবে তা অকল্পনীয়। তোমরা আমাকে ভুলে যাবে। আর হয়তো দেখা হবে না। আমার বয়স এখন ৫৩। পৃথিবীর ধ্বংস হওয়াটা আমাকে দেখে যেতে হবে না। এটা আনন্দের। আমার লেখা হয়তো তোমরা আর পাবে না। আমি আনন্দবাজার ছেড়েছি, ওখানে আমার বইয়ের বিজ্ঞাপনও আর ছাপা হবে না। তোমরা আমাকে খুজেই পাবে না। সব জেনেশুনেই আমি আনন্দবাজার ছেড়েছি।
আশির দশকের পর বাংলা কবিতা বাংলাদেশমুখী।
বাংলাদেশের সাহিত্য অসীম সম্ভাবনাময়। ‘দারম্নচিনি দ্বীপ’ যে চলচ্চিত্রের নাম হতে পারে তা কলকাতায় ভাবাই যায় না। ওখানে অনেকেই তো কাজ করছেন। কই এমন নাম রাখার সাহস তো কারো দেখিনি। তোমাদের এখানে একটা মেয়ের নাম ‘ছোঁয়া’। ভাবা যায় বলো! ভাষার প্রতি ভালোবাসা আছে বলেই ‘ছোঁয়া’ নাম রাখা যায়। এখানে ভাষা দিয়ে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। অনেক তরম্নণের কবিতা পড়লাম এ কয়দিনে। অসম্ভব ভালো লিখো তোমরা। কারণ ভাষার প্রতি তোমাদের তীব্র ভালোবাসা। বাংলা ভাষাকে তোমরা অনেক বেশি ভালোবাসো। তাই হয়তো সম্ভব হচ্ছে এমন ভালো কবিতা লেখা।
দারম্নচিনি দ্বীপ দেখেছেন?
না।
কিন্তু আপনাদের মনোভঙ্গি দেখে তো তা মনে হয় না। একটা অবজ্ঞার দৃষ্টিতে আপনারা বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্যকে দেখে থাকেন। গত বছরের কৃত্তিবাসের এক সংখ্যায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ৫০ বছরের বাংলা কবিতা বিষয়ক গদ্যে বাংলাদেশের কোনো কবির নাম পাওয়া যায়নি। আমরা ঠিক মেলাতে পারি না।
কোনো এক ব্যক্তি কি লিখলো আর কি লিখলো না তা বড় কথা নয়। আর এছাড়া কলকাতার লিটল ম্যাগাজিন আর সাহিত্যপত্রই বলো সবখানে বাংলাদেশের লেখকদের লেখা গুরম্নত্ব সহকারে ছাপা হয়। আখতারম্নজ্জামান ইলিয়াসের বই কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। আর আমার স্ত্রী সকাল ৫টায় উঠে পড়তে বসে। আমি ৮টা সাড়ে ৮টায় উঠি। আমার শেলফে আখতারম্নজ্জামান ইলিয়াস, সেলিনা হোসেন, তসলিমা নাসরিন এদের বই আছে। আমি লেখক বলেই এ বইগুলো আমার কাছে আছে তেমন কিন্তু নয়। আমার স্ত্রী বইগুলো সেখানকার বুক স্টল থেকে কিনেছে। শুধু আমি নই, আরো অনেকে বাংলাদেশের বই সংগ্রহ করে এবং পড়ে।
সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় তো বলেছেন বাংলাদেশে সেই অর্থে কোনো লেখক নেই।
সন্দীপন অনেক বড় লেখক। বিন্তু একজনের ব্যক্তিগত লেখা ধরে এ কথা বললে তা বড় নির্মমতার কথা হবে। একজনের কথা কি সর্বদা যথার্থ হতে পারে? বাংলাদেশের লেখকদের পুরস্ড়্গৃত করা হয়েছে কলকাতা থেকে। তবে কি তাদের মূল্যায়ন করা হয়নি?
এর সঙ্গে তো রাজনীতি জড়িত!
