আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১৬ > ঘন কুয়াশায় দুটি প্রাণের বিসর্জন
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৩
কুয়াশা ভেদ করে জিপ এগিয়ে চলেছে। মাটির এবড়োথেবড়ো রাস্তায় ঝাঁকি খেতে খেতে চলেছি আমরা। এবার আমার সাথে যারা তাদের দু’একজন আমাকে নিয়ে প্রশ্ন কলল, আবার তাদেরই কেউ কেউ উত্তরও দিয়ে দিল। আমাকে কিছুই বলতে হলো না! তাদের একজনের কথা আজও আমার মনে দাগ কেটে আছে। তিনি বলেছিলেন-‘ও কে, ওর বয়স কত, ও মরে যেতে পারে কিনা, এসব কোন প্রশ্নই নয়। ওর দেশ শত্রু কবলিত, ওকে দেশ ছাড়তে হয়েছে, ও দেশে ফিরতে চায়, এটাই ওর বড় পরিচয়.....’! এই কথাগুলো হয়ত একটু এদিক-ওদিক হতে পারে, তবে তার এই কথাগুলো কি কারণে যেন আমার ভীষণ ভাল লেগেছিল। আর এই কথাটিই আমি পরে অনেককে বলেছি, নিজেকে শুনিয়েছি। আমি যখন পাড়ার ছেলেদের সুর করে রাতে পড়া মুখস্থ করতে শুনতাম, সকালে যখন তাদের বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যেতে দেখতাম, তখন নিজের কাছেই নিজেকে কি রকম যেন ছন্নছাড়া মনে হতো! বাবা-মা’র বিয়ের পর অনেক দিন তাদের সন্তান হচ্ছিল না। তারা এ নিয়ে অনেক দোয়া-তাবিজ, চিকিৎসাও করিয়েছিলেন। মা-দাদীর কাছে শুনেছি একটা সন্তানের জন্য আমার বাবা-মা আল্লার কাছে ফরিয়াদ করেছিলেন। সেই ফরিয়াদের পরই আমি জন্ম নেওয়ায় বাবা বলেছিলেন-‘আল্লা আমার ফরিয়াদ মঞ্জুর করেছে, তাই ওর নাম রাখা হলো-মঞ্জুর’। সে কারণে বাবা আমাকে নিয়ে খুব বড় আশা করতেন। ডাক্তার বানাবেন, ইঞ্জিনীয়ার বানাবেন, আরো কত কি স্বপ্ন! আর এখন আমার স্কুল নেই পড়াশুনা নেই, আমি যুদ্ধের ময়দানে ঠোকর খেয়ে বেড়াচ্ছি! এসব ভেবে মন খারাপ হলে ওই জিপের সেই লোকটির কথা মনে হতো-‘ ওর দেশ শত্রু কবলিত, ওকে দেশ ছাড়তে হয়েছে, ও দেশে ফিরতে চায়, এটাই ওর বড় পরিচয়’!
একসময় জিপ থেমে গেল। আর যাবে না। আমরা যার যার মত নেমে গেলাম। ওখান থেকে বাঙ্কার খুব বেশি দূরে নয়। নিঃশব্দে হেঁটে চলেছি। শুধু প্যান্ট বা লুঙ্গির খস খস আওয়াজ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। মুখ ঘুরিয়ে জিপটা ফিরে গেল। আরো পরে আমরা বাঙ্কারে পৌঁছুলাম। বাঙ্কারে মাত্র চার-পাঁচজন ছিল। আমরা পৌঁছুনোর সাথে সাথে তারা তৈরি হয়ে নিল। ঠিক হলো বাঙ্কারে দুই-তিন জনকে রেখে সবাই আরো ভেতরে ফ্রন্ট লাইনে চলে যাবে। সবাই নিজ নিজ রাইফেল, এসএলআর, গ্রেনেড গুছিয়ে আমাকে আর একজনকে রেখে বেরিয়ে গেল। যাবার আগে আমাদের দুজনকে পই পই করে বলে গেল- বাঙ্কারে অনেক গোলাবারুদ আছে, কোন ভাবেও যেন আমরা দুজনেই একসাথে ঘুমিয়ে না পড়ি। ওরা চলে যাওয়ার পর সেই লোকটি আমাকে বলল-‘একজনকে