আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
সামনে রমজান মাস পাবলিক চিপড়ে মুনাফা তুলে নেওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়!
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৯
আমাদের সমাজে কতগুলি কথা বা বাণী আছে, যা আপনি দেখবেন না, তেমন ভাবে শুনবেনও না, কিন্তু তার নেতিবাচক অস্তিত্ব হাড়ে হাড়ে অনুভব করবেন।অস্থিমজ্জায় অনুভব করবেন। যেমন ‘আশাবাদ’। এই বচনটি শুনবেন বটে তবে কবে নাগাদ তা বাস্তবের ধারেকাছে আসবে তা জানাও যাবেনা।তেমনি ‘দৃঢ় প্রতিজ্ঞ’, যখন-তখন এই বাণীটি শোনা যাবে আমাদের মন্ত্রী আর আমলাদের জবানে। যে কোন অন্যায় বা অবিচারের ফিরিস্তি শুনে তারা বলবেন-এই অবিচার বন্ধ করতে আমার সরকার ‘দৃঢ় প্রতিজ্ঞ’! তেমনি আর একটি কর্পোরেট বুলি-‘সিন্ডিকেট’। আজকাল এই সিন্ডিকেটের বিভিন্ন রকম-ফের দেখা যায়। পেশাজীবী প্রায় প্রত্যেকটি গ্র“পেরই এক একটি সিন্ডিকেট আছে। তবে সবচেয়ে কার্যকর এবং ধনন্তরী সিন্ডিকেটটির নাম ‘ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট’।
এর কোন দাপ্তরিক ঠিকানা নেই, নেই কোন স্বশরীরী অস্তিত্ব। তার পরও এটি বর্তমান সমাজের সবচেয়ে ক্ষমতাধর গ্র“প। সরকারের হাতে যে সকল ক্ষমতা বলয়ের চাবিকাটি আছে তার সবগুলো দিয়েও এই মহাক্ষমতাধর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারে না মহামহিম সরকার। নিন্দুকেরা বলেন-সরকার আদপে কাজটি করেন না, কারণ এই সিন্ডিকেট থেকেও সরকারের বিশেষ বিশেষ খাতায় বিশেষ আমোলনামারূপে কিছু ‘গৌরীসেন’ জমা হতে থাকে। আর সে কারণেই সরকার এদের দেখেও না দেখার ভান করেন। সরকার ক্ষমতায় আসীন হওয়ার সাথে সাথে কিছু ক্যারিশমা দেখিয়েছিল বটে! যার কোন কিছুই এখন আর অবশিষ্ট নাই।
তাহলে কি ধরে নিতে হবে যে, সরকারের ব্যবসায়ী অংশ সরকারকে প্রাথমিক সুনামের জন্য ক’দিনের জন্য ‘ব্রেক’ দিয়েছিল! অবস্থাদৃষ্টে তো তা-ই মনে হয়। কারণ তত্তাবধায়ক সরকারের আমলের ৪৪ টাকা দরের আটা রাতারাতি ২৩/২৪ টাকায় নামে কি করে? ১শ ২০ টাকা দরের সয়াবিন তেল ৮০ টাকায় নামে কি করে? পয়লা মর্তবায় সরকারকে এই গুডবুক উপহার দিয়ে যারা গত কয় মাসে সামান্য কম লাভ করছিল, সেই তারাই এখন সুদে-আসলে কাটায় কাটায় তা পুরণের জন্য হণ্যে হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আর সেই ঝাঁপিয়ে পড়া দেখে তাদের সামনে আমাদের বাণিজ্যমন্ত্রী উদাত্ত ঘোষণা দিয়ে বলেছেন-‘আপনার মুনাফা করুন, তবে মাত্রাতিরিক্ত করবেন না’! ব্যবসায়ীরাও সুবোধ বালকের মত মন্ত্রী মহোদয়ের বাণী শুনে মুচকি হেসেছেন। হাসবেন না-ই বা কেন? তারাতো ভাল করেই জানেন যে, কোন মন্ত্রী বা সরকারের কারো পক্ষেই তাদেরকে মোকাবেলা করার ক্ষমতা(এখানে ইচ্ছা পড়তে হবে) নেই। কেন নেই সেটা কোটি টাকার প্রশ্ন। আমরা আপাতত সেই দামি প্রশ্নের পেছনে দৌড়াব না।
মাত্র ২০ জন মার্চেন্ট এর সিন্ডিকেট রোজা সামনে রেখে কোটি কোটি টাকার দাও মারার জন্য দা-বটি ধার দিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে। গলা তারা কাটবেনই, এখন প্রশ্ন হচ্ছে কতখানি কাটবেন বা কি ভাবে কাটবেন? আমরা আমাদের তিক্ত অভিজ্ঞতায় দেখি এই কাটাকাটির ক্ষেত্রে তারা কোন কৃপা দেখান না। মুনাফায় কৃপার কোন স্থান নেই। মুনাফা সতত মুনাফাই, তা কত নির্মম ভাবে আসবে বা কত নিচু কায়দায় আসবে সেটি নিয়ে তাদের কোনই মাথাব্যথা নেই। থাকার কথাও নয়। প্রথমে যে বলেছিলাম অশরীরী বা ইনভিজিবল! আসলে কিন্তু তা নয়। সিন্ডিকেট বীর দর্পে দাঁড়িয়ে আছে সরকারের নাকের ডগাতেই। কোন লুকোছাপার ব্যাপার নেই। সবই খুল্লামখুল্লা! এবার তাদের মহান কির্তিকাহিনীর সারাংশ দেখুন....................
ঢাকা ও চট্টগ্রাম এলাকার বড় বড় ২০টি কোম্পানিই মূলত ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি ও বাজারজাত করছে। এরাই সিন্ডিকেট করে একচেটিয়াভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। রোজা যত ঘনিয়ে আসছে, পণ্যের দাম তত বাড়ছে। এখনই অস্থির হয়ে উঠেছে বাজার। রমজানকে সামনে রেখে ভোজ্যতেল প্রস্তুতকারক ১৩ কোম্পানি এবং চিনি প্রস্তুতকারক ছয় কোম্পানিসহ মোট ২০ কোম্পানি মূলত ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারাদেশের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। এসব কোম্পানিই আটা, মসুর ডাল, ছোলা, বুটের ডালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্য আমদানি ও বাজারজাত করছে। কোম্পানির মালিকরা যোগসাজশ করে একই ধরনের পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এসব করে প্রতিদিন তারা স্বল্প আয়ের হতদরিদ্র মানুষের পকেট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা।
এই অবস্থায় বাণিজ্যমন্ত্রী সিন্ডিকেট ভাঙ্গার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করলেও ব্যবসায়ীদের সেই প্রতিশ্রুতি বা সাবধানবাণী তেমন কোন প্রতিক্রিয়া করতে পারেনি। ব্যবসায়ীরা মন্ত্রীর সামনে বৈঠকে বসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখার এন্তার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা কাগজে-কলমে আর সংবাদপত্রেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। আর এর পরে বাণিজ্যমন্ত্রী আর কি বলতে পারেন সেটা মাথায় রেখেই সিন্ডিকেট নতুন স্ট্রাটিজি নেবে।
মন্ত্রী আরো বলেছেন-সরকারের হাতে পর্যাপ্ত পণ্যের মওজুদ আছে, চিন্তার কোন কারণ নেই! আসলেই চিন্তার কোন কারণই নেই, কেননা মূল্য বাড়তে বাড়তে কতই আর বাড়বে! নিশ্চই ছোলা ২শ টাকা কেজি হবে না!, নিশ্চই চিনি ১শ টাকা কেজি হবে না! আর তা যদি হয়ও তাহলেই বা মন্ত্রীদের সমস্যা কোথায়? আমলা সরকারী চাকুরে, সরকারের নানা রঙের তরফদার,তহশীলদার, দফাদার, গাতিদার, এলেমদার, চাটুকার.....এদের তো সমস্যা হবার কথা নয়। সমস্যা যাদের হয় বা যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে তাদের মনে হয় সমস্যা নিয়েই জন্ম! তারা সমস্যা ছাড়া বাঁচে কি ভাবে! এদের জন্য তো মন্ত্রী মহোদয়ের সমস্যাহীন দিনাতিপাত সমস্যাসংকুল হয়ে উঠতে পারেনা! বালাই সাট!
