আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
তিনটি ভিন্ন ঘটনা > তিনটি পরম্পরা > অতঃপর দে গরুর গা ধুইয়ে
১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৫
এক.
শীত আসার আগেই সাইবেরিয়া থেকে পাখিরা উড়তে শুরু করে। হাজার হাজার মাইল পেরিয়ে চলে আসে উষ্ণ উপমহাদেশে। অর্ধেক ফিরতে পারেনা। সর্বভূক মনুষ্য পেটে প্রটিনের অভাব মেটায়।
শীত-গ্রীষ্ম নেই, উষ্ম অঞ্চলের দরিদ্র মানুষ তাদের ছেলেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সঙ্কিত হয়ে জমি-জিরেত বেঁচে ছেলেকে ছেড়ে দেয় পশ্চিমের দিকে। বাংলাদেশের কোন এক হতদরিদ্র গ্রামের ছেলেটি টানা লম্বা ভ্রমণ শুরু করে। এক সময় কিভাবে যেন সে পোল্যান্ড পৌঁছে যায়। সেখান থেকে রাতের আঁধারে কম্যুনিকেটর বা দালালরা তাদের ছেড়ে দেয় মায়া দেশ জার্মানীর পথে। রাতে বরফের ওপর জুতো পরে হাঁটলে শব্দ হতে পারে, বরফ দেবে যেয়ে নদীতে সলীল সমাধী হতে পারে!পায়ের শব্দে পুলিশ টের পেয়ে যেতে পারে! তাই শুধু মোজা পায়ে রওনা হয় ছেলেগুলো! হিমাঙ্কের নীচে দশ ডিগ্রী, এমন ঠান্ডায় অনভ্যস্থ ছেলেগুলো জীবন আর বেঁচে থাকার সুখস্বপ্নে এতটাই বিভোর থাকে যে খেয়ালই করে না তার পায়ের তালু বেয়ে শীতের মরণকামড় ধীরে ধীরে হাঁটু অব্দি উঠে এসেছে! কুড়িটি ছেলে যাত্রা করার পর বার্লিন বা অন্য কোন সীমান্তবর্তী ছোট শহরে যখন পৌঁছে, বেঁচে যাওয়া ছেলেটি পেছন ফিরে দেখে সে আর দুই জন! বাকি সতের জন নেই! সাইবেরিয়ার পাখিরাও অর্ধেক ফেরে!
মট মট করে পায়ের হাড় ভেঙ্গে জীবন-মরণ সন্ধীক্ষণে একটি ছেলেকে উর্দ্ধার করেছিল ন্যাটো সৈন্যরা। তাকে নিয়ে বিবিসি'র ফিচার। দেখেছিলাম ১০/১২ বছর আগে।
মোরালঃ "রেমিট্যান্স এবার ভাল আসছে, তাই জিডিপি ছয়ের ওপরে থাকবে বাজেটে"!
দুই.
লন্ডনের হাউস অব কমন্স এ একটি বিল তুলেছিল তখনকার বিরোধী লেবার পার্টি। বিলটির বিষয় ছিল গরু ব্যবসায়ীদের অমানবিক কর্মকার্ন্ড নিয়ে। ফ্রান্স থেকে গরু আমদানী করে ট্রাকে তুলে সেই ট্রাক ফেরিতে করে ইংলিশ চ্যানেল পার হয়ে গরুগুলোকে লন্ডনে নিচ্ছিল। ট্রাকে গাদাগাদি করে গরু রাখার কারণে একটি গরু পথিমেধ্য মারা গেছিল। সেই মৃত গরুটির জন্য হাউস অব কমন্সে বিল! এই বিষয়টি নিয়ে সে সময় লন্ডনের পত্র-পত্রিকায়ও বিস্তর লেখালেখি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত "অমানবিক" ভাবে গরু পরিবহনের জন্য এবং পশুর প্রতি যথাযথ মানবিক না থাকার অপরাধে ওই গরু ব্যবসায়ীর শাস্তিও হয়েছিল!
মোরালঃ "প্রতি মাসে উত্তর বঙ্গের দিনমজুররা কম ভাড়ায় ট্রাকে বাড়ি ফেরার সময় ট্রাক উল্টে ঝাঁকে ঝাঁকে মারা যায়। তার পর এই ভূখন্ডের কোথাও কিছু ঘটে না!"
তিন.
পিলখানার ভেতরে যাওয়া বিডিআর সদস্যদের সাথে তাদের উদ্বিগ্ন পরিজন দেখা করতে পারছে না। তাদের সাহায্যের জন্য বাইরে একটি চিঠির বাক্স রেখে দিয়েছেন সেনা কর্মকর্তাগণ। কিন্তু বিডিআর ট্রাজেডীর সময়ের টিভি ফুটেজ দেখলে স্পষ্ট বোঝা যায়, আসলে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিজনদের প্রতি তেমন সহমর্মিতা ছিলো না সেনাসদস্যদের। যখন পিলখানার গেটের বাইরে উদ্বিগ্ন স্বজনেরা সেনাকর্মকর্তাদের লাশের সংবাদ জানতে অপেক্ষা করছেন, ঠিক তখন বাইরে সেনা ও জাওয়ান মওজুদ থাকলেও, এইসব উদ্বিগ্ন মানুষের জন্য সামান্য ছায়ার ব্যবস্থা করবার বোধটুকুও তাদের হয় নি। এইসব মানুষ, যারা ন্যুনতম মানবিকতাবোধ সম্পন্ন নয়, তারাই বিভিন্ন আব্দার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কাছে আব্দার করেছেন ছেলে ভুলোনো কায়দায়। সংবাদপ্ত্রের ভাষ্য এমনই।
সংবাদপত্র সমূহে আরো প্রকাশঃ এখনও দৃশ্যটা বদলায় নি, অনেক কিছুই আমাদের চর্মচক্ষুর অগোচরে ঘটে যাচ্ছে, তবে সেনাকর্মকর্তাদের পরিবার নয় এখন লিপখানার গেটে অপেক্ষারত বিডিআর জাওয়ানদের পরিজন। এবং সংখ্যা বিচারে তারা অগনিত। অন্তত ৬০/৬২ জন নিহত সেনাকর্মকর্তার জন্য প্রায় ৫০০০ মানুষ জিম্মি হয়ে আছে। সেই সাথে অন্তত ৮ হাজার পরিবার জিম্মি। উন্মাদের হাতে পারমাণবিক বোমার সুইচ দিয়ে দেওয়া তেমন বোধবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাজ নয়, কিন্তু আবেগান্ধ চতুর, ক্ষমতালোভী সেনাব্যুরোক্র্যাসির হাতে সব ক্ষমতাই আদতে অর্পন করে নিরাপদে নিজের নাগরিকের নাগরিক অধিকার ও আইনি অধিকার ক্ষুন্ন হওয়ার তামাশা দেখছে প্রশাসন ও সরকার, মনে হতে পারে এ ছাড়া সরকারের বুঝি আর তেমন কিছু করণীয়ও ছিল না, বা নেই! ৯ তারিখে যে দুজন সেনা কর্মকর্তা হেলিকপ্টার ভেঙ্গেপড়ে মারা গেলেন তাদের জন্য ১১ তারিখ রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হলো। আমরা মোটেই অবাক হব না যদি শুনি যে আহত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে, তিনি মারা গেলেও রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হবে।আমরা এ নিয়ে বিরুদ্ধপক্ষ নই। আমরাও চাই যে যার মর্যাদা অনুযায়ী সন্মান পান। কিন্তু সেই তুলনায় বিডিআর দের নিরীহ পরিবারগুলোও কেন তাদের মানবিক প্রাপ্তিটুকু পাবে না? এর সাথে আসুন আমরা সেই হাউস অব কমন্সের ঘটনাটি মেলাই, কি পেলাম?