বাঙ্কারের বাইরে থাকতে হবে, তুমি ছোট মানুষ এখন তুমি থাকো, পরে মাঝ রাত থেকে আমি থাকব’। আমি মাথা নেড়ে রাজি হয়ে গেলাম। তার কথা শেষ হতেই আমি বাঙ্কারের বাইরে পাহারায় যাওয়ার জন্য বেরুতেই তিনি ধমক দিলেন-‘খালি হাতে যাচ্ছো কেন? তুমি কি বন্দুক চালাতে পার’? আমি ‘পারি’ বলায় বললেন-‘তাহলে যে খালি হাতেই যাচ্ছো’? আমি থতমত খেয়ে তাড়াতাড়ি একটা এসএলআর নিয়ে কাঁধে ঝুলিয়ে বেরিয়ে গেলাম। আবার ফিরলাম এক মিনিটের মধ্যেই-‘কাকু আমার ভয় করলে আপনাকে ডাকব’? হ্যাঁ হ্যাঁ, নিশ্চই, কোন ভয় নেই, আমি আছি না’? আমি নিঃশ্চিন্ত হয়ে বেরিয়ে গেলাম। আমি জানতাম আমাদের এই বাঙ্কার থেকে ঠিক মাইল খানেকের মধ্যেই আর কয়েকটা বাঙ্কারের কোন একটায় বাবা আছেন।
ঘন কুয়াশায় একটু দূরেও কিছে দেখা যায় না। কোথাও কোন সাড়াশব্দ নেই। আকাশে অনেক তারা জ্বলে আছে কিন্তু কুয়াশায় তাও দেখা যাচ্ছে না। কেমন যেন ধোঁয়াটে ব্যাপার। আমার মনে হলো একটা বড় ময়লা পুরোনো হয়ে যাওয়া মশারির মধ্যে থাকলে যেমন একটু দূরের কিছু দেখা যায়না, এখানেও ঠিক তেমনি! ঝিঝি পোকার একটানা চিৎকার, মাঝে মাঝে হুতোম প্যাঁচা ডেকে ওঠা, কখনো কখনো শুকনো পাতার ওপর দিয়ে কোন কিছু চলে যাওয়ার সড় সড় করা আওয়াজ আর সারাক্ষণ "আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারিনা" এই রকম একটানা গুমগুম চাপা শব্দ। এই চাপা ঝিমধরা রাতে আমি একা দাঁড়িয়ে আছি এসএলআর কাঁধে। এসএলআর টা অনেক ভারী মনে হচ্ছে! আগের বার নদী পেরিয়ে পাক সেনাদের অবস্থানে অপারেশনে যাওয়ার সময় এত ভারী লাগেনি। বুঝতে পারলাম না আজ কেন ভারী মনে হচ্ছে! এই নিঃশব্দ আঁধারে হঠাৎ হঠাৎ অনেক দূরে কোথাও টাস্ করে একটা-দুটো গুলির শব্দ ভেসে আসছে। অদ্ভুত ব্যাপার! গুলির শব্দ শুনলে ভাল লাগছে! আমার সবচেয়ে কাছের লোকটি দিব্যি ঘুমিয়ে পড়েছেন। একবার নিচে নেমে দেখে আসলাম। ভাবলাম ডাকি, কিন্তু মনে পড়ল-এই প্রথম রাতে আমি পাহারা দেব, আর মাঝ রাত থেকে তিনি। আবার ফিরে গেলাম বাইরে। রাত কয়টা বাজে কোন ধারণাই নেই। আমাদের কারো কাছেই ঘড়ি নেই। মনেও পড়েনা কারো হাতে ঘড়ি দেখেছি কি-না। একসময় এসএলআরটা কোলের উপর রেখে বসে পড়লাম।
হাঁটুর উপর দুই হাত আড়াআড়ি করে রেখে কোলে এসএলআর নিয়ে বসে আছি.....কখন যে ঝিমুনি এসেছে জানিনা, মাথাটা ওই হাতের উপর রেখে আমি মনে হয় ঘুমিয়েই পড়েছিলাম.....