ঢাকা ও চট্টগ্রামের ১৩টি কোম্পানি মূলত ক্রড অয়েল আমদানি করে তা
পরিশোধনের মাধ্যমে সয়াবিন ও পাম তেল বাজারজাত করছে। তাদের হাতের মুঠোয় সারাদেশের বাজার এবং বাজারের ক্রেতাসাধারণ। ঢাকা অঞ্চলের কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে সিটি গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল মিলস লিমিটেড, মেঘনা গ্রুপ, টি কে গ্রুপ, ইউনাইটেড এডিবল অয়েল লিমিটেড এবং রহিমা ফুড করপোরেশন (নারায়ণগঞ্জ)। চট্টগ্রাম অঞ্চলের কোম্পানিগুলো হলো এমএম ভেজিটেবল অয়েল মিলস, মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স, সামাননাজ সুপার অয়েল লিমিটেড, এসএ অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড, নুরজাহান সুপার অয়েল লিমিটেড, মারিন ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড এবং উত্তম অয়েল মিলস। চট্টগ্রামের পিএইচটি গ্রুপ গম, ছোলা, ডালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্য আমদানি ও বাজারজাত করছে।
একচেটিয়াভাবে বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত প্রধানত ছয়টি কোম্পানি। এরাই চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। কোম্পানিগুলো হলো সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, টি কে গ্রুপ, পারটেক্স গ্রুপ, আবদুল মোনেম সুগার মিলস লিমিটেড এবং দেশবন্ধু সুগার মিলস লিমিটেড। ভোজ্যতেল ও চিনি উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো ওইসব শিল্প গ্রুপভুক্ত আলাদা কোম্পানি হওয়ায় সিন্ডিকেটভুক্ত মোট কোম্পানির সংখ্যা ২০টি।
বাজারে চাল ছাড়া সব পণ্যের দাম বাড়ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান ও ব্যবসায়ী নেতারা দফায় দফায় সভা করে বলছেন, পণ্যের কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ আছে। দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এসব বক্তব্যের আড়ালে মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে রাতারাতি দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলাসহ অন্যান্য পণ্যের। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার দোহাই দিয়ে পরিকল্পিতভাবে কম দামে কেনা পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে যে ভোজ্যতেল বাজারজাত করা হচ্ছে, তা ২০০৭-০৮ অর্থবছরের তুলনায় ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১৬ দশমিক ১৫ শতাংশ কম দামে আমদানি করা হয়েছে। গত অর্থবছরের শেষদিকে কম দামে আমদানি করা ভোজ্যতেলই বর্তমান ২০০৯-১০ অর্থবছরের প্রথমদিকে বাজারজাত করা হচ্ছে।
বেশি লাভের জন্য ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বলেন, “অবশ্যই ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল হতে হবে। অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়িয়ে পণ্য বিক্রি করা যাবে না। যৌক্তিক দামে পণ্য বিক্রি করতে হবে।” ব্যবসায়ীদের অসহযোগিতার ব্যাপারে করণীয় কী হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “ঠিক না থাকতে দিলে অযৌক্তিকভাবে দাম বৃদ্ধির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এই যে মন্ত্রী মহোদয় বললেন-“ঠিক না থাকতে দিলে অযৌক্তিকভাবে দাম বৃদ্ধির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার এই যে হুমকি দিলেন তিনি, আইনগত ব্যবস্থা বলতে আমরা কি বুঝব ? তাদেরকে ধরে ধরে কি জেলে পোরা হবে? তাদের ব্যবসার লাইসেন্স কি বাতিল করা হবে? তাদেরকে কি ‘ক্রসফায়ারে’ দেওয়া হবে? না। এসবের কোনটিই করা হবেনা। আমরা যারা ভুক্তভূগী তারা জানি, এসবের কিছুই করা হবেনা। শুধু মাঝে মাঝে তাদের ডেকে চা-চক্রে আপ্যায়ন করা হবে। তারাও চা পানের ফাঁকে ফাঁকে ক্যামেরার দিকে হাসু হাসু মুখে তাদের মুখস্থ বাণী বর্ষণ করে যার যার ডেরায় ফিরে যাবেন।
মন্ত্রী মহোদয় এরপর টিভি চ্যানেলে মুখটাকে যথাসম্ভব দীপ্ত শপথের ভঙ্গিতে রেখে দৃঢ়(আবার সেই দৃঢ়!) ভাবে উচ্চারণ করবেন-‘ব্যবসায়ীরা কথা দিয়েছেন, তারা অধিক মুনাফা করবেন না’। তাঁর কথাটি ফুরোবে-নটে গাছটি মুড়োবে! এর পর কাগজে কাগজে এই নিয়ে রম্য রচনা ছাপা হবে! কাগজে কোন এক সুন্দরী ভাবির ছবি ছেপে নিচে ক্যাপশনে বলা হবে-“বাজারে আগুন! অসহনীয় মূল্যবৃদ্ধির ফলে মাঝারি আয়ের মানুষেরা দিশেহারা”! এরকম ডজন ডজন খবর ছাপা হওয়ার পর আবারো মন্ত্রী মহোদয়য়ের চেহারা মুবারক দর্শন ঘটবে। তিনি বলবেন-“ সাধারণ মানুষ ভীত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য কিনে মওজুদ করার কারণে পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি না হলেও কৃত্তিম সংকট সৃষ্টি হয়েছে, আর সেই ফাঁকে কিছু হৃদয়হীন ব্যবসায়ী কারসাজি করে অতিরিক্ত মুনাফা আদায় করছে”!
সাধারণ মানুষ এতসব শোনাশুনির তোয়াক্কা না করে রক্ত পানি করা পয়সা দিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে আরো একবার রমজানের ফজিলত অস্থি-মজ্জায় উপলব্ধি করার কোশেশ করে যাবেন। যেমনটি তারা যুগ যুগ ধরে করে আসছেন। বিএনপি-জামাত বলি, তত্তাবধায়ক বলি আর বিপুল ভোটে জয়ী মহাজোট সরকার বলি- ঘুরে ফিরে তো সেই যে লাউ সেই কদু! তাহলে আমরা শানেনজুলে কি পেলাম? কিছুই না। একেবারেই কি কিছু পাইনি? তা কি করে হয়! নিশ্চই কিছু না কিছু তো পেয়েছিই। কি সেটা? হ্যাঁ, আমরা আগের বারের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন ধরণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছি! আর পেয়েছি আমাদের সমগোত্রের একজন ‘সাধারণ’ কে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন- তিনি বড়লোকের মন্ত্রী নন। এটাই সাকুল্লে সাধারণ মানুষের নিট প্রাপ্তি। তিনি আমাদের মন্ত্রী! এটাই বা কম পাওয়া বলি কি করে? এখন আর যা-ই হোক, আমাদের এই মন্ত্রীকে তো আর আমাদের কষ্ট বুঝতে অক্ষম ধনিক শ্রেণীর শোষক বলা যাবে না!