দেখো, কোনো পুরস্ড়্গার কমিটিতে আমি থাকি না। পুরস্ড়্গার রাজনীতির সঙ্গে আমি জড়িত নই। ওই জীবন আমি কাটাইনি। আর যে জীবনের অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে আমি যাইনি, তার মূল্যায়ন আমি কিভাবে করবো? এ বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না।
কবি হিসেবে আপনি নিজেকে কিভাবে মূল্যায়ন করেন?
আমি লিখেছি। নিজেকে মূল্যায়ন করার আমি কেউ নই। পাঠকই আমাকে মূল্যায়ন করবে। নিজের সম্পর্কে কি আর বলবো বলো।
এ তরম্নণ বয়সে আমরা যেমন আপনাকে অনুভব করি, আমাদের মতো তরম্নণ বয়সে আপনি কাদের অনুভব করেছেন?
আমার তেমন কেউ পরিচিত ছিল না। শঙ্খ ঘোষকে ভালো লাগতো। শক্তিকেও। তবে সেভাবে যোগাযোগ ছিল না। কবিতা পড়ে কবিতা লেখার দিকে আমি আসিনি। জীবনে কোন ঘটনা ঘটলে তা থেকে কবিতা আসে?
কোনো পূর্ববর্তী কবির কোনো প্রভাব কি আপনার
ওপর ছিল?
দেখো, আমি আনন্দবাজারে চাকরি করতাম। এখন যদি প্রশ্ন করো কতো বেতন পেতাম তবে তা কি আর সমীচীন হবে? কাউকে যেমন প্রশ্ন করা যায় না আপনার বেতন কতো, তেমনি কোনো কবিকে প্রশ্ন করা উচিত নয় তার ওপর কার প্রভাব আছে। পাঠকই বলবে কাদের আমি অনুসরণ করেছি।
আপনার প্রিয় কবি কারা?
রবীন্দ্রনাথ, শঙ্খ ঘোষ।
সন্দীপনের গদ্য আপনার পছন্দ। আপনার গদ্যে আর কোনো প্রভাব···
আপনারা আবার আমার বেতন জানতে চাওয়ার মতো অসমীচীন প্রশ্ন করছেন। এমন প্রশ্ন লেখককে করা উচিত নয়।
ছন্দ বিষয়ে কিছু বলবেন?
এ বিষয়ে মোটা মোটা বই আছে। অনেকেই লিখছে, আজকালকার কবিতার ছন্দ কেমন হওয়া উচিত বা কবিতা কেমন লেখা উচিত। আমি দু-একটি পড়েছি। তবে এগুলো কবির কোনো উপকারে আসে না। কে কিভাবে লিখবে তা তার একান্তô ব্যক্তিগত ব্যাপার। কেউ কাউকে বলে দিতে পারে না কবিতা কেমন হবে। তেমনি কবিতা ছন্দে লেখা উচিত কি অনুচিত আমি তা বলার কেউ নই। আমি যখন লিখি তখন আমি জানি না প্রথম লাইনের পর দ্বিতীয় লাইন কেমন হবে। ৫৫ লাইনের পরও জানি না কবিতাটা হয়তো ২০০ লাইনের দীর্ঘ কবিতায় শেষ হবে। লাইনগুলো আসতে থাকে। আমি যখন লিখি তখন লেখা ছন্দোবদ্ধভাবে আসে। লিখে ফেলি। কিভাবে লিখি তা আমার জানা নেই।
গদ্য ছন্দে আপনার কাজ কম। আপনার প্রথম খÐের অসঙ্কলিত কবিতাংশে ‘দেবী’, ‘পুরম্নষ’, ‘কুষ্ঠ’ কবিতাগুলো গদ্যের ঢঙে লেখা। এমন কাজ আপনার কম।
একজন কবির কবিতা সম্পর্কে বলতে গেলে তার সব কবিতা পড়তে হবে। তারপর কথা বলতে হবে। আমি যখন কোনো কবির কবিতা পড়ি তখন আমি প্রকাশ কাল ক্রমে বই ধরে ধরে পড়ি। আমার মোট ২৪টি বই প্রকাশিত হয়েছে। সব হয়তো পড়োনি। পরে আরো ছয়টি বই আছে যা সমগ্রের অন্তôর্ভুক্ত নয়। আর তোমরা যে কবিতাগুলোর কথা বলছো তা গদ্যাকারে সাজানো। কিন্তু খেয়াল করলে দেখবে ওগুলো অড়্গরবৃত্তে সাজানো। কেন বিশেষভাবে গদ্যে কাজ করিনি, তার উত্তর আমার অজানা। কাউকে খুজে পেতে হলে তাকে অনুসরণ করতে হয়। একটা লাইন লেখার পর পরের লাইনটা কি হবে তা আমার জানা থাকে না। দেখা যায় অপসৃয়তার খেলা চলে। কবি কিছু জানে না তার লেখা সম্পর্কে। লাইন আসে আর হারিয়ে যায়। একবার পড়েছিলাম, ‘আমার মাথায় কবিতার পস্নট এসে গেছে।’ পড়ে হেসেছিলাম। কিন্তু পস্নট এলে সমস্যা কি। নানাজন নানাভাবে লেখে। এতে দোষের কিছু নেই।