সড় সড় করে কি যেন দৌড়ে গেল! চমকে উঠে দাঁড়ালাম! আতংকে সাথে সাথে এসএলআর ঘাড়ে লাগিয়ে দাঁড়িয়ে কাঁপতে শুরু করলাম! থর থর করে কাঁপছি! শব্দটা আবার ফিরে এলো। একটু দূরে মুখ উঁচু করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে দুটো বেজি! এতক্ষণ পরে ফোঁস করে চেপে রাখা নিঃশ্বাস ছাড়লাম। এবার নিজেকে নিজেই বকাবকি করলাম! আর বসা যাবে না। বসলেই ঘুম আসে। রাত এখন কয়টা বাজে? একবার মনে হলো লোকটাকে ডাকি। এতক্ষণ একা একা আমার আর সময় পার হচ্ছিল না। মনে হচ্ছে এক একটা মিনিট যেন এক এক ঘন্টার সমান। নিজের উপরেই রাগ হলো! কেন এখানে থাকতে গেলাম! টিমের সাথে গেলে তো এই একা একা ভয়ে কাঁপতে হতো না। আরো কিছুক্ষণ পরে বাধ্য হয়ে ভেতরে গেলাম। লোকাট ঘুমাচ্ছেই....পাশে বসে আস্ত আস্তে গায়ে হাত রেখে কাকা, কাকা, ও কাকা... কোন সাড়াশব্দ নেই! একটু জোরে ধাক্কা দিতে পাশ ফিরে শুলেন। উঠলেন না। আবার ফিরে গেলাম বাইরে। এবার মেজাজ খারাপ হচ্ছে! আশ্চর্য্য, লোকটা তো বলেইছিল সে মাঝরাত থেকে পাহারা দেবে, মাঝ রাত হতে আর কত বাকি?
যখন সময় পার হতে চায় না তখন মনে হয় এরকমই হয়। কত কি মনে পড়ে.....চুয়াডাঙ্গার সেই ছোটবেলার কথা, আরো ছোটবেলার খুলনায় মামাবাড়ির কথা..... একের পর এক লাইন দিয়ে সেই সব কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। একবার মাথায় হাত দিয়ে দেখলাম চুল ভিজে গেছে! কেন? চুল ভিজল কেন? বৃষ্টি তো নেই! শিশিরে যে চুল ভিজে যেতে পারে সেটা মাথায় এলো না। ভেতরে গিয়ে একটা ক্যাপ খুঁজলাম, নেই। শেষে বাধ্য হয়ে একটা হেলমেট মাথায় দিয়ে এলাম। এত বড় যে মাথায় ওটা ঢল ঢল করছে। আবার যেন ঘুম না আসে সেজন্য চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছি। একটু দূরে একটা শ্যাওড়া ঝোঁপ। শ্যাওড়া ঝোঁপ খুব ঝাঁকড়া আর ঘন হয় জানতাম। খুব ছোট বেলায় শ্যাওড়া গাছের তলে দাঁড়ালে মাথায় বৃষ্টি পড়ত না মনে আছে। গ্রামে শুনেছিলাম শ্যাওড়া গাছে নাকি ভূত থাকে! রেবেকা নামের যে মেয়েটি আমাকে কোলে করে পাড়া বেড়িয়ে বেড়াত তার এলামেলো চুল দেখে মা বলত-শ্যাওড়া গাছের ভূত! ভূত কথাটা মাথায় আসতেই ভূতের ভয চেপে বসল! একটু আগেই যে গাছটা দেখেছি গাছই, সেটা এখন মনে হচ্ছে সাদা চাদর গায়ে কেউ যেন দাঁড়িয়ে আছে! না! শুধু দাঁড়িয়ে আছে না, একটু একটু করে আমার দিকে হেঁটে আসছে! আবারো চোখ বড় করে ভাল ভাবে দেখলাম! নাহ্ ভূতটা আমার দিকেই আসছে.....এক ঝটকায় হেলমেটটা একহাতে ধরে দৌড়ে ভেতরে নেমে গেলাম। কাকা ওঠেন কাকা ওঠেন..... এমন জোরে ধাক্কা দিলাম যে এবার লোকটা উঠে বসল। ‘মাঝ রাত হয়ে গেছে’ বলে আসলে আমি তাকে ডিউটি বদলাতে বলতে চাচ্ছিলাম। তিনি উঠেই বাইরে এসে বললেন-‘এখন রাত বারটাও হয়নি, আর একটু পরে আমি দেব, তুমি আর কিছুক্ষণ থাক"। জোর করে কিছু বলতেও পারলাম না। আবার গিয়ে দাঁড়ালাম। এবার আমার আরো বেশি রাগ হচ্ছে লোকটার উপর (আমি তখনো জানিনা এই লোকটি গত দুই রাত একমুহূর্তের জন্যও ঘুমাতে পারেনি!)