মিলিটারি আর সিভিল ব্যুরোক্র্যাসির সম্মিলনের এই এক গুণ! এমন ধারালো ব্লেড দিয়ে কাটা হবে যে কোন দাগই টের পাওয়া যাবে না! ধর্মের নামে, ধর্ম মাসকে পুঁজি করে, ধর্মের বাধ্যবাধকতার নামে এমন বেরহম শোষণ আর কোন ধর্মে, আর কোন সমাজে হয় বলে শোনা যায়না। আমাদের পাশে তো আরো কয়েকটি ভিন্ন ধর্মের মানুষদের বসবাস আছে! কই সেখানে তো এমন জোঁকের মত রক্ত শুষে নেওয়ার কথা শোনা যায়না? তাহলে কি গলদ আরো পেছনের কোন জন্মপত্রে বা গোঁড়ায়? পুরো ব্যাপারটাই কি নির্মম নৃসংস ধর্মীয়-বাণিজ্যিক শোষণ? যে ঘরে তিন বেলা হাড়ি চড়ে না সেখানেও কি করে যেন রেওয়াজ আর কেতার বেনোজল হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ে এই মাসটি এলেই! কেন? এই অনাদিকালের অমীমাংসিত প্রশ্ন তোলা থাক আর বারের জন্য।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রমজানে মুনাফা! ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
প্লাস
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস!
লেখক বলেছেন:
আমিওতো আপনার মন্তব্যের ভক্ত হয়ে গেছি!
লেখক বলেছেন:
হম। পড়ে আসলাম। ভাল লেখা। তবে এখানে আপনার নিজস্ব কিছু চিন্তা-চেতনার ক্লিপিংস থাকলে আরো ভাল হতো। হুবহু কপি মনে হয়েছে। এইসব ক্ষেত্রে বাঁকা হরফে লেখকের কিছু কমেন্টস থাকলে দুইটা সময়কে মেলানো যায়। যেমন ঐ বইটার সময়কাল যে একাত্তর, সেখান থেকে আজকের বাংলাদেশে সেই উপাখ্যান কি ভাবে রিট্রেট করে বা এই প্রজন্মের কাছে ব্যাপারগুলো কিভাবে পৌঁছায়, অথবা তাদের ভ্যালুজ কি? এই সব বিষয় আনতে চেষ্টা করবেন পরের পর্বে। তাহলে লেখাটা সর্বাঙ্গীন হয়ে উঠবে।
সুযোগ পেয়ে অযাচিত জ্ঞান দিয়ে ফেললাম, স্যরি।
ধীবর বলেছেন:
মঞ্জুরুল ভাই, চমৎকার একটি লেখার শেষ প্যারাতে এসে ছন্দ হারিয়ে ফেলায় দুঃখ পেলাম। তবে সংযমে মাসে মচ্ছবের চলটির সাথে আদি ধর্মীয় ব্যাবস্থার সরাসরি যোগসুত্র কোথাও পাইনি। এটা আমাদের নিজস্ব উদ্ভাবন বৈত নয়। তবে এব্যাপারে ধর্মীয় নেতাদের ক্রমাগত সাবধানবানীটি ছোট বড় সকলেই তোয়াক্কা করছেন না বলেই, এমন অবস্থার সৃস্টি বলে আমি মনে করছি।
লেখক বলেছেন:
আমি আসলে এই প্রশ্নটি এড়িয়েই যেতে চাইছিলাম, কিন্তু কথন এড়ানো যায় বটে সত্য নয়। দেখুনঃ
ধরে নিন আমি একজন ব্যবসায়ী(মজুদদার) । আমি জানি এই মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর নিতান্ত গরিবকেও ইফতারে কিছু ভালমন্দ খেতে হয়, আমি আরো জানি টোটাল কনজাম্পশনের দিকে দেখলে আমি পাই কিছু জরুরী আইটেম অতি আবশ্যক। এবং তার মূল্য বাড়িয়ে দিলে আমার হাতে গোটা চারেক যুৎসই অজুহাতও থাকে। এবার আমি বাড়ালাম। আর যেহেতু ভোক্তা শুধু পানি দিয়ে ইফতার করবে না তাই আমার পণ্য বিক্রি হবেই। এই আমি কি এই কাজটা অন্যমাসে পারব? অন্য মাসে কি কেউ ইসবগুলের ভূষি কিনবে? শসা কিনবে? গাজর কিনবে?বেসন, বেগুন পেঁয়াজ, জিলাপি, কলা...এই পণ্যগুলো অন্য সময় না হলেও চলে।এই মাসের যেহেতু ধর্মীয় এবং প্রথাগত ঐতিহ্য আছে সেহেতু বিক্রি নিশ্চিত এবং মুনাফা নিশ্চিত।
নিশ্চই রোজাদাররা সেহরীর সময় শুধু আলু ভর্তা দিয়ে খাবে না, তাদের কম করে হলেও মাছ-মাংস চাই। এই যে "চাই" এটা তো বাকি ১১ মাসে না হলেও চলে!
এটা গেল ব্যবসায়ী হিসেব। ধর্মীয় কেতা আর ফেরেপবাজীর হিসেবটা খুবই শ্রুতি এবং দৃষ্টিকটু। রোজার সাথে সম্পর্ক নাই এমন পণ্যেরও কি দাম বাড়ে না? বাড়ে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় বাঙালি মুসলমান ব্যবসায়ীরা সারা বছর অপেক্ষা করে এই একটি মাসের জন্য! তা না হলে পানি কচু, কচুর লতি, পান-সুপারীর দাম বাড়বে কেন?কেন বাড়বে রিক্সাভাড়া, বাসভাড়া?