এর মানে এ নয় যে, ওভাবে কবিতা লেখা সম্ভব নয়। আমি কোনো পস্নট চিন্তôা করে লিখি না। ধরো দুজন লোকের একই রোগ। ডাক্তার একই ওষুধ দিল। একজনের সারে আর একজনের সারে না। কারণ দুজনের দেহের কাঠামো এক নয়। তেমনি একজন যা ভাবে আর একজন তা না-ও ভাবতে পারে। আর একজনকে যে আরেকজনের মতো ভাবতেই হবে ৈএমন ভাবলে সমস্যা আছে। যে যার মতো।
আমি জানি না আমি কি লিখবো। আমি পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া লিখতে থাকি। বাসে বসে আছি, কেউ কথা বলছে, শব্দ হচ্ছে, টিকেট চেকার টিকেট চাইছে ৈএরই মাঝে হয়তো চার লাইন কবিতা এসে গেল। বাস থেকে নামলাম, কবিতাটা হারিয়ে গেল। বাসায় ফিরলাম, বাথরম্নমের ট্যাপ ছাড়লাম, পানি পড়ার শব্দে আবার কবিতা চলে এলো। লিখতে বসলাম টেবিলে, দু-তিন লাইন লিখেছি, চার নাম্বার লাইন লিখছি··· দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ, দরজা খুললাম, কেউ হয়তো আমার স্ত্রীকে খুজছে। বললাম বাড়ি নেই, সন্ধ্যায় আসুন, টেবিলে ফিরে এলাম কিন্তু সেই চতুর্থ লাইনটা হারিয়ে গেছে। ওখানে অন্য একটা লাইন এসে ভর করেছে। এভাবেই লেখা চলতে থাকে।
সহিত্যতত্ত্ব বিষয়ে আপনি কি ভাবেন?
তত্ত্বের প্রয়োজনীয়তা আছে। মানুষ নিজের অস্তিôত্বকে বাচানোর জন্য তত্ত্ব তৈরি করে। সে তত্ত্বের একেকটা পাথরের আড়ালে লুকায়, তারপর হয়তো অন্য একটা পাথরের আড়ালে। তত্ত্বের পাথর দিয়ে সেগুলো ঠেকায়। আর তা না হলে তো সে আর বেচে থাকতে পারতো না। কিন্তু কবিতার জন্য তত্ত্বের দরকার নেই। আমার এমনই মনে হয়।
আপনার মায়ের কথা বলুন।
মা আমায় আপন মনে থাকতে দিয়েছিলেন। তিনি তাত্ত্বিক ছিলেন না। তাত্ত্বিকরা পৃথিবীকে আপন মনে থাকতে দেয় না।
‘··· কই কবি? কবি সে কোথায়?/যে ধরে সহস্রধারা মন?/যে ধরে সমস্তô ছন্দ? ধরে/কনিষ্ঠায় গিরিগোবর্ধন?’ কিন্তু একজন কবির পড়্গে কনিষ্ঠায় গিরিগোবর্ধনের মতো একটা পর্বত তুলে ধরা সম্ভব? আপনি কি কবিকে অসম্ভব সম্ভব করার কথা বলছেন?
ছন্দ বলতে শুধু স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত বা অড়্গরবৃত্ত নয়। জীবনের ছন্দ একজন কবিকে বুঝতে হয়। কৃষ্ণ গিরিগোবর্ধন কনিষ্ঠা আঙুলে শূন্যে তুলেছেন।
তবে কি আপনি কবিকে ঈশ্বরের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলছেন?
না, কবি ঠিক ঈশ্বরও নয়।