বিডিআর জাওয়ানদের কেউ চোখে দেখছে না, তাদের কণ্ঠ শুনছে উদ্বিগ্ন স্বজনেরা। এবং সেই টেলিফোন বুথের সামনে বসে আছে নির্যাতকের দল। তারা সব কিছুই মনিটর করছে। আদতে তারা বুদ্ধিতে তেমন উচ্চ নয় বলেই অনেক অদ্ভুত কাজ করছে। নির্বোধের তামশা দেখা আর সার্কাসের জোকারদের তামাশা দেখবার ভেতরে তেমন প্রভেদ নেই। কিন্তু এই তামাশায় আমরা হাসতেও পারছি না, অস্ত্রধারীদের "তামাশা" দেখে হাসলেও প্রাণদন্ড হয়ে যেতে পারে। কিংবা তাদের এই আচরণ তাদের কাছে অতি বুদ্ধিমান পদক্ষেপ মনে হচ্ছে।
যে ছেলেটির পিতা তার ছেলেটির বুকের ছাতি ৩৬ হয়েছে, লম্বায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি হয়েছে দেখলেই অভাবের তাড়নায় বিডিআর রিক্রুটিং সেন্টারে দাঁড় করিয়ে দেয়, সেই পিতা নিজেকে গর্বিত ভাবে, তার ছেলে দেশ রক্ষার কাজে আছে। তার চেয়েও নিরাপত্তা পায়, তার ছেলে তিন বেলা পেট পুরে খেতে পাবে। বাড়িতে টাকা পাঠাতে পারবে। কেননা তার হাতে বিক্রির মত জমি ছিল না। থাকলে সে ছেলেকে বরফের ওপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে জার্মানীতে পাঠাতে চাইত।
৬০/৬২ জন দেশের সূর্য সন্তানের মৃত্যুর দায় শোধ করছে হাজার হাজার বিডিআর এর নিরীহ পরিবার। দিনের পর দিন তারা পিলখানার আশেপাশে মিছে মরিচিকার আশায় ঘুরে ফিরছে।তাদের স্কুল-কলেজ বন্ধ। চুলোয় হাড়ি চড়ছে না। দুধের শিশুগুলো অবুঝ চোখে কেবলই মায়ের মুখে কি এক অনাগত সত্য হাতড়ে মরছে।রাষ্ট্র,সরকার,সুশীল সমাজ,বিবেকবান মানুষদের কাফেলা কিছুতেই আর হতদরিদ্র ওই বিডিআর সদস্য আর তাদের ভুখানাঙ্গা পরিবারদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে না। বিভিন্ন কর্পোরেট ব্যাপারীরা এই মওকায় পত্র-পত্রিকায় ফেনিয়ে বিবৃতি দিচ্ছে, কোটি কোটি টাকার অনুদান ঘোষণা করছে। রাজার মুকুট হারিয়েছে তো কি? রানীকে বাঁচানোর জন্য সভাসদ আর আমর্ত্যবর্গ এন্তার কোশেশ জারি রেখেছে। কিন্তু যারা কোন দিনও রাইফেল স্ক্যয়ারে ঢোকার সাহস করেনি, কোন কালেও বাড়ির পাশের নিউ মার্কেটের গেট পেরোয়নি, গ্রাম্য আটপৌরে শাড়ির বদলে জর্জেট চোখে দেখেনি, নিজেদের কম্পাউন্ডের দামি স্কুলটাতেও বাচ্চা পড়ানোর ক্ষমতা রাখেনি, আজও তারা মানবিক বিচারের আবেদন রাখার জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না এত বড় এই ঢাকা শহরে। তাদের সারা জীবনের সকল চাওয়া-পাওয়া একিভূত হয়ে ঠেকেছে চিরচেনা ওই পিলখানার লৌহ কপাটে। মাথাকুটে মরছে মানবতার আবেদন। নাভিশ্বাস উঠে গেছে আমাদের মানবতার নির্লজ্জ শ্রেণী বিভাজন দেখে দেখে।
মোরালঃ জাত-পাত, ধর্মাধর্মি, বর্ণবিভাজন, আঞ্চলিকতা,লৌকিকতা, সব কিছুর ওপরে শ্রেণী। শ্রেণী বিভক্তির নির্লজ্জ প্রকাশ যা রাষ্ট্রীয়ভাবে বিধিবদ্ধ আইন দ্বারা সর্বসমক্ষে প্রচারিত। চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কি !!!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নোম্যান্সল্যান্ড। ;
প্রকাশ করা হয়েছে: এলেবেলে বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ২:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: দৃষ্টিকটু এবং বিরক্তিকর লিফলেট।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
এবং এটার নির্লজ্জ চাটুকারিতাকে ডিফেন্ড করার লোকের ও অভাব নেই ..।
++++++++
লেখক বলেছেন:
আমাদের দেশে সম্ভবত সব চেয়ে বর্ধিষ্ণু কলা গাছ। জল-সার ছাড়াই মাটি ফুঁড়ে চারা গজায়। আর ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয় তার চেয়েও দ্রুত বর্ধিষ্ণু আমাদের চাটুকার আর দালাল শ্রেণী! তারা কলাগাছের চেয়েও দ্রুত মাটি ফুঁড়ে গজায়......................
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
কি আর বলবো!সরকার, মিডিয়া আর উর্ধতনদের এমন নৃশংস নির্লজ্জতায়(যদিও এমনটিই হওয়ার কথা) আমি একজন মানুষ হিসেবে লজ্জিত।
জনগণ মানবিক হতে চাইলে রাষ্ট্র আর এলিটিস্টদের আচরণে তা হতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়।
সময়োপযোগি পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
ইউরোপীয় পুঁজিবাদীদের তাও একটা "রকম" আছে। ওয়েলফেয়ার হওয়ার একধরণের তাড়না আছে। তার পাশে আমাদের সেই সামন্তবাদীতার গ্লানী আজো তাড়া করে বেড়াচ্ছে। আইটির চরম উৎকর্ষতার স্বাদ গ্রহণের পরও আমাদের গা থেকে কিছুতেই সামন্তবাদের গন্ধ যেতে চাইছে না।
ধন্যবাদ শিমুল।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
এই ব্লগও কি সেই শ্রেণী বিভাজনের বাইরে যেতে পেরেছে ? এখানে কে আছে আজ বিডিআরের মতো বঞ্চিত শ্রেণীর পক্ষে দাঁড়াবে ? কয়েকজন খুনীর জন্য হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষকে জনবিচ্ছিন্ন করে রাখা যে একটি বিরাট অপরাধ সেটা বোঝার মতো মানুষ কি আছে এদেশে ?
লেখক বলেছেন:
শামীম ভাই,রাষ্ট্রীয় কাঠামো বা এস্টাবলিশশমেন্টের বাইরে সাধারণ মানুষ ভীষণ রকম মিডিয়া আর নিজ নিজ শ্রেণী চরিত্র দ্বারা আবদ্ধ। তাই তারা যদি এসবের কল্যাণে ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে আসে তবুও তাদের শূলে চড়ানো যায় না। কিন্তু যারা নিজেদের দেশের শাসকশ্রেণী, পরিচালক, মেরুদন্ড বলে চাউর করে তারা কেন আবেগসর্বস্ব হুজুকে পাবলিকের মত আচরণ করবেন?
ব্লগে গত ২৫ তারিখ থেকে আমি কিছুই লিখিনি। লিখতে পারিনি। সেল্ফ সেন্সরশীপ আমাকে অষ্টেপিষ্টে বেঁধে রেখেছে। অনেক কথা গুমরে গুমরে ভেতরেই মরে গেছে। আজ কেন যেন মনে হলো কথাগুলোর মৃত্যু হওয়ার আগে বলা দরকার।
সবচে' বড় কষ্ট হচ্ছে, যে শ্রেনী তার নিজের আর পরের পার্থক্য বুঝতে পারে না, বুঝতে চায়না, তাদের আচরণে কষ্ট পাওয়া ছাড়া আর কি করার আছে?
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
মঞ্জুরুল ভাই আপনি বর্তমানে দেশের বাস্তব প্রেক্ষাপটকে অপকটে বিভিন্ন দিক থেকে তুলে ধরেছেন!ভাবতে খুবই কষ্ট হয় গুটিকয়েকের জন্য সবার জীবন আজ অনিশ্চয়তার স্বপ্নে বিভোর হতে চলছে।
আর এই দেশ এই সমাজ........আর্মির অস্পষ্ট শৃঙ্খলে আবদ্ধ.
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ রোমাস।
চিন্তা করতে সাহসী হোন।
সাহসী হতে চিন্তা করতে শিখুন।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ভালো একটা লেখা পড়লাম। ধন্যবাদ আপনারে
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ সময় ব্যয় করে পড়বার জন্যে।
লেখক বলেছেন: এরপর আর কিছুই বলার থাকে না.....