মসজিদে মসজিদে খতম তারাবীর হাদীয়া কম করে হলেও ১২ হাজার। কোথাও ১৫-২০ হাজার পর্যন্ত। কেন? ওই ইমাম কি সারা বছর বেতনভূক ইমামতী করেননি? তিনি কি সারা বছর বেতন পাননি? তাকে কি মসজিদ সংলগ্ন ঘরে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়নি? তাহলে ? এটা "রোজার ইনকাম"।সমগ্র সরকারী-বেসরকারী অফিসে কি এই মাসে বাড়তি ঘুষ চলে না? এনকি যে রিকসা চালক সর্বদাই শোষিত, সেও এই মাসে ভাড়ার উপর "বকশিশ" দাবী করে। ঈদের আগে তো বকশিশ বাধ্যতার পর্যায়ে চলে যায়।
ব্যাপারটা এমন প্রথালব্ধ হয়ে গেছে যে, ছোট মাছকে বড় মাছ খাবে সেটা যেন এই মাসে ওপেন ডেমোনেস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা হয়! এ টু জেড। কে না?চন্ডাল চামার থেকে শুরু করে মাননীয় বিচারপতি পর্যন্ত এই রোজা, ইবাদত,সিয়াম, সাধনা, ত্যাগের মহিমা ইত্যকার বিশেষণের আড়ালে নিরেট মুনাফা তুলে নেয়। যার ক্লাইমেক্স আসে ঈদের আগে "চাঁনরাত" পর্যন্ত।
ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা না থাকলে মানুষ জেনেশুনে তরবারীর তলায় ঘাড় পেতে দিত না। অন্য মাসের সাথে এই মাসের বেসিক তফাৎ এখানেই।
প্লাটো বলেছেন:
সুন্দর উপস্থাপনা। তবে উপসংহার এ এসে একটু ধাক্কা খেলাম। মনে হলো তীর টা প্রথম অবস্থায় শোষন মেক্যানিজম এর দিকে স্থির থাকলেও শেষে এসে চলমান প্রথা বা আচার অনুষ্ঠানের দিকে ছোঁড়া হলো। আরেকটি ব্যাপার, শোষন শোষনই, একে ধর্মিয়-বানিজ্যিক-শোষন বলা বা প্রাসংগিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আলাদা নামকরণ করার অবকাশ নাই। এটার শত সহস্র রুপ, লক্ষ নিযুত প্রকাশ।শোষন যে ইস্যুতেই হোক না কেন এটার পরিচয় বা নাম একটাই, আর এই নির্মমতার দায়দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত সেই গুটি কয়েক শোষক পরিবারের আর তাদের প্রশ্রয়দাতাদেরই।
লেখক বলেছেন:
শুধুই গোটা কয়েক শোষক নয়। এর দায় সমাজের। রাষ্ট্রের। সরকারের। ধর্মবেত্তাদের। এবং অতি অবশ্যই সোস্যাল কন্টেন্টে যারা সোসাইটিতে তরফদারী করেন, তাদের। পত্র-পত্রিকায় যে রকমারী ইফতারের বয়ান ছাপা হয় তাকে কোন ধর্মীয় নেতা থামান? বরং তারা স্টুপিড বক্সে বসে এত্তো এত্তো অনুশাসন আর ফরমালিটিজের ফতোয়া দেন!
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন:
মুক্ত বাজার অর্থনীতির যুগে তৃতীয় বিশ্বের সব দেশের মানুষ কোন উপকার-ই পাচ্ছে না
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা রক্তচোষা পশু।
লেখক বলেছেন:
এতে কোনই সন্দেহ নাই!
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
একটা প্রয়োজনীয় কিন্তু অসাধারন পোস্ট উপসংহারে এসে কিভাবে কেচে যায়, এটা তার একটা ভাল উদাহরণ। মনজুরুল ভাই, আপনে যে এইটা ইচ্ছা কইরা করছেন, আমার মত নয়া ব্লগারও বুঝে সময় নিয়া কষ্ট কইরা লেহার লাইগগা ধইন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
হুম, পোস্ট তাহলে "কেচে"ই গেল! কি আর করা! হ্যাঁ ভাই। আমি ইচ্ছা করেই লিখেছি।
আমি-আপনি জানি ব্যবসা মানেই কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি। মজুদ মানে হচ্ছে আরো বেশি মুনাফার জন্য বাজারে কৃত্তিম সংকট সৃষ্টি করা। সে যাক। বিশ্বের সকল ব্যবসায়ীরাই মুনাফা করে। সেটা তার পেশা। তারা তাদের পেশায় সৎ। তবে তফাৎটা হলো-
আমাদের ব্যাপারিদের মত আর কেউ(খ্রীষ্টান,হিন্দু,বৌদ্ধ,শিখ,জৈন,পারসিক) ধর্মীয় অনুশাসন এবং ধর্মীয় বাধ্যবাধকতাকে পুঁজি করে একচেটিয়া মুনাফা করে না।এটা প্রমানিত। আর এই একচেটিয়া মুনাফাখোররা এই সমাজের হর্তা-কর্তা। তাদের টিকি ছোঁবার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের নেই।
লেখক বলেছেন:
উপায় আছে ফারহান! তবে তা কষ্টকর। সত্যিকারের সিয়াম হলো নিজের বাড়িতে কঠোর ডিকটেটরশিপ চালু করা। প্রচলিত প্রথা আর কেতার বাইরে আলাদা ভাবে জীবন যাপনের প্রাকটিস করা। সরকার, সুশীল, আইনশৃংখলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানের তোয়াক্কা না করে সেল্ফ ডিপেন্ডেড হওয়া। সেটা আসলেই কষ্টকর।
"আল্লাহ ব্যবসাকে করেছেন হালাল আর সুদকে করেছেন হারাম" এই বাক্যটির আড়ালে চলে/চলছে/চলবে ধুন্ধুমার বাণিজ্য! বাণিজ্যে বেসাতি লক্ষ্ণী!!
সাগর ঢাকা বলেছেন:
@জাতি জানতে চায় ...ভালো বলেছেন চমত্কার একটা লেখা ..কিন্তু শেষ এর দিকে অযাচিত ভাবে ধর্ম কে না জড়ালে হত না? ব্যবসায়ীরা , ধান্দাবাজ রাজনীতিবিদ রা , সবসময় সুযোগ সন্ধানী , সেটা রমজান হোক , আর পূজা হোক. নিজেদের লাভ আদায় করবে, রমজান মাস সেটার একটা সুযোগ দিছে ...
এক জন গরিব মানুষ ধর্ম পালন করে কিছু তা মানসিক শান্তি পেলে কার ক্ষতি ? গরিব মানুষ এর জন্য ধর্ম ছাড়া আর কে আছে বলুন ..নাকি আপনি চান সবাই ধর্ম ছেড়ে দিক , তাতে এই সিন্ডিকেট এর ক্ষতি হবে !
আসলে মাঝে মাঝে হতাশ লাগে , আমাদের কি মুক্তি নাই , আপনার তো অনেক পড়াশোনা, কি ভাবেন এই দেশের পরিনতি? নাকি আমি হতাশা বাদী !
লেখক বলেছেন:
নাহ্। আমি চাই এই শোষণের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য সরকার/ধর্মবেত্তা/সমাজপতিরা যেন আরো একটু সরব হোন। যারা এখন সিন্ডিকেটের ক্রীড়ানক।
*পাগলা জগাই* বলেছেন:
জাতি মামা, আপনে না কালকে কৈলেন আপনে বছর-পুরানা ব্লগার খোমায় মুকুশটা ঠিকঠাক মত বহে নাইক্যা
লেখক বলেছেন: "জাতি" ১৪ নম্বরে উত্তর দিয়েছেন!
লড়াকু বলেছেন:
অসাধারণ বিশ্লেষণ। প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লড়াকু।
মনজুরুল হক বলেছেন:
দেখা যাচ্ছে শেষ প্যারা নিয়ে মতদ্বৈততা ঘটছে! বিষয়টা এক্ষুনি বিস্তারে লিখতে পারছিনা, কামলায় ব্যস্ত আছি। রাতে সবিস্তারে বলা যাবে। শুধু এতটুকুই বলে রাখি.....