যাযাদি ৮ নভেম্বর ২০০৭]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28769300 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28769300 2008-02-11 17:10:44
অভিনন্দন এস্কিমো পরিবার!
অভিনন্দন এস্কিমো পরিবার!

নবজাতকের জন্য শুভকামনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28767403 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28767403 2008-02-06 00:37:07
বউ বাটা বল সাবান [] নজমুল আলবাব'র গল্পের বই পরশু বইমেলার লিটল ম্যাগ চত্বর থেকে কিনলাম - বউ, বাটা, বল সাবান।নজমুল আলবাব'র ছোট গল্পের বই। ১২টা গল্প আছে। এই পর্যন্ত যা পড়লাম এক কথায় খুবই চমতকার। নজমুলের লেখা ব্লগে পড়েছি বিভিন্ন সময়ে।কিন্তু বই পড়তে গিয়ে এবার মনে হল গল্পগুলো অসাধারন।

আগে যারা পড়েননি তাদের জন্য বউ বাটা বলসাবান গল্পটা নিচে কপিপেস্ট দিলাম।

[][][][]][][][][]][][][][]

সমস্যা শুরু হয়েছিল বিয়ের দিনেই। শ্বশুর বাড়ির লোকজন দাদাকে মাত্র এক হাজার টাকা নজরানা দিলো! খেপে গেলেন মা, বাবা, বড় চাচা...।

ভাবী যে শো-কেস এনেছে সেটার তাকগুলো কদম কাঠের। সোফার ফোম খুব বাজে, দুদিনেই বসে যাবে। ড্রেসিং টেবিলটার ডিজাইন সেই মান্ধাতা আমলের। আরো কতো ভেজাল যে আছে.....!

ভাবীর অনেক খুঁতও বেরুতে লাগলো। কথা বলে কেমন করে, তিন বাড়ির মানুষ শুনতে পায়!
ঠা ঠা করে হাসে। বাপের বাড়ির এতো অপরাধের ব্যাপারেও তার কোনো বিকার নেই। এমন ভাব দেখায়...! যেন কিছুই হয়নি...

এরকম হলে কার না খারাপ লাগে! শরীর জ্বলবে না কার?

আর দাদাও এমন ভেড়ুয়া! বউ এতো বেহায়ার মতো চলে তবু কিচ্ছু বলবে না। যেন কিছুই হয়নি। বিয়েতে এতো অপমান, আর সে মিন মিন করে বলবে, 'থাক এসব নিয়ে কথা বাড়িয়ে আর লাভ কী!' কোনো আত্মসম্মান নেই। দু'দিনেই বউয়ের আঁচলের তলে ঢুকছে!

আমরা কেউ ভাবীকে পছন্দ করি না। আচরণেও সেটা বুঝিয়ে দেই। কিন্তু ভাবী সেটা গায়েই মাখে না। আর নিজেকে জড়াবে সবকিছুতে। আমরা হয়তো বসে গল্প করছি বা খেলছি, এসে বলবে_ 'আমিও খেলবো তোমাদের সঙ্গে...।'

বাবা বাটার জুতা পরেন। প্রাচীন ডিজাইনের ভোম্বল সাইজ জুতা পরছেন তো পরছেনই। দাদা কতোবার অন্য কোম্পানির জুতা এনেছেন, বাবা পায়ে দিয়েও দেখেননি।

আর মা বল সাবান না হলে কাপড় ধোয়াই বন্ধ করে দেন। কতো কতো নতুন ডিটারজেন্ট বেরিয়েছে, তাদের কতো বাহারি বিজ্ঞাপন! কিন্তু মা তার বল সাবান বদলাবেন না।

বাবা, মা, বড়চাচা_ সবারই এমন অনেক কিছু আছে, যা কখনো বদলানো হবে না। তিনজনই বলেন_ 'এসব বদলানোর প্রশ্নই ওঠে না।'

বল সাবান কিংবা বাটার জুতা বদলানো অসম্ভব। কিন্তু বউ বদলানো কোনো ব্যাপারই না। এটা আমরা সবাই জানি। মা বলছেন, দাদার বউ বদলে ফেলবেন।

[][][][][][]][][]][][][]]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28767295 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28767295 2008-02-05 16:45:56
আজ বই মেলায় দুই ঘন্টা " style="border:0;" /> ।

ফোন করলাম - অচেনা বাঙালিকে ।উনার তখন মেজাজ খারাপ । অফিসে নাকি ফাইলের পরে ফাইল জমা। সন্ধ্যার আগে বের হবেন না।আমি মজা করে বললাম - অফিসের গরমে একটাই ঠান্ডা,ঠান্ডার নাম কোকাকোলা। উনি বললেন - এই বৃষ্টি বাদলা আর ঠান্ডায় কোক খাইতে কও, মাথা ঠিক আছে?