আমি আবার নিজের পজিশনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন আর পুরোনো কিছু ভাবছি না। শুধু ভাবছি কখন সকাল হবে। রাত প্রায় শেষ, পুব দিকে একটু একটু আলো মত হয়ে উঠছে। এমন সময় সারারাতের সেই সুনশান নিরবতা হঠাৎ খান খান হয়ে গেল! একসাথে শত শত রাইফেলের গুলি..... কড় কড় করে একটানা গুলি শুরু হয়ে গেল। গুলির শব্দ হতেই দেখলাম সেই লোকটা বেরিয়ে এসে যে দিক থেকে গুলির শব্দ আসছিল সেই দিকে বন্দুক তাক করে শুয়ে পড়ল, আমাকে ইশারা করতে আমিও শুয়ে পড়লাম। হেলমেটটা আমার মুখ ঢেকে দিলে আমি টান মেরে হেলমেট ফেলে দিলাম। তা দেখে সাথে সাথে তিনি হেলমেটটা পরতে বললেন। তারপর নিজেই হেলমেটটা সাইজ করে দিয়ে বললেন-‘ড্রেস পরা দেখলেই আমার অর্ডারের অপেক্ষা করবে না, গুলি করবে, পারবে তো? আমি মাথা ঝাঁকালাম। আবার বুক ঢিপ ঢিপ করা শুরু হলো। মনে হচ্ছে আমার বুকের শব্দ মনে হয় এই কাকাও শুনতে পাচ্ছে! গুলি আর থামেনা। একটু থেমে থেমে গুলি হয়েই যাচ্ছে। লোকটা বিড় বিড় করছে- কর্ডনে পড়ে গেল নাকি? এমন ভাবে গুলি হচ্ছে যেন আর কখনো থামবে না। এক একবার মনে হচ্ছে আর বুঝি হবে না, কিন্তু একটু পরেই আবার একটানা গুলি। লোহার শিকে একটা কাঠি দিয়ে টেনে গেলে যেমন শব্দ হয় সেই রকম শব্দ হলে লোকটা বলছে-"কুত্তাদের মেশিনগান"। আবার যখন একটা সিঙ্গেল হয় বলেন-আমাদের কাউন্টার। ওই ভাবে উপুড় হয়ে আছি তো আছিই, অনেক পরে গুলি থামল। তাও উঠলাম না। এসময় লোকটা বলল – আর হবে না, ওঠো। তারপর যেন এই প্রথম দেখছে আমাকে, সে ভাবে বলল-তুমি তো সারারাত সেন্ট্রি দিলে! ছি ছি, আমার এটা উচিৎ হয়নি। আমি মাথা নিচু করে আছি, কি বলব?