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
ভাইয়া সত্যিই অসাধারণ একটা লেখা পড়লাম। মনটাই খারাপ করে দিলেন।
লেখক বলেছেন: মনটা ভাল করুন ভাইয়া। এভাবেই আমরা বেঁচে আছি......
লেখক বলেছেন: বায়ান্ন সব সময়ই বায়ান্ন। কখনোই তা তিপ্পান্ন নয়।
বাফড়া বলেছেন:
জীবন কি জিনিস... দুনিয়া কি জিনিস আজকাল বুঝতে পারি...। আমরা মানুষগুলা কিরকম জানি আজীব কিসিমের... আমাদের সবকিছু কিরকম উল্টাপুল্টা
লেখক বলেছেন:
পশুতে আর মানুষে অনেক তফাৎ এর ভেতর স্মরণযোগ্য তফাৎ হচ্ছেঃ
পশু অভিনয় জানে না।
মানুষ জানে।
শ্রেণীর বাইরে আমরাই কি বের হতে পারি ?
লেখক বলেছেন:
না। বের হতে পারিনি। চেষ্টা জারি আছে। যদি এই চেষ্টাটাও না থাকে তাহলে বের গওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। মধ্যবিত্ত মানস থেকে ছিটকে বেরুনো সবচে' কঠিন, কারণ মদ্যবিত্ত একাধারে ওপর-নিচ দুই শ্রেণীরই তোষামুদি করে, আবার দুই পাত্র থেকেই সর তুলে খায়। আমরা সেই শ্রেণীরই প্রতিনিধি।
ধন্যবাদ নাজিম, চমৎকার বিয়টি অবতারণার জন্য।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ কায়েস মাহমুদ।
তর্পন বলেছেন:
বিডিআর সৈনিকদের নিয়ে কিছু বললে দেখেছি কিছু মাথামোটা অথবা ক্যান্টনমেন্টী ব্লগার এমন ভাবে পেচায় যেন হত্যাকারীকে বা্চানোর কথা বলছি । এটি একটি মানবিক দিক ।এমনকি হত্যাকারীকেও অপরাধী হওয়ার আগে অত্যাচার করে, অবহেলা করে কষ্ট দেয়ার ঘোর বিরোধী আমি । দেখুন বৈষম্যের নমুনা ।৭ নিহত সৈনিকের পরিবারের হাহাজারি, সরকার নিরব
বিডিআর সৈনিকের আত্মহত্যা . এছাড়া কোন এক জোয়ানের বৃদ্ধ বাবা মারা গেছে ।
আজ তৃতীয় বিশ্বের ব্লগে এই ভিডিও লিংক দেখলাম, মনে হয় খুব সত্যি কথা বলেছে এই সাংবাদিক:
Click This Link
গতকাল যখন দেখলাম দুর্ঘটনায় কারণে মৃত সেনা অফিসারের জন্য রাষ্ট্রীয় শোকের নির্দেশ দেয়া হয়, মনে হয় রাষ্ট্রীয় শোকের ক্ষমতাটাও ও ব্লাডি সিভিলিয়ানদের হাতে নাই ।
=================================
সাম্প্রতিক পোষ্ট:
ইউটিউবের দুটো পুরনো ট্রিক্স
ইউটিউব কে নিষিদ্ধ করেছিল যে সব দেশ
লেখক বলেছেন: "বিডিআর সৈনিকদের নিয়ে কিছু বললে দেখেছি কিছু মাথামোটা অথবা ক্যান্টনমেন্টী ব্লগার এমন ভাবে পেচায় যেন হত্যাকারীকে বা্চানোর কথা বলছি । এটি একটি মানবিক দিক ।এমনকি হত্যাকারীকেও অপরাধী হওয়ার আগে অত্যাচার করে, অবহেলা করে কষ্ট দেয়ার ঘোর বিরোধী আমি ।"
---------------------------------------------------------------------------------
আপনার এই অসাধরণ মন্তব্যের পর আর নতুন করে কিছু বলার থাকে না। আপনি হয়ত জানেন না, এই ব্লগে আমার কিছু অতি পরিচিত মানুষদের ইক্যুয়াল ডাইলেমা বোঝাতে গিয়ে খুব বাজে ভাবে অপমানিত হয়েছি। তারা লাশেরও ক্লাসিফিকেশন করে ফেলেছে! আমাদের অফিসাররা যেমন আমাদের কারো ভাই, কারো সন্তান, কারো স্বামী, তেমনি জওয়ানরা কি তা নয়? না। তাদের কাছে জওয়ানরা হলো ক্রিমিনাল ছোটজাত। তাদের বউ বাচ্চারা ডিসটার্বিং এলিমেন্টস!
এদের জন্য এখন আর রাগ হয় না। ক্ষুদ্র এই দঙ্গলটার জন্য করুনা হয়।
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
ভালো লাগলো।যেভাবেই মারা যাক ওরা সবাই শহীদ। আমাদের মতো ম্যাঙ্গো পাবলিকের জন্য শহীদ হওয়াও হারাম।
লেখক বলেছেন:
"ববি স্যান্ডস" কে মনে আছে? আই আর এর গেরিলা। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের কারাগারে অনশন করেছিল রাজবন্দি'র দাবিতে! থ্যাচার তখন পিএম। লৌহ মানবীর মন গলেনি। সাত-আট দিন পর ছেলেটা মারা গেল! অতটুকুন একটা ছেলে শুধু মাত্র
"রাজবন্দি" বলা হোক তাকে, এই দাবিতে আত্মাহুতি দিল!! সালটা ১৯৮১ ।
আমাদেরও এমন সময় এসেছে। "আমরাও এদেশের মানুষ" এটা প্রমানের জন্য আমরণ অনশনে যেতে হতে পারে!!
তর্পন বলেছেন:
আজ তৃতীয় বিশ্বের ব্লগে এই ভিডিও লিংক দেখলাম, মনে হয় খুব সত্যি কথা বলেছে এই সাংবাদিক, [ পুর্ববর্তী কমেন্টে লিংকটি ভুল ছিল ]Click This Link
লেখক বলেছেন: লিঙ্কটির জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ক-খ-গ বলেছেন:
অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করলেও বলা সম্ভব হয়ে ওঠেনা, হয়তো মেরুদন্ডের কশেরুকা গুলোর ভার বহনের ক্ষমতা আপনার পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেনি আজ অবধি।শুধু বলতে পারি শ্রেনী সংগ্রাম চলতেই থাকবে, কখনো ভূল ভাবে, কখনো ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় আবার কখনো পুতুলনাচের ইতিকথার ধরনে। শ্রেনী বৈষম্য বিলুপ্তি ছাড়া এ থেকে মুক্তির উপায় নেই।
একটা মনুষের দাম কত এ দেশে? একটা ছাগল? ১ কোটি টাকা? স্বজন হারানোর বেদনা; নাকি রোদ বৃষ্টি দিন রাত উপেক্ষা করে রাস্তার ওপর অপেক্ষমান প্রিয়জনদের অশায় করুণ চাহনি? আপনি জানেন?
লেখক বলেছেন:
দাম আর মূল্য নিয়ে আমাদের ভজগট লেগেই আছে। এদেশে বাজারদর অনুযায়ী একটি সাধারণ মানুষের দাম একটা ছাগল! মূল্য এক পয়সাও না!!
আমাদের চোখে এমনই এক ঘসা কাঁচের চশমা এঁটে দেওয়া হয়েছে যে, আমরা কেবলই অস্পস্ট দেখি! নিরন্তর যে শ্রেণী সংগ্রাম চলছে, এটা যে কারো ধমক-ধামকে থেমে যায় না, সেটা আমরা ঠাওর পাইনা।
বিশেষ বিশেষ দিনে বিশেষ বিশেষ পোশাক পরে দিবস পালনের যে মচ্ছব শিখিয়ে দিয়েছে কর্পোরেট বেনিয়ারা তার মুখে আরো তেল চন্দন মেখে আমাদের আপগ্রেড সমাজ তাকে কুলিন করেছে। ব্রান্ডনেম দিয়ে পোক্ত করেছে। তারই জজবা আর বেলজ্জ মহড়ায় দিনাতিপাত করে চলেছি বেবুশ্যে মিডলক্লাস।
কঁাকন বলেছেন:
অসাধারনশেষ পর্যন্ত পৃথিবীতে মনে হয় মাত্র দুটো শ্রেনীই থাকে শাষক আর শোষক; আমাদের সেনাবাহিনীর কাছথেকে আমরা সব সময় মেসেজ পেয়েছি যে তারা শাষক শ্রেনীর;এলিট গোত্রিয়; এটা তারা এখন আরো পরিপক্ত করে মাইক লাগিয়ে আমাদের জানাচ্ছে এবং ম্যাঙ্গোপিপল থেকে আরো নিরাপদ দুরত্বে চলে যাচ্ছে; এখন আর তারা শুধু শাষক না সেচ্ছাচারী শাসক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে যেটা তাদের এবং আমাদের দুজনের জন্যই খারাপ কারন তারা আমাদেরি আপনজন আমরাও তাদের এই অসাধারন হয়ে ওঠার চেষ্টা কবে যে শেষ হবে
বাংলাদেশ কি আসলেই গণতান্ত্রিক দেশ?