সামগ্রীক ছিবড়ে নেওয়ার ব্যাপারটা কিন্তু একটা ধর্মীয় পর্বকে কেন্দ্র করেই। এমনিতে কি দেশে এখন কোন দুর্যোগ আছে? এই বিশেষ পর্ব উপলক্ষে সাধারণ মানুষকে যেহেতু অতিরিক্ত পণ্য সম্ভার বাধ্য হয়েই কিনতে হবে তাই সেই "বাধ্য" হওয়াটাকেই মূলধন করে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সবাই সবাইকে খুবলে খাওয়ার প্রাকটিস চলবে সারা মাস জুড়ে। এটাকে আমরা অস্বীকার করব কি ভাবে?
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন:
প্লাস দিলাম পুরো লেখায় মানে উপসংহারসহ । আপনার উপসংহারে যে প্রশ্ন/অনুসন্ধিচ্ছা এসেছে তা' আমারও মনের কথা । "ধর্মের নামে, ধর্ম মাসকে পুঁজি করে, ধর্মের বাধ্যবাধকতার নামে এমন বেরহম শোষণ আর কোন ধর্মে, আর কোন সমাজে হয় বলে শোনা যায়না। " এখানে ধর্মীয় একটি মাসকে কেন্দ্র করে যে ব্যবসা হচ্ছে তার দিকেই নজর দেয়া হয়েছে । ইসলাম তা' সমর্থন করে কি করে না সেটা এখানে বিষয় নয় । ইসলামের সমালোচনা আর ইসলামের এক আমলের মাসকে কেন্দ্র করে গড়ে ব্যবসার সমালোচনা এক নয় । লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ মানিক। আমার অব্যক্ত কথাগুলি চমৎকার গুছিয়ে বলেছেন।
নিচে "পল্লী বাউল" এর লাইনটা কোট করলাম...."সেই প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই ধর্ম আর ব্যবসা পরস্পরের হাত ধরাধরি করে চলছে।"
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
*পাগলা জগাই*@ বেহুদা পাগলামি করেন কেন? সামু চিনি একবছরের উপর হইলেও নিয়মিত খুব বেশি দিন না। আর রেজিঃ নিছি ১-২ সাপ্তাহ অইব। আর মুনজুরুল ভাইয়ের তুলনায় ব্লগে আমি নতুনই! আমার মন্তব্য কইলাম স্ট্রেইট! ঐদিন কি খুব দুঃখ পাইছিলেন????
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আসলে ছিদ্রান্বেষণ কিছু কিছু মানুষের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য হয়ে পড়েছে। তা না হলে পুরো পোস্টের বিশ্লেষণের দিকে চোখ না গিয়ে চোখ গেলো উপসংহারের দিকে???যাদের উপসংহার ভালো লাগে নাই, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন আছে
আচ্ছা বলবেন কি এই যে একটা উৎসবকে সামনে রেখে একমাস ধরে বিপুল মুনাফার যে ক্ষেত্রটা তৈরী হয় সেই উৎসবটা কি ধর্মীয় নয়? এরকম ধর্মীয় উৎসব কেন্দ্রিক মুনাফালোভীদের প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় কি পরোক্ষভাবে ধর্মই দিচ্ছেনা?
লেখক বলেছেন:
"এই যে একটা উৎসবকে সামনে রেখে একমাস ধরে বিপুল মুনাফার যে ক্ষেত্রটা তৈরী হয় সেই উৎসবটা কি ধর্মীয় নয়? এরকম ধর্মীয় উৎসব কেন্দ্রিক মুনাফালোভীদের প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় কি পরোক্ষভাবে ধর্মই দিচ্ছেনা?"
নিশ্চই দিচ্ছে। সকল প্রকার মিডিয়ায় যে ভাবে সিঙ্গা ফুকে প্রচার হচ্ছে তাতে করে এখন কর্পোরেট হারামজাদারাও রোজা-ঈদকে ইনক্যাশ করা শুরু করেছে।
মেহবুবা বলেছেন:
রোজা কারো কারো ক্ষেত্রে অ-সংযম সাধনা , বুঝতে পারি প্রতি রোজায় ।
লেখক বলেছেন:
এবং প্রতিবার বিপুল ভাবে উপলব্ধি করি.....চমৎকার বলেছেন।
ভাল আছেন মেহবুবা? আপনাকে দেখলেই তনুজার কথা মনে পড়ে! মাত্র ক'দিন আগের কথা। কি সুন্দর দিনগুলি ছিল! কি থেকে কি হয়ে গেল! এখন ফাঁকা লাগে......
পল্লী বাউল বলেছেন:
সেই প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই ধর্ম আর ব্যবসা পরস্পরের হাত ধরাধরি করে চলছে। তথ্যবহুল চমৎকার পোস্টটির জন্য মঞ্জু ভাইকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
অসাধারণ মন্তব্য।
আপনার মন্তব্যটি অনত্র কোট করলাম।
অনেক ধন্যবাদ পল্লী বাউল।
মনজুরুল হক বলেছেন:
আমাদের কাটমোল্লারা (মূলত নারীলোভী) নারীদের ছলে-ছুঁতোয় ফতোয়া দিয়ে দররা মারে। তাদের জনসমক্ষে অপমান করে। তাদের ধারণা এতে করে সমাজে "পাপ" কমে আসবে! এই তথাকথিত সমাজপতিরা কি নতুন ধরণের ফতোয়া দিতে পারেন না রোজা বা ঈদকে সামনে রেখে?
ফতোয়াঃ
১. ইফতারে পানি/ভাত/রুটি ছাড়া বিলাসবহুল খাদ্য গ্রহণ হারাম!
২. সেহরীতে মাংস খাওয়া মকরূহ!
৩. ঈদে নতুন কাপড় পরা শিরক!
৪. রোজা/ঈদে বকশিশ দেওয়া/নেওয়া হারাম!
৫. তারাবীর নামাজের পারিশ্রমিক নেওয়া হারাম!
এরকম কয়েকটি ফতোয়াও যদি তারা সমাজে স্টাবলিস্ট করতে পারত তাও কিছুটা লাগাম পরানো যেত চেমো উকুনের মত বেপারীদের।
মনুমনু বলেছেন:
মনজুরুল হক সাহেব মন্তব্যটি অন্যভাবেও দিতএ পারতেন।সমাজকে আজ খাও খাই ইন্সটিন্ক্ট এ গড়ে ফেলা হয়েছে। ""আমার এটা চাই"" শব্দটি দিয়ে আমাদের টিভি র মাধ্যমে মগজে বেধে ফেলা হয়েছে।
"" লেখপড়া করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে"" এই কথাটিই আমাদের সমাজে দূর্নীতির মূল বীজ। এই শিক্ষাটি এই মূহুর্তে পাঠ্যবই হতে সরিয়ে ফেলা দরকার।
লিখক সাহেবকে প্লাস
লেখক বলেছেন:
বনিক সমাজ বা কর্পোরেট সমাজের এটাই মূল নীতি। মানুষের ভোগেচ্ছাকে নিত্যনতুন পদ্ধতিতে নবায়ন করো! ভোগেচ্ছা বাড়লেই পণ্যের ব্যবহার বাড়বে, মুনাফা বাড়বে।
আপনার উক্তির জন্য ধন্যবাদ। একটা কি বাদ পড়ল?.................
"আপনি বাঁচলে বাপের নাম"
"নিজের বুঝ পাগলেও বোঝে"
"চাচা আপন প্রাণ বাঁচা"
এসবই কি মানুষকে সেলফিস করে দেয়নি? আত্মকেন্দ্রীক করে দেয়নি?