সূর্য উঠে আলো হলে কুয়াশা কেটে গেল,কিন্তু পুরোপুরি ওঠেনি। তখন অনেক দূরে দেখা যাচ্ছিল। লোকটা আর বাঙ্কারের ভেতরে গেল না। আমরা পাশাপাশি বসে থাকলাম। একটু পরে আমার ঘাড়ে হাত দিয়ে বললেন-‘ আমার একটা ছোট ভাই আছে তোমার বয়সের। সে তো খেলাধুলাও ঠিকমত পারে না, আর তুমি কাকু কি করে সারা রাত জেগে থাকলে’? মনে মনে তখন আমার রাগও হচ্ছে আবার কষ্টে কান্নাও পাচ্ছে। তিনি আবার বললেন-আমার মন বলছে আজ খারাপ কিছু একটা ঘটেছে.... আমি কি খারাপ ঘটতে পারে তা জানি, তারপরও তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। এত ক্লান্ত লাগছে যে মনে হচ্ছে এখানেই কাৎ হয়ে শুয়ে পড়ি.......এমন সময় দেখলাম আমাদের টিমের লোকেরা ফিরছে। আমি কিছু বুঝিনি, কিন্তু ওই লোকটা দেখেই বুঝে ফেলেছে! বিড় বিড় করে বলছে-ইন্নালিল্লাহে অইন্নালিল্লাহি রাজেউন.....আমি বোকার মত তার মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। টিম আরো কাছে আসলে লোকটা একটু জোরেই বলল- টু ক্যাজ্যুয়াল্টি ! এতক্ষণে বুঝলাম কেন তিনি ইন্নালিল্লাহে পড়ছিলেন। আমার জানা ছিল না টিমে কয়জন গেছিল! সেই নিহত দুই জনের লাশও নেই। টিম একেবারে বাঙ্কারের কাছে আসার পর জানা গেল একজন নিজের গ্রেনেড ছুঁড়তে গিয়ে নিজের শরীরেই ফেটে মারা গেছে। তার লাশ নিয়ে টিম পিছিয়ে আসার সময় মেশিনগানের ব্রাশফায়ারে শেষের একজন মারা গেছে। তারপর দুজনের লাশই ফেলে রেখে এসেছে। হিসেবটা হলো লাশ আনার সময় পেছন থেকে আক্রমন হলে লাশ ফেলেই পালাতে হবে, তা না হলে লাশ বহনকারীও মারা যেতে পারে। বাঙ্কারের ভেতরে কোন কথাবার্তা নেই। সবাই যেন কবরের মধ্যে বসে আছি। অন্ধকার কবর! আমার মুখটা তেতো হয়ে গেছিল। উঠে গিয়ে ওয়াটার বটল থেকে পানি খেলাম। আমার দেখাদেখি সবাই সেই বতল থেকে পানি খেল। আবার সবাই চুপ। কে? কে? সেই দুই জন কে? জানিনা। ক্যাম্পে যেয়ে লিস্ট দেখলে জানা যাবে। আমরা কেউ জানিনা। শুধু জানি ”ক্যাজ্যুয়াল্টি” । জিপ আসার অপেক্ষায় না থেকে আর একটু পরে আমরা ক্যাম্পে ফিরে চললাম। সব্জি ক্ষেতের পাশে কেউ কেউ অত ভোরেও কাজে লেগে গেছে, কয়েকটা ছোট ছেলে মেয়ে মুলোর ক্ষেত থেকে মুলো তুলছে.....আরো দূরে জমির আলে বসে একজন বিড়ি টানছে......তারা কেউ জানল না আমার দুজন মুক্তিযোদ্ধাকে দেশের মাটিতে ফেলে এলাম...........
চলবে..........
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি, কিশোর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালী, বাংলাদেশী, বাংলাদেশ, ১৯৭১, ৭১, '৭১, মনজুরুল হক, স্মৃতিকথা, গেরিলা, পাকিস্তান, পূর্ব বাংলা, বিহারী, 1971, 71, '71, bangladesh, freedom fighter, liberation war, bangladeshi, bangla, east pakistan, west pakistan, .... ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ, স্মৃতিকথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ পেরেছিলাম, তবে এখন আর মনে নেই। মা'র কাছে শুনে একজনের নাম জাকির মনে পড়লেও আর একজনের নাম মনে করতে পারনি। এই জাকিরের কথা মা'র সাথে কয়েকদিন আলোচনা করায় মা মনে রেখেছিলেন।
আজ ব্লগডে'র অনুষ্ঠান থেকে ফিরে অনেক দেরী হয়ে গেল লিখতে।
রাগিব বলেছেন:
আপনাকে অনুরোধ, এই স্মৃতিচারণটি বই আকারে বের করুন। নিদেনপক্ষে ইবুক। আজকালকার প্রজন্মের জানা দরকার মুক্তিযুদ্ধের এমন অভাবনীয় বাস্তবতা ...
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ রাগিব।
বই বের করার কথা চলছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আসছে ফেব্রুয়ারী বইমেলায় বের হতে পারে।
ইতিমধ্যেই বন্ধু "ক-খ-গ" একটা ই-বুক করেছেন, এবং আপডেট করছেন।
লেখক বলেছেন:
অনেক দামে কেনা সেই স্বাধীনতা যখন বিশাল সংখ্যক মানুষের মুখে খুব কমদামী খাবারের নিশ্চয়তাও দেয়না তখন দাম আর মূল্যের পার্থক্য নিয়ে ধন্ধে পড়ে যাই!