লেখক বলেছেন:
অবশ্যই বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ! তবে সেটা এ্যারিস্টোটলীয় গণতন্ত্র নয়।
কখনো সিভিল ব্যুরোক্র্যাট কখনো মিলিটারী ব্যুরোক্র্যাট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত গণতান্ত্রিক দেশ।
ধন্যবাদ কাঁকন।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
সোজা প্রিয়তে। উর্দিওয়ালাদের তোষামোদি দেখে ত্যক্তবিরক্ত।
বিডিআরের গুলিতে রাস্তায় সিভিলিয়ানের লাশ পড়ে থাকে, তা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নাই সরকারের, পাবলিক তখনো বিডিআরের জন্য মিছিল করে। আর উর্দিওয়ালাদের লাশ দেইখা সেই পাবলিক এখন মোমবাতি জ্বালায় শোক দেখায়। এইদেশের হুদা নাচন দেয়া জনতাই সবচাইতে বড় ক্রিমিনাল।
ছাগল দিয়ে যেই দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের জীবনের মূল্যায়ন করে, সেই দেশে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত অফিসারের জন্য শোক! গুলি খেয়ে মরছে দেখে সেনা অফিসার শহীদ!!! আর কেউ কার্যস্থানে দুর্ঘটনায় মরে না?
হেলিকপ্টারের ঘটনায় হাসিই পাইছে, একজন অফিসারের মিটিং এ যোগ দিতে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার পাঠায়!! আমরা কত্তো বড় লোক! তার উপর যেখানে বাইরের দেশে যুদ্ধ চলার সময়েও গুলিতে ভূপাতিত হয় মাত্র দুই-একটা হেলিকপ্টার, সেখানে আমাদের সুযোগ্য(!) সেনাবাহিনীর অফিসারেরা বিদ্যুতের তারে প্যাচাইয়া ফেলে হেলিকপ্টারের পাখনা!
আর্মিদের ক্ষমতার ভূতটা পাকিদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে আসছে। সময় আসেছে, এই ভূত তাড়ানোর। আর্মি সরকারের চাকর, এইটা ঘিলুতে ঢুকাইতে হবে। সরকার যা বলবে তা মানতে না পারলে এই আর্মির কোনো দরকার নাই।
লেখক বলেছেন:
থাইল্যান্ড, পাকিস্তান আর বাংলাদেশ। এই তিনটি দেশের নিয়তি প্রায় কাছাকাছি। এই তিনটি দেশে সিভিল সরকার তত দিনই টিকে থাকার ক্ষমতা অর্জন করে, যত দিন তারা দেশের সবচেয়ে সংগঠিত সশস্ত্র শক্তিকে মেপে চলতে পারে। আমাদের বর্তমান সরকারও এর বাইরে নয়। এটা শুধু বর্তমান সরকারই নয়, যে কারো বেলাতেই প্রযোজ্য।
অনেক আগে প্লেখানভ বলেছিলেনঃ "মানুষের সব চেয়ে কাঙ্খিত বস্তু টাকা-পয়সা নয়, ক্ষমতা।"
পাকিস্তানের ৫৬ বছরের প্রায় ৩৫ বছরই কোন না কোন ভাবে সেনা শাসনের অধীনে। তাদের দেখানো পথে, তাদের থেকে উত্তরাধীকার সূত্রে পাওয়া এশটাবলিশমেন্ট ফলো করার কারণে আমাদের ৩৮ বছরের প্রায় ১৮ বছরই ওই সেনা শাসনের অধীনে কেটেছে। আর সে কারণে আমাদের মননে, বোধে সিভিল ডেমোক্র্যাসি ব্যাপারটা কখনোই সেভাবে আসেনি। এই যে আসেনি, সেটাকেই ক্ষমতাবানরা কন্টিন্যু করে রাখার জন্য বিভিন্ন রঙের গণতন্ত্রের তকমা পরিয়ে দেয়।যা আদতে কোন মাপেরই গণতন্ত্র নয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিঃসঙ্গ। মনটা খুবই মনমরা হয়ে আছে গত কয়েকটা দিন.....
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
উত্তরাধিকার যেমন দায়ী, একইভাবে দায়ী বুড়া অথর্ব রাষ্ট্রপতি, যে কিনা সেনাবাহিনী কন্ট্রোল করার অধিকার রাখে। কেহ্যাল করে দেখবেন, সব সরকারই অথর্ব কাউকে রাষ্ট্রপতি বানাতে আগ্রহী হয়। সংবিধানে দুর্বলতা আছে হয়তো, নাইলে প্রতিবেশি ভারতে যেখানে আর্মির কাজ হুকুম তামিল করা, সেখানে পাকিস্তানী ঘাউড়ামির ভুত আমাদের ঘাড়ে কেমনে চাপে? এরকম ঘটনা বারবার ঘটবে...৭৫, ৮১,০৭ আর পিলখানার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হলে মিলিটারির মুখে লাগাম পরাতে হবে। তা নাহলে সিভিলিয়ানদের মৃত্যু ঝুকি যতো, তার চাইতে বেশি ঝুঁকি সরকার প্রধানের, মুজিব-জিয়া মরে গিয়ে তা প্রমাণ করে গেছে।
ক্ষমতার পাশাপাশি অর্থ বড় ব্যাপার। অবিলম্বে আর্মির হাতে সরাসরি অর্থ দেয়া বন্ধ করতে হবে। বাইরের মিশন হোক, আর দেশের চাল-ডালের কাহিনী হোক, আর্মির ধারে-কাছে অর্থ রাখা যাবে না। এমনকি তাদের বরাদ্দ বাজেট তদারকি করবে সরকারের মন্ত্রী সহ সচিবালয় বা যারা দায়িত্ব নিতে পারে।
অস্ত্র যদি কোনো ডিসিপ্লিন্ড বাহিনীর হাতে না থাকে, তাহলে সেই অস্ত্র সেই বাহিনীতে থাকার চাইতে সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা ভালো, কমসে কম সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে হায়েনাদের মতো সংগঠিত ত্রাস তৈরি করতে পারবে না। আর হাসিনার সাথে আর্মি অফিসারদের অডিও শুনে আমার মনে হয় না এই আর্মি এখনো ডিসিপ্লিন্ড বাহিনী আছে। নিজেদের ক্ষতিতে মাথা আউলাইয়া, দেশের কথা না ভেবে জনগণের ভোটে তৈরী সরকারের প্রধানের সাথে যারা ওইভাবে কথা বলছে, তারা সেনাবাহিনীতে থাকার যোগ্যতা রাখে না।
লেখক বলেছেন:
চমৎকার বিশ্লেষণ।
আমাদের সামনে যে বিপদের কথা বললেন সেটা সারাক্ষণই আমাদের ঘাড় বরাবর ঝুলে আছে। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে দু চারটে অদল-বদলে কাজ হবে না। বদলাতে হবে সিস্টেম। ভারতের এত বড় সেনাবাহিনী থাকার পরও তাদের ইতিহাসে কখনোই সেনা কর্তৃক ক্ষমতা দখলের ঘটনা নেই, সেটার জন্য আর কোন কারণ নয়, মূল কারণ শক্তিশালী গণতন্ত্র। যা প্রচন্ড ক্ষমতাবান মিলিটারী ব্যুরোক্র্যাসিও মানতে বাধ্য। আমাদের গণতন্ত্র আসেই সেনা আর সাম্রাজ্যবাদূ দেশগুলোর কৃপা নিয়ে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে আমাদের সব সরকার প্রধানই "বিচারক" মেনে নালিশ জানায়। এদের কাছে গণতন্ত্রের মানে এমনই।
মনির হাসান বলেছেন:
"চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কি !!! "কিচ্ছু করার নেই মনজু ভাই ..