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
(কারণ তত্তাবধায়ক সরকারের আমলের ৪৪ টাকা দরের আটা রাতারাতি ২৩/২৪ টাকায় নামে কি করে? ১শ ২০ টাকা দরের সয়াবিন তেল ৮০ টাকায় নামে কি করে? পয়লা মর্তবায় সরকারকে এই গুডবুক উপহার দিয়ে যারা গত কয় মাসে সামান্য কম লাভ করছিল, সেই তারাই এখন সুদে-আসলে কাটায় কাটায় তা পুরণের জন্য হণ্যে হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।)
বিষয়টা মনেহয় ওরকম নয়। তত্বাবধায়ক সরকারের সময় আটার দাম বারার পিছনে ব্যবসায়ীদের মুনাফার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক একটা বিষয় কাজ করেছে তা হচ্ছে গোটা ইউরোপে খরার কারনে গমের উৎপাদন কম হওয়া আর গমকে জৈব জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করা। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারেই গমের দাম কমেছে। আবার ভোজ্য তেলের ক্ষেত্রে, সরকার ক্ষমতায় আসার সময় ১৩৪০ ডলারের তেল ৭৮০ ডলারে নামে, আর জ্বালানী তেল ১৬৭ ডলার হতে ৪৫ ডরার পর্যন্ত নামে। ফলে কাকতালিয় ভাবে জিনিসের দাম খানিকটা কমেছিল বা এখনও কম। আর চালের দাম কমার কারণ কৃষক বাধ্য হয়েই পানির দরে ধান বিক্রি করেছে।
তবে আপনার মূল উপলব্ধিটা ঠিক আছে। ভুল হলে বলবেন।
সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ
আমার সাম্প্রতিক পোষ্টগুলিতে আপনার মন্তব্য আশাকরি।
লেখক বলেছেন:
আমি এই বিষয়টা বিস্তারিত বলিনি স্থানাভাবে। বিষয়টা এমনঃ.............................
আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ওঠা-নামার খবরটা ব্যবসায়ীরা মনে করে জনগণ খোঁজ রাখেনা, তাই তারা একবার বেশি দামে কিনে সেই ইনভয়েস দিয়ে মাসের পর মাস পার করে দেয়। যেমনঃ বাজেটে যে পণ্যের দাম বাড়ার ঘোষণা হয় তা বাজেটের পরদিনই কার্যকর! যুক্তি- বাজেটে বেড়েছে! আবার যে পণ্যের দাম কমে তা খোলাবাজারে কমে না। যুক্তি- এটা আগের ইম্পোর্ট! এই "আগের ইম্পোর্ট" বা আগে আনা মাল আর সারা বছর শেষ হয় না!
নিশ্চই গমের দাম কমেছিল, ক্রুড ওয়েলের দাম কমেছিল। কিন্তু মহাজোট সমর্থক ব্যবসায়ীরা না চাইলে বাজারে দাম কমত না! তারা না কমানোর অনেক অজুহাত জানে। তারা যারা তত্তাবধায়ক আমলে মামলায় পড়েনি বা গ্রেফতার হয়নি তারা মহাজোটের পক্ষে কৃতজ্ঞতা দেখাতেই "কিছুটা রিল্যাক্স" মুডে ছিলেন। এখন মাহে রামাদানে আর সেই সুযোগ দেবেন না।
গত কয়েক দিনে অনিয়মিত ছিলাম। নিশ্চই আপনার পোস্টে যাব। ভাল থাকবেন।
অ্যামাটার বলেছেন:
এখন রমজান মাস/মুনাফা লুটার এই শ্রেষ্ঠ সময়!
লেখক বলেছেন:
এই হেডিংয়ের লেখাটা রোজার শুরুতে আসবে।
আর সেটা লিখবেন আপনি।
প্রমিজ!!
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
মনজুরুল হক@ আপনে ১৮নং মন্তব্যটিও শেষ প্যারার মতই। এই কাটমোল্লাদের দিয়া আপনে ধর্ম টানতাছেন কেন এটা বুঝতাছিনা। এরা যে মাতব্বর আর চেয়ারম্যান মার্কা লোকদের ইশারায় আর অর্থে ফতওয়া দেয় এটা আপনি জানেন না বলেতো আমার বিশ্বাস হয় না। সংযমের মাসে অসংযমী হওয়াটা কি ধর্মের দোষ, নাকি কপট পাবলিকের দোষ যাদের অনেকেই ব্যাপক ঘুষ খাইয়া বা বিভিন্ন উপায়ে ব্যাক্তি ও রাষ্ট্রের অর্থ আত্মসাত কইরা ব্যাপক দান খয়রাতের মাধ্যমে সমাজ সেবক ও জনদরদী বইন্যনা জান। যেসব সমাজে ধর্মের প্রভাব নাই সেসব সমাজেও কিন্তু এসব দেখা যায়।আর আপনে যেসব ফতওয়ার কথা বলছেন, এই গুলা দিলে তো কালকাই ধর্ম কিভাবে মানুষের স্বাধীনতা কাইড়া লইল সেইটা নিয়া আপনাদের পোস্টের অভাব হইব না। আপনাদের জ্ঞানী মাথা আর চমৎকার লেখনির হাতেরাই যখন এইটা নিয়া পজিটিভ কিছু না করে উল্টা পথে চলেন তখন বইখা যাওয়া গরীব কাটমোল্লা গুলা কেন পজিটিভ কিছু করব সেইটাইতো বুঝতাছিনা!!!
আবাব বলেছেন:
====== “ঠিক না থাকতে দিলে অযৌক্তিকভাবে দাম বৃদ্ধির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার এই যে হুমকি দিলেন তিনি, আইনগত ব্যবস্থা বলতে আমরা কি বুঝব ? তাদেরকে ধরে ধরে কি জেলে পোরা হবে? তাদের ব্যবসার লাইসেন্স কি বাতিল করা হবে? তাদেরকে কি ‘ক্রসফায়ারে’ দেওয়া হবে? না। এসবের কোনটিই করা হবেনা। আমরা যারা ভুক্তভূগী তারা জানি, এসবের কিছুই করা হবেনা। শুধু মাঝে মাঝে তাদের ডেকে চা-চক্রে আপ্যায়ন করা হবে। তারাও চা পানের ফাঁকে ফাঁকে ক্যামেরার দিকে হাসু হাসু মুখে তাদের মুখস্থ বাণী বর্ষণ করে যার যার ডেরায় ফিরে যাবেন। ====১ জন খুন করুন, সারাজীবন জেল অথবা ফাসি, ২০ জন এর বেলায় মানসিক হাসপাতাল, আর ২০০০০০ কে খুন করুন, আপনি আমন্ত্রিত জেনেভায়।
এত মানুষকে পিষে টাকা নামক অমৃত বের করছে ঐ ব্যাবসায়ীরা, তাদের সাথে দুটো মিষ্টি কথা না বললে চলে?
লেখক বলেছেন:
ভাল বলেছেন।
আমাদের এখন এভাবেই বিপরীত থেকে দেখার অভ্যেস করতে হবে !!