ধন্যবাদ ফারহান।
জাতেমাতাল বলেছেন:
... ওর দেশ শত্রু কবলিত, ওকে দেশ ছাড়তে হয়েছে, ও দেশে ফিরতে চায়, এটাই ওর বড় পরিচয়’!
বীর মুক্তিযোদ্ধা মনজুরুল হক'এর জন্য অনেক শ্রদ্ধা...
লেখক বলেছেন:
এই ভালবাসা আর শ্রদ্ধায় আমি সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতায় বিমোহিত।
শয়তান বলেছেন:
লোহার শিকে একটা কাঠি দিয়ে টেনে গেলে যেমন শব্দ হয় সেই রকম শব্দ হলে লোকটা বলছে-"কুত্তাদের মেশিনগান"। আবার যখন একটা সিঙ্গেল হয় বলেন-আমাদের কাউন্টার।
---
অবাকই হই মাঝে মাঝে । এরকম অসম একটা যুদ্ধে আমরা কিভাবে জিতেছিলাম ।ভেতরে কতটুকু মনোবল থাকলে এমন একটা যুদ্ধে জেতা যায় ।
সাবাশ বীর বাঙালী । স্যালুট !
লেখক বলেছেন:
বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত একটা বাহিনীর বিরুদ্ধে ল্যাজা-সড়কি নিয়ে ঝাঁপ দেওয়ার মত "পাগল" এদেশে আছে বলে এই মাত্র পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলে ষোল কোটি লোক বসবাস করে, অথচ কেউ কারো মাংস খুবলে খায় না!!!!
এটা যখন ভাবি তখন গর্বে বুকটা ভরে ওঠে! আবার শোষণের মাত্রা দেখে ঘেন্নায় গা রি রি করে ওঠে!!!
নোনাধরা দেওয়ালের চটায় প্রিয় মানুষের মুখ
এই আমার স্বদেশভূমি! ইনহাস্ত ওয়াতানাম!!
যাই হোক আমার মনে হচ্ছে আপনি নাটক সিনেমার পরিচালক হিসাবে খারাপ করবেন না। আপনার "লোকটা" যার সাথে আপনি বাঙ্কারে ছিলেন - এই বাস্তব চরিত্রটা বর্ণনা সাংঘাতিক হয়েছে। প্রথমে আপনার যা মনে হচ্ছিল সেই নেগেটিভ চরিত্রটা কীভাবে ধাপ ধাপে গভীর ইতিবাচক হয়ে উঠছে - সত্যিই সিনেমা নাটককে হার মানায়; অথচ আজীব ব্যাপার হলো, আপনি কোন স্ক্রিপ রাইটারের মত কল্পনায় চরিত্র সৃষ্টি করছেন না।
আমার মানুষ:
আমার মুক্তিযোদ্ধা। অদ্ভুত একটা শব্দ। মুক্তিযোদ্ধা আমার মানুষ।
মানুষ কাছে "অপর" - এই দুস্তর পারাবার দূরত্ত্ব ঘুচিয়ে একাকার হয়ে যাবার একটা বাসনা সবসময় আছে। মানুষের যেমন ব্যক্তি, স্বাতন্ত্র, স্বার্থও লালন করে তেমনি একইভাবে, এই বাসনাটাও সত্যি। বাসনাটা স্পিরিচুয়াল; আর এই স্পিরিচুয়ালিটির ভিতরেই একমাত্র সে নিজেকে জীবন্ত, রাজনৈতিক মানুষ বলে উপলব্দি করতে পারে। এটা বাদে দিলে যে শরীরটা থাকে সে তো একটা বিষয়আশয় মাত্র।
মুক্তিযোদ্ধা তেমনই একটা শব্দ যেখানে মানুষ তাঁর "অপর"কে অতিক্রম করে একাকার হয়ে যায়; কোন বিশেষ বৈশিষ্টে আলাদা করে কাউকে চেনা যায় না, কমিউনিটি হয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধা সেই মিলন বিন্দু।
"আমার দুজন মুক্তিযোদ্ধাকে দেশের মাটিতে ফেলে এলাম" - আমার দুজন মুক্তিযোদ্ধা, আমার - এইসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে এলোমেলো এসব কথা লিখে ফেললাম।