কিচ্ছু ভাবার নেই ..
শুধু কষ্ট হচ্ছে ..
লেখক বলেছেন:
অতঃপর রাজা কহিলেন ; বন্দির বাকশক্তি হরণ করা হইয়াছে? হস্তপদযুগল কি নিষ্ক্রীয় করা হইয়াছে? তাহার উদ্ধত মস্তক কি অবনত করা হইয়াছে?????????
সকল প্রশ্নে সভাসদগণ "আজ্ঞে মহারাজ" কহিবার পর রাজা কহিলেন ; এইবার বন্দিকে আমার সমূখে দন্ডায়মান কর.........
ভিয়েনাস বলেছেন:
সুন্দর লিখা , ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন:
প্রফাইল পিক এর প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী বদলে স্ট্রবেরী ! ভাল থাকুন। ধন্যবাদ।
নুশেরা বলেছেন:
অসাধারণ ভাবনা ও লেখার জন্য সশ্রদ্ধ অভিবাদন।ওয়েলফেয়ার স্টেইট হওয়া দূরে থাক, "ফেয়ার"ও না আমরা...
লেখক বলেছেন:
অবাক হই নুশেরা! বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে আমরা কত বড় বড় কথা বলি, বর্হিবিশ্বে মানবতার অবমূল্যায়নে কত অশ্রুপাত করি! অথচ ৩৭ বছর পরও আমরা একটা "ফেয়ার" স্টেট কেন পাব না! কেন প্রথাগত সকল আইনকানুনের ভেতর দিয়ে আসা গণতন্ত্রের বেদীতে বসেও সামন্তবাদের ধ্বজা ওড়াতে থাকব!! কষ্ট লাগে......খুব কষ্ট লাগে।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
পড়ে ভালো লাগলো। কনভিন্সিং, হৃদয়ছোঁয়া।
লেখক বলেছেন:
বুকের ভেতরকার ক্ষরণের সাথে সাথে আমিও ক্ষরিত হতে থাকি.....
ধন্যবাদ ফাহমিদুল হক।
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
অসাধারণ!
লেখক বলেছেন: আপনাকে অভিনন্দন।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
শ্রেণী সংগ্রামের বীজবুনে দেয়া যাদের কাজ ছিল, যাদেরট আমরা সেই ভেবেছিলাম, তারাইতো আজ লালবাতির ফাঁদে।
লেখক বলেছেন:
আপনাদের ওরা তাও একটা জাতে ওঠার মত ব্যাপার ঘটিয়েছে। আমাদের তো তাও নেই! লাখ লাখ অসহায় দরিদ্র মানুষ দিনের পর দিন বুর্জোয়াদের ষ্টিমরোলারের নীচে চিড়েচ্যাপ্টা হচ্ছে! কোনই প্রতিরোধ নেই।
জাতেমাতাল বলেছেন:
খুব যুক্তিপুর্ণ পর্যবেক্ষন। বাস্তবের মর্মস্পর্শী বিবরন। অনেকদিন এতো ভালো বিশ্লেষন চোখে পড়েনি...অবিকশিত গনতন্ত্রের আধা খ্যাচড়া রাষ্ট্রযন্ত্রে, সবচেয়ে বড় ভোগান্তি অসহায় মানুষের। ক্ষমতার কোন কাতারেই যারা অবস্থান করে না।
অনেক শ্রদ্ধা আপনার জন্য মনজু ভাই। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন:
যে ঘটমান মর্মস্পর্শী দৃশ্যাবলি পত্র-পত্রিকায় ছাপা হয়েছে বা দেখা গেছে তার সবটুকুর বর্ণনা দেওয়া লেখকের সামর্থের বাইরে। তবুও বলে যেতে চেষ্টা করেছি। বিশ্লেষণের শেষ ফুলস্টপ যায়গাটা চিনতে পারি, বলতে পারি না!
আধা খ্যাচড়া গণতন্ত্রের যে কত হ্যাপা তা সারা দিনমান অস্তিত্ব দিয়েই বুঝতে পারছি। আমার এক দাদা বলতেন; পুঁজিবাদের চরম খেয়োখেয়ীরও এক ধরণের তাল-লয় আছে, এই আধা খ্যাচড়া রাষ্ট্রের তাও নেই! আছে কেবল টেবিল চাপড়ে ডাহা মিথ্যা আর আজগুবি ত্বত্ত্বের ফলাও প্রচারের নির্লজ্জ বাসনা।
আপনার বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্য অনুপ্রেরণা হয়ে রইল।
ক্যাপটেন হ্যাটেরাস বলেছেন:
জটিল লিখছেন, ভাল্লাগলো
লেখক বলেছেন: ক্যাপটেন হ্যাটেরাস। থ্যাংকস আ লট। আপনার নিক পিকটা ভাল লাগল।
জটিল না রে ভাই। সহজ চাওয়া-পাওয়ার ব্যথা......
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
ভাইয়া পিকনিক সম্পর্কিত আপডেট জানান?কালকে কি আমরা যাচ্ছি?
কখন যাচ্ছি?
কত জন যাচ্ছি?
লেখক বলেছেন:
এটা অরণ্য, কালপুরুষ দা, ক্যামেরাম্যান দা- রা ভাল বলতে পারবেন। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানাচ্ছি।
সহেলী বলেছেন:
সুচিন্তিত লেখা আপনার । ধন্যবাদ এমন করে বিষয়ের অবতারনা করায় ।
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য এবং সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
মানদন্ড দাঁড় করানো একটা বদ অভ্যাস।
লেখক বলেছেন: হমম।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
মানদন্ডের আগে পশ্চিম শব্দটা বসবে।
লেখক বলেছেন:
"পশ্চিমা মানদন্ড দাঁড় করানো একটা বদ অভ্যাস"
এটাই তো আপনার বক্তব্য? ঠিক আছে এবার একটু কষ্ট করে ভেঙ্গে বলুন। বদ অভ্যাস যখন, তখন তা সারানো দরকার সভ্যতার খাতিরেই।
মনজুরুল হক বলেছেন:
@সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র । ভাই, একটা বদ অভ্যাস ধরিয়ে দিলেন, কিন্তু আপনার কাছে আরো কিছু জানতে চাইলাম, এলেন না! ২০ মিনিট পরেও এলন না।দুঃখ রইল.....