প্লাটো বলেছেন:
ব্যস্ত থাকায় আসতে দেরী হয়ে গেল।ধন্যবাদ আপনার উত্তরের জন্য। আমার পাঁচ নাম্বার কমেন্টের প্রতিত্তরে আপনি লিখেছেন -’’শুধুই গোটা কয়েক শোষক নয়। এর দায় সমাজের। রাষ্ট্রের। সরকারের। ধর্মবেত্তাদের। এবং অতি অবশ্যই সোস্যাল কন্টেন্টে যারা সোসাইটিতে তরফদারী করেন, তাদের। পত্র-পত্রিকায় যে রকমারী ইফতারের বয়ান ছাপা হয় তাকে কোন ধর্মীয় নেতা থামান? বরং তারা স্টুপিড বক্সে বসে এত্তো এত্তো অনুশাসন আর ফরমালিটিজের ফতোয়া দেন! ’’আমি বলব , আসলে ঠগ্ বাছতে গিয়ে আপনি গাঁ উজাড় করে ফেলেছেন।কে একমাত্র এবং শুধুই একমাত্র অপরাধী সেটা কখনই আমার উল্লিখিত বক্তব্যর বিষয়বস্তু বা কনটেক্সট ছিলনা। স্বাভাবিক বিচার-বুদ্ধিতে না হওয়ারই কথা,যদি না এটা বিটিভির সেই স্কুলবিতর্ক প্রতিযোগীতা হয়।
সমাজ,সংস্কার,লোকবিশ্বাস ইত্যাদিকে সব অপরাধের সঙ্গেই প্রত্যক্ষ বা পরক্ষো ভাবে জড়িয়ে ফেলা যায় এবং এটা বহু চর্চিত একটা তরিকা।তবে এসব ঢালাও শব্দের আড়ালে মূল অপরাধীকে পাশ কাটিয়ে যাওয়াটা নীতি বিরূদ্ধ কাজ হবে বলে মনে করি। আর সমস্যার মূল কেন্দ্র ছেড়ে পেরিফেরিতে গিয়ে অপরাধী খোঁজার আপ্রাণ প্রচেষ্টা যুগে যুগে অসহায় জজ মিঞাদের দোষি সাব্যস্ত করার চিরন্তন কায়দার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।
আলোচ্য পরিপ্রেক্ষিতে মূল অপরাধী টা কে? রিং লিডার টা কে? খাদ্যসামগ্রী মজুদ্দারি করে যে গোষ্ঠিটা অসহায় জনগনের রক্ত শোষন করে তারা? না গ্রামের মসজিদ মন্দির কমিটির দয়ায় আশ্রিত, হোন্ডা হাঁকানো রাজনৈতিক রক্তচক্ষুর নীচে কুন্ঠিত , দূর্বিণীত পেশিশক্তির কাছে ভীত হতদরিদ্র কাঠমোল্লা আর পুরোহিত সমাজ? রমজান মাসে ছোলাটা মুড়িটা গোস্তটা সে কেন কম খেতে নিষেধ করেনা এটাই তার দন্ডনীয় অপরাধ ? !!
সমাজের শোষণ-বঞ্চনা, ঘুষ-দূর্ণীতি,অবৈধ-অস্ত্র, সীমান্তচোরাচালান, মুদ্রা পাচার ,শিশু পাচার, মাদক ব্যবসা, খাস জমি দখল, ক্ষুধার্তের ত্রান সামগ্রী আত্মসাৎ, প্যারাসিটামলে বিষ ,খেলাপী ঋণ, অর্থের লোভে কিংবা প্রভাবশালীর নেক নজরে থাকার জন্য নীতি বিবর্জিত সাংবাদিকতা আর সর্বগ্রাসী মাদকাসক্তির মূল কারণ কি এই শ্রেনী আর তাদের অসচেতনতা?!! উল্লিখিত অপরাধের সাথে এই পেট চালানো মোল্লা-পুরহিত শ্রেণী কতখানি সম্পৃক্ত আর তাদের কোন বুদ্ধিদীপ্ত ফতোয়াতে এই সমস্যার সমাধান অত্যাসন্ন একটু বাখ্যা করবেন কি?
লেখক বলেছেন:
"সমাজের শোষণ-বঞ্চনা, ঘুষ-দূর্ণীতি,অবৈধ-অস্ত্র, সীমান্তচোরাচালান, মুদ্রা পাচার ,শিশু পাচার, মাদক ব্যবসা, খাস জমি দখল, ক্ষুধার্তের ত্রান সামগ্রী আত্মসাৎ, প্যারাসিটামলে বিষ ,খেলাপী ঋণ, অর্থের লোভে কিংবা প্রভাবশালীর নেক নজরে থাকার জন্য নীতি বিবর্জিত সাংবাদিকতা আর সর্বগ্রাসী মাদকাসক্তির মূল কারণ কি এই শ্রেনী আর তাদের অসচেতনতা?!! উল্লিখিত অপরাধের সাথে এই পেট চালানো মোল্লা-পুরহিত শ্রেণী কতখানি সম্পৃক্ত আর তাদের কোন বুদ্ধিদীপ্ত ফতোয়াতে এই সমস্যার সমাধান অত্যাসন্ন একটু বাখ্যা করবেন কি?"
আপনার এই বক্তব্যে সহমত। শুধুমাত্র মোল্লা-পুরহিতকে অঙ্গুলি নির্দেশ করা হয়েছে এমনটি কি পোস্টে খুঁজে পেলেন? আমিতো তা বলিনি! বলা হয়েছে আপনার ওই বর্ণিত শ্রেণীর সাথে সাথে একটা বিশেষ মাসে বিশেষ কিছু মানুষ শোষণের নতুন মাত্রা আবিষ্কার করে।
তাদের কোন ফতোয়াতেও কাজ হবেনা। কারণ শত সহস্র বছর ধরে চলে আসা রেওয়াজ সহজে ফিকে হবেনা। কিন্তু আম জনতার মাংস খুবলে খাওয়ার ধর্মাশ্রয়ী ব্যবস্থাকে এনশিওর করা কি কোন সামাজিক গুরু দায়িত্বে পড়ে? উত্তর হচ্ছে-না। তাহলে এবার বলুন এই ধর্মাশ্রয়ী বুলিবাগিশদের এই সময়ে করণীয় কী?
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
@@@ছৈয়দ শেইমছুল হুক
আপনি সুনাদর মন্তব্য করেছেন। কিন্তু আসলে শুধু বাংলাদেশি ব্যাবসয়ী নয়, ব্যাবসায়ী মানেই রক্তচোষা। কারন ব্যাবসার উদ্দেশ্যই হচ্ছে পুজি বিনিয়গ করে সর্বোচ্চ মুনাফা তুলে নেওয়, সেখানে মানবতার পরাজয় ঘটলেও সমস্যা নেই।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
প্লাটো বলেছেন:
১। ধন্যবাদ আপনাকে। আমার পাঁচ ও পঁচিশ নম্বর কমেন্ট এবং তৎসম্পর্কিত প্রতিত্তরের ধারাবাহিকতায় বলছি- আপনার কাছে আমার মূল যে প্রশ্ন ছিলো, আলোচনার সুবিধার্থে নীচে আবার উল্লেখ করলাম
“আলোচ্য পরিপ্রেক্ষিতে মূল অপরাধি টা কে? আসল রিং লিডার কে? খাদ্যসামগ্রী মজুদদারি করে যে গোষ্ঠিটা অসহায় জনগনের রক্ত শোষন করে তারা? না গ্রামের মসজিদ মন্দির কমিটির দয়ায় আশ্রিত, হোন্ডা হাঁকানো রাজনৈতিক রক্তচক্ষুর নীচে কুন্ঠিত, দূর্বিণীত পেশিশক্তির কাছে ভীত হতদরিদ্র কাঠমোল্লা আর পুরোহিত? রমজান মাসে ছোলাটা মুড়িটা গোস্তটা সে কেন কম খেতে নিষেধ করেনা এটাই তার দন্ডনীয় অপরাধ ?”