লেখক বলেছেন:
"মুক্তিযোদ্ধা তেমনই একটা শব্দ যেখানে মানুষ তাঁর "অপর"কে অতিক্রম করে একাকার হয়ে যায়; কোন বিশেষ বৈশিষ্টে আলাদা করে কাউকে চেনা যায় না, কমিউনিটি হয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধা সেই মিলন বিন্দু।"
কি অসাধারণ কথাটি কত সাধারণ করে বললেন! অবিভুত হবো না আপ্লুত হবো নির্ণয় করতে পারলাম না।
মানুষের এই গুণাবলিকেই স্টাবলিশমেন্টের ভয়! তারা এখানেও বাঁধ দিতে চায়! এক একটা মানুষকে তারা "টিপাইমুখ" করে ফেলতে চায়। আমরা আর "আমার" বলয়ে থিতু হতে পারিনা। বারে বারেই বেরিয়ে এসে আমিত্বকে লালন করে আমিত্বের প্রাসাদ গড়ি, সৌধ গড়ি। মায়ামরিচিকায় বেলোয়ারিঝাঁড়ে সূর্যালোক খুঁজি!
এখনো স্বপ্ন দেখি............
লেখক বলেছেন:
আশা করছি হবে।
ভাল থাকুন ফিরোজ-২
কথাটা আমার বুকের মধ্যেও গেঁথে গেল। ভাল থাকুন ভাইয়া।
লেখক বলেছেন:
তখন বুঝিনি কি অসম্ভব শক্তিমান একটি কথা তিনি আমায় শেখালেন! আজ এতটা বছর পরে যখন পেছন ফিরে দেখি সেই নাম না জানা লোকটির কাছে চিরঋণী হয়ে পড়ি! বয়স অনুমানে হয়ত আজো তিনি বেঁচে আছেন। যেখানেই থাকুন, তিনি যেন ভাল থাকেন!!
এত বছর পরে এতটা দূর থেকে সশ্রদ্ধ স্যালুট!!!
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
‘ ওর দেশ শত্রু কবলিত, ওকে দেশ ছাড়তে হয়েছে, ও দেশে ফিরতে চায়, এটাই ওর বড় পরিচয়’!
লেখক বলেছেন:
এটাই আমার বড় পরিচয় ছিল।
এখনো এটাই আমার বড় পরিচয়।
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
আপনের লেখার/পোস্টের সাথে আপনার য়েপিয়ারেন্স/স্বভাবের মিল পাওয়া যায় না।দুইমুখো দুইমুখো লাগে।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
"ওর দেশ শত্রু কবলিত, ওকে দেশ ছাড়তে হয়েছে, ও দেশে ফিরতে চায়, এটাই ওর বড় পরিচয়’! -"-অসামান্য উক্তি।
লেখক বলেছেন:
সেই নাম না জানা লোকটির কাছে চিরঋণী হয়ে পড়ি! বয়স অনুমানে হয়ত আজো তিনি বেঁচে আছেন। যেখানেই থাকুন, তিনি যেন ভাল থাকেন!!
এত বছর পরে এতটা দূর থেকে সশ্রদ্ধ স্যালুট!!!
অপ্সরা বলেছেন:
রাগিব বলেছেন: আপনাকে অনুরোধ, এই স্মৃতিচারণটি বই আকারে বের করুন। নিদেনপক্ষে ইবুক। আজকালকার প্রজন্মের জানা দরকার মুক্তিযুদ্ধের এমন অভাবনীয় বাস্তবতা ... একদম আমার মনের কথা বলেছে রাগিব ভাইয়া।
লেখক বলেছেন:
আমার বোনটির মনের কথাও যদি তাই হয় তাহলে তো বের করতেই হবে।
আগের পোস্টে তোমার মন্তব্যের পরে পি.মুন্সী'র মন্তব্য পড়ে দেখো।
এবার মাথাগুঁজে লেখাটা শেষ করি আগে.........
যীশূ বলেছেন:
সাহসী যোদ্ধা!!!!!!!