লেখক বলেছেন: ![]()
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
সভ্যতার খাতির আমি খুব একটা করি না-কারণ সভ্যতা আজো আমার কাছে অধরা। বাঙালি কখন সভ্য ছিল-কিংবা বাঙালির কোন অবস্থাকে সভ্য বলবো এটা অনির্ণেয়তো বটেই। উদাহরণ ঝোঁক এবং প্রাবল্য তৈরি করে। আমি তাই নির্দেশ করতে চেয়েছি। কিংবা বলা যায় বুঝতে চেয়েছি। হয়তো এক বাক্যে বোঝানোর চেষ্টায় না বুঝতে পারাটাই উঁকি মারে। কিন্তু বিরোধাত্মক নয় কিছুতেই। আমি শুধু এটুকুই বুঝি-আমরা ওদের গুরুর সমান মর্যাদারও নই। কিংবা ওদের কুকুর পালার পয়সায় আমাদের পরিবার চলতে পারে। কিন্তু আমি মানতে চাই না-শুনতে চাই না। মানবতার মানদন্ডে গরু মানুষে বিরোধ হয় না। মানবিকতা গরুকেও রক্ষা করে। এই আলোচনা-আর বিলাতে গরু নিয়ে কি হয়েছে সেই আলোচনার অস্বস্তিটুকু আপনাকে বলেছি।
আমি বাস্তবিক অর্থে তুলনা করার যে প্রবণতা তার বিরোধীতা করেছি। ওদের গরু-আমাদের মানুষ। এটা আমাকে খুঁচিয়েছে। তাই প্রকাশ করলাম।
যদি আপনি মনে করেন এটা বদ অভ্যাস তাহলে আপনি আমার চাইতেও ভালো বলতে পারবেন। আমি ভেবেছি এটা বদ অভ্যাস। ভেঙ্গে শুধু এটুকুই বলতে পারি। নজির স্থাপনের ইতিহাস আমার নেই।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। আপনি মনে যা ধারণ করেছেন তার সাথে কিন্তু লেখার বিষয়বস্তুতে দ্বিমত নেই। কিন্তু যখনই তুল্য বিচারের প্রশ্ন আসে তখনই খানিকটা সমস্যা হয় বৈকি! আমার বলার চেষ্টা এতটুকুই.... পশ্চিমে তারা অন্তত গণতন্ত্রকে (নিজেদের জন্য ব্যবহার্য্য হিসেবে) এমন একটা াবস্থায় উন্নিত করতে পেরেছে, যেখানে পশুকেও তার যথাযথ প্রাপ্যটুকু দেওয়ার নিশ্চয়তা দিতে চাইছে। এরাই আবার যখন আমাদের সাথে তাদের বিচারকে মাপতে চায়, তখন আমাদেরকে ওই পশু সমান জ্ঞান করে, এটাও বাস্তবতা।
"পশ্চিমা" শব্দটায় আমাদের অনেকেরই আপত্তি, কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে ; ধর্ম,পুঁজিবাদ, সাম্যবাদ,নিও মর্ডানাইজেশন, সোস্যাল ওয়েল ফেয়ার স্টেট, বিজ্ঞান ইত্যাদি সবই প্রায় সেই পশ্চিম থেকেই নিতে হয়েছে আমাদেরকে! আমাদের পুবের সব চেয়ে বড় আবিষ্কার যা আমরা দু'শো বছর আগে রপ্তানি করেছিলাম, তার নাম সামন্তবাদ। এ ছাড়া আর কি? এখন পারি পুরোনো ধ্বসে পড়া সামন্তবাদের সাথে ফাউ হিসেবে "বারবারিয়ান ফিউডালিজম" আর রিলিজিয়াস বারবারিয়ানিজম, যার খেসারত দিচ্ছে আমাদের গ্রামের অবলা নারীরা! এখনো দররা মেরে বিচার চালাচ্ছে ওই রিলিজিয়াস বারবারিয়ানিজম....
অ.ট. আপনাকে যে পরিচয়ে জানি তার সাথে কথাগুলো যায় না!! ধন্যবাদ।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
@লেখক-আমি অনেক আগেই এসেছি। আপনার লিখাটি আবার পড়ে মন্তব্য করেছি। কালও আসতে পারতাম। কিন্তু মনে হলো-আপনি ভাববেন আপনার বদ অভ্যাস ধরিয়ে দিয়েছি আমি-কিছুতেই এই ভাবনা থেকে মুক্ত হতে পারিনি। আপনার বদ অভ্যাস ধরিয়ে দেয়ার আত্মবিশ্বাস আমার নেই। কারণ আমি আপনাকে দূর থেকে চিনি। আমি শুধু একবাক্যে আমার মতামতটা জানিয়েছি। সচেতনভাবে করিনি-করলে উল্লেখ করতাম।
আমি খুব ভাবি একটা বিষয়-ভাবনার অভ্যস্ততা প্রচন্ডভাবেই প্রকট। সবখানেই।
লেখক বলেছেন: হমম।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
@লেখক-আমাকে কোন পরিচয়ে জানেন-আমি জানি না। আর আমি এও মনে করি পশ্চিম থেকে আমরা যা নিয়েছি-তা অবশ্যই পশ্চিম থেকে নিয়েছি। বৈশ্বিক পরিচয়ে নেয়া হয়নি। এখন সময় হয়েছে-কি নিবো আর কি নিবো না তা পরিষ্কার করার। দররা কে মারে-কারা মারে- কেন মারে-কোন সময় থেকে মারে-শক্তি কোথায় পায়। প্রশ্নগুলো খুবই জরুরি।
লেখক বলেছেন:
এই জরুরী প্রশ্নগুলোর উত্তর কমবেশী আমরা জানি। প্রতিকার কি তাও জানি, কিভাবে তাও, শুধু এটাই জানি না যে কারা করব কাজটা, কোথা থেকে শুরু করতে হবে? ভাবুন, আমরাও ভাবি, পথ মিলে যাবেই। পথ শুরুই হয় শেষ হওয়ার জন্যে...........
নিজেরটা গেলে খারাপ লাগে, অন্যের হক কাড়ার সময় মনে থাকে না।
লেখা ভালো লাগছে।
লেখক বলেছেন:
বিষবৃক্ষ বিষয়ে আর একদিন লিখব। কিভাবে শেড দিয়ে রোদ তাপ থেকে সেই বিষবৃক্ষকে বাঁচিয়ে মহীরূহ করা হয়েছে তা দেখলে সত্যি অবাক হতে হতে হয়!
আমাদের ধরণটাই এমন। নিজের ল্যাজে পাড়া পড়লেই আমরা ঢোঁড়া সাপ থেকে কেউটে/গোখরো হয়ে উঠি, অন্যের শিরা বেয়ে নীলকণ্ঠ মাথায় চড়ে মৃত্যু ঘটালেও রা-কাড়ি না!! হিপোক্র্যাসির এ এক ধনন্তরী চারণভূমি!!
লেখক বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়লাম। বেশ ভাল লাগল। অনেক গুছিয়ে লিখেছেন। এই পোস্টে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
আন্দালিব পান্থ বলেছেন:
রাষ্ট্র তো হাতিয়ার শ্রেণীর স্বার্থে........সে তাই করছে...............আমাদের প্রচার যন্ত্র গুলো সেই কথাই বলে যাচ্ছে অনবরত..............আমাদের চোখের সামনে সংকট তবু আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়..........যতদিন পর্যন্ত মানবিক অর্থে আমরা মানুষ হতে পারছি না তেতাদিন তো আমাদের এই পাশবিকতা মেনে চলতেই হবে.............সচেতন বোধের উন্মেষ ই একমাত্র পারে এই অমানবিক পশুত্বেকে ( শ্রেণী বৈষম্য বা নারী-পরুষ বিভেদ ইত্যাদি) রুখতে অথাৎ সামাজিক পরিবর্তন/বিবর্তন ই মুক্তর পথ..........
লেখক বলেছেন:
আপনার প্রত্যেকটি কথা নির্মম দলিল! সহমত। আমরা দেখি কোথায় গিয়ে থামি.......
সামীঊন বলেছেন:
খুবই ভালো পোস্ট।+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++্
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সামীউন।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
দুইজন সেনা কর্মকর্তার হেলিক্পটার দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে জাতীয় শোক পালন করতে বলাতে সরকার দুঃখজনক ঘটনাটাকে খেলো বানিয়ে ফেলেছে।কিন্তু কথা হচ্ছে হঠাৎ এত শোকের মাতম জাগলো কেন সরকারের?নেপথ্যে কি?
লেখক বলেছেন: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির আতংক!!
কামাল পারভেজ বলেছেন:
আপনার পোষ্ট দারুন লাগ্লো।আমাদের দেশের মানুষ যে কি পরিমান কষ্ট করতে পারে তা ভাবলে সত্যি অবাক লাগে। একটা ধান গাছে কতটুকু চাল হয়, আমাদের দেশের মানুষ অই রকম একটা একটা গাছ বড় করে দুটো পয়সার আশায়। কি রোদ ঝড়, পানি কোন মাফ নাই, কাজ করতেই হবে, অফিস ছুটি নাই, হরতাল নাই, ক্যাযুয়াল লীভ নাই, শুধু খাটুনি। পুরোটা জীবন ওদের এই কাজ করতে করতেই যায়। এদের যেমন কোন মুল্য নাই, এদের ছেলে রাই তো জীবন এর ঝুকি নিয়ে বিদেশ যায় তাই ওদের ও দাম নাই। ওরা যখন মরতে মরতে বেচে যাবে , কাজ করবে ডলার পাঠাবে কখন আমরা সেই ডলার খরচ করে মাস্তি করব। দামী গাড়ি আনব, ব্যাংক এর লোন নিব, পাছার ফোড়া কাটতে হলেও সিঙ্গাপুর যাব, আর বড় বড় ডায়লগ দেব "দেশ এগিয়ে যাচ্ছে--আহা!!!!" কি সস্তা জীবন এদেশের মানুষের।.