কি আর করা, রিক্সা নিয়ে রওনা দিলাম। দোয়েল চত্বর পার হয়ে সামনে দেখি বিশাল লম্বা লাইন। লাইনে দাড়াই। বাদাম কিনে খাই,আস্তে আস্তে আগাই। হঠাৎ দেখি খানিক দূরে কালো চশমা পড়া এক লোক। চেনা চেনা মনে হয়। ইচ্ছা করে সামনে গিয়ে ভাল করে দেখি। লাইন ভাঙলে সমস্যা, র‌‌্যাবের কালো মামুরা টহল দিচ্ছে।আমি কনফার্ম কালো চশমা পড়া লোকটা আমার চেনা। ব্লগার।ছোটখাট মাথা। ঠিক ধরেছেন - উনি আমাদের আলাম ভাই। আমার হঠাৎ করে মাথামোটার কথা মনে হয়, গন্ডারের কথা মনে হয়। এদের কাছে পাইলে ভাল মজা হইত।যাক, মেলায় ঢুকে আর আলাম ভাইকে পাইলাম না।ভীড়ে কোথায় হারিয়ে গেল।

বাংলা একাডেমির স্টলে লম্বা সারি।ব্যাগ জমা দিয়ে টোকেন নিয়ে ঢুকলাম। ডিকশনারীর নূতন সংস্করণ এসেছে। ছোটভাইয়ের জন্য এক কপি কিনলাম। তারপর এদিক ওদিক হাটি। চেনাজানা কেউ চোখে পড়ে না। আলাম ভাইও না।

পরিচিত ব্লগারদের বই খোঁজ করি। জেবতিক আরিফের 'তাকে ডেকেছিল ধুলিমাখা চাঁদ', অমিত আহমেদের 'গন্দম' এখনো মার্কেটে আসেনি। আলি মাহমেদের নূতন বই - খোদেজা। প্রকাশক জাগৃতি।

নকশীকাঁথা বরাবরের মত কবি জসীম উদদীনের বই নিয়ে এসছে। সেবা-প্রজাপতির সামনে স্কুল কলেজ পড়ুয়াদের ভীড় বেশী। এরিক মারিয়া রেমার্কের 'অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট' কিনলাম, আগের কপি হারিয়ে গেছে। তারপর ভীড়ে আমি হাঁটি। একটু একটু ঠান্ডা লাগছে, সন্ধ্যা নেমেছে প্রায়।

শেষে গেলাম লিটল ম্যাগ চত্বরে। দুটা বই কিনলাম।শুদ্ধস্বর স্টল দেখে ব্লগার সারওয়ার চৌধরীর বই চাইলাম। উনারা বলল -আজিজে পাব, এখানে নাই।আমি ভাবলাম - স্টক শেষ। পরে জানলাম - সারওয়ার সাহেবের কোন বই মেলায় পাওয়া যাবে না <img src=" style="border:0;" />

মেলা থেকে বেরিয়ে হেঁটে হেঁটে শাহবাগ আসি। আচমকা সামনে দেখই কালো চশমা পড়া লোকটা, আমাদের আলাম ভাই।আমি দৌড় দিয়ে আলাম ভাই আলাম ভাই বলে ডাক দিলাম। আমাকে দেখে উনি ভোঁ দৌড়। আমিও দৌড়াই। ধরতে পারলাম না, আলাম ভাই বিআরটিসির ডবল ডেকারে উঠে গেল।

রিক্সা নিয়ে বাসায় ফিরি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28766697 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28766697 2008-02-03 20:40:04
শয়তানের নিয়ম কানুন
২) রং নাম্বারে ডায়াল করলে কখনোই ফোন বিজি দেখায় না।

৩) জ্যামের মধ্যে বাসে বসে থেকে বিরক্ত হয়ে যখন বাস থেকে নেমে হাঁটা শুরু করলেন, তখনি জ্যাম ছেড়ে যাবে, বাস চলতে শুরু করবে।

৪) দুই হাতে কাদা মেখে কাজ করার সময় নাক মুখ চুলকানো শুরু হয়।

৫) কোন মেশিন কাজ করছে না, আপনি যখনই কাউকে দেখাতে যাবেন এটি কাজ করছে না, সাথে সাথে মেশিনটি কাজ করা শুরু করবে।

৬) সব কিছুই সম্ভব, যদি আপনি না বোঝেন আপনি কি নিয়ে কথা বলছেন!

৭) আপনি যেখানেই যান না কেন, সেখানেই আপনি নিজেকে পাবেন।

৮) আয়েশ করে এক মগ কফি নিয়ে বসলেন, ঠিক তখনি আপনার বস ডাক দিবে এবং কথা শুরু করবে, ততক্ষণে আপনার কফি ঠান্ডা হীম।

৯) অফিসে দেরীতে পৌঁছে বসকে মিথ্যে বললেন - 'পথে জ্যাম ছিলো'। পরদিন আপনি ভয়াবহ জ্যামে পড়বেন।

১০) জুতা সাইজে মিললে ডিজাইন মনে ধরে না। ডিজাইন পছন্দ হলে সাইজে মিলে না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28764809 http://www.somewhereinblog.net/blog/monitorblog/28764809 2008-01-27 23:28:24