লেখক বলেছেন:
না ভাই, ক্ষুদ্র এক ইহিতাস কথক।
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
দেশের জন্য অকাতরে প্রান দেয়ার এই ঘটনাগুলো পড়লে একটা কথাই শুধু মনে হয়, আহারে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। আপনি খুব নরম মনের মানুষ।
রাজর্ষী বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
শুভেচ্ছা।
দেশী পোলা বলেছেন:
একটা খেদ রয়ে যায় মনে, ওপারের বাঙালীদের কি আপনাদের যুদ্ধ দেখে কোনদিন যুদ্ধে যাবার ইচ্ছা করেনি?
লেখক বলেছেন:
কোন বাঙালিদের কথা বলছেন?
পঃবঙ্গের বাঙালিরাতো এই যুদ্ধকে মনে করত ভারতের"ষড়যন্ত্র"! তারা পাকিস্তানকে পূণ্যভূমি জ্ঞান করত। নিজেরা হয়ত জমিজমার মায়া ছেড়ে আসতে পারিনি, কিন্তু ভাই বা অন্য কোন না কোন আত্মিয়কে পূর্ব পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়েছে!
তারা বলত-পাকিস্তানকে ভেঙ্গে ভারত পূর্ব বাংলাকে দখল করে নেবে। তারা ভারতে থেকেই পাকিস্তানের স্বপ্ন দেখত(এটা আবার সবাই নয়)।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
কতটা দাম দিয়ে কেনা এই স্বাধীনতা তা আমরা এখনও হয়ত সঠিকভাবে অনুভব করতে পারি না। লেখক বলেছেন:
পারি, তবে অস্বীকার করতে পারলে সেটুকুও আর স্বীকার করি না।
নির্ঝরিনী বলেছেন:
”ক্যাজ্যুয়াল্টি" শব্দটা আমার কাছে আগে একরকম ছিলো, এখন সম্পূর্ন অন্যরকম মানে...সেই কিশোর বয়সে, অমন একটা ফাঁকা জায়গায় একা সারারাত পাহারা দেয়া...আপনার সাহসকে শ্রদ্ধা মনজু ভাই।
লেখক বলেছেন:
এর চেয়েও বেশী সাহসের কাজ ছিল অচেনা এক দেশে ঠিকানাহীন বাবাকে খুঁজে বের করা! আর সেই কাজে আমাকে আমার মায়ের পাঠিয়ে দেওয়া!!
ধন্যবাদ নির্ঝরিনী। ভাল থাকুন।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ব্যস্ততায় কদিন ব্লগে আসা হয়নি.....
শুধু মনে হচ্ছিল তারপর কি হলো?
আবারও সেই উৎকন্ঠার সাথে সময় পার হওয়া.....।অন্ধকারে একা একটা কিশোর মুক্তিযোদ্ধার চোখে যুদ্ধ দেখা।
এ অনুভূতির কোন তুলনা নেই.......
ভালো থাকবেন মনজুরুল ভাই।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন:
কি যে এক মায়ার বাঁধনে জড়ালেন!
আমিও মনে মনে খুঁজছিলাম-সাজি কই?
শুনলাম ভয়ানক শীত ওখানে! মাইনাস ২০ !! কী ভয়ংকর!!
ভাল থাকুন সাজি। সাবধানে থাকুন। নিরাপদে থাকুন।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
আমাদের বুকের ভেতর যারা ভয়ানক কৃষ্ণপক্ষ দিয়েছিলো সেঁটে
মগজের কোষে কোষে যারা
পুতেছিলো আমাদেরি আপন জনেরই লাশ
দগ্ধ, রক্তাপ্লুত
যারা গণহত্যা করেছে
শহরে গ্রামে টিলায় নদীতে ক্ষেত ও খামারে
আমি অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের চেয়েও অধিক পশু
সেই সব পশুদের।
লেখক বলেছেন:
অসামান্য পঙ্তিতে মুগ্ধ
কোন কিছু বলবার রইল না!
লেখক বলেছেন:
পাথর ঘসে আলো জ্বালানো সেই মানুষগুলি ধাক্কা খেতে খেতে এখন একেবারে কোণায় চলে গেছে, আর একটু ধাক্কা লাগলেই পড়ে যাবে অতলে!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















সেই দুই জনের নামি কি পরে জানতে পেরেছিলেন?