আপনার গরু নিয়ে বিল টার কথা পড়তেই আমার একটা অভিজ্ঞতা নমে পড়লো।
আমরা বন্ধুরা মিলে মিরপুর ১০ এ আড্ডা দিচ্ছি, রাস্তা দিয়ে একপাল গরু আর মহিস নিয়ে যাচ্ছে। যেটা আমার নজর কাড়লো তা হলো , আমি দেখলাম একটা মহিস এর মুখ চট এর ছালা দিয়ে বাধা। মুখের একপাশ একদম থেথলে গেছে, টপ টপ করে রক্ত পড়ছে। আমি অনেক দিন গরুর গোশত খেতে পারিনি।
আসল কথা কি আমাদের সবার মনে ঠিক ই মায়া আছে উত্তর এর ওই লোকগুলোর জন্য কিন্তু আমাদের নেতাদের এসি গাড়ির কাচ কালো তো তাই এসব তাদের চোখেও পড়েনা।
আজ সত্যি করে বলি, ২৫শে ফেব্রুয়ারী এর ঘটনা আমন ভাবে মাথার মধ্যে ঢুকে গেছে তা বলার মত না। আর্মি মারা গেলেও মনে হয় হায় হায় দেশের নিরাপত্তার কাজে এসে মারা গেল, পরিবার এর কি হবে, মা এর কি হবে, বাবা এই লাশ কেমন করে কাধে নেবে, ভাই এর কি পড়ালেখা চলবে, বোনের কি ভাল জায়গায় বিয়ে দিতে পারবে ওরা। আর ও কত কি। বিডিআর এর বেলাতেও সেই এক ই অবস্থা। এই আঙ্গুল কাটলেও ব্যাথা পাই আবার ওইটা কাটলেও ব্যাথা পাই। হানাদার তো ওরা কেউ না, ওরা আমাদের ই কেউ না কেউ হবে। কারো বন্ধুর বাবা, কারও বড় ভাই এর বন্ধু,.।.। মাঝে মাঝে এই সব ভাবনাকে প্রহসন মনে হয়। মনে হয় আমার দুর্বলতা।
সরকারি অনেক কর্মচারি আছে যারা বিডিয়ার এর চেয়ে কম বেতন পায়, রেশন পায় না, স্কুল, চিকিতশা কোন সুবিধা পায় না। তারা ও তো চলছে। খুব সহজ কোন কারন এখানে নাই, সমস্যা আমার কাছে অনেক জটিল মনে হয়।
সব কিছুর পরে এক্টাই কথা বলার আছে, আমার দাদা পেরেছে, আমার বাব পেরেছে আমিও পারব। আমরা হারতে শিখিনি, আমাদের আপাতত দমিয়ে রাখতে পারবে ওই সব নষ্ট মনুষেরা কিন্তু আমাদের কে নিভিয়ে ফেলতে পারবে না। মুঘল পারেনি, ব্রিটিশ পারেনি, পাকিস্তান পারেনি, ওরা তো হাতে গোনা কিছু মানুষ ওরা কোন দিন ও পারবে না।
অনেক প্যাচাল পাড়লাম ভাই, ভুল হতেই পারে।
লেখক বলেছেন:
মোটেই প্যাচাল নয়, আপনি খুবই সত্যি কথাগুলো বলেছেন। আপনি অনেক কষ্ট করে প্রায় একটা পোস্টের সমান লেখা দিয়ে মন্তব্য করেছেন। এই অমোঘ সত্য কথাগুলো যেন আমরা আমাদের বিবেকে ধারণ করতে শিখি.....
বিষয়গুলো গভীর ভাবে বিশ্লেষণ করলে এমন চিত্রই পাওয়া যাবে।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
একটু দেরীতে হলেও আপনার এই লেখাটা আমি খুঁজে পেলাম। চমৎকার একটা লেখা। যথারীতি আপনার অন্যান্য ভাবনার মত শক্তিশালী।আপনার লেখার সাথে সম্পূর্ণ সহমত। শুরুতেও জ্বিনের বাদশাহ প্রায় একই রকম দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লিখেছিলেন।
কিছু মত প্রকাশ ছাড়া, দীর্ঘ মতামত পোষণ করা ছাড়া আমাদের মত আমজনতার আপাততঃ আর কিছুই করার নেই, এসব পলিসি মেকারদের বিরুদ্ধে।
লেখক বলেছেন:
আসলেই কিছু করার নেই মনে হয়। তার পরও সেই সূত্রটা মনে করে আশায় বাঁচতে থাকি....
"মানুষের প্রত্যেকটি প্রতিবাদ এক একটি হুনান পাহাড়ের যুদ্ধ, এক একটি লং মার্চের সূচনা"।
বিদ্রোহ ন্যায়সঙ্গত। বিদ্রোহ ন্যায়সঙ্গতই। দীর্ঘ মতামতও এক ধরণের ভাষাবিদ্রোহ।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
কষ্ট লাগে ==========
১. বিষবৃক্ষ রোপণের সময় মনে ছিল না। ৩৮বছর নিজেদের দেবতার সন্তান ভেবে জলপাইরা খুব মউজ করছে এখন মূল্য চুকাতে গায়ে লাগে। জেএমবি জামায়াত গোকূলে বাড়ছে খারাপ লাগে নাই, আমাদের রাস্তায় মাথায় ঘোমটা না দেয়া অপরাধে কান ধরে ওঠবস করাইছে। এখন নিজেরা ন্যাংটো মরাতে খুব খারাপ লাগে।
নিজেরটা গেলে খারাপ লাগে, অন্যের হক কাড়ার সময় মনে থাকে না।
২. এই আঙ্গুল কাটলেও ব্যাথা পাই আবার ওইটা কাটলেও ব্যাথা পাই। হানাদার তো ওরা কেউ না, ওরা আমাদের ই কেউ না কেউ হবে। কারো বন্ধুর বাবা, কারও বড় ভাই এর বন্ধু,.।.। মাঝে মাঝে এই সব ভাবনাকে প্রহসন মনে হয়। মনে হয় আমার দুর্বলতা।
==========
১ এবং ২এর মাঝে কনফ্লিক্টটায় আপনার দেখার জায়গাটা পড়তে চাচ্ছি ...
লেখক বলেছেন: রেডিমেড একটা আছে। পরিবর্তীত পরিস্থিতিতে কিছুটা বদলে যাবে, তাই ভাবছি নতুন করেই লিখব। আর সে জন্য আরো কয়েকদিন সময় লাগবে।
যে দিন পোস্ট করব তখন আপনি লগইন না থাকলে পোস্টে লিংক দিয়ে আসব।
শুভেচ্ছা।
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
জাত-পাত, ধর্মাধর্মি, বর্ণবিভাজন, আঞ্চলিকতা,লৌকিকতা, সব কিছুর ওপরে শ্রেণী। শ্রেণী বিভক্তির নির্লজ্জ প্রকাশ যা রাষ্ট্রীয়ভাবে বিধিবদ্ধ আইন দ্বারা সর্বসমক্ষে প্রচারিত।
কিচু কইলেই পাবলিক কয় তুই কমুনিস্ট,
য্যান আমেরিকান ইস্টাইল... কম্যুনিজম একখান পাপের নাম...........
divide and rule এর খেলা এখনো শেষ হইল না।
সমঅধিকার, সম্পদের সমবন্টন শুধু অধরা স্বপ্ন মনে হয়।
লেখক বলেছেন:
না, অধরা স্বপ্ন না, দূরের স্বপ্ন। দূরের এই কারণে যে, কিতাব-কানুন আর আবর্জনা আচার-বিচার দিয়ে মতলববাজরা আমাদের সাধারণ মানুষকে এমন ধারণা দিয়েছে যে, কমিউনিস্ট মানেই নাস্তিক, আল্লা-রাসুল মানে না, আর সমবন্টণ মানেই তোমার সব কাইড়া নিব....!!