এখনো আপনার কাছ থেকে উত্তর সুনির্দিষ্ট ভাবে আসেনি। আশা করছি পাবো।অপরাধের দায়দায়িত্ব বিভিন্ন দিকে বিক্ষিপ্ত ভাবে ছড়িয়ে না দিয়ে সর্বপ্রথম উপরের প্রশ্নগুলির নিষ্পত্তি বড় প্রয়োজন।
২। কমেন্ট পঁচিশ এ এসে আপনি সহমত হয়েছেন যে ফতোয়া দিয়ে এর কেশাগ্র ও স্পর্শ করা যাবেনা।এর অর্থ আপনি আপনার আঠারো নম্বর কমেন্টের শেষাংশের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন এবং শোষনের কন্ট্রোল মেকানিজমটাতে মোল্লা-পুরহিত শ্রেণীর প্রভাব যে নাই বললেই চলে সেটাও আপনি স্বীকার করেছেন। আসলেই, তারা চাইলেও কি না চাইলেও কি।এর স্টেয়ারিংটা আছে অন্য কোথাও অন্য কারো হাতে। সংক্ষেপে বলি। যদি এটাই আপনি পরিস্কার ধরতে পারেন তবে সমাধানের নৈতিক দায়িত্ব শুধু মোল্লাদের ঘাড়ে কেন দিচ্ছেন? যারা নিজেরাই অসহায় তারা আবার কি সমাধান দিবে? এটা আপনার স্ববিরোধিতা বলে মনে করি। সর্বশেষে ,সমাজের জঞ্জাল সাফ করার দায়িত্ব সংবিধান অনুযায়ী সর্বপ্রথম কার? যদি সে তা না করে থাকে তবে দায়িত্বটা কি এরপরপরই মোল্লাদের ঘাড়ে পড়ে, না এর মাঝে আর কোন স্তর আছে?
৩।আপনার শেষাংশের বক্তব্যে আরো নতুন কিছু চিন্তা বা প্রশ্নের অবকাশ থেকে গেল বলে মনে হয়। এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত কথা বলা যাবে, তবে সর্বাগ্রে আমার ১ নং পয়েন্টে আপনার সুনির্দিষ্ট উত্তরটি আশা করছি। আবারো ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
আলোচ্য পরিপ্রেক্ষিতে মূল অপরাধি খাদ্যসামগ্রী মজুদদারি করে যে গোষ্ঠিটা অসহায় জনগনের রক্ত শোষন করে তারা। আর তারা এই কাজটি করার জন্য মোক্ষম অজুহাত হিসেবে সামনে পায় পুরো একটি মাসকে। এই মাসের ধর্মীয় অনুশাসন আর প্রথাগত আচার এর চল না থাকলে ওই মজুদদার গোষ্ঠি দিনেদুপুরে এই পরিকল্পিত অনাচারটি করতে পারত না। পূজোর সময় নিশ্চই এই কাজটি হবে না! কারণ পুজোর স্থায়িত্ব মাত্র তিন দিন। তার পরও ওই তিন দিনে বিশেষ বিশেষ আইটেম বাজারে আক্রায় হয়ে ওঠে।
এটা একটা টোটাল কর্পোরেট বাণিজ্য। এর সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত সমাজের এলিট শ্রেণী এবং তাদের বেনিফিশিয়ারীরা। আর তাদের রক্ষাকর্তা সরকার এবং সরকারের অর্গান সমূহ।
রাগ ইমন বলেছেন:
হইবে না কিছুই । অন্তত মধ্যবিত্ত দিয়া হইবে না । কারনটা বলি, আমরা সকলেই চাই ,১। আমি গলা ফাটাইয়া বলিব
২। অন্যেরা কষ্ট করিয়া পরিবর্তন করিবে
৩। আমি ভোগ করিব আর বলিব আমিই প্রথম বলিয়াছিলাম যে পরিবর্তন দরকার ।
এই ব্লগেই আমি বলেছিলাম, নিজের সংসার এ খরচ কমানোর জন্য আমরা সবাই যদি চৈনিক আর ভারতীয় পণ্যের দিকে ঝুঁকে থাকি তো সামগ্রিক ভাবে বাংলাদেশ গরীব হয়, আমাদের চাষী ব্যবসায়ীরা মার খায় এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশী পণ্যের দাম আরো বেড়ে গিয়ে একটা ভিষাস সাইকেল তৈরী হয় । এর থেকে বের হতে হলে ,
দেশী জিনিস কিনতে হবে । খরচে না কুলালে পরিমাণে কমিয়ে দিতে হবে । এইটা হইলো দেশপ্রেমের প্রয়োগ । শুধু মনে মনে বাংলাদেশকে ভালোবাসি বলে কাজে কর্মে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিলে সেইটা প্রকৃত দেশ প্রেম না ।
ঝাড়ি খাইসি । সংসারের খরচ কমানোর জন্য ভারত , চীন এর অর্থনীতি চাঙ্গা করাটাকে কেন আমি দেশপ্রেমের সাথে মিশাইলাম !
তো ওইটাই আর কি ।
অন্যেরা কৃচ্ছতা সাধন করুক । আমি খাইয়া লই । আর দোষ সবই অন্যদের । আমার কিছুই করার ছিলো না , এখনো নাই । বুঝলেন?
লেখক বলেছেন:
গ্লোবালাইজেশনে কোন একটি দেশকে "চাঙ্গা" কিংবা কোন একটিকে "টিসে" দেওয়ার সুযোগ কই? গ্যাট এর অধীনে আপনি ইচ্ছে করলেই শিফন-জর্জেট আমদানী ঠেকাতে পারবেন না! এমনকি বোতলজাত পানি আমদানীও ঠেকানোর এন্তেজাম নাই। আবার ইচ্ছে করলেই এরোপ্লেন বানিয়ে রপ্তানীও করতে পারবেন না! ব্যাপারটা খরচ কমানো-বাড়ানো না, আসলে প্রয়োজন এবং অত্যাবশকীয়র মধ্যেকার দ্বন্দ্ব। ক্লিয়ার ?
হ্যাঁ বুঝলাম। আপনার কথকীর ভক্ত হয়েছি আগেই। এখন নেশা ধরে যাচ্ছে !!!!
লেখক বলেছেন:
এমনই মহিমা যা খালি চোখে দেখা যায়না! দূরবীন লাগে!!![]()
গাই অব গিসবর্ন বলেছেন:
দারুন লেখা...প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গাই অব গিসবর্ন।
মদনঠাকুর বলেছেন:
আশাকরি আপনাদের এবারে ঈদ আরো আনন্দঘন হয়ে উঠভে ।ঈদের আগে একটি অবশ্যপাঠ্য গুরুত্বপূর্ন পোস্ট
লেখক বলেছেন:
শুকুরালহাম্দুলিল্লাহ! এই পবিত্র দিনের আগের রজনীতে এই মহান পুস্টখানি অবলোকিত করাইয়া আপনি অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হইলেন!! লা-আম বাজু মোজ্জেরুন!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