এই জঘণ্য পাথরের মত ভারী কুমতবাদটা যতদিন সাধারণ মানুষের মন থেকে দূর না করা যাবে, ততদিন ওই স্বপ্ন দূরেরই মনে হবে। আর অপ্রিয় সত্যি কথা হলো আমাদের মত এমন পিছিয়ে পড়া আর সামন্তভাবধারার দেশে সমাজতন্ত্র বা কমিউনিজম আসাটা খুবই কষ্টকর। এক আলবেনিয়া ছাড়া কোন মুসলিম দেশে চাপিয়ে দেওয়া ছাড়া ওটি আসেনি। কমিউনিজম আর মুসলিম দর্শনের কনফ্লিক্ট বেজায় রকম আঁকাবাঁকা।
এ বিষয়ে আরো কথা হতে পারে....আপনার মতামত জানাতে থাকুন। শুভেচ্ছা।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
এই সত্যভাষটুকু পড়লাম মাথা থেকে পা অব্দি। কি বলব, যেমন জ্বলে উঠি এদেশে প্রতিদিন হাজারো দৃশ্যে তেমনি জ্বলে উঠলাম ধ্বক করে। আবারো নিভে যাবো, আবারো পেটের দাস হয়ে যাবো জেনেও লেখাটি পড়ে অপরাজেয় বাংলার মতো টান টান হয়ে যাই ভিতরে। ধনবৈষম্যের, শ্রেণীবৈষম্যের তীব্র তীর বিদ্ধ স্পার্টাকাসদের দেখি পিলখানার টর্চার চেম্বারে কি নির্মমতায় ক্ষয়ে যাচ্ছে। মিডিয়ার ইদুরগুলোও কেমন সুনসান ঢুকে পড়েছে নিজস্ব গর্তে । প্রথম প্রথম বলত বিডিআর বি্দ্রোহ, আর এখন অবিরল বলে যাচ্ছে 'বিডিআর হত্যাযজ্ঞ'।
বিরুদ্ধ সময়ে এই সাহসী শব্দমালার জন্য অভিবাদন গ্রহণ করুন মঞ্জুরুল হক।
লেখক বলেছেন:
এখান থেকে সাত মাইল দূরে
ক্ষীণ প্রস্থর জলরাশী ঝর্ণা তিরতিরে
এখান থেকে পাঁচ মাইল দূরে
কাউনের ভুঁই হাওয়ায় ঢেউ খেলানো
এখান থেকে দশ মাইল দূরে
নরোম মাটি অঙ্কুরের পিয়াসে
এখান থেকে তিন মাইল দূরে
সাদা আঁচলে জননী স্বর্গাদপী
এখন থেকে মাত্র তিন হাত দূরে
কালাশনিকভ ঠান্ডা শীতল
আমাদের থেকে এক হাত দূরে
আমাদের মানুষ ঠান্ডা শীতল
আলোও নাই রোদও নাই
কেবলই ভাঙ্গা বেড়ার ফাঁকে
একচিলতে আলো............. আমি তাতেও ভরসা পাই!!
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
বুকে আগুন লাগে ভাই পড়লে। আপনি ভাল লিখেছেন।
আচ্ছা, আমাদের এখানে কি কেই আর্মি নেই ??
ওদের আমরা কিছু বুঝাতে পারি না?
আসলে, মানুষ অনেক সময় নিজের ভাবনার উপর নিজেই জেদ করে ।
বুঝেও বুঝে না।
আমাদের দেশের রাজনীতিবীদ রা এসব বুঝে ঠিকই, কিন্তু, স্বার্থের খাতিরে কিছু বলেনা। না এই পক্ষ, না ওই পক্ষ।
সবাই ভয় পায়।
আচ্ছা, কোন আর্মির আত্মীয় কোন বি ডি আর নাই?? একজনও নাই??
আমার খুব জানতে ইচ্ছা করতেছে।
মাঝে মাঝে, এমনি এমনি কষ্ট পাই।
সবকিছু দখে কষ্ট টা আরও বাড়ে।
আমাদের আর কীই বা করার আছে।
ইস, যদি কিছু করতে পারতাম !!!
লেখক বলেছেন:
আপনার এই লেখার উত্তরে আসলে কিছুই বলার মত খুঁজে পাচ্ছিনা। একটা ছোট্ট উপমা দেব শুধু...........
একজন সর্বোচ্চ কর্মকর্তার টেবিলে পাঁচ কোর্সের ডিনার।
চাল এসেছে তার চাচাতো ভাইয়ের রক্ত-ঘাম ঝরানো জমিন থেকে।
তরিতরকারী,সব্জি এসেছে তারই গ্রামের ছোট ছোট পালান থেকে।
মুরগী আর গরুর মাংশ তার উপজেলার মামাদের গ্রাম থেকে।
অন্যান্য খাবার এসেছে তারই জেলার চেনা-অচেনা কাছের লোকদের হাত ঘুরে।
কিন্তু "সিস্টেম" বলছেঃ সব এসেছে ডরমিটরি থেকে বাটলারের হাতে দিয়ে। এতে কারো শ্রম-গন্ধ-ঘাম-রক্ত-হাহাকার মেশানো নেই। থাকেনা।
কাদা মাটি জল বলেছেন:
এই সত্যভাষটুকু পড়লাম মাথা থেকে পা অব্দি। কি বলব, যেমন জ্বলে উঠি এদেশে প্রতিদিন হাজারো দৃশ্যে তেমনি জ্বলে উঠলাম ধ্বক করে। আবারো নিভে যাবো, আবারো পেটের দাস হয়ে যাবো জেনেও লেখাটি পড়ে অপরাজেয় বাংলার মতো টান টান হয়ে যাই ভিতরে।ধনবৈষম্যের, শ্রেণীবৈষম্যের তীব্র তীর বিদ্ধ স্পার্টাকাসদের দেখি পিলখানার টর্চার চেম্বারে কি নির্মমতায় ক্ষয়ে যাচ্ছে। মিডিয়ার ইদুরগুলোও কেমন সুনসান ঢুকে পড়েছে নিজস্ব গর্তে । প্রথম প্রথম বলত বিডিআর বি্দ্রোহ, আর এখন অবিরল বলে যাচ্ছে 'বিডিআর হত্যাযজ্ঞ'।
বিরুদ্ধ সময়ে এই সাহসী শব্দমালার জন্য অভিবাদন গ্রহণ করুন মঞ্জুরুল হক।
২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০২
লেখক বলেছেন:
এখান থেকে সাত মাইল দূরে
ক্ষীণ প্রস্থর জলরাশী ঝর্ণা তিরতিরে
এখান থেকে পাঁচ মাইল দূরে
কাউনের ভুঁই হাওয়ায় ঢেউ খেলানো
এখান থেকে দশ মাইল দূরে
নরোম মাটি অঙ্কুরের পিয়াসে
এখান থেকে তিন মাইল দূরে
সাদা আঁচলে জননী স্বর্গাদপী
এখন থেকে মাত্র তিন হাত দূরে
কালাশনিকভ ঠান্ডা শীতল
আমাদের থেকে এক হাত দূরে
আমাদের মানুষ ঠান্ডা শীতল
আলোও নাই রোদও নাই
কেবলই ভাঙ্গা বেড়ার ফাঁকে
একচিলতে আলো............. আমি তাতেও ভরসা পাই!!
ধন্যবাদ... +
লেখক বলেছেন:
একচিলতে আলো............. আমি তাতেও ভরসা পাই!!
লেখক বলেছেন:
উল্টে গেল বিধির বিধান,
মেয়েরা সব টিকিট কাটে
ছেলার সব ফোড়ন কাটে
জাত আর মান খুইয়ে- দে গরুর গা ধুইয়ে!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
লেখক বলেছেন: বিব্রত হওয়ার কি আছে? নিকবালক হিসেবে খাড়া করানোই তো আপনার কাজ, নাকি?
আমি তাকে বললাম,
ভাইয়া এ কথা সত্য যে আমি আপনার মত নিক নিয়ে দীর্ঘদিন লিখালিখি করিনা। আপনি বাপজানের দেয়া দীন মোহাম্মদ নামখানা শোকেসে তুলে রেখে সুমন রহমান নিকে সর্বত্র গত কয়েকশত বৎসর যাবত লিখালিখি করছেন। আমি আপনার তুলনায় নবীন। আমি নিকবালক হলে আপনি নিকবৃদ্ধ। আপনার মত নিকপাকনা হতে আমার আরো কয়েকশত বৎসর লাগবে। কিন্তু আপনি অন্যের খাড়া করা জিনিস কিভাবে ও কেন কাজে লাগাতে চান ভাইয়া?
এরপর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াকু সৈনিক দীন মোহাম্মদ ওরফে সুমন রহমান ভাইয়া আমার কথাটি মুছে দিলেন। আমাকে তার ব্লগে ব্লক করলেন।